Breaking News
Tapas Roy: তৃণমূল ছাড়লেন তাপস রায়, বরাহনগরের বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা বর্ষীয়ান নেতার      Resign: হঠাৎ অবসর বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের, 'রাজনীতি যোগ' জল্পনা তুঙ্গে      Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে ফের ফ্য়াক্ট ফাইন্ডিং টিম, শুনবে মহিলা ও বাসিন্দাদের কষ্টের কথা      BJP: প্রথম দফায় ১৯৫ প্রার্থীর নাম ঘোষণা বিজেপির, বাংলার ২০ জনের নাম তালিকায়      Modi: 'রামমোহনের আত্মা সন্দেশখালির মহিলাদের দুর্দশায় কাঁদছে', আরামবাগ থেকে মমতাকে তোপ মোদীর      Suspend: গ্রেফতারির পরেই তৃণমূল থেকে ছয় বছরের জন্য সাসপেন্ড সন্দেশখালির 'বেতাজ বাদশা' শাহজাহান      Sandeshkhali: নিরাপদ সর্দারকে নিঃশর্তে জামিন দিয়ে রাজ্য পুলিসকে তিরস্কার বিচারপতির      Sheikh Shahjahan: ঘর ভাঙচুর, টাকা লুঠ! শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে নতুন এফআইআর সন্দেশখালি থানায়      Sandeshkhali: অজিত মাইতিকে তাড়া গ্রামবাসীদের, সাড়ে ৪ ঘণ্টা পর অবশেষে আটক পুলিসের      Ajit Maity: উত্তপ্ত সন্দেশখালি! অজিত মাইতির গ্রেফতারির দাবিতে বিক্ষোভ মহিলাদের, বাঁচতে সিভিকের বাড়িতে আশ্রয়     

Vote

Modi: লোকসভা ভোটের দামামা বাজিয়ে রাজ্য়ে প্রধানমন্ত্রী, বাংলায় প্রার্থী ঘোষণা বিজেপির? জল্পনা

রাজ্যে লোকসভা ভোটের দামামা বাজিয়ে আজ, শুক্রবার থেকেই প্রচারে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিন বছর বাদে বঙ্গ সফরে প্রধানমন্ত্রী। এদিন আরামবাগের সভাস্থল থেকে একাধিক সরকারি প্রকল্পের উদ্বোধনের পাশাপাশি সভায় বক্তব্য় রাখবেন প্রধানমন্ত্রী। আগামীকাল কৃষ্ণনগরে সভা করবেন তিনি। তারপরে আবার ৮ তারিখে উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতে সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী, এমনটাই সূত্রের খবর।

অন্ডালের কাজী নজরুল ইসলাম বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রী নামেন সকাল ১০.২০ মিনিটে। প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে বিজেপি নেতাদের পাশাপাশি বিমানবন্দরে হাজির হন রাজ্যের আইন মন্ত্রী মলয় ঘটক। এখনও ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করেনি নির্বাচন কমিশন। কিন্তু তার আগেই বিজেপি ভোটের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত লোকসভা ভোটে আরামবাগে ভাল ফল করেছিল বিজেপি। মাত্র ১২ ভোটে হারতে হয়েছিল গেরুয়া শিবিরকে। সেকারণে আরামবাগে এবার ঘর গোছাতে তৈরি বিজেপি। আগামীকাল, শনিবার আবার কৃষ্ণনগরে সভা করবেন তিনি। কৃষ্ণনগর কেন্দ্রটিও বেশ গুরুত্বপূর্ণ বিজেপির কাছে। এই কেন্দ্রে গতবার ভাল ভোট পেয়েছিল বিজেপি। সেকারণে এবার আগে থেকেই মোদীর সভা করে ভোট ব্যাঙ্ক সুরক্ষিত করে রাখতে চাইছে গেরুয়া শিবির। আজ রাজভবনে রাত্রিবাস করবেন প্রধানমন্ত্রী নরন্দ্র মোদী। এই প্রথম প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর রাজভবনে রাত্রিবাস করবেন তিনি। সেখান থেকে আগামীকাল সকালে তিনি চলে যাবেন কৃষ্ণনগরে সভা করতে। সেখান থেকে বিহারের গয়ায় কপ্টারে উড়ে যাবেন তিনি। মোদীর পর পর দুটি সভা ঘিরে বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ।

আজ আরামবাগের সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী মোদী সন্দেশখালি নিয়ে কোনও বার্তা দেন কিনা সেদিকে তাকিয়ে রয়েছে রাজনৈতিক মহল। এদিকে আজই আবার রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। ১০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী আসতে চলেছে রাজ্যে। কলকাতায় বেথুন স্কুলে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।

4 days ago
Election Commission: মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহে নির্ঘণ্ট ঘোষণা! মাস ঘুরলেই রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী

বেজে গিয়েছে লোকসভা ভোটের বাদ্যি। তবে নির্ঘন্ট প্রকাশের সম্ভাবনা মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহে। জাতীয় নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, তামিলনাড়ু, জম্মু-কাশ্মীর এবং উত্তর প্রদেশের প্রাক নির্বাচনী প্রস্তুতি খতিয়ে দেখার পর দিল্লি ফিরে সবদিক বিচার করেই আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করবে কমিশন। ৩ থেকে ৫ মার্চ বঙ্গ সফরে ফুলবেঞ্চ।  দেশের সব প্রান্তের পরিস্থিতি তাঁরা খতিয়ে দেখেছেন। স্বীকৃত আটটি রাজনৈতিক দল সহ প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবে নির্বাচন কমিশন।তবে আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে এবার আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সকেই বিশেষভাবে কাজে লাগাতে চাইছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের এক কর্তার বক্তব্য অনুযায়ী আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কে কাজে লাগালে একেবারেই মসৃণ ভাবে পরিচালনা করা যাবে লোকসভা নির্বাচন।

ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশন জানিয়েছিল, পশ্চিমবঙ্গের সামগ্রিক পরিস্থিতি অনুযায়ী নির্ঘণ্ট প্রকাশের অনেক আগেই এই রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানো হবে। সেই মোতাবেক ১লা মার্চ ১০০ কোম্পানি এবং ৭ই মার্চ ৫০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী আসছে বাংলায়। রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় মানুষের মধ্যে একদিকে ভয় কাটানো, সাহস যোগানো, থেকে শুরু করে এলাকায় রুট মার্চ করার পাশাপাশি এলাকায় শান্তি ফিরিয়ে আনার কাজ করবে বাহিনী। ইতিমধ্যেই বাজারে নির্ঘন্ট প্রকাশ নিয়ে অনেক ভূয়ো খবর ছড়িয়েছে।

জাতীয় নির্বাচন কমিশন এবং রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক-এর দফতর থেকে এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে জানানো হয়েছে যা সম্পূর্ণ মিথ্যে।খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ থেকে সব রাজনৈতিক দলের নেতা-নেত্রীরা সকলেই এখন তাকিয়ে আছেন দেশের জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দিকে। আর সবকিছুর জল্পনার অবসান ঘটিয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশন আগামী ১৩ ই মার্চের পর নির্ঘণ্ট ও প্রকাশ করবে বলে জানিয়েছে। এখন দেখার বিষয় একটাই অবাধ সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করাতে জাতীয় নির্বাচন কমিশন কী  ভূমিকা পালন করে এবং কতটা তৎপর হয়।

a week ago
Sandeshkhali: ভোটের আগে উত্তপ্ত সন্দেশখালি, বিশেষ নজর নির্বাচন কমিশনের

লোকসভা নির্বাচনের আগে উত্তপ্ত সন্দেশখালি। মাছের ভেড়ি নষ্ট, জমি দখল, নারী নির্যাতন, ধর্ষণ, মাঠ দখল, হাজার হাজার গাছ কেটে সাফ করার মতো একাধিক অভিযোগ রয়েছে শেখ শাহজাহান ও তাঁর দুই অনুগামী উত্তম সর্দার ও শিবু হাজরার বিরুদ্ধে। প্রতিদিনই জনরোষ প্রকাশ্যে আসছে। এর মধ্যেই  সন্দেশখালিতে বিশেষ নজর রাখছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন, এমনটাই জানা গিয়েছে।

সন্দেশখালির বিষয়ে নজর দিয়েই নতুন করে স্পর্শকাতর বুথ তৈরীর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে পাঠানো চিঠিতে পরিষ্কারভাবে উল্লেখ করা রয়েছে, ২০১৯ এবং ২১ এর নির্বাচনের সময় ছাড়াও বিগত কিছুদিন রাজ্যের যে যে জায়গাগুলিতে বিচ্ছিন্ন সন্ত্রাসের ঘটনা ঘটেছে সেই জায়গাগুলিকে পর্যবেক্ষণ করে যেন তালিকা তৈরি করা হয়। আর এখানেই কমিশন সূত্রে খবর, নতুন স্পর্শকাতর তালিকায় সন্দেশখালীর বুথ গুলোকে রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ৪ মার্চ রাজ্যে আসছে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। তার আগেই সম্পূর্ণ স্পর্শকাতর বুথের তালিকা তলব কমিশনের।

সূত্রের খবর, সন্দেশখালির ঘটনায় প্রতিদিনের রিপোর্ট চাইছে কমিশন। অন্যান্য জেলারও সার্বিক রিপোর্ট তলব সিইও দফতরের। সন্দেশখালিকাণ্ড নিয়ে একাধিক জেলায় অশান্তির পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। এই প্রেক্ষাপটে কলকাতা ও দুই ২৪ পরগনার আইনশৃঙ্খলা নিয়ে বিশেষ নজর কমিশনের, এমনটাই খবর। ২৮ ফেব্রুয়ারি জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করবেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। সব মিলিয়ে নির্বাচনের আগে কমিশনের নজরে উত্তপ্ত সন্দেশখালি তা বলাই যায়।

2 weeks ago


Vote: প্রকাশ্যে ২০২৪-এর ভোটার তালিকা, রাজ্যে বাড়লো মহিলা ভোটারের সংখ্যা

রাজ্যে বাড়লো মহিলা ভোটারের সংখ্যা। সোমবার প্রকাশ্যে এল ২০২৪ সালের ভোটার তালিকা। বর্তমানে রাজ্যের মোট ভোটারের সংখ্যা দাঁড়ালো ৭,৫৮,৩৭,৭৭৮ জন। যার মধ্যে নতুন ভোটারের সংখ্যা ১১,৩৩,৯৩৬ জন। এছাড়াও ১৮ থেকে ১৯ বছরের ভোটারের সংখ্যা হলো ১৫,৩১,৯২৩ জন। নতুন ভোটারের মধ্যে ৫,৬৩,৫২১ জন পুরুষ এবং ৫,৭০,৩৪১ জন মহিলা ও ৭৪ জন তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার। পাশাপাশি এই মুহূর্তে রাজ্যে মোট পুরুষ ভোটারের সংখ্যা ৩,৮৫,৩০,৯৮১ জনন। মহিলা ভোটারের সংখ্যা ৩,৭৩,০৪,৯৬০ জন ও তৃতীয় লিঙ্গের ভোটারের সংখ্যা ১৮৩৭ জন।

এবারের ভোটার তালিকা থেকে মৃত ভোটারের সংখ্যার উপর প্রথম থেকেই গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল, তাই মৃত ভোটারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫,৪৭,৭৫৭ জন। সবমিলিয়ে ২০২৪ সালে ৪,৫১,৭০৬ জন ভোটার বাড়লো এই রাজ্যে। তবে লক্ষণীয় বিষয় একটাই, এই প্রথমবার রাজ্যে পুরুষ ভোটারের তুলনায় বাড়লো মহিলা ভোটারের সংখ্যা। প্রতিবছর ভোটার তালিকা প্রকাশ পায় ৫ই জানুয়ারি। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের কাছে বিভিন্ন অভিযোগ জমা পড়ার পর নিখুঁতভাবে প্রকাশ করার ক্ষেত্রে আরও সময় দরকার। সে কারণেই ২০২৪ সালে ভোটার তালিকা প্রকাশ পেল ২২শে জানুয়ারি। নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, চলতি বছরের এই ভোটার তালিকা একশো শতাংশই নির্ভুল।

a month ago
Bengal: বাংলার ছয় আসনে রাজ্যসভার ভোট! লোকসভার সঙ্গেই কি ভোট?

রাজ্যের ৫টি আসনে রাজ্যসভা নির্বাচন, লোকসভা ভোটের আগেই কি এই পাঁচ আসনে ভোট, এই প্রশ্ন উঠছে। কারণ ২রা এপ্রিল বাংলার পাঁচ রাজ্যসভা আসনে নির্বাচিত সাংসদদের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। অতএব তার আগেই ভোট করাতে হবে এই পাঁচ আসনে, এমনটাই নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর। সম্ভবত মার্চে কিংবা এপ্রিলে এই পাঁচ আসনে রাজ্যসভা ভোটের সম্ভাবনা। জানা গিয়েছে, তৃণমূলের চার সাংসদ নাদিমূল হক, আবীররঞ্জন বিশ্বাস, শুভাশিস চক্রবর্তী এবং শান্তনু সেনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে ২ এপ্রিল। এঁদের সঙ্গেই বাংলা থেকে নির্বাচিত কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ অভিষেক মনু সিংভিরও মেয়াদ শেষ চলতি বছর এপ্রিলে।

এবার রাজ্যসভার এই পাঁচ আসনে ভোট করাবে নির্বাচন কমিশন। গতবার তৃণমূলের সমর্থনে অভিষেক মনু সিংভিকে রাজ্যসভায় পাঠাতে পেরেছিল কংগ্রেস। কিন্তু এবার কংগ্রেসের এই আসন ধরে রাখার ক্ষমতা নেই। ফলে বিজেপির দিকেই পঞ্চম আসন যাওয়ার সম্ভাবনা। তবে, শাসক দলের যে চার জনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে এবার, তাঁরাই কি এবার প্রার্থী? এই প্রশ্নের জবাব দেবেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এমনটাই তৃণমূল সূত্রে খবর। এই মুহূর্তে রাজ্য বিধানসভায় তৃণমূলের বিধায়ক সংখ্যা ধরলে চার আসনে শাসক দলের জয় নিশ্চিত। বিজেপির বিধায়ক সংখ্যার নিরিখে পঞ্চম আসনে ভোটাভুটি ছাড়া তাদেরও জয় নিশ্চিত। এখন দেখার পাঁচ আসনে ভোটগ্রহণের দিনক্ষণ ঘোষণা কবে।

2 months ago


Bangladesh: মডেল এপার বাংলার ভঙ্গিতেই ভোট বাংলাদেশে

প্রসূন গুপ্ত: তিনটি স্থান আছে বাঙালিদের পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা এবং ওপার বাংলা অর্থাৎ বাংলাদেশ। ৩৪ বছরের বাম শাসনে দেখেছি, নিয়মিত হারে ফলস ভোট ও বুথ দখলের ট্রেডিশন নানান ভোটে, ত্রিপুরাতেও একই ঘটনা। যদিও তৃণমূল জমানায় যত অভিযোগ সবই পঞ্চায়েত বা পুর ভোটে। সাধারণ নির্বাচন বা বিধানসভা নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করেছে নির্বাচন কমিশনার। ত্রিপুরাতে তো বাম থেকে আজকের জমানাতে সমস্ত ভোটে বিরোধীদের অভিযোগ বুথ দখল বা জাল ভোট দেওয়ার। বাংলাদেশ কিন্তু ২০২৪-এর সাধারণ নির্বাচনে এই বাতাবরণটি ধরে রাখলো। মূলত অভিযোগ শাসক আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধেই।

সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টে অবধি ভোট হলো ৩০০ আসনে। বাংলাদেশে ৩৫০টি সংসদীয় আসন কিন্তু ভোট হয় ৩০০ আসনে, বাকি ৫০ আসন অনেকটা আমাদের দেশের মতো বিধান পরিষদীয় পদ্ধতিতে ভোট হয়।

ইতিমধ্যে আওয়ামী লীগের প্রধান প্রতিপক্ষ বাংলাদেশ ন্যাশনাল পার্টি বা বিএনপি ভোট বয়কট করেছে। বয়কট করেছে প্রধান বাম দলগুলি যদিও বামপন্থী একটি দল আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোটে আছে। এ ছাড়া অনেকগুলি ইসলামিক দল ও নিরপেক্ষ দল ভোটে অংশ নিয়েছে। শোনা গিয়েছিলো যে জাল ভোট বা গাজোয়ারী করে ভোট করতে পারে হাসিনার দল। পারদপক্ষে সেটাই হয়েছে তবে বেশ বুদ্ধি খাটিয়ে! ওখানকার টিভি চ্যানেলগুলির বক্তব্য জাল ভোট ফেলা হয়েছে এবং বহু বুথে এজেন্ট বসতেই দেওয়া হয়নি। খালেদা জিয়া অবিশ্যি শনিবার এবং রবিবার প্রতিবাদ স্বরূপ হরতালের ডাক দিয়েছেন। কোথাও কোথাও সারা ফেলেছে কিন্তু ভোটটি হয়েছে। এখনও পর্যন্ত খবর যা ৪০/৫০ শতাংশ ভোট বড়োজোর পড়তে পারে।

এই ভোটার আগে আমেরিকা সহ ন্যাটো গোষ্ঠী অবাধ নির্বাচন করার হুমকি দিয়েছিলো হাসিনা সরকারকে। বাস্তবে, প্রশাসন থেকে নির্বাচন কমিশন হাসিনার কথায় এখনও চলে কাজেই এমন দাবি হাস্যকর দাবি খালেদার। ভোট শেষ হতেই প্রতিটি বুথে গণনা শুরু হয়েছে। ওখানে ব্যালটে ভোট হয় সুতরাং সময় লাগবে। মঙ্গলবারের আগেই চিত্র পরিষ্কার হবে বলেই ধারণা।

2 months ago
Sheikh Hasina: হাসিনা কি ক্ষমতায় ফিরবে?

প্রসূন গুপ্তঃ মাঝে আর একটি দিন, তারপরেই বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচন। ৫ বছর আগে হলে নিশ্চিন্তে বলা যেত শেখ হাসিনা তাঁর সংগঠন দিয়ে ভোটে জিতে আসবে। আজ কিন্তু সেরকমটি বলা যাচ্ছে না। বাঙালি অধুষ্যিত তিন জায়গায় ভোট নিয়ে অশান্তির ঘটনা নতুন কিছু নয়। প্রশাসন যার জয় তার, এমন বাক্যটিই চলে আসছে। আমাদের এই বাংলায় ভোটে বুথ দখল থেকে ভোট কেন্দ্রের হুজ্জুতির শুরু কিন্তু ১৯৮২ তে বাম জমানা থেকেই। কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়েও রাখা যায়নি।

২০০৬ বাম ২৩৫ টি আসন পায়, কেন্দ্রীয় বাহিনীও ছিল কিন্তু তারই মধ্যে সিপিএমের ক্যাডার বাহিনী ভোট করেছিল নিজেদের প্রয়াসে। কেন্দ্রে তখন বাম সমর্থিত সরকার কাজেই দেখেও না দেখার কাজ চালিয়ে গিয়েছিলো পুলিশ। পরবর্তীতে তৃণমূলের রেকর্ডও ওই প্রকার। যদিও লোকসভা বা বিধানসভা ভোটে গন্ডগোল হলেও বুথ দখল হয় নি। একই ফর্মুলা প্রয়োগ হয়েছে দিনের পর দিন ত্রিপুরাতে বাম নেতৃত্বে। বর্তমান সরকার বিজেপির। তারাও ওই একই খেলা শিখেছে প্রথম দিন থেকেই। বিগত পঞ্চায়েত ভোটে ৯৫ শতাংশ বুথ দখল করে রেকর্ড করেছিল তারা বলে দাবি বিরোধীদের। তৃতীয় বাংলা মানে বাংলাদেশ। গত দুটি সাধারণ নির্বাচনে কি ভাবে ভয় দেখিয়ে ভোটে জিততে হয় তা দেখিয়ে দিয়েছিলো আওয়ামী লীগ বা নৌকা বাহিনী। একই চিত্র তিন বাংলাতে।

এবারে সাধারণ নির্বাচন রবিবার অর্থাৎ আর দুটি দিন বাদেই। এবারেও একই ফর্মুলাতে হাসিনা বাহিনী কিন্তু সমস্যা বা চাপে রয়েছে তারা। ইতিমধ্যে আমেরিকা সহ ন্যাটো দেশগুলি হুমকি দিয়েছে আসন্ন নির্বাচন যদি অবাধ না হয় তবে গুরুতর ব্যবস্থা নেবে তারা। মিডিয়াও সুর পাল্টিয়েছে। তবে হাসিনা পাশে পাচ্ছে চীনকে কিন্তু ভারত এখনও চুপ ভোটার বিষয়ে। বাস্তব সত্যি হচ্ছে প্রধান বিরোধী দল বিএনপি বা খালেদা জিয়ার দল সরাসরি ভোটে নেই কিন্তু তৃণমূল বাংলাদেশ ন্যাশনাল পার্টি নাম দিয়ে জামাতের সহযোগিতায় ভোটে দাঁড়াচ্ছে। ৩৫০ আসনের সংসদে ৩০০ আসনে ভোট তাতে আওয়ামী ৬টি দলের সঙ্গে জোট বেঁধে ভোটে এসেছে। এছাড়াও গোড়া ইসলামিক দল রয়েছে প্রায় ৮/৯টি। সব মিলিয়ে ২৮টি দল ভোট লড়ছে। ওদের ওখানে সব দলেরই সমর্থক আছে তাই তুড়ি মেরে বলা যাবে না যে আওয়ামী লীগ ফের আসছে। ভারতীয়রা কিন্তু হাসিনার জয় চায়। তাই ভোটের অশান্তি নিয়ে ভারতের কোনও মন্তব্য নেই। যা শেষ খবর, হাসিনা কিন্তু এবারেও বেপরোয়া। ইসলামিক দেশ হলেও এই হাসিনার আমলে দুর্গাপূজো থেকে দোল উৎসব কিন্তু দারুন ভাবেই উৎযাপিত হয়। তাই সংখ্যালঘু (হিন্দু) স্বার্থে ভারত হাসিনার জয় চায়।

2 months ago
Narendra Modi: পরিবারতন্ত্র বাদ দিয়েই আগামীতে মোদী

প্রসূন গুপ্তঃ ২০১৪ তে বিজেপি তথা নরেন্দ্র মোদীর স্লোগানই ছিল রাজনীতিতে পরিবারতন্ত্র বন্ধ করতে হবে। জিতেও ওই একই বক্তব্যে অটল ছিলেন তিনি। একই সাথে আরও একটি বিষয়ে মোদীর বার্তা কড়া ছিল, ৭৫ বছর বয়স হলে আর সাংগঠনিক বা প্রশাসনিক রাজনীতিতে থাকা চলবে না। এই ফর্মুলাতে বিদায় নিতে হয়েছিল বিজেপির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা লালকৃষ্ণ আডবানীকে। একই ভাবে অনেককেই চলে যেতে হয়েছিল 'মার্গ দর্শনে' অর্থাৎ বাড়ির অন্দরে মোটামুটি।

মোদী প্রথম থেকেই আক্রমণাত্বক ছিলেন নেহেরু-গান্ধী পরিবারের প্রতি। আজ তিনি অনেকটাই এই বিষয়ে সার্থক। সোনিয়া রাহুল বা প্রিয়াঙ্কা রাজনীতিতে থাকলেও, তাঁদের ভূমিকা ভারতীয় রাজনীতিতে নেহাতই নগণ্য| মোদী জানেন তাঁর দলে এমন অনেকেই আছেন এখনও যাঁদের পরিবারের অনেকেই প্রত্যক্ষ রাজনীতিতে আছেন। শোনা যাচ্ছে আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে এখানেও তিনি 'ছাঁটাই পর্ব' রাখবেন। রাজনাথ সিং থেকে শুরু করে অনেকের পুত্র,কন্যা বা স্ত্রীরা রাজনীতিতে আছেন, তাঁদের ভবিষ্যত কি খুব দ্রুতই বোঝা যাবে। একই পরিবারভুক্ত দুই ব্যক্তি একই হাউসে তিনি রাখতে নারাজ। একই সাথে দীর্ঘদিন মুখ্যমন্ত্রীর পদে কেউ থাকবে না, তা তো এবারের তিন রাজ্যের নির্বাচনের পরেই প্রমাণ হয়ে গিয়েছে। বিদায় নিতে হয়েছে শিবরাজ সিং চৌহানের মতো জনপ্রিয় মুখ্যমন্ত্রীকেও। তাঁকেও এক প্রকার মার্গ দর্শনে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে।

ভারতীয় রাজনীতিতে 'সিন্ধিয়া' পরিবারেরও একটি ভূমিকা রয়েছে বা ছিল। গোয়ালিয়রের প্রয়াত মহারাজ পত্নী বিজয়রাজে সিন্ধিয়া আরএসএসের কাজের সঙ্গে জড়িয়ে যান। শোনা যায় ইন্দিরা গান্ধী যখন রাজপরিবারের ভূমিকা বাতিল করে দেন তারপর থেকেই বিজয়রাজে সক্রিয় ভাবে রাজনীতিতে চলে আসেন। ভোটেও দাঁড়ান প্রথমে জনসংঘের হয়ে, পরে বিজেপির হয়েও। রাজরানী ছিলেন বিজয়রাজে। অটলবিহারি বাজপেয়ীর খুবই ঘনিষ্ঠ ছিলেন বলে শোনা যায়। বিজয়রাজের পুত্র প্রথমে গেরুয়া পতাকার দিকে গেলেও পরে মায়ের সঙ্গে প্রবল সংঘাতে আলাদা হয়ে যান। রাজবাড়ীর এক প্রান্তে থাকতেন তিনি। পরে ইন্দিরার হাত ধরে কংগ্রেসে যোগ দেন এবং রাজীব গান্ধীর আমলে তাঁর মন্ত্রী হওয়া ছাড়াও আরও দায়িত্ব বাড়ে। মাধব রাওয়ের অসময়ে মৃত্যু হলে পুত্র জ্যোতিরাদিত্য কংগ্রেসে যোগ দেন এবং রাহুল গান্ধীর ঘনিষ্ঠ হয়ে পড়েন। মনমোহন সিংয়ের মন্ত্রিসভায় ১০ বছর মন্ত্রীও ছিলেন। অন্যদিকে মাধব রাওয়ের বোনেরা বিজেপিতে যোগ দেন। ইতিমধ্যে বিজয়রাজের মৃত্যু হয়েছে।

জ্যোতিরাদিত্যর ইচ্ছা ছিল মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার কিন্তু ২০১৮-র বিধানসভার নির্বাচনে কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার পর রাহুল, কমলনাথকে মুখ্যমন্ত্রী করলে কয়েকমাস বাদে দল ভেঙে জ্যোতিরাদিত্য বিজেপিতে যোগ দেন এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হন। অন্যদিকে আদবানি ঘনিষ্ঠ বসুন্ধরা রাজে দুবার রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন। এবারের ভোটের পরে জ্যোতিরাদিত্যর ইচ্ছা ছিল মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার এবং তাঁর পিসি বসুন্ধরার ইচ্ছা ছিল রাজস্থানের মুখমন্ত্রীত্ব। কোনোটাই হলো না, স্রেফ মোদীর ইচ্ছায় বলেই গুঞ্জন। আগামীতে জ্যোতিরাদিত্যকে লড়াই করে জিতে আসতে হবে এবং মন্ত্রী করা হবে কিনা নির্ভর করবে ফের জয় এবং মোদীর ইচ্ছার উপরেই নতুবা সিন্ধিয়া পরিবারকেও মার্গ দর্শনে পাঠিয়ে দেওয়া হতে পারে।

3 months ago


Voter list: প্রকাশিত নয়া খসড়া ভোটার তালিকা, ভোটার বাড়ল কত জানেন!

২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের প্রস্তুতি ইতিমধ্য়ে শুরু হয়ে গেছে। বুধবার প্রকাশিত হল খসড়া ভোটার তালিকা। তার আগে গতকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার ভোটকর্মীদের সর্বদলীয় বৈঠক ডেকেছিলেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক আরিজ আফতাব। তিনি তিনি জানিয়েছেন, দিনে দিনে বুথের সংখ্য়া বাড়ছে। রাজ্য়ে নয়া ভোটার তালিকা অনুসারে ভোটার বেড়ে গিয়েছে এক লক্ষ ৭৭ হাজার ৬৯৫ জন। আর ভোটার তালিকায় নয়া ভোটার সংযোজন হয়েছে ৫ লক্ষ ৫৮ হাজার ৮২১ জন। পাশাপাশি নয়া তালিকাতে ভোটারদের সংখ্য়া বাদ পড়েছে তিন লক্ষ ৮১ হাজার ১২৬ জন।

এদিন থেকে শুরু হল ভোটের তালিকা সংশোধন ও সংযোজনের কাজ। আগামী ৯ ই ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে নয়া ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ। এরপর ২০২৪ সালের ৫ ই জানুয়ারি সেই ভোটের তালিকা প্রকাশিত হবে।

4 months ago
Loksabha: লোকসভা নির্বাচনের আগে 'এক দেশ, এক ভোট' নীতি! প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি কোবিন্দের নেতৃত্বে কমিটি

লোকসভা নির্বাচনের সাত মাস আগে ফের 'এক দেশ এক ভোট' নীতি নিয়ে তৎপর কেন্দ্র। নীতি কার্যকর করার জন্য আইন কমিশনের সঙ্গে কেন্দ্রের কয়েক দফা আলোচনাও হয়েছে বলে খবর। সেই আলোচনার ভিত্তিতেই একটি কমিটি গঠন করেছে কেন্দ্র। সংবাদ সংস্থা পিটিআই সূত্রে খবর, ওই কমিটিকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ।

লোকসভা ভোটের সঙ্গে সব রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন হলে, খরচ অনেকটাই কমবে। একই ভোটার তালিকায় দুটি নির্বাচন হওয়ায় সরকারি কর্মীদের তালিকা তৈরির চাপ কমবে। ভোটের আদর্শ আচরণবিধির জন্য সরকারের কাজ আটকে থাকবে না।

প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালে প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী হয়েই এক দেশ, এক নির্বাচন নীতি নেওয়ার কথা জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। জানানো হয়, লোকসভা নির্বাচনের পাশাপাশি বিধানসভা নির্বাচন হলে, আসন সমঝোতা করা সহজ হবে। বিরোধীদের একাংশের আশঙ্কা, পরবর্তী পর্যায়ে এই নীতিতে রাজ্য নির্বাচন কমিশনগুলিকে ক্ষমতাহীন করে পঞ্চায়েত ও পুরসভা ভোটকেও অন্তর্গত করা হবে।

6 months ago


Vote: ভোট বয়কট করা বুথে ভোট পড়েছে ৯৫ শতাংশ, পুলিসের কাছে রিপোর্ট তলব জাস্টিস সিনহার

ভোটাররা ভোট বয়কট করেছিলেন। কিন্তু তারপরেও ভোট পড়েছে ৯৫ শতাংশ! এমনটাই ঘটেছে রাজারহাট (Rajarhat) এলাকার জাঙ্গা হাতিয়াড়া দু’নম্বর পঞ্চায়েতের একটি বুথে। কিন্তু, কীভাবে তা সম্ভব? সেই 'রহস্য' সমাধানের দায়িত্বভার পুলিসকে দিল কলকাতা হাইকোর্ট।

সম্প্রতি, জাঙ্গা হাতিয়াড়া দু’নম্বর পঞ্চায়েতের আবদুল কালাম কলেজের একটি বুথে ভোট বয়কটের পরেও ৯৫ শতাংশ ভোট কীভাবে পড়ল, সেই প্রশ্ন তুলে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা হয়। সেই মামলার শুনানিতেই, কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহার নির্দেশ, কীভাবে এত ভোট পড়ল, তা অনুসন্ধান করে দেখবেন রাজ্য পুলিসের ডিজি এবং আইজি। আগামী ৩ অগাস্ট সেই সংক্রান্ত রিপোর্ট আদালতে জমা দিতে হবে। সেইসঙ্গে, রাজারহাটের বিডিওকে তলব করেছেন বিচারপতি।

ভোটের দিনই জ্যাঙ্গা হাতিয়ারা দুই নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত আরও একটি এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছিল । সেখানে আবার ভোট বয়কটের দাবি জানিয়েছিলেন ভোটকর্মীরা। দুই নম্বর পঞ্চায়েতের যাত্রাগাছি বিবেকানন্দ পল্লী ১২ নম্বর সুসংগত শিশু বিকাশ কেন্দ্রের ২৭১ ও ২৭২ নম্বর বুথে তৃণমূলের সঙ্গে বচসায় জড়িয়েছিল সিপিআইএম ও বিজেপি । বুথে ব্যাপক ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ব্যালাট বক্স এবং ব্যালট পেপার ছিনতাইয়ের অভিযোগ ওঠে। এই পরিস্থিতিতে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিলেন ভোটকর্মীরা। সেইসময় ভোট করাতে রাজি হননি তাঁরা।

8 months ago
Bomb: ভোটগণনার দিনেও বোমা উদ্ধার ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য় তুফানগঞ্জে

ভোট (Vote) গণনার দিনেও উদ্ধার (rescue) তাজা বোমা (bomb)। মঙ্গলবার, কোচবিহারের তুফানগঞ্জ ১ নম্বর ব্লকের চিলাখানা বাজার থেকে বোমাটি উদ্ধার হয়েছে। বোমা উদ্ধার ঘটনা ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা বাজার চত্বরে। 

উল্লেখ্য়ভাবে বিজেপি নাটাবাড়ি বিধানসভা ৩ নং মণ্ডল সভাপতি চিরঞ্জিত দাস বলেন, চিলাখানার মানুষ শান্তি প্রিয় ও গণতন্ত্র প্রিয় মানুষ। ২০১৮ সালের মতো ২০২৩ সালেও সাধারণ মানুষের কাছ থেকে মানুষের ভোটার অধিকার ছিনিয়ে নিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। তারপরে চিলাখানার বেশ কিছু জায়গায় সাধারণ মানুষ প্রতিবাদ গড়ে তুলেছে। সেই কারণেই বাজার গরম করার জন্য এই সমস্ত ঘটনা ঘটাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস।

এছাড়াও ভোটগণনা কেন্দ্র থেকে দুই কিলোমিটার অদূরে ছড়িয়েছে বোমাতঙ্ক। চাঁচলের কলি গ্রামে মহারাজ তলায় একটি পোলট্রি ফার্মের পিছন থেকে দুটি ব্যাগকে বোমা উদ্ধার হয়েছে। ঘটনাস্থলে ছিল সিভিক ভলেন্টিয়াররা। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে পৌছয় চাঁচল থানার পুলিস বা বম্ব স্কোয়াড। বোমা উদ্ধারে আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে সাধারণ মানুষ।

8 months ago
Murshidabad: বিধায়ককে ধাক্কা কেন্দ্রীয় বাহিনীর, ভোট গণনার দিন উত্তপ্ত সামশেরগঞ্জ

ভোটগণনা (Vote) ঘিরে জেলায় জেলায় বাড়ছে উত্তেজনা। তারই মধ্য়ে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) সামশেরগঞ্জের জয়কৃষ্ণপুর। সামশেরগঞ্জের বিধায়ক আমিরুল ইসলামকে ধাক্কা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর (Central Army) বিরুদ্ধে। 

মঙ্গলবার, সামশেরগঞ্জের জয়কৃষ্ণপুরে ভোটগণনা ঘিরে এবিএস বিদ্যাপীঠে চরম অশান্তির চিত্র লক্ষ করা গিয়েছে। এ দিন সকাল থেকেই ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের ওপর বারংবার এসে জমায়েত হচ্ছিলেন রাজনৈতিক দলের কর্মীরা। যার কারণে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা লাঠি উঁচিয়ে সেই ভিড় সরানোর চেষ্টা করলেও বারবারই ব্য়র্থ হচ্ছিল তারা। এই কারণে ভিড় এড়াতে লাঠিচার্জ পর্যন্ত শুরু করে কেন্দ্র বাহিনীর জওয়ানরা। 

সম্প্রতি সেই ভিড়ের মধ্য়েই ছিলেন বিধায়ক আমিরুল ইসলাম। কেন্দ্রীয় বাহিনী তাঁকেও সেখান থেকে সরিয়ে দিতে চায়। সেই সময় বিধায়কের সঙ্গে তর্কবিতর্কে জড়িয়ে পড়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী। বিধায়ক আমিরুল ইসলামের দাবি, ইলেকশন এজেন্ট হিসাবে বৈধভাবেই আমি এসেছিলাম। তবে এই কথা কেন্দ্রীয় বাহিনী মানতে একেবারেই নারাজ। তাদের একটাই দাবি, ভোট গণনা কেন্দ্রের সামনে কোনওভাবেই ভিড় করা যাবে না। 

নিয়ম অনুযায়ী, ভোটগণনা কেন্দ্রে আগে কাউন্টিং অফিসার ঢুকবে পরে ইলেকশন এজেন্ট বা প্রার্থী প্রবেশ করবে। কিন্তু এই সব কোনও নিয়ম মেনে চলা হচ্ছে না। ফলে সমস্য়ার মুখে পড়েছে ইলেকশন এজেন্টরা। 

8 months ago


Howrah: চলছে ভোট গণনা পর্ব, দিকে দিকে উত্তপ্ত বাংলা, বিজেপি এজেন্টকে ঢুকতে বাধা গণনাকেন্দ্রে

শুরু হয়ে গিয়েছে ভোট গণনা পর্ব (Counting Vote)। কিন্তু এই ভোট গণনা কেন্দ্রে এজেন্টেদের ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। এমনকি তাঁদের মারধরও করা হচ্ছে। ঠিক এমনই ঘটনা ঘটে চলেছে রাজ্যের (State) জেলায় জেলায়। ভোট গণনা কেন্দ্রের বাইরে ব্যাপক মারধরের খবরও পাওয়া যাচ্ছে। ঘটনাটি ঘটেছে হাওড়া (Howrah) জেলার বালি নিশিন্দায় পল্লীমঙ্গল বিদ্যামন্দির স্কুলে। নিশিন্দায় বিজেপির এজেন্টকে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না ভোট গণনা কেন্দ্রে। এমনকি মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে শাসক দলের বিরুদ্ধে। সিপিআইএমের অভিযোগ, সিপিআইএম সহ বিরোধীদের স্ট্যাম্প মারা গুচ্ছগুচ্ছ ব্যালট পেপার জানালা দিয়ে গণনা কেন্দ্রের বাইরে ফেলে দিচ্ছে শাসক দল। যা নিয়ে শুরু হয়েছে বিক্ষোভ।

সূত্রের খবর, বালিজগাছা গণনা কেন্দ্র থেকে বিজেপির কাউন্টিং এজেন্টকে মারধর করে বার করে দেওয়ার মতো অভিযোগ উঠেছে শাসক দলের বিরুদ্ধে। বিজেপি কাউন্টিং এজেন্টের নাম শ‍্যামল গায়েন জানান, ২১৭ নম্বর বুথের তৃণমুল প্রার্থী অনুরাধা গায়েনের স্বামী মঙ্গল গায়েনও কাউন্টিং এজেন্ট। তাঁরাই বাইরে থেকে লোক নিয়ে এসে দাদাগিরি করে ভোট গণনা কেন্দ্র থেকে বার করে দেন। তিনি আরও বলেন, 'আমি তিনবার ঢোকার চেষ্টা করি, কিন্তু আমাকে গণনা কেন্দ্র থেকে বার করে দেয়। এর পাশাপাশি বিজেপি প্রাথী পুতুল গায়েনকেও মারধর করে।' 

অন্যদিকে সাঁকরাইলেও একই ঘটনা ঘটে চলেছে। সাঁকরাইলের গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি ও জেলা পরিষদের গণনা সাঁকরাইল সিকম ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে অনুষ্ঠিত হয়েছে। গণনা কেন্দ্রের বাইরে মঙ্গলবার সকালে সাময়িক উত্তেজনা তৈরি হয়। দুষ্কৃতীরা গেট ভেঙে ঢোকার চেষ্টা করলে পুলিস বাধা দেয়। গেটে থাকা স্ক্যানার মেশিনও ভেঙে দেওয়া হয়েছে।

সোমবার অর্থাৎ পুনর্নির্বাচনের দিন থেকেই সক্রিয় হতে দেখা গিয়েছে পুলিসকে। কোনও বিক্ষোভ হলে পুলিস সেই বিক্ষোভ এড়াতে লাঠিচার্জ শুরু করেছে। সাময়িক উত্তেজনা হলেও পুলিস গোটা পরিস্থিতিকে আয়ত্তে নিয়ে নেয়। যদিও সাঁকারাইলের পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক। পুলিস সিকম ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের রাস্তায় জাতীয় সড়ক এবং সাঁকরাইল স্টেশনের দিকের রাস্তায় নাকা চেকিং চালাচ্ছে। শুধুমাত্র গণনা কেন্দ্রের পরিচয় পত্র থাকা ব্যক্তিদেরই ওই রাস্তায় আসা যাওয়া করতে দেওয়া হচ্ছে। বাকিদের সিকম ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের রাস্তা থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সিকম ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের ভিতরে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে, এমনটাই জানা গিয়েছে।

8 months ago
Re-Polling: এত হিংসা, একটু সংবেদনশীল হলে কি পঞ্চায়েত নির্বাচনে এত মৃত্যু হত!

সৌমেন সুর: ভোটের শেষে বলি হল ৪৬ জন মানুষ। কেউ হলেন পিতৃ হারা, কোনও কোনও মায়ের কোল শূন্য হলো। এই সংঘর্ষ-হিংসা-বিদ্বেষে কার ঠিক কতটা লাভ হল! প্রাণ তো আর ফিরে আসবে না। যে গেল সে তো চলেই গেল। মানুষে মানুষে এই বিভেদ সামান্য রাজনীতির জন্য। কেন? রাজনৈতিক মতভেদ, তরজা থাকবে, তাই বলে আক্রোশ মেটানো হবে প্রাণ নিয়ে! রাত কেটে সকাল হতেই খুনের খবর। খবর এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় দ্রুত পৌঁছে দেয় যে মাধ্যম, তাকে আমরা গণমাধ্যম বলি। যেমন- সংবাদপত্র, বেতার,  দূরদর্শন ও চলচ্চিত্র। রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজ, সাহিত্য, খেলাধুলা, বিজ্ঞান, সিনেমা, বাণিজ্য সব জগতের খবর নিয়ে প্রকাশিত হয় উপরিউক্ত গণমাধ্যমগুলি। আমার বক্তব্য হচ্ছে- সর্বক্ষণ যদি আমরা খুন, মারামারি, রক্তপাত দেখি তাহলে আমাদের রিপুগুলো ১০০% নষ্ট হতে বাধ্য। আমরা জানি যে, আমাদের রিপু গুলোকে শান্ত রাখা একান্ত দরকার। রিপু শান্ত থাকলে মন শান্ত, জীবন শান্ত। তাহলেই মানুষের আচার ব্যবহার, কথাবলা, চরিত্র সবদিক থেকেই একটা সুফল পাওয়া যায়। অথচ আমাদের জীবনযাত্রা ক্রমশ পাল্টে যাচ্ছে। নিত্যদিন একটা অযাতিত টেনশনে আমরা দিন কাটাচ্ছি। সর্বসময়ে মনে হয়,  'আর কিছুতেই যায় না মনের ভার/ দিনের আকাশ মেঘে অন্ধকার।' এই কি জীবন! কেন আমরা হেলায় ফেলায় নিজের প্রাণ বিসর্জন দেব!

সবকিছু চলুক সিস্টেমকে ধরে। অবাধ মেলামেশা থাকবে, ভালোবাসা থাকবে, রাজনৈতিক মতভেদ থাকবে- কিন্তু তার পরিণতি হিংসা দিয়ে নয়। এর জন্য সমস্ত গণমাধ্যমগুলোকে সৎ ভাবে এগিয়ে আসতে হবে সমস্ত মানুষের স্বার্থে। নির্দিষ্ট কোন দলের হয়ে নয়। সব সময় যদি আমরা নেগেটিভ দৃশ্য দেখি, তাহলে আমাদের রিপু নষ্ট হবেই। তাই গণমাধ্যমকে অনুরোধ, খারাপের পাশাপাশি ভালো কর্মের দৃশ্য বা খবর, পৌঁছে দেওয়া উচিত মানুষের জন্য।

সামান্য ভোট পর্বের জন্য জীবন চলে যাবে- সে যে দলেরই হোক, এটা মন থেকে মেনে নেওয়া যায় না।  আসুন আমরা শপথ নিয়ে আগামীতে একটা প্রাণ ও বিসর্জিত হবে না, সামান্য লোভের বিনিময়ে। একটু সংযত হই আমরা। আগামী প্রজন্মকে নির্ভেজাল নিঃশ্বাস ফেলে বাঁচতে সাহায্য করি। মনে রাখবেন, নিজের জীবনের লড়াইটা নিজেকে লড়তে হবে, জ্ঞান অনেকেই দেবে, কিন্তু সঙ্গ কেউ দেবেনা।

8 months ago