Breaking News
HC: জেলে ১ বছর ৭ মাস! পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিচারপ্রক্রিয়া কবে শুরু হবে? ইডির কাছে রিপোর্ট তলব হাইকোর্টের      Sandeshkhali: ''দাদা আমাদের বাঁচান...'', সন্দেশখালির মহিলাদের আর্তি শুনলেন শুভেন্দু      Sandeshkhali: 'মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত', ক্ষোভ প্রকাশ জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সনের      Weather: বিদায়ের পথে শীত! বাড়বে তাপমাত্রা, বৃষ্টির পূর্বাভাস দক্ষিণবঙ্গে      Sandeshkhali: শিবু হাজরার গ্রেফতারিতে মিষ্টি বিলি, আদালতে পেশ, কবে গ্রেফতার সন্দেশখালির 'মাস্টারমাইন্ড'?      Arrest: সন্দেশখালিকাণ্ডে ন্যাজট থেকে গ্রেফতার শিবু হাজরা      Trafficking: ১০ মাস লড়াইয়ের পর মাদক মামলা থেকে মুক্তি বিজেপি নেত্রী পামেলার      Mimi: রাজনীতি আমার জন্য় নয়, মুখ্যমন্ত্রীর কাছে গিয়ে সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা মিমির!      Dev: রাজনীতিতে ফিরতেই ফের দেবকে দিল্লিতে ডাক ইডির      Suvendu: সুকান্ত অসুস্থ থাকলেও, সন্দেশখালি কাণ্ডে আন্দোলনের ঝাঁঝ বাড়াতে মাঠে শুভেন্দু     

bail

Bail: 'বাবা নেই, বৃদ্ধা মায়ের সঙ্গে থাকতে হবে', কোর্টে কেঁদে বলেন অর্পিতা, খারিজ জামিনের আবেদন

১৪ দিনের জেল হেফাজত শেষে বুধবার ভার্চুয়ালি পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে (Partha Arpita) আদালতে তোলা হয়। এদিনও জামিনের আবেদন খারিজ করে দু'জনকেই ১৪ দিনের জেল হেফাজতে (Jail Custody) পাঠান ইডি-সিবিআই (ED Court) আদালতের বিচারক। যদিও এই প্রথমবার কোর্টে জামিনের সওয়াল করেন ইডির হাতে গ্রেফতার অর্পিতা মুখোপাধ্যায়। রীতিমতো কাঁদতে কাঁদতে তিনি বলেন, 'স্যার আমার বাড়িতে ইডি প্রায় ৩০ ঘন্টা ছিলেন। আমি জানি না কীভাবে তারা নগদ পেলেন। আমি বাথরুমে ছিলাম ৪ ঘন্টা, তারপর বেডরুমে ছিলাম। আমি জানি না কীভাবে এত নগদ উদ্ধার হল। আমার বাবা নেই, বৃদ্ধা মা আছেন। তাঁকে দেখানো জন্য আমার দরকার।'

এই সওয়ালের পরেই অর্পিতাকে বিচারকের প্রশ্ন, 'টাকা কোথা থেকে পাওয়া গেল? আপনি কি মায়ের সঙ্গে থাকেন? ফ্ল্যাট কার নামে? আপনি টাকার বিষয়ে কিছু জানেন?'

জবাবে অর্পিতা জানান, ফ্ল্যাট আমার নামে। সেখান থেকেই টাকা উদ্ধার হয়েছে। কিন্তু এই নগদের বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। আমার এন্টারটেইনমেন্টের ব্যবসা আছে। সংস্থার নাম ইচ্ছে এন্টারটেইনমেন্ট। কিন্তু নগদ উদ্ধার নিয়ে আমি অবগত নই। আমার কাছে এটাই আশ্চর্যের যে আমার বাড়ি থেকে এতো নগদ কীভাবে উদ্ধার হল!

একইভাবে 'আমি অসুস্থ, আমাকে শান্তিতে বাঁচতে দিন, জামিন দিন', কাঁদতে কাঁদতে এই আবেদন করেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ও। তবে কান্নাকাটি বৃথা, ফের ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জেল হেফাজতে এই দুই অভিযুক্ত। এদিন অবশ্য শুনানিতে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। কাঁদতে কাঁদতে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী বিচারকের কাছে বলেন, 'আমার চিকিৎসার প্রয়োজন আছে। আমাকে জামিন দিন, বাঁচতে দিন। ইডি ৩০ ঘন্টা ছিল আমার বিরুদ্ধে কিছুই সংগ্রহ করতে পারেনি। আমি জানতে চাই কে এটা করেছে? ইডি আমার বাড়িতে আসুন। আমার বিধানসভা কেন্দ্রে আসুন। আমি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার। আমার মেয়ে আমেরিকায় থাকেন। আমাকে নিয়ে খুব চিন্তিত। ওর স্বাস্থ্য নিয়ে আমি খুব উদ্বিগ্ন।'

ভিডিও কলে হওয়া শুনানিতে পার্থর সওয়াল, 'আমি বৃদ্ধ মানুষ, একজন জনপ্রতিনিধি। অর্থনীতিতে স্নাতক। বহুদিনের রাজনীতিবিদ। আমার শারীরিক সমস্যা সংক্রান্ত ইএসআই জোকার রিপোর্ট জমা আছে দেখে নিতে পারেন।'

দুই অভিযুক্তের এই সওয়াল পালা শেষে ইডির যুক্তি, 'নিয়োগ দুর্নীতি-কাণ্ড ১০০ কোটি টাকার। আরও বাড়তে পারে টাকার অঙ্ক। রাসবিহারী কানেক্টর এবং যামিনী রায় রোডে সম্পত্তির হদিশ মিলেছে। অর্পিতার অ্যাকাউন্টে আরও ৫ কোটি টাকার হদিশ মিলেছে। যত তদন্ত এগোবে, এই টাকার অঙ্কের পরিমাণ আরও বাড়বে।'

ইডি আইনজীবী আদালতকে জানান, 'আমরা যেদিন পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করেছিলাম উনি মুখ্যমন্ত্রীকে ফোন করেছিলেন। উনি দলের সেকন্ড ইন কমান্ড। আমরা যে সিজার লিস্ট অনেক দিয়েছিলাম, ওটা উনি ছিঁড়ে ফেলেছিলেন। তারপর এসএসকেএম-এ ভর্তি হয়েছিলেন। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের অধীনে আরও তিনটি কোম্পানি পাওয়া গিয়েছে। পিংলায় একটি স্কুলের খোঁজও পাওয়া গিয়েছে।' দুই তরফের এই সওয়াল-জবাবের পর এদিন প্রায় ঘণ্টা চারেক রায়দান স্থগিত রাখেন বিচারক। অবশেষে সন্ধ্যা ৭টার পর জামিনের আবেদন খারিজ করে ফের দু'জনকে ১৪ দিনের জন্য জেল হেফাজতে পাঠানো হয়েছে।

one year ago
SSC: 'আমাকে জামিন দিন, বাঁচতে দিন', আদালতে কাঁদলেন পার্থ, ফের ১৪ দিনের জেলে প্রাক্তন মন্ত্রী

১৪ দিনের জেল হেফাজত শেষে বুধবার ভার্চুয়ালি পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে (Partha Arpita) আদালতে তোলা হয়। এদিনও জামিনের আবেদন খারিজ করে দু'জনকেই ১৪ দিনের জেল হেফাজতে পাঠান ইডি-সিবিআই (ED Court) আদালতের বিচারক। যদিও এই প্রথমবার কোর্টে জামিনের সওয়াল করেন ইডির হাতে গ্রেফতার অর্পিতা মুখোপাধ্যায়। একইভাবে 'আমি অসুস্থ, আমাকে শান্তিতে বাঁচতে দিন, জামিন দিন', কাঁদতে কাঁদতে এই আবেদন করেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ও। তবে কান্নাকাটি বৃথা, ফের ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জেল হেফাজতে (Jail Custody) এই দুই অভিযুক্ত।

এদিন অবশ্য শুনানিতে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। কাঁদতে কাঁদতে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী বিচারকের কাছে বলেন, 'আমার চিকিৎসার প্রয়োজন আছে। আমাকে জামিন দিন, বাঁচতে দিন। ইডি ৩০ ঘন্টা ছিল আমার বিরুদ্ধে কিছুই সংগ্রহ করতে পারেনি। আমি জানতে চাই কে এটা করেছে? ইডি আমার বাড়িতে আসুন। আমার বিধানসভা কেন্দ্রে আসুন। আমি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার। আমার মেয়ে আমেরিকায় থাকেন। আমাকে নিয়ে খুব চিন্তিত। ওর স্বাস্থ্য নিয়ে আমি খুব উদ্বিগ্ন।' 

ভিডিও কলে হওয়া শুনানিতে পার্থর সওয়াল, 'আমি বৃদ্ধ মানুষ, একজন জনপ্রতিনিধি। অর্থনীতিতে স্নাতক। বহুদিনের রাজনীতিবিদ। আমার শারীরিক সমস্যা সংক্রান্ত ইএসআই জোকার রিপোর্ট জমা আছে দেখে নিতে পারেন।'  

পার্থর পরেই এদিন কান্নায় ভেঙে জামিনের আবেদন করে অন্যতম অভিযুক্ত অর্পিতা মুখোপাধ্যায়। তিনি বলেন, 'স্যার আমার বাড়িতে ইডি প্রায় ৩০ ঘন্টা ছিলেন। আমি জানি না কীভাবে তারা নগদ পেলেন। আমি বাথরুমে ছিলাম ৪ ঘন্টা, তারপর বেডরুমে ছিলাম।আমি জানি না কীভাবে এত নগদ উদ্ধার হল। আমার মা অসুস্থ, মায়ের সঙ্গে থাকতে হবে।' এই সওয়ালের পরেই অর্পিতাকে বিচারকের প্রশ্ন, 'টাকা কোথা থেকে পাওয়া গেল? আপনি কি মায়ের সঙ্গে থাকেন? ফ্ল্যাট কার নামে? আপনি টাকার বিষয়ে কিছু জানেন?' 

এই প্রশ্নের জবাবে অর্পিতা জানান, ফ্ল্যাট আমার নামে। সেখান থেকেই টাকা উদ্ধার হয়েছে। কিন্তু এই নগদের বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। আমার এন্টারটেইনমেন্টের ব্যবসা আছে। সংস্থার নাম ইচ্ছে এন্টারটেইনমেন্ট। কিন্তু নগদ উদ্ধার নিয়ে আমি অবগত নই। আমার কাছে এটাই আশ্চর্যের যে আমার বাড়ি থেকে এতো নগদ কীভাবে উদ্ধার হল!

দুই অভিযুক্তের এই সওয়াল পালা শেষে ইডির যুক্তি, 'নিয়োগ দুর্নীতি-কাণ্ড ১০০ কোটি টাকার। আরও বাড়তে পারে টাকার অঙ্ক। রাসবিহারী কানেক্টর এবং যামিনী রায় রোডে সম্পত্তির হদিশ মিলেছে। অর্পিতার অ্যাকাউন্টে আরও ৫ কোটি টাকার হদিশ মিলেছে। যত তদন্ত এগোবে, এই টাকার অঙ্কের পরিমাণ আরও বাড়বে।'

ইডি আইনজীবী আদালতকে জানান, 'আমরা যেদিন পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করেছিলাম উনি মুখ্যমন্ত্রীকে ফোন করেছিলেন। উনি দলের সেকন্ড ইন কমান্ড। আমরা যে সিজার লিস্ট অনেক দিয়েছিলাম, ওটা উনি ছিঁড়ে ফেলেছিলেন। তারপর এসএসকেএম-এ ভর্তি হয়েছিলেন। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের অধীনে আরও তিনটি কোম্পানি পাওয়া গিয়েছে। পিংলায় একটি স্কুলের খোঁজও পাওয়া গিয়েছে।' দুই তরফের এই সওয়াল-জবাবের পর এদিন প্রায় ঘণ্টা চারেক রায়দান স্থগিত রাখেন বিচারক। অবশেষে সন্ধ্যা ৭টার পর জামিনের আবেদন খারিজ করে ফের দু'জনকে ১৪ দিনের জন্য জেল হেফাজতে পাঠানো হয়েছে।

one year ago
APA: পার্থ-অর্পিতা মামলার বিচারক বদল, নতুন এজলাসে ভার্চুয়ালি জামিন মামলার শুনানি

নিয়োগ দুর্নীতি (Recruitment Scam) মামলায় ধৃত পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের (APA) বিচারক বদল। ব্যাঙ্কশাল কোর্টের বিশেষ ইডি-সিবিআই (ED-CBI Court) আদালতের নতুন বিচারক বিদ্যুৎ কুমার রায়ের এজলাসে হবে জামিন মামলার শুনানি। বিচারক জীবন কুমার সাধু অবসর নেওয়ায় এই রদবদল। বিচার ভবন সূত্রে এমনটাই খবর। এদিকে, বুধবার ভার্চুয়ালি পার্থ-অর্পিতাকে ব্যাঙ্কশাল কোর্টে হাজির করা হবে। ১৪ দিনের জেল হেফাজত শেষে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত এই দু'জন জামিনের আবেদন করেন কিনা? সেদিকে তাকিয়ে গোটা রাজ্য।

নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে ভার্চুয়াল শুনানির আবেদন করা হয় জেল কর্তৃপক্ষের তরফে। সেই আবেদন গ্রাহ্য করে এই দুই বিচারাধীন বন্দিকে ভার্চুয়ালি হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নিয়োগ দুর্নীতিতে আর্থিক তছরূপের মামলায় এখনও অবধি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হাতে পেয়েছে ইডি। সেই তথ্য-প্রমাণের উপর ভিত্তি করে এদিনের শুনানিতে জামিনের বিরোধিতা করতে পারেন ইডির আইনজীবী।

গত শুনানিতে যেকোনও শর্তে জামিন চেয়ে আদালতে দরবার করেছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। যদিও ইডির পাল্টা যুক্তিতে খারিজ হয়েছে সেই জামিনের আবেদন। বুধবার শুনানিতে কী ঘটতে পারে, সেদিকে তাকিয়ে রাজ্য রাজনীতি।

one year ago


Bail: কাকুতি-মিনতি সার, পার্থর জামিন খারিজ করে ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জেল হেফাজত

নিয়োগ দুর্নীতি-কাণ্ডে (SSC Scam) দুর্নীতি-কাণ্ডে ধৃত পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) ফের খারিজ পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের জামিনের আবেদন। ১৪ সেপ্টেম্বর অর্থাৎ আরও ১৪ দিন জেলেই থাকতে হবে পার্থ অর্পিতাকে। যদিও এদিন অর্পিতার তরফে জামিনের আবেদন করা হয়নি। বুধবার দীর্ঘ সওয়াল-জবাবের পরে ঘণ্টাখানেক স্থগিত রাখা হয়েছিল রায়দান বেলা ৪টের কিছু পর আদালতে জানায়, খারিজ পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের জামিনের আবেদন (Bail Plea)। আগামি ১৪ দিন অর্থাৎ ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জেল হেফাজতেই থাকবেন পার্থ-অর্পিতা।

এদিকে, এসএসসি নিয়োগ জামিনের আবেদন ব্যাঙ্কশাল কোর্টে। যেকোনও শর্তে জামিন  চেয়ে আবেদন প্রাক্তন মন্ত্রীর আইনজীবীর। প্রয়োজন বাড়িতেই নজরবন্দি বা গৃহবন্দি থাকতে চান তিনি। তাঁকে ফাঁসানো হচ্ছে এই আশঙ্কা করে জামিন চাইলেন তিনি। তবে বুধবার জামিনের আবেদন করেনি পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়।

এদিন জামিনের শুনানিতে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের আইনজীবী জানান, ইডি বলছে বেশ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের বেশ কয়েকটি জীবনবিমায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নাম নমিনি হিসাবে আছে। এতে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কোন ভূমিকা নেই। অন্য অভিযুক্ত ব্যক্তি আমার মক্কেলের নাম ব্যবহার করে তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করেছে। গভীর ষড়যন্ত্র হয়েছে।

আইনজীবীর দাবি,পার্থ চট্টোপাধ্যায় অসুস্থ। অর্থোপ্যাডিকেল ও নেফ্রোলজিকাল সমস্যা রয়েছে। এভাবে থাকলে পার্থবাবুর মৃত্যু হতে পারে। জেলে শৌচাগারের সমস্যা রয়েছে। তাঁর মাটিতে বসে কাজে বারণ রয়েছে। কিন্তু জেলে মাটিতে শুতে হচ্ছে। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ডায়লিসিসের প্রয়োজন রয়েছে।

এই আবেদনের বিরোধিতা করেছেন ইডির আইনজীবী। তিনি জানান, ১০০০ কোটি দিয়ে     সিম্বায়োসিস মার্চেন্ট প্রাইভেট লিমিটেড নামে একটি কোম্পানি বিক্রি হয়েছে। এই  কোম্পানি থেকে ২.৭০ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে পার্থ ও অর্পিতার নামে। পাশাপাশি সোনারপুর-রাজপুর পুরসভা এলাকার বিভিন্ন কোম্পানিতে সেই অর্থ ঢুকেছে। এই সংস্থার শেয়ার হোল্ডার পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং অর্পিতা মুখোপাধ্যায়। কালো টাকা  সাদা করতে এই কোম্পানি তৈরি হয়েছে। আগামী দিনে আরও তথ্য পাওয়া যাবে অভিযুক্তদের থেকে। আমরা দু'জনকেই জেল হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চাই ।

তিনি বলেন, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মোবাইলে আসা এসএমএস প্রমাণ করছে জীবনবিমাগুলোর প্রিমিয়াম দিতেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। পার্থ চট্টোপাধ্যায়, অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের কাকা। দু'জনের সোনারপুর এলাকায় প্রচুর সম্পত্তির হদিশ মিলেছে। গোটা এই বিষয়ের মাস্টারমাইন্ড পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তাঁকে আমরা জেল হেফাজত রাখতে চাই।

এই দীর্ঘ শুনানির পরেও রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রীর করা আবেদনের বিরুদ্ধেই রায় দেয় আদালত।

one year ago
Arpita: 'জেলে থাকলে মরে যাব, শর্তাধীন জামিন দিন', সওয়াল পার্থর

এসএসসি নিয়োগ (SSC Scam) দুর্নীতি-কাণ্ডে ধৃত পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) জামিনের আবেদন ব্যাঙ্কশাল কোর্টে। যেকোনও শর্তে জামিন (Bail Plea) চেয়ে আবেদন প্রাক্তন মন্ত্রীর আইনজীবীর। প্রয়োজন বাড়িতেই নজরবন্দি বা গৃহবন্দি থাকতে চান তিনি। তাঁকে ফাঁসানো হচ্ছে এই আশঙ্কা করে জামিন চাইলেন তিনি। তবে বুধবার জামিনের আবেদন করেনি পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়।

এদিন জামিনের শুনানিতে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের আইনজীবী জানান, ইডি বলছে বেশ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের বেশ কয়েকটি জীবনবিমায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নাম নমিনি হিসাবে আছে। এতে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কোন ভূমিকা নেই। অন্য অভিযুক্ত ব্যক্তি আমার মক্কেলের নাম ব্যবহার করে তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করেছে। গভীর ষড়যন্ত্র হয়েছে।

আইনজীবীর দাবি,পার্থ চট্টোপাধ্যায় অসুস্থ। অর্থোপ্যাডিকেল ও নেফ্রোলজিকাল সমস্যা রয়েছে। এভাবে থাকলে পার্থবাবুর মৃত্যু হতে পারে। জেলে শৌচাগারের সমস্যা রয়েছে। তাঁর মাটিতে বসে কাজে বারণ রয়েছে। কিন্তু জেলে মাটিতে শুতে হচ্ছে। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ডায়লিসিসের প্রয়োজন রয়েছে।

এই আবেদনের বিরোধিতা করেছেন ইডির আইনজীবী। তিনি জানান, ১০০০ কোটি দিয়ে     সিম্বায়োসিস মার্চেন্ট প্রাইভেট লিমিটেড নামে একটি কোম্পানি বিক্রি হয়েছে। এই  কোম্পানি থেকে ২.৭০ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে পার্থ ও অর্পিতার নামে। পাশাপাশি সোনারপুর-রাজপুর পুরসভা এলাকার বিভিন্ন কোম্পানিতে সেই অর্থ ঢুকেছে। এই সংস্থার শেয়ার হোল্ডার পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং অর্পিতা মুখোপাধ্যায়। কালো টাকা  সাদা করতে এই কোম্পানি তৈরি হয়েছে। আগামী দিনে আরও তথ্য পাওয়া যাবে অভিযুক্তদের থেকে। আমরা দু'জনকেই জেল হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চাই ।

তিনি বলেন, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মোবাইলে আসা এসএমএস প্রমাণ করছে জীবনবিমাগুলোর প্রিমিয়াম দিতেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। পার্থ চট্টোপাধ্যায়, অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের কাকা। দু'জনের সোনারপুর এলাকায় প্রচুর সম্পত্তির হদিশ মিলেছে। গোটা এই বিষয়ের মাস্টারমাইন্ড পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তাঁকে আমরা জেল হেফাজত রাখতে চাই।

one year ago


Karnataka: নাবালিকা প্রেমিকা সাবালিকা হতেই বিয়ে যুবকের, পকসো আইনে দায়ের মামলা থেকেও মুক্তি

২০১৯-এ পালিয়ে গিয়ে একসঙ্গে থাকতে শুরু করেন নাবালিকা এবং তাঁর প্রেমিক। কর্নাটকের (Karnataka) বাসিন্দা ওই ১৭ বছরের নাবালিকার বাবা তখন থানায় নিখোঁজ ডায়রি (Missing Diary) করেন। পুলিস তদন্তে নেমে ২৩ বছরের ওই যুবক এবং মেয়েটিকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে। যদিও তখন তাঁরা দাবি করেছিলেন, একে অপরকে ভালোবাসেন। তাই স্বেচ্ছায় একসঙ্গে থাকছেন। যদিও সেই দাবি মানতে নারাজ ছিল নাবালিকার বাবা।

এরপর মেয়েটির বাবা ওই যুবকের বিরুদ্ধে পকসো (POCSO) আইনে নাবালিকাকে যৌন নিগ্রহের (Sexual Abuse) মামলা রুজু করেন। দায়রা আদালতে ওই মামলা চলে প্রায় ১৮ মাস। আর এই মামলা চলাকালীন জেলেই ছিলেন অভিযুক্ত সেই যুবক। বুধবার কর্নাটক হাইকোর্ট নাটকীয় ভাবে অভিযুক্তর বিরুদ্ধে থাকা পকসো আইনে দায়ের মামলা খারিজ করল।

কারণ, ২০২০-র নভেম্বরে জামিন পান সেই যুবক। ততদিনে মেয়েটি নাবালিকা থেকে সাবালিকা হয়েছেন।  জেল থেকে ছাড়া পেয়ে ওই যুবক এবং মেয়েটি বিয়ের সিদ্ধান্ত নেয়। এখন তাঁদের একটি সন্তানও রয়েছে। পকসো আইনে মামলা চলাকালীন বিয়ে করায় ছেলেটির বিরুদ্ধে দায়ের মামলা প্রমাণ এবং গ্রহণযোগ্য নয় বলে রায়ে জানায় কর্নাটকের উচ্চ আদালত।

উল্লেখ্য, কর্নাটক হাইকোর্টের বিচারপতি এম নাগাপ্রসন্ন বলেন, 'যে তথ্য সামনে এসেছে, তার থেকে এটা প্রমাণিত, ওই যুগল বিবাহিত। তাঁরা সন্তান নিয়ে সুখে সংসার করছেন।  ফলে ওই যুগলের মুখের উপর আদালত দরজা বন্ধ করে এই শুনানি চালালে আইনের অপপ্রয়োগ করা হবে।'

2 years ago
Jail: ১৪ দিনের জেল হেফাজতে অনুব্রত, প্রভাবশালী তত্ত্বে সিলমোহর আদালতের

৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জেল হেফাজতে অনুব্রত মণ্ডল। অর্থাৎ সিবিআইয়ের প্রভাবশালী তত্ত্বে সিলমোহর। আগামি ১৪ দিন তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতিকে জেলে পাঠালেন বিচারক। বুধবারই শেষ হয়েছে অনুব্রতর ১৪ দিনের সিবিআই হেফাজত। যদিও এদিন শুনানিতে তৃণমূল নেতার জামিনের পক্ষে সওয়াল করেন তাঁর আইনজীবী।

এদিন, শুনানিতে সিবিআইয়ের সওয়াল এই পাচার চক্রের সঙ্গে অনেক সরকারী আধিকারিক জড়িত। একাধিক করিডরে প্রভাব খাটিয়ে গোরু পাচারে সাহাজ্য করতেন অনুব্রত। এই তথ্যা আমদের কাছে আছে। তাই উনাকে আরও জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন রয়েছে। পাল্টা অনুব্রতর আইনজীবী জানান, আমার মক্কেলের বেহিসাবী সম্পত্তির হদিশ পাওয়া গেলে, উনি আয়করকে তথ্য দিতে রাজি। তার জন্য জেলে আটকে রাখা হবে কেন?

এদিন শুনানির শুরুতে খোশ মেজাজেই ছিলেন অনুব্রত। এজলাসেই তাঁর জন্য রাখা ছিল নেবুলাইজার এবং অক্সিজেন সিলিন্ডার। তবে জামিনের আবেদন করে অনুব্রতর আইনজীবী জানান, মক্কেল যেহেতু অসুস্থ, তাঁকে বাড়িতে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হোক।

দরকার হলে উনি বীরভূমে ঢুকবেন না না। তাছাড়া সীমান্তে দিয়ে পাচার না দেখিয়ে, রাজ্যে কোন জায়গা থেকে কোথায় কীভাবে গোরু আসছে সিবিআই সেটা দেখছে। কিন্তু সীমান্ত দিয়ে গোরু পাচারে বিএসএফ দায়ী, মাত্র একজন বিএসএফ কর্তাকে এযাবৎকাল সিবিআই গ্রেফতার করেছে। আমরা এখনও সিজার লিস্ট পাইনি, সেটা যাতে দেওয়া হয় মহামান্য আদালতকে সেই আর্জি করলাম। 

বিচারক রাজেশ চক্রবর্তী জানান, সব সিজারলিস্ট রেকর্ডে আছে। অপরদিকে, জানা গেছে এদিন সকালের খাবারে মুড়ি খেয়েছেন, কচুরি,তরকারি খেয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল। সূত্রের খবর,আদালতের পথে যেতে এদিন শক্তিগড়ে ল্যাংচা খেয়েছেন তিনি।

সূত্রের খবর, বিচারককে হুমকি চিঠি নিয়ে অনুব্রত মণ্ডল বলেন, 'বিচারককে বলব, সিবিআই তদন্ত হোক','এই নোংরামি বন্ধ হোক' ।

এদিন সিএনের -এর বুম দেখে সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে আরও একবার মেজাজ হারালেন কেষ্ট!

সাংবাদিক: দাদা শরীর কেমন আছে?

অনুব্রত-'কোন টিভি?' 

সাংবাদিক:সিএন 

অনুব্রত-'ওই ফাউ'

অনুব্রত-'বাবা!'

অনুব্রত- 'দালালের দালালের দালালের দালালের দালালের দালাল' 

সাংবাদিক:দাদা কালকের হুমকি চিঠি নিয়ে কি বলবেন?

অনুব্রত-'একেবারে দালাল দালাল দালাল'

তবে তিনি জামিন পাবেন না ফের জেল হেফাজত হবে অনুব্রতের তা শুধু সময়ের অপেক্ষা। সেক্ষেত্রে তাঁকে ভিন্‌রাজ্যে পাঠানোর জন্য সিবিআই ‘সক্রিয়’ হবে বলে সূত্রের খবর।

2 years ago
Jail: সন্তানের জন্ম হোক জেলে, চায় না হাইকোর্ট! সন্তানসম্ভবাকে অন্তর্বর্তী জামিন

সন্তানসম্ভবা (Pregnant) একজন মহিলাকে যদি জেলের মধ্যে সম্তানের জন্ম দিতে হয়, তাহলে তাঁর মনের অবস্থা কী হতে পারে? আর যে সন্তান (New Born) পৃথিবীর আলো দেখবে, এর জন্য তার মনেও কি আদৌ কোনও ভালো প্রভাব পড়বে? মাতৃত্ব চলাকালীন প্রতিটি সন্তানসম্ভবা মহিলাই উপযুক্ত সম্মানের অধিকারিণী। সংবিধানেই একথা বলা আছে। এমনই মন্তব্য করে এক সন্তানসম্ভবার তিনমাসের অন্তর্বর্তী জামিন (Interim Bail) মঞ্জুর করেছে দিল্লি হাইকোর্ট (Delhi High Court)। অপহরণ এবং খুনের চেষ্টার মামলায় ওই মহিলা বর্তমানে জেলে রয়েছেন।

বিচারপতি অনুপকুমার মেন্ডিরাত্তা বলেছেন, গর্ভে সন্তান আসাটা একটি বিশেষ ঘটনা। কিন্তু সেই মা যখন জেলের মধ্যে সম্তানের জন্ম দেবেন, তখন তিনি তো মানসিকভাবে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হবেনই, সেই সন্তানকেও সারা জীবন এই দুঃসহ স্ম়তি বয়ে বেড়াতে হবে। জন্ম কোথায়, এই প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে তাকে বারেবারে বিব্রত হতে হবে। অপরাধীকে ছেড়ে দেওয়া যদি মারাত্মক বিপজ্জনক কিছু না হয়, তাহলে ওই সন্তানকে যাতে জেলের মধ্যে জন্ম নিতে না হয়, সেটাই আদালত বিশেষভাবে চাইবে। মহিলা, ১৬ বছরের নিচে কেউ এবং অসুস্থদের জন্য ছাড়ের কথাও আইনেই বলা আছে।

তাছাড়া জেলের রুলেই বলা আছে, বাইরে কোনও হাসপাতালে যদি ডেলিভারির ব্যবস্থা করতে হয়, তাহলে সাময়িক জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার বন্দোবস্ত করতে হবে। কোর্ট এটাও জেনেছে, ওই জেলে ডেলিভারির কোনও ব্যবস্থা নেই এবং সেই কারণে ওই মহিলাকে রেফার করা হয়েছে দীনদয়াল উপাধ্যায় হাসপাতালে। এরপরই কোর্ট তাঁকে ২০ হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে তিনমাসের জন্য অন্তর্বর্তী জামিন মঞ্জুর করে।

2 years ago


Bail: ঝাড়খণ্ডের সেই তিন বিধায়ককে অন্তর্বর্তী জামিন দিল হাইকোর্ট

কোটি কোটি টাকা সহ ধরা পড়া ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand) সেই তিন বিধায়কের (MLA) তিনমাসের জন্য অন্তর্বর্তী জামিন (Interim Bail) মঞ্জুর করল কলকাতা হাইকোর্ট (High Court)। এই মামলায় আবেদনকারীর আইনজীবী মুকুল রয়াগ্নি বলেন, টাকা উদ্ধার কখনও কগনিজেবল অপরাধ নয়। তার জন্য হেফাজতের প্রয়োজন নেই। অভিযুক্তদের একজনের ৩টি পেট্রোল পাম্প আছে, একজন ব্যবসায়ী। তাঁদের কাছে এই টাকা থাকতেই পারে।

অভিযোগকারীর আইনজীবী বলেন, অর্থের বিনিময়ে দল পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছে। তার পরিপ্রেক্ষিতেই অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। সেই কারণে তিনি জামিনের বিরোধিতা করছেন। শ্বাশতগোপাল বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এঁদের জামিন দিলে তদন্ত ব্যাহত হবে। কারণ, তদন্ত প্রাথমিক পর্যায় আছে। অভিযুক্তরা শাড়ি কেনার কথা বললেও তাঁদের কাছ থেকে কোনও শাড়ি উদ্ধার হয়নি। কিছু জাল বিল উদ্ধার হয়েছে। এঁরা প্রভাবশালী। ২০২১ এ এই ধরনের অভিযোগ আছে।

সবপক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালতের মন্তব্য, তিন অভিযুক্ত সাধারণ মানুষের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে, যারা তাদের একটি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি হিসেবে ভোট দিয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে অর্থের বিনিময়ে দল পরিবর্তনের অভিযোগ উঠেছে। বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, অভিযোগকারীর সাথে কথোপকথনের কোনও ট্র্যাকিং লিস্ট এখনও তদন্তে উল্লেখ নেই। কলকাতা স্টেশনের কথা উল্লেখ থাকলেও সেই সময় যে তারা গ্রেফতার, তার উল্লেখ নেই। ১৫ দিনের তদন্তে অভিযোগকারীর কোনও স্টেটমেন্ট, অভিযোগকারীর অভিযোগমতো কোনও হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ বা কোনও ইলেকট্রনিক তথ্য বা নথির উল্লেখ নেই কেস ডায়েরিতে।

বিচারপতির মতে, এটা ঠিক, অভিযুক্তদের কাছ থেকে হিসাব বহির্ভূত টাকা উদ্ধার হয়েছে। অভিযুক্তরা ইতিমধ্যে তদন্তে যোগ দিয়েছে। এই তদন্তে অন্যান্য রাজ্যের সহযোগিতার প্রয়োজন। সেক্ষেত্রে অভিযুক্তদের কোনও হাত নেই।

এরপরই বিচারপতি শর্তসাপেক্ষে ৩ মাসের অন্তর্বতী জামিন মঞ্জুর করেন। শর্তগুলি হল

১) ১ লাখ টাকা বন্ড

২) কলকাতা ছেড়ে যেতে পারবেন না অভিযুক্তরা।

৩) তদন্তে সহযোগিতা করতে হবে।

৪) সপ্তাহে ১ দিন তদন্তকারী অফিসারের সাথে দেখা করতে হবে।

৫) মামলার বিচার হবে এমএলএ-এমপি কোর্টে।

পরবর্তী শুনানি ১০ নভেম্বর।

2 years ago
Court: ঝাড়খণ্ড বিধায়কদের জামিন মামলা থেকে অব্যাহতি বিচারপতির, এবার শুনানি ডিভিশন বেঞ্চে

গাড়ি থেকে টাকা উদ্ধার-কাণ্ডে ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand MLA) তিন কংগ্রেস বিধায়ককে গ্রেপ্তার করেছে হাওড়া গ্রামীণ পুলিস (Howrah Rural Police)। ধৃতদের জামিনের আবেদন সংক্রান্ত মামলা থেকে সরলেন কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ। এই মামলার টেকনিক্যাল পয়েন্ট দেখিয়ে মামলা থেকে অব্যাহতি নিলেন সিঙ্গল বেঞ্চের (Single Bench)। সেই মামলা ডিভিশন বেঞ্চে গিয়েছে শুনানির জন্য।

শুক্রবার শুনানিতে আবেদনকারীদের আইনজীবী জানান, হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে বৃহস্পতিবার হাওড়া বিশেষ আদালতে তোলা হয়েছে অভিযুক্তদের। সেই আদালত তিন দিনের পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। যদিও গ্রেপ্তারটাই বেআইনি। এই শুনানিতে পুলিসের পক্ষ থেকে শ্বাশত গোপাল মুখোপাধ্যায় জানান, গত রাতে অভিযুক্তদের  বিশেষ আদালতে তুলে তিন দিনের পুলিস হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। আমরা ওদের জিজ্ঞাসাবাদ করে জানতে চাই, এই টাকার উৎস কী?

পাল্টা অভিযুক্তদের আইনজীবীর সওয়াল,'সিজেএম কোর্টে বিধায়কদের একাধিকবার তোলা। পাশাপাশি ৪৬৭ ধারা যুক্ত করা হয়েছে, যখন আমার মক্কেলদের জামিনের আবেদন হাইকোর্টে চলছে।

পুলিসের তরফে জানানো হয়েছে, ইতিমধ্যে এই মামলার কেস ডায়রি আদালতে জমা পড়েছে। এই সওয়াল-জবাবের পরেই সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশ ৪৬৭ ধারায় যেহেতু ৭ বছর বেশি ১০ বছর সাজা হয়। তাই দুর্নীতি দমন আইনে এই জামিনের আবেদন সিঙ্গেল বেঞ্চ শুনতে পারে না। এই বলেই বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ এই মামলা থেকে অব্যাহতি নিলেন এনং জামিন সংক্রান্ত মামলাটি ডিভিশন বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠান।

2 years ago