Breaking News
Tapas Roy: তৃণমূল ছাড়লেন তাপস রায়, বরাহনগরের বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা বর্ষীয়ান নেতার      Resign: হঠাৎ অবসর বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের, 'রাজনীতি যোগ' জল্পনা তুঙ্গে      Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে ফের ফ্য়াক্ট ফাইন্ডিং টিম, শুনবে মহিলা ও বাসিন্দাদের কষ্টের কথা      BJP: প্রথম দফায় ১৯৫ প্রার্থীর নাম ঘোষণা বিজেপির, বাংলার ২০ জনের নাম তালিকায়      Modi: 'রামমোহনের আত্মা সন্দেশখালির মহিলাদের দুর্দশায় কাঁদছে', আরামবাগ থেকে মমতাকে তোপ মোদীর      Suspend: গ্রেফতারির পরেই তৃণমূল থেকে ছয় বছরের জন্য সাসপেন্ড সন্দেশখালির 'বেতাজ বাদশা' শাহজাহান      Sandeshkhali: নিরাপদ সর্দারকে নিঃশর্তে জামিন দিয়ে রাজ্য পুলিসকে তিরস্কার বিচারপতির      Sheikh Shahjahan: ঘর ভাঙচুর, টাকা লুঠ! শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে নতুন এফআইআর সন্দেশখালি থানায়      Sandeshkhali: অজিত মাইতিকে তাড়া গ্রামবাসীদের, সাড়ে ৪ ঘণ্টা পর অবশেষে আটক পুলিসের      Ajit Maity: উত্তপ্ত সন্দেশখালি! অজিত মাইতির গ্রেফতারির দাবিতে বিক্ষোভ মহিলাদের, বাঁচতে সিভিকের বাড়িতে আশ্রয়     

dharmendra

Suchitra Sen: শ্যুটিংয়ের মাঝে ধর্মেন্দ্রর চুমু, লজ্জায় লাল সুচিত্রা! কবে, কোথায়? তারপর...

১৯৬৩ সালে টলিউডে মুক্তি পেয়েছিল অসিত সেন পরিচালিত সিনেমা 'উত্তর ফাল্গুনী'। বাংলায় ব্যাপক হিট হওয়ার পর ১৯৬৬ সালে এই সিনেমা হিন্দিতেও মুক্তি পায়। নাম হয়েছিল মমতা (Mamta)। সুচিত্রা সেন (Suchitra Sen) অভিনয় করেছিলেন মূল চরিত্রে। তাঁর বিপরীতে অভিনয় করেছিলেন হিন্দি ছবির জগতের তারকা ধর্মেন্দ্র (Dharmendra)। জটিল সম্পর্ক ও জটিল আবেগ নিয়ে এই সিনেমার চিত্রনাট্য তৈরী হয়েছিল। সেই সিনেমার শ্যুটিংয়েই এক অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটেছিল।

এক সাক্ষাৎকারে ধর্মেন্দ্র বলেছিলেন, দেবদাস সিনেমায় সুচিত্রা সেনকে দেখার পর থেকেই তাঁর সঙ্গে কাজ করার আকাঙ্খা তৈরী হয় অভিনেতার। 'মমতা' সিনেমায় সুচিত্রা সেনের বিপরীতে অভিনয় করবেন জেনে তো ভীষণ খুশি। কলকাতা ও দার্জিলিংয়ের কিছু জায়গাতে পুরো সিনেমার শুটিং হয়েছিল। কিন্তু ধর্মেন্দ্র হঠাৎ এমন কাণ্ড করে বসেন, যে মহানায়িকার কাছে তাঁকে ক্ষমা চাইতে হয়েছিল।


সেসময় মমতা সিনেমার শ্যুটিং চলছে। বেশ কিছু রোম্যান্টিক দৃশ্য ছিল সুচিত্রা ও ধর্মেন্দ্রর। অভিনেতা হঠাৎ আবেগতাড়িত হয়ে সুচিত্রার পিঠে চুমু খেয়ে বসেন। এই দৃশ্য চিত্রনাট্যে লেখা ছিল না। ফলে সুচিত্রা যেমন লজ্জা পান, ঠিক ততটাই বিরক্ত হয়েছিলেন। জল এতটা গড়ায়, যে ধর্মেন্দ্রকে অবশেষে সুচিত্রার কাছে ক্ষমা চাইতে হয়। 

5 months ago
Dharmendra: 'দেওল পরিবারের প্রাপ্য বলিউড কোনওদিন দেয়নি', ধর্মেন্দ্রর মুখে অপ্রাপ্তির সুর

করণ জোহর পরিচালিত সিনেমা 'রকি অউর রানি কি প্রেম কাহানি' সিনেমায় দিয়ে বহু বছর পরে পর্দায় দেখা গিয়েছিল বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্রকে (Dharmendra)। তিনি অবশ্য শুধু এলেন না। ধামাকা নিয়ে এলেন। তবে আগের মতো অ্যাকশন নয়, এলেন প্রেম নিয়ে। সহ অভিনেত্রী শাবানা আজমির সঙ্গে পর্দায় চুম্বন সাড়া ফেলে দিয়েছিল চারিদিকে। এই বয়সেও অভিনেতাকে এমন সাহসী রূপে দেখে মুগ্ধ হয়ে গিয়েছেন দর্শকেরা। যদিও নিজের সফলতার থেকেও ধর্মেন্দ্র খুশি ছেলে, সানি দেওলের সাফল্যে। তবে এত সাফল্যের মাঝেও হতাশার সুর বর্ষীয়ান অভিনেতার মুখে। 

ধর্মেন্দ্র তাঁর অপ্রাপ্তির জন্য নিশানা করেছেন বলিউডকে। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, 'ঈশ্বরের আশীর্বাদে আমার ছেলে সানির সিনেমা গদর-২ বিরাট সাফল্য পেয়েছে। সবাই বলছেন যে গদর-এক প্রেম কথা, যে সিনেমাটি ২২ বছর আগে এসেছিল, তার থেকেও বেশি সফল হয়েছে এই সিনেমাটি। তার মানে, গদর-২ এর দর্শকদের একটা বড় অংশ গদরের সময় জন্মায়নি। কিন্তু তা সত্বেও উপভোগ করেছে এই সিনেমা।'

অভিনেতা সাক্ষাৎকারে আরও বলেছেন, 'আমাদের পরিবার প্রচার করে না। আমরা সবসময় কাজকে আমাদের হয়ে কথা বলতে দিয়েছি। সানি সবসময়ের একজন অন্যতম ব্লকবাস্টার অভিনেতা। কিন্তু তাকে আপনি কখনও নিজের সাফল্য নিয়ে কথা বলতে দেখবেন না। আমার ছোট ছেলে ববিও ভালো কাজ করছে। কিন্তু আমাদের পরিবার কখনও প্রাপ্যটুকু পায়নি। আমরা কিছু মনে করি না। ভক্তদের ভালোবাসা আমাদের জীবনে জ্বালানির মতো কাল করে। ইন্ডাস্ট্রির আমাদের পরিচিতি দেওয়ার দরকার নেই।' আরও একটু হতাশার সুরে অভিনেতা বলেছেন, 'আমি এখনও একটাও পুরস্কার পাইনি'।                                    

6 months ago
Shabana Azmi: ধর্মেন্দ্রকে চুম্বন, কী প্রতিক্রিয়া দিলেন শাবানার স্বামী জাভেদ আখতার

'রকি অউর রানী কি প্রেম কাহানি' সিনেমা মুক্তি পেতেই আলিয়া ও রণবীরের প্রেমকে ছাপিয়ে উঠে এসেছিল আরও একটি প্রেম কাহানি। বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্র এবং অভিনেত্রী শাবানা আজমীর (Shabana Azmi) প্রেম। সিনেমা হলে গিয়ে দর্শকেরা এক অপূর্ব মুহূর্তের সাক্ষী থেকেছেন। ধর্মেন্দ্র (Dharmendra) এবং শাবানার চুম্বনের দৃশ্য। এই দৃশ্য পর্দায় চলার সময় হল ফেটে পড়েছে দর্শকদের হাততালি ও সিটিতে। অভিনেতা ধর্মেন্দ্র অবশ্য বলেছেন, 'এর থেকেও ভালো হতে পারত।' তবে এই বিষয়ে কী প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন শাবানা আজমীর স্বামী জাভেদ আখতার (Javed Akhtar)?

সম্প্রতি শাবানা চুম্বনের দৃশ্য সম্পর্কে এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, 'আমি কোনওদিনও ভাবিনি এত রব তৈরী করব! আমরা যখন চুমু খাচ্ছি তখন দর্শকেরা হেসেছেন, উৎসাহ দিয়েছেন। শ্যুটিং করার সময় এটি কোনও ব্যাপারই ছিল না। তবে এটাও সত্যি যে আমি এর আগে পর্দায় তেমন চুম্বন খাইনি। কিন্তু ধর্মেন্দ্রর মতো সুপুরুষকে কে চুমু খেতে চাইবে না।'

তাঁর চুম্বনের দৃশ্যে কী প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন ধর্মেন্দ্র? এই প্রশ্নের উত্তরে শাবানা বলেন, 'ওঁ তো এই বিষয় নিয়ে একেবারেই ভাবিত ছিলেন না। তবে পুরো সিনেমায় আমার দাপুটে অভিনয় তাঁকে ভাবিয়েছে। সারা সিনেমায় আমি হাততালি দিয়েছি, সিটি মেরেছি, উৎসাহ দিয়েছি, চিৎকার করেছি। পর্দার সঙ্গে সে আমাকে বাস্তবে মেলাতেই পারেনি।' 

7 months ago


Movie: 'রোম্যান্সের বয়স আছে নাকি!' শাবানাকে চুমু খেয়ে অকপট ধর্মেন্দ্র

২৮ জুলাই বড় পর্দায় মুক্তি পেয়েছে 'রকি অউর রানী কি প্রেম কাহানি'। ৭ বছর পর আবারও পরিচালনায় ফিরেছেন করণ জোহার। তাই ফ্যামিলি ড্রামায় জোর দিয়েছেন বেশি। দর্শকেরা আপাত দৃষ্টিতে পর্দায় রকি এবং রানী অর্থাৎ রণবীর এবং আলিয়ার প্রেম দেখতে যাবেন। তবে সেই প্রেমের সঙ্গে সমান্তরালভাবে দেখতে পারবেন আরও একটি পুরোনো প্রেমের গল্প। যে গল্পের মুখ্য চরিত্রে থাকবেন বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্র (Dharmendra) এবং শাবানা আজমি (Shabana Azmi)।

সিনেমার শেষে তৈরী হবে সেই মুহূর্ত, যেখানে হুইল চেয়ার থেকে উঠে দাঁড়িয়ে শাবানাকে চুমু খাবেন ধর্মেন্দ্র। ৮৭ বছরের অভিনেতাকে এমন দৃশ্যে দেখে অবাক হয়ে গিয়েছেন দর্শকেরা। একইসঙ্গে তালি বর্ষণও হয়েছে। যদিও কিছু মানুষ সমালোচনা করেছেন। সম্প্রতি এই বিষয়ে মুখ খুলেছেন ধর্মেন্দ্র। অভিনেতা বলেছেন, 'আমি শুনছি চুমুর দৃশ্যে আমি এবং শাবানা দর্শককে অবাক করে দিয়েছি একইসঙ্গে নাকি হাততালিও পড়েছে। আমার মনে হয় মানুষ আশা করছিলেন না। হঠাৎ করেই সবার উপরে এর প্রভাব পড়েছে। শেষবার আমি লাইফ ইন এ মেট্রো সিনেমায় নাফিসা আলীর সঙ্গে চুম্বনের দৃশ্যে অভিনয় করেছিলাম এবং সেইবারও প্রশংসা পেয়েছিলাম।'

ধর্মেন্দ্র আরও বলেন, 'আমি বিশ্বাস করি রোম্যান্সের কোনও বয়স হয় না। আমার তো প্রত্যেকবার মনে হয়, এর থেকে ভালো হতে পারত।' এই বলে হেসে লুটিয়ে পড়ার অবস্থা হয় অভিনেতার।


7 months ago
Hema: প্রথম স্ত্রীয়ের সঙ্গে থাকেন ধর্মেন্দ্র, স্বামীর সঙ্গে আলাদা থাকার প্রসঙ্গে কী বললেন হেমা

অভিনেতা ধর্মেন্দ্র এবং অভিনেত্রী হেমা মালিনী (Hema Malini), বলিউড জগতের জনপ্রিয় দম্পতি। তাঁদের বিয়ে এক বর্ণময় অধ্যায়। তবে জীবন যে রূপকথা নয়, সেই প্রমাণ আবারও মিলল তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে। কিছুদিন আগে ধর্মেন্দ্রর (Dharmendra) সঙ্গে তাঁর প্রথম স্ত্রী প্রকাশ কৌরের একটি ছবি ভাইরাল হয়েছিল। এখন শোনা যাচ্ছে, হেমা নয়, প্রথম স্ত্রী এবং প্রথম পক্ষের সন্তানদের সঙ্গেই থাকছেন বর্ষীয়ান অভিনেতা। স্বামীর সঙ্গে ভিন্ন থাকার প্রসঙ্গে এবার মুখ খুললেন হেমা।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে হেমা বলেন, 'কেউ এরকমভাবে থাকতে চান না, এরকম হয়ে যায়। নিজে থেকেই, যা হয়েছে তা মেনে নেওয়া ছাড়া আর কোনও উপায় নেই। সব মহিলাই তাঁদের স্বামী এবং সন্তানদের সঙ্গে সাধারণ জীবন কাটাতে চান। কিন্তু কখনও তেমনটা হয় না।' একসময় যার সঙ্গে এতটা সময় কাটিয়েছেন, সেই স্বামী আলাদা থাকার প্রসঙ্গে হেমা আরও যোগ করেন।

অভিনেত্রী বলেন, আমি এই বিষয়ে খারাপ ভাবছি না। বা অভিমানও করছি না। আমি নিজেকে নিয়ে খুব খুশি। আমার দুই সন্তান রয়েছে। আমি তাঁদের ভালো করেই বড় করেছি। অবশ্যই ওঁ (ধর্মেন্দ্র) সবসময় ছিল, সব জায়গায়। তিনিই বেশি চিন্তিত ছিলেন মেয়েদের ভবিষ্যৎ নিয়ে।'

প্রসঙ্গত ধর্মেন্দ্রর সঙ্গে হেমা মালিনীর বিয়ের খবর সকলে জানলেও, সেই বিয়ে কীভাবে হয়েছিল তা অনেকেই জানেন না। ধর্মেন্দ্র যখন হেমার প্রেমে পড়েন তখন তিনি বিবাহিত। প্রথম স্ত্রী প্রকাশ এই খবর জানতে পেরে হেমার সঙ্গে বিয়েতে সম্মতি দেন। তবে তাঁর একটি শর্ত ছিল, ধর্মেন্দ্র হেমাকে বিয়ে করতে পারবেন কিন্তু প্রকাশের সঙ্গে বিচ্ছেদ না করে। এরপর হেমা এবং ধর্মেন্দ্র ধর্মান্তরিত হয়ে একে অপরকে বিয়ে করেন।

8 months ago


Dharmendra: প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদ না করেই বিয়ে হেমাকে, ধর্মেন্দ্রর প্রেম যেন রূপকথা

সামাজিক মাধ্যমে বর্তমানে ভাইরাল বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা ধর্মেন্দ্রর (Dharmendra) একটি ছবি। সেই ছবিতে অবশ্য বর্ষীয়ান অভিনেতা একা ছিলেন না। সঙ্গে ছিলেন প্রথম স্ত্রী প্রকাশ কৌর (Prakash Kaur)। প্রাক্তন নয় কিন্তু প্রথম স্ত্রী। তাঁদের দাম্পত্য ৭০ বছরের। এদিকে ১৯৮০ সালে ধর্মেন্দ্র বিয়ে করেছিলেন অভিনেত্রী হেমা মালিনীকে। প্রথম পক্ষে ধর্মেন্দ্রর চার সন্তান দ্বিতীয় পক্ষে ধর্মেন্দ্রর দুই সন্তান। প্রথম স্ত্রী থাকতে হেমাকে বিয়ে করা কিন্তু খুব একটা সহজ ছিল না ধর্মেন্দ্রর কাছে। তাঁদের বিয়ের গল্প যেন রুপকথাকেও হার মানাবে।

অভিনেত্রী হেমা মালিনী তখন জনপ্রিয় নায়িকা। বলিউডের প্রথম সারির তাবড় নেতারা তাঁকে বিয়ে করতে চান। তবে শেষ পর্যন্ত সেই দৌড়ে এগিয়ে যান ধর্মেন্দ্র। তাঁকে মন দিয়ে বসেন হেমা। এদিকে চার সন্তানের বাবা ধর্মেন্দ্র বেশ সঙ্কটে পড়েন। ভালোবাসেন যখন বিয়েও করতে চেয়েছিলেন হেমাকে। এদিকে স্ত্রী প্রকাশও রয়েছেন। এমন সময় টানাপোড়েন সহজ করে দেন অভিনেতার প্রথম স্ত্রী প্রকাশ। তিনি ধর্মেন্দ্রর সঙ্গে এই নিয়ে বোঝাপড়া করেন।

প্রথম স্ত্রীয়ের সঙ্গে বিচ্ছেদ না করেই হেমাকে বিয়ে করেন ধর্মেন্দ্র। তবে তার আগে দুজনেই ইসলামে ধর্মান্তরিত হন। এরপরেই হেমার সঙ্গে ধর্মেন্দ্রর দাম্পত্য শুরু হয়। তবে প্রথম স্ত্রীয়ের সঙ্গেও সম্পর্ক বজায় রেখে চলেছেন অভিনেতা। সম্প্রতি নাতি করণ দেওলের বিয়েতে প্রথম স্ত্রীয়ের সঙ্গে খোশমেজাজে গল্প করেছেন ধর্মেন্দ্র। সেই ছবিই ভাইরাল হয়েছে সামাজিক মাধ্যমে।

9 months ago
Divya: অভিনেত্রী দিব্যা বলিউডে আসায় খুশি ছিলেন না ধর্মেন্দ্র!

বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্র (Dharmendra) সম্পর্কে সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে গোপন তথ্য ফাঁস করেছেন অভিনেত্রী দিব্যা দত্ত (Divya Dutta)। বলিউডের এই দুই অভিনেতা পাঞ্জাবের শেহেনওয়ালের বাসিন্দা ছিলেন। দিব্যার মা ধর্মেন্দ্রকে ভাইয়ের চোখে দেখতেন। পরবর্তীতে ধর্মেন্দ্র অভিনেতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। অন্যদিকে দিব্যাও অভিনেত্রী হতে চেয়েছিলেন। কিন্তু প্রথম থেকেই ধর্মেন্দ্র যেন দিব্যার অভিনয়ের বিরুদ্ধে ছিলেন। কিন্তু 'আপনে' সিনেমাতে ধর্মেন্দ্রর সঙ্গেই অভিনয় করতে হয়েছিল দিব্যাকে। কেমন ছিল সেই অভিজ্ঞতা? জানালেন দিব্যা।

সম্প্রতি লন্ডনে ধর্মেন্দ্রর হাতে পুরস্কার তুলে দিয়েছিলেন দিব্যা। সেই মঞ্চে মাইক হাতে ধর্মেন্দ্র বলেন, 'আমি কিছু বলতে চাই। দিব্যা যখন ইন্ডাস্ট্রি জয়েন করেছিল, আমি তা পছন্দ করিনি। সমর্থন করিনি। এমনকি দিব্যার প্রশংসাও করিনি। কিন্তু আজ আমি খুশি যে দিব্যা আমার কথা শোনেনি।

যদিও মাইক হাতে নিয়ে দিব্যা বলেন, '২৫ বছর আগে সেই সময় আলাদা ছিল। সকলেই খুব নিরাপত্তা নিয়ে ভাবত। কারণ সেসময় ইন্ডাস্ট্রি এত সহজ ছিল না। কিন্তু আজ আমি মান্যতা পেয়েছি, আমি এতেই খুশি।' অভিনেত্রী দিব্যা দত্ত বলিউডের বেশ জনপ্রিয় মুখ হয়ে উঠেছেন। 'বীর জারা' সিনেমায় তাঁর অভিনয় প্রশংসা পেয়েছিল। এখনও বলিউডে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছেন তিনি।

10 months ago
Dharmendra: 'নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি লিখেও জবাব পায়নি', কলকাতায় মন্তব্য শিক্ষামন্ত্রীর

বাংলায় চলা শিক্ষায় নিয়োগ দুর্নীতি-কাণ্ডে (Recruitment Scam) ব্যবস্থা নিতে আমি মুখ্যমন্ত্রীকে (CM Mamata) চিঠি লিখেছিলাম। কিন্তু এখনও সেই চিঠির কোনও জবাব পেলাম না। শুক্রবার দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে দাঁড়িয়ে এই মন্তব্য করেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান (Union Education Minister)। খড়গপুর আইআইটির অনুষ্ঠানে যোগদানের সঙ্গে বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। এদিন সকাল শহরে পা রেখেই দক্ষিণেশ্বরে পুজো দিতে যান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। এরপরেই মন্দিরে উপস্থিত সংবাদ মাধ্যমের সামনে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রী।

তিনি জানান, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি-কাণ্ডে বাংলায় এতকিছু হয়ে গেল। কোটি কোটি টাকা নয়ছয় হয়েছে, বড় কর্তা, মন্ত্রী গ্রেফতার হওয়ার পরেও রাজ্য সরকার এখনও কুম্ভকর্ণের মতো ঘুমিয়ে যাচ্ছে। আর কত সময় লাগবে তরুণদের ন্যায় পেতে? এসব প্রশ্নের জবাব চেয়ে এবং মুখ্যমন্ত্রীকে ব্যবস্থা নিতে বলে একটা চিঠি পাঠিয়েছিলাম গত অগাস্ট মাসে। কিন্তু এখনও জবাব পাইনি।

তাঁর মন্তব্য, 'এই দুর্নীতি-কাণ্ডে মন্ত্রী, উপাছারজ-সহ সবাই জড়িত। এই দুর্নীতি-কাণ্ড মানুষের দরজা পর্যন্ত পৌঁছে গণতান্ত্রিক উপায়ে এই সরকারকে সরানোই লক্ষ্য।' কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর অভিযোগ, 'বাংলায় নানা খাতে পাঠানো কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা নিয়েও দুর্নীতি হয়, সরকার আর পার্টি এক হয়ে যায়। এমনকি, সর্বশিক্ষা অভিযানের টাকাতেও নয়ছয় লক্ষ্য করা গিয়েছে।'

যদিও কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর এই দাবি সর্বৈব মিথ্যা এই দাবি করে কুণাল ঘোষের প্রস্তাব, 'ধর্মেন্দ্র প্রধান ব্যাপম কেলেঙ্কারিতে বিদ্ধ মধ্যপ্রদেশ কিংবা সরকারি সিদ্ধান্তে ১০ হাজার শিক্ষকের চাকরি চলে যাওয়া ত্রিপুরায় গিয়ে এসব বলুন। ডবল ইঞ্জিন সরকার যেখানে যেখানে ইন্যম করেছে সেখানে যান।  বাংলার শিক্ষাব্যবস্থা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে অনেক উন্নতি করেছে। কেন্দ্রীয় রিপোর্ট বলছে। ধর্মেন্দ্র প্রধান সত্যের অপলাপ করেছেন।' কুণাল ঘোষের কটাক্ষ, 'অযোগ্য বঙ্গ বিজেপির নেতারা নিজেদের দুর্বলতা ঢাকতে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে ভুল তথ্য দিয়ে ভুল বলান। ধর্মেন্দ্র প্রধানজি ভালো করে খোঁজ নিক।

one year ago