Breaking News
Tapas Roy: তৃণমূল ছাড়লেন তাপস রায়, বরাহনগরের বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা বর্ষীয়ান নেতার      Resign: হঠাৎ অবসর বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের, 'রাজনীতি যোগ' জল্পনা তুঙ্গে      Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে ফের ফ্য়াক্ট ফাইন্ডিং টিম, শুনবে মহিলা ও বাসিন্দাদের কষ্টের কথা      BJP: প্রথম দফায় ১৯৫ প্রার্থীর নাম ঘোষণা বিজেপির, বাংলার ২০ জনের নাম তালিকায়      Modi: 'রামমোহনের আত্মা সন্দেশখালির মহিলাদের দুর্দশায় কাঁদছে', আরামবাগ থেকে মমতাকে তোপ মোদীর      Suspend: গ্রেফতারির পরেই তৃণমূল থেকে ছয় বছরের জন্য সাসপেন্ড সন্দেশখালির 'বেতাজ বাদশা' শাহজাহান      Sandeshkhali: নিরাপদ সর্দারকে নিঃশর্তে জামিন দিয়ে রাজ্য পুলিসকে তিরস্কার বিচারপতির      Sheikh Shahjahan: ঘর ভাঙচুর, টাকা লুঠ! শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে নতুন এফআইআর সন্দেশখালি থানায়      Sandeshkhali: অজিত মাইতিকে তাড়া গ্রামবাসীদের, সাড়ে ৪ ঘণ্টা পর অবশেষে আটক পুলিসের      Ajit Maity: উত্তপ্ত সন্দেশখালি! অজিত মাইতির গ্রেফতারির দাবিতে বিক্ষোভ মহিলাদের, বাঁচতে সিভিকের বাড়িতে আশ্রয়     

Sh

Sheikh Shahjahan: হাইকোর্টের নির্দেশের পরেই গ্রেফতার শেখ শাহজাহান

অবশেষে গ্রেফতার সন্দেশখালির 'মাস্টারমাইন্ড'। ইডির উপর হামলার ৫৬ দিন পর গ্রেফতার করা হয় শেখ শাহজাহানকে। তারপর থেকেই নিখোঁজ ছিল এই তৃণমূল নেতা। যা নিয়ে অগ্নিগর্ভের সৃষ্টি হয়েছিল সন্দেশখালিতে। গোটা বিষয় নিয়ে খোঁজ এবং তদন্তে ছিল পুলিস। কিন্তু ইডি হাইকোর্টে যাওয়ায় তদন্তে স্থগিতাদেশ ছিল। 

সম্প্রতি হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন, শেখ শাহজাহানের গ্রেফতারি বিষয়ে আদালত কোনদিনও কোনওরকম স্থগিতাদেশ দেয়নি। শাহজাহানের বিরুদ্ধে সমস্ত অভিযোগ খতিয়ে দেখে সন্দেশখালির থানা চাইলেই শাহজাহানকে গ্রেফতার করতে পারে। এরপর গতকাল অর্থাৎ বুধবার মিঁনাখা থানায় বামনপুকুর এলকা থেকে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। 

৫ জানুয়ারি ইডি হানার পর কেন শাহজাহানকে গ্রেফতার করল না ইডি ? তা নিয়ে উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। সম্প্রতি, শাহজাহান শেখের বিরুদ্ধে কেস হয়েছে। তবে সেই সব দুই তিন বছরের আগের ঘটনা। সেগুলো নিয়ে তদন্ত করতে সময় লাগবে বলে জানা গিয়েছে। 

5 days ago
Arrest: অবশেষে গ্রেফতার শেখ শাহজাহান, ৫৬ দিনের মাথায় পুলিসের জালে সন্দেশখালির 'বাঘ'

৫৬ দিনের মাথায় গ্রেফতার সন্দেশখালির 'মাস্টারমাইন্ড।'বসিরহাট কোর্টের লকআপে রাখা হয়েছে শাহজাহান শেখকে। আজ, বৃহস্পতিবার বসিরহাট আদালতে তাঁকে তোলা হবে জানা গিয়েছে। এদিন ১২ টার পর তোলা হবে আদালতে শেখ শাহজাহানকে।

পুলিস সূত্রে খবর, মিঁনাখা থানার খ্রিস্টান পাড়া মোড় থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে শেখ শাহজাহানকে। তাঁকে ১৪ দিনের পুলিসি হেফাজতে নেওয়ার জন্য আদালতে আবেদন জানাতে চলেছে পুলিস। 


5 days ago
Suvendu: পুলিসের সঙ্গে দর কষাকষি চলছে, শাহজাহানকে নিয়ে বিস্ফোরক শুভেন্দু

শেখ শাহাজাহানকে গ্রেফতার করা নিয়ে এবার বিস্ফোরক দাবি করলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর দাবি, মঙ্গলবার রাত ১২টা থেকে পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন ওই তৃণমূল কংগ্রেস নেতা। যদিও শুভেন্দুর ওই মন্তব্যকে তীব্র কটাক্ষ করেছেন তৃণমূল কংগ্রেস মুখপাত্র কুণাল ঘোষ।

বুধবার সকালেই নিজের এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করেন শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে তিনি দাবি করেন, মঙ্গলবার রাত ১২টা নাগাদ বেড়মজুর-২ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা থেকে শেখ শাহজাহানকে ধরেছে পুলিশ। এছাড়াও উডবার্ন ওয়ার্ডেও একটি শয্যার ব্যবস্থা করা হয়েছে বলেও দাবি শুভেন্দুর। যদিও শুভেন্দু অধিকারীর এই দাবিকে কটাক্ষ করে কুণাল ঘোষ বলেন, শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে সুসম্পর্ক ছিল শেখ শাহাজাহানের। তাই শুভেন্দু জানিয়ে দিক এখন কোথায় রয়েছেন ওই তৃণমূল নেতা।

5 days ago


Nusrat: ৬ কে ৯ নয়, ১৪৪কে ১৭৪, সন্দেশখালি প্রসঙ্গে বিতর্কে জড়ালেন নুসরত

ফের বিতর্কে জড়ালেন সাংসদ-অভিনেত্রী নুসরত জাহান। সন্দেশখালি নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে এক বৈদ্যুতিন মাধ্যমকে নুসরত বললেন, সেখানে ১৭৪ ধারা আছে। তাঁর এই মন্তব্যের পর থেকেই সমালোচনার ঝড় উঠেছে। সোশ্যাল মিডিয়াতেও ব্যাপক ট্রোলিংয়ের শিকার হচ্ছেন নুসরত। সাংসদ-অভিনেত্রীকে কটাক্ষ করছেন বিজেপি নেতারা। তৃণমূল বলছে, হয়তো ভুল করে ফেলেছেন নুসরত।

লোকসভা কেন্দ্র সন্দেশখালিতে না যাওয়ার প্রসঙ্গে নুসরত বলেন, 'আমি বুঝতে পারছি না আমার এলাকায় না যাওয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে কেন? কিছু পরিস্থিতি এমন রয়ে গিয়েছে। সেখানে ১৭৪ ধারা আছে। আমি সেখানে গেলে সঙ্গে পাঁচ জনকে নিয়ে যাব এবং এটা আইন শৃঙ্খলার বিরোধী হবে।'

স্পম্প্রতি সন্দেশখালি এলাকায় নারীদের শ্লীলতাহানি সহ জমি দখল, চাষের জমি নষ্ট করা সহ বহু অভিযোগ ওঠে শাহজাহান, তাঁর ভাই সিরাজ সহ তার সাগরেদদের বিরুদ্ধে। এদের মধ্যে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হয়েছে অন্যতম অভিযুক্ত শিবু হাজরা ও উত্তম সর্দার। এদের বিরুদ্ধে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ওই এলাকার বহু গ্রামের মানুষ, কাঠপোল, বেরমজুর শোঃ বিভিন্ন গ্রামে তৃণমূল নেতাদেড় বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয়রা, সেই ঘটনা সামাল দিতে স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। এই ১৪৪ ধারা জারি নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য করেন নুসরত। নুসরতকে কটাক্ষ করে বিজেপি নেতা অনুপম হাজরা বলেন, "১৪৪ ধারা অব্দি বুঝতে পারলাম... কিন্তু '১৭৪ ধারা'আজও আমার কাছে অজানাই রয়ে গেল।" তৃণমূলের দাবি, বলার সময় ভুল বলে ফেলেছেন। বিষয়টিকে এত বড় করে দেখা ঠিক হবে না।

5 days ago
Agitation: শুকনো কথায় ভিজবে না চিড়ে! নিয়োগ নোটিশের দাবিতে কুনালের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ চাকরি প্রার্থীদের

চাকরিপ্রার্থীদের কান্না আর হাহাকারের যেন কোনও শেষ নেই। প্রতিদিনই রাজপথে তাদের বিক্ষোভ জানান দেয় তাদের যন্ত্রণা। সরকার আমল দেয় না তাদের দাবির। চোখ বন্ধ করে থাকে। কেটে যায় বছরের পর বছর। মঙ্গলবারও কলকাতার রাজপথে দেখা গেল তারই প্রতিফলন। ২০২২ টেট উত্তীর্ণ চাকরিপ্রার্থীদের D.L.ED ঐক্যমঞ্চের তরফে হল APC ভবন অভিযান।  লোকসভা নির্বাচনের আগে ৫০ হাজার শূন্যপদে নিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল সরকার। কিন্তু প্রতিশ্রুতিই সার। মেলেনি চাকরি। উল্টে প্রতিবারের মত দাবি জানাতে গেলে মিলেছে পুলিসের বাধা। করুণাময়ীর সামনে রীতিমতো শুরু হয় পুলিসের সঙ্গে ধাস্তাধস্তি। একপ্রকার টেনে হিঁচড়ে চাকরিপ্রার্থীদের তোলা হয় প্রিজন ভ্যনে।

মঙ্গলবার  সল্টলেকে বিক্ষোভের পর বুধবার চাকরিপ্রার্থীরা পৌঁছে যান কুনাল ঘোষের বাড়ি। তৃণমূল মুখপাত্র্রের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ দেখান তারা। তাদের দাবি আর প্রতিশ্রুতি নয়। অবিলম্বে ভোটের আগে নোটিস বের করতে হবে। চাকরিপ্রার্থীরা কুণাল ঘোষের পিএ-এর সঙ্গে দেখা করেন। কিন্তু তিনি জানান বাড়িতে থাকলেও তাঁকে বিরক্ত করা যাবে না। চাকরিপ্রার্থীরা জানাচ্ছেন এই হতাশ পরিস্থিতিতে তারা যদি একটু কথা বলতে না পারেন তাহলে তার এই অবস্থায় তারা কার কাছে যাবেন। চাকরিপ্রার্থীদের কাছে গিয়ে ভোটের আগে চাকরি হওয়ার অনেক গালভরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন কুণাল ঘোষ। কিন্তু কোথায় নিয়োগ ? যিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তিনি আর দেখা দিচ্ছেন না। তবে কি অন্তঃসারশূন্য প্রতিশ্রুতিই বাংলার চাকরিপ্রার্থীদের প্রাপ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে ? যে প্রতিশ্রুতি রাখা যায় না তা কেন দেন কুণালবাবুরা ? জবাব চায় বাংলার চাকরিপ্রার্থীরা। 

5 days ago


Murshidabad: নার্সিং পড়ুয়ার রহস্যমৃত্যু! দুর্ঘটনা নাকি নেপথ্যে অন্য কারণ, তদন্তে পুলিস

মুর্শিদাবাদের বহরমপুরের নার্সিং ছাত্রীর রহস্যময় মৃত্যু। দুর্ঘটনা নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ? ধোঁয়াশায় পরিবার।

জানা গিয়েছে, সম্রাজ্ঞী চক্রবর্তী নামের ওই পড়ুয়া জিয়াগঞ্জের রবীন্দ্রনাথ টেগর ইনস্টিটিউটে নার্সিং-এর প্রথম বর্ষের ছাত্রী ছিলেন। পড়াশোনাতেও খুব মেধাবী ছিলেন বলে পরিবার সূত্রে খবর। গত ১৬ই ফেব্রুয়ারি মুর্শিদাবাদের বহরমপুরে রাত ৮টা ১৫ মিনিট  নাগাদ সম্রাজ্ঞী চক্রবর্তীকে অজ্ঞান এবং আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। সন্দেহ, অভিষেক হোসেন ওরফে সাহেব নামের বন্ধুর সঙ্গে বাইকে যাওয়ার সময় দুর্ঘটনা ঘটেছে। প্রথমে তাঁকে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ এবং পরের দিন কলকাতার এসএসকেএম-এর ট্রমা কেয়ার ইউনিটে ভর্তি করা হলে ২৬শে ফেব্রুয়ারি মৃত্যু হয় তাঁর। ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে ময়নাতদন্ত। তবে নিহত পড়ুয়ার ভাইয়ের প্রশ্ন, যদি বাইক দুর্ঘটনা হয় সেক্ষেত্রে দুর্ঘটনার পর অভিষেক বন্ধুকে ফেলে পালিয়ে গেলেন কেন? তার নাম যাতে কোথাও না আসে সেই চেষ্টাই বা কেন?

পরিবারের তরফে গত ২১ তারিখে বহরমপুর থানায় অভিষেক হোসেন ওরফে সাহেব নামে নিহত ওই সম্রাজ্ঞী চক্রবর্তীর বন্ধুর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়। কিন্তু এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়নি বলে পরিবার সূত্রে খবর। নিহত পড়ুয়ার বাবার দাবি, ঈর্ষার কারণে এই ঘটনা। প্রেম ঘটিত সমস্যার কথাও উড়িয়ে দিচ্ছে না পরিবার। হয়তো বন্ধুদের দুষ্কৃতী চক্রের পাল্লায় পড়েই মেয়ের এরকম পরিণতি। জানাচ্ছে নিহত পড়ুয়ার পরিবার।

সম্রাজ্ঞী চক্রবর্তীর মৃত্যুতে পরিবারের দাবি সঠিক তদন্ত হোক এবং দোষিদের যাতে শাস্তি হয় প্রশাসনের কাছে সেই দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

6 days ago
Nawsad Siddique: গ্রেফতার নওশাদ সিদ্দিকি, কোন গ্রাউন্ডে গ্রেফতার? প্রশ্ন ISF বিধায়কের

সন্দেশখালি ইস্যুতে যেন শাসকের চক্ষুশূল বিরোধীরা। দীপাঞ্চলের মানুষের মুখোমুখি হতে গিয়ে এবার বাধা পেলেন আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি। কলকাতার সায়েন্স সিটির কাছে ব্যারিকেড দিয়ে আটকে দেওয়া হয় আইএসএফ বিধায়ককে। পুলিসের এহেন আচরণে ক্ষুব্ধ বিধায়ক।

সন্দেশখালির পাশাপাশি বাসন্তী যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল। ঠিক কোথায় যেতে বাধা? পুলিসকে প্রশ্ন নওশাদের। অন্যদিকে আইনশৃঙ্খলার অবনতি হতে পারে বলে দাবি করা হয় পুলিসের তরফে। এরপরেই পুলিসের সঙ্গে বচসায় জড়ান আইএসএফ বিধায়ক। ১৪৪ ধারা দেখিয়ে আটকানো হয় নওশাদকে। প্রশ্ন, সায়েন্স সিটি থেকে সন্দেশখালির দূরত্ব ৬২ কিলোমিটার। সেখানে কীভাবে ১৪৪ ধারা জারি হল?

দীর্ঘ বাকবিতণ্ডার পর গ্রেফতার করা হয় নওশাদ সিদ্দিকিকে। গ্রেফতার করে প্রগতি ময়দান থানার পুলিস। যদিও গ্রেফতারির কারণ জানতে চাইলে, কোনও উত্তর দেয়নি পুলিস। তবে কি সন্দেশখালিতে শুধুমাত্র শাসকদলের নেতা-মন্ত্রীদেরই অবাধ বিচরণ?

6 days ago
Sandeshkhali: নিরাপদ সর্দারকে নিঃশর্তে জামিন দিয়ে রাজ্য পুলিসকে তিরস্কার বিচারপতির

কীভাবে জামিন পাওয়ার পরও কাউকে গ্রেফতার করা যায়? সন্দেশখালির প্রাক্তন বিধায়ক তথা সিপিআইএম নেতা নিরাপদ সর্দারের জামিন মঞ্জুর করে রাজ্য পুলিসকে তীব্র ভর্ৎসনা বিচারপতি দেবাংশু বসাকের ডিভিশন বেঞ্চের।  গোটা ঘটনায় পুলিস সুপারের রিপোর্ট তলব করল হাইকোর্ট।

শতাধিক নারীর অভিযোগ যার বিরুদ্ধে, তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিস গ্রেফতার করেছিল সিপিএমের প্রাক্তন বিধায়ক নিরাপদকে। ১৭ দিন ধরে জেলে ছিলেন তিনি। মঙ্গলবার নিরাপদ সর্দারের জামিন মঞ্জুর করে বিচারপতির পর্যবেক্ষণ যথেষ্ঠ বোকা বোকা অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হয়েছে নিরাপদকে। এভাবে কোনও নাগরিককে কি গ্রেফতার করা যায়? রাজ্যের আইনজীবী রুদ্রদীপ নন্দীর কাছে জানতে চান বিচারপতি।

নিরাপদের নামে থানায় এফআইআর দায়ের করা হয় ৯ ফেব্রুয়ারি। তবে তাঁর নামে জেনারেল ডায়েরী করা হয় ১০ ফেব্রুয়ারি। এফআইআর-এর পর একই অভিযোগের ভিত্তিতে কীভাবে জেনারেল ডায়েরীহল? পুলিস তা নিল কীভাবে? এই প্রশ্নও তোলেন বিচারপতি। এমনকি, যাঁরা নিরাপদকে অযাচিতভাবে গ্রেফতার করলেন, সেই পুলিস অফিসারদের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেওয়া হবে না? কেন গ্রেফতারি নয়? এতগুলো দিন তাঁর জেলে থাকার দরুন ক্ষতিপূরণই বা দেবে কে? বিচারপতির এমন প্রশ্নে যে চূড়ান্ত ভর্ৎসনার মুখে পড়ল রাজ্য এবং রাজ্য পুলিস, তা বলাই বাহুল্য।

প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগেই যখন সন্দেশখালির নারীরা রাস্তায় বেরিয়ে শিবু হাজরার গ্রেফতারির দাবি তুলেছিল, তখন অন্তরালে থেকেই শিবু হাজরা ১১১ জনের নামে এফআইআর দায়ের করেন থানায়। যে ১১১ জনের নামের মধ্যে প্রথম নাম ছিল এই নিরাপদ সর্দার। তখনই, পুলিস এক অভিযুক্তর অভিযোগের ভিত্তিতে অতিসক্রিয়তা দেখিয়ে গ্রেফতার করে নিরাপদকে। বিচারের বাণী শেষমেশ আলো দেখালো। রাজ্য পুলিসের একতরফা অতিসক্রিয়তার বিরুদ্ধে ক্ষোভ আরও বাড়ছে সন্দেশখালির, মত ওয়াকিবহাল মহলের।

6 days ago


ED: দুর্নীতির 'মাধ্যম' শাহজাহান ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীর এক্সপোর্ট সংস্থা, সিজিওতে হাজিরা অরুণ সেনগুপ্তের

রেশন বন্টনে দুর্নীতির সূত্র ধরে একের পর এক রাঘব বোয়ালের নাম উঠে আসছে ইডির হাতে। সেই দুর্নীতির তদন্ত করতে গিয়ে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের নজরে আসে সন্দেশখালির বেতাজ বাদশাহ শাহজাহান। সময় যত এগিয়েছে ততই তার একের পর এক অপকর্ম প্রকাশ্যে এসেছে। ইডির স্ক্যানারে এসেছে শাহজাহান ঘনিষ্ঠ একাধিক ব্যবসায়ীও। তল্লাশি হয়েছিল শাহজাহানের ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীদের বাড়িতেও। ব্যবসায়ী অরুণ সেনগুপ্তের বিরাটির বাড়ি ও ফার্মেও হানা দেয় ইডি। খোঁজ মেলে ব্যবসায়ীর নিজস্ব এক্সপোর্ট সংস্থা ম্যাগনাম এক্সপোর্ট কোম্পানির। দুর্নীতির তদন্তের খাতিরে আজ, মঙ্গলবার ইডি দফতরে এলেন অরুণ সেনগুপ্ত। সূত্রের খবর, বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নথি বিশেষ করে মাছ বিক্রির বিল সহ ব্যাঙ্কের একাধিক নথি নিয়ে হাজিরা দেন তিনি। সোমবার তলব করা হলেও এদিন অরুণ তনয়া ও ব্যবসায়ীর আইনজীবী উপস্থিত হন ইডি দফতরে।

তদন্তে জানা গিয়েছিল, ম্যাগনাম এক্সপোর্ট কোম্পানির কর্ণধার অরুণ সেনগুপ্ত। এই কোম্পানি মূলত চিংড়ি রপ্তানির সঙ্গে জড়িত। ম্যাগনাম এক্সপোর্ট কোম্পানি মারফত বাইরের দেশে ব্যাবসায়ীর মাছ ব্যবসার মাধ্যমেই টাকা পাচার করা হত বলে সূত্রের খবর।অরুণ সেনগুপ্তের বাড়িতে ইডির তল্লাশিতে বিদেশে মাছ চালানোর কিছু বিল হাতে এসে পৌঁছলেও সম্পূর্ণ তথ্য প্রমাণ এখনও হাতে পায়নি তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা।

আপাতত শেখ শাহজাহানের সঙ্গে ওই ব্যবসায়ীর কবে থেকে সম্পর্ক? রেশন দুর্নীতির কালো টাকা কোনওভাবে এই ব্যবসায় ব্যবহার করা হয়েছে কিনা? সে বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন ইডি আধিকারিকরা, এমনটাই সূত্রের খবর। সপ্তাহের শুরুতেই এবার রেশন দুর্নীতির এই রহস্য কোন দিকে মোড় নেই সেটাই দেখার।

7 days ago
Sandeshkhali:'ভাড়াটে মহিলা'! সন্দেশখালির মহিলাদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য শওকত মোল্লার

প্রতিবাদী হলেই শাসক নেতার মুখে হারাবে মান? সন্দেশখালিতে নারীসম্ভ্রম লুঠের অভিযোগ উঠছে বারবার। পার্থ ভৌমিকের বড়বাজার থেকে মহিলা আনানোর মন্তব্যের পর এবার শওকত মোল্লা। কলকাতা থেকে ৫ হাজার, ১০ হাজারে মহিলা ভাড়া করা হচ্ছে। মহিলাদের বিরুদ্ধে কুরুচিকর মন্তব্যে অভিযুক্ত ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক শওকত মোল্লা। বিধায়কের মন্তব্যকে সমর্থন জানালেন মঞ্চে উপস্থিত আরেক নেতা।

ভাঙড়ের শানপুকুর অঞ্চলে একটি প্রস্তুতি সভা থেকে সন্দেশখালির ঘটনা নিয়ে এমনই বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন শওকত মোল্লা। সেই সভা থেকে তিনি আরও বলেন, 'আজ যে খবর প্রকাশ করা হচ্ছে, তার ৯০% মিথ্যা কথা, এটা আমি শপথ করে বলতে পারি। কেউ কেউ ঘোমটা দিয়ে কথা বলছে, কেউ কেউ সরাসরি কথা বলছে। পরবর্তীকালে দেখা যাচ্ছে এরা সিগারেট খাচ্ছে। এতদিন ওই এলাকায় এমন ঘটনা ঘটছে, কেউ ফোনে একটাও ছবি তোলেনি। পিছন থেকে বিজেপি সিপিআইএম উস্কানি দিচ্ছে।'

এরপরই শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। এই মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেছেন বিজেপি নেতা  বিকাশ সর্দার ও কংগ্রেস মুখপাত্র সৌম্য আইচ রায়।

7 days ago


Derby: সুখের পায়রা

প্রসূন গুপ্তঃ সুখের দিনের বন্ধু এবং দুঃখে পলায়নের কথা তো চিরকালীন। রাজনীতিতে এর যোগ সবচাইতে বেশি। ৭৭-এ বামেরা মোটেই পূর্বতন কংগ্রেসীদের তাদের দলে নিয়ে নেয়নি, কারণ এটা তাদের ট্র্যাডিশন নয়। কিন্তু ২০১১-তে তৃণমূল আসার আগে থেকেই বাম দলগুলি থেকে গুন্ডা, বদমাস অথবা সমাজবিরোধীরা চেষ্টা করলো নতুন দলে আসার জন্য। শুধু তারাই নয়, নেতাদেরও জার্সি বদল শুরু হলো। ওই সময়ে তৃণমূলে প্রবল ক্ষমতা সম্পন্ন ছিলেন মুকুল রায়। তিনি বাঁধন ছাড়া এই দলকে আশ্রয় দিয়েছিলেন দলে। প্রতিবাদ এসেছিলো ভীষণভাবে, কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয় নি। তাঁর এই প্রয়াসকে পাথেয় করে কমতি যাননি অন্য নেতারাও। যথা আপাতত জেলে থাকা বালু মল্লিক।

আজকে মমতা বন্দ্যেপাধ্যায় বুঝতে পারছেন কি সর্বনাশটি সংগঠিত হয়েছে। হাতে গরম প্রমাণ সন্দেশখালি। এরা সব সুখের পায়রা। এদেরই এক দল তৃণমূলে পাত্তা না পেয়ে বিজেপিতে চলে গিয়েছিলো। বলতে গেলে বিজেপির কর্মী সমর্থকদের বেশিরভাগটাই প্রাক্তন সিপিএম। বাম থেকে রাম। এছাড়াও এমন বহু যুবক বা মধ্যবয়সী ২০১১-র পরে তৃণমূলে এসেছে। এরা জানেই না বা জানতে ইচ্ছুক নয় যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি প্রচন্ড লড়াই লড়েছিলেন সিপিএমের বিরুদ্ধে। অনেকেই নিজেদের আখের গোছাতে দল করছে। অবিশ্যি তৃণমূলের প্রবল শক্তির মধ্যে একটি দুর্বল স্থান সোশ্যাল নেটে তাদের ভূমিকা। যেখানে বিজেপি তুমুল শক্তিশালী বা শূন্যে থাকা সিপিএমও। দেখা গিয়েছে কয়েক মাস আগে তৃণমূল একটি আইটি সেল খুলেছে। চেষ্টা করছে তারা প্রচার করতে দলের, কিন্তু সুখের পায়রা এখানেও ঢুকে পড়েছে। তারা কমিটিতে না থাকলেও দাবি করছে তারা নাকি প্রচুর প্রচার করছে দলের হয়ে। আসলে কিছুই নয়। ওই জানান দিতে যে 'আমি দিদির লোক'।

গতকাল দলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় হঠাৎ জানালেন যে, আগামী ১০ মার্চ সকল ১১ টাতে ব্রিগেডে মহা সমাবেশ। এদিকে ওই দিন সন্ধ্যায় মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গলের ম্যাচ। কাজেই একদল ওই যুবকরা বেজায় ক্ষুব্ধ। তারা পোস্ট করে দলেরই সমালোচনা করছে। এই নব্য তৃণমূলীদের কতটা ভরসা করা যায় তা নিশ্চিত ভাবনার।

7 days ago
Sheikh Shahjahan: ঘর ভাঙচুর, টাকা লুঠ! শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে নতুন এফআইআর সন্দেশখালি থানায়

শেখ শাহজাহানের গ্রেফতারিতে কোনও বাধা নেই। স্পষ্ট জানাল কলকাতা হাইকোর্ট। যা রীতিমত চাপ বাড়ছে শাসকদলের উপর। এই অবস্থায় নতুন করে সন্দেশখালির 'বেতাজ বাদশা' শেখ শাহজাহনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করল রাজ্য পুলিস। গৌর দাস নামে এক ব্যক্তির অভিযোগের ভিত্তিতে করা হয়েছে এই এফআইআর বলে জানা গিয়েছে।

পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে ভয় দেখানো-ঘর-বাড়ি ভাঙচুর সহ একাধিক ধারা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি নয়া এফআইআরে ৮০ হাজার টাকা লুটের মতো অভিযোগ রয়েছে 'বাদশা'র বিরুদ্ধে। অভিযোগের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে বসিরহাট জেলা পুলিস।

উল্লেখ্য, আজ সোমবার সন্দেশখালির ঘটনায় কলকাতা হাইকোর্টের তোপের মুখে পড়তে হয় রাজ্য-প্রশাসনকে। যা নিয়ে চরম অস্বস্তি। যদিও দীর্ঘ শুনানি শেষে শেখ শাহজাহানকে গ্রেফতার করার উপর আদালতের কোন স্থগিতাদেশ নেই বলে জানিয়ে দেন প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম। সন্দেশখালির অশান্তির ঘটনায় হাই কোর্টের দায়ের করা স্বতঃপ্রণোদিত মামলায় এমনটাই জানালেন প্রধান বিচারপতি। পাশাপাশি, আদালত বান্ধব জয়ন্ত নারায়ন চট্টোপাধ্যায় রিপোর্ট পেশ করতে পারবেন বলে নির্দেশ আদালতের। এর পাশাপাশি রাজ্য পুলিস, সিবিআই, ইডি-কেও মামলায় পার্টি করা হল। শেখ শাহজাহান কেও মামলায় পার্টি করা হল। হাইকোর্টের তরফ থেকে দুটি সংবাদপত্রে নোটিশ দিয়ে জানানো হবে যে তাকে মামলায় পার্টি করেছে কলকাতা হাইকোর্ট। আগামী ৪ মার্চ এই সংক্রান্ত মামলার পরবর্তী শুনানি বলে জানা গিয়েছে।

প্রসঙ্গত, সন্দেশখালিতে শাহজাহানের গ্রেফতারি চেয়ে পথে নেমেছেন গ্রামবাসীদের একাংশ। প্রায় প্রতি দিনই চলছে বিক্ষোভ। নতুন এফআইআর এবং আদালতের নির্দেশের পর এবার সন্দেশখালির বাঘ খাঁচাবন্দি হয় কিনা, তা সময়ের অপেক্ষা।

7 days ago
High Court: শাহজাহানের গ্রেফতারিতে কোনও স্থগিতাদেশ নেই জানাল প্রধান বিচারপতি

সন্দেশখালির পুলিস শেখ শাহজাহানকে গ্রেফতার করতে পারবে, নির্দেশ প্রধান বিচারপতির। সন্দেশখালি জনস্বার্থ মামলায় রাজ্যকে তীব্র ভর্ৎসনা প্রধান বিচারপতি ডিভিশন বেঞ্চের। এমনকি শেখ শাহজাহানের নামে লুক আউট নোটিশ দিতে হবে। দুটো সংবাদমাধ্যমে বিজ্ঞাপন দিতে হবে রাজ্যকে, এমনটাই নির্দেশ প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম-এর। প্রায় দু'মাস কেটে গেল এখনও অধরা মূল অভিযুক্ত শেখ শাহজাহান। কবে গ্রেফতার হবে তাঁর...?

গতকাল অর্থাৎ রবিবার সংবাদ মাধ্য়মের সামনে বিস্ফোরক অভিযোগ করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, শেখ শাহজাহানকে সুরক্ষা দিয়েছে আদালত। তাই তাঁর গ্রেফতারিতে কোনও বাধা নেই। আজ, সোমবার বিষয়টি নিয়ে আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন মামলায় নিযুক্ত আদালত বান্ধব জয়ন্ত নারায়ণ চট্টোপাধ্যায়। বিষয়টি শোনার পরই তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের তথ্য খারিজ করে প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন, শেখ শাহজাহানের গ্রেফতারি বিষয়ে আদালত কোনদিনও কোনওরকম স্থগিতাদেশ দেয়নি। অভিযোগ খতিয়ে দেখে সন্দেশখালির থানা চাইলেই শাহজাহানকে গ্রেফতার করতে পারে। 

7 days ago


ED: দুর্নীতির 'মাধ্যম' শাহজাহান ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীর এক্সপোর্ট সংস্থা, সিজিওতে তলব অরুণ ও তাঁর কন্যা

রেশন বন্টনে দুর্নীতির সূত্র ধরে একের পর এক রাঘব বোয়ালের নাম উঠে আসছে ইডির হাতে। সেই দুর্নীতির তদন্ত করতে গিয়ে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের নজরে আসে সন্দেশখালির বেতাজ বাদশাহ শাহজাহান। সময় যত এগিয়েছে ততই তার একের পর এক অপকর্ম প্রকাশ্যে এসেছে। ইডির স্ক্যানারে এসেছে শাহজাহান ঘনিষ্ঠ একাধিক ব্যবসায়ীও। তল্লাশি হয়েছিল শাহজাহানের ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীদের বাড়িতেও। ব্যবসায়ী অরুণ সেনগুপ্তের বিরাটির বাড়ি ও ফার্মেও হানা দেয় ইডি। খোঁজ মেলে ব্যবসায়ীর নিজস্ব এক্সপোর্ট সংস্থা ম্যাগনাম এক্সপোর্ট কোম্পানির। দুর্নীতির তদন্তের খাতিরে সোমবার ব্যবসায়ী অরুণ সেনগুপ্তের সঙ্গে তার মেয়েকেও সিজিওতে তলব ইডির। কেন্দ্রীয় এজেন্সির নির্দেশ মোতাবেক সোমবার ইডির দফতরে হাজির অরুণ তনয়া ও ব্যবসায়ীর আইনজীবী। 

তদন্তে জানা গিয়েছিল, ম্যাগনাম এক্সপোর্ট কোম্পানির কর্ণধার অরুণ সেনগুপ্ত। এই কোম্পানি মূলত চিংড়ি রপ্তানির সঙ্গে জড়িত। ম্যাগনাম এক্সপোর্ট কোম্পানি মারফত বাইরের দেশে ব্যাবসায়ীর মাছ ব্যবসার মাধ্যমেই টাকা পাচার করা হত বলে সূত্রের খবর।অরুণ সেনগুপ্তের বাড়িতে ইডির তল্লাশিতে বিদেশে মাছ চালানোর কিছু বিল হাতে এসে পৌঁছলেও সম্পূর্ণ তথ্য প্রমাণ এখনও হাতে পায়নি তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা।

আপাতত শেখ শাহাজাহানের সঙ্গে ওই ব্যবসায়ীর কবে থেকে সম্পর্ক? রেশন দুর্নীতির কালো টাকা কোনওভাবে এই ব্যবসায় ব্যবহার করা হয়েছে কিনা? সে বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন ইডি আধিকারিকরা। সপ্তাহের শুরুতেই এবার রেশন দুর্নীতির এই রহস্য কোন দিকে মোড় নেই এখন সেটাই দেখার। 

7 days ago
Ashokanagar: ঘরে ঢুকে শুটঅউট! পরপর তিন রাউন্ড গুলি করে খুন তৃণমূলের উপপ্রধানকে

গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্য়ু হল এক তৃণমূল নেতার। রবিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে অশোকনগরের গুমা-১ নম্বর পঞ্চায়েতের স্টেশন সংলগ্ন এলাকায়। জানা গিয়েছে, নিহতের নাম বিজন দাস। গুমা-১ নম্বর পঞ্চায়েতের তৃণমূলের উপপ্রধান ছিলেন তিনি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্য়াপক চাঞ্চল্য় ছড়িয়েছে এলাকায়। 

জানা গিয়েছে, গতকাল অর্থাৎ রবিবার এলাকার একটি নামকীর্তন অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন বিজন দাস। সেখান থেকে ফিরে এসে নিজের বাড়ির ঘরে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন তিনি। ঠিক সেই সময় এক দুষ্কৃতী ঘরের ভিতরে ঢুকে উপপ্রধানকে লক্ষ্য় করে পরপর তিন রাউন্ড গুলি চালায়। গুলির শব্দ শুনে স্থানীরা ছুটে এসে দেখেন রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে ওই তৃণমূল নেতা। ততক্ষণে ছেড়ে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত। তারপর আশঙ্কাজনক অবস্থায় তড়িঘড়ি তাঁকে বারাসত হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে জানান। 

অভিযোগ, স্থানীয় এক যুবক গৌতম দাস-এর বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের দাবি, পুরনো শত্রুতার জেরেই গুলি করা হয়েছে উপপ্রধানকে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় অশোকনগর এবং হাবরা থানার বিশাল পুলিস বাহিনী। ইতিমধ্য়ে কয়েকজন আটক করেছে পুলিস। এছাড়াও গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিস। 

7 days ago