Breaking News
Modi: কৃষ্ণনগরে ভাষণ শুরু করেই ক্ষমা প্রার্থানা প্রধানমন্ত্রীর, তৃণমূলকে তীব্র তুলধনা...      Modi: 'রামমোহনের আত্মা সন্দেশখালির মহিলাদের দুর্দশায় কাঁদছে', আরামবাগ থেকে মমতাকে তোপ মোদীর      Suspend: গ্রেফতারির পরেই তৃণমূল থেকে ছয় বছরের জন্য সাসপেন্ড সন্দেশখালির 'বেতাজ বাদশা' শাহজাহান      Sandeshkhali: নিরাপদ সর্দারকে নিঃশর্তে জামিন দিয়ে রাজ্য পুলিসকে তিরস্কার বিচারপতির      Sheikh Shahjahan: ঘর ভাঙচুর, টাকা লুঠ! শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে নতুন এফআইআর সন্দেশখালি থানায়      Sandeshkhali: অজিত মাইতিকে তাড়া গ্রামবাসীদের, সাড়ে ৪ ঘণ্টা পর অবশেষে আটক পুলিসের      Ajit Maity: উত্তপ্ত সন্দেশখালি! অজিত মাইতির গ্রেফতারির দাবিতে বিক্ষোভ মহিলাদের, বাঁচতে সিভিকের বাড়িতে আশ্রয়      Sandeshkhali: সন্দেশখালি ঢুকতে বাধা, ভোজেরহাটেই দিল্লির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমকে আটকাল পুলিস      Sandeshkhali: একই যাত্রায় পৃথক ফল! ১৪৪ যুক্ত এলাকায় নির্বিঘ্নে ঘুরছেন পার্থ-সুজিত, বাধাপ্রাপ্ত মীনাক্ষী      Sandeshkhali: ভোটের আগে উত্তপ্ত সন্দেশখালি, বিশেষ নজর নির্বাচন কমিশনের     

Violence

Sandeshkhali: নালিশের বন্যা, সিরাজ শেখের অত্যাচার থেকে রেহাই পাননি বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিও

কয়েকদিন ধরে উত্তেজিত হয়ে রয়েছে সন্দেশখালির বেড়মজুর। শেখ শাহজাহানের অত্য়াচারে জর্জরিত হয়ে পড়েছিল গোটা সন্দেশখালিবাসী। ক্ষোভে ফুঁসছেন অসহায় মানুষরা। যার জন্য় একাধিক এলাকায় এলাকায় বসেছে 'অভিযোগ গ্রহণ কেন্দ্র'। আর সেই অভিযোগ কেন্দ্রের সামনেই দেখা গেল একজন বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিকে। 

সিরাজ শেখের অত্যাচারের হাত থেকে রক্ষা পেল না একজন বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিও। হুইল চেয়ারে যাতায়াত করে কোনওক্রমে একটি ছোটো মিষ্টির দোকান চালাতেন শুভেন্দু মাঝি। বেড়মজুর হাটে তাঁর মিষ্টির দোকান ছিল। অভিযোগ, সেই মিষ্টির দোকানটাই জোরপূর্বক তুলে দিয়েছে সিরাজ বাহিনী।

শুভেন্দু মাঝি জানিয়েছেন, তাঁর মিষ্টির দোকান উঠিয়ে দিয়ে সেই জায়গায় সাইক্লোন সেন্টার করা হবে বলে জানিয়েছে শাহজাহানের অনুগামীরা। সেই সেন্টারে থাকবে একটি ডাক্তারের চেম্বার। তার উপরে থাকবে তৃণমূলের পার্টি অফিস। তিন দিনের মধ্য়ে মিষ্টির দোকান না ছেড়ে দিলে ভাঙচুর করা হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়। তাই তিনি বাধ্য় হয়ে ঝামলা-ঝঞ্জাট এড়াতে মিষ্টির দোকান ছেড়ে দেন। রবিবার সিরাজ শেখ ও তাঁর বাহিনীর বিরুদ্ধে কাটপোল বাজারে পুলিসের অস্থায়ী ক্যাম্পে লিখিত অভিযোগ করলেন ওই বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তি।

কাঠপোল বাজারে বসিরহাট জেলা পুলিসের তরফে খোলা হয়েছে ক্যাম্প। শনিবার প্রথম দিনই ৭৩ টি অভিযোগ জমা পড়েছে। উল্লেখ্য, অভিযোগের বেশিরভাগই শাহজাহানের ভাই সিরাজ শেখের বিরুদ্ধে। জমি দখল, বাড়ি ভাঙচুর, দোকান দখল, মারধরের অভিযোগ। আজ, রবিবার দ্বিতীয় দিনও সেই ক্যাম্প খোলা রয়েছে। সকাল থেকেই আজও মানুষ অভিযোগ জানাতে আসছে সেই ক্যাম্পে। কাঠপোল বাজারে মোতায়েন রয়েছে পুলিস বাহিনীও।

6 days ago
Mohammad Shami: বিশ্বকাপের আগে স্বস্তি, বধূ নির্যাতনের মামলায় জামিন পেলেন শামি

বধূ নির্যাতনের মামলায় মুক্তি পেলেন শামি। মঙ্গলবার আদালতে সশরীরে হাজিরা দিলেন মহম্মদ শামি। ছিলেন শামির দাদা মহম্মদ হাসিমও। দুজনেই জামিনের আবেদন করেন। বিচারক সেই আবেদন মঞ্জুর করে দুজনকেই জামিন দেন।

শামির আইনজীবী সেলিম রহমান জানিয়েছেন, দুজনেই আদালতে হাজিরা দিয়ে জামিনের আবেদন করেন। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করেছে। গত ২৩ অগাস্ট আলিপুরের অতিরিক্ত দায়রা বিচারক নির্দেশ দেন, শামির প্রাক্তন স্ত্রী হাসিনের অভিযোগের প্রেক্ষিতে শামিকে তলব করার পিছনে কোনও কারণ খুঁজে পাননি তিনি। তবে পরবর্তী প্রক্রিয়ার জন্য তাঁকে ট্রায়াল কোর্টে আবেদন করতে হবে। জামিনের আবেদন করতে পারবে। সেই নির্দেশ অনুযায়ী হাজিরা দেন শামি।

5 months ago
Election: পঞ্চায়েত নির্বাচনী হিংসায় ঠিক কত জনের মৃত্যু, কত জন ক্ষতিপূরণ পেল জানতে চায় কোর্ট

পঞ্চায়েত নির্বাচনে মারপিঠ, খুন, মনোনয়ন জমা দিতে না দেওয়া, ভোট লুঠ সহ বিভিন্ন অভিযোগ ওঠে রাজ্য সরকার অর্থাৎ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। তা নিয়ে অল্প বিস্তর হাইকোর্টে মামলাও দায়ের হয়েছে। এবার পঞ্চায়েত নির্বাচনী সংক্রান্ত মামলায় ফের রাজ্য সরকারের উপর অসন্তুষ্ট হাইকোর্ট। সূত্রের খবর, পঞ্চায়েত নির্বাচনের মামলায় রাজ্যের ক্ষতিপূরণে খুশি নয় কলকাতা হাইকোর্ট। সূত্রের খবর, রাজ্যের পেশ করা তথ্যের উপর অসন্তুষ্ট হয়ে আরও তথ্য জানতে চায় আদালত।

সূত্রের খবর, পঞ্চায়েত নির্বাচনে রাজ্যের পেশ করা তথ্যের পরেও আদালত জানতে চায়, পঞ্চায়েত নির্বাচনে মৃত ব্যক্তির সংখ্যা কত! এছাড়া হোম গার্ডের চাকরি দেওয়া সকল ব্যক্তির নাম, যাদেরকে ২ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছিল তাদের নাম, নির্বাচনী হিংসায় আহতদের সংখ্যা কত? তাদের কত টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে?

সূত্রের খবর, পঞ্চায়েত নির্বাচনী সংক্রান্ত মামলায় বিরোধীদের তরফে আদালত প্রমাণ পেয়েছে পঞ্চায়েত নির্বাচনে হিংসায় ৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু শুধুমাত্র ৭ জনকে ক্ষতিপূরণ ও চাকরি দেওয়া হয়েছে।  ২ লক্ষ টাকা দেওয়া হয়ছে কয়েক জনকে। বাকিদের কেন কিছু পায় নি। কেন বাকিদের কিছু দেওয়া হয়নি? আহত কতজন? কি ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে?জানতে চায় আদালত।২৬ নির্বাচন কমিশন কে জানাতে হবে সব তথ্য।

6 months ago


Relationship: লিভ-ইন সম্পর্কে থাকলেও করা যাবে গার্হস্থ্য হিংসা মামলা, রায় কেরল হাইকোর্টের

লিভ-ইন (Live-in) সম্পর্কে থাকলেও মহিলারা গার্হস্থ্য হিংসার বিরুদ্ধে মামলা করতে পারবেন। একটি মামলার প্রেক্ষিতে এমনই রায় দিল কেরলের হাই কোর্ট (HighCourt)। আদালত জানিয়েছে, কোনও মহিলা যদি পুরুষের সঙ্গে একত্রবাসে থাকেন, তাহলে তিনি ওই পুরুষের দ্বারা যে কোনও হিংসার বিরুদ্ধে গার্হস্থ্য় হিংসা আইনে মামলা করতে পারেন। তার জন্য তাঁর বৈবাহিক বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া আবশ্যক নয়।

মামলাকারীর বিরুদ্ধে গার্হস্থ্য হিংসা আইনের ১২ নম্বর ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। পারিবারিক আদালতে সেই মামলার শুনানি চলছে। তাই মাঝে মধ্য়েই হাইকোর্টে দ্বারস্থ হন ওই ব্যক্তি। সম্প্রতি এই মামলার শুনানি শুরু হয়েছিল। মামলাকারী ব্যক্তির দাবি, অভিযোগকারী মহিলার সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্কে তিনি আবদ্ধ হননি। তাঁরা লিভ ইন সম্পর্কে ছিলেন। তাই একে গার্হস্থ্য হিংসা বলা যায় না। তবে আদালত পাল্টা যুক্তি দিয়ে তাঁর অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছে।

আদালত মামলাকারীর আবেদন খারিজ করে জানান, একত্রবাস বলতে এখানে দু’জনের মধ্যে এমন এক সম্পর্কের কথা বলা হয়েছে, যেখানে নারী এবং পুরুষ একই সংসারে থাকেন। কিংবা অতীতে কোনও একসময় ছিলেন। এই সম্পর্ক বিবাহের হতে পারে। আবার তা বিবাহের মতো কোনও সম্পর্ক, যা জন্মসূত্রের আত্মীয়তা কিংবা পারিবারিক যোগাযোগের মাধ্যমেও স্থাপিত হতে পারে।

7 months ago
Mamata:পঞ্চায়েত নির্বাচনী সন্ত্রাস নিয়ে তৃণমূলকে তুলোধনা মোদির, পাল্টা কটাক্ষ মমতার

পঞ্চায়েত নির্বাচন (Panchayat Elections) নিয়ে সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলতেই প্রধানমন্ত্রীকে পাল্টা দিলেন তৃণমূল সুপ্রিম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। বিজেপি আমলে একাধিক দুর্নীতি নিয়ে তোপ দাগেন তিনি। পাশাপাশি বিরোধী জোট নিয়ে প্রমাণ ছাড়াই একাধিক ভুল মন্তব্য করছেন বলেও অভিযোগ তাঁর। 

বিজেপির ক্ষেত্রীয় পঞ্চায়েতিরাজ পরিষদের পূর্বাঞ্চলীয় সম্মেলনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে এরাজ্যের সদ্যোসমাপ্ত পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে মুখ খোলেন তিনি। শসক দলের বিরুদ্ধে একের পর এক তোপ দাগেন। কিন্তু তার ঘণ্টা খানেকের মধ্যে অডিও বার্তায় পাল্টা জবাব দেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়।  

তিনি অভিযোগ করেন, টিম ইন্ডিয়া প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী যা ইচ্ছে বলে যাচ্ছেন। মমতার আরও অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী চাইছেন দেশের সাধারণ মানুষ দুর্ভোগে থাকুক, গরিব মানুষ মারা যাক। একই সঙ্গে মোদী জমানার দুর্নীতির কথাও উল্লেখ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পি এম কেয়ার ফান্ড, রাফাল চুক্তি সহ একাধিক ক্ষেত্রে দুর্নীতি হয়ে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

7 months ago


Modi:'ভোট লুঠ করে জিতেছে তৃণমূল,' পঞ্চায়েত নির্বাচনে হিংসা নিয়ে সরব প্রধানমন্ত্রী মোদী

পঞ্চায়েত নির্বাচনের (Panchayat Elections) হিংসার (violence) ঘটনা নিয়ে ফের মুখ খুললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM)। কোলাঘাটে বিজেপির পঞ্চায়েতি রাজ সম্মেলনে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ভাষণ দেন তিনি। সেখানেই বাংলার গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রধানমন্ত্রী। 

শনিবারের ওই ভার্চুয়াল সভায় প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করেন, ভোটে জয়ের পর প্রাণঘাতী হামলা চালাচ্ছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। ভোট লুঠ করা হয়েছে। পাশাপাশি, বিরোধীরা যাতে প্রার্থী না দিতে পারে তার জন্য তড়িঘড়ি ভোটের দিন ঘোষণা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ তাঁর। রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যে রক্তের খেলা চলেছে তা গোটা দেশ দেখেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। 

ভোট গণণা প্রসঙ্গ টেনে এনেও তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন প্রধানমন্ত্রী। তার অভিযোগ, গণনা কেন্দ্রে কোনও বিজেপি প্রতিনিধিকে বসতে দেওয়া হয়নি। শাসক দলের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ করার পাশাপাশি দলের কর্মীদের পরিশ্রমের জন্য কুর্নিশ জানান তিনি। এবিষয়ে তাঁর বক্তব্য, পশ্চিমবঙ্গের পুরনো বৈভব ফেরানোর চেষ্টা করছে দলের কর্মী ও সমর্থকরা। 

আদিবাসী সমাজের পাশে দাঁড়িয়ে তৃণমূল কংগ্রেসকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি তিনি। কটাক্ষের সুরে তাঁর বক্তব্য, 'ওখানে আমাদের আদিবাসী ভাইবোনকে কী ভাবে অত্যাচারিত হতে হয় তা আমাদের জানা আছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেও অনেক বিজেপি প্রতিনিধিরা জয়ী হয়েছেন। আমি সেই সব প্রতিনিধিদের অনেক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।'

7 months ago
Manipur: মণিপুর তদন্তে বেনজির নির্দেশ! তিন অবসরপ্রাপ্ত মহিলা বিচারপতির কমিটি গঠন সুপ্রিম কোর্টের

মণিপুরে (Manipur Violence) ‘আইনের শাসনের প্রতি বিশ্বাস' ফেরাতে নানা চেষ্টা চলেছে। এবার গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। সোমবার মণিপুরের হিংসা মামলা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে শুনানি হয়। সেখানে ত্রাণ ও পুনর্বাসনের কাজের তদারকির জন্য প্রাক্তন বিচারপতিদের (তিন জনই মহিলা) নিয়ে একটি কমিটি গড়ল সর্বোচ্চ আদালত। এছাড়াও মণিপুরে পাঠানো হবে ৪২টি স্পেশ্যাল ইনভেস্টেগেশন টিম তথা 'সিট'।

মণিপুরের বিভিন্ন হিংসার ঘটনার তদন্ত, ত্রাণের কাজ, ক্ষতিপূরণ দেওয়া, হিংসায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন এবং বিভিন্ন ধ্বংস হয়ে যাওয়া ধর্মীয় স্থানের পুননির্মাণের মতো মানবিক কাজগুলি পর্যালোচনার জন্য প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি জেপি পারদিওয়ালা এবং বিচারপতি মনোজ মিশ্রের বেঞ্চের গড়া কমিটিতে রয়েছে দেশের বিভিন্ন হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত তিন মহিলা বিচারপতি। এই কমিটির নেতৃত্বে থাকবেন জম্মু ও কাশ্মীর হাইকোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি গীতা মিত্তল। এছাড়া কমিটিতে থাকছেন বম্বে হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি শালিনী ফাঁসালার জোশী এবং দিল্লি হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি আশা মেনন।

সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি বলেছেন, মণিপুরের জনগণের আস্থা বাড়ানোর জন্যই তাদের চেষ্টা। তিনি বলেছেন, ১১ টি এফআইআর সিবিআইকে দেওয়া হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট তাতে হস্তক্ষেপ করবে না। তবে সর্বোচ্চ আদালত নির্দেশ দেবে যাতে তদন্তকারী দলে ৫ জন আধিকারিককে ডিএসপি বা এসপি পদমর্যাদার হতে হবে। তিনি আরও বলেছেন, এই অফিসারদের অন্য রাজ্যের হতে হবে, তাঁরা স্থানীয়দের সঙ্গে হিন্দিতে কথা বলবেন। প্রধান বিচারপতি আরও বলেছেন রাজ্য সরকার ৪২ টি সিট তৈরির কথা বলেছে। সুপ্রিম কোর্ট চায় প্রতিটি সিটের সদস্য হিসেবে কমপক্ষে একজন পরিদর্শক থাকা উচিত, যিনি অন্য রাজ্যের আধিকারিক হবেন। এছাড়াও অন্য রাজ্য থেকে ডিএজি পদমর্যাদার ৬ জন আধিকারিক থাকা উচিত, যাঁরা ওই ৪২ টি সিটের কাজের তত্ত্বাবধান করবেন।

7 months ago
BJP: পুলিসের অনুমতি না পেলেও নির্বাচনী হিংসার বিরুদ্ধে রাজপথে বিজেপি

কলকাতার রাজপথে মিছিলের অনুমতি পেল না রাজ্য বিজেপি (BJP)। বুধবার অনুমতি ছাড়াই পঞ্চায়েত ভোটের হিংসার প্রতিবাদে বুধবার রাস্তায় নামল বিজেপি। মিছিলে রয়েছেন রাজ্যের প্রথম সারির নেতারা। রয়েছেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সহ দিলীপ ঘোষরা।

এদিকে, পুলিসের অনুমতি না পেলেও কলেজ স্কোয়ার থেকে মিছিল শুরু করেছেন তাঁরা। জানা গিয়েছে, বুধবার কলেজ স্ট্রিট থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত মিছিল করবে বিজেপি। এদিকে, শুক্রবার তৃণমূলের 'শহীদ দিবস' পালন। ধর্মতলায় ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি শুরু হয়েছে । ধর্মতলাতে বিজেপির মিছিল হলে সমস্যা হতে পারে। সেক্ষেত্রে, পুলিস যে অনুমতি দেবে না মিছিলে, তা আগেভাগেই জানত রাজ্য বিজেপি। তাই তাঁরা পুলিসের অনুমতি ছাড়াই মিছিল শুরু করেছেন বলে খবর।

বিজেপি মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেন, 'গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় প্রতিবাদ করা, মিটিং-মিছিল করা রাজনৈতিক দলের অধিকার। তাই মিছিল মিছিলের মতো চলবে। পুলিস তো আটকানোর চেষ্টা করবেই। পুলিস ব্যারিকেড করবে, আমরা ব্যারিকেড ভাঙব। এভাবেই রাজনৈতিক আন্দোলন চলে।'

১২ হাজার ৪৯২ টি বুথ দখল, প্রায় ৬৫০ জন গুরুতর আহত, প্রায় ২ হাজার জন আহত। ১১ জনের মৃত্যু। এছাড়া নির্বাচন কমিশন ও মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ নিয়ে কলকাতার রাজপথে মহামিছিলে পা মেলালেন বিজেপি নেতা-কর্মীবৃন্দরা। বুধবার সকাল থেকেই এই মিছিল নিয়ে উত্তাপ ছড়িয়েছে। একদিকে যখন মিছিল রুখতে গার্ডরেল দিয়েছে পুলিস অন্যদিকে তখন রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের ছবি বুকে নিয়ে ধিক্কার মিছিল বিজেপির, পাশাপাশি কোমরে দড়ি বেঁধে অভিনব প্রতিবাদে নেমেছে বিজেপি।

8 months ago


Tmc: নির্বাচনী হিংসায় ঘাত-প্রতিঘাতে অন্যদের তুলনায় ৪ গুন বেশি মৃত্যু তৃণমূলেরই

মণি ভট্টাচার্য: পঞ্চায়েত নির্বাচন (Panchayat Election) ঘোষণার পর থেকে এখনও অবধি রাজ্যে মৃত্যুর সংখ্যা হাফ সেঞ্চুরি পার। কিন্তু এবার মৃত্যুর পরিসংখ্যান বলছে অন্যবারের তুলনায় চিত্রটা কিছুটা আলাদা। প্রত্যেকটি একক দলের কর্মীদের মৃত্যুর সংখ্যার তুলনায় ৪ গুন্ বেশি তৃণমূল কর্মীদের মৃত্যু হয়েছে। একটি অলিখিত সূত্রের খবর অনুযায়ী, এখনও অবধি রাজনৈতিক হিংসা (Political Violence), বোমা বিস্ফোরণ, ইত্যাদি সব মিলিয়ে মোট ৫৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। যদিও এই হিংসা ও মৃত্যু নিয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশনার জানিয়েছেন, মৃত্যু হয়েছে ১০ জনের। এছাড়া মমতা বন্দোপাধ্যায় অথাৎ মুখ্যমন্ত্রীর দাবি মৃত্যু হয়েছে ১৯ জনের। 

পঞ্চায়েত নির্বাচনে রাজনৈতিক হিংসায় বিরোধী দলগুলির থেকে শাসক দলের কর্মীর মৃত্যু বেশি হয়েছে এ ঘটনা বিরল, এমনটাই রাজনৈতিক মহলের দাবি, এঘটনায় অবশ্য শুভেন্দু অধিকারী মমতা বন্দোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে বলেন, 'মমতা বন্দোপাধ্যায় মৃত্যুর হিসেবে কমিয়ে বলছেন।'

যদিও সূত্রের খবর অনুযায়ী, গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব, বোমাবাজি, রাজনৈতিক হিংসায় রাজনৈতিক কর্মীর ছেলে, পোলিং এজেন্ট, প্রার্থীর পরিবার সহ তৃণমূল কর্মী বা তৃনমূল সমর্থনকারী মোট ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। যেখানে সমানভাবে বিজেপি কর্মী ও বিজেপি সমর্থনকারী মোট ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া ৭ জন কংগ্রেস কর্মীও রাজনৈতিক হিংসায় প্রাণ হারিয়েছেন। রাজনৈতিক হিংসায় বাদ যায়নি নির্দল বা সিপিআইএম। সিপিআইএম কর্মীদের ৪ জন প্রাণ হারিয়েছে, হিংসায় প্রাণ গিয়েছে ১ জন নির্দল কর্মীরও। এ ছাড়া ভাঙড়ে হিংসায় বৃহস্পতিবার অবধি প্রাণ গিয়েছে ৩ জন আইএসএফ কর্মীরও। ফলে এই পরিসংখ্যানে স্পষ্ট যে অন্য যে কোনও একক দলের কর্মীদের নিরিখে তৃণমূল কর্মীরাই বেশি প্রাণ হারিয়েছেন। বুধবার সাংবাদিক বৈঠকে মমতা বন্দোপাধ্যায় ১৯ জনের মৃত্যুর হিসেব দেখালেও রাজনৈতিক হিংসায় যে তৃণমূলেরই বেশি মৃত্যু হয়েছে সেটা স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দেন তিনি।

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার বেলা ১২টা অবধি অলিখিত সূত্রের খবর অনুযায়ী, পঞ্চায়েত নির্বাচনী হিংসায় দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ১৪ জন, মুর্শিদাবাদে ১৪ জন, কোচবিহারে ৬ জন, মালদহে ৬ জন, উত্তর দিনাজপুরে ৪ জন, নদিয়ায় ৩ জন, পুরুলিয়ায়, উত্তর ২৪ পরগনায়, পূর্ব বর্ধমানে ২ জন করে মৃত্যু হয়েছে, এছাড়া বীরভূম, দক্ষিণ দিনাজপুর, পশ্চিম মেদিনীপুরে ১ জন করে মৃত্যু হয়েছে।

পাশাপাশি অলিখিত সূত্রের খবর অনুযায়ী, ২০০৩ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনে ১ দফার ভোটে ৮০ জনের মৃত্যু হয়েছে, যেখানে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছিল ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। ২০০৮ সালে ৩ দফার ভোটে ৪৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল। যেখানে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছিল ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি ২০১৩ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনে ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে, যেখানে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছিল ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া ২০১৮ সালে ৩ দফার ভোটে ৭৫ জনের মৃত্যু হয়েছে, যেখানে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছিল ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া ২০২৩ সালে ১ দফা নির্বাচনে এখনও অবধি ৫৬ জনের মৃত্যু হয়েছে, যেখানে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

8 months ago
Electoral Violence: নির্বাচনী হিংসায় মৃত্যু হাফ সেঞ্চুরি পার, কমিশন কিন্তু কেবল দশেই দাঁড়িয়ে

মণি ভট্টাচার্য: রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election) হিংসায় মৃত্যুর সংখ্যা হাফ সেঞ্চুরি পার। পঞ্চায়েত নির্বাচন ঘোষণার পর থেকে রাজ্যে লাগামহীন সন্ত্রাস শুরু হয়েছে, যার শিকার হয়েছে শাসক দল থেকে বিরোধী দলগুলি। ফলত রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনী হিংসা (Violence) নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যাটা দাঁড়ালো ৫২ জন। রাজ্যের উত্তর থেকে দক্ষিণে মৃত্যু হয়েছে তৃণমূল,কংগ্রেস, বিজেপি, আইএসএফ সহ সব দলের কর্মীরই।  রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনে হিংসা ও মৃত্যুর সংখ্যা অন্যান্যবারের তুলনায় এবারও প্রায় সমান। গোটা রাজ্যের মুশিদাবাদ, মালদহ, দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা গুলিতে মৃতের সংখ্যা অপেক্ষাকৃত বেশি। এছাড়া সর্বাধিক মৃত্যুর সংখ্যায় মুর্শিদাবাদকে পিছনে ফেলে এগিয়ে রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা। 

মঙ্গলবার রাতে ভাঙড়ে আইএসএফ ও পুলিসের সংঘর্ষে ১ আইএসএসএফ ও এক সাধারণ যুবকের মৃত্যু হয়। পাশাপাশি বুধবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার সাগরদিঘি, ও রায়দিঘিতে ২ তৃণমূল কুমির মৃত্যু হয়। ফলে রাজ্যে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫২ জন। যদিও এখনও অবধি রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের দেওয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন ঘোষণার দিন থেকে এই প্রতিবেদন লেখা অবধি মৃত্যুর সংখ্যা ১০ জন। প্রসঙ্গত বলে রাখা ভালো, নির্বাচন ঘোষণার পর মুর্শিদাবাদে কংগ্রেস কর্মীর মৃত্যু দিয়ে শুরু হয়। এখনও অবধি সেই মৃত্যুর ধারা অব্যাহত।

পাশাপাশি বুধবার বেলা ২ টো অবধি অলিখিত সূত্রের খবর অনুযায়ী, পঞ্চায়েত নির্বাচনী হিংসায় দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ১৩ জন, মুর্শিদাবাদে ১৩ জন, কোচবিহারে ৬ জন, মালদহে ৪ জন, উত্তর দিনাজপুরে ৪ জন, নদিয়ায় ৩ জন, পুরুলিয়ায়, উত্তর ২৪ পরগনায়, পূর্ব বর্ধমানে ২ জন করে মৃত্যু হয়েছে, এছাড়া বীরভূম, দক্ষিণ দিনাজপুর, পশ্চিম মেদিনীপুরে ১ জন করে মৃত্যু হয়েছে।

পাশাপাশি অলিখিত সূত্রের খবর অনুযায়ী, ২০০৩ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনে ৮০ জনের মৃত্যু হয়েছে, যেখানে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছিল ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। ২০০৮ সালে ৩ দফার ভোটে ৪৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল। যেখানে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছিল ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি ২০১৩ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনে ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে, যেখানে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছিল ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া ২০১৮ সালে ৩ দফার ভোটে ৭৫ জনের মৃত্যু হয়েছে, যেখানে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছিল ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া ২০২৩ সালে ১ দফা নির্বাচনে এখনও অবধি ৫২ জনের মৃত্যু হয়েছে, যেখানে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

8 months ago


Delhi: দিল্লি রওনা দিলেন রাজ্যপাল, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে জানাতে পারেন হিংসার খবর

পঞ্চায়েত নির্বাচনের (PanchayatElection) পরদিনই দিল্লি (Delhi) রওনা রাজ্যপাল (Governor) সিভি আনন্দ বোসের (C. V. Ananda Bose)। সোমবার সকালে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করতে পারেন তিনি। রাজভবন সূত্রে এই খবর পাওয়া গিয়েছে। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে জেলায় জেলায় ঘুরেছেন রাজ্যপাল। হিংসায় আক্রান্ত পরিবারদের সঙ্গে নিজেও সাক্ষাৎ করেছেন। গ্রাউন্ড জিরোর সেই রিপোর্ট এবার তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে দেবেন বলে খবর।

কখনও ভাঙড়, ক্যানিং। আবার কখনও অশান্ত কোচবিহার বা মুর্শিদাবাদের প্রত্যন্ত অঞ্চল। সব জেলায় ঘুরেছেন, দল নির্বিশেষে কথা বলেছেন আক্রান্তদের সঙ্গে। পরিবারকে পাশে থাকার আশ্বাসও দিয়েছেন। ভোটের দিন সকালেও সক্রিয় ছিলেন। এরপরও ভোটের দিন রাজ্যে ১৯ জনের প্রাণ গিয়েছে। রবিবারও অশান্ত হয়েছে একাধিক এলাকা। ভোট শেষের পর রাজ্যপাল জানান, তাঁর যা করণীয় করবেন। এবার দিল্লির উদ্দেশে রওনা দিলেন তিনি।

নির্বাচনের দুদিন আগেও নির্বাচন কমিশনারকে কটাক্ষ করেছিলেন রাজ্যপাল। একটি মুখবন্ধ খাম কমিশনে জমা করেছিলেন। রাজভবনে তলবও করেছিলেন নির্বাচন কমিশনারকে। কিছুই কাজে দেয়নি। রাজ্যে নির্বাচনে হিংসা আটকানো যায়নি।

8 months ago
Chaos: ভোট পরবর্তী হিংসা গোটা রাজ্য জুড়ে, চলছে পুলিসের লাঠি চার্জ

ভোট পরবর্তী হিংসা বেশ মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে গোটা রাজ্য জুড়ে। পুননির্বাচনের দাবিতে রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে, দলীয় পতাকা নিয়ে রাস্তা অবরোধ ও বোমাবাজি করা হচ্ছে ক্রমাগত। প্রায় বেশিরভাগ বুথেই শুরু হয়েছে সেই বিক্ষোভ। পঞ্চায়েত নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণের পর থেকেই শুরু হয়েছে এই ঘটনা। শনিবার ভোট শেষ হয়ে গেলেও হিংসা, মারামারি, বোমাবাজি এখনও বন্ধ হয়নি। শনিবার দিনভর বুথে বুথে চলেছে ব্যালট লুঠ, ছাপ্পা ভোট ও মারধর। তবে এখনও সেই ঘটনা অব্যাহত রয়েছে পঞ্চায়েত এলাকাগুলিতে। 

আমডাঙা, নন্দকুমার, দিনহাটা, সালার সহ বেশকিছু পঞ্চায়েত এলাকা অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতিতে পরিণত হয়েছে। তৃণমূল সিপিআইএম-এর সংঘর্ষে জেলায় জেলায় শুরু হয়েছে বোমাবাজি। যদিও পুলিস বাহিনীকে দেখা গিয়েছে এই ঘটনায় লাঠি চার্জ করতে। বিক্ষোভকারীদের আটক করে তাঁদের লাঠি দিয়ে ব্যাপক মারধর করছে পুলিস। তাতেও পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যাচ্ছে না, এমনটাই দেখা যাচ্ছে। 

তবে নির্বাচনের দিন অর্থাত্ শনিবার পুলিসের সক্রিয়তা তেমন লক্ষ্য করা যায়নি। যার ফলে মৃত্যু হয়েছে অনেক কর্মী সমর্থকদের। বোমের আঘাতে, গুলির আঘাতে আহতও হয়েছেন অনেকে। তবে আজা সেই দিকে পুলিসের ততপরতা অনেকখানি লক্ষ্য করছে রাজ্যবাসী।   

8 months ago
Vote: জ্যোতি বাবুর জন্মদিনে তাঁর হাতে শুরু ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত নির্বাচনে হিংসার শ্রদ্ধাঞ্জলি

মণি ভট্টাচার্য: এর থেকে দুর্ভাগ্যের জন্মদিন কি হতে পারত! উত্তরটা হয়ত 'নয়'। আজ অর্থাৎ ৮ ই জুলাই রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও বামেদের অন্যতম কান্ডারী জ্যোতি বসুর জন্মদিন। আর আজই অর্থাৎ শনিবার রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে গোটা রাজ্যে। ১৯৭৮ সালে একদা তাঁর হাতেই শুরু হয় ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত নির্বাচন। এবার তাঁর জন্মদিনের দিনই ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হল, আর এদিনই যেন হিংসায়-মৃত্যুতে তাঁর জন্মদিনে শ্রদ্ধাঞ্জলি দিল গোটা বাংলা ও রাজ্য তথা রাজ্য নির্বাচন কমিশন।

নথি ও তথ্য বলছে,  ১৯৫৭ সালে পশ্চিমবঙ্গ পঞ্চায়েত আইন বা ওয়েস্ট বেঙ্গল পঞ্চায়েত অ্যাক্টের মাধ্যমে চালু হয় দ্বিস্তর পঞ্চায়েত ব্যবস্থা। এই ব্যবস্থায় গ্রাম স্তরে গ্রাম পঞ্চায়েত ও পুরনো ইউনিয়ন বোর্ড স্তরে অঞ্চল পঞ্চায়েত গঠিত হয়। ১৯৫৮ সালে এই আইন অনুসারে প্রথম নির্বাচন হয়। এরপর ১৯৬৩ সালে পশ্চিমবঙ্গ জেলা পরিষদ আইন বা ওয়েস্ট বেঙ্গল জিলা পরিষদ অ্যাক্টের মাধ্যমে ১৯৬৪ সালে ব্লক স্তরে আঞ্চলিক পরিষদ ও জেলা স্তরে জেলা পরিষদ গঠিত হয়। এই আইনের উদ্দেশ্য ছিল গ্রামোন্নয়নে স্থানীয় নির্বাচিত সংস্থাকে যুক্ত করা এবং উন্নয়ন ও পরিকল্পনার কাজে গণতান্ত্রিক বিকেন্দ্রীকরণ ও জনগণের অংশগ্রহণ সুনিশ্চিত করা। এইভাবে গড়ে ওঠে পশ্চিমবঙ্গের চার-স্তর পঞ্চায়েত ব্যবস্থা।

এরপর ১৯৭৭ সালে বামফ্রন্ট পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় গ্রামাঞ্চল শাসনের ক্ষেত্রে বিপ্লব সূচিত হয়। সেসময় মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন জ্যোতি বসু। এরপর ১৯৭৩ সাল থেকেই পঞ্চায়েত আইন পরিবর্তন হতে শুরু করে। শেষ আইনে ১৯৭৮ সালের জুন মাসে পশ্চিমবঙ্গের নবগঠিত ত্রিস্তর পঞ্চায়েত ব্যবস্থায় প্রথম গণতান্ত্রিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ভারতে এই প্রথমবার দলীয় প্রতীকের ভিত্তিতে একই দিনে পঞ্চায়েতের তিনটি স্তরে নির্বাচন হয়। এই নির্বাচনের ফলে ১৫টি জেলা পরিষদ, ৩২৪টি পঞ্চায়েত সমিতি ও ৩২৪২টি গ্রাম পঞ্চায়েত গঠিত হয়। ১৯৮৮ সালে দার্জিলিং জেলার পার্বত্য মহকুমাগুলিতে দার্জিলিং গোর্খা হিল কাউন্সিল হওয়ায় ওই জেলার জেলা পরিষদ অবলুপ্ত হয়। তার পরিবর্তে শিলিগুড়ি মহকুমায় একটি মহকুমা পরিষদ গঠিত হয়, যা একটি স্বতন্ত্র জেলা পরিষদের ক্ষমতা ও মর্যাদা ভোগ করে। ১৯৭৮ সাল থেকে প্রতি পাঁচ বছর অন্তর নিয়ম করে পঞ্চায়েতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।

শনিবার দশম বারের মত রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকাল থেকেই রাজ্য জুড়ে বোমা, গুলি ও সন্ত্রাসের দাপট দেখেছে গোটা বাংলা, যেখানে সিপিআইএম, কংগ্রেস, বিজেপি সহ তৃণমূল কর্মীরও মৃত্যু হয়েছে। গোটা বাংলা জুড়ে এ সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে পথে সরব হয়েছে বাম-কংগ্রেস দু'পক্ষই। এই প্রতিবেদন যখন লেখা হচ্ছে ততক্ষন পঞ্চায়েত ভোটের দিনে মৃত্যুর সংখ্যা ১৬ জন। পঞ্চায়েত নির্বাচন ঘোষণার পর হিংসায় রাজ্যে মোট মৃত্যু ৩৯ জনের। যদিও নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা দুপুরে জানান, প্রাথমিক ভাবে সামগ্রিক মৃত্যুর সংখ্যা ৩। ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েতী ব্যাবস্থার স্রষ্টার জন্মদিনে ত্রিস্তরীয় নির্বাচন। আর সেই নির্বাচনে স্রষ্টা জ্যোতি বাবুকে রক্তে, হিংসায়, সন্ত্রাসে, বোমায়, গুলিতে, মৃত্যুতে এর থেকে দুর্ভাগ্যের শ্রদ্ধার্ঘ্য কি দেওয়া যেতে পারত!

8 months ago


Election: প্রয়োজনে পুননির্বাচন, পঞ্চায়েতী হিংসা নিয়ে কি জানালেন কমিশনার রাজীব সিনহা

সকাল থেকে দুপুর, রাজ্যের পঞ্চায়েত ভোট শুরু হতেই লাগামহীন অশান্তির অভিযোগ উঠেছে। প্রতি মুহূর্তে প্রতিটি অভিযোগ জমা পড়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশনে। রাজ্যের প্রতিটি কোণ থেকে হিংসার এই অভিযোগে কার্যত বিরক্ত কমিশনের আধিকারিকরাও। অবশেষে রাজ্যের পঞ্চায়েত ভোটে বেশ কিছু বুথে পুননির্বাচনের ইঙ্গিত দিলেন রাজীব সিনহা। রাজ্যের নির্বাচন কমিশনার দাবি করেছেন, সরকারি ভাবে ভোট শেষ হলে তবেই এব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা জানিয়েছেন, 'সাতটি খুন এগুলি স্টেটের বিরুদ্ধে ক্রাইম। পুলিস ব্যবস্থা নেবে। ১২০০-১৩০০ বুথে গণ্ডগোলের মধ্যে ৬০০ সমাধান হয়েছে। যা অভিযোগ এসেছে সব জেলাশাসকদের পাঠানো হয়েছে। শান্তি বা অশান্তি বলা উচিৎ হবে না। কারণ প্রচুর অশান্তির খবর আসছে কমিশনের কাছে। সব কিছু শান্তিপূর্ণ হয়েছে যেমন বলা সম্ভব নয় তেমন অশান্তি হয়েছে এটাও বলা সম্ভব নয়। ১৫ হাজার বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী আছে। সব স্পর্শকাতর বুথেও বাহিনী মোতায়েন আছে। ফোর্স আসার সঙ্গে সঙ্গেই মোতায়েন হয়েছে'।

ভোটগ্রহণের দিন সকাল থেকেই একাধিক আশান্তির অভিযোগ এসেছে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকা থেকে। মৃতের সংখ্যা ১০ ছাড়িয়েছে। যদিও এই পরিস্থিতিতে ভোট শান্তিপূর্ণ কিনা তা জানাননি রাজীব সিনহা।

ভোটগ্রহণ পর্বে সকাল থেকে উত্তপ্ত বিভিন্ন এলাকা। বোমা ও গুলি চলেছে একাধিক জায়গায়। ঘটনার জেরে মৃত্যু হয়েছে ১০ জনেরও বেশি। সূত্রের খবর ইতিমধ্যে রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন শুভেন্দু অধিকারী। কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে তাঁর অভিযোগ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায় রাজ্যে অশান্তির পরিবেশ তৈরি করছে নির্বাচন কমিশনার। একইসঙ্গে কমিশনারকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাড়াটে খুনি বলেও কটাক্ষ করেন।

8 months ago
Murshidabad: দশে ১০! এ যেন ঠিক গণতন্ত্রের উৎ'শব' মুর্শিদাবাদে

গণতন্ত্রের উৎ'শব' পালনে মুর্শিদাবাদ যেন মডেল। যদিও গোটা রাজ্যেই মৃত্যু, হিংসা, ভোট বিভিন্ন জেলার তুলনায় পাল্লা দিয়ে বাড়ছে। এসব ক্ষেত্রে যদিও মুর্শিদাবাদ অনেকটা এগিয়ে। পঞ্চায়েত নির্বাচনের (Panchayat Election 2023) আবহে উত্তপ্ত বাংলা (West Bengal)। শনিবার সকাল থেকে ভোট গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরুর পর থেকেই দেখা যাচ্ছে সন্ত্রাসের ছবি। ঝরল রক্ত, চলছে দেদার ছাপ্পা ভোট। সকাল থেকে প্রাণ গেল বহুজনের। ফলে এই পঞ্চায়েত নির্বাচনকে কেন্দ্র করেই উত্তপ্ত হয়ে উঠল মুর্শিদাবাদ (Murshidabad)। ফলে মুর্শিদাবাদের চেনা ছবিই ফের প্রকাশ্যে। ভোট গ্রহণের সকাল থেকে এখনও অবধি মুর্শিদাবাদে প্রাণ গেল ৪ জনের। ফলে পঞ্চায়েত নির্বাচনকে ঘিরে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ১০। তৃণমূলের মোট ৪ জন, কংগ্রেসের ৩ জন, সিপিএম-এর ১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও দিকে দিকে বুথ দখল, ব্যালট লুঠ, বোমা ও গুলি চালানোর অভিযোগ উঠে আসছে।

কোথাও পিটিয়ে খুন, কোথাও গুলিবিদ্ধ। ভোট ঘোষণার পর রাজ্যে মুর্শিদাবাদে খুন দিয়ে রাজ্যের হিংসার শুরু হয়। মুর্শিদাবাদের খড়গ্রাম থানার রতনপুরে ভোট ঘোষণার পরেই ৯ই জুন খুন হয় কংগ্রেস কর্মী ফুলচাঁদ শেখ। এরপর থেকে মুর্শিদাবাদে হিংসার শুরু। শনিবার সকালে রেজিনগর থানার নাজিরপুরে মৃত্যু হয়েছে ইয়াসিন শেখ নামে এক শাসক দলের কর্মীর। অভিযোগ, দুষ্কৃতীদের ছোড়া বোমার আঘাতে মৃত্যু হয়েছে ইয়াসিনের। অভিযোগের তীর কংগ্রেসের দিকে। এছাড়াও সকালে মুর্শিদাবাদের খড়গ্রামেও একটি ফাঁকা জমি থেকে তৃণমূল কর্মী সাবিরুদ্দিন শেখের দেহ উদ্ধার করা হয়। শুক্রবার রাতেই রাজনৈতিক হিংসার বলি হন তৃণমূলের কর্মী বাবর আলি। অভিযোগের তীর কংগ্রেসের দিকে। আবার লালগোলা থেকেও আর এক মৃত্যুর খবর এসেছে। জানা গিয়েছে, মৃতের নাম রওশন আলী। এটা লালগোলার ময়া অঞ্চলের ১৫ নম্বর বুথের সামনের ঘটনা। অভিযোগ, লালগোলায় ভোট দিতে যাওয়ার সময় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা সিপিএম কর্মী রওশন আলীর মাথায় লাঠি দিয়ে মারে। তাঁকে মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে এলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।

এছাড়াও রানীনগর ১ নম্বর ব্লকের হেরামপুর ১৪৩ ও ১৪৪ নম্বর বুথ দখল করে ছাপ্পার পাশাপাশি বোমা ও গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে শাসকদলের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় চারজন গুরুতর জখম হয়েছেন। তাঁদের এই অবস্থায় মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। এই ঘটনায় গ্রামবাসীরা রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাচ্ছে। তাঁদের দাবি, 'ভারতের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে দিতে হবে আমাদেরকে, আমরা ভোট চাই ভোট দিতে চাই। আমাদের নিজের ভোট নিজেরা দেব।' তাঁরা অভিযোগ করছেন, ইসলামপুর থানার পুলিস ও তৃণমূল বাহিনীরা সকাল থেকে ১৪৩ নম্বর এবং ১৪৪ নম্বর বুথে গ্রামবাসীদের প্রবেশ করতে দেয়নি। তৃণমূল বাহিনী নিজেরাই সবার ভোট দিচ্ছে।

আবার বহরমপুরে অন্য এক দৃশ্য দেখা গেল। বহরমপুরের গোয়ালজান গার্লস হাই স্কুলের ২১২ ও ২১৩ নম্বর ভোট কেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা ঘটায়, ব্যালট বাক্স ছুঁড়ে দেওয়া হয় ভাগীরথী নদীতে। স্থানীয় সূত্রে খবর, সকালের দিকে শান্তিপূর্ণ ভোট চলছিল। হঠাৎই তৃণমূলের কিছু দুষ্কৃতীরা বুথ দখল করে, চলে ছাপ্পা ভোট। ঘন্টা খানেকের মধ্যে সব ছাপ্পা ভোট হয়ে যায়। পরে যখন তৃণমূলের লোকজন ওই বুথ ছেড়ে চলে যায়, এই অবস্থা দেখে বিজেপি সমর্থকেরা ব্যালট বাক্স ভাগীরথী নদীতে ফেলে দেয়। অন্যদিকে উত্তপ্ত ইসলামপুরের ঘুঘুপাড়া। বিরোধীদের কাউকেই ভোট কেন্দ্রে যেতে দেওয়া হচ্ছেনা বলে অভিযোগ। প্রচন্ড গোলাগুলি চলার কারণে ভোটকেন্দ্রে ভোট দিতে আসা কিছু মহিলা, ভয়ে তাঁদের বাড়িও ফিরতে পারছে না বলে সূত্রের খবর।

আবার বেলডাঙা থানা অন্তর্গত বিষণনগর টিটি প্রাইমারি স্কুলে ৪৮ নম্বর বুথেও ভোটের আগেই বুথ দখলের অভিযোগ উঠেছে শাসকদলের বিরুদ্ধে। জানা গিয়েছে, পুলিসের মদতে শাসকদলের পক্ষ থেকে বুথ দখল হয়ে যায়। ভরতপুর এক নম্বর ব্লকের সৈয়দকূলুট গ্ৰামে ৯৬ ও ৯৭ নম্বর বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবিতে বিক্ষোভ। সাধারণ মানুষ পুলিসের সঙ্গে প্রথমে বাতবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়ে যা পরে রূপ নেয় রণক্ষেত্রে। পুলিসকে লক্ষ্য করে চলে ইটবৃষ্টিও। ভরতপুর এক নম্বর ব্লকের সিজগ্রাম পঞ্চায়েতের মনসুরপুর গ্রামের দুটি বুথে ভোটারদের প্রভাবিত করা, হুমকি দেওয়া ও বুথ দখলের অভিযোগও উঠেছে শাসক দলের বিরুদ্ধে। চোয়াপাড়া অঞ্চলের কীর্তনিয়াপাড়া বুথে ছাপ্পা ও ব্যালট বাক্স ছিনতাইয়ের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ফলে ভোটগ্রহণের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মুর্শিদাবাদের এই পরিস্থিতি, তাই এর পরে আর কী কী ঘটতে চলেছে, তাই এখন দেখার।

8 months ago