Breaking News
HC: জেলে ১ বছর ৭ মাস! পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিচারপ্রক্রিয়া কবে শুরু হবে? ইডির কাছে রিপোর্ট তলব হাইকোর্টের      Sandeshkhali: ''দাদা আমাদের বাঁচান...'', সন্দেশখালির মহিলাদের আর্তি শুনলেন শুভেন্দু      Sandeshkhali: 'মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত', ক্ষোভ প্রকাশ জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সনের      Weather: বিদায়ের পথে শীত! বাড়বে তাপমাত্রা, বৃষ্টির পূর্বাভাস দক্ষিণবঙ্গে      Sandeshkhali: শিবু হাজরার গ্রেফতারিতে মিষ্টি বিলি, আদালতে পেশ, কবে গ্রেফতার সন্দেশখালির 'মাস্টারমাইন্ড'?      Arrest: সন্দেশখালিকাণ্ডে ন্যাজট থেকে গ্রেফতার শিবু হাজরা      Trafficking: ১০ মাস লড়াইয়ের পর মাদক মামলা থেকে মুক্তি বিজেপি নেত্রী পামেলার      Mimi: রাজনীতি আমার জন্য় নয়, মুখ্যমন্ত্রীর কাছে গিয়ে সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা মিমির!      Dev: রাজনীতিতে ফিরতেই ফের দেবকে দিল্লিতে ডাক ইডির      Suvendu: সুকান্ত অসুস্থ থাকলেও, সন্দেশখালি কাণ্ডে আন্দোলনের ঝাঁঝ বাড়াতে মাঠে শুভেন্দু     

WestBengal

Weather: ১০ বছরে উষ্ণতম নববর্ষ, সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রির গন্ডি পার!

নববর্ষের দিনে এক নতুন রেকর্ড বাংলার (West Bengal Weather)। আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, গত ১০ বছরে উষ্ণতম নববর্ষ আজ। শনিবার শহর কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে এপ্রিলের তাপমাত্রা (Temperature) ৪০ ডিগ্রির উপরে উঠেছিল ১০ বছর আগে। ফলে নববর্ষের দিনেও তীব্র দাবদাহের থেকে স্বস্তি নেই রাজ্যবাসীর। জেলায় জেলায় তাপমাত্রাও ৪০ ডিগ্রির কাছাকাছি পৌঁছেছে।

আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, এর আগে ১৯৬৯ সালে ১৫-ই এপ্রিল ৪০.৭ ডিগ্রি রেকর্ড করা হয়েছিল তাপমাত্রা। তারপর ২০১৪-তে ৩৭.১, ২০১৫-তে ৩৫.৫, ২০১৬-তে ৪০ ডিগ্রি, ২০১৭-তে ৩৫.২, ২০১৮-তে ৩৬.৭, ২০১৯-এ ৩৫.৬, ২০২০-তে ৩৬.৫, ২০২১ ডিগ্রি এবং ২০২২-এ ৩৭.৯ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৫ এপ্রিলের দিন।

আবহাওয়া বিভাগ অধিকর্তা গণেশ কুমার দাস জানিয়েছেন, এখনও গরম থেকে স্বস্তি পাবে না রাজ্যবাসী। ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৯ ডিগ্রির কাছাকাছি থাকবে। কলকাতার পাশাপাশি আশেপাশের জেলাগুলোরও তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রির কাছাকাছি থাকবে বলে জানা গিয়েছে। আরও জানিয়েছেন আগামী পাঁচদিন এমনই শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকবে। বৃষ্টি হওয়ার কোনও সম্ভাবনাই নেই।

দক্ষিণবঙ্গের মতো উত্তরবঙ্গেও সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে দু-তিন ডিগ্রি উপরে রয়েছে। কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর, মালদায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি ছুঁয়েছে। গণেশ কুমার জানিয়েছেন, ২০ এপ্রিলের পর বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাঁরা সেদিকে বিশেষ নজর রাখছে। তবে তাঁরা এই বিষয়ে পূর্বাভাস ১৭ এপ্রিলের পর দেবেন।

10 months ago
Holiday: এপ্রিল-মে জুড়ে শুধু ছুটির মরশুম! সরকারি চাকুরে হলেই অনন্ত অবসর

রাজ্যবাসীর (West Bengal) জন্য ফের সুখবর! আগামী সপ্তাহ থেকেই পরের মাস পর্যন্ত ছুটির (Holiday) বন্যা বয়ে যেতে চলেছে। আপনারা যদি চান, ছোটখাটো ট্যুরের পরিকল্পনা করা যেতেই পারে। তবে আর দেরি কীসের, আজই ঠিক করে ফেলুন কোথায় যাবেন ঘুরতে। তবে বিশেষ করে রাজ্যের সরকারি কর্মচারীদের জন্যই এই ছুটি।

ক্যালেন্ডারে দেখলেই দেখা যাবে, চলতি সপ্তাহ থেকে ছুটি শুরু হতে চলেছে। আগামী শুক্রবার, ১৪ এপ্রিল বিআর আম্বেদকরের জন্মদিন। ফলে সেদিন থাকবে ছুটি। এরপর ১৫ এপ্রিল পয়লা বৈশাখ ও পরের দিন ১৬ এপ্রিল রবিবার, তাই সেদিনও ছুটি। পরপর তিনদিন ছুটি। ফলে জমিয়ে পয়লা বৈশাখের আনন্দ উপভোগ করতে পারবেন। এরপর পরের সপ্তাহের শুক্রবার ২১ ও ২২ এপ্রিল ঈদ উল ফিতরের জন্য ছুটি। আর এরপরের দিন তো রবিবার। আবার ২৯ ও ৩০ এপ্রিল যথাক্রমে শনি ও রবিবার। আর পরের দিন সোমবার, তবে সেদিন মে দিবসের ছুটি।

ফের ৫ মে-তেও ছুটি কারণ শুক্রবার বুদ্ধপূর্ণিমা। এরপর ৬ ও ৭ মে শনি-রবি, মানে আবার ছুটি। এখানেই শেষ না। শনি-রবির ছুটির পরেই ফের ৯ মে মঙ্গলবারেও ছুটি। কারণ সেদিন রবীন্দ্র জয়ন্তী। ফলে মাঝখানের দিন বা সোমবার অফিসে কোনওরকমে ম্যানেজ করে ছুটি নিতে পারলেই কেল্লাফতে, অর্থাৎ পরপর ৫ দিনের ছুটি।

10 months ago
President: দু'দিনের সফরে পশ্চিমবঙ্গে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু

রাষ্ট্রপতি (President) হবার পর প্রথম বারের জন্য পশ্চিমবঙ্গ (West bengal) সফরে এলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। আজ অর্থাৎ সোমবার বেলা ১২টা মধ্যেই কলকাতায় নামে রাষ্ট্রপতির বিমান। সূত্রের খবর, কিছুক্ষন আগেই অর্থাৎ সোমবার সকাল ১০ টা ০৫ মিনিটে দিল্লি থেকে কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দেয় তাঁর বিমান। বিমানবন্দরে তাঁকে গার্ড অফ অনার দেওয়া হয়। এরপর তিনি যান নেতাজি ভবন। রাষ্ট্রপতির আগমনের জন্য নিরাপত্তার ঘেরাটোপে শহরের একাধিক রাস্তা।

প্রথম বঙ্গ সফরে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। সোমবার এবং মঙ্গলবার দুই দিনের রাজ্য সফরে। ঘুরে দেখবেন জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি এবং শান্তিনিকেতন। পাশাপাশি সংবর্ধনা দেবে রাজ্য সরকার। সূত্রের খবর আজ তাঁর নৈশ যাপন রাজভবনে। সোমবার বিকেলে রাষ্ট্রপতিকে সংবর্ধনা দেবে রাজ্য সরকার।

11 months ago


Covid19: বাড়ছে উদ্বেগ, দেশে ফের ঊর্ধ্বমুখী করোনা গ্রাফ, স্বস্তি কেবল মৃত্যু সংখ্যাতে

ফের করোনার (Coronavirus) গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী। দেশজুড়ে করোনা (Covid-19) সংক্রমণের হার বেড়েই চলেছে। আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি মৃত্যু সংখ্যাও বাড়তে শুরু করেছে।

রবিবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে নতুন করে ৮৩২ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। এই মুহূর্তে করোনা রোগীর সংখ্যা ৯ হাজার ৪৩৩। তবে কিছুটা স্বস্তির খবর হল, করোনা সংক্রমণ প্রতিদিন বৃদ্ধি পেলেও মৃতের সংখ্যা খুবই কম। তবুও সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুসারে জানা গিয়েছিল, শুক্রবার দেশে কোভিডে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। ফলে এবারে কোভিড সংক্রমণ যাতে হাতের বাইরে না চলে যায়, তার জন্য তৎপর কেন্দ্রীয় সরকার। সূত্রের খবর, সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে অতিমারীর কেমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তার জন্য মহড়ার আয়োজন  করা হচ্ছে। এপ্রিল মাসের ১০ এবং ১১ তারিখে হাসপাতালগুলির মহড়ার দিন নির্দিষ্ট হয়েছে।

শনিবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যসচিব রাজেশ ভূষণ এবং ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর মেডিক্যাল রিসার্চ (আইসিএমআর)-এর ডিরেক্টর রাজীব বহলের তরফে একটি নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। যেখানে রাজ্যগুলিকে কোভিডের বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে। আর সেই নির্দেশিকাতেই হাসপাতালে মহড়া আয়োজনের কথাও জানানো হয়।

আরও জানা গিয়েছে, সরকারি হাসপাতালের পাশাপাশি করোনার বেসরকারি হাসপাতালগুলিতেও মক ড্রিল করা হবে। আবার শ্বাসযন্ত্রের অন্যান্য রোগের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালগুলি কতটা প্রস্তুত, তা-ও যাচাই করে দেখা হবে ১০ ও ১১ এপ্রিল। প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র, হাসপাতালের বেড, আইসিইউ, অক্সিজেন পরিষেবার মতো খুঁটিনাটি বিষয়েও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বিস্তারিত কথা বলে নেওয়া হবে।

শনিবারই জানা গিয়েছিল, দেশে দৈনিক করোনা সংক্রমণ ১৫০০ ছাড়িয়েছে। সঙ্গে করোনায় মৃত্যুও হয়েছে। দেশে ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস, অ্যাডিনো ভাইরাসের প্রকোপের মধ্যেই দৈনিক করোনা সংক্রমণও বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে। ফলে নতুন করে আতঙ্কের সৃষ্টি করছে কোভিড।

11 months ago
Mamata: বাংলাকে মোদী সরকারের বঞ্চনা, প্রতিবাদে দু'দিন ধরনায় বসছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা

মোদী সরকারের বঞ্চনার প্রতিবাদে ধরনায় বসবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা (Mamata) বন্দোপাধ্যায়। মঙ্গলবার ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী (CM Nabin Pattanayak) নবীন পট্টনায়েকের সঙ্গে দেখা করতে ওড়িশা উড়ে যান মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্য ছাড়ার আগে কলকাতা বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে মমতা বন্দোপাধ্যায় ঘোষণা করেন, বিভিন্ন খাতে বাংলাকে (West bengal) বঞ্চনার প্রতিবাদে কলকাতার আম্বেদকর মূর্তির সামনে ধরনা দেবেন। মঙ্গলবার তিনি স্পষ্টভাবে বিজেপির বিরুদ্ধে সরব হন। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, 'এ মাসের ২৯ ও ৩০ তারিখ আম্বেদকরের মূর্তির সামনে ধরনায় বসবেন। ২৯ তারিখ বেলা ১২টা থেকে ধরনা শুরু হবে এবং ৩০ তারিখ রাতে ধরনা শেষ হবে। তারপরে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।'

এদিন মমতা বন্দোপাধ্যায় বলেন , 'বাজেটে রাজ্যকে ১০০ দিনের ১ টাকাও দেয়নি। এমনকি বিজেপি সরকার আবাসনেও টাকা দেয়নি, রাস্তার টাকাও আটকে রেখেছে।' তিনি বারবার এবিষয়ে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে জানিয়েও কোনও লাভই হয়নি বলে দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দোপাধ্যায় এদিন বলেন, 'আমি কেন্দ্রের কাছে ১ লক্ষ ১৫ হাজার কোটি টাকা পাই, সেই টাকাও দিচ্ছে না কেন্দ্র, পাশাপাশি গ্রাম সড়ক যোজনায় নিজেদের টাকা দিয়ে অনেক রাস্তা করে দিয়েছি, সেই টাকাও আটকে রেখেছে কেন্দ্র। এমনকি ৫৫ লক্ষ আবাসনের টাকাও আটকে রেখেছে কেন্দ্র।' এসব বঞ্চনার অভিযোগ এনে এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে বাংলার বিরুদ্ধে এমন বঞ্চনা করা হচ্ছে।' এদিন ইডি ও সিবিআইকে নিয়ে বিজেপিকে ঠেস মেরে তিনি বলেন, 'বিজেপি ইডি-সিবিআইয়ের সভাপতি হিসেবে কাজ করছে।' 

তিনি বিজেপিকে তীর বিঁধে বলেন , 'এভাবে দেশ চলতে পারে না, আমি চিরদিন বাংলার গরিব মানুষদের জন্য লড়াই করে এসেছি, তারপরেও কেবল বাংলাকে বঞ্চনা করছে বিজেপি, তারই প্রতিবাদে ধরনায় বসব।'

11 months ago


Darjeeling: শীতের বিদায়বেলায় বরফের ছোঁয়ায় শ্বেতশুভ্র সান্দাকফু

সান্দাকফুতে (Sandakphu) ফের তুষারপাত। যা দেখে আনন্দে আত্মহারা পর্যটকরা। দার্জিলিংয়ের (Darjeeling) অদূরে এই পর্যটন কেন্দ্রে মরশুমের তৃতীয়বার তুষারপাত (SnowFall) হলো বলে জানা গিয়েছে। আবহাওয়া (Weather) দফতর সূত্রে খবর, বিগত দু'দিন ধরে উত্তরবঙ্গে লাগাতার বৃষ্টিপাত চলছে। সে জন্যই হয়তো তুষারপাত সান্দাকফুতে। 

দার্জিলিং, কালিম্পং সহ পাহাড়ে একটানা বৃষ্টি হচ্ছে।  এখনই বৃষ্টি থামছে না উত্তরবঙ্গে। হাওয়া দফতর সূত্রে আরও খবর যে, আগামী আরও দু'দিন বৃষ্টি হবে পাহাড়ে। একই সঙ্গে শিলাবৃষ্টি হওয়ারও সম্ভাবনা থাকছে। চলতি মাসের ২০-২১ তারিখে পাহাড়ি এলাকা দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহারে একটু বেশি বৃষ্টি হবে। তবে আবহবিদদের মতে, এই বৃষ্টি চা চাষের জন্য উপকারী।

পশ্চিমবঙ্গের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ সান্দাকফু ( ৩৬৩৬ মি ), যা দার্জিলিং জেলার সিঙ্গলিলা ন্যাশনাল পার্কে অবস্থিত। সাধারণত দেশ-বিদেশ থেকে পর্যটকরা ট্রেকিংয়ে যান এখানে। আবহাওয়া পরিষ্কার থাকলে এই সান্দাকফু থেকেই কাঞ্চনজঙ্ঘা অর্থাৎ স্লিপিং বুদ্ধ রেঞ্জ স্পষ্ট দেখা যায়। তবে এবার শীতের বিদায়ে গোটা সান্দাকফুর বাড়ি-ঘর, রাস্তাঘাট সবই ঢেকেছে বরফে। ২৬ শে ফেব্রুয়ারি প্রথম তুষারপাত এবং ১৫ মার্চ সান্দাকফুতে তুষারপাত হয়। প্রচন্ড ঠান্ডা সহ্য করে আসা পর্যটকদের দাবি, 'তাঁরা তুষারপাত উপভোগ করেছেন।'


11 months ago
Elephant: প্রাতঃকৃত্যে গ্রামের পুকুরে গিয়ে বিপত্তি! বাঁকুড়ায় হাতি থেঁতলে দিল এক ব্যক্তিকে

বুধবার সকালে বাঁকুড়ার (Bankura) বেলিয়াতোড় রেঞ্জের সারকাটা গ্রামে ফের হাতির হানায় মৃত্যু এক গ্রামবাসীর। মৃতের নাম কালীপদ বাউড়ি, বয়স ৪৫-র কাছে। তাঁকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় নিয়ে যাওয়া হয় বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অন্য দিনের মতো এদিন সকালে গ্রাম সংলগ্ন পুকুরে প্রাতঃকৃত্যে গিয়েছিলেন তিনি। কুয়াশার মধ্যে আচমকা হাতিটি এসে তাঁর উপর হামলে (Elephant Attack) পড়ে। প্রথমে হাতিটি তাঁকে শুঁড়ে তুলে মাটিতে আছাড় মারে। তারপর পায়ের চাপে তাঁকে থেঁতলে দেয়। পরে গ্রামবাসী ও বনকর্মীরা (Forest Department) কালীকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যান, কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি।

স্থানীয়রা জানান, দিনের পর দিন গ্রাম সংলগ্ন জঙ্গলে ঘাঁটি গেড়েছে বেশ কয়েকটি হাতি। প্রতিদিনই খাবারের খোঁজে হাতির দল হানা দিচ্ছে আশাপাশের গ্রামে। বন দফতর জানায়, মঙ্গলবার রাতে তারা লক্ষ্য করে হাতিটি ওই গ্রামে ঢুকে পড়েছে। তবে গ্রামবাসীদের অভিযোগ, 'হাতির হানায় দিনের পর দিন ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ও জীবনহানির আশঙ্কা বৃদ্ধি পেতে থাকলেও হাতিগুলিকে সরানোর ব্যাপারে কোনও পদক্ষেপ নিচ্ছে না বন দফতর।' 

তবে এই ঘটনায় গ্রামবাসীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হলে, বন দফতর গ্রাম সংলগ্ন জঙ্গল থেকে হাতি তাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এমনটাই জানান এক গ্রামবাসী। এই ঘটনার পর বন দফতরের কর্মীদের ঘিরে ধরে নিরাপত্তার দাবী তোলেন স্থানীয়রা। 

one year ago
Accident: লরির সঙ্গে স্কুলবাসের সংঘর্ষ, বসিরহাটে পড়ুয়া এবং চালক-সহ আহত ২০

সাতসকালেই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা (accident)। একটি লরি ও বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত চালক-সহ ২০। স্থানীয়দের তৎপরতায় সকলকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে (hospital)। ঘটনাটি বসিরহাটের (Basirhat) মাটিয়া থানার ফিরোজপুর টাকি রোডের। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় মাটিয়া থানার পুলিস। সাতসকালেই এমন দুর্ঘটনায় রীতিমতো চাঞ্চল্য। 

জানা গিয়েছে, সোমবার সকাল ৮টা ২০ নাগাদ বসিরহাট থেকে আদিত্য অ্যাকাডেমির একটি স্কুলবাসে ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে বারাসাতের দিকে যাচ্ছিল। চালক ও পড়ুয়া-সহ মোট জখম হয়েছে ২০ জন। ইতিমধ্যেই তাদের ধান্যকুড়িয়া গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। স্থানীয সূত্রে খবর, দুর্ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারাই ছুটে এসে ওই বেসরকারি বাসের চালককে ও জখম ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্ধার করেন। তড়িঘড়ি তাদের নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। ঘটনায় রীতিমতো টাকি রোড অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে কিছু সময়ের জন্য। কি কারণে এই দুর্ঘটনা, খতিয়ে দেখছে পুলিস। তবে প্রাথমিক অনুমান, স্কুল বাসের গতিবেগ বেশি ছিল।

পাশাপাশি উল্টোদিকে বারাসাত থেকে লরি এসে সজোরে ধাক্কা মারে। যার কারণেই দুর্ঘটনা ঘটে। ইতিমধ্যেই ঘাতক লরিটিকে আটক করেছে পুলিস। পুরো বিষয়টি তদন্ত শুরু করেছে মাটিয়া থানার পুলিস।

one year ago


TET 2022: 'বায়োমেট্রিক খারাপ, হয়নি উপস্থিত যাচাই', টেট শেষে দক্ষিণ কলকাতার স্কুলে বিক্ষোভ

প্রায় পাঁচ বছরেরও বেশি সময়ের অপেক্ষা, তার উপর লাগাতার আন্দোলন, নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ, আদালতের কড়া দাওয়াই, হাজার টানাপোড়েন, সব কাটিয়ে অবশেষে রবিবার রাজ্যে (West Bengal) হয়ে গেল প্রাথমিক টেট (Primary TET) পরীক্ষা। মোটের উপর রাজ্যজুড়ে শান্তিপূর্ণ ভাবেই টেট হয়েছে বলে ইতিমধ্যে ঘোষণা করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। কিন্তু রাজ্যজুড়ে চালচিত্র বলছে অন্য কথা। শহর কলকাতা (Kolkata) থেকে জেলা, একাধিক জায়গায় উঠে এল চরম ভোগান্তি আর অব্যবস্থার ছবি। অনেক পরীক্ষার্থীদের অভিযোগ পরিবহণ ব্যবস্থা ঠিক ছিল না, রবিবার বলে যানবাহন কম ছিল। ফলে পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছতে সমস্যা সম্মুখীন হতে হয়েছে পরীক্ষার্থীদের। টেট পরীক্ষা দিলে পরিবহণের বেহাল দশা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন চাকরিপ্রার্থী থেকে শুরু করে  অভিভাবকরা।

এদিকে শুধুমাত্র যানবাহন সমস্যাই নয়, পরীক্ষাকেন্দ্র খুঁজতে গিয়েও হাঁড়ির হাল পরীক্ষার্থীদের। টেট পরীক্ষা কেন্দ্রের ঠিকানা ভুল নিয়ে বিভ্রান্ত পরীক্ষার্থীরা। পরীক্ষার্থীদের এডমিট কার্ডে রয়েছে ভুল ঠিকানা। সল্টলেক লবণ হ্রদ বিদ্যাপীঠ এডি ব্লকে কিন্তু এডমিট কার্ডে লবণ হ্রদ বিদ্যাপীঠ বিডি ব্লক উল্লেখ করা রয়েছে। অভিযোগ, হেল্পলাইন নাম্বারে ফোন করে যোগাযোগ করলেও কোন রকম সহযোগিতা করা হয়নি। কোন্নগর বিদ্যাপীঠ হাইস্কুলে টেট পরীক্ষার সিট্ পড়ে। কিন্তু পিনকোডে ভুল থাকার জন্য অনেকেই পৌঁছন দক্ষিণ ২৪ পরগনার কন্যা নগর স্কুলে। আবার এক স্কুলের বাইরে নোটিস দেখা যায় যে সেখানে নয়, পরীক্ষা রয়েছে সোদপুরের একটি স্কুলে। এরপরেই বিভ্রান্ত পরীক্ষার্থীদের গাড়ি করে নির্দিষ্ট স্কুলে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

এদিকে বিষয় থেমে থাকেনি এখানেই। অন্যান্য বিভ্রান্তির সঙ্গেই দেখা গেল হয়রানির আরও এক চিত্র। শাঁখা পলা খুলিয়ে পরীক্ষার হলে প্রবেশের নির্দেশ, আর যার ফলে অগত্যা মহিলাদের সেন্টারের সামনে দাঁড়িয়ে খুলতে হয় শাঁখা। এমনকি দূর দূরান্ত থেকে আসা পরীক্ষার্থীরা ব্যাগ নিয়ে প্রবেশ করতে পারেননি, অথচ ব্যাগ বাইরে কোথায় রাখবেন তাও কিছু নির্দিষ্ট করে জানানো হয়নি। ফলে ব্যাগে ফোন, পার্স ফেলে মানসিক অশান্তির মধ্যে পরীক্ষা দিতে হয়েছে বলে অভিযোগ। কড়াকড়ি করতে গিয়ে সেটা বারাবারিতে পরিণত হয়েছে, দাবি পরীক্ষার্থীদের।

তবে টেট পরীক্ষা শেষ হলেও শেষ হয়নি অশান্তি। কলকাতার প্রখ্যাত দেশপ্রিয় পার্ক তীর্থপতি ইনস্টিটিউশনে বিক্ষোভে সামিল হলেন পরীক্ষার্থীরা। তাঁদের অভিযোগ, তাঁরা নির্দিষ্ট সময় পরীক্ষা কেন্দ্রে এসেছিলেন। পরীক্ষা শুরুর আগে বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মধ্যে অন্যতম বায়োমেট্রিক। কিন্তু তাঁদের সেই পদ্ধতি সম্পন্নই হয়নি বলে অভিযোগ। এদিকে বায়োমেট্রিক না হলে তাঁরা অনুপস্থিত বলে বিবেচিত হবেন বলে আশঙ্কা, আর তাতেই বিক্ষোভে সামিল পরীক্ষার্থীরা। এই ঘটনায় একজন অসুস্থ হয়ে পড়েন বলেও খবর। যতক্ষণ না সমস্যার সমাধান হবে ততক্ষণ স্কুলেই অবস্থান করবেন বলে হুঁশিয়ারি পরীক্ষার্থীদের।

অপরদিকে দূর্ঘটনার কবলে টেট পরিক্ষার্থী। সিউড়ির মাঝি গ্রাম থেকে হেতমপুরে টেট পরিক্ষা দিতে যাচ্ছিলেন পরীক্ষার্থী শুভশ্রী দে। সেই সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছে ধাক্কা মারে চারচাকা গাড়ি। ঘটনায় আহত শিশু সহ তিনজন। এদিন সকালে বাঁকুড়ার কোতুলপুর থেকে একটি গাড়িতে চাতরা রামাই পন্ডিত কলেজে টেটের পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রশ্নপত্র নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। গাড়িতে কলেজের একজন কর্মী ছাড়াও ছিলেন পুলিশকর্মীরা। সাঁইতাড়া ও মির্জাপুরের মাঝামাঝি গাড়িটি মুখোমুখি ধাক্কা মারে একটি পিক আপ ভ্যানে। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় কোতুলপুর থানার পুলিশ। এরপরই তড়িঘড়ি পুলিশের অপর একটি গাড়িতে করে প্রশ্নপত্র চাতরা রামাই পন্ডিত কলেজে নিয়ে যাওয়া হয়।

এদিকে, রবিবার সন্ধ্যায় সাংবাদিক সম্মেলনে পর্ষদ সভাপতি দাবি করেন, সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে পরীক্ষা। এই আয়োজনকে সফল করার জন্য তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুকে ধন্যাব্দ জানান। পাশাপাশি পুলি প্রশাসনের ভূয়সী প্রশংসায় সরব ছিলেন পর্ষদ সভাপতি গৌতম পাল। 

one year ago
WMID: বাংলায় শ্রদ্ধা কাণ্ডের ছায়া, খড়গপুরে প্রেমিকের বিরুদ্ধে প্রেমিকাকে মেরে পুঁতে দেওয়ার অভিযোগ

এই মুহূর্তে শ্রদ্ধা ওয়াকারের (Shraddha Walker) হত্যার ঘটনায় তোলপাড় গোটা দেশ। কিন্তু সেই রেশ চলতে না চলতেই ফের প্রেমিকা হত্যার ঘটনা। তবে এবার সেই ঘটনাস্থল খোদ বাংলায় (West Bengal)। প্রেমের টানে নিজেদের ঘর ছেড়েছিলেন এই জুটি। বসত গ্রাম থেকে কিছুটা দূরে, বড় রাস্তা পেরিয়ে জঙ্গল সংলগ্ন এলাকায় তাঁরা বেঁধেছিলেন নিজেদের ভালবাসার ঘর। এত দূর পর্যন্ত গল্পটা এগোচ্ছিল বেশ সুন্দর। কিন্তু সব ভালো যার শেষ ভাল, এই কথা মিথ্যে করে গল্পের শেষ পরিণতি হল ভয়ঙ্কর। খড়্গপুর (Kharagpur) এলাকার কাছে গ্রামের জঙ্গল সংলগ্ন এলাকাতে প্রেমিকাকে খুন করে পুঁতে দেওয়ার অভিযোগ উঠল প্রেমিকের বিরুদ্ধে।

স্থানীয় সূত্রে খবর, বেশ কিছুদিন ধরেই অভিযুক্ত তরুণ সিংয়ের হাবভাব খুব একটা ভাল ঠেকছিল না গ্রামবাসীদের। সন্দেহ হওয়ায় সোমবার প্রথম স্থানীয়রা টের পান বিষয়টি। সেই মতো খবর দেওয়া হয় খড়গপুর গ্রামীণ থানার পুলিসকে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে সত্য সন্ধান করেন তদন্তকারীরা। মাটির তোলা থেকে উদ্ধার হয় যুবতী পবিত্রা সিংয়ের মৃতদেহ। মঙ্গলবার ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে মাটির নিচ থেকে দেহ তোলা হয়। আর এরপরেই খুনের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় প্রেমিক তরুণকে। তবে তার দাবি খুন সে করেনি, কিন্তু দেহ মাটিতে পুঁতে দেওয়ার কথা সে স্বীকার করেছে।

তবে এই ভালবাসার সম্পর্কের এই করুন পরিণতি মেনে নিতে পারছেন না কেউই। আর তাই গ্রামাসীদের দাবি, এই নৃশংস ঘটনার উপযুক্ত তদন্ত করে দোষীদের কঠোর শাস্তি দেওয়া হোক।

one year ago


CM: হাসপাতালে দালালরাজ সমর্থন নয়, দালাল পেলেই ধরবেন! বিধানসভায় কড়া নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

একদিকে শ্যূন্যপদ ও বেআইনি নিয়োগ নিয়ে রাজ্যের মন্ত্রিসভাকে কড়া বার্তা বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের। আর সেই আবহেই এবার রাজ্যের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে এবার নড়েচড়ে বসলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সম্প্রতি প্রকাশিত এক রিপোর্ট অনুযায়ী, দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার নিরিখে কিছুটা হলেও পিছিয়ে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ(West Bengal)। আর এতেই চিন্তার ভাঁজ স্বাস্থ্য দফতরের (Health Department) কপালে। আর তাই এবার স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নিয়ে কড়া অবস্থানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উল্লেখ্য, রাজ্য সরকারের চিকিৎসা সংক্রান্ত সুবিধায় প্রবর্তন করা স্বাস্থ্য সাথী কার্ড (Swastha Sathi) নিয়ে প্রথম থেকেই রয়েছে একাধিক টানাপোড়েন।

কারণ কলকাতা (Kolkata)-সহ রাজ্যের প্রায় অধিকাংশ জায়গায় হাতে গোনা কয়েকটি চিকিৎসাকেন্দ্র ছাড়া আর কোথাও এই কার্ড নিতে সরাসরি অস্বীকার করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। সেক্ষেত্রে একাধিক বাইকার টাকা বাকি পড়ে রয়েছে বলেও উঠেছে অভিযোগ। তবে সেক্ষেত্রে এরকম কোনওরকমের অভিযোগ কার্যত উড়িয়ে দিয়েছে স্বাস্থ্য দফতর। তবে এবার চিকিৎসা ব্যবস্থা নিয়ে বেশ কড়া বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী সব হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের উদ্দেশ্যে উল্লেখ করেন, 'আগে রোগীকে ভর্তি করুন, অক্সিজেন, স্যালাইন দিন রোগীকে। সব রোগী সঠিক চিকিৎসা পাক, প্রাণে বাঁচুক।' এরই পাশাপাশি রাজ্যের কোনও সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল বা চিকিৎসাকেন্দ্র যদি স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নিতে অস্বীকার করলে তার রেজিস্ট্রেশন বাতিল করে দেওয়ার তীব্র হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

এদিন যথেষ্ট কড়া নির্দেশ দিয়ে মমতা বলেন, 'হাসপাতালে দালাল চক্র থাকলে ধরবেন। এদের পেলেই ধরবেন।' এছাড়াও তিনি যে এই দালাল চক্র বিন্দুমাত্র সমর্থন করেন না, তাও এদিন স্পষ্ট জানান মুখ্যমন্ত্রী। শুক্রবার অস্ট্রেলিয়ার প্রতিনিধিদের কাছে রাজ্যের উন্নয়নের খতিয়ান তুলে ধরলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সবুজ সাথী প্রকল্প, সাইকেল দেওয়া, মোবাইল-ট্যাব দেওয়া, সবটাই প্রতিনিধিদের সামনে তুলে ধরেন। একইসঙ্গে রাজ্য যে ট্যুরিজম হাব হয়েছে, সেটাও উল্লেখ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

one year ago
CM: মুখ্যমন্ত্রীর মুখে ফের 'ভুল' তত্ত্ব, 'কাজ করতে গেলে যদি কেউ ভুল করেন...', মন্তব্য মমতার

সোমবার শিশু দিবস (Children's Day) উপলক্ষে নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে পড়ুয়াদের বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে রাজ্য সরকার। যেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। এদিন পড়াশোনা করার জন্য খুদেদের হাতে ট্যাবও (Tab) তুলে দেন তিনি। মূলত অনলাইন পড়াশোনা করার সুবিধার জন্য এখনও পর্যন্ত প্রায় ১৭ লক্ষ পড়ুয়ার হাতে ট্যাব তুলে দেওয়া হয়েছে বলে খবর। একই সঙ্গে ছাত্রছাত্রীদের ১০ হাজার টাকা করেও দেওয়া হচ্ছে। এরপরেই বক্তব্য রাখতে গিয়ে তাঁর দলের এবং সরকারের (TMC) বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন পর্যায়ে মন্তব্য করতে দেখা গেল মুখ্যমন্ত্রীকে। নিয়োগ থেকে কেন্দ্রীয় সরকারের অর্থ, এরকম একাধিক বিষয় উঠে আসে তাঁর মুখে।

"কাজ করতে গেলে যদি কেউ ভুল করেন তাহলে তা শুধরে নেওয়া দরকার। ভুল ভ্রান্তি হলে শুধরে নেওয়া হবে। আইন আইনের পথে চলবে। কিন্তু কিছু লোক বাংলাকে ভালোবাসে না। সারাক্ষণ অপপ্রচার আর কুৎসা করেন।" এভাবেই নিয়োগ দুর্নীতি-কাণ্ডে শাসক দলের প্রতি বিরোধীদের চলা লাগাতার আক্রমণের জবাব দেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো।

চলতি দিনে রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে তৃণমূল নেতা অখিল গিরির কুরুচিকর মন্তব্য থেকে শুরু করে নাম না করেই পার্থ, অনুব্রত প্রসঙ্গে ড্যামেজ কন্ট্রোলে নামেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একই সঙ্গে দলীয় কর্মীদের 'এনার্জি বুস্ট' করতে কোনও বিপদে ভয় না পাওয়ার বার্তাও দিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। 

অপরদিকে এদিন শিক্ষা সংক্রান্ত নিয়োগ প্রসঙ্গেও কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী। তৃণমূল জমানায় বিপুল সংখ্যক শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী নিয়োগ হয়েছে জানিয়ে তার পরিসংখ্যানের খতিয়ান তুলে ধরেন মমতা। "আমাদের সময়ে মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক, প্রাথমিক, উচ্চ প্রাথমিকে ২লাখ ৫৩ হাজারেরবেশি নিয়োগ হয়েছে, যার মধ্যে শিক্ষক প্রায় দেড় লাখ ইতিমধ্যেই নিয়োগ হয়েছেন। ১০ হাজার অধ্যাপক ও অধ্যক্ষ নিয়োগ হয়েছেন" বলে উল্লেখ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

তবে এদিন নাম না করেই একদিকে বিজেপির রাজ্য নেতৃত্বকে একহাত নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। "বাংলায় বসে বাংলার খেয়ে-দেয়ে পরে দিল্লিকে বলছে বাংলায় টাকা দিও না। আমার বয়ে গিয়েছে দিল্লির টাকা নিতে। বাংলা নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারে। দিল্লিকে মনে রাখতে হবে আমাদের আত্মসম্মান সবথেকে বড় জিনিস, এটা আমাদের গর্ব, আমরা ছিনিয়ে নিতে দেব না।" এককথায় এভাবেই নেতাজি ইন্ডোরের মঞ্চ থেকে কেন্দ্রের দিকে নিশানা সাধলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

one year ago
Pingla: পিংলার গ্রামজুড়ে পটচিত্রের ছোঁয়া, পেটও চলে পট পসরা বেচে

ইতিহাস সমৃদ্ধ বাংলার পট (pot)। বিশ্ব দরবারে সমাদৃত পশ্চিম মেদিনীপুরের (West Medinipur) নয়ার পটচিত্র। পিংলার পটচিত্র পরিদর্শনে এলেন পশ্চিম মেদিনীপুর জেলাশাসক আয়েশা রানী। পিংলা (pingla) ব্লকের একটি ছোট্ট গ্রাম নয়া। এই গ্রামের সঙ্গে মিশে আছে পশ্চিমবঙ্গের এক অন্যতম শিল্পমাধ্যমের ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতির ইতিহাস। যা শুধু রাজ্য নয় বিশ্বের দরবারে আজ জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। পিংলা ব্লকের নয়া গ্রাম পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে একমাত্র পটচিত্র গ্রাম। গ্রামের প্রতিটি বাড়ির দেওয়ালে এবং উঠোনে এই পটচিত্রের ছাপ রয়েছে। শুধু তাই নয়, বাড়ির সামনেই পটচিত্রের পসরা সাজিয়ে বসেন, আবার কেউ কেউ ঘরের সামনে বসেই ছবি আঁকেন।

সংস্কৃতে ‘পট’ শব্দের অর্থ হল কাপড়, আর ‘চিত্র’ মানে ছবি অর্থাৎ পটচিত্র বলতে কাপড়ের উপর অঙ্কিত চিত্রকে বোঝানো হয়। এই চিত্র অঙ্কন করার জন্য প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে তৈরি সমস্ত রং ব্যবহার করা হয়। যেমন- গাছের সিম দিয়ে সবুজ রং, ভুসোকালি দিয়ে কালো রং, অপরাজিতা ফুল দিয়ে নীল রং, সেগুন গাছের পাতা দিয়ে মেরুন রং, পান-সুপারি চুন দিয়ে লাল রং, পুঁই ফল দিয়ে গোলাপি রং, কাঁচা হলুদ দিয়ে হলুদ রং, পুকুর খনন করে মাটি বের করে তা দিয়ে সাদা রং ইত্যাদি। সাধারণত এই সমস্ত প্রাকৃতিক রং দিয়ে ছাতা, হাতপাখা, হ্যান্ডব্যাগ, মোড়া, লন্ঠন, কেটলি ইত্যাদি আঁকা হলেও শাড়ি, সালোয়ার-কামিজ, টি-শার্ট-এ শিল্পীরা ফেব্রিক রং ব্যবহার করে থাকেন। 

জানা যায়, এই গ্রামের বেশিরভাগ পটুয়ারাই মুসলিম ধর্মাবলম্বী। কিন্তু তবুও তাঁরা রামায়ণ, মহাভারত, দুর্গা কাহিনী মঙ্গলকাব্যের বিভিন্ন পটচিত্র এঁকে থাকেন। সে জন্যই হয়ত ধর্মীয় সম্প্রীতির মেলবন্ধনের ছবি এই গ্রামেই ধরা পরে। আর এমনই একটি গ্রামের পটচিত্র পরিদর্শনে এলেন পশ্চিম মেদিনীপুর জেলাশাসক আয়েশা রানী। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন পিংলা সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক বিশ্বরঞ্জন চক্রবর্তী, পিংলা থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক প্রশান্ত কীর্তনীয়া, পিংলা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বীরেন্দ্রনাথ মাইতি সহ প্রশাসনিক একাধিক কর্মকর্তারা। এদিন তাঁরা ঘুরে দেখেন প্রতিটি কার্যকলাপ। পরে পটুয়াদের নিয়ে বিশেষ বৈঠক করেন জেলাশাসক।

2 years ago