Breaking News
Sandeshkhali: স্ত্রীকে কাঁদতে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়লেন 'সন্দেশখালির বাঘ'...      High Court: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় প্রায় ২৬ হাজার চাকরি বাতিল, সুদ সহ বেতন ফেরতের নির্দেশ হাইকোর্টের      Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে জমি দখল তদন্তে সক্রিয় সিবিআই, বয়ান রেকর্ড অভিযোগকারীদের      CBI: শাহজাহান বাহিনীর বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ! তদন্তে সিবিআই      Vote: জীবিত অথচ ভোটার তালিকায় মৃত! ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ধূপগুড়ির ১২ জন ভোটার      ED: মিলে গেল কালীঘাটের কাকুর কণ্ঠস্বর, শ্রীঘই হাইকোর্টে রিপোর্ট পেশ ইডির      Ram Navami: রামনবমীর আনন্দে মেতেছে অযোধ্যা, রামলালার কপালে প্রথম সূর্যতিলক      Train: দমদমে ২১ দিনের ট্রাফিক ব্লক, বাতিল একগুচ্ছ ট্রেন, প্রভাবিত কোন কোন রুট?      Sarabjit Singh: ভারতীয় বন্দি সরবজিৎ সিং-এর হত্যাকারী সরফরাজকে গুলি করে খুন লাহোরে      BJP: ইস্তেহার প্রকাশ বিজেপির, 'এক দেশ এবং এক ভোট' লাগু করার প্রতিশ্রুতি     

দেশ

Nitish Kumar: ৫ বছরের মেয়াদে তৃতীয়বার মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নীতীশ কুমারের, শপথ ২ উপমুখ্যমন্ত্রীরও

৫ বছরের মেয়াদে তৃতীয়বার মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন নীতীশ কুমার। রবিবার বিকেল ৫টায় হবে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। এবার তাঁর সঙ্গে শপথ নিলেন দুই উপমুখ্যমন্ত্রীও। ২ জনেই বিজেপির বিধায়ক। সম্রাট চৌধুরী এবং বিজয় সিনহা এবার উপমুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন। শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত জেপি নাড্ডা।

লোকসভা নির্বাচনের আগে বড় ধাক্কা ইন্ডিয়া ব্লকে। নীতীশ কুমারের শিবির ত্যাগে শুধু ইন্ডিয়া ব্লক নয়, বিহারে মহাজোট ভেঙে দিয়েছে। রবিবার সকালে পটনায় রাজভবনে রাজ্যপাল রাজেন্দ্র আরলেকারের কাছে পদত্যাগ পত্র জমা দেন জেডিইউ সুপ্রিমো। নীতীশ কুমারের এই শিবির ত্যাগে কংগ্রেসও কার্যত দিশেহারা।

এদিন কংগ্রেসের নেতারা এতটাই ক্ষুব্ধ যে, তারা নীতীশ কুমারকে গিরগিটির সঙ্গে তুলনা করে বলেছেন, জনগণ তাঁকে কখনই ক্ষমা করবে না। কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক জয়রাম রমেশ নিজের এক্স হ্যান্ডেলে নীতীশ কুমারকে বিশ্বাসঘাতকদের বিশেষজ্ঞ বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, এই বিশেষজ্ঞ এবং যারা তাদের নাচিয়েছে, তাদেরকে জনগণ ক্ষমা করবে না। কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক আরও বলেছেন, এটা স্পষ্ট যে প্রধানমন্ত্রকী ও বিজেপি ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রাকে বয় পাচ্ছেন। সেখান থেকে দৃষ্টি সরাতে এই রাজনৈতিক নাটক বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

সর্বসাকুল্যে এই নিয়ে নবমবার বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ েনবেন নীতীশ কুমার। প্রতিবারই কোনও না কোনও কৌশলে পাল্টি খেয়ে নিজের মুখ্যমন্ত্রীর পদটি ঠিক বাঁচিয়ে গিয়েছেন নীতীশ। কখনও বিজেপির হাত ধরে তো কখনও আরজেডির হাত ধরে। দাবার চালের মতো চাল চেলেই নিজে গদি রক্ষা করেছেন জেডিইউ সুপ্রিমো।

২০০০ সাল থেকে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদে রয়েছেন নীতীশ কুমার। কখনও বিজেপির সমর্থনে তো কখনও আরজেডির সমর্থনে। ২০১০ সাল পর্যন্ত বিজেপির সমর্থন নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী পদে থেকেছেন নীতীশ কুমার। ২০১৫ সালে ২ বার মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেন আরজেডির সমর্থনে। ২০১৭ এবং ২০২০ তে আবার বিজেপির সমর্থন নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী পদে বসেন তিনি। ২০২২ সালে আবার আরজেডির সমর্থনে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ। তারপরে আবার ২০২৪ সালে বিজেপির সমর্থন নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিতে চলেছেন তিনি। যদিও ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোর দাবি করেছেন বিজেপির সঙ্গে নীতীশের এই জোট স্থায়ী হবে না। ২০২৪-র লোকসভা ভোট আসতে আসতে তিনি আবার বিজেপির সঙ্গ ছেড়ে আরজেডিতে যোগ দেবেন। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য একটা সময়ে জেডিইউতে যোগ দিয়েছিলেন প্রশান্ত কিশোর। কিন্তু নীতীশের সঙ্গে মনোমালিন্যার জেরে তিনি জেডিইউ ছেড়ে বেরিয়ে আসেন।

3 months ago
PM Modi: 'রামরাজ্য থেকেই অনুপ্রাণিত ভারতের সংবিধান!', বছরের প্রথম 'মন কি বাত' অনুষ্ঠানে বার্তা মোদীর

এ বছরের প্রথম মন কি বাত অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মন কি বাতের ১০৯তম পর্বে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে উঠে এসেছে একাধিক প্রসঙ্গ। অযোধ্যার রাম মন্দির, প্রজাতন্ত্র দিবস থেকে শুরু করে বোর্ড পরীক্ষা বা আসন্ন লোকসভা নির্বাচন এবং  শ্রীরামের প্রসঙ্গ তুললেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।

তিনি বলেছেন, ভারতীয় সংবিধান রচিত হয়েছে শ্রীরামের অনুপ্রেরণাতেই। অর্থাৎ রাম রাজ্যই অনুপ্রেরণা দিয়েছে দেশের সংবিধান তৈরি করতে। ভারতীয় সংবিধানের তৃতীয় পরিচ্ছদে রয়েছে দেশের নাগরিকদের মৌলিক অধিকারের কথা। আর সেখানেই সংবিধান রচয়িতারা শ্রীরাম, মাতা সীতা এবং লক্ষ্মণজীকে সংযুক্ত করেছেন। কাজেই ভারতীয় সংবিধানের আধারই শ্রীরাম। এমনই মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।

প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগেই অযোধ্যার রাম মন্দিরে রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা করেছেন তিনি। ৫৫০ বছর পর রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা হল অযোধ্যায়। সেই ঐতিহাসিক দিনে প্রায় ৭০০০ অতিথি সমাগম হয়েছিল অযোধ্যায়। তার পরের দিন সাধারণের জন্য মন্দিরের দরজা খুলে দেওয়া হয় তাতে রেকর্ড সংখ্যক ভিড় দেখা গিয়েছিল রাম মন্দিরে। এক দিনে প্রায় ৫ লক্ষ ভক্ত সমাগম ঘটেছিল সেখানে। যা ভ্যাটিকান সিিট থেকে মক্কা শরিফ সব তীর্থস্থানের বার্ষিক পুণ্যার্থী সমাগমকে ছাপিয়ে গিয়েছিল। রাম লালার দর্শনে এখনও দিনে তিন থেকে সাড়ে তিন লক্ষ পুণ্যার্থীর সমাগম হয়েছে।

3 months ago
Bihar: একই দিনে ইস্তফা আবার মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নীতীশের, মহাজোট ছেড়ে ফের NDA-এর পথে...

বিহারে রাজনৈতিক সংকট ফের তুঙ্গে। আবারও পাল্টি খেয়েছেন নীতীশ কুমার। ইন্ডিয়া ছেড়ে নীতীশ যোগ দিচ্ছেন বিজেপি শাসিত এনডিএ-তে। আজ, রবিবার বিকেল সাড়ে ৩টের সময় ফের বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিতে চলেছেন নীতীশ কুমার। তবে এবার আরজেডির সঙ্গে জোট গড়ে নয়। ফের বিজেপির সঙ্গে জোট গড়ে সরকার গড়তে চলেছেন তিনি। ইতিমধ্যে রাজ্যপালের কাছে ইস্তফা দিয়ে রাজভবন থেকে বেরোলেন জেডিইউ সুপ্রিমো নীতিশ কুমার।

সকাল ১০টা থেকে বিজেপি বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন তিনি। জানা গিয়েছে, বিজেপির সঙ্গে জোট ঘোষণার পরেই তিনি মুখ্যমন্ত্রী পদে ফের শপথ নেবেন। তার আগে বিকেল ৩টে নাগাদ পাটনায় পৌঁছবেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা।

শনিবার থেকেই তোড়জোর শুরু হয়ে গিয়েছিল। ইন্ডিয়া জোট ভেঙে বেরিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন নীতীশ কুমার, এই নিয়ে গত কয়েকদিন ধরেই জল্পনা শুরু হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত তাতেই সিলমোহর পড়ল। গতকাল নিজের মন্ত্রিসভা থেকে আরজেডির সব মন্ত্রীদের বরখাস্ত করে বিধানসভা ভেঙে দেন নীতীশ কুমার। তারপরেই জল্পনা শুরু হয় বিজেপির সঙ্গে জোট গড়া নিয়ে। শেষ পর্যন্ত সেই বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়েই ফের সরকার গড়তে চলেছেন তিনি।

3 months ago


Nitish Kumar: 'ইন্ডিয়া জোটে' বড় ধাক্কা, মোদীর হাত ধরে এনডিএ-তে ফিরছেন জেডিইউ প্রধান নীতিশ কুমার!

অবশেষে গুঞ্জনই কি সত্যি হবে! ফের একবার জোট বদল করতে চলেছেন জেডিইউ সুপ্রিমো তথা বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার। এমনটা নিয়েই জল্পনা তুঙ্গে। ২৮ জানুয়ারি বিজেপি-জেডিইউ জোটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে পারেন নীতিশ বলেই সূত্রের খবর। গেরুয়া শিবিরে ফিরতে চলেছেন তিনি। রবিতেই এনডিএ জোটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন জেডিইউ সুপ্রিমো, আর এই নিয়েই শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে।

ফের একবার বিহারের রাজনীতিতে 'হালচাল'। জানা গিয়েছে, গতকাল গভীর রাতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর বাড়িতে বিহারের বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে একটি বৈঠক হয়। সূত্রের খবর, সেখানে বিহারের বিজেপি নেতৃত্বকে স্পষ্ট বলে দেওয়া হয়েছে নীতিশকে প্রয়োজন এনডি‌এ-র। আজ অর্থাৎ প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন জানা যাচ্ছে, বিজেপি এবং নীতিশ কুমার-এর জোট প্রায়ই নিশ্চিত। রবিবারই এনডিএ জোটের হয়ে বিহারের মুখ্যমন্ত্রীর শপথ নিতে চলেছেন নীতিশ কুমার। এই পরিস্থিতিতে সুশীল মোদিকে উপমুখ্যমন্ত্রী করা হবে বলেও কেন্দ্রের তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে খবর।

আরও দূরত্ব বাড়ল বিহারের জেডিইউ এবং আরজেডির মধ্যে, তা বলাই বাহুল্য। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে লালু প্রসাদ যাদবের কন্যা রোহিনি এক্স হ্যান্ডেলে নাম না করে কোনও একজন রাজনীতিবিদকে প্রবল আক্রমণ করেন। সেখানে "বদতামিজ" এর মত শব্দ প্রয়োগ করেন তিনি। পরিষ্কারই বোঝা যাচ্ছিল আক্রমণের লক্ষ্য বিহারের মুখ্যমন্ত্রী তথা জেডিইউ সুপ্রিমো নীতিশ কুমার। এতে অত্যন্ত অপমানিত এবং ক্ষুব্ধ হয়েছেন নীতিশ। যদিও পরে এক্স হ্যান্ডেলের এই পোস্টগুলি মুছে দেন রোহিনী। কিন্তু এবার নীতিশের পাশে দাঁড়িয়ে রোহিনীকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি তোলে বিহার বিজেপি। আর এর থেকেই পরিষ্কার যে, বিজেপির সঙ্গে ক্রমশই সম্পর্কের উন্নতি হচ্ছে নীতিশ কুমারের।

যদিও জেডিইউ-র পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও বিবৃতি দেওয়া হয়নি। তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে, এই সিদ্ধান্ত প্রায় পাকা হয়ে গিয়েছে। ফলে রবিবার যদি  বিজেপি-র সঙ্গে হাত মিলিয়ে এনডিএ-তে ফের প্রত্যাবর্তন করেন নীতিশ কুমার, তবে লোকসভা নির্বাচনের আগে 'ইন্ডিয়া' জোটের জন্য বড় ধাক্কা, তা বলাই বাহুল্য।

3 months ago
Ram Mandir: রাম মন্দির দেখতে ভক্তের ঢল! বদলে গেল রামলালা দর্শনের সময়

২২ জানুয়ারি ছিল সেই ঐতিহাসিক মুহূর্ত! সেদিন উদ্বোধন করা হয় নবনির্মিত রাম মন্দির ও এর পাশাপাশি গর্ভগৃহে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা হয় রামলালা। আর সাধারণের জন্য রাম মন্দিরের দ্বার খোলার পর থেকেই মন্দিরের সামনে জনজোয়ার। ফলে বিপুল সংখ্যক ভক্তদের কথা ভেবেই রাম মন্দিরের দর্শনের সময় পরিবর্তন করা হল। রামলালা দর্শন এখন থেকে ভক্তরা করতে পারবেন ভোর ছ'টা থেকে রাত দশটা পর্যন্ত।

কোটি কোটি মানুষের জনসমাগমে অযোধ্যা ঘিরে প্রবল উৎসাহ সাধারণ মানুষের মনে। প্রথম দিনেই তিন কোটির বেশি অনুদান জমা পড়েছে। এদিকে ভিড় সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে উত্তরপ্রদেশ পুলিস। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিপরিষদ তাঁদের পূর্ব নির্ধারিত অযোধ্যা ভ্রমণসূচি স্থগিত রেখেছে। অযোধ্যায় ঢোকার সমস্ত বাস রুটও বন্ধ করে দিয়েছে উত্তরপ্রদেশ প্রশাসন। তা সত্ত্বেও ১৫ থেকে ২০ কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে হাজারে হাজারে মানুষ প্রতিদিন আসছেন রামলালার দর্শনে। আর এরই মাঝে সাধারণ মানুষের কথা ভেবেই রামলালা দর্শনের সময় পরিবর্তন করা হল। এখন থেকে ভক্তরা রামলালা দর্শন করতে পারবেন ভোর ছটা থেকে রাত দশটা পর্যন্ত। এই সময় টানা খোলা থাকবে রাম মন্দিরের দরজা।

প্রথমে প্রতিদিন রাম মন্দিরের দর্শনের সময় নির্ধারিত হয়েছিল সকাল ৭টা থেকে সাড়ে ১১টা। এরপর আবার দুপুর ১২টা থেকে ২টো পর্যন্ত বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছিল মন্দিরের দরজা। ফের ২টো থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত দর্শনের অনুমতি মিলছিল। কিন্তু, কাতারে কাতারে ভক্ত সমাগমের কথা মাথায় রেখে এবার থেকে সকাল ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত রামলালার দর্শন করতে পারবেন পুণ্যার্থীরা।

3 months ago


Republic Day: ৭৫ তম প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে নারীশক্তির জয়জয়কার! কড়া নিরাপত্তা বলয়ে রাজধানী

২৬ জানুয়ারি, আজ ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবস। সারা দেশজুড়ে উদযাপন করা হচ্ছে ৭৫তম সাধারণতন্ত্র দিবস। দেশের প্রতিটি কোণায় বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে চলছে সেলিব্রেশন। প্রতি বছরের মতো এবছরও মহাসমারোহে পালিত হচ্ছে প্রজাতন্ত্র দিবস। ৭৫ তম প্রজাতন্ত্র দিবসের প্যারেডে বিশেষ প্রাধান্য পাচ্ছে নারীশক্তি। এদিন সকালে দিল্লির কর্তব্যপথে পতাকা উত্তোলন করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। এবারের অনুষ্ঠানে মুখ্য অতিথি রয়েছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। ২৬ জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে বেনজির নিরাপত্তা বলয়ে মুড়ে ফেলা হয়েছে গোটা রাজধানী দিল্লিকে। জানা গিয়েছে, এদিন সকাল ১০ টা ২০ মিনিট থেকে দুপুর ১২ টা ৪৫ মিনিটের মধ্যে কোনও ফ্লাইট টেক অফ করবে না। অর্থাৎ বিমানবন্দরে পৌঁছানোর অনুমতি দেওয়া হবে না।

প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে একই ঘোড়ার গাড়িতে সওয়ার দুই দেশের দুই রাষ্ট্রপ্রধান। ৭৫তম প্রজাতন্ত্র দিবসের সকালে এমনই দৃশ্য দেখা গেল দিল্লির পথে। একই ঘোড়ার গাড়িতে চড়ে রাইসিনা হিলস থেকে কর্তব্য়পথে পৌঁছলেন ভারতের রাষ্ট্রপতি দৌপদ্রী মুর্মু ও ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমান্য়ুয়েল ম্যাক্রোঁ। দুই রাষ্ট্রপ্রধান অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছনোর পর, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তাঁদের স্বাগত জানান। এর পরই পতাকা উত্তোলনের পর শুরু হয় প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজ। এবারের প্রজাতন্ত্র দিবসের প্যারেডে দেখা যায় মহিলা ক্ষমতায়ন। কর্তব্যপথে দেখা যায় মহিলা সেনার বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ। গ্র্যান্ড সেলিব্রেশনে এবারের থিম 'ওম্যান এমপাওয়ারমেন্ট'।

শুক্রবারের মধ্য দিল্লিতে যানবাহন চলাচলের উপর একাধিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে । প্যারেড বিজয় চক থেকে শুরু হবে এবং কর্তব্য পথ, সি- ষড়ভুজ, নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু মূর্তি গোলচত্বর, তিলক মার্গ, বাহাদুর শাহ জাফর মার্গ এবং নেতাজি সুভাষ মার্গ হয়ে লাল কেল্লায় শেষ হবে। নিশ্চিদ্র নিরাপত্তার জন্য পঞ্চম স্তরীয় নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে, কর্তব্য পথ থেকে শুরু করে লালকেল্লা পর্যন্ত। মোতায়েন করা হয়েছে ১৪ হাজার দিল্লি পুলিস কর্মীকে। দিল্লি পুলিসের কমিশনার জানিয়েছেন যে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় দিল্লি পুলিশের কর্মীদের সাথে থাকবেন কমান্ডো, দ্রুত প্রতিক্রিয়া দল, পিসিআর ভ্যান, মোর্চা, নাশকতাবিরোধী চেক। এরা কর্তব্য পথ এবং শহরের চারপাশে নির্দিষ্ট যায়গায় নজরদারি করবে। দিল্লি পুলিসের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে কোনও জরুরি অবস্থা এড়াতে পেশাদার পদ্ধতিতে প্রস্তুত রয়েছে তারা।  লাগানো হয়েছে অসংখ্য নতুন সিসিটিভি। ফেস রেকগনাইজ সিস্টেম সহ সেরা প্রযুক্তি ব্যবহার করে ক্যামেরা এবং পদাতিক সৈন্যরা অনুষ্ঠানস্থলের প্রতিটি কোণে নজর রাখবেন। পাশাপাশি কমিশনার জানান যে দিল্লি পুলিস বায়বীয় হুমকি মোকাবেলার জন্যও প্রস্তুত রয়েছে।

3 months ago
Ayodhya: রামলালা দর্শনে ভক্তদের সুনামি, ভাঙল ব্যারিকেড, ভিড় সামলাতে নাজেহাল পুলিস

রামলালা দর্শনে অযোধ্যায় ভক্তদের সুনামি। যার জেরেই চরম বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হল রামমন্দির উদ্বোধনের পরের দিন সকালেই। জানা গিয়েছে, পুলিসের ব্যারিকেড ভেঙে রামলালা দর্শনে মন্দিরের দিকে এগিয়ে যান পুণ্যার্থীরা। পরিস্থতি সামাল দিতে অতিরিক্ত পুলিস বাহিনী আনছে শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট।

সংবাদ সংস্থা এএনআইয়ের একটি ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে। ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, পুলিসের ব্যারিকেড ভেঙে হুড়মুড় করে মন্দিরের দিকে ছুটছে জনস্রোত। সেই সময়েই বেশ কয়েক জন পদপিষ্ট হয়েছেন বলে দাবি বেশ কিছু সংবাদ সংস্থার।

উল্লেখ্য, সোমবার দুপুর ১২টা ২৯ মিনিটে ‘শুভ মুহূর্তে’ রামলালার প্রাণপ্রতিষ্ঠা হয়। উদ্বোধনের পর মঙ্গলবার সকাল ৭টায় খোলে মন্দিরের দরজা। বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত খোলা থাকে মন্দির। পরে আবার দুপুর ২টো থেকে সন্ধে ৭টা পর্যন্ত রামলালা দর্শন চলবে। সকাল সাড়ে ৬টায় ‘জাগরণ’ অর্থাৎ আরতি এবং সন্ধে সাড়ে ৭টায় সন্ধ্যারতি হবে। তা অনলাইনেও দেখতে পাবেন ভক্তরা। যদিও ভিড়ের চাপে আপাতত দর্শন বন্ধ। এছাড়া মন্দির সংক্রান্ত আরও নিয়মাবলী প্রকাশ করেছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। সেগুলি হল-

* দিনে তিনবার আরতি হবে।

* প্রত্যেকবার আরতিতে ৩০ জন করে ভক্তকে সুযোগ দেওয়া হবে রামলালার আরতি দর্শনের।

* প্রত্যেকের কাছে থাকতে হবে পূর্ব অনুমতি পত্র এবং ভারত সরকারের দেওয়া সরকারি পরিচয় পত্র।

* অফলাইন এবং অনলাইনে এই আরতি দর্শনের পাস পাওয়া যাচ্ছে। অফলাইনে অযোধ্যার মন্দিরের ক্যাম্প অফিস থেকে মিলবে পাস।

* অনলাইনেও বুক করা যাচ্ছে এই পাস। শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের ওয়েবসাইটে লগইন করে পাসের জন্য আবেদন জানাতে পারবেন ভক্তরা।

* দুপুরে ভোগ আরতি ১২টায়।

আরতি দর্শন করার জন্য আরতির নির্দিষ্ট সময়ের আগেই পৌঁছে যেতে হবে মন্দিরে।

3 months ago
Ayodhya: নয়া অধ্যায়ের সূচনা! ৮৪ সেকেন্ডের মাহেন্দ্রক্ষণে প্রধানমন্ত্রীর হাতে রামলালার 'প্রাণপ্রতিষ্ঠা'

অযোধ্যায় নতুন যুগের সূচনা। ঐতিহাসিক মুহূর্তে প্রাণ প্রতিষ্ঠা হল রাম মন্দিরের রামলালার বিগ্রহে। অভিজিৎ মুহূর্তে ৮৪ সেকেন্ডের মধ্যে রামলালার মূর্তিতে বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণের মধ্য দিয়ে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সঙ্গে ছিলেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত। দ্বাদশীর দিনে শুভক্ষণে রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা করেন তিনি। গোটা দেশ সাক্ষী থাকল সেই মাহেন্দ্রক্ষণের।

একেবারে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে চলেছে প্রত্যেকটা অনুষ্ঠান। অযোধ্যার মন্দিরে পা রাখার আগে প্রধানমন্ত্রী রামজন্মভূমি চত্বর প্রদক্ষিণ করেন। সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে তিনি পৌঁছে গিয়েছিলেন অযোধ্যায়। তারপরে একে একে সব অনুষ্ঠান নিপুণভাবে সম্পন্ন করেছেন। গর্ভগৃহে পায়ে হেঁটে প্রবেশ করেন। হাতে ছিল একটি রুপোর চাঁদোয়া।

তারপরে মন্দিরের ভিতরে মোহন ভাগবতকে সঙ্গে নিয়ে পুজোয় বসেন তিনি। চক্ষুদানের সংকল্প করেন প্রধানমন্ত্রী। তারপরে পদ্মফুল দিয়ে রামলালার পায়ে পুস্পার্ঘ দেন তিনি। সেসময় হেলিকপ্টারে করে রাম মন্দিরের উপরে পুষ্পবৃষ্টি করা হয়। অযোধ্যায় রামলালা বালক বেশে পুজিত হবেন। শঙ্খ-ঘণ্টাধ্বনিতে মুখরিত অযোধ্যা। একেবারে ঘড়ির কাঁটা ধরে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা হয়।

পদ্মফুল দিয়ে পুস্পাঞ্জলি দেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। তাঁর সঙ্গে পুস্পাঞ্জলি দেন মোহন ভাগবত, উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এবং রাজ্য়পাল আনন্দীবেন পটেল। বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণের মধ্যে প্রাণ প্রতিষ্ঠা হয় রাম লালার বিগ্রহে। সেই সঙ্গে মন্দিরের বাইরে রামনাম হচ্ছিল। সঙ্গে ভজন গাওয়াও চলছিল। পুস্পাঞ্জিলর পর কর্পুরের আরতি করেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। তারপরে পঞ্চ প্রদীপে রামলালার আরতি করেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। কাঁসর ঘণ্টা সহযোগে রামলালার আরতি করেন তিনি।

3 months ago


PM Modi: অযোধ্যায় খুশির হাওয়া! রামমন্দিরে পুজোয় বসলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী

রাম মন্দিরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।  হাতে পুজোর ডালা নিয়ে ধীরে ধীরে গর্ভগৃহের দিকে এগিয়ে যান। এরপর পুজোয় বসলেন প্রধানমন্ত্রী। রামলালার বিগ্রহে ‘প্রাণপ্রতিষ্ঠা’ হওয়া আর মাত্র কিছু সময়ের অপেক্ষা।

রুপোর মুকুট হাতে রামমন্দিরে এলেন প্রধানমন্ত্রী। গর্ভগৃহে উপস্থিত উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, রাজ্য়পাল আনন্দীবেন পটেল, আরএসএস প্রধান মোহন ভগবত ও রাম মন্দিরের প্রধান পুজারী।

3 months ago
Ram Mandir: অযোধ্য়াজুড়ে মহোৎসবের মেজাজ, মাহেন্দ্রক্ষণের অপেক্ষায় দেশবাসী

শত অপেক্ষার অবসান। আজ উদ্বোধন হতে চলেছে অযোধ্যার রাম মন্দির। সেই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের জন্য় অধির আগ্রহে রয়েছেন গোটা দেশের মানুষ। তবে শুধু দেশ নয় গোটা বিশ্ব মুখিয়ে রয়েছে রামলালার প্রাণপ্রতিষ্ঠা দেখার অপেক্ষায়। সরয়ূর তীরে মহোৎসবের সাজে সেজে উঠেছে অযোধ্য়ার রামলালা ধাম। এদিন সকাল থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে রাম মন্দিরের প্রাণ প্রতিষ্ঠার আচার। আবেগের উৎসবে আনন্দিত। 

সোমবার দুপুরে নবনির্মিত কৃষ্ণশিলা মূর্তির প্রাণ প্রতিষ্ঠা। আর সেই প্রাণ প্রতিষ্ঠা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ইতিমধ্য়েই অযোধ্য়ায় পৌঁছে গিয়েছেন নরেন্দ্র মোদী। বিমান বন্দর থেকে অযোধ্য়া যাবেন হেলিপ্য়াডে। তাই নিরাপত্তায় চাদরে মোড়া রয়েছে রাম মন্দির। মোতায়েন রয়েছে ১৩ হাজার নিরাপত্তারক্ষী। আমন্ত্রিত অতিথি ও বিশেষ অনুমতিপত্র ছাড়া প্রবেশ নিষেধাজ্ঞা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান উপলক্ষে হাজির হয়েছেন রাজনৈতিক ব্য়ক্তি থেকে শুরু করে সেলিব্রিটিরা। 

3 months ago


Ram Mandir: রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার আগে আয়োজন করা হবে 'মঙ্গল ধ্বনি'র, বাজানো হবে বিভিন্ন রাজ্যের বাদ্যযন্ত্র

রাত পোহালেই ২২ জানুয়ারি, রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা, এর পাশাপাশি নবনির্মিত রাম মন্দিরের উদ্বোধন। ফলে সেই ঐতিহাসিক ক্ষণের জন্যই অপেক্ষায় সারা দেশবাসী। রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা অনুষ্ঠানের শুভ ও ঐতিহাসিক উপলক্ষ্যে, সকাল ১০টা থেকে প্রাণ-প্রতিষ্ঠা মুহুর্তের ঠিক আগে পর্যন্ত, প্রায় ২ ঘণ্টা শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরে শুভ পবিত্রতার জন্য 'মঙ্গল ধ্বনি'র আয়োজন করা হবে। এমনটাই জানিয়েছেন শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাই। এছাড়াও বিভিন্ন রাজ্যের বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র বাজানো হবে বলে জানা গিয়েছে।

জানা গিয়েছে, রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার আগে বিভিন্ন রাজ্য থেকে ৫০টিরও বেশি মনোমুগ্ধকর বাদ্যযন্ত্র প্রায় ২ ঘন্টা ধরে বাজানো হবে। ভগবান শ্রী রামের সম্মানে বিভিন্ন ঐতিহ্যকে একত্রিত করে এই গ্র্যান্ড কনসার্টটি প্রতিটি ভারতীয়র জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ্য চিহ্নিত করবে। এই শুভ সংগীতানুষ্ঠানের ডিজাইনার এবং সংগঠক হলেন যতীন্দ্র মিশ্র, যিনি একজন প্রখ্যাত লেখক, অযোধ্যা সংস্কৃতি বিশেষজ্ঞ এবং শিল্পী। এই কাজে তাঁকে সহায়তা করেছে কেন্দ্রীয় সঙ্গীত নাটক আকাদেমি, নয়াদিল্লি।

মন্দির প্রাঙ্গণে ভারতীয় ঐতিহ্যে ব্যবহৃত সব ধরনের যন্ত্র বাজানো হবে। এর মধ্যে রয়েছে পাখাওয়াজ, বাঁশি, উত্তর প্রদেশের ঢোলক, কর্ণাটকের বীণা, মহারাষ্ট্রের সুন্দরী, পাঞ্জাবের আলগোজা, ওড়িশার মর্দাল, মধ্যপ্রদেশের সান্টুর, মণিপুরের পুং, অসমের নাগারা ও কালি, ছত্তিশগড়ের তাম্বুরা, বিহারের পাখাওয়াজ, দিল্লির পাখাওয়াজ, শেহনাই, রাজস্থানের রাবণহাঠ, বাংলার শ্রীখোল, সরোদ, অন্ধ্রের ঘটম, ঝাড়খণ্ডের সেতার, গুজরাটের সান্তার, নাগাস্বরম, তাভিল, তামিলনাড়ুর মৃদং এবং উত্তরাখণ্ডের হুডা-এর মতো বাদ্যযন্ত্র বাজানো হবে।

3 months ago
Ram Mandir: ঐতিহাসিক মুহূর্তের আর একদিন! রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার আগেই জনপ্লাবন রুখতে বন্ধ অযোধ্যা স্টেশন

রবিবার পেরোলেই সোমবার রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা। অবশেষে রামলালা বিরাজমান হবেন তাঁর নিজগৃহে। তারই কাউন্টডাউন এখন শুরু হয়ে গিয়েছে রামনগরীতে। ২২ জানুয়ারির পুণ্যক্ষণকে বরণ করে নিতে সেজে উঠছে অযোধ্যা। দর্শনার্থীদের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে রামের মূর্তি। জনতার ঢল সামলাতে বন্ধ অযোধ্যা আসার দুটি স্টেশনও। শুধু চূড়ান্ত কাউন্টডাউনের প্রহর গুণছে ১৪০ কোটির দেশ।

পাঁচ বছর বয়সী রামলালার মূর্তি বসেছে গর্ভগৃহে। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়েছে সেই মূর্তির ছবি। কন্নড় শিল্পী যোগীরাজ অরুণের হাতে তৈরি কৃষ্ণশীলার এই মূর্তি ঘিরে আবেগও উঠেছে তুঙ্গে। জানা গিয়েছে, ২০০ কেজি ওজনের এই মূর্তির উচ্চতা ৪.২৪ ফুট আর চওড়ায় তিন ফুট। ভগবান রামের বাল্যকালকে হাতে ফুটিয়ে তুলেছেন যোগীরাজ অরুণ। সূত্রের খবর, মূর্তি ভালো করে পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যাবে বিষ্ণুর দশ অবতার স্থান পেয়েছে মূর্তিতে। একদম নীচে রয়েছেন হনুমানজি এবং গরুর। মাথায় সূর্য ভগবান। মৎস্য, কুর্ম, বরাহ, নৃসিংহ, বামন, পরশুরাম, রাম, কৃষ্ণ, বুদ্ধ, কল্কি অবতার খোদাই করা মূর্তিতে।

এদিকে প্রশাসন সূত্রে খবর, শনিবার থেকে বন্ধ অযোধ্যা ধাম এবং ফৈজাবাদ স্টেশন। পুণ্যার্থীদের চাপ সামলাতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল মন্ত্রক। জেলা প্রশাসনের অনুরোধেই এই দুই স্টেশনে ট্রেন ঢোকানো বন্ধ করে দিয়েছে রেল মন্ত্রক। অযোধ্যা ধাম এবং ফৈজাবাদ স্টেশনে ঢোকার আগে অনেক ট্রেনের অভিমুখ বদলে দেওয়া হয়েছে। ফলে রবিবার থেকে যাঁদের বুকিং টাকা ফেরতের ব্যবস্থা করেছে রেল মন্ত্রক, এমনটাই সূত্রের খবর। ইতিমধ্যে পুণ্যার্থীদের ভিড়ে হিমশিম অবস্থা জেলা প্রশাসনের। লতা মঙ্গেশকর চক থেকে নির্মীয়মান রামমন্দির এবং সরযূ তীরে শুধুই কালো মাথার ভিড়। ট্রেন ছাড়াও পায়ে হেঁটে, ব্যক্তিগত গাড়িতে কিংবা গোরু-মহিষের গাড়িতে চেপে সহস্র পুণ্যার্থী অযোধ্যায় প্রবেশ করছেন। তাঁদের সামলাতে হিমশিম অবস্থা স্থানীয় প্রশাসনের। তাই মূল অনুষ্ঠানের দিন ভিভিআইপিদের উপস্থিতির মধ্যে কোনওপ্রকার অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে রেলপথ বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত জেলা প্রশাসনের।

আবার শনিবার কাজী নজরুল ইসলামের একটি গান সমাজমাধ্যমে শেয়ার করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মন জপ নাম এই গানটি গেয়েছেন বাঙালি শিল্পী পায়েল কর। সেই ইউটিউব লিঙ্ক-সহ সামাজিক মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, 'প্রভু শ্রীরামের প্রতি বাংলার মানুষের অগাধ আস্থা। সোমবারের অনুষ্ঠানের পর মিষ্টিমুখ আবশ্যিক। তাই হায়দরাবাদ থেকে অযোধ্যায় এসেছেন ১২৫৬ কেজির লাড্ডু। তিরুপতি বালাজি মন্দির পাঠিয়েছে ৩ টনের লাড্ডু।'

3 months ago
Mahua Moitra: সরকারি বাংলো থেকে মহুয়া মৈত্রকে উচ্ছেদ করতে পাঠানো হল কেন্দ্রীয় সরকারের দল!

সদ্য বহিষ্কৃত সাংসদ মহুয়া মৈত্রের সরকারি বাংলো ছাড়া নিয়ে বেশ কয়েকদিন ধরেই জল্পনা তুঙ্গে। কিছুদিন আগেই কেন্দ্র থেকে নোটিশ পাঠানো হয়েছিল যে, তিনি সরকারি বাংলো না ছাড়লে প্রয়োজনে বলপ্রয়োগ করা হবে। এবারে আজ অর্থাৎ শুক্রবার জানা গিয়েছে, দিল্লির সরকারি বাংলো থেকে উচ্ছেদ করতে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে এক দল পাঠানো হয়েছে। কিন্তু অন্য়দিকে, মহুয়া মৈত্রের দফতরের থেকে জানানো হয়েছে, সেই দল পৌঁছনোর আগেই তিনি বাংলো ছেড়ে দিয়েছেন। মহুয়ার আইনজীবী জানিয়েছেন, শুক্রবার সকাল ১০টা নাগাদ বাংলো খালি করে দেওয়া হয়েছে।

গত বছর মহুয়া মৈত্রের সাংসদ পদ খারিজ করা হলে ডিরেক্টরেট অফ এস্টেটের তরফে তাঁকে একাধিকবার নোটিশ পাঠানো হয়েছে বাংলো খালি করার জন্য। কিন্তু সেই নোটিশকে চ্যালেঞ্জ করে দিল্লি হাইকোর্টে মামলা করেন মহুয়া। তবে তা খারিজও হয়ে যায়। উচ্চ আদালত জানিয়ে দেয়, সরকারি বাংলোয় থাকার অধিকার হারিয়েছেন মহুয়া। কারণ, তাঁকে সাংসদ পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এরপর ডিরেক্টরেট অফ এস্টেটের তরফেও নোটিশ পাঠানো হয় যে, তিনি বাংলো খালি না করলে বলপ্রয়োগ করে উচ্ছেদ করা হবে। তার পরেই শুক্রবার সকালে কেন্দ্রের দল পৌঁছে যায় মহুয়ার বাংলোর সামনে। কিন্তু মহুয়ার দফতর থেকে জানানো হয়, 'দিল্লির টেলিগ্রাফ লেনে ৯বি নম্বর যে বাড়িটিতে মহুয়া মৈত্র ছিলেন, শুক্রবার সকাল ১০টায় তা সম্পূর্ণ খালি করে দেওয়া হয়েছে। ডিওই-এর আইনজীবীর হাতে বাংলোর জিনিসপত্র তুলে দেওয়া হয়েছে। ডিওই আসার আগেই বাংলো খালি করা হয়েছিল। ফলে কোনও 'উচ্ছেদ' হয়নি।'

3 months ago


Mahua: 'বাংলো না ছাড়লে বল প্রয়োগ করা হবে!', মহুয়া মৈত্রকে এবারে হুঁশিয়ারি কেন্দ্রের

সদ্য সাংসদ পদ হারিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মহুয়া মৈত্র। একাধিকবার তাঁকে সরকারি বাংলো ছাড়ারও নোটিশও পাঠানো হয়েছে। কিন্তু তাতেও কোনও ভ্রুক্ষেপ নেই মহুয়া মৈত্রের। আর এবারে সরকারি বাংলো ছাড়ার কার্যত হুঁশিয়ারি দিল কেন্দ্র। নোটিশ পাঠিয়ে জানানো হয়েছে, 'অবিলম্বে সরকারি আবাস খালি করুন। না হলে প্রয়োজনে বল প্রয়োগ করা হবে।' ডিরেক্টর অফ এস্টেটের তরফে স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে মহুয়া মৈত্রকে।

গত বছরের শেষে সংসদের শীতকালীন অধিবেশনে লোকসভার সাংসদ পদ খোয়ান মহুয়া মৈত্র। টাকা এবং দামি উপহারের বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন করার অভিযোগ ছিল মহুয়ার বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, সংসদে প্রশ্ন জমা দেওয়ার ওয়েবসাইটের আইডি এবং পাসওয়ার্ডও মহুয়া অন্যের সঙ্গে শেয়ার করে নিয়েছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে। বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবের অভিযোগের ভিত্তিতে মহুয়ার সাংসদ পদ খারিজের সুপারিশ করে এথিক্স কমিটি। এরপর শীতকালীন অধিবেশনে এথিক্স কমিটির সুপারিশ মেনেই মহুয়ার সাংসদ পদ খারিজ করা হয়।

সাংসদ পদ খারিজ হওয়ার পর একাধিকবার কৃষ্ণনগরের প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদকে নোটিশ দিয়েছিল কেন্দ্রীয় সংস্থা। কিন্তু তাতে কোনও কর্ণপাত না করলে এবার কেন্দ্রের থেকে এল স্পষ্ট হুঁশিয়ারি। ডিরেক্টরেট অফ এস্টেটসের তরফে কার্যত হঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে মহুয়াকে। বলা হয়েছে, নিজে থেকে বাংলো না ছাড়লে মহুয়া বা আর যে-ই থাকুন না কেন ওই বাংলোয়, বাংলো খালি করতে প্রয়োজনে বল প্রয়োগও করা হতে পারে।

3 months ago
INDIA: মমতার প্রস্তাবেই সিলমোহর! মল্লিকার্জুন খাড়গেই ইন্ডিয়া জোটের চেয়ারপার্সন

ইন্ডিয়া জোটের ভার্চুয়াল বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু তাঁর প্রস্তাবেই সিলমোহর দেওয়া হল অবশেষে। বিজেপি-বিরোধী জোট 'ইন্ডিয়া'র শনিবারের ভার্চুয়াল বৈঠক থেকে চেয়ারপার্সন করা হল কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গেকে। শনিবার জোটের ভার্চুয়াল বৈঠকে চেয়ারপার্সন হিসাবে খাড়গের নামই প্রস্তাব করা হয়েছিল বলে সূত্র মারফৎ জানা গিয়েছে। এদিন এই বৈঠকে যোগ দেয়নি তৃণমূল। শনিবারের বৈঠকে মূলত জোটে এক জন আহ্বায়ক এবং চেয়ারপার্সন করা নিয়ে আলোচনা ছিল।

জানা গিয়েছে, গত কয়েক দিন ধরে ইন্ডিয়া জোটের আহ্বায়ক হিসাবে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের নাম নিয়েই সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছিল। সূত্রের খবর, সেই প্রস্তাবে রাজি হননি বিহারের মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দল জানিয়েছে, তাঁদের নেতা কোনও পদ চান না। অন্যদিকে এর আগের ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে মমতা প্রস্তাব দিয়েছিলেন মল্লিকার্জুন খাড়গের নামই। আর এদিনের বৈঠকে তাঁর প্রস্তাবেই সায় দিয়েছে জোট। শেষ পর্যন্ত কংগ্রেস সভাপতি খাড়গেকেই চেয়ারপার্সন করল 'ইন্ডিয়া'। তবে জানা গিয়েছে, খাড়গের নামে সকলের সায় মিললেও, এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি। সূত্রের খবর,  মমতা এবং সমাজবাদী পার্টির অখিলেশ যাদবের সঙ্গে আলোচনা করেই নাম ঘোষণা করা হবে বলে বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে।

শনিবারের ভার্চুয়াল বৈঠকে যোগ দেয়নি বাংলার শাসকদল তৃণমূল। কংগ্রেসের ডাকা 'ইন্ডিয়া' শিবিরের বৈঠকে মমতার যোগ দেওয়া নিয়ে প্রথম থেকেই ছিল ধোঁয়াশা। একেবারে শেষ মুহূর্তে বৈঠকের আমন্ত্রণ পাওয়ার কারণেই যোগ দিতে না পারার সম্ভবনা ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। অবশেষে তাই দেখা যায়। এদিন বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। এদিন জুম আ্যপ-এর মাধ্যমে বৈঠকে যোগ দিতে শুরু করেছিলেন বিরোধী দলগুলির শীর্ষ নেতারা। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে মল্লিকার্জুন খাড়গে, আম আদমি পার্টির পক্ষ থেকে অরবিন্দ কেজরিওয়াল, এছাড়াও এম কে স্ট্যালিন, শরদ পাওয়ার, লালু প্রসাদ যাদব, নীতীশ কুমার, সীতারাম ইয়েচুরি, প্রমূখ বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন।

3 months ago