Breaking News
Bengaluru Blast: বেঙ্গালুরু ক্যাফে বিস্ফোরণকাণ্ডে কাঁথি থেকে দুই সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করল এনআইএ      Sheikh Shahjahan: 'সিবিআই হলে ভালই হবে', হঠাৎ ভোলবদল শেখ শাহজাহানের      CBI: সন্দেশখালিকাণ্ডে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের...      NIA: ভূপতিনগর বিস্ফোরণকাণ্ডে এবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ NIA      ED: অবশেষে ইডির স্ক্যানারে চন্দ্রনাথের 'মোবাইল-হিস্ট্রি', খুলতে পারে নিয়োগ দুর্নীতি রহস্যের জট      PM Modi: তৃণমূল মানেই দুর্নীতি-লুট! ভোট প্রচারে সন্দেশখালির পর ভূপতিনগর নিয়ে সরব মোদী      NIA: ভূপতিনগর বিস্ফোরণকাণ্ডে গ্রেফতার আরও ২ , কেন্দ্রীয় এজেন্সির উপর হামলার ঘটনায় উদ্বিগ্ন কমিশন      Sheikh Shahjahan: বিজেপির 'দালাল'রা তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যে বলছে, দাবি শেখ শাহজাহানের      Bratya Basu: ব্রাত্যকে মন্ত্রিসভা থেকে সরানোর সুপারিশ রাজ্যপাল বোসের      ED: সাঁড়াশি চাপে শেখ সন্দেশখালির বেতাজ বাদশাহ, 'রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র', দাবি শাহজাহানের     

SupremeCourt

Delhi: আবগারি দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার অরবিন্দ কেজরিওয়াল, সুপ্রিম কোর্টে জামিনের আবেদন খারিজ

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আবগারি দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা খেল কেজরিওয়ালের জামিনের আর্জি। প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় শুনলেন না কেজরিওয়ালের জামিনের আর্জি। সেটি তিনি স্পেশাল বেঞ্চে রেফার করে দিয়েছেন। কেজরিওয়ালের আইনজীবী অভিষেক মনুসিংভি জামিনের আর্জি নিয়ে সাত সকালেই হাজির হয়েছিলেন।

কিন্তু প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় জানান, এই কাণ্ডে গ্রেফতার কবিতার সঙ্গে মামলার শুনানি করা হবে স্পেশাল বেঞ্চে। এদিকে সকাল থেকে ইডির দফতরে দফায় দফায় জেরা করা হচ্ছে কেজরিওয়ালকে। সকালে মেডিকেল টিম গিয়ে কেজিওয়ালের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেছে।

ভিডিওগ্রাফি করে রাখা হচ্ছে কেজরিওয়ালের জেরার যাবতীয় তথ্য। আজ দুপুর আড়াইটে নাগাদ অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে দিল্লির রাউস অ্যাভিিনউ আদালতে পেশ করা হবে বলে জানা গিয়েছে। গতকাল রাতেই কেজরিওয়ালের গ্রেফতারির পর সুপ্রিম কোর্টে জামিনের আর্জি জানিয়েছিল আম আদমি পার্টি। রাতেই জরুরি ভিত্তিতে শুনানির আর্জি জানানো হয়। কিন্তু রাতে আদালত বসেনি।

সকালে তড়িঘড়ি তাই আপ আর্জি নিয়ে হাজির হয়েছিল। কিন্তু প্রধানবিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় সেটি শুনতে রাজি হননি। তিনি ৩ বিচারপতির স্পেশাল বেঞ্চে সেটি রেফার করে দেন। এখন সেখান সেই বেঞ্চ কি নির্দেশ দেয়। এদিকে কেজরিওয়ালকে হাতে পেরে তৎপর ইডি। আজ আদালতে কেজরিওয়ালকে হেফাজতে চাইবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এদিকে কেজরিওয়ালের গ্রেফতারির পর থেকে উত্তাল হয়ে উঠেছে দিল্লি। আম আদমি দফতরের সব রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে দিল্লি পুলিশ। এমনকি সেই মেট্রো স্টেশনও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কেজরিওয়ালের বাড়ির চারপাশে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। কোনও রকম জমায়েত হলেই গ্রেফতার করা হচ্ছে। এদিকে আজ দেশজুড়ে প্রতিবাদের ডাক দিয়েছে আম আদমি পার্টি।

3 weeks ago
Highcourt: প্রধান বিচারপতির নির্দেশ অমান্য! রাজ্যের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগে ডিভিশন বেঞ্চে ইডি

হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির নির্দেশকে বুড়ো আঙ্গুল রাজ্যের! রাজ্যের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ তুলে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে আবেদন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের। এমনকি ইডির তরফে এই ম্যামলায় দ্রুত শুনানির আর্জি জানানো হয়েছে। সূত্রের খবর, ইডির আবেদন গ্রহণ করেছেন বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডনের বেঞ্চ। কিছুক্ষণ পরই শুরু হবে শুনানি।

উল্লেখ্য, গত ৫ জানুয়ারি ইডির ওপর হামলার ঘটনায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের ডিভিশন বেঞ্চ। এবং শেখ শাহজাহানকে গতকাল বিকেল সাড়ে চারটের মধ্যে সিআইডিকে সিবিআই এর হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। কিন্তু কলকাতা হাইকোর্টের সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিমকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য। সেই কারণে গতকাল সিআইডির পক্ষ থেকে শেখ শাহজাহানকে সিবিআই এর হাতে তুলে দেওয়া হয়নি। আজ সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সঞ্জীব খন্নার বেঞ্চ, রাজ্যের এই আবেদন খারিজ করে দিয়ে আবার কলকাতা হাইকোর্টে তাদের ফেরত পাঠিয়েছে। তারপরই রাজ্যের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হল ইডি।

প্রধান বিচারপতি আজ এজলাসে না বসায়। প্রধান বিচারপতি ডিভিশন বেঞ্চের মামলার শুনানি হবে বিচারপতি হরিশ টন্ডন বিচারপতি হিরণময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে। ফলে এটা স্পষ্ট যে এই ঘটনায় এখনও অবধি আদালতে জোড়া ধাক্কার মুখে রাজ্য।

a month ago
CBI: ভোট পরবর্তী মামলায় তৎপর সিবিআই, মামলার শুনানিতে সুপ্রিম স্থগিতাদেশ

২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের পর ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় মূলত, রাজ্যের তরফ থেকে সুপ্রিম কোর্টে মামলা সরানোর আবেদন জানানো হয়েছিল। অপরদিকে, সিবিআইয়ের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল এই মামলার শুনানি যাতে ভিন রাজ্যে করা হয়। কেন? কারণ, এ রাজ্যে মামলার সাক্ষীদের এবং বিপক্ষের আইনজীবীদের নানান হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছে বলে খবর। তাই সিবিআই ভিন রাজ্যে মামলা সরানোর দাবি করে।

তবে সিবিআইয়ের দাবি, মামলা এ রাজ্যে থাকলে সমস্যা আরও বাড়তে পারে। তাই, এবার মামলার শুনানি হবে ভিন রাজ্যেই। এই মর্মে আপাতত মামলার শুনানিতে রাজ্যের বিশেষ আদালতগুলিকে স্থগিতাদেশ দিয়েছে সুপ্রিমকোর্ট। তারপরেই তৎপর সিবিআই।

উল্লেখযোগ্যভাবে খবর, ২০২১ এর বিধানসভা নির্বাচনে একাধিক ব্যক্তির সঙ্গেই খুন হয়েছিলেন মহম্মদ আলি নামে এক যুবক। ওই ব্যক্তি খুনের ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিকেও রবিবার বারাসতে নোটিস দেয় সিবিআই। যিনি, ঘটনায় সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতারির পর জামিনে মুক্তি পেয়েছিলেন। তবে, সাংবাদিকদের যেকোনও প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে চলে যান তিনি।

রাজ্যের একাধিক বিশৃঙ্খল ঘটনার মধ্যেই শোনা গেল, এখনও ভোট পরবর্তী হিংসার মামলার সাক্ষীরা হুমকি পাচ্ছেন। তদন্তকারী সংস্থা বাধ্য হচ্ছে ভিন রাজ্যে মামলার শুনানি হস্তান্তরিত করার আবেদন জানাতে। এ রাজ্যে তবে মামলার বিচারের জন্যও উপযুক্ত পরিস্থিতি নেই? শাসকের ওপর ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের। দাবি বঙ্গের ওয়াকিবহাল মহলের।

2 months ago


Hemant Soren: ইডির গ্রেফতারিকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে হেমন্ত সোরেন

প্রথমে রাঁচি হাইকোর্ট, তারপর সুপ্রিম কোর্ট। জমি কেলেঙ্কারি মামলায় ইডি গ্রেফতারিকে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে হেমন্ত সোরেনে। তাঁর হয়ে সওয়াল করবেন প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিব্বল। জানা গিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ দোসরা ফেব্রুয়ারি অর্থাৎ শুক্রবার ঝাড়খণ্ডের সদ্যপ্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর আবেদন তালিকাভুক্ত করতে সম্মতি দিয়েছে। এদিকে, প্রাথমিক ভাবে রাঁচি হাইকোর্টে হেমন্ত সোরেন আবেদন করলেও পরে প্রত্যাহার করেন আইনজীবী কপিল সিব্বাল।

সূত্রের খবর, বুধবার সন্ধ্যায় গ্রেফতারির আগে হেমন্ত সোরেন ঘনিষ্ঠ মহলে বলেছিলেন, সম্ভবত ইডি আজ আমাকে গ্রেফতার করবে। তবে আমি চিন্তিত নই, কারণ আমি শিবু সোরেনের ছেলে। দিনভর জিজ্ঞাসাবাদের পরে তারা আমাকে গ্রেফতার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যে মামলার সঙ্গে আমার কোনও যোগসূত্র নেই। এখনও কোন প্রমাণ তারা হাতে পায়নি। আমার দিল্লির বাসভবনে অভিযান চালিয়ে আমার ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা হয়েছে। আমাদের এখন নতুন করে লড়াই করতে হবে যারা দরিদ্র, আদিবাসীদের উপর অত্যাচার করে তাদের বিরুদ্ধে। এমনকী, সামাজিক মাধ্যমে তাঁর তাৎপর্যপূর্ণ পোস্ট হার মানবো না।

এদিকে জেএমএম সূত্রে খবর, ঘোড়া কেনাবেচা আটকাতে শাসক জোটের বিধায়কদের হায়দরাবাদে স্থানান্তরের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবারের মধ্যেই বিশেষ চার্টার্ড বিমানে তাঁদের হায়দরাবাদে পাঠানো হবে। বুধবার জেএমএম দাবি করে তাদের সঙ্গে ৪৭ জন বিধায়কের সমর্থন রয়েছে। সূত্রের খবর, মোট ৩৫ জন শাসক জোটের বিধায়ককে পাঠানো হবে নিজামের শহরে। হেমন্ত সোরেন ঘনিষ্ঠ কিছু বিধায়ক কেবল রাঁচিতে থাকতে পারেন বলেই খবর। বৃহস্পতিবার সকালেই আদালতে পেশ করা হয় ধৃত হেমন্ত সোরেনকে। ১০-১২ দিনের ইডি হেফাজতের আবেদন করতে পারে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

2 months ago
Abhishek: রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মন্তব্য! কলকাতা হাইকোর্টের দুই বিচারপতির বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে অভিষেক

কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সম্পাদক তথা তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিচারাধীন বিষয় নিয়ে বাইরে কীভাবে মন্তব্য করছেন তিনি, সেই নিয়ে অবিলম্বে শীর্ষ আদালতকে হস্তক্ষেপ করার বুধবার আবেদন জানিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এর পাশাপাশি বিচারপতি অমৃতা সিনহার থেকে মামলা সরিয়ে নেওয়ারও আবেদন শীর্ষ আদালতে করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

সম্প্রতি একাধিকবার সংবাদমাধ্যমের সামনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করে বিস্ফোরক কিছু মন্তব্য করেছেন। কয়েকদিন আগেই অভিষেককে তাঁর বিপুল সম্পত্তির হিসেব প্রকাশ্যে আনার জন্য চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেন। এরপরই আজ অর্থাৎ বুধবার সুপ্রিম কোর্টে নতুন মামলা করেন অভিষেক বন্দোপাধ্যায়। আবেদনে তিনি জানিয়েছেন, বিচারাধীন বিষয়ে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের মুখে লাগাম টানার নির্দেশ দেওয়া হোক। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মন্তব্য থেকে বিচারপতিকে বিরত থাকার আবেদন জানিয়েছেন। বিচারাধীন বিষয়ে হাইকোর্টের কোনও বিচারপতি যেন একতরফা মন্তব্য না করেন, সেই বিষয়েও আবেদন জানিয়েছেন অভিষেক। আবার তিনি প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলার জন্য নতুন বিশেষ বেঞ্চ গঠনের আবেদনও জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের কাছে। এ নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে নির্দেশ দেওয়া হোক বলে দাবি অভিষেকের।

3 months ago


Bilkis Bano: বিলকিস বানোর ১১জন ধর্ষকদের ফের যেতে হবে জেলে! গুজরাত সরকারের সিদ্ধান্ত বাতিল সুপ্রিম কোর্টের

বড় জয় পেলেন বিলকিস বানো (Bilkis Bano)। সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) ধাক্কা গুজরাত সরকারের। বিলকিস বানো মামলায় ১১ জন ধর্ষকদের জামিন আটকে দিল দেশের শীর্ষ আদালত। অর্থাৎ বিলকিসের ধর্ষকদের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই জামিন দেওয়া হয়েছিল। আদালতের সেই নির্দেশ খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্ট। অপরাধীদের ফের জেলে যাওয়ার নির্দেশ শীর্ষ আদালতের। এছাড়াও সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, এই মামলাটি মহারাষ্ট্রে চলছিল। এই সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত মহারাষ্ট্র আদালতের নেওয়া উচিত ছিল। এটা আইনি বিচ্যুতি। গুজরাত সরকার এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে কখনোই পারে না।

গত বছর ১৫ অগাস্টের দিন ২০২২ সালে গোধরা হিংসার সময় বিলকিস বানো গণধর্ষণ মামলায় অভিযুক্ত ১১ জনকে মুক্তি দেয় গুজরাট সরকার। এই ঘটনায় দেশজুড়ে তৈরি হয় নিন্দার ঝড়। বিধানসভা নির্বাচনে হিন্দু ভোটের কথা মাথায় রেখে গুজরাত সরকারের এই সিদ্ধান্ত বলে অভিযোগ ওঠে। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বিলকিস বানো। সোমবার সেই মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট খারিজ করে দিল সেই নির্দেশ। দোষীদের মুক্তি দেওয়ার আদেশ ভুল ছিল পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের।

২০০২ সালে গোধরাকাণ্ডের পর গুজরাতে সাম্প্রদায়িক হিংসা চলাকালীন ৩ মে দাহোড় জেলার দেবগড় বারিয়া গ্রামে হামলা চালানো হয়। গ্রামের বাসিন্দা পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা বিলকিসকে গণধর্ষণ করা হয়। বিলকিসের চোখের সামনেই তাঁর তিন বছরের মেয়েকে পাথরে আছড়ে মারেন হামলাকারীরা। ঘটনাস্থলেই মারা যায় সে। তাঁর পরিবারের আরও কয়েক জন সদস্যকে হত্যা করা হয়। এই অপরাধকে ‘বিরল থেকে বিরলতম’ আখ্যা দিয়ে মুম্বইয়ের সিবিআই আদালতে কঠোর সাজার পক্ষে সওয়াল করেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ২০০৮ সালের ২১ জানুয়ারি মোট ১২ জনের বিরুদ্ধে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দিয়েছিল ওই বিশেষ আদালত।

3 months ago
Mahua Moitra: মহুয়ার সাংসদ পদ মামলায় লোকসভার সেক্রেটারি জেনারেলের জবাব তলব সুপ্রিম কোর্টের

মহুয়া মৈত্রকে (Mahua Moitra) সংসদ থেকে বহিষ্কার-মামলায় এবার লোকসভার সেক্রেটারি জেনারেলের জবাব তলব করল সুুপ্রিম কোর্ট। আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে জবাব পেশের নির্দেশ শীর্ষ আদালতের। লোকসভার নীতি কমিটির সুপারিশেই বহিষ্কার করা হয় তাঁকে, যার বিরুদ্ধে শীর্ষ আদালতে আবেদন জানান মহুয়া। সেই আবেদনের শুনানি চলাকালীনই বুধবার লোকসভার সেক্রেটারি জেনারেলের জবাব চাইল আদালত। পরবর্তী শুনানি ১১ মার্চ।

টাকা নিয়ে সংসদে প্রশ্ন করার অভিযোগ ছিল মহুয়া মৈত্রের বিরুদ্ধে, তার জেরে তৃণমূলের হয়ে কৃষ্ণনগর থেকে জিতে আসা মহুয়াকে সংসদ থেকে বহিষ্কার করা হয়। এদিন বুধবার মহুয়া মৈত্রের হয়ে সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল করেন আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি। তিনি জানান, লোকসভায় এথিক্স কমিটিকে বারে বারে অনুরোধ করা সত্ত্বেও তাঁরা অভিযোগকারীদের ক্রস এক্সামিনেশন করার সুযোগ দেননি। আবার এদিন বিচারপতিদের প্রশ্নে মহুয়া মৈত্রের পক্ষ থেকে আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি জানিয়েছেন, তিনি ওটিপি শেয়ার করেছিলেন। ব্যবসায়ী হিরানন্দানিকে সংসদের লগ ইন ওটিপিও শেয়ার করেছিলেন। এর পর মনু সিংভির এই মামলায় অতি দ্রুত শুনানির আবেদন খারিজ করে দিয়ে বিচারপতি সঞ্জীব খান্নার পর্যবেক্ষণ, 'ডঃ সিংভি আপনি কি মনে করেন এটা কি খুব সহজ মামলা?'

অন্যদিকে লোকসভার পক্ষ থেকে সলিসিটার জেনারেল তুষার মেহতা জানান, সমস্ত প্রক্রিয়া অর্থাৎ মহুয়া মৈত্রের সাংসদ পদ খারিজ সংক্রান্ত সমস্ত বিষয় লোকসভার আইন মেনেই হয়েছে। লোকসভার সেক্রেটারি জেনারেলকে নোটিশ পাঠানোর বিরোধিতাও করেন তিনি‌। দু'পক্ষের সওয়াল-জবাবের পরই বুধবার এই মামলার শুনানিতে বিচারপতি সঞ্জীব খান্না এবং দীপঙ্কর দত্তের ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, 'এই মামলায় আমরা নতুন করে কোনও পর্যবেক্ষণ আপাতত দেব না। আমরা লোকসভার সেক্রেটেরি জেনারেলের কথাও শুনবো।'

3 months ago
Kamduni Case: কামদুনি মামলায় নয়া মোড়! সবপক্ষকে নোটিশ পাঠানোর নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

কামদুনি মামলায় এল নয়া মোড়। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে এবার পৃথক মামলা দায়ের করলেন নির্যাতিতার দাদা। মঙ্গলবার সেই মামলার প্রাথমিক শুনানির পর ৮ অভিযুক্ত এবং রাজ্য সরকারকে নোটিশ পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। এদিন সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, রাজ্য সরকারও যেহেতু একই আবেদন জানিয়েছে, সেই কারণে রাজ্য সরকারের আবেদনের সঙ্গে মামলাটি ট্যাগ করে দেওয়া হল। বিস্তারিত শুনানি আজ হয়নি। আরও জানা গিয়েছে, আজই রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার জন্য চিঠি দেবেন নির্যাতিতার পরিবার এবং প্রতিবাদীরা।

কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছিল নির্যাতিতার পরিবার। এরপর নির্যাতিতার দাদাও আরও একটি পৃথক মামলা করেন। মঙ্গলবার সেই মামলার শুনানিতে শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, 'এটি অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং গুরুত্বপূর্ণ মামলা। এটি সারা দেশের ক্ষেত্রে নজির হতে পারে।'  আপাতত এই মামলার শুনানি স্থগিত করা হয়েছে ও মামলায় যুক্ত সব পক্ষের থেকে জবাব চেয়ে নোটিশ পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত।

আবার নির্যাতিতার দাদার দায়ের করা এই মামলার পর্যবেক্ষণে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার এবং সেই মামলায় একটি অন্তর্বর্তী নির্দেশও জারি করা হয়েছে। তাহলে এখন কি করে তাদের আবার হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দিতে পারে শীর্ষ আদালত? বিষয়টি বিরল হিসেবেই দেখতে হবে। একটি মামলার জন্য কি এই নির্দেশ দেওয়া যেতে পারে? তাই আপাতত বিবাদীপক্ষকে নোটিশ দেওয়া হোক।

কলকাতা হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় নির্যাতিতার পরিবার। এদিন সেই মামলার কথা উল্লেখ করেই এই মামলার সঙ্গে জড়িত সবাইকে নোটিশ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত। আর এই নোটিশের জবাব পেলেই পরের শুনানি হবে বলে জানা গিয়েছে।

3 months ago


Abhishek Banerjee: একসপ্তাহ পেরোতেই ফের জোড়া ধাক্কা! অভিষেকের আর্জি খারিজ সুপ্রিম কোর্টে

একসপ্তাহ পেরোলেও নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সুপ্রিম কোর্টে অস্বস্তি বজায়ই থাকলো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ নিয়ে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আবেদন খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালতের স্পষ্ট বক্তব্য, এ বিষয়ে কোনও অভিযোগ থাকলে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হতে হবে।

কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাস থেকে সরানো হোক নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলা। এমনকী, বিচারপতি সিনহার এজলাসে মামলার শুনানি চলাকালীন হওয়া কথোপকথন যাতে এজলাসের বাইরে না আসে। এই জোড়া আবেদন সুপ্রিম কোর্টে করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দুটি আবেদনই পত্রপাঠ নাকচ করে উল্টে কলকাতা হাইকোর্টে বল ঠেলেছে দেশের শীর্ষ আদালত। দ্বিতীয় আবেদনের জন্য প্রয়োজন মনে করলে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন যেতে পারেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল সাংসদকে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে বিচারপতি সঞ্জীব খান্নার ডিভিশন বেঞ্চ। অর্থাত্ নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের এক্তিয়ারে হস্তক্ষেপ করতে নারাজ দেশের শীর্ষ আদালত।

এদিকে, নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে কলকাতা হাইকোর্ট নজরদারি নয়, তদারকি চালাচ্ছে- এমন অভিযোগ তুলেও চলতি মাসে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন অভিষেক। কলকাতা হাইকোর্টের সেই এক্তিয়ারেও ৮ ডিসেম্বর হস্তক্ষেপ করেনি সুপ্রিম কোর্ট। চলতি মাসেই এভাবেও একবার খালি ফিরেছেন অভিষেককে।

সম্প্রতি নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে হাইকোর্ট নজরদারির পরিবর্তে তদারকি করছে- এই অভিযোগ তুলে প্রথমে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে যান অভিষেক। তবে অভিষেকের আবেদনে সাড়া না দিয়ে হাইকোর্ট উল্টে তদন্তে তাঁকে সাহায্য করার কথাই বলেছিল। এরপর হাইকোর্টের এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিমকোর্টের যান অভিষেক বন্দোপাধ্যায়। সেবারও বিচারপতি সঞ্জীব খান্না এবং বিচারপতি এসভিএন ভাট্টির ডিভিশন বেঞ্চ অভিষেকের আবেদন খারিজ করে দিয়েছিল। এমনকি মামলাটির নিষ্পত্তিও করে দেওয়া হয়। ফলে সুপ্রিম অস্বস্তির মুখে পড়লেন অভিষেক বন্দোপাধ্যায়। একসপ্তাহ পেরোতেই ফের জোড়া ধাক্কা খেয়ে খালি হাতে কলকাতা হাইকোর্টেই ফিরছেন কি তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড, উঠছে প্রশ্ন।

4 months ago
Mahua: 'ফাইল না দেখে শুনানি করা ঠিক হবে না', সুপ্রিম কোর্টে পিছিয়ে গেল মহুয়ার মামলার শুনানি

সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) ফের ধাক্কা সদ্য বহিষ্কৃত মহুয়া মৈত্রের (Mahua Moitra)। দ্রুত তাঁর মামলার শুনানির আর্জি জানালেও শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টে পিছিয়ে গেল মহুয়া মৈত্রের মামলার শুনানি। পরবর্তী শুনানির দিন ৩ জানুয়ারি ২০২৪।

লোকসভায় টাকার বিনিময়ে প্রশ্নের অভিযোগ উঠেছিল কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রর বিরুদ্ধে। এর পর এথিক্স কমিটির প্রস্তাব মেনে তৃণমূলের সাংসদকে লোকসভা থেকে বহিষ্কার করা হয়। ফলে এই বহিষ্কারের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে দেশের শীর্ষ আদালতে দ্বারস্থ হয়েছিলেন মহুয়া মৈত্র। সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়ে ১৫ পাতার রিপোর্ট জমা দিয়েছিলেন তিনি। আজ এই মামলার দ্রুত শুনানির সম্ভাবনা থাকলেও শুক্রবার এই মামলার শুনানি হল না সুপ্রিম কোর্টে। পিছিয়ে গেল তাঁর মামলার শুনানি।

এদিন বিচারপতি সঞ্জীব খান্নার বেঞ্চে মহুয়ার মামলার শুনানি হয়। যেখানে বিচারপতি খান্নার মন্তব্য, 'আজ সকালে মামলার ফাইল হাতে পেয়েছি, পুরো ফাইল না দেখে শুনানি করা ঠিক হবে না।' এই মামলা নিয়ে যাবতীয় মন্তব্য আবার পরবর্তী শুনানিতে শোনা হবে। ফলে এই বছরে সাংসদ পদ ফিরে পাওয়ার আশা শেষ হয়ে গেল মহুয়ার। ভবিষ্যতে তিনি তাঁর পদ ফিরে পান কিনা, সেটাই এখন দেখার।

4 months ago


Mahua: সুপ্রিম কোর্টে বড় ধাক্কা! বহিষ্কৃত সাংসদ মহুয়া মৈত্রের দ্রুত শুনানির আবেদন খারিজ

সদ্য বহিষ্কৃত সাংসদ মহুয়া মৈত্রের আবেদন খারিজ হয়ে গেল সুপ্রিম কোর্টে। মহুয়ার মামলার দ্রুত শুনানির আর্জি জানিয়েছিলেন প্রবীণ আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি। বৃহস্পতিবার অথবা শুক্রবার দুপুর ২টোর সময় শুনানির আর্জি জানিয়েছিলেন মহুয়ার আইনজীবী। কিন্তু বিচারপতি জানান, 'ই-মেলের মাধ্যমে আবেদন করুন। বিষয়টি আমরা দেখে নেব।'

অসাংবিধানিক পদ্ধতিতে খারিজ করা হয়েছে মহুয়া মৈত্রর সাংসদ পদ, অভিযোগ তুলে শীর্ষ আদালতের বিচারপতি সঞ্জয় কিষেণ কাওলের বেঞ্চে মহুয়া মৈত্রর হয়ে মেনশনিং করেন প্রবীণ আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি। তাঁর মামলার দ্রুত শুনানির আর্জি জানান তিনি। কিন্তু সুপ্রিম বিচারপতি এস কে কাওলের ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ, মামলা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধান বিচারপতি। এরপর প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চেও আর্জি জানিয়েছিলেন মহুয়া। কিন্তু সেই আবেদনও মঞ্জুর করেনি শীর্ষ আদালত।

4 months ago
Border: বাংলার জন্যই আটকে সীমান্তে কাঁটাতার বসানোর কাজ! সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা কেন্দ্রের

কাঁটাতারহীন সীমান্ত। অবাধে পাচার চালিয়ে যাচ্ছে চোরা কারবারিরা। সীমান্ত পেরিয়ে অবৈধভাবে প্রবেশ করছেন অনুপ্রবেশকারীরা। পশ্চিমবঙ্গের জন্যই আটকে আছে কাঁটাতার দিয়ে সীমান্ত ঘেরার কাজ। সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা দিয়ে এমনটাই জানাল কেন্দ্রীয় সরকার।

স্বরাষ্ট্র সচিব অজয় কুমার ভাল্লা সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা দিয়ে জানিয়েছেন জাতীয় নিরাপত্তা স্বার্থে বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশ বন্ধ করা অত্যন্ত প্রয়োজন। কিন্তু এক্ষেত্রে বারে বারে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে বাংলার অসহযোগিতা। তিনি জানিয়েছেন,পশ্চিমবঙ্গ সরকার সহযোগিতা না করার ফলে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারত সীমান্তের ৪৩৫.৫০৪ কিলোমিটার অঞ্চলে কাঁটাতার বসানো যায়নি। তার মধ্যেও ৮৩৬.৩৫ কিলোমিটার অঞ্চলের জমি অধিগ্রহণ বাকি রয়েছে।

অপরদিকে, অসমের সঙ্গে বাংলাদেশের সীমানা ২৬৩ কিলোমিটার। তার মধ্যে ২১০ কিলোমিটার ইতিমধ্যেই বেড়া বসানোর কাজ হয়ে গিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের জমি অধিগ্রহণ নীতিতে অত্যন্ত ধীরে চলো পদ্ধতিতে কাজ করার জন্য শীর্ষ আদালতে জাতীয় নিরাপত্তা ব্যাহত হওয়ার সম্ভবনা প্রকাশ করলেন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা।

উল্লেখ্য, ক্ষতিপূরণ অধিগ্রহণে স্বচ্ছতা এবং পুনর্বাসন আইন ২০২৩, এই সহজ আইনের পরিবর্তে রাজ্য সরকার অনেক জটিল এবং সরাসরি জমি কেনার নীতি নিয়ে এগোচ্ছে। তার ফলে দীর্ঘায়িত হচ্ছে প্রক্রিয়া, এমনটাই হলফনামায় জানিয়েছে কেন্দ্র।

4 months ago
Mahua Moitra: সাংসদ পদ খারিজের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ মহুয়া মৈত্র

এবারে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হলেন সদ্য বহিষ্কৃত তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র (Mahua Moita)। 'ক্যাশ অ্যান্ড কোয়ারি' কাণ্ডে এথিক্স কমিটির সুপারিশ মেনে তাঁকে সংসদ থেকে বহিষ্কৃত করা হলে, তিনি আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন যে, তিনি সাংসদ পদ খারিজের সিদ্ধান্ত মেনে নেবেন না। এবারে সেই মতই সোমবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন মহুয়া মৈত্র। অভিযোগ, তাঁর বহিষ্কারের ক্ষেত্রে সত্যের বিকৃতি ঘটানো হয়েছে। আর এই অভিযোগ তুলেই লোকসভার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শীর্ষ আদালতে মামলা দায়ের করেছেন তিনি।

টাকার বিনিময়ে প্রশ্ন কাণ্ডে শুক্রবার মহুয়া মৈত্রের বিরুদ্ধে ৪৯৫ পাতার রিপোর্ট পেশ করেছিল এথিক্স কমিটি। সেখানে মহুয়াকে বহিষ্কারের সুপারিশের পাশাপাশি, তৃণমূল সাংসদের আচরণকে অত্য়ন্ত আপত্তিকর, অনৈতিক, জঘন্য় ও অপরাধমূলক বলে উল্লেখ করা হয়। মহুয়ার বিরুদ্ধে তদন্তের সুপারিশও করেছিল এথিক্স কমিটি। তার পরই শুক্রবার দুপুরে লোকসভায় ধ্বনিভোটে পাশ হয়ে যায় মহুয়া মৈত্রকে সংসদ থেকে বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত। কিন্তু এই সিদ্ধান্তকে মেনে না নিয়ে অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন মহুয়া। শীঘ্রই এই মামলার শুনানি হতে পারে বলে সূত্রের খবর। ফলে এবারে কোনদিকে মোড় নিতে চলেছে মহুয়া বিতর্ক, সেটাই এখন দেখার।

4 months ago


Article 370: জম্মু-কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা বাতিলের সিদ্ধান্ত সঠিক, ঐতিহাসিক রায় সুপ্রিম কোর্টের

অবশেষে জম্মু-কাশ্মীরে (Jammu & Kashmir) ৩৭০ ধারা নিয়ে ঐতিহাসিক রায় দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। আজ অর্থাৎ সোমবার সুপ্রিম কোর্টের তরফে জানানো হয়, জম্মু-কাশ্মীরকে রাজ্যের মর্যাদা ফিরিয়ে দিতে হবে। এর পাশাপাশি শীর্ষ আদালত থেকে জানানো হয়, জম্মু-কাশ্মীরের জন্য ৩৭০ ধারা নিয়ে যে রায় দেওয়া হয়, তা অস্থায়ী কিন্তু অসাংবিধানিক নয়। অর্থাৎ জম্মু-কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা (Article 370) বিলোপের সিদ্ধান্ত সঠিক, সাফ জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট।

সোমবার রায়দানের সময় প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় জানান, ৩৭০ ধারা নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্ত সঠিক। এই সিদ্ধান্ত অক্ষত রাখা হয়েছে। ফলে জম্মু ও কাশ্মীরে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরের মধ্যে বিধানসভা নির্বাচন করতে হবে। অর্থাৎ ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪-এর মধ্যে জম্মু ও কাশ্মীরে বিধানসভা নির্বাচন করাতে হবে জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে। ৩৭০ অনুচ্ছেদ রদ নিয়ে রায় ঘোষণার মধ্যে কেন্দ্রকে এমনই নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের।

সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল করার কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে পিটিশনের উপর রায় দেওয়ার সময় আরও জানানো হয়েছে, জম্মু-কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের মন্তব্য, '৩৫৬ ধারা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির কাছে এই অধিকার আছে। এই নিয়ে কোনও প্রশ্ন ওঠা উচিত নয়। যখন থেকে কাশ্মীরের রাজা হরি সিং ভারতের সঙ্গে জম্মু-কাশ্মীরের সংযুক্তি ঘটিয়েছিলেন তখন থেকেই জম্মু-কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। সেখানে নতুন কেন আইন লাগু হবে? ৩৭০ অস্থায়ী ব্যবস্থা ছিল।'

4 months ago
BJP: শাহী সভা নিয়ে হাইকোর্টকে চ্যালেঞ্জ রাজ্যের! সুপ্রিম কোর্টে আগেই ক্যাভিয়েট দাখিল বিজেপির

ধর্মতলায় বিজেপিকে সভা করার অনুমতি দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। এবার সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারে রাজ্য। আর সেই আশঙ্কাতে আগেভাগে সুপ্রিম কোর্টে ক্যাভিয়েট দাখিল করে দিল রাজ্য বিজেপি।

শুক্রবার সকালে মামলার শুনানিতে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, সব শর্ত মেনে বিজেপি ধর্মতলায় সভা করতে পারে। এই নির্দেশের পরই ক্যাভিয়েট দাখিলের প্রক্রিয়া শুরু করে দেয় বিজেপি। যদিও, রাজ্য আদৌ সুপ্রিম কোর্টে যাবে কি না, সেই বিষয়ে নিশ্চিত কোনও খবর পাওয়া যায়নি। তবে, রাজ্য বিজেপি কোনও ঝুঁকি নিতে চায়নি। তাই আগাম সতর্ক ব্যবস্থা গ্রহণ করলেন শুভেন্দুরা। এবার রাজ্য বিজেপির বক্তব্য না শুনে কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারবে না সুপ্রিম কোর্ট।

উল্লেখ্য, ২৯ নভেম্বর ধর্মতলায় বিজেপির সভা। কিন্তু, সভার জন্য রাস্তা স্তব্ধ হয়ে যাবে বলে যুক্তি ছিল রাজ্যের। তাঁদের সভার অনুমতি দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ তোলে বিজেপি। জল গড়ায় কলকাতা হাইকোর্ট পর্যন্ত। সিঙ্গল বেঞ্চ বিজেপিকে শর্তসাপেক্ষে সভা করার অনুমতি দেয়। এরপর ডিভিশন বেঞ্চে যায় মামলাটি। এবার ডিভিশন বেঞ্চও সভা করার অনুমতি দিল।

5 months ago