Breaking News
Tapas Roy: তৃণমূল ছাড়লেন তাপস রায়, বরাহনগরের বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা বর্ষীয়ান নেতার      Resign: হঠাৎ অবসর বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের, 'রাজনীতি যোগ' জল্পনা তুঙ্গে      Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে ফের ফ্য়াক্ট ফাইন্ডিং টিম, শুনবে মহিলা ও বাসিন্দাদের কষ্টের কথা      BJP: প্রথম দফায় ১৯৫ প্রার্থীর নাম ঘোষণা বিজেপির, বাংলার ২০ জনের নাম তালিকায়      Modi: 'রামমোহনের আত্মা সন্দেশখালির মহিলাদের দুর্দশায় কাঁদছে', আরামবাগ থেকে মমতাকে তোপ মোদীর      Suspend: গ্রেফতারির পরেই তৃণমূল থেকে ছয় বছরের জন্য সাসপেন্ড সন্দেশখালির 'বেতাজ বাদশা' শাহজাহান      Sandeshkhali: নিরাপদ সর্দারকে নিঃশর্তে জামিন দিয়ে রাজ্য পুলিসকে তিরস্কার বিচারপতির      Sheikh Shahjahan: ঘর ভাঙচুর, টাকা লুঠ! শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে নতুন এফআইআর সন্দেশখালি থানায়      Sandeshkhali: অজিত মাইতিকে তাড়া গ্রামবাসীদের, সাড়ে ৪ ঘণ্টা পর অবশেষে আটক পুলিসের      Ajit Maity: উত্তপ্ত সন্দেশখালি! অজিত মাইতির গ্রেফতারির দাবিতে বিক্ষোভ মহিলাদের, বাঁচতে সিভিকের বাড়িতে আশ্রয়     

WC2023

Kapil: বিশ্বকাপে ব্রাত্য কেন কপিল-ধোনিরা ?

প্রসূন গুপ্ত: বিশ্বকাপ শেষ হয়ে গিয়েছে বেশ কয়েক ঘন্টা হয়ে গিয়েছে। বিজয়ী অস্ট্রেলিয়া তাদের দেশে চলে গিয়েছে। শোনা গেলো বিজয়ী দলের জন্য সেরকম কিছু হৈচৈ হলো না তাদের দেশে। আসলে ষষ্ঠবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর নতুন করে কি আর আনন্দ করবে? এতো কাপ যেটা একরকম নিয়মই হয়ে গিয়েছে। কাঁটাছেঁড়ার পালাও শেষ। এবারে প্রচার মাধমের কাছে আর এখনই খেলার কিছু নেই যদিও টি ২০ শুরু হচ্ছে ওই অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গেই কিন্তু তাতে বিশ্বজয়ীদের খুব একটা কেউ নিয়ে , ভারতীয়দের তো প্রায় নেইই। কি হবে আর ওই ম্যাচ নিয়ে, ধারণা যেমন দর্শকদের স্বাভাবিক ভাবে মিডিয়ারও।  কিন্তু এতো কাণ্ডের পর একটি ঘটনা সোশ্যাল নেটওয়ার্কে সারা জাগিয়েছে , কপিল দেব কিংবা ধোনিকে ফাইনালে মাঠে দেখা গেলো না কেন ?

জানা গেলো ১৯৮৩ বিশ্বকাপের অধিনায়ক তথা ভারতের সর্বকালের সেরা অলরাউন্ডার কপিল দেবকে আমন্ত্রণ জানানো হয় নি। কপিল নিজেই তা সোশ্যাল নেটে জানিয়েছেন।  কিন্তু এমন ভুল হলো কেন ?  জানা যাচ্ছে যা, কপিলকে ইচ্ছাকৃত ভাবেই নিমন্ত্রণ জানানো হয় নি।   কিন্তু এই দুঃসাহস হলো কি করে প্রশ্ন উঠেছে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি থেকে। যতটুকু গুঞ্জনে জানা গেলো তা, সম্প্রতি যৌন হেনস্তার প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় সরকারের সাংসদের বিরুদ্ধে যে প্রতিবাদ তুলে অবস্থান করেছিল আমাদের কুস্তির খেলোয়াড়রা, তাঁদের পাশে দাঁড়িয়ে সমর্থন করেছিলেন কপিল দেব কাজেই গোঁসা তো হতেই পারে । অথবা আরও একটি বিষয় তো ছিলই। কপিল বরাবরই কংগ্রেস ঘনিষ্ঠ।  ইন্দিরা রাজীব নারসিমার সঙ্গে অতি সুসম্পর্ক ছিল। এতেই কি কোপ পড়লো আমন্ত্রণে ? অবিশ্যি ধোনি এলেন না কেন ? তাঁকেও কি আমন্ত্রণ জানানো হয় নি ? গুঞ্জনে, তিনি নাকি বিজেপির প্রচার করতে চান নি গত ঝাড়খন্ড নির্বাচনে, অন্যটি কপিলকে আমন্ত্রণ জানানো হয় নি বলেই নাকি তিনি আসেন নি। রাজনীতিটি কি ভয়ঙ্কর ভাবেই ছিল বিশ্বকাপে ? 

3 months ago
Virat: ভাঙা মন, তবু বহু রেকর্ড ভেঙে বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড় বিরাট

২০০৮ সাল। বয়স তখন ১৯। চোখে একরাশ স্বপ্ন নিয়ে ভারতের জার্সি পরে মাঠে নেমেছিল ছেলেটি।সেই শুরু বিরাট কোহলির। তারপর একের পর এক সাফল্য, রেকর্ড ব্রেক...কখন যে তাঁর নামের পাশে জুড়ে গিয়েছে কিং শব্দটা, বোঝাই যায়নি। ভারতের অধিনায়কও হন। তবে, শুধুই কি সাফল্য? না, তাঁর জীবনের তিনটে বছর ছিল দুঃস্বপ্নের মতো। কিন্তু, সব অন্ধকার কাটিয়ে কামব্যাক করেছেন বিরাট। ২০২৩ সালের ওয়ার্ল্ড কাপে একের পর এক রেকর্ড ব্রেক, তারই প্রমাণ। বিশ্বকাপে ভারতকে উপহার দিয়েছেন দারুণ কিছু ইনিংস। ২০১৯-এ পারেননি। স্বপ্ন দেখেছিলেন ২০২৩ ওয়ার্ল্ড কাপের। কিন্তু রবিবাসরীয় আমেদাবাদে ফের একবার স্বপ্নভঙ্গ বিরাটের।

বিশ্বকাপ শুরুর দিন থেকেই দারুণ ফর্মে রয়েছেন কোহলি। শেষ ম্যাচেও যখন একের পর এক রোহিত শর্মা, শুভমন আর শ্রেয়সের উইকেট পড়ছে, সেইসময় ক্রিজে টিকেছিলেন বিরাটই। অর্ধশতরানও করেন। কিন্তু, ভাগ্যটা বোধহয় এদিন সঙ্গে ছিল না কিং-এর। ৫৪ রানে আউট হয়ে যান। প্যাট কামিন্সের বলে বোল্ড হন। স্টেডিয়ামে তখন নিস্তব্ধতা। আউটটা মেনে নিতে পারেননি বিরাটও। মুখ কালো করে ফিরে যান ড্রেসিং রুমে। তারপরে ম্যাচের কাহিনী তো সকলেরই জানা। ভারত ওয়ার্ল্ড কাপ জিততে পারেনি ঠিকই । কিন্তু, গোটা বিশ্বকাপ জুড়ে বিরাটের বিরাট পারফরম্যান্স মনে থেকে যাবে দেশবাসীর।

একনজরে বিরাটের চলতি বছরের ওয়ার্ল্ড কাপ রেকর্ড

বিশ্বকাপে সর্বাধিক রান। ১১টি ম্যাচে ৭৬৫ রান।

সচিনের রেকর্ড ব্রেক। একদিনের ক্রিকেটে ৫০ শতরানের মালিক।

বিশ্বকাপে প্রথম উইকেট নেন বিরাট

3 months ago
Modi:'আমরা সবসময় সঙ্গে রয়েছি', রোহিত বাহিনীর পাশে থাকার বার্তা প্রধানমন্ত্রী মোদির

দেশকে গর্বিত করেছে টিম ইন্ডিয়া। দেশবাসী সবসময় তাঁদের পাশে রয়েছে। রোহিতদের বিশেষ বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। উল্লেখ্য, বিশ্বকাপ ফাইনাল জিতেছে অস্ট্রেলিয়া। ফের একবার স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে টিম ইন্ডিয়ার।

এদিন, প্রধানমন্ত্রী এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, 'গোটা টুর্নামেন্টে আপনাদের প্রতিভা এবং সংকল্প ছিল প্রশংসনীয়। দারুণ উদ্যমের সঙ্গে খেলেছেন ও ভারতকে গর্বিত করেছেন । আমরা সবসময় সঙ্গে রয়েছি।' রবিবাসরীয় ফাইনাল ম্যাচ দেখতে স্টেডিয়ামে পৌঁছন মোদী। সঙ্গে ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী। স্টেডিয়ামে বসে খেলা দেখেন। ম্যাচ উপভোগ করেন। ম্যাচ শেষে অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়কের হাতে ওয়ার্ল্ড কাপ তুলে দেন তিনি।

4 months ago


Cummins: একই বছরে বিশ্বকাপ জিতে ত্রিমুকুট জিতলেন অজি অধিনায়ক প্যাট কামিন্স

বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ, অ্যাসেজ ও বিশ্বকাপ। একই বছরে তিন সাফল্য। ত্রিমুকুট জিতলেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক প্যাট কামিন্স। এবার আইপিএল খেলেননি। কারণ হিসেবে জানিয়েছিলেন, দেশের জার্সির গুরুত্ব তাঁর কাছে সবথেকে আগে। আর ফাইনালের আগের দিন কামিন্স জানিয়েছিলেন, ১ লক্ষ ৩০ হাজার সমর্থককে নিস্তব্ধ করে দিলে, তাঁর থেকে বেশি আনন্দ অন্য কিছুতে নেই। এদিন সেটাই যেন বাস্তবে পরিণত হল। ৬বার বিশ্বজয় অস্ট্রেলিয়ার।

প্যাট কামিন্সের মতো ক্রিকেটার যে কোনও দলের জন্যই সম্পদ। আর এই চাপের মধ্যে সেঞ্চুরি করে টিমকে জেতালেন ট্র্যাভিস হেড। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালেও এই ট্র্যাভিস হেডের ব্যাটেই স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল ভারতের। এবার ঘরের মাঠে ফেভারিট হয়েও বিশ্বজয় সম্ভব হল না ভারতের।

4 months ago
WC2023: ক্রিকেট দেয় আবার নিয়েও নেয়

প্রসূন গুপ্ত: রবিবার রাত থেকে সোমবার সকালের খবরের কাগজ অথবা বৈদ্যুতিন মাধ্যম কাঁটাছেড়া করছে, কেন ভারত হারলো? জিতলে অবিশ্যি সোমবারও সারাদিন ক্রিকেটই থাকতো প্রধান খবর। হয়তো লেখা থাকতো 'এখন কি করছে অমুক খেলোয়াড়, ইত্যাদি।' বাস্তব সত্যি হচ্ছে, ক্রিকেট এমন একটি খেলা যা নিয়ে ভবিষ্যৎবাণী করা বোকামি। এবারেই তো এমন অসংখ্য ম্যাচে মিরাকেল হয়েছে। আফগানিস্তানের মতো দল উঠে এসেছে আবার পাকিস্তানের মতো দল ডুবেছে। অথচ পেশাদারিত্বের অভাবে আফগানরা সেদিন যেমন ম্যাক্সওয়েলের অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরেছে তেমনই ভারতকে হারতে হলো এই অস্ট্রেলিয়ার কাছেই। কাপ নিয়ে গেলো তারা দেশে।

কি জানেন, যে কোনও খেলায় দেশের সম্মান বড় কথা কিন্তু প্রধান কথা নয়। মূল দুই দলের মধ্যে এই একটি জায়গায় মার খেয়ে গেলো ভারত। বিশ্বের প্রধান খেলাধুলার দেশে খেলাটাকেই প্রাধান্য দেওয়া হয়ে থাকে। তৃতীয় বিশ্ব তা নয়। আমরা তৃতীয় বিশ্বের অন্যতম দেশ ব্রাজিলকেও নির্মমভাবে পরাস্ত হতে দেখেছিলাম ২০১৫-র বিশ্বকাপ ফুটবলে। তাদের দেশেই খেলা হয়েছিল। সেমিফাইনালের আগে ভয়ঙ্কর রকম দেশাত্ববোধের 'নাড়া' লাগানো হয়েছিল। বলা হয়েছিল, উন্নতগামী দেশের খেলোয়াড়রা ট্রফিটা রেখে দাও দেশে। আমরা আবার বিশ্ব বাণিজ্য ও গণতন্ত্রের প্রতীক হতে পারি। অন্যদিকে আর পাঁচটা ম্যাচের মতো হালকা মেজাজে প্রথম বিশ্বের দেশ জার্মানি খেলতে নেমে ব্রাজিলকে ৭ গোল মেরেছিলো। বিশ্বের কেউই আজও বিশ্বাস করে উঠতে পারে না। প্রথম বিশ্বের দেশগুলি খেলাকে খেলা হিসাবেই দেখে। চ্যাম্পিয়ন হলে একদিন আনন্দ করো তারপর লেগে যাও নিজের পেশায়।

আমাদের ভারতের ক্ষেত্রেও তাই হলো। অস্ট্রেলিয়া যদি রবিবার হারতো তবেও তাদের দেশের অর্থনীতি, রাজনীতি বা দেশাত্ববোধের ধাক্কা আসত না ক্রিকেটারদের উপর কিন্তু ভারতে জাতীয়বাদ ইত্যাদির চাপটাই নিতে পারলো না রোহিতের দল। লীগ ম্যাচে বা সেমিফাইনাল অবধি কোনও চাপ ছিল না ভারতীয় দলের উপর। দুর্দান্ত ক্রিকেট উপহার দিয়েছেন রোহিতরা কিন্তু ফাইনালের আগে টেনশন চেপে বসলো ওই এগারোটি চ্যালেঞ্জারের মধ্যে। জিতেই হবে। প্রধানমন্ত্রী নামে স্টেডিয়াম , তিনি নিজে উপস্থিত হবেন। জিতলে মোদীজির সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নেওয়া যাবে, না জিতলে প্রধানমন্ত্রী সহ বিভিন্ন ভিআইপির কাছে সম্মান যাবে ইত্যাদি। এই প্রথম ফাইনালে মাঠে বা প্যাভিলিয়নে খেলোয়াড়দের মধ্যে 'মেরে বেরিয়ে যাবো' ভাবটাই ছিল না। কেমন যেন আগেই টেনশনে মৃত হয়ে রয়েছেন তাঁরা। বিশেষজ্ঞরা এই কথা বারবার বলেওছেন। ফল পরাজয়। টেনশন ফ্রি অস্ট্রেলিয়া আরামসে ট্রফি নিয়ে সোমবার পৌঁছে গেলেন সিডনি বা মেলবোর্নে। নতুন করে হৈচৈ করার ব্যাপারটাই সে দেশে নেই কারণ তাদের অনেক কাজ, আর ট্রফি জয়/এতো নতুন কথা নয়।

4 months ago


Marsh: এতটা ঔদ্ধত্য! বিশ্বকাপ জিতে ট্রফির উপরে পা রাখলেন অস্ট্রেলীয় তারকা

এতটা ঔদ্ধত্য! বিশ্বকাপ জিতে ট্রফির উপরে পা রাখলেন অস্ট্রেলীয় তারকা। এর জেরেই বিতর্ক ছড়িয়ে পড়ল গোটা বিশ্বে। ৪৬ দিনের লড়াই শেষে ভারতকে হারিয়ে ট্রফি ঘরে তোলেন অসিরা। আর সেই বহু প্রতীক্ষিত ট্রফির উপরে পা তুলে ছবি তুলল অস্ট্রেলীয় তারকা মিচেল মার্শ। আর সেই ছবি নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে দিলেন প্যাট কামিন্স। এরপরই প্রশ্ন উঠতে শুরু হয়েছে এতটা ঔদ্ধত্য অস্টেলিয়াদের!

সাধারণত বিশ্বকাপ জেতার পরে ট্রফিতে চুমু খেতে দেখা যায় খেলোয়াড়দের। সেটা যে খেলাই হোক না কেন, ট্রফির প্রতি একটা আলাদা আবেগ, আলাদা মর্যাদা থাকে। ২০২২ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ জেতার পরে ট্রফিকে বুকে জড়িয়ে ঘুমিয়েছিলেন লিয়োনেল মেসি। কাছ ছাড়া করতে চাননি। সেই ট্রফির উপর দু’পা তুলে কি মার্শ বোঝাতে চাইলেন, বিশ্বকাপ জেতাটা জলভাত হয়ে গিয়েছে। তাই আর আলাদা কোনও আবেগ কাজ করে না তাঁর। মার্শের এই কাজের পরে সমাজমাধ্যমে তাঁর সমালোচনা শুরু হয়েছে।

4 months ago
Rahul: ফাইনালে ব্যর্থতার ৩ কারণ, কি জানালেন কোচ রাহুল!

২০০৩ সালে বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠে হারতে হয়েছিল ভারতকে৷ তখন ক্রিকেটার হিসাবে টিমে ছিলেন রাহুল দ্রাবিড়। ২০২৩ বিশ্বকাপেও ফাইনালে হারল টিম ইন্ডিয়া। এবার তিনি কোচ। আগামী বিশ্বকাপ ২০২৭ সালে। ততদিন পর্যন্ত কি ভারতীয় ক্রিকেট দলের কোচ থাকবেন তিনি? থমথমে মুখে সাংবাদিক বৈঠকে এই প্রশ্নের উত্তর দিলেন রাহুল।

দ্রাবিড়ের কথায়, তাঁর সমস্ত মনোযোগ ছিল টুর্নামেন্টের দিকে। সবে বিশ্বকাপ শেষ হল। ২০২৭ সালের বিশ্বকাপ এখনও অনেক দূরে। তার আগে অনেক জল বয়ে যাবে। ভবিষ্যতে কী করবেন এখনও ভাবার সময় পাননি। রাহুল জানিয়েছেন, বর্তমান টিম ইন্ডিয়ার সঙ্গে কাজ করতে পেরে তিনি গর্বিত। ক্রিকেটার থেকে সাপোর্ট স্টাফ- সকলেই নিজেদের উজাড় করে দিয়েছেন। খুব ভাল লেগেছে সকলের সঙ্গে কাজ করে।

গোটা টুর্নামেন্টে দাপটে খেলেও কেন ফাইনালে ভরাডুবি হল, তার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন দ্রাবিড়। তাঁর মতে, ভারত ৩০-৪০ রান কম করেছি। ২৮০-২৯০ রান করতে পারলে লড়াই হত। দ্রাবিড়ের কথায়, "অস্ট্রেলিয়া খুব ভাল বল করেছে। আমাদের বাউন্ডারি মারতে দেয়নি। রোহিত আউট হওয়ার পর বিরাট কোহলি এবং লোকেশ রাহুল ইনিংস গড়ার চেষ্টা করছিল। আমাদের দুর্ভাগ্য যে বিরাট-রাহুল আউট হয়ে যায়। ট্রেভিস হেড এবং মার্নাস লাবুশেনের মতো ওরা শেষ পর্যন্ত থাকতে পারলে আমরাও বড় রান তুলতে পারতাম।"

রাহুল দ্রাবিড়ের জমানায় ২০২২ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং এই বছরের বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পর এক দিনের বিশ্বকাপেও নক আউট পর্বে হারতে হল ভারতকে। ২০২১ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের পরাজয়ের পরে রবি শাস্ত্রীর জায়গায় কোচের দায়িত্ব নেন রাহুল দ্রাবিড়। কিন্তু তাঁর হাত ধরেও এল না আইসিসি ট্রফি।

4 months ago
India: এই ম্যাচটাই হারতে হল ভারতকে! আক্ষেপ গোটা দেশবাসীর

এই ম্যাচটাই হারতে হল ভারতকে! ৪৬ দিনের সংগ্রাম, ১০ ম্যাচে টানা জয়...কোনও কিছুই কাজে আসল না শেষপর্যন্ত। কোটি কোটি ভারতবাসীর স্বপ্নভঙ্গ হল আবার। ভারতের মাটিতে শেষ হাসি হাসল অস্ট্রেলিয়া। নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে যখন একদিকে উচ্ছ্বাস, আনন্দে মেতেছেন অজিরা। তখন বিরাট, সিরাজদের চোখে জল। তিল তিল করে এতদিন যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, তা এইভাবে ভেঙে যাবে ভাবতে পারেননি কেউই। ম্যাচ শেষে অজিদের শুভেচ্ছা জানানোর পর মাথা নীচু করে মাঠ ছাড়লেন রোহিত শর্মা। গ্যালারিতে বসে তখন চোখ মুছছেন স্ত্রী রিতিকাও।

বিরাট কোহলি। বিশ্বকাপে তাঁর পারফরম্যান্স ছিল চ্যাম্পিয়নদের মতোই।  কিন্তু, শেষে যেন তিনি হেরে যাওয়া হিরো। ম্যাচ শেষে দেখা গেল, বারবার টুপি দিয়ে মুখ ঢাকার চেষ্টা করছেন। বুক ফেঠে যাচ্ছে কষ্টে, কান্না আটকানোর চেষ্টা করছেন। অন্যদিকে, চোখে জল সিরাজেরও। বারবার চোখ মুছতে দেখা যায় তাঁকে। ২০ বছর আগেও একই ছবি দেখেছিল ভারতবাসী। একইভাবে স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল। গোটা টুর্নামেন্ট জুড়ে দারুণ ফর্মে থাকলেও, শেষ ম্যাচে কিছুটা ব্যাকফুটেই দেখা যায় ব্যাটার, বোলারদের।

চেন্নাই থেকে আমেদাবাদ। বদলে গিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। কিন্তু বুঝতে পারলেন না ভারত অধিনায়ক রোহিত শর্মা। তাঁরা ১০ ম্যাচ অপরাজিত হয়ে ফাইনাল খেলতে নেমেছিলেন। কিন্তু ভুলে গিয়েছিলেন প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া ফাইনালে উঠেছিল আট ম্যাচ অপরাজিত থেকে। বিশেষ করে, দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সবচেয়ে কঠিন ম্যাচ খেলে ফাইনালে উঠেছিল অজিরা।

তাই ম্যাচ শেষে রোহিত জানালেন, বোর্ডে যদি আর কুড়ি থেকে তিরিশ রান বেশি থাকত, তাহলে অস্ট্রেলিয়াকে রুখে দেওয়া যেত। যদিও বিরাট-রাহুলের পাটনারশিপটা আর একটু বেশি হত, তাহলেও অস্ট্রেলিয়াকে রুখে দেওয়া যেত। এই সবই হল ম্যাচ শেষের উপলব্ধি। তবুও এই বিশ্বকাপে লড়াইয়ের জন্য দলের সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন রোহিত। তিনি জানিয়েছেন, দুপুরের বদলে সন্ধ্যায় এই পিচে ব্যাট করা অনেক সহজ হয়ে গিয়েছিল। তাতে অবশ্য হেড এবং লাবুশেনের পারফরম্যান্সকে ছোট করছেন না ভারত অধিনায়ক। আবার চার বছরের অপেক্ষা। গুডবাই ভারত। প্রতীক্ষা শুরু আফ্রিকার। ২০২৭ সালের বিশ্বকাপের মঞ্চ বাঁধা হবে দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবোয়ে এবং কেনিয়ার মাটিতে। 

4 months ago


Target: বিরাট-রাহুলের জোড়া হাফ সেঞ্চুরি, অস্ট্রেলিয়ার সামনে ২৪১ রানের লক্ষ্যমাত্রা ভারতের

আজ অর্থাৎ রবিবার বিশ্বকাপ ফাইনালে ভারতের মুখোমুখি হয় অস্ট্রেলিয়া। কুড়ি বছর পর বিশ্বকাপ ফাইনাল ফের মুখোমুখি হয় ভারত অস্ট্রেলিয়া। মোতেরায় টসে জিতে প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নেয় কামিন্স বাহিনী। টসে হেরে প্রথম ব্যাট করতে নেমে ৫০ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে মাত্র ২৪০ রান করে ভারত। অর্থাৎ বিশ্বকাপ জিততে অস্ট্রেলিয়ার সমানে  মাত্র ২৪১ রানের লক্ষ্যমাত্রা দিল ভারত।

টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হলেও ধাক্কা খায়  গিলের উইকেটে। স্টার্কের বলে জাম্পাকে ক্যাচ দিয়ে ঘরে ফেরে রাহুল। এরপরেই প্রথম পাওয়ারপ্লেতে রোহিতের দুর্দান্ত ক্যাচ ধরে রোহিতকে ঘরে ফেরায় ডেভিস। ওদিকে কামিন্সের বলে উইকেট রক্ষকের কাছে ক্যাচ দিয়ে ঘরে ফেরে শ্রেয়স। এরপর রাহুল ও বিরাট ভালো পার্টনারশিপের চেষ্টা করলেও পুরোটা সফল হয় নি। বিরাট ৫৪ রানে কামিন্সের বলে প্লেডাউন হয়ে আউট হলে ছন্দ হারায় ভারতের ইনিংস। এরপর জাদেজা ও সিরাজও তেমন কিছু করতে পারে নি। ওদিকে ৬৬ রানে একটি যোগ্য ইনিংস খেলে রাহুল। একদিকে বলা চলে যে ভারতের টপ অর্ডার মোটামুটি খেললেও মিডল অর্ডার একেবারে ব্যর্থ।

ওদিকে স্টার্ক ৫৫ রানে ৩ উইকেট নেয়। দুটি করে উইকেট পায় হেজেলউড, কামিন্সও, পাশাপাশি ১ টি করে উইকেট পায় ম্যাক্সওয়েল ও জাম্পা। খেলার শুরু থেকেই দুর্দান্ত লাইন ও লেন্থের বোলিং। এবং কড়া ফিল্ডিং ভারতকে প্রথম থেকেই চাপে রেখেছিল। রোহিতের ব্যাটে বাউন্ডারি এলেও, এরপরে বাউন্ডারি মারতে যথেষ্ট বেগ পেতে হয় ভারতকে। বলা চলে প্রথম পাওয়ারপ্লের পর আর ওভার বাউন্ডারি হয় নি। মোটের উপর বিশ্বকাপ ফাইনালের মত একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে  ভারতের ব্যাটিং যথেষ্ট হতাশাজনক সেটা বলা চলে। এখন দেখার মাত্র ২৪১ রান টার্গেট দিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে রুখতে ভারতের বোলিং আক্রমণ কতটা গুরুতর হয়!

4 months ago
Toss: টসে জিতে প্রথম বল অস্ট্রেলিয়ার, প্রথম একাদশে কারা?

বিশ্বকাপ ফাইনাল, মুখোমুখি ভারত ও অস্ট্রেলিয়া। মোতেরায় নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে টসে জিতে প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত অস্ট্রেলিয়ার। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষেও টসে জিতে ভালো শুরু করেছিল ভারত। ওদিকে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে  টসে জিতে বল করার সিধান্ত নিয়ে ছিল অস্ট্রেলিয়া। অস্টেলিয়ার বিরুদ্ধে কি প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ভালো শুরু করতে পারবে ভারত? অস্ট্রেলিয়ার পেস বোলিং কতটা নির্বিগ্নে সামলাতে পারবে ভারত? সেটাই এখন দেখার।

ভারত-পাকিস্তানের পিচে এদিন খেলতে নামছে ভারত ও অজিরা। এ দিন মাঠে ১ লক্ষ ৩০ হাজার দর্শকের সামনে, যেখানে সিংহভাগ দর্শকই ভারতের। সেখানে কিভাবে বড় টুর্নামেন্টে নিজেদের নার্ভ কন্ট্রোল করে খেলা ধরে রাখবে অসিরা, সেটাই দেখার। ওদিকে যদিও রিকি পন্টিংকে দেখা গিয়েছে প্যাট কামিন্সকে বুদ্ধি দিতে, পন্টিং যেহেতু ওয়ার্ল্ড কাপ উইনিং ক্যাপ্টেন সেহেতু পন্টিংয়ের বুদ্ধি কিভাবে কাজে লাগবে অসিরা সেটাই দেখার। ওদিকে ভারতের সঙ্গে রয়েছে দ্রাবিড়, ধোনির মত অভিজ্ঞতা। সেহেতু দেখার এটাই প্রথমে ব্যাট পেয়েকতটা ভালো শুরু করতে পারে ভারত।

ভারতের প্রথম একাদশ: রোহিত শর্মা, শুভমান গিল, বিরাট কোহলি, শ্রেয়াস আইয়ার, কেএল রাহুল, সূর্যকুমার যাদব, রবীন্দ্র জাদেজা, মহম্মদ শামি, জাসপ্রিত বুমরাহ, কুলদীপ যাদব, মহম্মদ সিরাজ।

অস্ট্রেলিয়ার প্রথম একাদশ:ট্র্যাভিস হেড, ডেভিড ওয়ার্নার, মিচেল মার্শ, স্টিভেন স্মিথ, মারনাস লাবুসচেন, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, জশ ইঙ্গলিস, মিচেল স্টার্ক, প্যাট কামিন্স (সি), অ্যাডাম জাম্পা, জোশ হ্যাজেলউড।

4 months ago


Ashwin: ফাইনালে কি দলে জায়গা পাবে অশ্বিন! পরিবর্তন নিয়ে কি ভাবছে টিম ইন্ডিয়া!

এই বছরের মাঝামাঝি সময়ে বিলেতে মাটিতে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল ভারত ও অস্ট্রেলিয়া। সেই ম্যাচে রবিচন্দ্রণ অশ্বিনকে না খেলা নিয়ে অনেক কথাই শুনতে হয়েছিল ভারত অধিনায়ক রোহিত শর্মাকে। কয়েক মাস পর এবার বিশ্বকাপ ফাইনাল। প্রতিপক্ষ সেই অস্ট্রেলিয়া।

কী হবে ভারতের প্রথম একাদশ? ম্যাচের আগে অধিনায়ক জানালেন, ১০০ শতাংশ ফিটনেস নিয়েই খেলবেন ১১ জন। কিন্তু তাঁরা কারা, তা স্পষ্ট নয়। পরীক্ষাগারের বাইরে এই বিশ্বকাপে এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে ব্যালান্স টিম ভারত।

যার প্রমাণ হার্দিকের চোটের পরেও তাদের জয়ের পরিসংখ্যান। ফলে, যা ইঙ্গিত তাতে আমেদাবাদে কাপ ফাইনালে দলে পরিবর্তন, এমনটা মনে হচ্ছে না। এটা ঠিক যে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে তিন স্পিনার নিয়ে মাঠে নেমেছিল ভারত। তবে সেটা ছিল চেন্নাই।

প্রথমে ব্যাট নাকি রান তাড়া ? এই ম্যাচে টসকে ততটা গুরুত্ব দিচ্ছেন না রোহিত। কারণ, তিনি জানেন, আমেদাবাদের সন্ধ্যের দিকে শিশির ফ্যাক্টর নাও হতে পারে। তাই, পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য তাঁর দল তৈরি হবে দাবি ভারত অধিনায়কের।

4 months ago
Hardik: 'এবার কাপটা দেশে রাখার সময় হয়েছে, জয় হিন্দ,' ফাইনালের আগে মর্মস্পর্শী বার্তা হার্দিকের

বিশ্বকাপে তিনিই ছিলেন ক্যাপ্টেন রোহিত শর্মার ডেপুটি। তাঁকে ঘিরে অনেক স্বপ্ন দেখেছিলেন কোটি কোটি অনুরাগী৷ কিন্তু বিধি বাম হার্দিক পান্ডিয়ার। বাংলাদেশ ম্যাচে চোট পেয়ে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গিয়েছেন তিনি৷ কিন্তু তাতে কী! মনেপ্রাণে দলের সঙ্গেই আছেন হার্দিক। জাতীয় দলের জার্সি গায়ে ফাইনালের আগে তিনি মর্মস্পর্শী বার্তা দিলেন টিমমেটদের।

ভিডিও বার্তায় হার্দিক বলেছেন, "এই দলকে নিয়ে আমি খুব গর্বিত। এখনও পর্যন্ত আমরা যা খেলেছি তা আমাদের বহুদিনের কঠিন পরিশ্রমের ফসল। বিশ্বকাপ জেতা থেকে মাত্র এক কদম দূরে আমরা। ছোটবেলা থেকে এই স্বপ্নই আমরা দেখেছি। দেশের ১৪০ কোটি মানুষ এই স্বপ্ন দেখছেন। তাঁরা সবাই আমাদের পাশে রয়েছেন।"

হার্দিক জানিয়েছেন, তিনি সব সময় দলের সঙ্গে আছেন। মানসিকভাবে সারাক্ষণ পাশে আছেন সতীর্থদের। টিমমেটদের প্রতি তাঁর বার্তা, "রবিবার নিজেদের সেরাটা দাও। তা হলেই আমরা সফল হব। এ বার সময় হয়েছে কাপটা দেশে রাখার। জয় হিন্দ।"

4 months ago
Shami: 'ঈশ্বর ছেলে ও দেশকে জেতাবেন,' প্রার্থনা শামির মায়ের

বিশ্বকাপের প্রথম ৪ টে ম্যাচে মাঠেই নামানো হয়নি তাঁকে, ড্রেসিং রুমে বসে খেলা দেখেছিলেন মহম্মদ শামি। বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে তাঁর দিকেই তাকিয়ে গোটা দেশ। সেমিফাইনালে একা হাতে ৭ উইকেট নিয়ে ম্যাচ ঘুরিয়ে দেওয়া শামিই এখন টিম ইন্ডিয়ার মুকুটহীন সম্রাট। ঈশ্বর তাঁর ছেলে এবং দেশকে জিতিয়ে দেবেন, বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে দৃঢ় বিশ্বাস শামির মায়ের।

কেউ কেউ বলছেন হার্দিকের চোট যেন শাপে বর হয়েছে। নইলে হয়ত শামির এই বিধ্বংসী রূপ দেখাই হাত না দেশবাসীর।  মাত্র ৬টি ম্যাচ খেলেছেন তিনি, আর তাতেই ২৩টা উইকেট নিয়ে , তিনি বিশ্বকাপের সর্ব্বোচ্চ উইকেট শিকারি। একেকটা ম্যাচে ৫টার বেশি করে উইকেট ঘরে তুলেছেন শামি। সেমিতে নিউজিল্যান্ডের ৭টা উইকেট নিয়েছেন তিনি। তাঁকে নিয়ে এখন উদযাপনের শেষ নেই।

হার্দিক চোট না পেলে নাকি শামিকে খেলানোরই কথা ছিল না টিম ইন্ডিয়ার। এমনটাই জানিয়েছেন ভারতীয় দলের ব্যাটিং কোচ বিক্রম রাঠৌর। হার্দিক বিশ্বকাপ থেকে সরে না দাঁড়ালে ‘শামি-ফাইনালের’ সাক্ষী থাকা হতই না। শামি এ বারের বিশ্বকাপে শুধু নেদারল্যান্ডস ম্যাচে উইকেট পাননি। তার আগে চারটি ম্যাচে খেলেননি। অর্থাৎ ৫ ম্যাচেই তিনি প্রতিপক্ষের ‘যম’ হয়ে উঠেছেন।

4 months ago


WC: রোহিতকে নিয়ে বাড়ছে প্রত্যাশা, মোতেরায় কি পুনর্জন্ম হবে ধোনির!

রবিবার বিশ্বকাপ ফাইনাল। বিশ্বজয়ের প্রার্থনায় গোটা দেশ। মন্দিরে, বাড়িতে যজ্ঞ-প্রার্থনা। কোথাও আলোয় সেজেছে, কোথাও পোস্টার, কোথাও আবার অর্ডার দেওয়া হচ্ছে কেক। বিজয়ের আগাম আনন্দে ভাসছেন ক্রিকেট অনুরাগীরা। মোতেরায় কি নতুন কোনও মহেন্দ্র সিং ধোনির পুনর্জন্ম হবে। নাকি মুখের গ্রাস ছিনিয়ে নেবে অস্ট্রেলিয়া। বিশ্বের সবথেকে বড় স্টেডিয়াম, মাঠে আসবেন ১ লক্ষ ৩০ হাজার দর্শক। এই ক্রিকেট মহাযঞ্জের আসরে, কতটা চাপে দুই দল।

এত যজ্ঞ, প্রার্থনা সব বৃথা। এই একটি ম্যাচ হারলেই সব দোষ তাঁর কাঁধেই থাকবে। ভারত অধিনায়ক রোহিত শর্মা ভাল করেই জানেন। দু মিনিটে এই চেনা দৃশ্যকল্প পাল্টে যাবে। ২০০৩ বিশ্বকাপ ফাইনালে বিদেশের মাটিতে হেরেছিল ভারত। ঘরের মাঠে জয়ের প্রবল চাপ কাঁধে বয়ে রবিবার মাঠে নামবেন হিটম্যান। বিরাট, শ্রেয়স, শামি, সিরাজরা পারফর্ম করতে না পারেন, সব দায় পড়বে অধিনায়কের ঘাড়েই।

ভারতের মাটিতে অস্ট্রেলিয়া। বিশ্বকাপ শুরুর আগেও দ্বিপাক্ষিক সিরিজ হয় দুই দেশের। তখনও স্মিথদের হেলায় হারাত ভারত। সেবার সম্পূর্ণ দল ছিল না। ঘরের মাটিতে এই অস্ট্রেলিয়াকে হারানো কঠিন নয়। কঠিন অস্ট্রেলিয়া নামটির গুরুভার। পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন। ফাইনালের মতো ম্যাচে তাঁদের সেই আত্মবিশ্বাসই চাগিয়ে দিতে পারে।

4 months ago
Fact: বিশ্বকাপ ফাইনালে ৫টি ফ্যাক্ট, যারা মুহূর্তে জিতে নিতে পারে বাজি

ভারত বনাম অস্ট্রেলিয়া বিশ্বকাপ ক্রিকেট ফাইনাল। রাত পোহালেই ফাইনালের মঞ্চ কাঁপাতে নামবে চির প্রতিপক্ষ দুই দল ভারত ও অস্ট্রেলিয়া। আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামটি ইতিমধ্যেই রঙিন হয়ে সেজে উঠেছে। বিগত বছর গুলিতে ক্রিকেট বিশ্বে রাজত্ব করেছে হলুদ জার্সির অস্ট্রেলিয়া। ৫ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া যে কতটা ভয়ানক সেটা ভারত টের পেয়েছিল ২০০৩ সালে। ২০০৩ বিশ্বকাপ ফাইনাল, যেখানে অসিরা সৌরভ গাঙ্গুলীর নেতৃত্বাধীন ভারতকে একেবারে ধ্বংস করে দিয়েছিল। যদিও এখন পরিস্থিতি অনেক বদলেছে। ২০২৩ সালে বিশ্বকাপ প্রতিযোগিতায় একমাত্র অপরাজিত দল ভারত। ওদিকে অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপ অভিযান শুরু হয়েছিল ভারতের কাছে হেরে। যদিও বিশ্বকাপে যত দিন এগিয়েছে, দু'দলেরই খেলায় বেশ বদল এসেছে। সমসাময়িক পরিস্থিতিতে ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার যে খেলোয়াড়দের লড়াই ম্যাচটিকে উভয় পক্ষের পক্ষে সুইং করতে পারে, সেটা যাচাই করল সিএন।


বিরাট কোহলি বনাম অ্যাডাম জাম্পা

একদিবসীয় বিশ্বকাপের ২০২৩ সংস্করণে বিরাট কোহলির বিস্ময়কর পারফরম্যান্স নজর কেড়েছে। বিরাট এই বিশ্বকাপে ভারতের কাছে ব্রহ্মাস্ত্র।   ক্রিজে তার উচ্চাকাঙ্ক্ষা, দক্ষতা এবং স্ট্যামিনা বিরাটকে সবার থেকে আলাদা করেছে। ১০টি  ইনিংস খেলে ৭১১ রান করে কোহলি এই  টুর্নামেন্টে অন্য সমস্ত ব্যাটারদের থেকে অনেক উঁচুতে দাঁড়িয়ে আছেন। ফাইনাল জেতাতে গেলে বিরাটকে অ্যাডাম জাম্পার কৌশলী লেগ-স্পিনকে বুদ্ধিমানের সঙ্গেমোকাবিলা করতে হবে। জাম্পা এখনও পর্যন্ত ২২টি উইকেট নিয়ে প্রতিপক্ষের ব্যাটারদের আউট করেছেন। জাম্পা ভারতীয় কন্ডিশন উপভোগ করেছেন এবং রবিবার কোহলির উইকেট নেওয়ার জন্য মুখিয়ে থাকবেন। বিশ্বকাপ ইতিহাসে বিরাট কোহলি জাম্পার ৩১ বল খেলে ২৯ রান করেছেন, যেখানে ছিল কেবল ১টি বাউন্ডারি।


রোহিত শর্মা বনাম জোশ হ্যাজেলউড

রোহিত শর্মা এই বিশ্বকাপে দারুন সাফল্য অর্জন করেছেন এবং শান্ত ও ক্ষুরধার মস্তিষ্কে ভারতকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। রোহিত দায়িত্ব নিয়ে পাওয়ারপ্লেতে স্কোরিং রেট বাড়ানোর দিকে নজর দিয়েছেন। কখনও কখনও সহজেই বিপক্ষকে নিজের উইকেট দিলেও গত কয়েকটি ম্যাচে ধারাবাহিকতা খুঁজে পেতে সক্ষম হয়েছেন। এবং প্রথম পায়ারপ্লেতে ভারতকে ভালো শুরু দিয়ে দারুন স্কোরে পৌঁছাতে সাহায্য করেছেন। এই বিশ্বকাপে তিনি ৫৫০ রান করেছেন। ৪০০০-এর বেশি রান করা ব্যক্তিদের মধ্যে সর্বোচ্চ স্ট্রাইক-রেট (১২৪.২৫) নিয়ে ফাইনালে নামবেন। কিন্তু জোশ হ্যাজলউডের সুশৃঙ্খল সীম বোলিংয়ের বিপক্ষে রোহিতকে লড়াই করতে হবে। যা সহজ হবে না। বিশ্বকাপ ইতিহাসে রোহিত শর্মা হ্যাজেলউডের ২৩ বল খেলে মাত্র ৮ রান করেছেন এবং ১ বার আউট হয়েছেন।


মহম্মদ শামি বনাম ডেভিড ওয়ার্নার

হার্দিক পান্ডিয়ার ইনজুরি প্রথম দিকে ভারতের জন্য একটি বড় ধাক্কা বলে মনে হয়েছিল, কিন্তু মহম্মদ শামি প্রথম ম্যাচেই বিশ্বকাপের  মঞ্চে আগুন লাগিয়ে দিয়েছিলেন। এখনও পর্যন্ত মাত্র ছয়টি ম্যাচ খেলে, শামি এই বছরের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী (২৩)। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে শামির সেভেন স্টার পারফরম্যান্স অসি শিবিরে বিপদের ঘণ্টা বাজিয়ে দিতে পারে। কিন্তু ডেভিড ওয়ার্নারকে শিকার করা কঠিন হবে। ওয়ার্নার অভিজ্ঞ ওপেনার। যিনি অস্ট্রেলীয় ইনিংসকে খুব সহজেই গড়ে তুলতে পারে একটি পাহাড় সমান ইনিংসে। একদিবসীয় ক্রিকেট ইতিহাসে শামি ১০ বার ওয়ার্নারের বিপক্ষে খেলেছেন, যেখানে ওয়ার্নার ৩ বার শামির বলে আউট হয়েছেন। এছাড়া শামির ১১৭ বল খেলে তিনি ১০৩ রান করেছেন।


জসপ্রিত বুমরা বনাম মিচেল মার্শ

ভারতের পেস স্পিয়ারহেড জসপ্রিত বুমরাহ এখন পর্যন্ত ১৮টি উইকেট নিয়েছেন। টুর্নামেন্টে প্রদর্শিত বোলারদের মধ্যে তার সর্বনিম্ন ইকোনমি রেট রয়েছে। ব্যাটাররা তার শক্তিশালী ইয়র্কার সামলাতে হিমশিম খেয়ে থাকেন। এ ছাড়া পাওয়ারপ্লেতে বুমরার সঠিক লাইন, গতি ভারতকে অনেকটা এগিয়ে রাখবে নিঃসন্দেহে। যদিও মিচেল মার্শ অলরাউন্ডার হিসেবে, টপ অর্ডারে বিস্ফোরক ব্যাটিং করছেন। এবং গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশের বিপক্ষে অপরাজিত ১৭৭ রান করে নিজেকে ভয়ানক প্রমান করেছেন। যদিও বিশ্বকাপ ইতিহাসে বুমরার ৬ বল খেলে মার্শ একটিও রান করতে পারেননি। বরং মার্শ একবার আউট হয়েছেন বুমরার বলে।


রবীন্দ্র জাদেজা বনাম গ্লেন ম্যাক্সওয়েল

জাদেজা ও ম্যাক্সওয়েল, উভয়েরই ব্যাট এবং বলের মাধ্যমে খেলা পরিবর্তন করার ক্ষমতা রয়েছে এবং উভয়ই ফাইনালে একে  অন্যের থেকে আরও ভালো করার চেষ্টা করবে। বোলিংয়ের ক্ষেত্রে জাদেজা ম্যাক্সওয়েলের থেকে শক্তিশালী হলেও, ব্যাট হাতে ম্যাক্সওয়েল কতটা ধ্বংসাত্মক হতে পারে তা সবাই জানে, কারণ আফগানদের বিরুদ্ধে তার অতিমানবীয় ডাবল সেঞ্চুরি এখনও সবার মনে তাজা। আর তাই ম্যাক্সওয়েলের অপ্রতিরোধ্য বল-স্ট্রাইকিংয়ের বিরুদ্ধে জাদেজার বাঁহাতি স্পিন ম্যাচের অন্যতম সংজ্ঞায়িত মুহূর্ত হতে পারে। ক্রিকেট বিশ্বকাপের ইতিহাসে ম্যাক্সওয়েল, জাদেজার ৯ বল খেলে মাত্র ৮ রান করেছেন, এবং একবার আউটও হয়েছেন।


4 months ago