Breaking News
Tapas Roy: তৃণমূল ছাড়লেন তাপস রায়, বরাহনগরের বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা বর্ষীয়ান নেতার      Resign: হঠাৎ অবসর বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের, 'রাজনীতি যোগ' জল্পনা তুঙ্গে      Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে ফের ফ্য়াক্ট ফাইন্ডিং টিম, শুনবে মহিলা ও বাসিন্দাদের কষ্টের কথা      BJP: প্রথম দফায় ১৯৫ প্রার্থীর নাম ঘোষণা বিজেপির, বাংলার ২০ জনের নাম তালিকায়      Modi: 'রামমোহনের আত্মা সন্দেশখালির মহিলাদের দুর্দশায় কাঁদছে', আরামবাগ থেকে মমতাকে তোপ মোদীর      Suspend: গ্রেফতারির পরেই তৃণমূল থেকে ছয় বছরের জন্য সাসপেন্ড সন্দেশখালির 'বেতাজ বাদশা' শাহজাহান      Sandeshkhali: নিরাপদ সর্দারকে নিঃশর্তে জামিন দিয়ে রাজ্য পুলিসকে তিরস্কার বিচারপতির      Sheikh Shahjahan: ঘর ভাঙচুর, টাকা লুঠ! শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে নতুন এফআইআর সন্দেশখালি থানায়      Sandeshkhali: অজিত মাইতিকে তাড়া গ্রামবাসীদের, সাড়ে ৪ ঘণ্টা পর অবশেষে আটক পুলিসের      Ajit Maity: উত্তপ্ত সন্দেশখালি! অজিত মাইতির গ্রেফতারির দাবিতে বিক্ষোভ মহিলাদের, বাঁচতে সিভিকের বাড়িতে আশ্রয়     

কলকাতা

Tapas Roy: তৃণমূল ছাড়লেন তাপস রায়, বরাহনগরের বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা বর্ষীয়ান নেতার

লোকসভা ভোটের আগে তৃণমূলে বড় ধাক্কা। প্রায় ২৬ বছর পর তৃণমূল ছাড়লেন তাপস রায়। বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিলেন এই বর্ষীয়ান সৈনিক। তীব্র অভিমানের থেকেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানান তিনি। সোমবার সকালে বিধানসভায় স্পিকারের ঘরে গিয়ে সমস্ত পদ থেকে পদত্যাগ করলেন তাপস রায়। স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিলেন ইস্তফা পত্র। তাহলে কি এবার বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছেন? জল্পনা তুঙ্গে।

সোমবার বাড়ি থেকে বেরোনোর আগে তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন। ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন দলের বিরুদ্ধে। তিনি বলেন, তাঁর বাড়িতে ইডি অভিযানে আসে। কিন্তু দল তাঁর পাশে দাঁড়ায়নি। তাঁর পরিবারের কাউকে ফোন করেনি। একই সঙ্গে আরও বিস্ফোরক উক্তি,'এত দুর্নীতি, তারপর সন্দেশখালি, এগুলো আমাকে তাড়না দিয়েছে। আমাকে বোঝাতে আসার জন্য কুণালকে শোকজ করেছেন সুব্রত বক্সী। ৫২ দিন হল মুখ্যমন্ত্রীর কোনও ডাক আসেনি। তৃণমূলের অন্যান্য নেতা মন্ত্রীদের বাড়িতে ইডি গেলে মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের পাশে দাঁড়ায়। এমনকি ইডি অভিযানের পর শেখ শাহজাহানের কথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিধানসভায় উল্লেখ করলেও তাঁর নামটুকুও বলেননি। এই ঘটনায় তিনি গভীরভাবে মর্মাহত।'

উল্লেখ্য, ১২ জানুয়ারি ইডি অভিযান চালিয়েছিল তাপস রায়ের বাড়িতে। বাড়িতে ইডি হানার সময় তিনি একরাশ ক্ষোভ উগরে দেন সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। সেই সময় প্রকাশ্যেই বলেছিলেন, 'আমার বাড়িতে ইডি আসার পিছনে হাত সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের।' এরপর বেশ কয়েকদিন কোনও সাড়াশব্দ পাওয়া না গেলেও, রবিবার রাত থেকে তাঁর ইস্তফা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছিল। সোমবার সকালেই সেই অনুমান সত্যি হয়।

17 hours ago
Tapas Roy: দল ছাড়ছেন অভিমানী তাপস রায়? সাংবাদিক বৈঠকে বিস্ফোরক বরাহনগরের তৃণমূল বিধায়ক

তৃণমূল ছাড়লেন তাপস রায়? দলের উপর তীব্র অভিমান প্রকাশ করে দল থেকে ইস্তফা দেওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করলেন বরাহনগরের তৃণমূল বিধায়ক। সোমবার অথবা মঙ্গলবারই বিধানসভায় বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেবেন এমনই জল্পনা উঠেছিল। ড্যামেজ কন্ট্রোলের চেষ্টায় সোমবার সকলে তাঁর বাড়িতে গিয়েছেন তৃণমূল নেতা ব্রাত্য বসু ও কুণাল ঘোষ।

সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, তাঁর বাড়িতে ইডি অভিযানে আসে। কিন্তু দল তাঁর পাশে দাঁড়ায়নি। তাঁর পরিবারের কাউকে ফোন করেনি। ক্ষোভ উগরে দিলেন তাপস রায়। তাপসের আরও বিস্ফোরক উক্তি,'এত দুর্নীতি, তারপর সন্দেশখালি, এগুলো আমাকে তাড়না দিয়েছে। আমাকে বোঝাতে আসার জন্য কুণালকে শোকজ করেছেন সুব্রত বক্সী। ৫২ দিন হল মুখ্যমন্ত্রীর কোনও ডাক আসেনি। তৃণমূলের অন্যান্য নেতা মন্ত্রীদের বাড়িতে ইডি গেলে মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের পাশে দাঁড়ায়। এমনকি শেখ শাহজাহানকে টার্গেট করেছে বলে বিধনসভায় উল্লেখও করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু আমার ক্ষেত্রে অন্য ছবি দেখা গিয়েছে।'

এরপরই সটান জায়গা ছেড়ে উঠে পড়েন তাপস রায়। সূত্র মারফত খবর,  এই বর্ষীয়ান নেতা বেরিয়ে পড়েন বিধানসভার উদ্দেশ্যে। ইতিমধ্যে পৌঁছন বিধানসভায়।

18 hours ago
Resign: হঠাৎ অবসর বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের, 'রাজনীতি যোগ' জল্পনা তুঙ্গে

রবিবার বেলা গড়াতেই উঠে এল বড় খবর বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে নিয়ে। যে বিচারপতির কাছে, সঠিক বিচারের আশায় বুক বাঁধতেন সাধারণ, সেই বিচারপতিই এবার নিতে চলেছেন অবসর। রবিবারই বিচারপতি ঘোষণা করেন, আগামী মঙ্গলবারই বিচারপতির পদ থেকে অবসর গ্রহণ করতে চলেছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।

২০২৪ সালের অগাস্ট মাসেই অবসর গ্রহণের সময়সীমা ছিল বিচারপতির। কিন্তু অবসরের নির্ধারিত সময়সীমার মাত্র কয়েক মাস আগেই কেন আচমকা অবসরের সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি? তা এখনও স্পষ্ট নয়। প্রসঙ্গত, এই বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশেই শুরু হয়েছিল রাজ্যে দুর্নীতির শিকড় খোঁড়ার অভিযান। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে সিবিআই তদন্তের নির্দেশও সবার প্রথম দিয়েছিলেন এই বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ই। যে মামলা এখনও বিচারাধীন বিচারপতি দেবাংশু বসাকের ডিভিশন বেঞ্চে। সেই বিচারপতি তাই আপামর চাকরিপ্রার্থীদের কাছে ভগবান, তা বারংবার বঞ্চিত চাকরিপ্রার্থীরা স্বীকার করেছেন নিজের মুখে। এমন একজন বিচক্ষণ বিচারপতির আচমকা অবসর গ্রহণ স্বাভাবিকভাবেই ভাবাচ্ছে মানুষকে। 

পাশাপাশি বঙ্গের ওয়াকিবহাল মহল প্রশ্ন তুলছে, তবে কি এবার আদালতের ময়দান ছেড়ে রাজনীতির ময়দানে নামতে চলেছেন বিচারপতি? যদিও এই বিষয়ে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় স্পষ্ট করে কিছু জানাননি। কিন্তু বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের আচমকা অবসরের সিদ্ধান্তে গজিয়ে ওঠা বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেবে একমাত্র সময়ই, তা বলাই যায়।

yesterday


Central Team: নির্ঘন্ট অপ্রকাশিত, হাজির কেন্দ্রীয় বাহিনী

আসন্ন লোকসভা নির্বাচন। নির্ঘন্ট এখনও অপ্রকাশিত। তবে লোকসভা নির্বাচন নিয়ে নির্বাচন কমিশন নিরাপত্তাজনিত এতটুকু খামতি রাখতে চায় না। তাই ভোটের নির্ঘন্ট প্রকাশের আগেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় পৌঁছচ্ছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।

রবিবার সকাল সকাল কসবার তালবাগান এলাকায় পৌঁছয় কেন্দ্রীয় বাহিনীর একটি দল। কলকাতা পুলিসের পূর্ব ডিভিশনেও রবিবার বেলা বারোটা থেকে শুরু হয় রুটমার্চ। পূর্ব যাদবপুর থানা  এলাকায় বেলা ১১.৩০-র পরই শুরু হয়ে যায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুটমার্চ।

এছাড়াও কলকাতা পুলিসের সাউথ সাবরবান ডিভিশনেও এসে পৌঁছেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। সোমবার থেকেই ওই ডিভিশনে শুরু হবে কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুটমার্চ। আপাতত এই ডিভিশনগুলিতে ১ কোম্পানি করে কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানো হয়েছে।

মূলত, নির্বাচনের নির্ঘন্ট প্রকাশের অনেক আগে থেকেই নির্দিষ্ট এলাকা ঘুরে দেখে স্পর্শকাতর জায়গাগুলি যাতে তাঁরা চিহ্নিতকরণ করতে পারেন, এবং ওই এলাকার পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতির সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা অনেক আগে থেকেই পরিচিত হতে পারেন, সেই 'রোড ডমিনেশন'-এর প্রস্তুতি নিতেই রবিবার থেকে শুরু কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুটমার্চ।

সরগরম রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি। তার মধ্যে কেন্দ্রের কুর্সির লড়াই নিয়ে আসন্ন লোকসভা নির্বাচন। নির্বাচন সম্পন্ন হয় কতটা সুষ্ঠভাবে- এখন সেটাই দেখার।

2 days ago
Kunal Ghosh: ফের সুদীপ প্রসঙ্গে বিস্ফোরক কুণাল, কুণালকে সমর্থন তাপসের

বৃহস্পতিবার থেকে উত্তর কলকাতার তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দোপাধ্যায়কে নিয়ে একের পর  বিস্ফোরক মন্তব্য করে চলেছেন কুণাল ঘোষ। শনিবার ফের সুদীপ প্রসঙ্গে বিস্ফোরক কুণাল। তিনি অভিযোগ করেছেন জেল হেফাজতে থাকাকালীন সুদীপ বন্দোপাধ্যায় বেশ কিছুটা সময় ছিলেন একটি ভুবনেশ্বরে বেসরকারি হাসপাতালে। কুণাল প্রশ্ন তুলেছেন সেই সময় সুদীপের হাসপাতালের বিল কে দিয়েছে? তিনি দিয়েছেন না কেউ তার হয়ে দিয়েছে বিশাল অঙ্কের টাকা? এই বিষয়টি নিয়ে তদন্তের প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন কুণাল। 

অবাক হওয়ার মত ঘটনা, এতদিন ধরে যে কুণাল ঘোষ ইডি ও সিবিআইয়ের তদন্ত নিয়ে নানা বিরূপ মন্তব্য ও কটাক্ষ করেছেন। খড়্গহস্ত হয়েছেন, সেই কুণালই এবার সুদীপ প্রসঙ্গে ইডি ও সিবিআই তদন্তের দাবি করেছেন। কুণালের মতে সুদীপের হাসপাতালের বিল নিয়ে ইডি ও সিবিআই তদন্ত করে দেখে যদি কোনও গরমিল পায় তাহলে সুদীপের ফের গ্রেফতার হওয়া উচিত। যদি কেন্দ্রীয় এজেন্সি নিজে থেকে না এগোয়, তাহলে তিনি নিজে আদালতের দ্বারস্থ হবেন এবং এই বিষয়ে তদন্তের আবেদন করবেন, এক্স হ্যান্ডেলে জানিয়েছেন কুণাল। তবে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সাধারণ সম্পাদকের পদের পাশাপাশি দলীয় মুখপাত্রের পদ ছাড়লেও তিনি যে দলের জন্য পথে নেমে লড়াই জারি রাখবেন তার বার্তাও শনিবার দিয়েছেন কুণাল।

শুধু কুণালই নন, এবার কুণালের সমর্থনে তৃণমূলের আর এক বিধায়ক, তাপস রায়। ঠিক কি বললেন তিনি। তিনিও সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ নিয়ে এলেন জনসমক্ষে। কুণাল ঘোষ একজন সাংবাদিক তার যুক্তি তো ফেলে দেওয়া যায়না। কয়লার টাকা নিয়ে খুব ভয়ঙ্কর অভিযোগ করেছেন কুণাল।

কুণালের মতই তাপসের গলাতেও অভিমানের সুর। লোকসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূলের দুই দুঁদে নেতার মন্তব্যেই হাওয়া গরম হয়ে উঠেছে রাজ্য রাজনীতিতে। ঘাসফুলের অন্দরের কোন্দলের যে গুঞ্জন ছিল রাজনীতির বাতাসে তাই এই দুই নেতার মন্তব্যে প্রতিধ্বনিত হল।  লোকসভা নির্বাচনের আগে যা কিছুটা হলেও ব্যাকফুটে নিয়ে গেল তৃণমূল কংগ্রেসকে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। 

3 days ago


Ration Scam: রেশন দুর্নীতির দ্বিতীয় চার্জশিটে শঙ্কর আঢ্য ও তাঁর পরিবারের নাম

শিয়রে লোকসভা নির্বাচন। তাই নির্বাচনের পূর্বে একের পর দুর্নীতির জাল গোটাতে তৎপর কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা মহল। ইডির রেশন দুর্নীতির তদন্তে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হয়েছে একাধিক রাঘববোয়াল। ধৃত মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ও বাকিবুর রহমানের বিরুদ্ধে চার্জশিটও জমা দিয়েছিল ইডি। সেই দুর্নীতির সূত্র ধরে সম্প্রতি পুলিসের জালে ধরা পড়েছে সন্দেশখালির প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান। আগামী সপ্তাহে রেশন দুর্নীতি মামলায় দ্বিতীয়বার চার্জশিট জমা দেওয়ার সিদ্ধান্ত ইনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের। বনগাঁর প্রাক্তন চেয়ারম্যান তথা ধৃত তৃণমূল নেতা শঙ্কর আঢ্য ও তাঁর বিভিন্ন ফরেক্স সংস্থার বিরুদ্ধেও একাধিক তথ্যের উল্লেখ চার্জশিটে রয়েছে বলে সূত্রের খবর। তবে শুধু শঙ্কর আঢ্য নয় তার পরিবারের আরও কয়েকজন এই দুর্নীতির নেপথ্যে রয়েছে বলে দাবি কেন্দ্রীয় গোয়েন্দামহলের। ফরেক্স ছাড়াও শঙ্করের পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের একাধিক কোম্পানির নামও থাকার সম্ভাবনা রয়েছে চার্জশিটে।

কিন্তু তদন্ত এখানেই শেষ নয়। দুর্নীতির রহস্যের পর্দাফাঁস করতে ইডির দ্বিতীয় চার্জশিটেও রেশন বন্টনে কারচুপিতে ধৃত মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের ভূমিকা সংক্রান্ত তথ্য থাকছে। মূলত রেশন দুর্নীতির টাকা বালু ওরফে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের হাত ঘুরে কিভাবে শঙ্কর আঢ্যের মাধ্যমে বিদেশে পাচার হয়েছে? এমনকি দুবাইতে যে সংস্থায় রেশন দুর্নীতির টাকা লগ্নি হয়েছে তারও স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে চার্জশিটে। সূত্রের খবর এর আগে শঙ্কর ও তার কোম্পানির মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ টাকা দুবাইতে পাঠানোর তথ্য হাতে এসেছিল ইডির।  ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৬৬ লক্ষেরও বেশি টাকা পাঠানো হয়েছিল শঙ্কর ওরফে ডাকু মারফত। এখন ইডির পেশ করা দ্বিতীয় চার্জশিটে রেশন বন্টন দুর্নীতির আর কোন কোন সত্য প্রকাশ পায় সেটাই দেখার।

3 days ago
Kunal Ghosh: শনিবার ব্রিগেড নিয়ে পথে কুণাল

প্রসূন গুপ্ত: শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী কলকাতায় এলেন এবং একটি প্রকল্প উদ্বোধন করে রাজনৈতিক জনসভা করলেন আরামবাগে। তুলোধোনা করলেন রাজ্যসরকারকে। সব শেষে কলকাতায় ফিরে রাজভবনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে প্রায় এক ঘন্টা বৈঠক করলেন। যদিও বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারী তাঁর চিরায়ত ভঙ্গিতে অসংসদীয় ভঙ্গিতে মমতাকে আক্রমণ করলেন কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী বৈঠক থেকে বেরিয়ে জানালেন যে, নিছকই গল্প করে এলেন তিনি। এ নিয়ে মিডিয়া মহল দিনভর খবরে রাখতেই পারত মোদী সফরকে কিন্তু সকালেই তাতে বিতর্কিত মন্তব্য করে খবরের নির্যাস অনেকটাই গিলে ফেললেন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক তথা মুখপাত্র কুণাল ঘোষ।  

ইতিমধ্যেই সে সংবাদ জনসমক্ষে এসেছে কিন্তু শনিবার সকালেই বেশ কিছুক্ষন কথা হলো কুণাল ঘোষের সঙ্গে। জানা গেলো নতুন তথ্য।কুণাল এই প্রতিবেদককে জানালেন যে, ভুল কী বলেছি ? ভেবেই বলেছি সব। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অনেক লড়াই করে আজ বাংলার দায়িত্বে। দিদির এই কাজকে সর্বদা আমাদের সৈনিকদের মেনে চলতে হবে। কিন্তু কি জানেন যখন বেনিয়ম দেখি তখন এই নেত্রীর জন্য খারাপ লাগে। 

কুণাল আরও বললেন, যে কোনও নেতার দলের সচ্ছতা মেনে চলা উচিত। মুখপাত্র হিসাবে যখন বিরোধীদের সমালোচনা করছি, তখন দেখছি দলের বড় নেতা কেন্দ্রের নেতা মন্ত্রীদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলছেন। এটা তো দলনেত্রীর সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা। এই নেতা রাজ্যে এসে দলের কোন স্ট্রাটেজি মানছেন ? একটা স্কুলের মধ্যে রাজনৈতিক অফিস হবে কেন ? কেন দলের টিকিট নিয়ে রাজ্যসভায় যাওয়ার পরে এক বিখ্যাত অভিনেতা বিজেপিতে চলে যায় এবং তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কুবাক্য বলার পরেও দলের এক শ্রেণীর অভিনেতা/পরিচালক তাঁকে নিজেদের ছবিতে নিয়ে তাঁর সঙ্গে পাবলিসিটিতে নামেন ? 

এ গুলো কি নেত্রীকে খাটো করা নয়। 'অনেক কারণে আমি দায়িত্ব ছাড়তে চলেছি, জানালেন কুণাল'। তিনি বললেন যে , দল ছাড়ার প্রশ্নই নেই। শনিবার বেলা একটায় আমি আমাদের সাথীদের নিয়ে মিছিল করছি আসন্ন ব্রিগেড অভিযানকে নিয়ে। কুণাল আজকেও প্রধানমন্ত্রীর প্রচারে ঢুকে পড়লেন যে, নতুন ঘটনা নিয়ে। খবর কেটে দেওয়ার বিষয়ে ওস্তাদ কুণাল ঘোষ।

3 days ago
Kunal Ghosh: তৃণমূলের একাধিক পদ থেকে ইস্তফা অভিমানী কুণালের

এক্স হ্যান্ডেলে জল্পনার সূত্রপাত। তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সাধারণ সম্পাদকের পদের পাশাপাশি দলীয় মুখপাত্রের পদ ছাড়া নিয়ে জল্পনা যখন তুঙ্গে। তখনই নিরবতা ভাঙলেন অভিমানি কুণাল। দলের উচ্চ নেতৃত্বের কাছে পদ ছাড়ার কথা শুত্রবার কুণাল ঘোষের তরফে অফিসিয়াল বিবৃতির মাধ্যমে সামনে এসে যায়। তিনি লিখলেন, ‘আমি তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক ও মুখপাত্র পদে থাকতে চাইছি না। সিস্টেমে আমি মিসফিট। আমার পক্ষে কাজ চালানো সম্ভব হচ্ছে না। আমি দলের সৈনিক হিসেবেই থাকব। দয়া করে দলবদলের রটনা বরদাস্ত করবেন না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমার নেত্রী, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আমার সেনাপতি। তৃণমূল কংগ্রেস আমার দল।’সরকারি নিরাপত্তার পাশাপাশি তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপত্রের whats app গ্রুপও ছাড়লেন কুণাল। 

কুণাল ঘোষের এক্স হ্যান্ডেল থেকে বৃহস্পতিবার রাতে বিস্ফোরক পোস্ট করা হয়। তখন থেকেই সকলের মনে দানা বাধছিল তৃণমূলের অন্দরে একটা কিছু চলছে। শুক্রবার সকালে আচমকাই  দেখা গেল সেই পোস্টটি উধাও। এমনকী এক্স হ্যান্ডলের বায়ো থেকে রাজনীতিবিদ ও তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্রের পরিচয়ও মুছে দিয়েছেন কুণাল ঘোষ। এখন তাঁর পরিচয় শুধুই সাংবাদিক ও সমাজকর্মী। প্রশ্ন উঠতে শুরু করে কেন এমন করলেন কুণাল ? 

বৃহস্পতিবার রাতে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে কুণাল ঘোষ পোস্ট করেছিলেন, ‘নেতা অযোগ্য গ্রুপবাজ স্বার্থপর। সারা বছর ছ্যাঁচড়ামি করবে আর ভোটের মুখে দিদি, অভিষেক, তৃণমূল দলের প্রতি কর্মীদের আবেগের উপর ভর করে জিতে যাবে, ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধি করবে, সেটা বারবার হতে পারে না।’ এই পোস্টে কারুর নাম উল্লেখ না করলেও কলকাতা উত্তর লোকসভার সাংসদ সুদীপ বন্দোপাধ্যায়কেই কটাক্ষ করে যে কুণালের এই পোস্ট তা বুঝতে অসুবিধা হয়নি কারুর। পোষ্ট করে তিনি লেখেন নরেন্দ্র মোদীর কুৎসার বিরোধিতা যুক্তিতে ধুয়ে দেওয়া যায়।নাম না করে সুদীপকে কটাক্ষ করে লিখেছেন রোজভ্যালি থেকে বাঁচিয়ে গলায় বকলেস পড়িয়ে রেখেছেন মোদী। শুক্রবার সিএনকে দেওয়া এক্সক্লুসিভ সাক্ষাত্কারে সুদীপকে নিয়ে বিস্ফোরক কুণাল। 

অন্যদিকে সূত্রের খবর গত দু বছর ধরে পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় কাজ করছেন কুণাল ঘোষ।কাজে যাতে কোনও সমস্যা না হয় তাই হলদিয়ায় অস্থায়ী বাড়িও নিয়েছেন তিনি। নন্দীগ্রামে সংগঠনকে চাঙ্গা করতে কোমর বেঁধে নেমেছেন কুণাল।পঞ্চায়েত ভোটের আগে চাটাই বৈঠক থেকে শুরু করে গ্রাম সভা সবটা করেছেন গোটা জেলা জুড়ে।দুই সাংগঠনিক জেলা কাঁথি এবং তমলুক ছুটে গিয়েছেন দলের প্রয়োজনে।আগামী ১০ মার্চ তৃণমূল কংগ্রেসের ব্রিগেড সমাবেশের প্রস্তুতি নিয়ে বৃহস্পতিবার রাতে উত্তর কলকাতার নেতাদের সঙ্গে একটি বৈঠক করেন সুদীপ। সেখানে ডাক পাননি কুণাল ঘোষ । শুক্রবার পূর্ব মেদিনীপুরের বৈঠকেও ডাক পাননি তিনি।যান তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বকশি। আর এরপরই ক্ষোভে বিস্ফোরক পোস্ট। অভিমানে রাজ্য সাধারণ সম্পাদক ও মুখপাত্র পদ থেকে নিজেকে সরিয়ে নিলেন কুণাল। লোকসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে এমন ঘাসফুলের অন্দরে এই অশান্ত বাতাবরণ তৈরি হওয়ায় দলের অস্বস্তি যে আরও বাড়লো তা বলাইবাহুল্য।

3 days ago


Price Hike: ফের বাড়ল বাণিজ্যিক রান্নার গ্যাসের দাম, জেনে নিন নতুন দাম কত?

লোকসভা ভোটের মুখে ফের বাড়ল রান্নার গ্যাসের দাম। শুক্রবার থেকেই সিলিন্ডার পিছু ২৪ টাকা বাড়ল বাণিজ্যিক রান্নার গ্যাসের দাম। এর আগে গতমাসের ১ তারিখে কেন্দ্রীয় সরকারের অন্তর্বর্তীকালীন বাজেটের দিন রান্নার গ্যাসের দাম বেড়েছিল। এর ফলে কলকাতায় ১৯ কেজি বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম হল ১৯১১ টাকা। গতমাসে ১৯ কেজি বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম ছিল ১৮৮৭ টাকা।

তার আগে জানুয়ারি মাসে বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম ছিল ১৮৬৯ টাকা। এ নিয়ে চলতি বছরে সিলিন্ডার পিছু বাণিজ্যিক রান্না গ্যাসের দাম বেড়েছে ৪২.৫০ টাকা। তেল বিপণন সংস্থাগুলির তরফে জানানো হয়েছে, বিশ্ব বাজারে অপরিশোধিত তেলের দামের নিরিখেই এই মূল্যবৃদ্ধি করা হয়েছে। তবে ১৪ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম অপরিবর্তিতই থাকছে।

4 days ago
ED: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ধৃত প্রসন্ন রায়-এর ইডি হেফাজত, স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর সিজিওতে প্রসন্ন

শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ফের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের হাতে গ্রেফতার মিডলম্যান প্রসন্ন রায়। ৪ঠা মার্চ পর্যন্ত ইডি হেফাজতেই অভিযুক্ত। নিয়ম মোতাবেক শুক্রবারও বিধাননগর মহকুমা হাসপাতালে স্বাস্থ্যপরীক্ষার পর সিজিও নিয়ে আসা হল নিয়োগ দুর্নীতির অন্যতম অভিযুক্ত প্রসন্ন রায়কে। মূলত প্রথমে শিক্ষক নিয়োগে কারচুপির ঘটনায় মিডলম্যান হিসেবে সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন প্রসন্ন রায়। কিন্তু গতবছর সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে জামিনে ছাড়া পেয়ে যান তিনি। যদিও তার বিপুল অঙ্কের সম্পত্তি দেখে সন্দেহ থেকেই গিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকদের। এমনকি অভিযোগ উঠে আসে যে সিবিআই-এর গ্রেফতারির পরও জেল হেফাজতে থাকাকালীন সম্পত্তি বিক্রির চেষ্টা করেছিলেন নিয়োগ দুর্নীতির এই মিডলম্যান। প্রসন্ন রায়ের এই বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির উৎস কী? নিয়োগ দুর্নীতির কালো টাকাতেই বৈভব ফুলেফেঁপে উঠেছে প্রসন্ন রায়ের? টাকার যোগানটাই বা তাকে দিত কে? প্রসন্নকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে তারই তথ্য সন্ধানে  কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা।

প্রসঙ্গত, ১৮ জানুয়ারি প্রসন্ন রায়ের বাড়ি ও অফিসে তল্লাশি চালায় ইডি। প্রসন্ন রায়ের নিউটাউনের অফিস থেকে একাধিক নথি উদ্ধার করেছিল ইডি আধিকারিকরা। উদ্ধার হয় ৪০০-র বেশি দলিল, শতাধিক এটিএম ও ৭০টি প্যানকার্ড। তদন্তে দেখা গিয়েছে যে, দলিলগুলি উদ্ধার হয়েছে, তা ছিল প্রসন্ন রায়ের অফিসের বেতনভুক কর্মীদের নামে। মূলত ইডির হাতে উঠে আসে প্রসন্নর একাধিক সম্পত্তির নথি ও তথ্য প্রমাণ। প্রসন্ন রায়ের ১০০ কোটির বেশি সম্পত্তির হদিশ পায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। এই সব নথির উপর ভিত্তি করেই দ্বিতীয়বার গ্রেফতার হয়েছিলেন প্রসন্ন। বুধবার সেই নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলায় প্রসন্নর হয়ে আদালতে সওয়াল করেন আইনজীবী অনির্বাণ গুহঠাকুরতা।

কিন্তু আদালতে প্রসন্ন রায়ের জামিনের আবেদন করেননি আইনজীবী। বরং ইডির তরফে আদালতে প্রসন্ন রায়ের ২০০টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট এবং ১০০টি কোম্পানির তথ্য প্রমাণ পেশ করতে দেখা যায় এদিন। পাশাপাশি ইডির আইনজীবী ভাস্করপ্রসাদ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, মিডলম্যান প্রসন্নর ৯৭টি সম্পত্তির হদিশ এবং ৭০ কোটি টাকার হিসাব খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বাদী-বিবাদী পক্ষের সওয়াল জবাবের ভিত্তিতে আপাতত ইডি হেফাজতেই প্রসন্ন। এখন  ইডির প্রশ্নবাণে অভিযুক্ত প্রসন্ন রায়ের কাছ থেকে নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত আর কোন কোন তথ্যের সন্ধান মেলে সেটাই দেখার।

4 days ago


Controversy: কুণাল সুদীপ বিতর্ক ?

প্রসূন গুপ্ত: গত কয়েক ঘন্টার মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ নিজের পেজ থেকে তৃণমূলের অবস্থান থেকে সরে গিয়ে স্বপরিচয় দিলেন সাংবাদিক ও সমাজকর্মী। হঠাৎ হলোটা কি ? দু একদিন আগেই তাঁর সঙ্গে ফোনে কথা হচ্ছিলো। মামুলি কিছু কথা। কুশল বিনিময় আর কি। একবারের জন্যও বুঝতে পারা গেলো না যে , তিনি দলের উপর ক্ষুব্দ!

এখন প্রশ্ন হচ্ছে তিনি কি দলের উপর ক্ষুব্দ নাকি দলের প্রথম সারির কোনও নেতার উপর। গুঞ্জনে যা জানা যাচ্ছে যে, তিনি উত্তর কলকাতার সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর নাকি ক্ষুব্দ। কিন্তু কি এমন হলো যে কুণাল লিখছেন যে, কোনও নেতা অযোগ্য, সারা বছর ছ্যাঁচড়ামি করবে তারপর নাকি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর ভর করে ভোটে জিতে আসবেন। কে এই ব্যক্তি ? তিনি যিনিই হন, তিনি ভোটে দাঁড়ান এবং জিতেও আসেন। অর্থাৎ কোনও এক জয়ী নেতা। 

পশ্চিমবঙ্গে বা কলকাতায় এমন কোনও বিধায়ক বা কাউন্সিলর নেই ,যাঁর ক্ষমতা আছে যে কুণালের সাথে দুশমনি করবে। তাহলে অবধারিত কোনও বড়োসড়ো নেতা যিনি ভোটে জিতে আসছেন বারংবার। ফের গুঞ্জনে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। সুদীপ দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক নেতা। সত্তর উর্দ্ধ বয়স। এক সময়ে প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সির হাত ধরে রাজনীতি এবং পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছের নেতা। কংগ্রেস দল ভেঙে যেদিন তৃণমূল দল তৈরি হয় তখনও তিনি মমতার পাশেই ছিলেন। মাঝে একবার দল ছেড়ে কংগ্রেসে ফিরে গিয়ে ফের ফেরত তৃণমূলে। 

সুদীপ দীর্ঘদিন ধরে দিল্লির রাজনীতি করছেন। মাঝে একবার কেন্দ্রীয় এজেন্সির কোপে পরে জেলযাত্রাও হয়েছিল কিন্তু বেরিয়ে আসার পরে দিল্লির রাজনীতির সরকারি দলের সুনজরে আসেন এবং বিভিন্ন কাজে তাঁকে দেখাও যায়। কলকাতার রাজনীতিতে তিনি বড় একটা উৎসাহ দেখান না তবে উত্তর কলকাতায় সংগঠন তাঁর আছে। তিনি পার্লামেন্টে দলের নেতাও বটে। তবে এই সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় ছোটোখাটো নেতাদের খুব একটা পাত্তা দেন না। অন্যদিকে আর এক প্রবীণ তৃণমূল নেতা তাপস রায়ের সঙ্গেও তাঁর সম্পর্ক খুব খারাপ। কুণাল তাপস দুজনই দলের মুখপাত্র এবং উত্তর কলকাতার জাদরেল নেতা। এবারে প্রশ্ন ঠিক লোকসভা ভোটের আগে অভিষেক ঘনিষ্ঠ এই দুই নেতার সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ করে বিকল্প ভাবনা সুদীপের কিছু থাকতে পারে কি ? সবটাই রহস্য।  

4 days ago
Mamata: সিঙ্গুর আলাদা, নন্দীগ্রাম আলাদা, তুলনা করে হিংসা ছড়াবেন না, বার্তা মমতার

বুধবার বাঁকুড়ায় খাতরার সভা থেকে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সরাসরি সন্দেশখালি নিয়ে কথা না বললেও, খাতরা থেকে মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা, নন্দীগ্রাম আলাদা, সিঙ্গুর আলাদা। একটার সঙ্গে আরেকটার তুলনা করে হিংসা না ছড়ানোর বার্তা দিয়েছেন তিনি।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন বলেন, 'সিঙ্গুর সিঙ্গুর, নন্দীগ্রাম নন্দীগ্রাম, খাতরা খাতরা, বিষ্ণুপুর বিষ্ণুপুর । এক এক জায়গার আলাদা আলাদা চেহারা। একটার সঙ্গে আর একটার তুলনা করে দাঙ্গা বাঁধিয়ে দিয়ে ভুল করবেন না। কোথাও রক্ত ঝরুক আমি চাই না। কোথাও অত্যাচার হোক চাই না ।'

তৃণমূল নেত্রী আরও বলেন, 'যারা যারা বড় কথা বলে বেড়াচ্ছে, খুলব ভান্ডার? ভান্ডারে কিন্তু অনেক কিছু জমা আছে। ভান্ডার যখন খুলব তখন বুঝতে পারবেন কোনটা ভুল কোনটা ঠিক। আমি জ্ঞানত কোনও ভুলকে প্রশ্রয় দিই না।' জঙ্গলমহল সফরে রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার পুরুলিয়ায় সভা করেছেন । বুধবার বাঁকুড়ার সভার পর বৃহস্পতিবার ঝাড়গ্রামে সভা করে কলকাতায় ফেরার কথা রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

6 days ago
Nusrat: ৬ কে ৯ নয়, ১৪৪কে ১৭৪, সন্দেশখালি প্রসঙ্গে বিতর্কে জড়ালেন নুসরত

ফের বিতর্কে জড়ালেন সাংসদ-অভিনেত্রী নুসরত জাহান। সন্দেশখালি নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে এক বৈদ্যুতিন মাধ্যমকে নুসরত বললেন, সেখানে ১৭৪ ধারা আছে। তাঁর এই মন্তব্যের পর থেকেই সমালোচনার ঝড় উঠেছে। সোশ্যাল মিডিয়াতেও ব্যাপক ট্রোলিংয়ের শিকার হচ্ছেন নুসরত। সাংসদ-অভিনেত্রীকে কটাক্ষ করছেন বিজেপি নেতারা। তৃণমূল বলছে, হয়তো ভুল করে ফেলেছেন নুসরত।

লোকসভা কেন্দ্র সন্দেশখালিতে না যাওয়ার প্রসঙ্গে নুসরত বলেন, 'আমি বুঝতে পারছি না আমার এলাকায় না যাওয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে কেন? কিছু পরিস্থিতি এমন রয়ে গিয়েছে। সেখানে ১৭৪ ধারা আছে। আমি সেখানে গেলে সঙ্গে পাঁচ জনকে নিয়ে যাব এবং এটা আইন শৃঙ্খলার বিরোধী হবে।'

স্পম্প্রতি সন্দেশখালি এলাকায় নারীদের শ্লীলতাহানি সহ জমি দখল, চাষের জমি নষ্ট করা সহ বহু অভিযোগ ওঠে শাহজাহান, তাঁর ভাই সিরাজ সহ তার সাগরেদদের বিরুদ্ধে। এদের মধ্যে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হয়েছে অন্যতম অভিযুক্ত শিবু হাজরা ও উত্তম সর্দার। এদের বিরুদ্ধে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ওই এলাকার বহু গ্রামের মানুষ, কাঠপোল, বেরমজুর শোঃ বিভিন্ন গ্রামে তৃণমূল নেতাদেড় বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয়রা, সেই ঘটনা সামাল দিতে স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। এই ১৪৪ ধারা জারি নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য করেন নুসরত। নুসরতকে কটাক্ষ করে বিজেপি নেতা অনুপম হাজরা বলেন, "১৪৪ ধারা অব্দি বুঝতে পারলাম... কিন্তু '১৭৪ ধারা'আজও আমার কাছে অজানাই রয়ে গেল।" তৃণমূলের দাবি, বলার সময় ভুল বলে ফেলেছেন। বিষয়টিকে এত বড় করে দেখা ঠিক হবে না।

6 days ago


Agitation: শুকনো কথায় ভিজবে না চিড়ে! নিয়োগ নোটিশের দাবিতে কুনালের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ চাকরি প্রার্থীদের

চাকরিপ্রার্থীদের কান্না আর হাহাকারের যেন কোনও শেষ নেই। প্রতিদিনই রাজপথে তাদের বিক্ষোভ জানান দেয় তাদের যন্ত্রণা। সরকার আমল দেয় না তাদের দাবির। চোখ বন্ধ করে থাকে। কেটে যায় বছরের পর বছর। মঙ্গলবারও কলকাতার রাজপথে দেখা গেল তারই প্রতিফলন। ২০২২ টেট উত্তীর্ণ চাকরিপ্রার্থীদের D.L.ED ঐক্যমঞ্চের তরফে হল APC ভবন অভিযান।  লোকসভা নির্বাচনের আগে ৫০ হাজার শূন্যপদে নিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল সরকার। কিন্তু প্রতিশ্রুতিই সার। মেলেনি চাকরি। উল্টে প্রতিবারের মত দাবি জানাতে গেলে মিলেছে পুলিসের বাধা। করুণাময়ীর সামনে রীতিমতো শুরু হয় পুলিসের সঙ্গে ধাস্তাধস্তি। একপ্রকার টেনে হিঁচড়ে চাকরিপ্রার্থীদের তোলা হয় প্রিজন ভ্যনে।

মঙ্গলবার  সল্টলেকে বিক্ষোভের পর বুধবার চাকরিপ্রার্থীরা পৌঁছে যান কুনাল ঘোষের বাড়ি। তৃণমূল মুখপাত্র্রের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ দেখান তারা। তাদের দাবি আর প্রতিশ্রুতি নয়। অবিলম্বে ভোটের আগে নোটিস বের করতে হবে। চাকরিপ্রার্থীরা কুণাল ঘোষের পিএ-এর সঙ্গে দেখা করেন। কিন্তু তিনি জানান বাড়িতে থাকলেও তাঁকে বিরক্ত করা যাবে না। চাকরিপ্রার্থীরা জানাচ্ছেন এই হতাশ পরিস্থিতিতে তারা যদি একটু কথা বলতে না পারেন তাহলে তার এই অবস্থায় তারা কার কাছে যাবেন। চাকরিপ্রার্থীদের কাছে গিয়ে ভোটের আগে চাকরি হওয়ার অনেক গালভরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন কুণাল ঘোষ। কিন্তু কোথায় নিয়োগ ? যিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তিনি আর দেখা দিচ্ছেন না। তবে কি অন্তঃসারশূন্য প্রতিশ্রুতিই বাংলার চাকরিপ্রার্থীদের প্রাপ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে ? যে প্রতিশ্রুতি রাখা যায় না তা কেন দেন কুণালবাবুরা ? জবাব চায় বাংলার চাকরিপ্রার্থীরা। 

6 days ago
Sandeshkhali: নিরাপদ সর্দারকে নিঃশর্তে জামিন দিয়ে রাজ্য পুলিসকে তিরস্কার বিচারপতির

কীভাবে জামিন পাওয়ার পরও কাউকে গ্রেফতার করা যায়? সন্দেশখালির প্রাক্তন বিধায়ক তথা সিপিআইএম নেতা নিরাপদ সর্দারের জামিন মঞ্জুর করে রাজ্য পুলিসকে তীব্র ভর্ৎসনা বিচারপতি দেবাংশু বসাকের ডিভিশন বেঞ্চের।  গোটা ঘটনায় পুলিস সুপারের রিপোর্ট তলব করল হাইকোর্ট।

শতাধিক নারীর অভিযোগ যার বিরুদ্ধে, তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিস গ্রেফতার করেছিল সিপিএমের প্রাক্তন বিধায়ক নিরাপদকে। ১৭ দিন ধরে জেলে ছিলেন তিনি। মঙ্গলবার নিরাপদ সর্দারের জামিন মঞ্জুর করে বিচারপতির পর্যবেক্ষণ যথেষ্ঠ বোকা বোকা অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হয়েছে নিরাপদকে। এভাবে কোনও নাগরিককে কি গ্রেফতার করা যায়? রাজ্যের আইনজীবী রুদ্রদীপ নন্দীর কাছে জানতে চান বিচারপতি।

নিরাপদের নামে থানায় এফআইআর দায়ের করা হয় ৯ ফেব্রুয়ারি। তবে তাঁর নামে জেনারেল ডায়েরী করা হয় ১০ ফেব্রুয়ারি। এফআইআর-এর পর একই অভিযোগের ভিত্তিতে কীভাবে জেনারেল ডায়েরীহল? পুলিস তা নিল কীভাবে? এই প্রশ্নও তোলেন বিচারপতি। এমনকি, যাঁরা নিরাপদকে অযাচিতভাবে গ্রেফতার করলেন, সেই পুলিস অফিসারদের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেওয়া হবে না? কেন গ্রেফতারি নয়? এতগুলো দিন তাঁর জেলে থাকার দরুন ক্ষতিপূরণই বা দেবে কে? বিচারপতির এমন প্রশ্নে যে চূড়ান্ত ভর্ৎসনার মুখে পড়ল রাজ্য এবং রাজ্য পুলিস, তা বলাই বাহুল্য।

প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগেই যখন সন্দেশখালির নারীরা রাস্তায় বেরিয়ে শিবু হাজরার গ্রেফতারির দাবি তুলেছিল, তখন অন্তরালে থেকেই শিবু হাজরা ১১১ জনের নামে এফআইআর দায়ের করেন থানায়। যে ১১১ জনের নামের মধ্যে প্রথম নাম ছিল এই নিরাপদ সর্দার। তখনই, পুলিস এক অভিযুক্তর অভিযোগের ভিত্তিতে অতিসক্রিয়তা দেখিয়ে গ্রেফতার করে নিরাপদকে। বিচারের বাণী শেষমেশ আলো দেখালো। রাজ্য পুলিসের একতরফা অতিসক্রিয়তার বিরুদ্ধে ক্ষোভ আরও বাড়ছে সন্দেশখালির, মত ওয়াকিবহাল মহলের।

7 days ago