Breaking News
Abhishek Banerjee: বিজেপি নেত্রীকে নিয়ে ‘আপত্তিকর’ মন্তব্যের অভিযোগ, প্রশাসনিক পদক্ষেপের দাবি জাতীয় মহিলা কমিশনের      Convocation: যাদবপুরের পর এবার রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়, সমাবর্তনে স্থগিতাদেশ রাজভবনের      Sandeshkhali: স্ত্রীকে কাঁদতে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়লেন 'সন্দেশখালির বাঘ'...      High Court: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় প্রায় ২৬ হাজার চাকরি বাতিল, সুদ সহ বেতন ফেরতের নির্দেশ হাইকোর্টের      Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে জমি দখল তদন্তে সক্রিয় সিবিআই, বয়ান রেকর্ড অভিযোগকারীদের      CBI: শাহজাহান বাহিনীর বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ! তদন্তে সিবিআই      Vote: জীবিত অথচ ভোটার তালিকায় মৃত! ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ধূপগুড়ির ১২ জন ভোটার      ED: মিলে গেল কালীঘাটের কাকুর কণ্ঠস্বর, শ্রীঘই হাইকোর্টে রিপোর্ট পেশ ইডির      Ram Navami: রামনবমীর আনন্দে মেতেছে অযোধ্যা, রামলালার কপালে প্রথম সূর্যতিলক      Train: দমদমে ২১ দিনের ট্রাফিক ব্লক, বাতিল একগুচ্ছ ট্রেন, প্রভাবিত কোন কোন রুট?     

SSKM

Mamata: ফের আহত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রহস্য কেন?

প্রসূন গুপ্তঃ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে এই প্রতিবেদকের দীর্ঘ ৪০ বছরের আলাপ। অত্যন্ত কাছের থেকে মুখ্যমন্ত্রীকে দেখেছি। বহুবার তাঁর বাড়িতে গিয়েছি কাজে বা আমন্ত্রণেও। তাঁর সঙ্গে বহু সফরের অভিজ্ঞতা আছে কাজেই এখন, যখন বৃহস্পতিবার তিনি পরে গিয়ে মারাত্মক আহত হন, তখন বিভিন্ন মহল বিভিন্ন ভাবে তার বিবরণ দিচ্ছে। কিন্তু এখানেই প্রশ্ন, তিনি কি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন নাকি বাড়িতে হঠাৎ মাথা ঘুরে পরে গেলেন অথবা কেউ পিছন থেকে ধাক্কা দিলো?

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাংঘাতিক মানসিক শক্তির অধিকারী। যে কোনও মহিলার থেকেও সৃষ্টিশীল শক্তি তাঁর বেশি। রোজ বাড়িতে বা ট্রেডমিল মারফত প্রচুর হাঁটাহাঁটি করেন যা কল্পনাতীত। সেই তিনি সন্ধ্যায় হাটতে গিয়ে পরে গেলেন এবং মারাত্মক আঘাত পেলেন, বিষয়টি আমি যেন বিশ্বাস করতে পারছি না। তিনি পরে যাওয়ার পরেই তাঁকে এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁর ফেটে যাওয়া মাথায় তিনটি এবং নাকে একটি সেলাই করা হয় বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর। আপাতত স্থিতিশীল রয়েছেন, শুক্রবার দুপুর বারোটায় এই খবর পেলাম কালীঘাট সূত্রে।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রচুর পরিশ্রম করতে পারেন এবং একটি শিশুর থেকেও কম খাওয়া দাওয়া করেন। সারাদিন চা, কখনও এক আধটা বিস্কুট কিংবা ছোলা ভাজা খান। যা খাওয়ার রাতে খান। ইদানিং যথেষ্ট টেনশনে রয়েছেন। সামনে নির্বাচন। এছাড়া দলের অন্দরে নানান চাপ ইত্যাদি আছেই। মমতা যা দশ বছর আগে পারতেন তা আজকেও একই ভাবে চালিয়ে যাবেন এটা ভাবাও ভুল। কাজেই নিজের শরীরের দিকে নজর তো রাখতেই হয়। যা তিনি পরোয়া করেন না।

বৃহস্পতিবার প্রয়াত সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের মূর্তি উদ্বোধন করতে গিয়েছিলেন একডালিয়ায়। খুবই ক্লান্ত লাগছিলো। সুব্রতবাবুর কথা স্মরণ করে ভীষণই আবেগতাড়িত হয়ে পড়ছিলেন। কিন্তু একই সাথে তাঁকে ক্লান্তি সম্ভবত চেপে ধরেছিলো। ভাষণ দিতে গিয়ে আটকে যাচ্ছিলো কথা। আমার কেন মনে হচ্ছিলো উনি কি অসুস্থ বোধ করছেন? সব মিলিয়ে পুরাতন মমতাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিলো না। তারপর বাড়ি ফিরেই তো এই কান্ড।

তবে চিকিৎসকদের কথা, তাঁর মনে হতে পারে পিছন থেকে কেউ ধাক্কা দিয়েছে। কিন্তু তেমনটি নয়। আসলে নাকি মাথা ঘুরে যাওয়ার সময়ে এতটাই বিশৃঙ্খল ছিল তাঁর মগজশক্তি যা মনে হতে পারে কেউ ধাক্কা দিয়েছে। সে যাই হোক না কেন দেশের প্রধানমন্ত্রী থেকে বিভিন্ন রাজনৌতিক ও অন্য পেশার ব্যক্তিরা তাঁর সুস্থতা কামনা করেছে। আমরাও কামনা করি।

3 months ago
Mamata: চোট কপালে, নাকে! এখন স্থিতিশীল মুখ্যমন্ত্রী, ‘পিছন থেকে ধাক্কা’র ব্যাখ্যা দিলেন SSKM-র ডিরেক্টর

কপালে চারটে সেলাই নিয়ে নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এসএসকেম হাসপাতালে চিকিৎসকরা মুখ্যমন্ত্রীর এই পড়ে যাওয়ার নেপথ্যে ‘পুশ ফ্রম বিহাইন্ড' কাজ করেছেন বলে জানিয়েছেন। অর্থাৎ পিছন থেকে ধাক্কা। যা নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছিল বিভিন্ন মহলে। বাড়িতে কীভাবে এই ঘটনা ঘটতে পারে, তা নিয়ে নানামহলে নানা প্রশ্ন। এরই মাঝে ‘পুশ ফ্রম বিহাইন্ড’-এর ব্যাখ্যা দিল এসএসকেএম।

এসএসকেএম-এর ডিরেক্টর মণিময় বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, বিষয়টা আদতে পিছন থেকে কেউ ধাক্কা মেরে ফেলে দিয়েছেন তা একেবারেই নয়। উনি মাথা ঘুরে পড়ে গিয়েছেন। সেই সময় কেউ ধাক্কা দিলে যেমন অনুভূত হয়, মুখ্যমন্ত্রীর সেরকম মনে হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীও এমনটাই জানিয়েছেন চিকিৎসকদের। সেটাই সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন চিকিৎসক। কিন্তু সেটা কোনওভাবেই কেউ ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়েছেন তেমনটা নয়।

পুলিস সূত্রে খবর, চিকিৎসকের তরফে কোনও ধাক্কা দেওয়া হয়নি জানানোই, আপাতত কোনও অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। ধাক্কা তথ্য না থাকলে অভিযোগ দায়ের করবে না পুলিস। তবে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে এসেছিলেন কলকাতা পুলিস কমিশনার বিনীত গোয়েল।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার সন্ধে সাড়ে সাতটা নাগাদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে আসা হয়েছিল হাসপাতালে। তাঁর কপালে গুরুতর আঘাত ছিল। কপাল ফেটে রক্ত বেরোয়। হাসপাতালের উডবার্ন ওয়ার্ডে সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে ভর্তি করা হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর এমআরআই, সিটিস্ক্যান করা হয় মুখ্যমন্ত্রীর।

খবর ছড়িয়ে পড়তেই হইহই পড়ে গিয়েছিল রাজনৈতিক মহলে। সোশ্যাল মিডিয়ায় মুখ্যমন্ত্রীর ছবি শেয়ার করে তাঁর আরোগ্য কামনা করতে অনুরোধ জানিয়েছিল অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী থেকে শুরু করে উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়, রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী সকলেই সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর আরোগ্য কামনা করেছেন।

হাসপাতাল সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই তাঁর চিকিৎসায় কার্ডিও,মেডিসিন, সহ আরও বেশ কয়েকটি বিভাগের চিকিৎসকদের নিয়ে বিশেষ দল গঠন করা হয়েছে। আপাতত শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল মুখ্যমন্ত্রীর। তবে আজ, শুক্রবার ফের শারীরিক পরীক্ষার জন্য এসএসকেএমে নিয়ে যাওয়া হবে মুখ্যমন্ত্রীকে।

3 months ago
Mamata Banerjee: ফের গুরুতর আহত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, ভর্তি SSKM হাসপাতালে

গুরুতর আহত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কালীঘাটের বাড়িতে হাঁটাহাটি করার সময় আচমকা পড়ে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এমনটাই সূত্রের খবর। কপাল ফেটে রক্ত বেরোতেই তড়িঘড়ি তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় রয়েছেন হাসপাতালে।

হাসপাতাল সূত্রে খবর, উডবার্ন ওয়ার্ডের সাড়ে ১২ নম্বর কেবিনে ভর্তি রয়েছেন তিনি। একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। আঘাত কতটা গুরুতর তা খতিয়ে দেখছেন চিকিৎসকরা। এমআরআই, সিটি স্ক্যান করা হবে।

লোকসভা ভোটের আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আহত হওয়ার সংবাদে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বিগ্ন অনুরাগীরা। এই দুঃসংবাদ জানানো হয়েছে তৃণমূলের সোশাল মিডিয়া পেজে। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, কপাল থেকে নাক বেয়ে রক্ত পড়ছে, হাসপাতালের শয্যায় শুয়ে রয়েছেন মমতা। ক্যাপশনে লেখা, 'আমাদের চেয়ারপার্সন গুরুতর আহত হয়েছেন। উনার জন্য প্রার্থনা করুন আপনারা।' তাঁর সুস্থতা কামনায় ভক্তরা ভিড় করেছেন হাসপাতালে।

তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার বিকেলে দক্ষিণ কলকাতায় সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের মূর্তির উদ্বোধন করেন মমতা। এর পর তিনি বাড়ি চলে যান। ঘটনার সময় বাড়িতেই ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁরাই দ্রুত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে হাসপাতালে পৌঁছয়। এই নিয়ে পর পর বেশ কয়েক বার দুর্ঘটনায় আঘাত পেলেন তিনি।

3 months ago


SSKM: আর কতদিন এসএসকেএম-এ 'কালীঘাটের কাকু' ও বালু, আজই জানাবেন মেডিক্যাল বোর্ডের সদস্যরা!

রাজ্যের একাধিক দুর্নীতিতে অভিযুক্ত প্রভাবশালী ব্যক্তিরা মাসের পর মাস এসএসকেএম-এ কাটাচ্ছেন, 'সুস্থ' হওয়া সত্ত্বেও বেড দখল করে রাখছেন তাঁরা, এমনটাই অভিযোগ উঠছে। গতকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবারই কলকাতা হাইকোর্টও এই নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ও এসএসকেএম ডিরেক্টরকে রিপোর্ট পেশ করতে বলেছেন। এর পরই আজ অর্থাৎ শুক্রবার তৎপর মেডিক্যাল বোর্ডের সদস্যরা। জানা গিয়েছে, আজ মেডিক্যাল বোর্ডের সদস্যরা 'কালীঘাটের কাকু' সুজয় কৃষ্ণ ভদ্র এবং জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে দেখতে যাবেন। তাঁদের  শারীরিক অবস্থা কেমন আছে, তা দেখতে যাবেন। ফলে আর কতদিন তাঁদের এসএসকেএম-এ রাখা হবে বা আজই তাঁদের জেলে পাঠানো হবে কিনা, তা সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।

জানা গিয়েছে, 'কালীঘাটের কাকু' সুজয় কৃষ্ণ ভদ্র সুস্থ রয়েছেন। তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। হাসপাতালে ভর্তির সময় সিওপিডি ছিল, সুগার ছিল, বাইপাস সার্জারিও হয়েছিল। তবে এখন সুস্থই আছেন তিনি এমনটাই সূত্রের খবর। এছাড়াও জোকা ইএসআই হাসপাতালের তরফে তাঁকে ফিট সার্টিফিকেটও দেওয়া হয়। ফলে নতুন করে তাঁর আর কোনও সমস্যা নেই। তাহলে কেন হাসপাতালে ভর্তি রাখা হয়েছে। অন্যদিকে রেশন দুর্নীতিতে অভিযুক্ত জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকও এসএসকেএম-এই রয়েছেন। তিনিও স্থিতিশীল আছেন বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু এখন হাসপাতালে কেন ভর্তি তাঁরা। এই নিয়েই উঠছে প্রশ্ন। ফলে জানা গিয়েছে, আর কতদিন হাসপাতালে রাখা হবে কালীঘাটের কাকু সুজয় কৃষ্ণ ভদ্র এবং জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক কে, নাকি ছেড়ে দেওয়া হবে হাসপাতাল থেকে, আজই মেডিক্যাল বোর্ডের সদস্যরা জানিয়ে দিতে পারেন, এমনটাই খবর এসএসকেএম সূত্রে।

6 months ago
SSKM: 'একজন দিনের পর দিন কীভাবে ভর্তি থাকতে পারে?' এসএসকেএমের কাছে রিপোর্ট চাইল কলকাতা হাইকোর্ট

এবারে বড় ফ্যাসাদে এসএসকেএম। রাজ্যের সুপারস্পেশালিটি হাসপাতাল এসএসকেএম। বহুদিন ধরেই এই হাসপাতালে একে একে ভর্তি হয়েছে দুর্নীতিতে গ্রেফতার অভিযুক্তরা। আর সেখানেই মাসের পর মাস কেটে যাচ্ছে তাঁদের। ফলে এবারে এসএসকেএমে চিকিৎসাধীন প্রভাবশালীদের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত রিপোর্ট হলফনামা দিয়ে জানাতে বলল কলকাতা হাইকোর্ট। এসএসকেএম হাসপাতাল নিয়ে জোড়া জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়। আর সেই মামলার শুনানিতেই এসএসকেএম-এর ডিরেক্টরের কাছে রিপোর্ট তলব করল কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ।

নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত একাধিক মামলায় হাইকোর্টে এসএসকেএমের ভূমিকায় প্রশ্ন তুলেছে ইডি। পরে এই এসএসকেএম হাসপাতাল নিয়ে জোড়া জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয় কলকাতা হাইকোর্টে। বিভিন্ন দুর্নীতিতে যুক্ত থাকা ব্যক্তিদের আশ্রয়স্থল হয়ে দাঁড়িয়েছে এসএসকেএম বলে অভিযোগ মামলায়। বৃহস্পতিবার এই মামলার শুনানিতে প্রশ্নের মুখে এসএসকেএম। তিনি প্রশ্ন করেন, 'একজন দিনের পর দিন কীভাবে ভর্তি থাকতে পারে?' এদিন প্রধান বিচারপতির মন্তব্য, 'বেড দখল করে রাখাটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। অভিযোগ যদি সত্যি হয় তাহলে এটা সিরিয়াস কেস।'

'কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা যখনই কোনও প্রভাবশালী বা মন্ত্রীকে গ্রেফতার করে তখনই দেখা যায় সংশোধনাগার কর্তৃপক্ষ তাঁদের স্বাস্থ্যের অবনতির কথা বলে এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করায়। তারা দিনের পর দিন বেড দখল করে রাখেন। সাধারণ মানুষ চিকিৎসা করাতে গেলে বেড পায় না,' এই অভিযোগ তুলে মামলা করেন সুস্মিতা সাহা নামে এক আইনজীবী।

এর পর এই মামলায় প্রধান বিচারপতি বলেন, 'সংশোধনাগারের নিজেদের একটি হাসপাতাল থাকে। যখন সেই হাসপাতাল চিকিৎসা করতে ব্যর্থ হয় তখনই তাকে সেই সংশোধনাগারের অধীনে কোন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু তার মানে এই নয়, সেই ব্যক্তিকে পাঁচ মাস ছয় মাস সেই হাসপাতালে ভর্তি করে রাখা হবে। তবে সেটা অবশ্য নির্ভর করবে চিকিৎসকদের উপরে। এক্ষেত্রে আদালত কি করবে? তবে আপনাদের অভিযোগ যুক্তিযুক্ত। দিনের পর দিন বেড দখল করা ঠিক নয়।' এরপরেই এই বিষয়ে এসএসকেএম হাসপাতালের ডিরেক্টরকে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয় আদালত।  বর্তমানে কতজন ভর্তি রয়েছে হাসপাতালে, তাঁদের বর্তমান শারীরিক অবস্থা কেমন, আর কতদিন ভর্তি থাকবেন, তা হলফনামা আকারে জানানোর নির্দেশ প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের। মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ২৪ জানুয়ারি।

6 months ago


SSKM: অমানবিক এসএসকেএম! ক্যান্সার আক্রান্ত বৃদ্ধাকে চাদরে পেঁচিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন ছেলে, অমিল স্ট্রেচার

মানবিকতা বলে আছে কিছু? অসুস্থ বৃদ্ধা মায়ের জন্য হাসপাতালে স্ট্রেচার না পেয়ে এমনই প্রশ্ন ছুঁড়ে দিলেন ছেলে। অনুপায় হয়ে ৭৫ বছরের লিভারে ক্যানসার আক্রান্ত মাকে গায়ে দেওয়ার চাদরে শুইয়ে চার কোণা দু’জনে ধরে হাসপাতালের ওয়ার্ডে নিয়ে যান ছেলে ও রোগীর পরিজনেরা। এই অমানবিকতার ছবি বৃহস্পতিবার সকালে ধরা পড়েছে রাজ্যের প্রথম সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল এসএসকেএম-এ।

জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রিষড়া থেকে লিভার ক্যানসারে আক্রান্ত বৃদ্ধা রোগীকে এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে এসেছিলেন তাঁর পরিবার।  কিন্তু অরিজিনাল আধার কার্ড না থাকায় ওই রোগীকে ট্রলি দিতে অস্বীকার করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এমনকি জেরক্স কপি দেখিয়েও কাজ হয়নি। এসএসকেএমের তরফে জানানো হয় আধার কার্ডের জেরক্স কপির কোনও ভ্যালু নেই। এরপরেই অত্যন্ত নিরুপায় এবং অসহায় অবস্থায় রোগীর বাড়ির পরিজনেরা রোগীকে চাদরে পেঁচিয়ে  হাসপাতালে জরুরি বিভাগ থেকে নিয়ে যান জেনারেল সার্জারি বিভাগে।

শুধু তাই নয়, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে এসে নিরাপত্তারক্ষীদের ব্যবহার নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন সাধারণ মানুষ। পাশাপাশি তাঁদের বক্তব্য এসএসকেএমে সাধারণ মানুষের জন্য পরিষেবা নেই।  সেখানে চিকিৎসা করাতে গেলেই বারংবার হয়রানির শিকার হতে হয় তাঁদের।

রাজ্যের প্রথম সারির হাসপাতালগুলোর মধ্যে অন্যতম এই এসএসকেএম। কিন্তু চিকিৎসা করাতে এসে কেন বারবার রাজ্যের সাধারণ মানুষকে হয়রানির শিকার হতে হবে সেখানে? যেখানে নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত কালীঘাটের কাকু মাসের পর মাস ধরে এসএসকেএম হাসপাতালের কেবিন দখল করে থাকতে পারেন, রেশন দুর্নীতি মামলায় রাজ্যের মন্ত্রীর জন্য যেখানে বেড সংরক্ষিত থাকে, সেখানে সাধারণ মানুষ আধার কার্ড আনতে ভুলে যাওয়ার কারণে কেন এভাবে হয়রানি স্বীকার হতে হচ্ছে এসএসকেএম হাসপাতালে? তাহলে কি এসএসকেএম শুধুই প্রভাবশালীদের? সাধারণ মানুষের প্রাণের দাম কি এতই কম? কেন এতটা অমানবিক এসএসকেএম হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ? প্রশ্নগুলো কিন্তু থেকেই যাচ্ছে।

6 months ago
Sujay Krishna: ভয়েস স্যাম্পেল দিতে অসহযোগিতা! নাটকীয় পর্ব শেষে 'কালীঘাটের কাকু'র কণ্ঠস্বরের নমুনা ইডির হাতে

বুধবার রাত থেকে 'কালীঘাটের কাকু'-এর কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ নিয়ে নাটকীয় পরিস্থিতি এসএসকেএম-এ। অবশেষে গভীর রাতে সম্পন্ন হল 'কালীঘাটের কাকু' সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ প্রক্রিয়া। বুধবার রাত ৯টা ১২ মিনিট নাগাদ এসএসকেএম হাসপাতাল থেকে জোকা ইএসআই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এর পর সেখানে ১২ টা ৫২ মিনিট নাগাদ তাঁর কণ্ঠস্বরের নমুনা নেওয়ার পর জোকা ইএসআই হাসপাতাল থেকে বার করা হয় কালীঘাটের কাকুকে। বিভিন্ন স্কেলে তার কন্ঠস্বর নেওয়া হয়েছে ও ইতিমধ্যে পাঠানো হয়েছে ফরেনসিক ল্যাবেও। তবে এখন প্রশ্ন উঠছে, এর আগে কাকুর শারীরিক অসুস্থতা কথা বলে কণ্ঠস্বর নমুনা সংগ্রহ করতে দেয়নি এসএসকেএম। সেই কাজ জোকা হাসপাতালে ৩০ মিনিটে সম্পন্ন হল কী করে? এছাড়াও জোকা ইএসআই হাসপাতালে ফিট সার্টিফিকেট পাওয়া সেই কাকু আবার এসএসকেএম হাসপাতালের কেবিনে ভর্তি কেন?

ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রথমে কণ্ঠস্বর দিতে অসহযোগিতা করছিলেন 'কাকু'। এরপর কাউন্সিলিং করা হয় চিকিৎসকদের তরফে। তারপর তিনটি বাক্য বলতে বলা হয় তাকে। পরপর দুবার তিনটি বাক্য বলতে বলা হয়। ইডি সূত্রে খবর, ইডি তরফে পরিকল্পনা ছিল, কালীঘাটের কাকুকে জোকা ইএসআই হাসপাতালে ভর্তি রেখে দেবে। যার ফলে ইডির তরফে জানতে চাওয়া হয়েছে, জোকা ইএসআই হাসপাতালে কালীঘাটের কাকু ওরফে সুজয় কৃষ্ণ ভদ্রকে রাখা যেতে পারে কি? এর উত্তরে ইডিকে সোজাসুজি জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, কালীঘাটের কাকুর উপর সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র একজন কার্ডিওলজির পেশেন্ট, তার বাইপাস সার্জারি হয়েছে। তাকে রাখার মত পরিকাঠামো নেই জোকা ইএসআই হাসপাতালে। এর পাশাপাশি সিকিউরিটির বিষয় থাকে। জোকা ইএসআই রাখতে পারবেনা সুজয় কৃষ্ণ ভদ্রকে। ইডিকে সাফ জানিয়ে দেয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। যার ফলে ইডি আধিকারিকদের কার্যত বাধ্য হয়ে এসএসকেএম হাসপাতালকে ফিরিয়ে দিতে হয় কালীঘাটের কাকু ওরফে সুজয় কৃষ্ণ ভদ্রকে। গভীর রাত প্রায় ৩টে ৩২ মিনিট নাগাদ এসএসকেএম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগের ১ নম্বর কেবিনে স্থানান্তর করা হয়।

তবে এই ইএসআই হাসপাতালের ফিট সার্টিফিকেট দেওয়া 'কালীঘাটের কাকু'র ভয়েস স্যাম্পেল নেওয়ার জন্য এত বেগ পেতে হল কেন ও এসএসকেএম হাসপাতাল কেন তাকে অসুস্থ প্রমাণ করতে মরিয়া, তা নিয়েই উঠছে একাধিক প্রশ্ন।

১) কণ্ঠস্বর নমুনা দেওয়ার জন্য সুস্থ কালীঘাটের কাকু। জোকা ইএসআই বোর্ডের এই রিপোর্ট পাওয়ার পরেই কাকুর নমুনা সংগ্রহ করে ইডি। তাহলে এত দিন অসুস্থতার কথা বলে কাকুর কণ্ঠস্বর নমুনা সংগ্রহে বাধা ছিল এসএসকেএম?

২) ইএসআই হাসপাতালের মেডিক্যাল বোর্ড যাকে ফিট সার্টিফিকেট দিচ্ছে, সেই ব্যাক্তি এসএসকেএম হাসপাতালে আনফিট কি করে?

৩) ইএসআই মেডিক্যাল বোর্ডের রিপোর্ট অনুযায়ী একজন সুস্থ ব্যক্তিকে এসএসকেএম কেবিনে ভর্তি করা হল কেন?

৪) কাউকে আড়াল করতেই কি এসএসকেএম-এ আশ্রয় দেওয়া হচ্ছে কাকুকে। সেটা হলে কার নির্দেশ মেনে এই কাজ করছে এসএসকেএম?

৫) ৩০ মিনিটেই যেখানে কণ্ঠস্বর নমুনা সংগ্রহ সম্পন্ন হলো, সেখানে ইডিকে সহযোগিতা না করে কার নির্দেশে কাকুর কণ্ঠস্বর নমুনা সংগ্রহ বাধা হয়েছিল এসএসকেএম?

6 months ago
SSKM: আজই কি কালীঘাটের কাকুর কণ্ঠ পরীক্ষা? এসএসকেএম হাসপাতালে 5G অ্যাম্বুলেন্স

এসএসকেএম-এ বুধবার সন্ধ্যায় আচমকা নজরে আসে ইডির তৎপরতা। এসএসকেএমে পৌঁছয় জোকা ইএসআই হাসপাতালের 5G অ্যাম্বুলেন্স। CRPF-এর কমান্ডেন্ট ঢুকলেন হাসপাতালে। কার্ডিওলজি বিভাগের সামনে মোতায়েন রয়েছেন CRPF জওয়ান। আজই কি তবে কালীঘাটের কাকুর কণ্ঠ পরীক্ষা? যদিও এ বিষয়ে এখনও অবধি কোনও কিছু জানা যায়নি।

উল্লেখ্য, নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে নাম জড়ায় 'কালীঘাটের কাকু' ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রর। একাধিকবার তাঁকে জিজ্ঞাসবাদ করে ইডি-সিবিআইয়ের মতো তদন্তকারী সংস্থা। পরবর্তীকালে তাঁকে গ্রেফতার করে ইডি। গ্রেফতারির পর কিছুদিন প্রেসিডেন্সি জেলে থাকলেও কালীঘাটের কাকুর বর্তমান ঠিকানা এসএসকেএম হাসপাতাল। একাধিকবার হাসপাতালে গিয়ে তাঁর কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছে ইডি। এবার দেখার আজ, বুধবার ইডি আধিকারিকরা এসএসকেএম থেকে বের করতে পারেন কিনা সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রকে।

6 months ago


SSKM: অপ্রয়োজনে এসএসকেএম হাসপাতালের বেড দখল 'কাকু'র, হাইকোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ বিজেপির

গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে জেলে প্রায় থাকেননি সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র। অসুস্থ থাকার নাম করে হাসপাতালেই কাটছে দিন। ইডি মরিয়া হয়ে উঠেছে কাকুর ভয়েস স্যাম্পেল টেস্ট করার জন্য। কিন্তু এসএসকেএম কোনও অজানা কারণে কাকুর ফিট সার্টিফিকেট দিতেই চাইছে না। এই পরিস্থিতিতে 'কালীঘাটের কাকু' এখনও এসএসকেএম হাসপাতালেই। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ধৃত সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের বিরুদ্ধে  এবার কলকাতা হাইকোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করল বিজেপি। অভিযোগ, গুরুতর অসুস্থ না হয়েও অপ্রয়োজনে এসএসকেএম হাসপাতালে শয্যা দখল করে রয়েছেন তিনি। এরফলে রোগী ভর্তি হতে পারছেন না।

অভিযোগের আরও বলা হয়, হাসপাতালে থাকার জন্য নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে দেরি হচ্ছে ইডির। ইডি হেফাজতের দাবি জানিয়ে জনস্বার্থ মামলা করা হয় কলকাতা হাইকোর্টে। মঙ্গলবার এই বিষয়ে বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি সুপ্রতিম ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে মামলা করা হয়। প্রধান বিচারপতি জানান, বৃহস্পতিবার এই মামলার শুনানি হবে।

উল্লেখ্য, এসএসকেএম হাসপাতালের তরফ থেকে একটার পর একটা স্বাস্থ্য পরীক্ষা সুজয় কৃষ্ণের ক্ষেত্রে করানোর কথা বলা হয়েছে। কখনও মায়োকার্ডিয়াল স্পেস পারফিউশন টেস্ট, আবার কখনও মেন্টাল টাফনেস টেস্ট-স্বাস্থ্য পরীক্ষার মধ্যেই আবদ্ধ কালীঘাটের কাকু। শুধু কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ হচ্ছে না। অন্যদিকে, আগামী ৫ জানুয়ারির মধ্যে এসএসকেএম হাসপাতালের কাছ থেকে কাকুর সমস্ত শারীরিক পরীক্ষার রিপোর্ট তলব করল কলকাতা হাইকোর্ট।

6 months ago
SSKM: রুটিন চেকআপ করাতে এসএসকেএমে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

রুটিন চেকআপ করতে শুক্রবার এসএসকেএম হাসপাতালে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, এসএসকেএমে তাঁর কাঁধে ছোট অস্ত্রোপচার হতে পারে। যদিও মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, রুটিন চেকআপ করাতেই হাসপাতালে এসেছেন তিনি।

স্বাস্থ্যপরীক্ষা করাতে শুক্রবার দুপুর পৌনে তিনটে নাগাদ আচমকাই এসএসকেএম হাসপাতালে উপস্থিত হন মমতা। উডবার্নে ওয়ার্ডে ঢোকার মুখে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন,  “সময় হয় না, তাই চেকআপ করাতে এসেছি। পা টা একটু দেখাবো। আমি সুস্থ আছি।। একদম ঠিক আছি।। রোজ হাঁটাহাটি করছি। এক্স রে করাবো।” শেষে সকলকে আগাম নববর্ষের শুভেচ্ছাও জানান মুখ্যমন্ত্রী।

6 months ago


SujayKrishna: একের পর এক টেস্ট, কিন্তু সংগ্রহ করা হচ্ছে না 'কালীঘাটের কাকু'র কণ্ঠস্বরের নমুনা!

'কালীঘাটের কাকু' এখনও এসএসকেএম হাসপাতালেই। তাঁকে দেখতে রীতিমত মানুষ ভিড়ও করছেন হাসপাতালের সামনে। এরকম চিত্রই দেখা যাচ্ছে হাসপাতাল চত্বরে। এসএসকেএম হাসপাতালে কার্ডিওলজি বিভাগের ১ নম্বর কেবিনে রয়েছেন কালীঘাটের কাকু। তাঁর কণ্ঠস্বর নমুনা পরীক্ষা আটকাচ্ছে কোনও না কোনওভাবে।

এসএসকেএম হাসপাতালের তরফ থেকে একটার পর একটা স্বাস্থ্য পরীক্ষা সুজয় কৃষ্ণের ক্ষেত্রে করানোর কথা বলা হচ্ছে। কখনও মায়োকার্ডিয়াল স্পেস পারফিউশন টেস্ট, আবার কখনও মেন্টাল টাফনেস টেস্ট-স্বাস্থ্য পরীক্ষার মধ্যেই আবদ্ধ কালীঘাটের কাকু। শুধু কণ্ঠস্বর নমুনা সংগ্রহ হচ্ছে না। এমন আবহেই আগামী ৫ জানুয়ারির মধ্যে এসএসকেএম হাসপাতালের কাছ থেকে কাকুর সমস্ত শারীরিক পরীক্ষার রিপোর্ট তলব করল কলকাতা হাইকোর্ট।

6 months ago
SSKM: দুর্নীতিতে নাম জড়ানো অভিযুক্তদের আশ্রয় দিচ্ছে এসএসকেএম! জনস্বার্থ মামলা দায়ের হাইকোর্টে

এবারে এসএসকেএম হাসপাতালের বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হল কলকাতা হাইকোর্টে। এসএসকেএম বিভিন্ন দুর্নীতিতে নাম থাকা অভিযুক্তদের আশ্রয় দিচ্ছে অভিযোগ তুলে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয়েছে কলকাতা হাই কোর্টে। ওই হাসপাতাল চিকিৎসা পরিষেবার অপব্যবহার করছে বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে। এ নিয়ে আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়ে মামলা দায়ের করেছেন মামলাকারী।

জানা গিয়েছে, মামলাটি করেছেন হাইকোর্টের আইনজীবী রমাপ্রসাদ সরকার। তিনি বলেছেন, 'চিকিৎসার প্রয়োজন নেই অথচ ওই হাসপাতালে প্রভাবশালীরা বেড দখল করে রেখেছেন। সেখানে তাঁদের 'ভন্ড' চিকিৎসা চলছে। সাধারণ মানুষ বেড পাচ্ছেন না। আশঙ্কাজনক রোগীরা উপযুক্ত চিকিৎসা পাচ্ছেন না।' তাই মামলাকারীর আবেদন, ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অভিযুক্তদের সব মেডিক্যাল রিপোর্ট আনা হোক। তা যাচাই করা হোক কেন্দ্রীয় সরকারের কোনও হাসপাতালকে দিয়ে। সিবিআই এবং ইডিকে নির্দেশ দিক আদালত, ওই হাসপাতালে ভর্তি থাকা অভিযুক্তদের কেস রেকর্ড আদালতে জমা করা হোক। রমাপ্রসাদ সরকারের বক্তব্য, বৃহত্তর জনগণের স্বার্থে এই মামলা করা হয়েছে। এসএসকেএম হাসপাতালে সকলের জন্য সমান চিকিৎসা করা হোক। প্রভাবশালীদের অতিরিক্ত গুরুত্ব যেন না দেওয়া হয়।

জানা গিয়েছে, আগামী জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে মামলাটির শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।

6 months ago
ED: এবছরও জেলেই থাকতে হচ্ছে কালীঘাটের কাকুকে, জামিনের জন্য আগামী বছরের অপেক্ষা

গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে জেলে প্রায় থাকেননি সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র। অসুস্থ থাকার নাম করে হাসপাতালেই কাটছে দিন। ইডি মরিয়া হয়ে উঠেছে কাকুর ভয়েস স্যাম্পেল টেস্ট করার জন্য। কিন্তু এসএসকেএম কোনও অজানা কারণে কাকুর ফিট সার্টিফিকেট দিতেই চাইছে না। এই পরিস্থিতিতে এবছর জেলেই থাকতে হচ্ছে কালীঘাটের কাকুকে। জামিনের জন্য নতুন বছরের জন্য অপেক্ষা করতে হবে তাঁকে। সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের জামিনের আবেদনের মামলায় SSKM-এর কাছে ও সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের কাছে রিপোর্ট চাইলো আদালত। আগামী ৫ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানি।

১ জানুয়ারি SSKM-এর MSVP রিপোর্ট দেবে আদালত বান্ধব রুদ্র নন্দীকে। আইনজীবী রুদ্র নন্দীর সেই রিপোর্ট কলকাতা হাইকোর্টের কাছে জামা দিতে হবে। এর আগে SSKM ইডির হাতে কাকুর যে রিপোর্ট জমা দিয়েছিল মঙ্গলবার ইডির আইনজীবী আদালতে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের সেই মেডিক্যাল রিপোর্ট জমা দিল। রিপোর্টে আছে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের চিকিত্সক পীযূষ রায় ইডিকে জানান অ্যাপেনডিক্স অপারেশন হয়েছে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের। হৃদরোগের কিছু চিকিৎসা হয়। মানসিক চাপ ছাড়া কিছু নয়। তবুও গলার স্বর পরীক্ষা করা যাবে না সুজয়কৃষ্ণের। ৩০ মে থেকে ১৬ জুলাই পর্যন্ত প্যারল ছিল। তারপর বেসরকারি হাসপাতালে হার্টের চিকিৎসা হয়।তারপর তিনি কিছুদিন জেলে ছিলেন। এরপর আবার এসএসকেম-এ ভর্তি হয়েছেন।

বিচারপতি বলেন গত চার মাসের মধ্যে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের ভয়েস স্যাম্পেল নেওয়া গেলো না? কতদিন ইডি জিজ্ঞাসাবাদ করতে পেরেছে? কতবার SSKM-এ গেছে ইডি?

ইডির আইনজীবী ফিরোজ এডুলজি জানান, ইডি অফিসাররা ভয়েস টেস্টের জন্য SSKM-এ গেলেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নানান কারণ দেখিয়ে এড়িয়ে গেছেন। সামান্য কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করতে গিয়ে গত কয়েক মাস ধরে বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে ইডিকে, ইডি আঁটঘাট বেঁধে মাঠে নামার মধ্যেই আইসিসিইউ থেকে কেবিনে দেওয়া হয় সুজয়কৃষ্ণকে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা সেই কেবিনের বাইরে পাহারায় রয়েছেন। সুজয়কৃষ্ণের জোকা যাত্রা নিশ্চিত করতে তৎপর হয়েছে ইডি। তারই মাঝে এসএসকেএমের তরফে কাকুর হৃদযন্ত্রের সমস্যা নিয়ে নতুন পরীক্ষার কথা সামনে আনছে এসএসকেম কর্তৃপক্ষ।

6 months ago


SSKM: এবার কালীঘাটের কাকুর মানসিক স্বাস্থ্যের পরীক্ষা করাতে চায় SSKM, ইডির পরবর্তী পদক্ষেপ কী?

সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের ভয়েস স্যাম্পেল টেস্ট নিয়ে জট এখনও অব্যাহত। এখনও এসএসকেএম-এ ভর্তি রয়েছেন সুজয়কৃষ্ণ ওরফে কালীঘাটের কাকু। ফলে ইডির পক্ষে এখনও কাকুর ভয়েস স্যাম্পেল টেস্ট করা সম্ভব হয়ে ওঠেনি। তবে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কালীঘাটের কাকুর কণ্ঠস্বরের নমুনা যে অতি প্রয়োজন তা আদালতে স্পষ্ট জানিয়েছিলেন ইডির আধিকারিকরা। অন্যদিকে, সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের মানসিক স্বাস্থ্য কেমন রয়েছে, তা জানতে চায় এসএসকেএম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এর জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে মেন্টাল টাফনেস পরীক্ষা করানোর কথা জানিয়ে জেল কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিল। এবার জেল কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়, আদৌ কি তারা সুজয় কৃষ্ণ ভদ্রের মানসিক স্বাস্থ্যের চিকিৎসার জন্য এসএসকেএম এর আবেদনে সাড়া দেবে, নাকি আদালতকে জানিয়ে তবেই অনুমতি দেবে তারা, সেটাই দেখার।

প্রসঙ্গত, কালীঘাটের কাকুর কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ কাজ কবে সম্পন্ন করা যাবে তা নিয়ে ধন্ধে রয়েছেন ইডির আধিকারিকরা। এসএসকেএম থেকে যতক্ষণ না পর্যন্ত গ্রিন সিগন্যাল দেওয়া হচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে কালীঘাটের কাকুকে জোকা ইএসআই হাসপাতালে নিয়ে যেতে পারছে না ইডি। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকবার ইডির তরফে এসএসকেএম থেকে সুজয় কৃষ্ণ ভদ্রের মেডিকেল রিপোর্ট সংগ্রহ করা হয়েছে।

6 months ago
SSKM: কালীঘাটের কাকুকে নয়া পরীক্ষার নিদান এসএসকেএমের, কবে কথা বলবেন কাকু?

এবার কালীঘাটের কাকুকে 'স্ট্রেস মায়োকার্ডিয়াল পারফিউশন স্ক্যান' টেস্টের পরামর্শ এসএসকেএমের চিকিৎসকদের। সঠিক কাঠামো না থাকায় বেসরকারি হাসপাতালে এই পরীক্ষা করানোর নিদান এসএসকেএমের। প্রেসিডেন্সি জেল কর্তৃপক্ষকে এ ব্যাপারে জানিয়েছে এসএসকেএম।

দীর্ঘ কয়েকমাস ধরে এসএসকেএমের বেড আগলে বহাল তবিয়তে রয়েছেন নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডের অন্যতম অভুযুক্ত কালীঘাটের কাকু ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র। এই 'ভদ্র' কাকুর কন্ঠস্বরের নমুনা পরীক্ষার জন্য কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডির আধিকারিকরা বারংবার এসএসকেএমে আবেদন জানিয়েছেন। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। এসএসকেএমের ছত্রছায়ায় কাকু রীতিমতো ঘোল খাইয়ে ছেড়েছেন ইডি আধিকারিকদের। পাশাপাশি এসএসকেএম নিয়েও শুরু হয়েছে বহু বিতর্ক। ইতিমধ্যেই রাজ্যের এই প্রথম সারির হাসপাতালের বিরুদ্ধে কাকুর মেডিক্যাল রিপোর্ট বিকৃতির অভিযোগ করেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা। এরপরই শনিবার সুজয়কৃষ্ণকে "স্ট্রেস মায়োকার্ডিয়াল পারফিউশন স্ক্যান' টেস্ট অর্থাৎ হৃদযন্ত্রের মাংসপেশীর সক্ষমতা যাচাইয়ের পরামর্শ দিলেন এসএসকেএমের চিকিৎসকরা। তবে এই পরীক্ষা সরকারি হাসপাতালের কোথাও না হ‌ওয়ায় বেসরকারি স্বাস্থ্যক্ষেত্রে করতে হবে বলে প্রেসিডেন্সি জেল কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছে এস‌এসকেএম।

যদিও সূত্রের খবর এসএসকেএমেই রয়েছে হৃদযন্ত্রের মাংসপেশীর সক্ষমতা যাচাইয়ের যন্ত্র। যদিও অভাব রয়েছে যন্ত্রীর। অর্থাৎ মেশিন চালানোর জন্য কোনও  লোকই নেই। আর এই কারণেই নিষ্ক্রিয় অবস্থায় এসএসকেএমে পড়ে রয়েছে যন্ত্রটি। এই মেশিনের দাম প্রায় দেড় কোটি টাকা। উল্লেখ্য ২০১০ সালে বাম আমলে নিউক্লিয়ার মেডিসিন বিভাগে উদ্বোধন হয়  পারফিউশন স্ক্যানের যন্ত্রের। ২০১৩ সালে মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টের অভাবে বন্ধ  হয়ে যায়  সেই পরিষেবা। অভিযোগ, ১০ বছরে এই বিষয় নিয়ে একাধিক আবেদনেও মেলেনি সাড়া।  এমনকি  স্বাস্থ্য ভবনে এ সংক্রান্ত মঞ্জুর  ফাইলও  পড়ে  রয়েছে বলে সূত্রের খবর।

এসএসকেএমে কাকুর স্বাস্থ্যের এই বিষয়গুলি খতিয়ে দেখতে ফের শনিবার এসএসকেএমে হাজির হয়েছিলেন ইডির দুই আধিকারিক। আপাতত কাকুর ভবিষ্যত কী? এ নিয়ে জল্পনা চলছে রাজ্য রাজনীতিতে। আদৌ কি কথা কইবেন কালীঘাটের কাকু? পাশাপাশি কাকুকে জোকা ইএসআই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য ইডির পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয় আপাতত সেদিকেই তাকিয়ে রাজ্যের ওয়াকিবহাল মহল।

6 months ago