Breaking News
ED: মিলে গেল কালীঘাটের কাকুর কণ্ঠস্বর, শ্রীঘই হাইকোর্টে রিপোর্ট পেশ ইডির      Ram Navami: রামনবমীর আনন্দে মেতেছে অযোধ্যা, রামলালার কপালে প্রথম সূর্যতিলক      Train: দমদমে ২১ দিনের ট্রাফিক ব্লক, বাতিল একগুচ্ছ ট্রেন, প্রভাবিত কোন কোন রুট?      Sarabjit Singh: ভারতীয় বন্দি সরবজিৎ সিং-এর হত্যাকারী সরফরাজকে গুলি করে খুন লাহোরে      BJP: ইস্তেহার প্রকাশ বিজেপির, 'এক দেশ এবং এক ভোট' লাগু করার প্রতিশ্রুতি      Fire: দমদমে ঝুপড়িতে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড, ঘটনাস্থলে দমকলের একাধিক ইঞ্জিন      Bengaluru Blast: বেঙ্গালুরু ক্যাফে বিস্ফোরণকাণ্ডে কাঁথি থেকে দুই সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করল এনআইএ      Sheikh Shahjahan: 'সিবিআই হলে ভালই হবে', হঠাৎ ভোলবদল শেখ শাহজাহানের      CBI: সন্দেশখালিকাণ্ডে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের...      NIA: ভূপতিনগর বিস্ফোরণকাণ্ডে এবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ NIA     

UP

Corona bengal: রাজ্যে করোনার সংক্রমণ সামান্য বাড়লেও কমেছে মৃত্যু

রাজ্যে করোনার সংক্রমণ (Corona Infection) সামান্য বাড়লেও মৃত্যুসংখ্যা কমল। শনিবার রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৪৬১ এবং মৃত্যু হয়েছিল ৩ জনের। কিন্তু রবিবার আক্রান্তের সংখ্যা সামান্য বেড়ে হয়েছে ৪৭৯ এবং মৃত্যুসংখ্যা (Death) কমে হয়েছে ২। ফলে মৃত্যুসংখ্যাকে শূন্যে নামিয়ে আনার যে চ্যালেঞ্জ রাজ্যের সামনে ছিল, তা পূরণে ধীরে ধীরে এগিয়ে যাওয়ার লক্ষণ স্পষ্ট। 

তবে বরাবরের মতো এদিনও সুস্থতার সংখ্যা ছিল আক্রান্তের তুলনায় সামান্য বেশি, ৬৭৪। তার জেরে সক্রিয় আক্রান্তের (Active Cases) সংখ্যার উর্ধ্বমুখী ধারায় এদিনও ছেদ পড়েনি। এদিন সক্রিয় আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৫৬৮৭। এর মধ্যে হোম আইসোলেশনে (Home Isolation) রয়েছেন ৫৫১২ জন এবং হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ১৭৫ জন।

বিশেষজ্ঞরা বরাবরই বলে আসছেন, এবারের করোনা-চিত্রে উল্লেখযোগ্য স্বস্তির দিক হল, অধিকাংশ আক্রান্তই বাড়িতে থেকে চিকিত্সা করিয়ে সুস্থ হয়ে উঠছেন। এদিনের পরিসংখ্যানে সেই ধারাবাহিকতাই বজায় রয়েছে। 

করোনার নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা এখনও পর্যন্ত মোটামুটি খুব একটা কম নেই। রবিবার ছুটির দিনের পরিসংখ্যানেও দেখা যাচ্ছে, ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ১০ হাজারের কিছু বেশি। অর্থাত্, করোনার উপসর্গ এখনও বহু মানুষের শরীরে দেখা যাচ্ছে। আর সেই কারণেই তাঁরা ছুটে যাচ্ছেন পরীক্ষা কেন্দ্রে। যদিও পজিটিভিটি রেট এদিনও ছিল বেশ কম, ৪.৭৮ শতাংশ। উল্লেখ্য, গত কদিন ধরেই পজিটিভিটি রেট (Positivity Rate) রয়েছে ৫ শতাংশের নিচে। ফলে সংক্রমণ চিত্রে ধীরে হলেও আশার আলো দেখা যাচ্ছে।   

2 years ago
Corona India: দেশে সংক্রমণ কমল, মৃত্যুসংখ্যাও নিম্নমুখী

গত কয়েকদিন ধরে দেশের করোনা পরিসংখ্যান (Covid-19) উদ্বেগ বাড়িয়েছিল। তবে দু'দিনের করোনা গ্রাফে (Coronavirus) সাময়িক স্বস্তি মিললেও এখনও ভয় কাটেনি বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা। যদিও মৃত্যুসংখ্যা (Death) সামান্য নিম্নমুখী। এর মধ্যে স্বস্তি কেবল নিম্নমুখী অ্যাকটিভ কেসে (Active Case)।

রবিবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ১৪ হাজার ০৯২ জন। যা শনিবার ছিল ১৫ হাজার ৮১৫ জন। গতকালের তুলনায় কম। একদিনে মৃত্যু হয়েছে ৪১ জনের। শনিবার যেখানে মৃত্যুসংখ্যা ছিল ৬৮। মৃত্যুসংখ্যা যে নিম্নমুখী, তা পরিসংখ্যান থেকে স্পষ্ট। রিপোর্ট অনুযায়ী, মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৫ লক্ষ ২৭ হাজার ০৩৭ জন।

রিপোর্ট অনুযায়ী, গোটা দেশে অ্যাকটিভ কেসের হার ০.২৬ শতাংশ। দেশের সক্রিয় রোগী বর্তমানে হয়েছে ১ লক্ষ ১৬ হাজার ৮৬১। এখনও পর্যন্ত দেশে ৪ কোটি ৩৬ লক্ষ ০৯ হাজার ৫৬৬ জন করোনা থেকে মুক্ত হয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৮ হাজার ০৫৩ জন। সুস্থতার হার ৯৮.৫৪ শতাংশ।

উল্লেখ্য, দেশে করোনা টিকার ডোজ দেওয়া হয়েছে ২০৭ কোটি ৯৯ লক্ষ ৬৩ হাজার ৫৫৫ জনকে। গত ২৪ ঘণ্টাতেই টিকা পেয়েছেন ২৮ লক্ষের বেশি। গতকাল দেশে ৩ লক্ষ ৮১ হাজার জনের নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। এখনও চিন্তায় রাখছে কেরল, তামিলনাড়ু, পশ্চিমবঙ্গ, কর্ণাটকের মতো রাজ্যগুলির করোনা পরিসংখ্যান। নতুন করে সংক্রমণ বেড়েছে রাজধানী দিল্লিতেও।

2 years ago
Corona bengal: রাজ্যে করোনায় পজিটিভিটি রেট শনিবারও ৫ শতাংশের নিচেই

শনিবার রাজ্যের করোনা-চিত্রে তেমন কোনও পরিবর্তন এল না। বৃহস্পতিবার করোনা আক্রান্ত (Corona New Cases) এবং মৃতের সংখ্যা (Death) ছিল যথাক্রমে ৪৭২ এবং ৩। শনিবার এই দুটি সংখ্যা হয়েছে যথাক্রমে ৪৬১ এবং ৩। অর্থাত্, আক্রান্তের সংখ্যা সামান্য কমেছে। কিন্তু মৃত্যুসংখ্যা একই রয়েছে। অবশ্য, কদিন আগেও রাজ্যে করোনায় ৪-৫ জনের মৃত্যুর খবর আসছিল। সেই হিসাবে মৃত্যুসংখ্যা নিম্নমুখী। তবে এতে স্বস্তির জায়গা নেই। কারণ, করোনায় একজনেরও মৃত্যু কাঙ্খিত নয়। বরাবরই বিশেষজ্ঞরা বলে আসছেন, মৃত্যুসংখ্যাকে শূন্যে নামিয়ে আনাটাই রাজ্যের কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। সেই লক্ষ্যে রাজ্য কতখানি সফল হয়, সেটাই এখন দেখার। 

যদিও করোনা নিয়ে মানুষের মধ্যে সচেতনতার অভাব একই জায়গায় রয়ে গিয়েছে। রাস্তাঘাটে মাস্ক ব্যবহারে অনীহা তার মধ্যে সবচেয়ে বড় উদাহরণ। বাইরের রাজ্যের দিকে তাকালে দেখা যাবে, করোনার সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে বেশ কয়েকটি রাজ্য ফের মাস্ক ব্যবহারে কড়াকড়ি শুরু করেছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল দিল্লি। সেখানে জনবহুল স্থানে মাস্ক ছাড়া ধরা পড়লেই ৫০০ টাকা জরিমানার কথা ঘোষণা করেছে প্রশাসন। এর জন্য সেখানে বেশ কয়েকটি বিশেষ বাহিনীও গঠন করা হয়েছে। ফলে এমন দিন যাতে না আসে, তার জন্য কিছুটা নজরদারি এবং কড়া পদক্ষেপ দরকার বলেই অনেকে মনে করছেন। 

করোনায় এবারের চিত্রে সবচেয়ে আশার দিকটি হল, সুস্থতার সংখ্যা (Recovery) বরাবরই বেশি থাকছে। যার জেরেই সক্রিয় আক্রান্তের (Active Cases) সংখ্যা ধাপে ধাপে অনেকটা কমে এসেছে। যেমন এদিন সেই সংখ্যা ছিল ৫৮৮৪। এর মধ্যে ৫৭০০ জনই হোম আইসোলেশন, অর্থাত্ বাড়িতে থেকেই সুস্থ হয়ে উঠছেন। বাকি মাত্র ১৮৪ জন ভর্তি রয়েছেন হাসপাতালে। 

আরও একটি আশার বিষয় হল, পজিটিভিটি রেটও (Positivity Rate) নেমে এসেছে ৫ শতাংশের নিচে, এদিন যা ছিল ৪.১১ শতাংশ।

2 years ago


SP SINHA: নিয়োগ-দুর্নীতিতে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ভূমিকা কী ছিল? এস পি সিনহার মুখে কুলুপ

নিয়োগ-দুর্নীতি মামলায় প্রাক্তন এসএসসি কর্তা এসপি সিনহা এবং অশোক সাহাকে গ্রেফতার(arrest) করে সিবিআই(CBI)। ইতিমধ্যেই তাঁদের দু-রাত কাটল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হেফাজতে(custody)। তবে সূত্রের খবর, তদন্তে অসহযোগিতা(non cooperation) করছেন এসপি সিনহা ও অশোক সাহা। উল্লেখ্য, তাঁদের দুজনকেই নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন সিবিআই আধিকারিকরা। কিন্তু নিয়োগের ক্ষেত্রে তথ্য খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে দাবি সিবিআই-এর। সেগুলির খোঁজ দিচ্ছেন না এসপি সিনহা ও অশোক সাহা। অথচ তাঁরাই ছিলেন এই তথ্যের দায়িত্বে। নিয়োগ কে বা কারা করেছিল, জানতে চায় সিবিআই।

সিবিআই সূত্রে খবর, নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পরে নানা তথ্য হাতে এসেছে সিবিআই-এর। সেখান থেকেই যোগসূত্র খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা করছে সিবিআই। তবে এসপি সিনহা একেবারে মুখে কুলুপ এঁটেছেন বলে সূত্রের খবর। অশোক সাহা সামান্য কিছু বক্তব্য রেখেছেন। তা রেকর্ড করা হয়েছে, লিখিত এবং ভিডিও।

সিবিআইয়ের প্রশ্ন ছিল, নিয়োগের তথ্যকারী ডিস্ক গায়েবের পিছনে কার হাত?  

পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ভূমিকা কী ছিল? তবে এই প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছেন না এসপি সিনহা, খবর সিবিআই সূত্রে।

2 years ago
Bankura: যারা টাকা নিয়েছে, তাদের টুঁটি টিপে আদায় করুন, নিদান বিজেপি বিধায়কের

এবার বিতর্কে বিজেপি বিধায়ক (BJP MLA)। শুক্রবার একটি জনসভায় যোগ দেন বিজেপি বিধায়ক অমরনাথ শাখা (Amarnath Sakha)। সেখানে তিনি বক্তব্য রাখতে গিয়ে কটাক্ষের সুরে বলেন, "কেউ চাকরির (job) জন্য তৃণমূল নেতাদের (trinamul leader) টাকা দিয়েছেন, কেউ আবার সরকারি বাড়ি পাওয়ার জন্য তৃণমূল নেতাদের টাকা দিয়েছেন। যারা টাকা নিয়েছে তাদের টুঁটি টিপে টাকাটা আদায় করুন। নাহলে গয়ারাম নেতারা পালিয়ে যাবে। অনেকেই বাইরে জায়গা কিনে নিয়েছে। তারা পালিয়ে যাবে।" বিজেপি বিধায়কের এমন মন্তব্যে স্বাভাবিকভাবেই পারদ চড়তে শুরু করেছে বাঁকুড়ার (Bankura) রাজনৈতিক মহলে।

জানা যায়, বাঁকুড়ার ওন্দা বিধানসভার জামজুড়ি গ্রামে একটি সভায় বক্তব্য রাখেন ওন্দার বিজেপি বিধায়ক অমরনাথ শাখা। সেখানে দলীয় কর্মী ও এলাকার বাসিন্দাদের এমন নিদান দেন বিধায়ক। তাঁর সেই বক্তব্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে বিতর্ক। তাঁর এমন বক্তব্যে তৃণমূলের দাবি, উস্কানিমূলক এই বক্তব্যের মাধ্যমে বিজেপি বিধায়ক আসলে এলাকায় অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করেছেন। এরপর এলাকায় কোনও অশান্তি হলে তার দায় বিধায়কের। 

তৃণমূলের এই বক্তব্যকে অবশ্য বিধায়ক বিশেষ একটা গুরুত্ব দিতে নারাজ। তাঁর দাবি, তাঁর ওই বক্তব্য ছিল দুর্নীতিগ্রস্থ তৃণমূল নেতাদের জন্য। তৃণমূলের উপর থেকে নিচ সকলেই চোর। সেই চোর নেতাদের কাছ থেকেই দেওয়া টাকা আদায়ের কথা নিজের বক্তব্যে তুলে ধরা হয়েছেন তিনি। 

2 years ago


Anubrata Treatment: বিধায়কের নির্দেশেই অনুব্রতর বাড়িতে মেডিক্যাল টিম, বিস্ফোরক হাসপাতাল সুপারের

অনুব্রত মণ্ডলের চিকিৎসা কাণ্ডে এবার নাম জড়াল সিউড়ির বিধায়ক বিকাশ রায়চৌধুরীর। বোলপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের সুপার বুদ্ধদেব মুর্মুর মৌখিক নির্দেশ পেয়ে অনুব্রত মণ্ডলের চিকিৎসা করতে তাঁর বাড়িতে গিয়েছিলেন ওই হাসপাতালেরই চিকিত্সক চন্দ্রনাথ অধিকারী। তারপরই ডাঃ অধিকারী বিস্ফোরক মন্তব্য করেন, তাঁকে সুপার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তার জন্যই অনুব্রত মণ্ডলের বাড়িতে গিয়েছিলেন তিনি। এরপরই অনুব্রত মণ্ডল গ্রেফতার হন। আর সেই দিনই সিবিআইয়ের প্রতিনিধিদল চন্দ্রনাথ অধিকারীর বাড়িতে যায় এবং হাসপাতালের সুপার বুদ্ধদেব মুর্মুকেও নোটিস করা হয়। 

অন্যদিকে, হাসপাতালের সুপার বুদ্ধদেব মুর্মুর দাবি, এই নির্দেশটা আমাকে দিয়েছিলেন জেলা পরিষদের জেলা সভাধিপতি তথা সিউড়ির বিধায়ক বিকাশ রায়চৌধুরী। তাঁকে ফোন করে বলেছিলেন, অনুব্রত মণ্ডল খুব অসুস্থ। তাড়াতাড়ি উনার বাড়িতে মেডিক্যাল টিম পাঠান। আমি উনাকে বলেছিলাম, যদি কোনওভাবে উনাকে হাসপাতালে আনা যায়। তারপরেও উনি বলেছিলেন, তাড়াতাড়ি মেডিক্যাল টিম পাঠান, উনি খুব অসুস্থ।  

সুপার বলেন. আমি তখন ছুটিতে ছিলাম। তাই আমার এক সহকর্মী, যিনিও সেদিন ডিউটিতে অফ ছিলেন, তাঁকে অনুরোধ করেছিলাম, উনি যদি বাড়িতে গিয়ে একটু দেখে দিয়ে আসেন। সেই হিসাবেই ডাক্তারবাবু গিয়েছিলেন।

কেউ অসুস্থ হলে এভাবে কি মেডিক্যাল টিম পাঠানো যায়? প্রশ্নের উত্তরে সুপার বুদ্ধদেব মুর্মু বলেন, অনুব্রত মণ্ডল উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারম্যান, তার সঙ্গে জেড ক্যাটাগরির নিরাপত্তা পান। বোলপুর একটি ইয়ারমার্কড হাসপাতাল। সুপারের হাতে চিকিত্সার ক্ষমতা দেওয়া থাকে, ব্লাডও মজুত রাখতে হয়। সেই হিসাবেই টিম গিয়েছিল। 

তিনি অবশ্য পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন, ১৪ দিনের বেড রেস্ট লেখার কোনও নির্দেশ তাঁর পক্ষ থেকে দেওয়া হয়নি। আর সাদা কাগজে প্রেসক্রিপশনের ব্যাপারে তাঁর বক্তব্য, যেহেতু অনুব্রত মণ্ডল হাসপাতালে আসেননি এবং আমার কাছে কোনও লিখিত নির্দেশ ছিল না, তাই আমি সরকারি কাগজ ব্যবহার করতে বারণ করেছিলাম। 

তিনিও এখন ছুটিতে রয়েছেন। তবে সিবিআই ডাকলে তিনি অবশ্যই যাবেন, সহযোগিতা করবেন এবং এই কথাগুলিই বলবেন বলে জানিয়েছেন।      

2 years ago
Weather Update: বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা, জেনে নিন বাংলার জেলাগুলির আবহাওয়া

চলতি মরশুমে সেভাবে বৃষ্টিপাত (Rain) পায়নি দক্ষিণবঙ্গবাসী (South Bengal)। অবশেষে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপের জেরে স্বস্তি ফিরেছে কিছুটা। তবে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস (Weather Update) দিলেও তার দেখা মেলেনি। মাঝারি থেকে হালকা বৃষ্টিতে ভিজেছে দক্ষিণবঙ্গ।

আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আজ,শুক্রবার পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং বাঁকুড়ার কোনও কোনও জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়াও বাকি জেলাগুলির কোথাও কোথাও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে বলে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে। আপাতত তাপমাত্রার পরিবর্তনেরও কোনও সম্ভাবনা নেই বলে জানানো হয়েছে আবহাওয়া দফতরের তরফে।

অন্যদিকে, ১৩ অগাস্ট শনিবার সকালের উত্তরবঙ্গের কোথাও ভারী বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। তবে সবকটি জেলারই কোথাও না কোথাও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী দিন পাঁচেকে তাপমাত্রার হেরফের হওয়ারও কোনও সম্ভাবনা নেই বলে জানানো হয়েছে আবহাওয়া দফতরের তরফে।

আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, কলকাতা ও আশপাশের এলাকার পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় আকাশ মেধলা থাকবে। সঙ্গে কয়েক পশলা বৃষ্টি কিংবা বজ্রবিদ্যুতের সম্ভাবনা রয়েছে। সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ৩১ ও ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে। এদিন কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৫.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। সর্বোচ্চ আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৯৫ শতাংশ।

2 years ago
Opposition: 'দুর্নীতিতে দলের জিরো টলারেন্স', দাবি তৃণমূলের, আক্রমণ বাম-বিজেপি-কংগ্রেসের

বৃহস্পতিবার সকালে অনুব্রতর গ্রেফতারিকে (Anubrata Arrest) স্বাগত জানিয়েছে রাজ্যের বিরোধী দলগুলো। এদিন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikary) বলেন, 'সিবিআইয়ের দেশে গরিমা আছে। তাদের উদ্দেশে প্রশ্ন তুলছিল মানুষ। তাই সিবিআই সঠিক কাজ করেছে। আইনের আওতায় এনে তদন্ত প্রক্রিয়া চালাবে সিবিআই। অনুব্রত মণ্ডল একজন মাফিয়া। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (CM Mamata) প্রশ্রয়ে-আশ্রয়ে একজন মুদির দোকানি থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক।'

এদিন সিপিএম-র রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম বলেন, 'বিড়াল যদি বলে মাছ খাব না, তাহলে কে বিশ্বাস করবে? কয়লা পাচার-কাণ্ডে নাম না জড়ালে কেউ নাম জানত অভিষেকের। আর ওই বৈভবের টাকায় তো শহরজোড়া হোর্ডিং।'

শুধু বিজেপি বাম-নয় সরব ছিল কংগ্রেসও। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী বলেন, 'বাংলার এই দুর্নীতি নিয়ে আমরা আগেও বলেছি। এখন যেটা দেখছেন সেটা হিমশৈলের চূড়া।' দেখুন আর কী বললো বাম-বিজেপি-কংগ্রেস।

এদিকে, কোনও অনৈতিক কাজ এবং দুর্নীতিকে তৃণমূল প্রশ্রয় দেয় না। দুর্নীতির (Corruption) বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স দলের। অনুব্রতর (Anubrata Mondal) গ্রেফতারির পর জানাল তৃণমূল কংগ্রেস। বৃহস্পতিবার শাসক শিবিরের তরফে সাংবাদিক বৈঠক করেন রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য (Minister Chandrima Bhattacharya) এবং প্রাক্তন বিধায়ক সমীর চক্রবর্তী। চন্দ্রিমাদেবী জানান, দলনেত্রী-সহ তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট করেছেন, মানুষের পক্ষে যা ক্ষতিকর বা মানুষকে যদি কেউ ঠকায়, সেই কাজকে দল সমর্থন করে না। আগে এবং আজও তৃণমূলের এই বিষয়ে অবস্থান একই। মানুষের সমর্থনে তিন বার তৃণমূল রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছে এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন। তাই মানুষের আশীর্বাদ ছাড়া কোনও সম্পদে তৃণমূলের আর কোনও আগ্রহ নেই।

2 years ago


Corona bengal: রাজ্যে করোনার সংক্রমণ সামান্য বাড়ল, মৃত্যু কমে ৪

বুধবারের তুলনায় বৃহস্পতিবার করোনা সংক্রমণ (Corona New Cases) সামান্য বাড়ল। তবে মৃত্যুসংখ্যা (Death) সামান্য হলেও কমেছে। বুধবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৫১৯, মৃত্যুসংখ্যা ছিল ৫। কিন্তু বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় স্বাস্থ্য দফতর যে বুলেটিন প্রকাশ করেছে, তাতে আক্রান্তের সংখ্যা সামান্য বেড়ে হয়েছে ৫৯৮ এবং মৃত্যুসংখ্যা কমে হয়েছে ৪। অর্থাত্, বৃহত্তরভাবে দেখতে গেলে রাজ্যের করোনা-চিত্রে তেমন উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ২৪ ঘণ্টায় হয়নি। যদিও গত কদিনের পরিসংখ্যান বিচার করে বলাই যায়, সংক্রমণ আগের তুলনায় অনেকটাই কমেছে। কমেছে মৃত্যুও। কিন্তু একজনেরও মৃত্যুও কখনও কাম্য নয়। সেই হিসাবে মৃত্যুসংখ্যাকে শূন্যে নামিয়ে আনাটাই রাজ্যের কাছে এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

সেই চ্যালেঞ্জের মোকাবিলায় রাজ্য আগামিদিনে কী পদক্ষেপ নেয়, সেটাই এখন দেখার। কারণ, দিল্লিতে সংক্রমণের মোকাবিলায় ইতিমধ্যেই জনবহুল স্থানে মাস্ক (Mask) ব্যবহার নিয়ে সেখানকার প্রশাসন কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে। মাস্কবিহীন অবস্থায় ধরা পড়লেই ৫০০ টাকা জরিমানার (Fine) কথা ঘোষণা করেছে সেখানকার প্রশাসন। এমনকী নজরদারি চালানোর জন্য সেখানে বিশেষ বাহিনীও গঠন করা হয়েছে। সেই জায়গায় রাজ্যে সচেতনতার বিষয়টি সাধারণ মানুষের সদিচ্ছার উপরই ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

করোনায় সুস্থতার (Recovery) সংখ্যা বেড়ে যাওয়াটাই রাজ্যের কাছে এখন সবচেয়ে আশার কথা। বৃহস্পতিবারও যেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ৫৯৮, সেখানে সুস্থতার সংখ্যা ৮০২। ফলে সক্রিয় আক্রান্তের (Active Cases) সংখ্যা ধীরে ধীরে কমছে। যেমন এদিন তা ছিল ৬২১৭। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন মাত্র ২২১ জন। করোনায় নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা বেড়েছে। এদিন তা ছিল ১২ হাজারের কাছাকাছি। এদিন পজিটিভিটি রেট ছিল ৫.০২ শতাংশ।

2 years ago
Jagdeep: ১৪তম উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকর, বড় চ্যালেঞ্জ রাজ্যসভায় বিরোধীদের সামলানো

দেশের ১৪তম উপরাষ্ট্রপতি (Vice President of India) হিসেবে শপথ নিলেন জগদীপ ধনকর। বৃহস্পতিবার তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (President Draupadi Murmu)। এদিন ধনকর হিন্দিতে শপথ নিয়েছেন। এই অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি ভবনে উপস্থিত ছিলেন বিদায়ী উপরাষ্ট্রপতি বেঙ্কাইয়া নায়ডু। যদিও জগদীপ ধনকরের (Jagdeep Dhankar) শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান বয়কট করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। বাংলার শাসক দলের কাছে আমন্ত্রণ গেলেও এই অনুষ্ঠানে গরহাজির ছিলেন লোকসভার নেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং রাজ্যসভার নেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন।


প্রসঙ্গত, গত ৬ অগস্ট উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধী জোট প্রার্থী মার্গারেট আলভাকে হারিয়ে বড় ব্যবধানে জয়লাভ করেন এনডিএ প্রার্থী ধনকর। এই ভোটদানে বিরত ছিল তৃণমূল কংগ্রেস। এনডিএ-র প্রার্থীর পক্ষে গিয়েছে ৫২৮টি ভোট, বিরোধী জোটের প্রার্থী আলভা পেয়েছেন ১৮২টি ভোট।

এদিকে, আগামি শীতকালীন অধিবেশন থেকে রাজ্যসভা পরিচালনার ভার ধনকরের উপর। সংবিধান মেনে দেশের উপরাষ্ট্রপতি রাজ্যসভার চেয়ারম্যান পদে নিযুক্ত হন। কিন্তু এই আগামি এই অধিবেশন বড় চ্যালেঞ্জের হতে চলেছে ধনকরের কাছে। কারণ এই মুহূর্তে সংখ্যাতত্বের বিচারে সংসদের উচ্চকক্ষে শাসক এবং সম্মিলিত বিরোধীর সাংসদ সংখ্যা প্রায় এক। এনডিএ জোটের সাংসদ সংখ্যা ১১৪ আর বিজেপি বিরোধীদের সাংসদ সংখ্যা ১০৭ জন। এই তালিকায় নাম নেই বিজেডি এবং ওয়াইএসআর কংগ্রেসের। কারণ রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মত, এই দুটি বল জাতীয় রাজনীতিতে নীরব থেকে বহুবার বিজেপিকে প্রছন্ন মদত জুগিয়েছে।

অনেক সময় সংসদে ভোটাভুটি থেকে ওয়াকআউট করে সুবিধা কোরে দিয়েছে শাসক এনডিএ-কে। তাই তাদের বিরোধীতা ছাড়াও রাজ্যসভায় ১০৭টি বিরোধী সাংসদের কণ্ঠ মোদী সরকারের কানে পৌঁছতে বাধ্য। এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। সেক্ষেত্রে বিরোধী হল্লা সামলে সুষ্ঠুভাবে রাজ্যসভা পরিচালনা এখন বড় চ্যালেঞ্জ হবে জগদীপ ধনকরের কাছে।

2 years ago


SSC: নিয়োগ-দুর্নীতি, এসএসসি-র প্রাক্তন উপদেষ্টাকে জেরা

এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এসপি সিনহা ও অশোক সাহাকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দিল আলিপুর আদালত। এসএসসি(SSC) নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআই দফতরে রাতভর জেরা(interrogation) করা হয় এসপি সিনহাকে।গতকাল মেডিক্যাল টেস্টের(medical test) পর সিবিআই দফতরে চলে রাতভর জেরা। জেরায় নিয়োগ সুপারিশের দায় এড়িয়েছেন তিনি। কমিটির(committee) প্রধান হলেও তাঁর কাছে পূর্ণ ক্ষমতা(power) ছিল না। তাঁর সই(sign) জাল করে তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে, জেরায় দাবি এসপি সিনহার।

উল্লেখ্য, এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এসএসসি-র উপদেষ্টা কমিটির প্রাক্তন কনভেনর শান্তিপ্রসাদ সিনহা এবং এসএসসি-র প্রাক্তন সচিব অশোক সাহাকে বুধবার গ্রেফতার করে সিবিআই৷ সূত্রের খবর, এসএসসি-র মাধ্যমে নিয়োগের ক্ষেত্রে এই উপদেষ্টা কমিটিকে কারা নিয়ন্ত্রণ করত, বেআইনিভাবে চাকরি কাদের নির্দেশে দেওয়া হত, এসপি সিনহা এবং অশোক সাহার থেকে তা জানতে চেয়েছিলেন সিবিআই কর্তারা৷ যদিও, এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তরই অভিযুক্ত দু'জন এড়িয়ে গিয়েছেন বলে খবর৷ এরপরেই তাঁদেরকে গ্রেফতারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়৷ তাঁদের বিরুদ্ধে তদন্তে অসহযোগিতা এবং তথ্য গোপন করার অভিযোগ রয়েছে বলে সিবিআইয়ের একটি সূত্রে জানা গিয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগে এই মামলার তদন্তে ইডি-র হাতে গ্রেফতার হয়েছেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী তথা তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং অর্পিতা মুখোপাধ্যায়। এবার সিবিআইয়ের হাতে প্রথম গ্রেফতার হলেন এই দুই প্রাক্তন উপদেষ্টা।

সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, সিবিআই যে এফআইআর করেছে, তাতে এসপি সিনহার নাম রয়েছে একেবারে প্রথমে। আর চার নম্বরে রয়েছে অশোক সাহার নাম। উল্লেখ্য হাইকোর্ট নিযুক্ত বাগ কমিটির রিপোর্টেও এঁদের নাম ছিল।


2 years ago
Corona India: দেশে করোনার সংক্রমণ কমার লক্ষণ নেই

বেড়ে চলেছে দেশের করোনা সংক্রমণ (Coronavirus)। গত কয়েকদিন ধরে দেশের করোনা পরিসংখ্যানে (Covid-19) সাময়িক স্বস্তি মিললেও ফের তা উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। পাশপাশি মৃত্যু সংখ্যাও (Death) ভয় বজায় রাখছে। এর মধ্যে স্বস্তি কেবল নিম্নমুখী অ্যাকটিভ কেসে (Active Case)। বৃহস্পতিবার দেশের আক্রান্তের সংখ্যা ১৬ হাজারের গণ্ডি টপকে গিয়েছে।

বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ১৬ হাজার ২৯৯ জন। যা বুধবার ছিল ১৬ হাজার ০৪৭ জন। গতকালের তুলনায় বেশি। একদিনে মৃত্যু হয়েছে ৫৩ জনের। বুধবার যেখানে মৃত্যুসংখ্যা ছিল ৫৪। মৃত্যুসংখ্যার ক্ষেত্রে তেমন কোনও পরিবর্তন নেই, তা পরিসংখ্যান থেকে স্পষ্ট। রিপোর্ট অনুযায়ী, মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৫ লক্ষ ২৬ হাজার ৮৭৯ জন।

রিপোর্ট অনুযায়ী, গোটা দেশে অ্যাকটিভ কেসের হার ০.২৮ শতাংশ। দেশের সক্রিয় রোগী বর্তমানে হয়েছে ১ লক্ষ ২৫ হাজার ৭৬। এখনও পর্যন্ত দেশে ৪ কোটি ৩৫ লক্ষ ৫৫ হাজার ০৪১ জন করোনা থেকে মুক্ত হয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৯ হাজার ৪৩১ জন। সুস্থতার হার ৯৮.৫৩ শতাংশ। দেশের দৈনিক পজিটিভিটি রেট ৪.৫৮ শতাংশ।

উল্লেখ্য, দেশে করোনা টিকার ডোজ দেওয়া হয়েছে ২০৭ কোটি ২৯ লক্ষ ৪৬ হাজার ৫৯৩ জনকে। গত ২৪ ঘণ্টাতেই টিকা পেয়েছেন ২৫ লক্ষর বেশি। গতকাল দেশে ৩ লক্ষ ৫৬ জনের নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। এখনও চিন্তায় রাখছে কেরল, তামিলনাড়ু, পশ্চিমবঙ্গ, কর্ণাটকের মতো রাজ্যগুলির করোনা পরিসংখ্যান। নতুন করে সংক্রমণ বেড়েছে রাজধানী দিল্লিতেও।

2 years ago
Weather: নিম্নচাপ ও ঘূর্ণাবর্তের জেরে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস

নিম্নচাপ(depression) শক্তি হারিয়ে পূর্ব মধ্যপ্রদেশে অবস্থান করছে। এই নিম্নচাপ  সরে গেলেও গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে(gangetic West Bengal)  একটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে, এই  ঘূর্ণাবর্তের ফলে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে হালকা বৃষ্টি (rain)চলবে । শুধুমাত্র পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় ভারী বৃষ্টি (heavy rain)হবে। এছাড়া হাওড়া ও কলকাতার কয়েকটি জায়গায় মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা। ইতিমধ্যেই দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে কয়েকটি জায়গায় ভারী বৃষ্টি হয়েছে।  পশ্চিমের জেলা পুরুলিয়া, বাঁকুড়া ,পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম একটু বেশি বৃষ্টির পূর্বাভাস দিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। ফের ১৪ আগস্ট দক্ষিণবঙ্গের জেলায় বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে। উত্তরবঙ্গে যদিও খুব বেশি বৃষ্টিপাত নেই হালকা মাঝারি বৃষ্টি চলবে কয়েক দিন। মৎস্যজীবীদের (fisherman) ১১ তারিখ পর্যন্ত মাছ ধরতে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। মৎস্যজীবীদের জন্য  রয়েছে লাল সতর্কতা(red alert)।  আগামীকাল অর্থাত্ শুক্রবার দক্ষিণবঙ্গের উপকূলের জেলাগুলিতে বিশেষ করে পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার সমুদ্র উপকূলে হাওয়ার গতিবেগ থাকবে ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার। এর ফলে পর্যটকদের সমুদ্রে নামতে নিষেধ করা হয়েছে। 

কলকাতায় দিনভর হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে নামতে পারে তাপমাত্রার পারদও। এ ছাড়া, চলতি সপ্তাহে বৃষ্টি চলবে বলে পূর্বাভাস রয়েছে আবহাওয়া দফতরের। নিম্নচাপ এবং ঘূর্ণাবর্তের জোড়া প্রভাবে  কলকাতা শহর-সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

2 years ago


SC: গ্রেফতারি রুখতে সুপ্রিম কোর্টে যাচ্ছেন অনুব্রত, 'একপক্ষ যাতে শোনা না হয়', পাল্টা সিবিআই

বারবার সিবিআই হাজিরা এড়াচ্ছেন তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)। কেন্দ্রীয় সংস্থার (CBI) সমন বারবার এড়ানোয় এবার গ্রেফতার হতে পারেন তিনি। এই আশঙ্কায় আগেভাগেই রক্ষাকবচ চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) যাচ্ছে অনুব্রত মণ্ডল। শারীরিক অসুস্থতা কারণ দেখিয়ে এই আবেদন করতে চলেছেন রাজ্য রাজনীতির কেষ্ট মণ্ডল। সূত্রের খবর, সিবিআই তাঁকে জেরা করতে পারে, কিন্তু কোনওভাবেই যাতে গ্রেফতার না করে। এই আবেদনই শীর্ষ আদালতের কাছে রাখছেন অনুব্রত মণ্ডল।

এদিকে, তৃণমূল নেতাকে জমি ছাড়তে নারাজ সিবিআই। আইনি পথে তাঁকে আরও কোণঠাসা করতে কোমর বাঁধছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। সুপ্রিম কোর্টে ক্যাভিয়েট দাখিল করছে সিবিআই। সেই ক্যাভিয়েটে সিবিআই অভিযোগ করবে, তদন্তে অসহযোগিতার করছেন তৃণমূল নেতা। তাই যাতে একপক্ষ শুনে মহামান্য সুপ্রিম কোর্ট যাতে কোনও নির্দেশ না দেয়।

অপরদিকে, চিকিৎসার জন্য অনুব্রত মণ্ডলকে চেন্নাই যাওয়ার পরামর্শ দিলেন শান্তিনিকেতন মেডিক্যাল কলেজের পরিচালন সভাপতি মলয় পিট। দেশের বিখ্যাত সার্জেন জে এস রাজকুমারের কাছে চিকিৎসার জন্য চেন্নাই যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে অনুব্রত মণ্ডলকে। যদিও এই পরামর্শের পাল্টা কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

জানা গিয়েছে, বহুদিন ধরে পাইলসের সমস্যায় ভুগছেন অনুব্রত মণ্ডল। কোথায় সেটা অপারেশন করলে ভালো হয়, তার আলোচনার জন্য শান্তিনিকেতন মেডিকেল কলেজের সভাপতি মলয় পিটকে বাড়িতে ডেকে পাঠান অনুব্রত। তখনই এই পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।  এমনকি বীরভূমের দাপুটে তৃণমূল নেতা চাইলে শান্তিনিকেতন মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসকদের সঙ্গে আলোচনা করতে পারেন মলয়বাবু।

2 years ago
Corona bengal: রাজ্যের করোনা-চিত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে একই জায়গায়

বুধবারের করোনা-চিত্রে তেমন বড় কোনও পরিবর্তন এল না। মঙ্গলবারের নিরিখে এদিন আক্রান্ত (Corona New Cases) ও মৃতের (Death) সংখ্যা মোটের উপর একই রয়েছে। এদিন সন্ধ্যায় স্বাস্থ্য দফতর প্রকাশিত বুলেটিন অনুযায়ী, ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা যথাক্রমে ৫১৯ এবং ৫। উল্লেখ্য, মঙ্গলবার এই দুটি সংখ্যা ছিল যথাক্রমে ৫২৫ এবং ৫। দুটি পরিসংখ্যানের তুলনামূলক বিশ্লেষণেই বোঝা যায়, আক্রান্ত এবং মৃতের সংখ্যা প্রায় একই রয়েছে।

গত কদিনে করোনার পরিসংখ্যানে উল্লেখযোগ্য দিক ছিল, সুস্থতার (Recovery) সংখ্যায় উর্ধ্বমুখী প্রবণতা। গত দুদিন ধরে সেই পরিসংখ্যানেও তেমন বড় কোনও পরিবর্তন হয়নি। যেমন, মঙ্গলবার সুস্থতার সংখ্যা যেখানে ছিল ৮৬৮, বুধবার তা ছিল ৮২২। অর্থাত্, ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে সুস্থতার সংখ্যা সামান্য হলেও কমেছে।

সুস্থতার সংখ্যায় সামান্য ওঠানামা থাকলেও সামগ্রিকভাবে সক্রিয় আক্রান্তের সংখ্যা কিন্তু প্রতিদিনই একটু একটু করে কমছে। কারণ, বরাবরই আক্রান্তের তুলনায় সুস্থতার সংখ্যা বেশি থাকছে। এদিন সক্রিয় আক্রান্তের (Active cases) সংখ্যা ছিল ৬৪১৯। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন মাত্র ২২৭ জন। বোঝাই যায়, করোনার এই দফার সংক্রমণে সিংহভাগ মানুষ বাড়িতে থেকেই সুস্থ হয়ে উঠছেন। হাসপাতালে ভর্তির তেমন প্রয়োজন পড়ছে না।

করোনার নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা মঙ্গলবার ছিল ১১ হাজারের কাছাকাছি। এদিন তা সামান্য কমে হয়েছে ৯২১৪। পজিটিভিটি রেট ছিল ৫.৬৪ শতাংশ।

অন্যদিকে, বুধবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ১৬ হাজার ০৪৭ জন। যা মঙ্গলবার ছিল ১২ হাজার ৭৫১ জন। গতকালের তুলনায় অনেকটাই বেশি। একদিনে মৃত্যু হয়েছে ৫৪ জনের। মঙ্গলবার যেখানে মৃত্যুসংখ্যা ছিল ৪২। মৃত্যুসংখ্যা ঊর্ধ্বমুখী, তা পরিসংখ্যান থেকে স্পষ্ট। রিপোর্ট অনুযায়ী, মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৫ লক্ষ ২৬ হাজার ৮২৬ জন।

2 years ago