Breaking News
Weather: ফের পারদ পতনের পূর্বাভাস, কেমন থাকবে আবহাওয়া? জানাল হাওয়া অফিস      Tapas Roy: তৃণমূল ছাড়লেন তাপস রায়, বরাহনগরের বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা বর্ষীয়ান নেতার      Resign: হঠাৎ অবসর বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের, 'রাজনীতি যোগ' জল্পনা তুঙ্গে      Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে ফের ফ্য়াক্ট ফাইন্ডিং টিম, শুনবে মহিলা ও বাসিন্দাদের কষ্টের কথা      BJP: প্রথম দফায় ১৯৫ প্রার্থীর নাম ঘোষণা বিজেপির, বাংলার ২০ জনের নাম তালিকায়      Modi: 'রামমোহনের আত্মা সন্দেশখালির মহিলাদের দুর্দশায় কাঁদছে', আরামবাগ থেকে মমতাকে তোপ মোদীর      Suspend: গ্রেফতারির পরেই তৃণমূল থেকে ছয় বছরের জন্য সাসপেন্ড সন্দেশখালির 'বেতাজ বাদশা' শাহজাহান      Sandeshkhali: নিরাপদ সর্দারকে নিঃশর্তে জামিন দিয়ে রাজ্য পুলিসকে তিরস্কার বিচারপতির      Sheikh Shahjahan: ঘর ভাঙচুর, টাকা লুঠ! শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে নতুন এফআইআর সন্দেশখালি থানায়      Sandeshkhali: অজিত মাইতিকে তাড়া গ্রামবাসীদের, সাড়ে ৪ ঘণ্টা পর অবশেষে আটক পুলিসের     

bjp

Sonali: 'খুনের উদ্দেশে গোয়ায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল সোনালিকে', জেরায় কবুল নেত্রীর ব্যক্তিগত সচিবের

বিগ বস (Bigg Boss) খ্যাত অভিনেত্রী তথা হরিয়ানার বিজেপি নেত্রী (BJP Leader) সোনালি ফোগাটের (Sonali Phogat)মৃত্যু ঘিরে প্রতি মুহূর্তে রহস্য দানা বাঁধছিল। তদন্তে উঠে এসেছে বিস্ফোরক তথ্য। সূত্রের খবর, সোনালিকে হত্যা (Murder) করেছেন অভিযুক্তরা। আর সে কথা জেরায় স্বীকার করে নিয়েছেন তাঁরই ব্যক্তিগত সহকারী (সিএ) অভিযুক্ত সুধীর সাংওয়ান।

পুলিস সূত্রে খবর, ফোটোশ্যুটের নাম করে গোয়ায় নিয়ে যাওয়া হয়। আদৌ কোনও ফোটোশ্যুট ছিল না। খুন করার পরিকল্পনা করেই সোনালিকে গুরুগ্রাম থেকে গোয়ায় নিয়ে যান তাঁরা। পুলিসি জেরায় সে কথা নিজেই স্বীকার করেছেন সুধীর।

প্রথমে জানা গিয়েছিল, গত ২৩ শে অগাস্ট হৃদরোগে আক্রান্ত (Heart Attack) হয়ে মৃত্যু হয়েছিল সোনালি ফোগাটের। এরপর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে করা হয় ময়নাতদন্ত। রিপোর্টে উঠে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। এরপরই গ্রেফতার (Arrested) করা হয় মূল দুই অভিযুক্ত ব্যক্তিগত সহকারী সুধীর ও আরও এক সহযোগী সুখবিন্দর সিংকে। এরপর সোনালির এক রেস্তোরাঁ মালিক এডউইন নুনেজ এবং সেই সঙ্গে দত্তপ্রসাদ গাওঁকর ও রামদাস মান্দ্রেকর নামে দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে পুলিস।

পুলিস সূত্রে খবর, গোয়ার অঞ্জুনা সমুদ্র সৈকতে বিখ্যাত রেস্তোরাঁ-কাম-নাইটক্লাব কার্লিতে অভিযুক্তরা সোনালিকে মেথামফেটামিন ড্রাগ (মেথ) পান করতে বাধ্য করেছিলেন। সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ এবং জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে সেই ছবিও সামনে এসেছে।

2 years ago
Sukanta: অভিষেকের সিজিওয় হাজিরা, 'আজকেও বড় কিছু ঘটতে পারে', ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য সুকান্তর

কয়লা-কাণ্ডে ইডি জিজ্ঞসাবাদের মুখোমুখি তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। প্রায় ৫ ঘন্টা পার, সিজিও কমপ্লেক্সে (CGO Complex) তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। এ অবস্থায় বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন বঙ্গ বিজেপির (Bengal BJP) সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। আজ বড় কিছু ঘটতে পারে, আপনারা দেখতে থাকুন। এই ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। এদিন বালুরঘাটের সাংসদ তথা রাজ্য বিজেপির সভাপতি (Sukanta Majumder) বলেন, 'দিদি ঘুরে আসার পর পার্থ চট্টোপাধ্যায় জেলে গিয়েছেন। দিদির প্রিয় কেষ্ট জেলে আছেন। যদি বোঝাপড়া থাকতো এঁরা জেলে যেতেন না। আগামি দিনে কেউ কেউ যেতে পারেন। আজকেও বড় কিছু ঘটতে পারে। আপনারা লক্ষ্য রাখুন।'

সুকান্ত মজুমদারের এই মন্তব্যের পরেই তুঙ্গে রাজনৈতিক চাপানউতোর। তৃণমূল সাংসদ শান্তনু সেন জানান, 'সুকান্ত মজুমদারের মন্তব্যে দুটো কথা স্পষ্ট হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেটিং করেন না। কারও সঙ্গে আপস করে না। আর দ্বিতীয় ইডি, সিবিআই এখন আর নিরপেক্ষ নয়। বিজেপির অঙ্গুলিহেলনে চলে। সেটাই আজ উনি ভুল করে হলেও ঠিক বলে ফেলেছেন।' কংগ্রেসের অধীর চৌধুরীর আবার খোঁচা, 'দিদি-মোদীর সেটিং আছে, ভাইপোর ভয়ের কোনও কারণ নেই।'

সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তীর মন্তব্য, 'বড় কিছু হওয়ার গল্প কোথায়? মুখ্যমন্ত্রী সব জানেন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে যখন চিটফান্ড-কাণ্ডের তদন্ত করছে, তখন কুণাল ঘোষ বলেছিলেন চিটফান্ডে সবচেয়ে বেশি সুবিধাভোগী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু যিনি সবচেয়ে বেশি সুবিধাভোগী ছিলেন, তিনি এখনও জেলের বাইরে। তাই বড় কিছু ঘটেনি। কিন্তু ঘটতে পারতো।'

2 years ago
Dilip Ghosh: মমতাকে বোম্বাগড়ের রাজা কটাক্ষ দিলীপের, 'আজ থেকেই পুজো শুরু', মন্তব্য অরূপের

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (CM Mamata) বোম্বাগড়ের রাজার সঙ্গে তুলনা করলেন দিলীপ ঘোষ (BJP MP Dilip Ghosh)। বৃহস্পতিবার প্রাতঃভ্রমণ শেষে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়েছিলেন বিজেপি সাংসদ। সেখানেই জোড়াসাঁকো-রেড রোড ইউনেস্কোর (UNESCO) ধন্যবাদজ্ঞাপন মিছিলের প্রসঙ্গ টেনে সুর চড়া করেন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, 'কাজকর্মের কথা বলবেন না। সরকারি পয়সায় খান, ফুর্তি করুন। পুজোর ছুটি, ইদের ছুটি বাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। আনন্দ-ফুর্তি ধার-দেনা করে যতদিন চলছে চলুক। রাজ্যে মূর্খদের জন্য তৈরি করে বোম্বাগড়ের রাজার মতো উনিই রাজত্ব করবেন।'

তিনি জানান, এটাই মুখ্যমন্ত্রীর রাজনীতি। লুটপাট চললেও, আসুন আনন্দ করুন আমি তো আছি। এভাবেই রাজ্যকে বন্ধ্যা করে দিয়ে উনি চলে যাবেন। এদিকে এদিনের কার্নিভাল প্রসঙ্গে রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস বলেন, 'ইউনেস্কোকে ধন্যবাদ দুর্গাপুজোকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় এই স্বীকৃতি এসেছে। অনেকে বলেছিল বাংলায় দুর্গাপুজো হয় না। কিন্তু সরকারি উদ্যোগে প্রায় ৪৩ হাজার পুজো রাজ্য হয়।'তিনি জানান আজ থেকে পুজো শুরু হয়ে গেল।

2 years ago


Mamata: 'রাজনীতি এত নোংরা জানলে কবেই রাজনীতি ছেড়ে দিতাম', সরব মুখ্যমন্ত্রী মমতা

এরকম নোংরা রাজনীতি দেখলে আগেই রাজনীতি ছেড়ে দিতাম। নবান্নে ক্ষোভপ্রকাশ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (CM Mamata)। সব কয়লার টাকা নাকি কালীঘাটে যাচ্ছে। কার কাছে যাচ্ছে মা কালীর কাছে? এহেন প্রশ্ন তুলে মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্য, 'জেনেশুনে কোনও অন্যায় করিনি। তৃণমূল কংগ্রেস পরিবারকে (TMC) কলঙ্কিত করবেন না। আমি একটা মশাও মারি না। রক্ত, মৃতদেহ দেখতে পারি না। ভয় পাই। যাকে তাঁকে কলুষিত করার চেষ্টা চলছে। তৃণমূলকে পরিকল্পিত করে কলঙ্কিত করার চেষ্টা হচ্ছে। প্রতিহিংসা না প্রকাশ্যে হিংসা?'

তাঁর দাবি, 'উত্তর প্রদেশ, বিহার হয়ে গোরু আসছে। গোরু-কয়লা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীনে। আমি সেটিং করি না। এই কাজের জন্য আমি ফিট না। আমার কাছে সেটিং করতে আসে। আমরা কারও কাছে ভিক্ষা চাই না, প্রাপ্য চাই। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সে ব্যাপারে কথা বলতে গেলে বলা হয় সেটিং করতে গিয়েছি।'  মুখ্যমন্ত্রী জানান, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে আমি কোনও বেতন নিই না। প্রায় ৫-৬ কোটি টাকা সাদা টাকা তো হবেই। আমার চেয়ারের লোভ নেই। এটা মানুষের চেয়ার, মানুষ যেদিন চাইবে না থাকবো না। একটা ঝোলা ব্যাগ নিয়ে রেল মন্ত্রক ছেড়ে চলে এসেছিলাম। ক্রীড়া মন্ত্রক ছেড়ে দিয়েছিলাম।

অভিমানের সুরে তাঁর মন্তব্য, 'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বই লিখলে আপত্তি কোথায়। বাচ্চাদের সঙ্গে মিশতে গেলে বাচ্চা মন করতে হয়। তাও সোশাল মিডিয়ায় আমার লেখা নিয়ে হাসাহাসি হয়। দু'বার আঁকার প্রদর্শনী করেছিলাম। যা টাকা পেয়েছি দান করে দিয়েছি। আমি ছোট থেকেই লিখি। আমার সৃজনশীলতা আমাকে গান লিখতে, বই লিখতে অনুপ্রেরণা দিলে আমি লিখি। আপনারও লিখুন, কে না করেছে। আমার তো তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়া কোনও পরিবার নেই। রান্না করতে হয় না, অভিষেকের মা আমাকে দেখে। তাই এসব নিয়ে থাকি।'

বুধবার মুখ্যমন্ত্রী বৃহস্পতিবার ইউনেস্কোর জন্য আয়োজিত থ্যাঙ্কস গিভিং পদযাত্রার পরকিল্পনা সংবাদ মাধ্যমের সামনে তুলে ধরেন। কোথা থেকে মিছিল শুরু হয়ে, কোথায় থামবে। সেই বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা দেন তিনি।

2 years ago
Suicide: ফেসবুক লাইভ করে বিজেপি কর্মীর আত্মহত্যা, পুলিসের হাতে ধৃত স্থানীয় ক্লাব সম্পাদক

মর্মান্তিক মৃত্যু (death)। হঠাৎই ভোরবেলায় ফেসবুকে লাইভে (facebook live) আসেন এক যুবক। সেখানে দেখা যায় ঘরে বসে কাঁদছেন ওই যুবক। কিন্তু কেন? তিনি লাইভে বলছেন, আর কিছুক্ষণ পরেই সব শেষ হয়ে যাবে। অর্থাৎ তিনি নিজেকে শেষ করে দেবেন। আত্মহত্যার (suicide) পথ বেছে নিয়েছেন। কারণ, তিনি বিজেপি (bjp) করেন। তাই তাঁকে খুনের (murder) হুমকি দেওয়া হচ্ছে। শেষ করে দেওয়া হবে গোটা পরিবারকেও, এমনই অভিযোগ তাঁর। হাড়হিম করা এই ঘটনা হুগলির। ঘটনার পরই পরিবারের পক্ষ থেকে একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে প্রথমে অভিযুক্ত কুণাল সরকারকে আটক করা হয়। এরপর দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করার পর তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিস।

হুগলির চুঁচুড়ার কেওটা মিলিটারি কলোনির বাসিন্দা ২৮ বছরের অভিষেক চৌধুরী। স্থানীয় সূত্রে খবর, যে সময় এই ফেসবুক লাইভ করা হয়েছিল, তখন তা কারও নজরে পড়েনি। পরে মঙ্গলবার সকাল হতেই তাঁর বন্ধুরা বাড়িতে গিয়ে পৌঁছয়। সোমবার রাতে ছেলে ঘুমোচ্ছেন এই ভেবেই ঘুমিয়েছিলেন বাবা–মা। কিন্তু বন্ধুদের কথায় দরজা ভাঙতেই দেখা যায় ছেলের ঝুলন্ত দেহ। তড়িঘড়ি তাঁকে উদ্ধার করে ইমামবাড়া হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

ঘটনার পরই কাটগড়ায় স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। অভিযোগ, এই এলাকার "আমরা কজন" ক্লাবের সম্পাদক কুণাল সরকারের বিরুদ্ধে। ফেসবুক লাইভে অভিযোগ তুলেছেন খোদ অভিষেক চৌধুরী। যদিও স্থানীয় ক্লাবের সম্পাদক কুণাল সরকার এই বিষয়ে কিছু বলতে চাননি। যদিও স্বামীকে ফাঁসানো হয়েছে বলে দাবি কুণালের পরিবারের।

2 years ago


BJP: 'মমতা জানেন তৃণমূলের কে কী করেছে', খোঁচা শমীকের, অভিষেককেও কটাক্ষ বিজেপির

সোমবার মেয়ো রোডে (Mayo Road) তৃণমূল ছাত্র পরিষদের (TMCP) প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুষ্ঠানে কড়া বক্তব্য রাখেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata)। এদিন এই অনুষ্ঠানে কেন্দ্রের উদ্দেশে বিদেশ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতি ক্ষোভ উগড়ে দেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এই সভায় মমতা এবং অভিষেকের আক্রমণের মূল নিশানায় ছিল রাজ্যের বিরোধী দলগুলো। সেই আক্রমণের পাল্টা এসেছে গেরুয়া শিবির (BJP) থেকে। মুখ্যমন্ত্রী এদিন বলেছেন, 'আমাকে, অভিষেককে চোর বলছে। সবাই চোর আর ওরা সাধু এটা হতে পারে না।'

মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে বিজেপি মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেন, 'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সব জানেন কে কী করেছেন। উনি পশ্চিমবঙ্গের মাটি এবং মানুষ ছেনেন,স এভাবেই তৃণমূলের নেতাকর্মীদের চেনেন। মা যেমন ছেলের দোষ ত্রুটি জানেন, সেভাবেই প্রত্যেককেই উনি মাতৃস্নেহে লালিত পালিত করেছেন।' 

এদিকে, এদিন মুখ্যমন্ত্রীর পরিবারের সম্পত্তিবৃদ্ধি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা হয়েছে। সেই মামলা প্রসঙ্গে শমীক ভট্টাচার্য জানান, যিনি মামলা করেছেন, তিনি প্রতিক্রিয়া দিতে পারবেন। এখানে সব ব্যাপারে মামলা চলছে। আমাদের বিরুদ্ধে এবং আমার বিরুদ্ধেও মামলা চলছে। আমাদের জিজ্ঞাসা করলে কোর্টে উত্তর দেব।

পাশাপাশি এদিন অভিষেকের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে এই বিজেপি নেতা বলেন, 'কয়লা চুরি-গোরু চুরিতে যে অভিযুক্ত বিএসএফ তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিসের হাতে তুলে দিয়েছে। পুলিস ব্যবস্থা নেবে। তারপর বিএসএফ-র কেউ প্রতিবাদ মিছিল করেছে? না আমাদের কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রীরা রাস্তায় নেমেছেন? দুর্নীতির বিরুদ্ধে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর জিরো টলারেন্স। তৃণমূলের অসুবিধা কোথায়? ওদের কাছে যদি খবর থাকে প্রমাণ দিক কারা চোর।' 

এমনকি, জয় শাহ প্রসঙ্গে কড়া অভিষেকের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে বিজেপি মুখপাত্র বলেন, 'কে জয় শাহ? বিজেপির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য, না পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্বপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষক। আর যে তৃণমূল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ের নিচে নেতাজির ছবি রাখে সে এই সমালোচনা করছে!'

ঠিক কী কী বললেন শমীক ভট্টাচার্য--

2 years ago
TMCP: 'আমাকে, অভিষেককে চোর বলা হচ্ছে, সবাই চোর, আর তোমরা সাধু', চড়া সুর মমতার

মেয়ো রোডে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের (TMCP) সমাবেশ থেকে আক্রমণাত্মক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata)। সোমবার শুরু থেকেই সুর চড়া ছিল মুখ্যমন্ত্রীর। তাঁর মন্তব্য, 'তৃণমূলকে বদনাম করার চেষ্টা চলছে। আমরাও লিস্ট করে রাখছি কারা বদনাম করার চেষ্টা করছি। বিচারব্যবস্থাকে প্রভাবিত করা হচ্ছে। রাজনীতি না করলে জিভ ছিঁড়ে নিতে বলতাম।' তাঁর সরকারের আমলে চাকরির নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগে সরব বিরোধী দলগুলো (BJP-CPM)। এই প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'বাম আমলে টাকা দিয়ে চাকরি দেওয়া হতো। বাম আমলের সেই তালিকা কোথায়? এদিকে ইডি-সিবিআইকে দিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে টাকা লুঠ করা হচ্ছে। জনগণের টাকা লুঠ চলছে।'

তাঁর অভিযোগ, 'বিজেপি বিদেশে টাকা পাচার করছে। পার্থ চট্টোপাধ্যায় চোর হলে আইন বিচার করবে। কিন্তু মনে রাখবেন অনুব্রত চোর, মমতা চোর, ববি চোর, অভিষেক চোর, রেড রোড চোর, মেয়ো রোডও চোর। আর তোমরা সব সাধু। এসব চলবে না।'

মুখ্যমন্ত্রী কটাক্ষের সুরে মন্তব্য, 'আমার সম্পত্তি বেড়েছে, এই সংক্রান্ত মামলা আন্তর্জাতিক কোর্টে হওয়া উচিৎ। এখানে বিজেপি শিখিয়ে দেবে। আমি আমার মুখ্যমন্ত্রীর বেতন, প্রাক্তন সাংসদ-মন্ত্রী হিসেবে পেনশন নিই না। সেই ১০-১২ বছর ধরে চলছে। বাইরে একটা চা খেলেও নিজের পয়সায় খাই। ৯১ সালের পর থেকে বিমানে কোনওদিন ইকোনমিক ক্লাসে চড়ি না। আমি বই বিক্রি করলেও ওদের জ্বালা। শুভা দা ছবি আঁকলেও ওদের জ্বালা।' 

ব্রাত্য কেন আমাকে পুরস্কার দিল? তা নিয়েও সমালোচনা। অতীতে কত পুরস্কার আমি ছেড়ে দিয়েছি। এতো কাজের মধ্যেও এক হাজার-দু'হাজার পাতার বই লিখুন। এভাবেই বিরোধী শিবিরের সমালোচনার জবাব এদিন মেয়ো রোডে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

সুর আরও ছড়িয়ে তিনি জানান, আমি রাজনীতি করতে এসেছি, সমাজসেবা করব বলে। সিপিএম ৩৪ বছরে ৩৪ বছরই দুর্নীতি করে খেয়েছ। বিজেপির আট বছরে শুধু জিএসটি, চাকরি নেই। আর মানুষের টাকা দিয়ে নিজের ভাণ্ডার বাড়াচ্ছ। আর সেই টাকা দিয়ে মহারাষ্ট্রে সরকার ভাঙছ? ঝাড়খণ্ডে সরকার ভাঙার চেষ্টা করছো? এতে কত টাকার লেনদেন? এই দুর্নীতির সিবিআই-ইডি হবে না কেন?

আর কী বললেন তিনি?


আমাদের অফিসারদের দিল্লিতে ডাকলে, আপনাদের অফিসারকে ডাকা হবে

ববি, অরূপ, অভিষেক, চন্দ্রিমা এমনকি আমাকেও আটকে রাখো, তারপর দেখো কী হয় 

সাধারণ মানুষ সংবাদ মাধ্যমের কথায় কান দেবেন না

ববিকে গ্রেফতার করলে বুঝবেন সব সাজানো, আমি রাজনীতি করি মানুষের জন্য

আমি চুরি ডাকাতি করার জন্য রাজনীতি করি না

দেশের মধ্যে তৃণমূল একমাত্র সাচ্চা এবং মানুষের পার্টি

বিজেপিকে সরানো আমার লড়াই, বাংলাকে বাঁচানো আমার প্রথম লড়াই

২০২৪-এ আমরা দিল্লি থেকে বিজেপিকে সরাবো 

আমাদের চমকালে আমরা গর্জাই, গর্জালে বর্ষাই


2 years ago
BJP: সেভেন স্টার বৈদিক ভিলেজে বিজেপির প্রশিক্ষণ শিবির, থাকছেন বি সন্তোষ-সুনীল বনসলও

বঙ্গবিজেপির (BJP) তিন দিনের প্রশিক্ষণ শিবির বসছে বিলাসবহুল রিসর্ট বৈদিক ভিলেজ (Vedic Village)। প্রশিক্ষণ দিতে আসছেন দিল্লির তাবড় তাবড় বিজেপি নেতারা। প্রধানমন্ত্রীর গরিব কল্যাণ প্রকল্পের প্রচারের জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে বিলাসবহুল সেভেন স্টার রিসর্টে। আর সেটা নিয়েই বেদিক ভিলেজের প্রবেশ পথ হাতিশালাতে ঝাড়ু, জুতো-সহ পোস্টার তৃণমূল (TMC) কর্মীদের।

একদিকে সামনে পঞ্চায়েত নির্বাচন, অপরদিকে লক্ষ্য ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচন। রাজ্যের ভোট ক্যালেন্ডার মেনে সেমিফাইনাল এবং ফাইনাল। তাই এ রাজ্যে বিজেপির সংগঠন জোরদার করতে তৎপর গেরুয়া শিবির। এ জন্য সোমবার থেকে তিনদিনের প্রশিক্ষণ শিবির হবে রাজারহাটের বৈদিক ভিলেজে। নিউ টাউন সাপুরজি মোড় হয়ে ভাঙড়ের হাতিশালা, পাকাপোল হয়ে বৈদিক ভিলেজ যাওয়ার মূল রাস্তা। সেই রাস্তার মোড়ে মোড়েই পোষ্টার তৃণমূলের। ২৯ থেকে ৩১ অগাস্ট টানা তিনদিনের এই প্রশিক্ষণ শিবির।

বিজেপির এই প্রশিক্ষণ শিবিরে থাকবেন রাজ্যের দলীয় সব সাংসদ এবং বিধায়করাও। রাজ্যস্তরের নেতারাও থাকবেন। কর্মসূচিতে ক্লাস নেবেন সংগঠনের দায়িত্বে থাকা বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক বিএল সন্তোষ, অমিত মালব্যরা। ক্লাস নেবেন অমিত শাহ ঘনিষ্ঠ রাজ্যের সদ্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক সুনীল বনসলও।

জানা গিয়েছে এ জন্য ওই রিসর্টে দেড়শোর বেশি রুম বুক করা হয়েছে। একইসঙ্গে সুইমিং পুল, ক্যাফে, রেস্তোরাঁ বুক করা হয়েছে। তাই  বিলাস-বৈভবের এই প্রশিক্ষণ শিবিরে যোগ দিতে আসা বিজেপি নেতাদের ঝাড়ু হাতে 'স্বাগত' জানাতে তৈরি ভাঙড়ের তৃণমূল নেতৃত্ব। এ জন্য বৈদিক ভিলেজের প্রবেশদ্বার নিউটাউন সংলগ্ন ভাঙড়ের হাতিশালায় রীতিমতো মঞ্চ তৈরি হয়েছে। হাতিশালা থেকে গাবতলা রাস্তার দু'পাশে বিজেপির বিরুদ্ধে পোষ্টারে ছয়লাপ।

পোষ্টারে লেখা 'বিজেপির তিন জামাই ইডি, আইটি, সিবিআই।' ১০০ দিনের টাকা-সহ জিএসটির পাওনা টাকা নিয়ে পোষ্টার তৈরি করে রাস্তার মোড়ে মোড়ে লাগিয়ে প্রতিবাদে মুখর ভাঙড়ের তৃণমূল নেতৃত্ব। সোমবার সকাল থেকেই হাতিশালা মোড়ে এজন্য সভা করবেন ভাঙড় বিধানসভার তৃণমূল চেয়ারম্যান রেজাউল করিম ও তার অনুগামীরা। এই সভা থেকে যাতে কোন অপ্রতীকর পরিস্থিতি তৈরি না হয় সেজন্য হাতিশালাতে পুলিশ মোতায়েন করবে কলকাতা লেদার কমপ্লেক্স থানা।

2 years ago


Kanchrapara: সুকান্ত ফিরতেই বিজেপি নেতার বাড়িতে বোমা কাঁচরাপাড়ায়

ফের আক্রান্ত বিজেপি। উত্তর ২৪ পরগনার কাঁচড়াপাড়ায় বিজেপির যুব জেলা সভাপতি বিমলেশ তেওয়ারির বাড়িতে বোমাবাজি। অভিযোগের তির রাজ্যের শাসকদলের দিকে। ২৬ জুলাই ব্যারাকপুরে বিজেপির আইন অমান্য আন্দোলনে আহত হয়েছিলেন বিমলেশ। তাঁকে দেখতে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এসেছিলেন। সুকান্ত মজুমদার এলাকা ছাড়ার পর গভীর রাতে বিমলেশ তেওয়ারির বাড়িতে বোমাবাজি শুরু হয়। বিরোধীদের অভিযোগ, কাঁচড়াপাড়া এমনিতে অশান্ত থাকে বোমা বারুদের গন্ধে। এক্ষেত্রে এই বোমাবাজির উদ্দেশ্য কী তা এখনও স্পষ্ট হয়নি।

অপরদিকে তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, কোনওরকম ভাবে জড়িত নয় শাসক দল। এর পিছনে রয়েছে বিজেপির দলীয় কোন্দল। কিন্তু এক্ষেত্রে কয়েকটি প্রশ্ন তুলেছে ওয়াকিবহাল মহল।

শুনুন কী বলছে বিজেপি-তৃণমূল?

যদিও বোমাবাজির পিছনে কারা রয়েছে তা তদন্ত সাপেক্ষ। কিন্তু বগটুই কাণ্ডের পর মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ ছিল রাজ্যের আনাচ কানাচ থেকে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার। নির্দেশ মেনে পুলিসি তত্পরতা ছিল চোখে পড়ার মত। বোমা, গুলি, বন্ধুক উদ্ধারও হয়েছিল বেশ কিছু।

কিন্তু তারপরেও মুদিখানার দোকানের হজমিগুলির মত কীভাবে মিলছে এই সব অস্ত্র? তবে কি মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ থেকে গেল শুধুমাত্র ফাইলবন্দী হয়ে? তবে কি ভোট সমীকরণ বদলাতে শাসক দলের নীল নকশা এখন ফ্র্যাঙ্কেস্টাইনের গল্প হয়ে দাঁড়িয়েছে? কিছুতেই নিয়ন্ত্রণে রাখা যাচ্ছে না মোড়ে মোড়ে জন্ম নেওয়া বাহুবলীদের। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত ক্রমশ অস্ত্রাগারে পরিণত হচ্ছে। কোনও দায় নেই প্রশাসনের? প্রশ্নটা ক্রমেই জমাট বাঁধছে।  এর আগেও উত্তর ২৪ পরগনার শিল্পতালুকে একাধিক বার উদ্ধার হয়েছে বোমা। বিভিন্ন ক্ষেত্রে ক্ষমতা প্রদর্শনের ইঙ্গিতও মিলেছে। এবার বোমাবাজি কাঁচড়াপাড়ায়। কারণ যাই হোক না কেন? এই ঘটনায় এলাকায় ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য। কীভাবে ফিরবে শান্তি? সেটাই এখন লাখ টাকার প্রশ্ন।

2 years ago
Sougata: বিরোধীদের এলাকাছাড়া করার হুমকি সৌগতর গলায়, বললেন, 'তৃণমূল মানেই চোর বলবেন না'

বরানগরে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভা থেকে বিস্ফোরক দমদমের সাংসদ সৌগত রায় (MP Saugata Ray)। বিরোধী সিপিএম, বিজেপি কংগ্রেসকে (Opposition) এলাকাছাড়া করার হুঁশিয়ারি প্রবীণ এই রাজনীতিবিদের। ভাইরাল এক ভিডিওয় সৌগত রায়ের এহেন মন্তব্য ঘিরে ফের তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা। যদিও সেই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি ক্যালকাটা নিউজ বা ক্যালকাটা নিউজ ডিজিটাল। ঠিক কী বলেছেন দমদমের তৃণমূল সাংসদ। তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভায় সৌগত রায় বলেন, 'সিপিএম, বিজেপি, কংগ্রেস আপনারা সব তৃণমূলকে চোর ধরো, জেল ভরো বলবেন না। তৃণমূলের সবাই চোর বলবেন না। আমাদের দলের ৯৮% সৎ, ২% দুর্নীতিবাজ। আমরা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাও নেব। তাই তৃণমূল মানেই চোর এভাবে বলে বিরোধীরা আমাদের উত্যক্ত করলে তৃণমূল কর্মীরা চুপ করে বসে থাকবে না। আমরা একবার রুখে দাঁড়ালে ওদের এলাকা ছেড়ে দিতে হবে।'

এখানেই থামেননি প্রবীণ এই সাংসদ, রীতিমতো চ্যালেঞ্জ ছুড়ে বলেন, 'বিরোধীদের কেউ একজন প্রমাণ করুক সৌগত রায় কারও থেকে টাকা নিয়েছে, কোথাও সম্পত্তি রয়েছে। তাহলে রাজনীতি ছেড়ে দেব। ফালতু অভিযোগ শুনতে রাজি নই।' 

মিডিয়া ট্রায়ালের অভিযোগ তুলে তৃণমূল সাংসদ বলেন, 'যাদের চিনি না, তাঁরা আমাদের দিকে অভিযোগ তুলবে, সেটা ভালো লাগে না। তৃণমূলের লোকেরা ফুঁসছে, তাই বিরোধীরা নিজেদের নিয়ন্ত্রণ না করলে কপালে দুঃখ আছে।'  

সৌগত রায়ের এই মন্তব্যের সমালোচনায় সরব বিরোধী দলগুলো। সিপিএম নেতা তথা প্রাক্তন বিধায়ক তন্ময় ভট্টাচার্য বলেন, 'আমরা তো বলছি না তৃণমূল চোর। বলছি চোর ধরো, জেল ভরো। তাহলে চোরেদের গায়ে লাগার কথা তৃণমূলের কেন গায়ে লাগছে। সৌগত দা-কে ব্যক্তিগতভাবে আমি শ্রদ্ধা করি। উনি অভিজ্ঞ, বিদগ্ধ, অধ্যাপক মানুষ। কিন্তু এর আগে সৌগত রায় বলেছিলেন বিরোধীদের চামড়া দিয়ে জুতো বানানো হবে। তাহলে কি উনি গণতন্ত্রের সুস্থ সংস্করণ বিরোধী পরিসরের বিরুদ্ধাচারণ করছেন?' 

পাশাপাশি প্রাক্তন সাংসদ তথা বিজেপির যুবনেতা অনুপম হাজরা জানান, অধ্যাপক মানুষের এমন মস্তিষ্ক কেন এমন বিকৃতি ঘটেছে বুঝতে পারছি না। নাকি উনি অনুব্রত মণ্ডলের জায়গা নিতে চাইছেন? অনুব্রত মণ্ডল তো এই ধরনের ধমক-চমকের রাজনীতি করতেন। ওরা দিনে দুপুরে চুরি করবে আর মানুষ কিছু বলতে পারবে না?'

দেখুন সেই ভাইরাল ভিডিও, সত্যতা যাচাই করেনি ক্যালকাটা নিউজ বা ক্যালকাটা নিউজ ডিজিটাল

2 years ago


Boby: সুকান্তর 'হাকিম' হুঁশিয়ারি, ফিরহাদ বলেন, 'আমার জেলে যেতে ভয় নেই, সম্মানহানিকে ভয়'

সুকান্ত মজুমদার বৃহস্পতিবার মুর্শিদাবাদের দলীয় সভা থেকে 'হাকিম সাহেব' প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন। বিজেপির গৃহীত 'চোর ধরো, জেল ভরো' কর্মসূচিতে তিনি বলেন, 'তৃণমূলের একজন হাকিম সাহেব আছেন, তাঁরও সময় এসেছে ভিতরে (পড়ুন জেলে) ঢোকার।' বঙ্গ বিজেপির সভাপতির এই মন্তব্য ঘিরে তুঙ্গে শাসক-বিরোধী তরজা। শুক্রবার সুকান্ত মজুমদারের মন্তব্যের জবাব দেন ফিরহাদ হাকিম।

ঠিক কী বলেছেন সুকান্ত মজুমদার?

এদিন বিধানসভায় দাঁড়িয়ে রাজ্যের এই মন্ত্রী বলেন, 'আমি সুকান্ত মজুমদারদের উদ্দেশ্য বলি, কোন মামলায় আমাকে ফাঁসানো হবে বলে দিন। মনে হচ্ছে লিস্ট আপনি করে দিচ্ছেন৷ কোন মামলায় ষড়যন্ত্রের শিকার হব বলে দিন। কোনও দিন যে কাজ অন্যায়, মানুষের চোখে অন্যায়, এমন কাজ করিনি। এত কুৎসা, অভিসন্ধি, আমার ওপরে এত রাগ কেন? এর কারণ বুঝতে পারছি না।' 

অভিমানের সুরে ফিরহাদ হাকিম বলেন, 'অনেক সাংবাদিক বন্ধু লিখে দিচ্ছেন আমার কাছে নোটিশ গিয়েছে। রেইড হচ্ছে কেন এত আনন্দ? মিডিয়া ট্রায়াল চলছে। কী এমন অন্যায় করলাম, যে সব সময় আমাকে হেনস্থা৷ ববি হাকিম তৃণমূল কংগ্রেস করে মানেই অসাধু। আর সুকান্তবাবুর দলে গেলেই সাধু।' 

তিনি প্রশ্ন করেন,'ভারতে আইন-সংবিধান-বিচার ব্যবস্থা আছে। সবার মানসম্মান আছে। এই কাজে আমার সম্মান নষ্ট হচ্ছে। সব অসাধু আমরা, আর আপনার দলে গেলে সাধু এটা হতে পারে না৷ সবাই ভয় পেয়ে গেছেন নাকি? তরোয়ালের কাছে পেন কি ভয় পেয়েছে? আমার জেলে যেতে ভয় লাগে না। মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মেছি, সম্মানহানি ভয় লাগে৷ আমাকে ঢুকিয়ে দিন। আসুন আপনি নিজে। আমাকে ঢুকিয়ে দিন। আপনিও কারও স্বামী, কারও বাবা। আমিও তাই। কেসের আগে কেন মিডিয়া ট্রায়াল, সোশ্যাল মিডিয়া ট্রায়াল হচ্ছে?'

ফিরহাদ হাকিম দাবি করেন,  'আমার একটা কেস হয়েছিল। আমি জেলে ছিলাম। আমি হাসপাতালে ছিলাম না। বিরোধী দলনেতা বলে দিয়েছেন সেই ব্যাপারে। আমি অসম্মানিত হতে চাই না।' 

শুনুন কী জবাব দিলেন ববি হাকিম?

2 years ago
CBI:'কোর্টের ভরসা আছে সিবিআইয়ের উপর', কেন্দ্রীয় সংস্থা নিয়ে কি ভোলবদল দিলীপের?

সিবিআই (CBI Investigation) প্রসঙ্গে দিন দুয়েক আগে আক্রমণাত্মক মন্তব্যের পর একটু হলেও কি সুর নরম দিলীপ ঘোষের? প্রতিদিনের মতো শুক্রবারও প্রাতঃভ্রমণের পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়েছিলেন বিজেপি সাংসদ (Dilip Ghosh)। তখনই সিবিআই তদন্ত নিয়ে কিছুটা সুর নরম তাঁর। এদিন বঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি বলেন, 'ভরসা যখন ভাঙে, তখন প্রশ্ন ওঠে। কোর্ট যখন সিবিআইয়ের উপর ভরসা রেখেছে আমরা আশা করব দুর্নীতি নিয়ে যে চিন্তা তার কিছুটা সুরাহা হবে।'

পাশাপাশি অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে ওঠা হুমকি চিঠির অভিযোগের তদন্ত সিবিআই দিয়ে করাতে চান তৃণমূল নেতা। সেই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, 'একটা ধোঁয়াশার তৈরি চেষ্টা চলছে। যেকোনও তদন্তে সিবিআই পাওয়া যায়।  এমন একটা ধারণা তৈরির চেষ্টা।'  পাশাপাশি এদিন তিনি প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যের  বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিশ জারি হওয়ার প্রসঙ্গকে খোঁচা দেন।  তিনি বলেন, 'আরও অনেকে মিসিং হবেন। আরও অনেকে গায়েব হয়ে যাবেন। সিবিআই যত হাত বাড়াবে, তত পাড়ায় পাড়ায় গায়েব বাড়বে।' 

2 years ago
Tripura: ত্রিপুরায় বিজেপির নতুন রাজ্য সভাপতি রাজীব

প্রসূন গুপ্ত: ঘোরতর বামপন্থী রাজ্য ছিল ত্রিপুরা। পশ্চিমবঙ্গে বামফ্রন্টের আগমনের কয়েক বছর পর সেখানেও কংগ্রেসকে সরিয়ে সিপিএমের নেতৃত্বে বামেরা ক্ষমতায় আসে। মাঝে রাজীব গান্ধীর আমলে একবার ৫ বছরের জন্য কংগ্রেস ক্ষমতায় এসেছিল ঠিকই, কিন্তু গোষ্ঠীদন্দ্ব ইত্যাদিতে জড়িয়ে সেই ক্ষমতা ধরে রাখতে পারেনি হাত শিবির। পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চললেও ত্রিপুরার সমস্যা অনেক, যা কিনা স্বাধীনতার পর থেকে ৭৫ বছর বাদেও সমাধান হয়নি। স্কুল কলেজে বেড়েছে, ইঞ্জিয়ারিং থেকে ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউট হয়েছে কিন্তু শিক্ষান্তে চাকরির সুবিধা হয়নি। কারণ সেভাবে শিল্প বিনিয়োগ আসেনি। আসা কঠিনও বটে কারণ বড় শিল্প গড়লে তা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পাঠানো প্রথমত খরচসাপেক্ষ, দ্বিতীয়ত সময় নষ্ট। বিজেপির বিপ্লব দেব মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরও চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।

এদিকে বিপ্লব আরএসএস করা নেতা। দীর্ঘদিন সংঘের প্রচারক ছিলেন। দলের ধারা অনুযায়ী তাঁকেই মুখ্যমন্ত্রী করা হয়েছিল। কিন্তু দ্রুতই বোঝা গেলো দলে মন কষাকষি প্রবল। বিভিন্ন সময় দিল্লি থেকে প্রতিনিধিরা এসেছিলো কিন্তু ফিরে গিয়েছিলো উপদেশ দিয়েই। এরই মধ্যে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব বুঝতে পারল, যে কোথাও দল ত্রিপুরাতে জনপ্রিয়তা হারাচ্ছে। উপজাতিরা ক্ষিপ্ত, অতএব বিপ্লবকে মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল। মুখ্যমন্ত্রী করা হল কংগ্রেস থেকে বিজেপিতে আসা মানিক সাহাকে।

মানিক দীর্ঘদিন বামেদের বিরুদ্ধে লড়াই করা মুখ। শোনা গিয়েছিলো যে বিপ্লব দেবকে হয়তো রাজ্য সভাপতি করা হতে পারে। কিন্তু বৃহস্পতিবার দিল্লির চরমপত্র এল, যা পাঠালেন বিজেপির সাধারণ সম্পাদক অরুন সিং। সেই পত্রে পরিষ্কার বার্তা রয়েছে আজ থেকেই ত্রিপুরা বিজেপির রাজ্য সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্য্য। এই বার্তা পাঠিয়েছেন সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডাই। রাজীব দীর্ঘদিনের বিজেপি নেতা। এরই সঙ্গে বিপ্লবের আশাও শেষ হলো।

2 years ago


Jharkhand: মুখ্যমন্ত্রী হয়েও খনির লিজ, খারিজ হতে পারে হেমন্ত সোরেনের বিধায়কপদ

ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের (Hemant Soren) বিধায়কপদ খারিজের সুপারিশ রাজ ভবনে পাঠিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন (ECI)। রাজ ভবন সূত্রে এই তথ্যই দেওয়া হয়েছে সংবাদমাধ্যমগুলোকে। অফিস অফ প্রফিট (Office of profit issue) বিতর্কে মুখ্যমন্ত্রিত্ব (Jharkhand CM) খোয়াতে পারেন হেমন্ত সোরেন। এই সম্ভাবনা ঘিরেই এখন তুঙ্গে রাজনৈতিক চাপানউতোর। জানা গিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী হয়েও ঝাড়খণ্ডের এক খনির লিজ হেমন্ত সোরেনের নামে রয়েছে। এই অভিযোগ করে রাজ্যপালের কাছে দরবার করেছিল বিজেপি। সেই অভিযোগের গুরুত্ব বিচার করে নির্বাচন কমিশনের কাছে সুপারিশ চেয়ে পাঠান ঝাড়খণ্ডের রাজ্যপাল রমেশ বৈশ্য। মুখবন্ধ খামে নাকি সেই সুপারিশপত্র এসে পৌঁছেছে ঝাড়খণ্ড রাজ ভবনে।

যদিও সরকারি ভাবে এখনও কোনও ঘোষণা রাজ ভবনের তরফে করা হয়নি। কিন্তু সূত্রের খবর, ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার বিধায়কদের বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার মধ্যে রাঁচি পৌঁছতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রীর দফতর বিবৃতিতে জানিয়েছে, একাধিক সংবাদ মাধ্যম থেকে মুখ্যমন্ত্রী জানতে পেরেছেন তাঁর বিধায়কপদ খারিজের সুপারিশ রাজ ভবনকে করেছে ভারতের নির্বাচন কমিশন। কিন্তু সরকারি ভাবে রাজ ভবন বা নির্বাচন কমিশন কেউ মুখ্যমন্ত্রীর দফতরকে এই বিষয়ে অবগত করেনি।'

সূত্রে মারফৎ খবর ১৯৫১ ভারতীয় জন প্রতিনিধিত্ব আইনের ৯-এ ধারাকে লঙ্ঘন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন। অভিযোগ পর্যালোচনা করে এমনটাই জানতে পেরেছে নির্বাচন কমিশন। এমনকি, ১৮ অগাস্ট পর্যন্ত কমিশন আয়োজিত শুনানিতে হেমন্ত সোরেন এবং তাঁর ভাই বসন্ত সোরেনের সওয়ালও নথিবদ্ধ করেছে।

যদিও ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার অভিযোগ, 'বিজেপি এবং তার কয়েকজন ধামাধারী সংবাদ মাধ্যম নিজেরাই এই চিঠি লিখে রাজ্যপালকে পাঠিয়েছে। নির্লজ্জের মতো সাংবিধানিক সংস্থাকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করছে বিজেপি।'

পাল্টা বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত ডুবের দাবি, 'মুখ্যমন্ত্রী নিজের নামেই লিজ নেওয়া খনি। এর চেয়ে বড় দুর্নীতি আর কী হতে পারে? নির্বাচন কমিশন যা করেছে, সেটা সব রাজনীতিবিদদের কাছে শিক্ষণীয়।'

2 years ago
Jail: অনুব্রতর জেল নিয়ে সুর চড়া দিলীপের, মদন বাণে বিদ্ধ সাংসদ

প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবারও নিউ টাউনে প্রাতঃভ্রমণে গিয়েছিলেন বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। এদিন উপস্থিত সংবাদ মাধ্যমের সামনে অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) জেলযাত্রা নিয়ে সরব হয়েছিলেন। বুধবার তৃণমূল নেতাকে কোর্টে তোলার আগে বেশ খোশমেজাজে ছিলেন। সে প্রসঙ্গে বিজেপি (BJP) সাংসদ বলেন, 'জানি না ভেতরে কী হয়েছে। উনি হয়তো বুঝতে পেরেছিলেন এবার বেল হয়ে যাবে। কিংবা কেউ কেউ বলেছেন চিন্তা করবেন না আমরা আছি। আমার মনে হচ্ছে যে ধরনের সম্পত্তি উনার পাওয়া যাচ্ছে এত সহজে উনি ছাড়া পাবেন না। সাজা উনাকে পেতেই হবে। উকিলরা হয়তো বলেছেন হেসে কথা বলুন তাই  হয়তো উনি করেছেন।'

অনুব্রত মণ্ডলের জামিন খারিজ প্রসঙ্গে বঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি জানান, উনি (পড়ুন অনুব্রত) না থেকেই কোর্টের জজকে পর্যন্ত হুমকি দিচ্ছেন। ওখানে সমস্ত কিছু উনার পরিচালনায়। যে ভাবে ব্যবসায়ীরা এখন কথা বলছেন, অন্য লোকেরা যারা মুখ খুলেছেন, উনি যদি ছাড়া পান সমস্ত কিছু চাপা পড়ে যাবে। কেউই আর মুখ খুলবে না। কোনওরকম তদন্তই এগোবে না। কেউ কোনও তথ্য দেবে না। সেজন্য যতক্ষণ না তদন্তে যথেষ্ট পরিমাণ তথ্য আসছে, তাকে নিশ্চয়ই আটকে জেলে রাখা উচিত।

এদিকে, দিলীপ ঘোষের এই মন্তব্যের সমালোচনায় সরব তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র। তিনি বিজেপি সাংসদকে অর্ধ উন্মাদ কটাক্ষ করে বলেছেন, 'বিজেপি দিলীপ ঘোষকে ব্যবহার করে ফেলে দিয়েছে।'  পাশাপাশি কামারহাটির বিধায়কের দাবি, জেলে আমিও গিয়েছিলাম। অনুব্রত মণ্ডলকে কোর্টের রায়ে জেলে যেতে হয়েছে। আমাদের পার্টি কখনই বলেনি কোর্ট, আদালত মানব না।

কী বলছেন দিলীপ ঘোষ এবং মদন মিত্র?

2 years ago