Breaking News
HC: জেলে ১ বছর ৭ মাস! পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিচারপ্রক্রিয়া কবে শুরু হবে? ইডির কাছে রিপোর্ট তলব হাইকোর্টের      Sandeshkhali: ''দাদা আমাদের বাঁচান...'', সন্দেশখালির মহিলাদের আর্তি শুনলেন শুভেন্দু      Sandeshkhali: 'মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত', ক্ষোভ প্রকাশ জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সনের      Weather: বিদায়ের পথে শীত! বাড়বে তাপমাত্রা, বৃষ্টির পূর্বাভাস দক্ষিণবঙ্গে      Sandeshkhali: শিবু হাজরার গ্রেফতারিতে মিষ্টি বিলি, আদালতে পেশ, কবে গ্রেফতার সন্দেশখালির 'মাস্টারমাইন্ড'?      Arrest: সন্দেশখালিকাণ্ডে ন্যাজট থেকে গ্রেফতার শিবু হাজরা      Trafficking: ১০ মাস লড়াইয়ের পর মাদক মামলা থেকে মুক্তি বিজেপি নেত্রী পামেলার      Mimi: রাজনীতি আমার জন্য় নয়, মুখ্যমন্ত্রীর কাছে গিয়ে সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা মিমির!      Dev: রাজনীতিতে ফিরতেই ফের দেবকে দিল্লিতে ডাক ইডির      Suvendu: সুকান্ত অসুস্থ থাকলেও, সন্দেশখালি কাণ্ডে আন্দোলনের ঝাঁঝ বাড়াতে মাঠে শুভেন্দু     

bjp

Calender: সরকারি ক্যালেন্ডারে রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে জেল হেফাজতে থাকা মন্ত্রী বালু, শাসককে নিশানা বঙ্গ বিজেপির

রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে জেল হেফাজতে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। কিন্তু নতুন বছরে সরকারি ক্যালেন্ডারে মন্ত্রী হিসেবে এখনও জ্বলজ্বল করছে তাঁর নাম। যা নিয়ে শুরু বিতর্ক। শাসককে নিশানা বঙ্গ বিজেপির।

সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে ২০২৪-র সরকারি ক্যালেন্ডার। সেখানে মিনিস্টার ইন চার্জের তালিকায় প্রথম দিকেই নাম রয়েছে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের। রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে ইডির হাতে গ্রেফতার হন প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী ও বর্তমান বনমন্ত্রী। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, দফতরে বসেই সরকারি ধান, চাল, গম নিয়ে কোটি কোটি টাকার দুর্নীতির র‍্যাকেট চালিয়েছেন জ্যোতিপ্রিয়। তাঁর নাম সরকারি ক্যালেন্ডারে থাকায়, এ নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। গ্রেফতারির পর থেকেই তাঁকে মন্ত্রিসভা থেকে অপসারণের দাবি তুলে সরব হয় বিরোধীরা। বিধানসভায় এই ইস্যুতে বিক্ষোভ করতে দেখা গিয়েছে বিজেপিকে। যদিও বনমন্ত্রী পদে বালুকেই বহাল রেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এই আবহে সরকারি ক্যালেন্ডারে তার নাম থাকায় শাসক শিবিরকে নিশানা করেছে বিজেপি।

তিনি মন্ত্রী পদে রয়েছেন, দোষ প্রমাণ হয়নি তাই সরকারি নিয়ম মেনে যা হওয়ার হয়েছে, প্রতিক্রিয়া তৃণমূল মুখপাত্র কুনাল ঘোষের। পার্থ চট্টোপাধ্যায় অপসারিত হলেও জ্যোতিপ্রিয় হননি এটাই তৃণমূল, রাজ্যের শাসক শিবিরকে কটাক্ষ বিজেপি মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্যের।

পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের গ্রেফতারির কয়েকদিনের মধ্যেই তাকে মন্ত্রিসভা ও দল থেকে সরানোর সিদ্ধান্ত নেয় তৃণমূল। যদিও জ্যোতিপ্রিয়র ক্ষেত্রে এখনও পর্যন্ত সেই ছবি ধরা পড়েনি। উল্টে বালুর প্রসঙ্গ তুলে বৃহস্পতিবারও কেন্দ্রকে নিশানা করেন মমতা। সব মিলিয়ে মমতার বালু প্রীতি নিয়ে প্রশ্নটা থেকেই যাচ্ছে।

2 months ago
Anupam Hazra: 'কিছু শর্ত মেনে চললে...' পদ হারিয়ে ফেসবুকে নয়া বার্তা অনুপম হাজরার

কেন্দ্রীয় পদ থেকে সরিয়ে দিলেও একেবারেই দল থেকে অনুপম হাজরাকে বাদ দিয়ে দেয়নি বঙ্গ বিজেপি। শহরে শাহ-নাড্ডা বৈঠকের পরই মঙ্গলবার বিজেপির কেন্দ্রীয় পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় অনুপম হাজরাকে। কিন্তু এই ঘোষণার পরই ফেসবুকে এক পোস্ট শেয়ার করেন বোলপুরের প্রাক্তন সাংসদ। বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদক পদে ছিলেন তিনি। মঙ্গলবার রাতে 'পদ থেকে সরাবার ঠিক তিন ঘন্টার মধ্যেই তাঁর বার্তা - কিছু শর্ত মেনে চললে' "আবার সব আগের মতো"!!!'

মঙ্গলবার বিজেপির সর্বভারতীয় সম্পাদক অনুপম হাজরাকে পদ থেকে অপসারণ করে বিজেপি। অর্থাৎ, বঙ্গ বিজেপির সঙ্গে অনুপমের দূরত্বের খেসারত দিতে হল অনুপমকে৷ দীর্ঘদিন ধরেই অনুপম বিজেপির একাধিক কর্মসূচির বিরুদ্ধে সরব হয়েছে। ইতিমধ্যেই বিজেপির সর্বভারতীয় রাষ্ট্রীয় মহাসচিব অরুণ সিং এই মর্মে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছেন। পশ্চিমবঙ্গ থেকে একমাত্র বিজেপির সর্বভারতীয় সম্পাদক পদে ছিলেন অনুপম হাজরা। বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকেও সর্বভারতীয় পদ থেকে অপসারণ করা হয়েছিল।

প্রসঙ্গত, কয়েক দিন ধরেই বঙ্গ বিজেপির বিরুদ্ধে সোশ্যাল নেটওয়ার্ক সাইট ফেসবুকে সরব হতে দেখা গিয়েছে অনুপম হাজরাকে৷ ফেসবুকে তিনি বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও রাজ্য সম্পাদক অমিতাভ চক্রবর্তী নামে প্রতিবাদ করে সরব হতে দেখা গিয়েছে অনুপমকে। শুধু তাই নয় পৌষমেলায় বঙ্গ বিজেপির বিরোধী করে দুটি স্টল হয়েছে। একটি অনুপম হাজরার অনুগামীদের, অন্যটি বঙ্গ বিজেপির স্টল৷ যা নিয়ে গোষ্ঠী কোন্দলের কটাক্ষ করেছিল তৃণমূল।

এবার অনুপম হাজরাকে সর্বভারতীয় সম্পাদক পদ থেকে অপসারণ করল বিজেপি। ইতিমধ্যেই এই মর্মে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে বিজেপির সর্বভারতীয় রাষ্ট্রীয় মহাসচিব অরুণ সিং। তাতে লেখা রয়েছে, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার নির্দেশে অনুপম হাজরাকে পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হল৷ কিন্তু এরপরই ফেসবুকে 'বোমা' ফাটালেন তিনি। ফলে দলীয় সিদ্ধান্তকে কটাক্ষ করেই ফেসবুকে লিখেছেন, শর্ত মেনে চললে তাঁকে নাকি আবার পদ ফিরিয়ে দেওয়ার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। তবে কী শর্ত, সেটা তিনি উল্লেখ করেননি। এখন দল ও অনুপম হাজরার কী সিদ্ধান্ত হতে চলেছে, সেটাই এখন দেখার।

2 months ago
BJP: রাজ্যে বিদায়ের পথে কোন বিজেপি সাংসদরা?

প্রসূন গুপ্ত: সম্প্রতি ৩ রাজ্যের ভোটে কেন্দ্রীয় বিজেপি প্রায় দেড় ডজন সাংসদকে বিধায়ক পদে দাঁড় করিয়েছিল। এদের অনেকেই জিতেছেন কিন্তু হেরেওছেন অনেকেই। ভোটের আসরে এদের নাকি পাঠানো হয়েছিল মুখ্যমন্ত্রী করার ইঙ্গিত দিয়ে। ভোটের ফলের পর দেখা গেল এদের কাউকেই মুখ্যমন্ত্রী করা হয়নি এবং তেমন কোনও বিশেষ দায়িত্বও দেওয়া হয় নি। মুখ্যমন্ত্রী তিন রাজ্যে যাঁদের করা হল তাঁরা তেমন জনপ্রিয় নন কিন্তু নতুন মুখ। কার্যত বার্তা দেওয়া হলো, যাই হোক না কেন পরোক্ষে দিল্লিই কন্ট্রোল করবে রাজ্যগুলিকে। অবশ্য এই ফর্মুলা নতুন কিছু নয়। ইন্দিরা রাজীবদের আমলেও বেশ কিছু রাজ্যে 'yes man'দেরকেই  মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল যদিও কন্ট্রোল রাখেননি ইন্দিরা বা রাজীব।

বিজেপির বার্তা পরিষ্কার, মোদী যেহেতু দলের এবং দেশের ভোটের একমাত্র মুখ, কাজেই রাজ্য চলবে দিল্লির ফর্মুলাতে। একই সাথে যাঁরা সাংসদ পদ ছেড়ে বিধায়ক হয়েছেন, তাদেরকেও বলা হয়েছে, এবারে রাজ্য নিয়েই থাকো, দিল্লিতে তোমাদের দরকার নেই। যাঁরা হেরেছেন তাঁদের কাউকেই ফের লোকসভার টিকিট দেওয়া হবে না।

এ রাজ্যে কিন্তু এবারের লোকসভা ভোটে অনেক নতুন মুখ দেখা যাবে। এই নতুন মুখের বেশির ভাগই সঙ্ঘ পরিবারের নন। ছাঁটাইয়ের তালিকাটিও বেশ বড়। অনেক পুরনো সাংসদ টিকিট পাচ্ছেন না। এঁদের অনেকেই সঙ্ঘ ঘনিষ্ঠ আবার নব্যও আছেন অনেক। অমিত বচনে একটি বিষয় পরিষ্কার যে, গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব না করে পথে নেমে, ঘরে ঘরে গিয়ে প্রচার করতে হবে। সোশ্যাল নেটকেও মান্যতা দিয়েছেন অমিত শাহ। আরও একটি বিষয় পরিষ্কার যে ২০১৯-এর থেকে বেশি মহিলারা এবারের ভোটে দাঁড়াবে। সেক্ষেত্রে চেনা বহু সাংসদ আসন হারাবেন। গুঞ্জনে আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর, উত্তর মালদহ, রানাঘাট, হুগলি তো রয়েছে সঙ্গে অন্য জেলাও রয়েছে। অমিত টার্গেট দিয়েছেন এক অসম্ভব পরীক্ষার, তা ৩৫টি আসন। ৩২/৩৫ শতাংশ সংখ্যালঘু রাজ্যে এ এক কঠিন চ্যালেঞ্জ।

2 months ago


BJP: লোকসভা নির্বাচনের আগেই রাজ্যে ১৫ জন সদস্যের কোর কমিটি গঠন অমিত শাহের

শহরে একসঙ্গে শাহ-নাড্ডা (Amit Shah-JP Nadda)। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করেই মঙ্গলবার কোর কমিটির সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন অমিত শাহ ও জেপি নাড্ডা। লোকসভা নির্বাচনের আগেই রাজ্যে তৈরি করা হল বিজেপির নতুন নির্বাচনী কোর কমিটি। মঙ্গলবার দলের কেন্দ্রীয় নেতা এবং দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার হস্তক্ষেপে এই কোর কমিটি তৈরি হয়েছে ১৫ জন সদস্যকে নিয়ে। এই কমিটিতে জায়গা পেয়েছেন দলের দুই প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ ও রাহুল সিনহা। জানা গিয়েছে, আজকের বৈঠকের মূলত প্রধান এজেন্ডা ছিল 'ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট'। এই বৈঠকেই ঠিক করা হয় যে রাজ্য বিজেপির কোর টিম নয়, অমিত শাহের বেছে নেওয়া কোর টিম ইলেকশন করাবে। আর তাঁদেরকেই বেছে নেন অমিত শাহ।

আজ অর্থাৎ মঙ্গলবার যে ১৭ জনের বৈঠক চলছে তাঁর মধ্যে অমিত শাহ ও জেপি নাড্ডা বাদে ১৫ জন রয়েছেন। ১৫ জন সদস্যদের নিয়ে এই নির্বাচনী কোর কমিটি নিজে বেছে নিয়েছেন অমিত শাহ। এই কমিটিতে রয়েছেন সুকান্ত মজুমদার, দিলীপ ঘোষ, শুভেন্দু অধিকারী, রাহুল সিনহা, অমিতাভ চক্রবর্তী, সতীশ ধন্দ, মঙ্গল পান্ডে, আশা লকরা। এছাড়াও রয়েছেন লকেট চট্টোপাধ্যায়, অগ্নিমিত্রা পল, জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়, জ্যোতির্ময় সিং মাহাত, দীপক বর্মন, অমিত মালব্য, সুনীল বনসল। তবে এই নির্বাচনী কোর কমিটিতে জায়গা পাননি চার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী- নিশীথ প্রামাণিক, শান্তনু ঠাকুর, সুভাষ সরকার ও জন বার্লা। তবে এদিন সকলকে ভোটের লড়াই করার জন্য মানসিক ভাবে প্রস্তুত থাকতে বললেন ও প্রার্থী যে কাউকে করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন অমিত শাহ।

2 months ago
Amit Shah-JP Nadda: বঙ্গ সফরে অমিত শাহ - জেপি নাড্ডা, গুরুদ্বারে প্রার্থনার পর পুজো দিলেন কালীঘাটেও

নতুন বছর শুরুর আগেই বঙ্গ সফরে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) ও বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা (J P Nadda)। সোমবার গভীর রাতে দু'জনেই একসঙ্গে শহরে এসেছেন। এই প্রথমবার একদিনের সফরে একসঙ্গে কলকাতায় এসেছেন তাঁরা। লোকসভা ভোটে বাংলায় ভাল ফল করতে মরিয়া বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। আর সেই লোকসভাকেই পাখির চোখ হিসাবে বঙ্গে হাজির অমিত শাহ ও জে পি নাড্ডা। বঙ্গ বিজেপি কতটা প্রস্তুত, তা খতিয়ে দেখতেই শহরে এসেছেন বিজেপির দুই মহারথী। কলকাতায় আজ অর্থাৎ মঙ্গলবার ঠাসা কর্মসূচি রয়েছে দু'জনের। আজ অর্থাৎ মঙ্গলবার সকাল হতেই তাঁরা প্রথমেই পৌঁছে গিয়েছেন জোড়াসাঁকোয় একটি গুরুদ্বারে। এরপর তাঁরা এদিন কালীঘাটেও পুজো দিতে পৌঁছে গিয়েছেন। এর পাশাপাশি নিউটনের পাঁচতারা হোটেলেই একাধিক বৈঠক রয়েছে তাঁদের। মঙ্গলবারই দিল্লি ফিরে যাওয়ার কথা তাঁদের দুজনেরই।

জানা গিয়েছে, আজ সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ এম জি রোডের ধারে সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউয়ের ওই গুরুদ্বারে পৌঁছে যান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। সকাল থেকেই গুরুদ্বারের চত্বর মুড়ে রাখা হয়েছিল নিরাপত্তার চাদরে। সেখানে তাঁকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, অগ্নিমিত্রা পল ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুভাষ সরকার। গুরুদ্বার সূত্রে জানা যাচ্ছে, ভিতরে একটি প্রার্থনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, রাজ্যে এসে কলকাতার কালীঘাটেও পুজো দিতে এসেছেন অমিত শাহ এবং জেপি নাড্ডা। এদিন কালীঘাট মন্দির চত্বরে কলকাতা পুলিসের বিশেষ নিরাপত্তার ব্যবস্থা রয়েছে।

উল্লেখ্য, সোমবার রাতে বিশেষ বিমানে শহরে এসেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতিকে স্বাগত জানাতে কলকাতা বিমানবন্দরে আসেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, সাংসদ দিলীপ ঘোষ, বিধায়ক মনোজ টিগ্গা, অগ্নিমিত্রা পল সহ বিজেপি নেতৃত্ব। এদিন ঢাক ঢোল নিয়ে কলকাতা বিমানবন্দরে উপস্থিত হয় বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। ঢাক বাজিয়ে চলে নেতৃত্বকে স্বাগত জানানোর পর্ব। কলকাতা বিমানবন্দর থেকে তাঁরা সোজা চলে যান নিউটাউনের একটি পাঁচতারা হোটেলে।

2 months ago


Birthday: অটল বিহারীর ৯৯তম জন্মবার্ষিকীতে 'সুশাসন দিবস' উদযাপন বঙ্গ বিজেপির

দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তথা বিজেপির বর্ষীয়ান নেতা অটল বিহারী বাজপেয়ীর ৯৯ তম জন্মবার্ষিকীতে দেশ জুড়ে পালিত হচ্ছে সুশাসন দিবস। শহর কলকাতাতেও হয়নি তার অন্যথা। এনআরএস মেডিক্যাল কলেজ থেকে শুরু করে সল্টলেকের ইজেডসিসি হলে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন পালন বঙ্গ বিজেপির।দিনটিকে সুশাসন দিবস হিসেবে পালন করার এই মহান কর্মকাণ্ডে সামিল  বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, সাংসদ দিলীপ ঘোষ সহ একাধিক বিজেপি নেতৃত্ব।

দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর জন্মদিন উপলক্ষে সল্টলেকের ইজেডসিসি হলে আয়োজিত হল একটি বিশেষ অনুষ্ঠান। প্রয়াত প্রধানমন্ত্রীর ছবিতে মাল্যদান ও উনার স্মৃতিচারণের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হল অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, সাংসদ দিলীপ ঘোষ। মূলত দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন অটল বিহারী বাজপেয়ী। যে মন্ত্রকে সঙ্গে নিয়ে আগামীর দিকে এগিয়ে চলার বার্তা দিলেন বিজেপি নেতৃত্ববর্গ।

সল্টলেকের সেই ছবি ধরা পড়ল এনআরএস মেডিক্যাল কলেজের সামনেও।বড়দিনের সকালে রাজ্য স্বাস্থ্য সেলের তরফে হাসপাতালের সামনে এদিন অটল বিহারী বাজপেয়ীর ছবিতে মাল্যদান ও গরীব দুঃস্থদের হাতে কেক তুলে দেওয়ার মধ্যে দিয়ে উদযাপিত হল সুশাসন দিবস। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য স্বয়ং।

ভারতীয় জনতা পার্টির অন্যতম স্তম্ভ অটল বিহারী বাজপেয়ী। যার চিন্তাধারাকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে চলেছ দল। দেশের সর্বত্র সুশাসন প্রতিষ্ঠা করাই তাদের মহান কর্তব্য বলে মনে করে গেরুয়া শিবির। ৯৯ তম জন্মবার্ষিকীতে অটলজির প্রতি দেশের এই শ্রদ্ধা নিবেদন আবারও মনে করিয়ে দিল দেশের প্রতি তাঁর আত্মত্যাগ।

2 months ago
BJP: মিঠুন কি দক্ষিণ কলকাতার প্রার্থী?

প্রসূন গুপ্তঃ লোকসভা ভোট যুদ্ধে যে বিজেপি প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই নিয়ে নিয়েছে তা আগের প্রতিবেদনগুলিতে জানানো হয়েছে। এও আমরা জানিয়েছি যে, ১০০-র বেশি আসনে নতুন প্রার্থী ঠিক হচ্ছে। মোদী এবং কয়েকজন আদি বিজেপির নেতা বাদে বাকি সকলের বয়স ৭৫-এর নীচে রাখার পরিকল্পনা প্রায় চূড়ান্ত। সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার ভূমিকা এখানে গৌণ। সমস্ত বিষয়টি চূড়ান্ত রূপ দেবেন প্রধানমন্ত্রী এবং অমিত শাহ। সোমবার নাড্ডা এবং অমিত শাহ কলকাতায় আসছেন দেড় দিনের সফরে অনেকটা এ বিষয়ে কথাবার্তা বলতে।

অন্দরের গুঞ্জনে যা জানা যাচ্ছে, তাতে ২০১৯-এর অনেকেই ছাঁটাই হতে পারেন। উত্তর বাংলায় নিশীথ অধিকারী টিকিট পাবেন। কিন্তু আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, রায়গঞ্জ, উত্তর মালদহের পরিবর্তন হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল বলেই জানা যাচ্ছে। রায়গঞ্জে পাপিয়া অধিকারীর নাম ভাসছে। তেমনই রানাঘাট কেন্দ্রে বাদ পরতে পারেন জগন্নাথ সরকার। উত্তর কলকাতায় চমক থাকতে পারে। বদলাতে পারে সৌমিত্র খাঁ-এর নাম। কিংবা বোলপুরে আসতে পারেন প্রাক্তন সাংবাদিক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। লকেট চট্টোপাধ্যায়ের কেন্দ্র হুগলির বদলে বাঁকুড়া আসতে পারেন।

কিন্তু যে নাম নিয়ে জল্পনা চরমে তিনি অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। মিঠুন বর্তমানে বিজেপির প্রচারক। তাঁকে কি দক্ষিণ কলকাতায় প্রার্থী করা হবে? এমন কথা কিন্তু শোনা যাচ্ছে। মিঠুন কলকাতার ছেলে। পরবর্তীতে মুম্বই চলচ্চিত্রের বড় স্টার হন। একসময় তিনি বাম মন্ত্রী সুভাষ চক্রবর্তীর ঘনিষ্ঠ ছিলেন। দিন বদলাতে ঘনিষ্ঠ হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। মমতা তাঁকে রাজ্যসভায় পাঠান, কিন্তু কেন্দ্রীয় এজেন্সির খপ্পরে পরেন তিনি। যদিও সমস্যা থেকে বেড়িয়ে আসেন। তারপর সাংসদ পদ ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন। গত ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনে তিনি বিজেপির হয়ে প্রচারও করেন। এবারে বাকি থাকে ফের সাংসদ হওয়া।

2 months ago
TMC: তৃণমূলের টিকিট পাবে কারা?

প্রসূন গুপ্তঃ বিজেপি কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ইতিমধ্যে ইঙ্গিত দিয়েছে যে, এবারে হয়তো বিগত লোকসভা সাংসদের মধ্যে ১০০ জনের উপর বাদ পড়তে পারে। তাঁরা কারা তারও কিছুটা জানা যাচ্ছে যে, ৭৫ বছরের কাছাকাছি বা ঊর্ধ্বে যাঁরা তাদের নিয়ে ভাবনা কম। অবিশ্যি নরেন্দ্র মোদী তার মধ্যে পড়েন না। আন্দাজ যা পাওয়া যাচ্ছে, হেমা মালিনী থেকে মেনকা গান্ধীদের অনেকেরই বাদের খাতায় নাম আছে। কাজের নয় এমন অনেককেই বাদ দেওয়া হতে পারে, যেমন গৌতম গম্ভীর প্রমুখ। এ রাজ্যেও ওই ফর্মুলা চলবে। বাদের লিস্টে অনেক তাবড় তাবড় সাংসদ আছেন, দেবশ্রী চৌধুরী থেকে সৌমিত্র খাঁ ইত্যাদির টিকিট পাবেন কিনা প্রশ্নের মুখে আছে। স্বয়ং দিলীপ ঘোষও কি মেদিনীপুরে প্রার্থী হবেন, রয়েছে প্রশ্ন।

একই ভাবনা তৃণমূলে। ইতিমধ্যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তো জানিয়েছেন বয়স হয়ে গেলে কর্মক্ষমতা কমে যায় অনেক ক্ষেত্রে। মুখপাত্র কুনাল ঘোষ তো সোজাসুজি জানিয়েছেনই দলের হয়ে কাজ করতে হলে সাংসদ বা বিধায়ক হতেই হবে এমন কোনও কথা নেই। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, কে ঠিক করবেন প্রার্থী তালিকা। আগে সমস্তই দেখতেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও প্রথম দিকে অনেক সময়ে মুকুল রায় সহযোগিতা করতেন। দলের দীর্ঘদিনের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সিকেও উপদেষ্টা হতে দেখা গিয়েছে, ছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ও। কিন্তু এই দু'জন জোর করে প্রার্থী দেওয়ার চেষ্টা করতেন না। মুকুল বিদায়ের পরপরেই ক্ষমতার অলিন্দে আসেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হওয়ার পরে অনেক পরিবর্তন এনেছেন। তরুণ প্রজন্ম সুযোগ পেয়েছে বিগত পঞ্চায়েত ভোটে অথবা পুরসভায়।

কিন্তু এবারে দেখার বিষয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কী করেন। মমতা চট করে জয়ী প্রার্থীদের বাতিল করতে চান না, কিন্তু এবারে বাদের তালিকায় অনেকেই আছেন। অনেক সেলিব্রেটি যেমন বাদ যাবেন, তেমন অনেক নতুন সেলিব্রেটির কাছে সুযোগ আসতে পারে। তবে এটা বাস্তব প্রচন্ড টেনশনে আছেন কিন্তু বর্তমানের সাংসদরা। পুনশ্চ: শোনা যাচ্ছে সৌগত রায়ের ঘনিষ্ঠদের কাছ থেকে যে তিনি এখনও যথেষ্ট কাজ করতে পারেন।

2 months ago


Geeta Path: কলকাতায় শুরু হয়েছে 'লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠ' অনুষ্ঠান, অংশগ্রহণ সাধু-সন্ত থেকে সাধারণ মানুষ

কলকাতায় ব্রিগেডের মাঠে আজ, রবিবার আয়োজিত হয়েছে গীতাপাঠ অনুষ্ঠান। ‘লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠ’ শীর্ষক এই অনুষ্ঠানে বাংলার বিভিন্ন প্রান্তের সাধু-সন্ত, রাজ্য বিজেপির প্রথম সারির নেতৃত্ব থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ উপস্থিত হন কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে। বাংলার বিজেপির শীর্ষনেতাদেরও এদিন ব্রিগেডের মাঠে বসে গীতা পড়তে দেখা গিয়েছে।

সনাতন সংস্কৃতি সংসদ, মতিলাল ভারততীর্থ সেবা মিশন আশ্রম এবং অখিল ভারতীয় সংস্কৃত পরিষদের তরফে আয়োজন করা হয়েছে এই গীতাপাঠ অনুষ্ঠানের। সূত্রের খবর, রবিবার মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন ১৫০০ সাধু। অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য কলকাতা এসেছেন দ্বারকার শঙ্করাচার্য দয়ানন্দ সরস্বতী। মূল মঞ্চে তিনি রয়েছে। ধর্মীয় বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন তিনি। পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের দ্বৈতাপতিকে গীতাপাঠের অনুষ্ঠানের মূল মঞ্চে দেখা গিয়েছে।

ব্রিগেডের 'লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠ' অনুষ্ঠানে শ্রীমদ্ভগবদ গীতার পাঁচটি অধ্যায় পাঠ করা হবে বলে জানা গিয়েছে। গীতাপাঠের জন্য ব্রিগেড গ্রাউন্ডকে ২০টি ভাগ করা হয়েছে। প্রতিটি ব্লকে বসানো হয়েছে ৫ হাজার জনকে।

উল্লেখ্য, 'লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠ' অনুষ্ঠানে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে মূলত দুটি মঞ্চ করা হয়েছে। মূল মঞ্চে রয়েছেন সাধুসন্তরা। অপর মঞ্চে চলছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। নজরুলগীতির মধ্যে দিয়ে এদিন গীতাপাঠের সূচনা করা হয়। তবে এই অনুষ্ঠানের সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগ নেই বলে দাবি বিজেপি নেতাদের।

2 months ago
BJP: প্রার্থী বাছতে বিজেপির জন মন সমীক্ষা

প্রসূন গুপ্তঃ লোকসভা দোরগোড়ায়। যে কোনও সময়ে হয়তো প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ভোট ঘোষণার জন্য নির্বাচন কমিশনারের কাছে বার্তা পাঠাতে পারেন। এখন প্রশ্ন হচ্ছে কারা  প্রার্থী হবে এবং প্রধানমন্ত্রীর ভূমিকা কী? বর্তমানে মোদীর বয়স সত্তরোর্ধ্ব। আর দু'বছরে মধ্যে ৭৫ পার হয়ে যাবেন। তাঁদেরই নিয়ম অনুযায়ী, ৭৫ বছরের পরে বিজেপি সাংসদ বা বিধায়কদের এক প্রকার বিশ্রামে পাঠানো হয়ে থাকে, যথা লালকৃষ্ণ আদবানি কিংবা মুরলি মনোহর জোশি ইত্যাদি। কিন্তু কার্যক্ষেত্রে জানা যাচ্ছে মোদীর বিষয়ে কোনও নিয়ম নাস্তি। তিনিই ফের প্রধানমন্ত্রীর মুখ হতে চলেছেন। এখানে গুঞ্জনে আরএসএসের ভূমিকা যাই থাকুক না কেন, মোদীই দলের শেষ কথা। এছাড়া ২০২৫ আরএসএসের শতবর্ষ, কাজেই যদি কাজিয়া থাকেও তবুও মোদী ছাড়া আর দ্বিতীয় মুখ কোথায়?

অন্যদিকে, এবারে শোনা যাচ্ছে অনেক পুরোনো প্রার্থী বাদ পড়তে পারে। নতুন মুখের সন্ধানে কিন্তু মোদীর বিজেপি। একটি অ্যাপ চালু রয়েছে যার নাম 'নমো অ্যাপ'। এছাড়া শুরু করা হয়েছে 'জন মন সমীক্ষা'। এই সমীক্ষা অভিনব। প্রত্যেক বিজেপি কার্যকর্তার কাছে এই ধরণের নেট প্রক্রিয়া থাকবে। দেখা হবে ২০১৯-এ জিতে আসা সাংসদ বা মন্ত্রীরা নিজ নিজ এলাকার জন্য কতটা কাজ করেছেন এবং তাঁর জনপ্রিয়তার মাপকাঠি কী। এ ছাড়াও যাঁরা হেরেছিলেন বিগত ভোটে তাঁদের মাপকাঠিও মেপে দেখা হবে। এটি সারা ভারতেই প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে পরীক্ষা করা হবে বলেই অন্দরের খবর। যদিও মোদী বিরোধীদের একটি অংশ বলা শুরু করেছে যে, মোদীর অনুগত না হলে টিকিট পাওয়া মুশকিল। এই দলের মধ্যে কী শিবরাজ সিং চৌহান থেকে বসুন্ধরা রাজে ইত্যাদিরা নাকি রয়েছেন। অন্যদিকে গুঞ্জনে নির্বাচন কমিটি থেকে বাতিল হওয়া নীতিন গডকড়ি বা যোগী আদিত্যনাথেরও নাকি কোনও ভূমিকা থাকবে না নিজেদের অনুগতদের টিকিট পাইয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে।

পাশাপাশি এ রাজ্যেও চিন্তায় সুকান্ত মজুমদার থেকে লকেট চ্যাটার্জি, দিলীপ ঘোষ থেকে নিশীথ অধিকারী নিজেদের জনপ্রিয়তার ভাবনায়। এবারে বাংলা থেকে অনেকেই টিকিট পাবে না নিশ্চিত। এরই সাথে গুঞ্জনে শুভেন্দু অধিকারীকে নাকি কাঁথিতে প্রার্থী করা হতে পারে এবং জিতলে নিশ্চিত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। যদিও এতটা সরলীকরণ বোধহয় ঠিক নয়।

2 months ago


Suvendu: 'মমতাকে হারানো লোক, প্রাক্তন করব', উত্তরকন্যা অভিযানে পুলিসি বাধা পেয়ে হুঙ্কার শুভেন্দুর

ফের রাজ্য পুলিসের বাধার মুখে রাজ্যের বিরোধী দলেনতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এবারে উত্তরবঙ্গে উত্তরকন্যা অভিযানের সময় শুভেন্দু সহ একাধিক বিজেপি বিধায়কদের বাধা দেয় পুলিস। কোচবিহারের বিধায়ক মিহির গোস্বামী এবং বিজেপির অন্যান্য সদস্যকে নিয়ে উত্তরকন্যা যাওয়ার পথে বাধা পেয়ে পুলিসের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন শুভেন্দু। তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে শুরু করেন। মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে প্রশ্ন করছেন যে, 'কেন যেতে দেওয়া হচ্ছে না উত্তরকন্যায়?' এছাড়াও পুলিসি বাধার মুখে পড়তেই হুঙ্কার দেন শুভেন্দু।

'উত্তরের উত্তরণের খোঁজে' উত্তরবঙ্গ সফরে আসেন শুভেন্দু অধিকারী। আজ অর্থাৎ মঙ্গলবার উত্তরকন্যা পরিদর্শনে আসেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, সেখানে কতগুলো দফতর রয়েছে এবং আদৌ মানুষ সেখান থেকে পরিষেবা পান কিনা তা খতিয়ে দেখতেই এই উত্তরকন্যা পরিদর্শন। এদিকে শুভেন্দুর উত্তরকন্যা পরিদর্শনের বিষয় সামনে আসতেই পুলিস মহলেও তৎপরতা নজরে আসে। উত্তরকন্যার প্রধান গেটে পৌঁছনোর আগেই মাঝরাস্তায় বসে ব্যারিকেড। এর পর সেখানে পৌঁছতেই শুভেন্দু ও বিজেপি বিধায়কদের উত্তরকন্যায় প্রবেশ করার আগেই বাধা দেয় রাজ্য পুলিস। এরপরই পুলিসের সঙ্গে শুরু হয় বচসা।

এর পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করতেও ছাড়েননি শুভেন্দু। তিনি বলেন, "এখানকার মানুষ তাঁর শঠতা ধরে ফেলায় রুষ্ট মুখ্যমন্ত্রী। তাই উত্তরবঙ্গকে বঞ্চিত করেছেন তিনি। কী ভাষা দেখুন। বলছে, বিধায়কদের ঢুকতে দেবে না। মুখ্যমন্ত্রী উত্তরবঙ্গে বিয়েবাড়িতে এসেছিলেন। ছবি তুলতে এসেছিলেন। সচিবালয় কেমন চলছে, দেখতে এসেছিলাম। দেখলাম, মহিলা পুলিসকে নিয়ে এসে দাঁড় করিয়েছে। আমরা তাঁদের মায়ের চোখে দেখি। তাঁদের সঙ্গে যাতে ধাক্কাধাক্কি হয়, সে জন্য তাঁদের লাইন দাঁড় করিয়ে দিয়েছে।"

অন্যদিকে তাঁদের কেন যেতে দেওয়া হচ্ছে না, এই নিয়ে প্রশ্ন করা হলে পুলিসের তরফে জানানো হয়, ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে। সেই কারণে উত্তরকন্যায় এই মুহূর্তে প্রবেশ নিষেধ। শুভেন্দু কটাক্ষ করে রাজ্য সরকার তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আরও বলেন, "সুদে আসলে যদি এই বদলা না নিতে পারি আমার নাম শুভেন্দু নয়। আমি মমতাকে হারানো লোক। ওঁকে প্রাক্তন করে ছাড়ব। পৃথিবী গোল। সরকারে এলে দেখাব।"

2 months ago
MP CM: শেষ হল শিবরাজের 'রাজত্ব'! মধ্যপ্রদেশের নয়া মুখ্যমন্ত্রী হলেন মোহন যাদব

শেষ হল শিবরাজের 'রাজ'। মধ্যপ্রদেশে নয়া মুখ্যমন্ত্রী হলেন মোহন যাদব। বিজেপি শাসিত রাজ্যে নতুন মুখেই ভরসা রাখল গেরুয়া শিবির। বিদায়ী রাজ্য সরকারের উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন তিনি। এবার উজ্জিয়নী দক্ষিণ আসন থেকে জয়লাভ করেছেন তিনি। ফলে আর চারবারের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ নন, উজ্জয়িনীর বিধায়ক মোহন যাদবকেই বেছে নিয়ে চমক দিল বিজেপি।

সমস্ত জল্পনার অবসান করে সোমবার মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী নাম ঘোষণা করা হল। টানা দু'সপ্তাহ ধরে আলোচনার পর সোমবার ভোপালে রাজ্য বিজেপির দফতরে দলের বিধায়কদের নিয়ে বৈঠকে তিন কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক–হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী মনোহরলাল খট্টর, রাজ্যসভা সাংসদ কে লক্ষ্মণ এবং ঝাড়খণ্ডের রাঁচীর মেয়র তথা দলের জাতীয় কর্মসমিতির সদস্য আশা লারকা নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে মোহন যাদবের নাম ঘোষণা করলেন। শীঘ্রই রাজ্যের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন তিনি। 

2 months ago
BJP: উত্তরের বিজয়রথ আটকে গেলো মিজোরামে

প্রসূন গুপ্ত: উত্তর ভারতের গোবলয়ে বিহার, ঝাড়খণ্ড বাদ দিয়ে বাকি সমস্ত রাজ্যে এখন শুধুই গেরুয়া রং। রবিবাসরীয় সারাদিন বিজেপির কেটেছে জয়ের আনন্দে। যদিও ব্যতিক্রম তেলেঙ্গানা থাকলেও লোকসভা নির্বাচনের আগে কংগ্রেসকে পর্যদস্তু করে বিজেপি ছিনিয়ে নিয়েছিল রাজস্থান এবং ছত্রিশগড়। যদিও ৫ বছর আগে অবধি মধ্যপ্রদেশ ও ছত্রিশগড় দীর্ঘদিন ধরে তাদেরই কব্জায় ছিল। কিন্তু ২০১৮-র বিধানসভা নির্বাচনে এই দুই রাজ্যের ক্ষমতা হারায় বিজেপি। পরে অবিশ্যি মধ্যপ্রদেশ তারা দখল করে নেয়। রাজস্থানে প্রতি ৫ বছর অন্তর শাসন বদলালেও অন্য দুই রাজ্য কিন্তু বিজেপির ছিল একসময়ে। যাই হোক না কেন সমর সংগ্রামে কংগ্রেসকে পরাজিত করে এখন তিন রাজ্যের ক্ষমতায় বিজেপি। এটা প্রমাণ হয়ে গিয়েছে  গুজরাত সহ গোবলয়ে তারা অপ্রতিরোধ্য। কংগ্রেসের সান্তনা পুরস্কার একমাত্র তেলেঙ্গানা। এরই মধ্যে আরও একটি রাজ্যে ভোট হয়েছিল। মিজোরাম। উত্তরপূর্ব ভারতে প্রতিটি রাজ্যই ছিল বিজেপি অথবা তাদের এনডিএ জোট সঙ্গীদের হাতেই। সকলের অপেক্ষা ছিল মিজোরাম কি ফের এনডিএর হাতে যাচ্ছে?

এতদিন মিজোরামে ক্ষমতায় ছিল মিজো ন্যাশনাল ফ্রন্ট সঙ্গী বিজেপি। এবারের ভোটে পরাস্থ হলো তারা। ৪০ আসন বিশিষ্ট মিজোরাম উত্তর-পূর্ব ভারতের এক প্রান্তে থাকা মনিপুরের পাশেই। সোমবার ছিল এই ছোট্ট রাজ্যের ভোট গণনা। সকাল থেকেই গণনায় এগিয়ে ছিল সরকারি দল এমএনএফ কিন্তু বেলা গড়াতে দেখা গেলো তাদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী জেডপিএম বা জোরাম পিউপলস মুভমেন্ট তাদের পিছনে ফেলতে শুরু করে। শেষ পর্যন্ত ফলাফল হয়,

এমএনএফ - ১০ 

বিজেপি - ২ 

জেডপিএম - ২৭ 

কংগ্রেস - ১ 

কাজেই একক সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়ে তারাই সরকার গড়তে চলেছে। অবিশ্যি এনডিএর পরাজয়ের অন্যতম কারণ মনিপুরের রক্তাক্ত জাতপাত গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের পরিণাম  মুখ্যমন্ত্রীর অন্যতম দাবিদার লালুভুওমা ইতিমধ্যেই রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে সরকার গড়ার দাবি জানিয়েছেন। এই সপ্তাহেই নতুন সরকার শপথ নেবে বলেই খবর।এই জেডিপিএম দলটির বয়স মাত্র ৫ বছর এবং অনেকটা আপ পার্টির ধাঁচের দল।

3 months ago


BJP: জাতীয় সঙ্গীত 'অবমাননা' মামলায় জোর ধাক্কা রাজ্যের! বিজেপি বিধায়কদের গ্রেফতারে 'না' হাইকোর্টের

জাতীয় সঙ্গীত 'অবমাননা' মামলায় আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বিজেপি বিধায়কদের বিরুদ্ধে কোনও পুলিসি পদক্ষেপ করা যাবে না। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের অন্তর্বর্তী নির্দেশে আপাতত স্বস্তিতে গেরুয়া শিবির। বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, অন্য ধর্না আগে থেকেই চলছিল। পরে বিজেপি বিধায়করা স্লোগান দেওয়া শুরু করেন। জাতীয় সঙ্গীত শুনেও থামেনি এমন নয়। ফলে এদিন এই মামলায় রাজ্যকে বিচারপতির তীব্র ভর্ৎসনার মুখোমুখি হতে হয়। তাঁর পর্যবেক্ষণ, 'বিজেপি বিধায়কদের বিরুদ্ধে এফআইআর ছেলেমানুষি আচরণ।'

শাসক দলের দাবি, জাতীয় সঙ্গীত চলাকালীন স্লোগান দিয়েছিলেন বিজেপি বিধায়করা। আর বিজেপির দাবি, জাতীয় সঙ্গীতের কথা তাঁদের আগে থেকে জানানো হয়নি। আর এর থেকেই শুরু বিতর্ক। জাতীয় সঙ্গীতের অবমাননার অভিযোগ তুলে এফআইআরও দায়ের করা হয় বিজেপি বিধায়কদের বিরুদ্ধে। এর পর এই মামলা হাইকোর্ট পর্যন্ত পৌঁছলে বিধায়কদের গ্রেফতার না করার মৌখিক নির্দেশ দিলেন হাইকোর্টের বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত। বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের বক্তব্য, 'সাধারণ মানুষ কী ভাবছে? কয়েক লক্ষ টাকা খরচ করে মামলা করেছেন। কত ধর্ষণ মামলা, ক্রিমিনাল মামলা শুনানি হচ্ছে না এই ধরণের একটা ছেলেমানুষী মামলার জন্য।' 'স্লোগান হচ্ছিল দেখেও কি জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার দরকার ছিল? সবাই বসার পর শুরু করা যেত না? পর্যবেক্ষণ বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের। বিজেপির বিরুদ্ধে এফআইআর, 'ছেলেমানুষি আচরণ' বললেন বিচারপতি।

বিচারপতির আরও পর্যবেক্ষণ, 'ধর্না কোনও অনুষ্ঠান নয়। মন্ত্রীরা থাকলেই কি জাতীয় সঙ্গীত গাইতে হবে নাকি? মন্ত্রী যদি পাঁচতারা হোটেল উদ্বোধনে যান সেখানেও কি জাতীয় সঙ্গীত গাইতে হবে? স্লোগান হচ্ছিল দেখেও কি জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার দরকার ছিল? সবাই বসার পর শুরু করা যেত না?' আবার ঘটনার দিনের ভিডিও দেখতে চান বিচারপতি। এছাড়াও বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত জানিয়েছেন, এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন পুলিসকে কেস ডায়েরি নিয়ে আদালতে হাজির থাকতে হবে।

3 months ago
Assembly: মুখ্যমন্ত্রীর সামনেই ফের 'চোর-চোর' স্লোগান, বিধানসভা থেকে ওয়াকআউট বিজেপির

শীতকালীন অধিবেশনের শুরু থেকেই বেশ উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। সোমবার বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়কেই বয়কট করল বিজেপি। জানা গিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী সহ তৃণমূল কংগ্রেসের মন্ত্রী ও বিধায়করা রাজ্য বিধানসভার অধিবেশন কক্ষে প্রবেশ করার কিছুক্ষণের মধ্যেই বিজেপি বিধায়করা সেখানে প্রবেশ করেন। পরবর্তীতে স্পিকার বিমান বন্দোপাধ্যায়ের অধিবেশন কক্ষে প্রবেশের মুহূর্ত থেকেই, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়কে উদ্দেশ্য করে 'চোর-চোর' স্লোগান তোলেন বিজেপির বিধায়করা।

কয়েকদিন আগেই গত ২৯ নভেম্বর ধর্মতলায় ছিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সমাবেশ। ঠিক সেই দিনই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় সহ তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক থেকে মন্ত্রী, প্রত্যেককে দেখা গিয়েছিল কালো পোশাক পরে বিধানসভায় হাজির হতে। কেন্দ্রীয় সরকারের বঞ্চনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেই এমন পদক্ষেপ বলে জানা গিয়েছিল।  সোমবার পাল্টা বিজেপির বিধায়করাও কালো ব্যাচ পরে, চোর চোর স্লোগান দিতে দিতেই অধিবেশন কক্ষ ত্যাগ করেন। রাজ্য সরকারের একাধিক দুর্নীতির প্রতিবাদেই এমন পদক্ষেপ বলে সূত্রের খবর।

কেন্দ্র সরকারের বঞ্চনা বনাম রাজ্য সরকারের দুর্নীতি। এই মুহূর্তে এই ইস্যুতেই সরগরম রাজ্য রাজনীতি।

3 months ago