Breaking News
Modi: কৃষ্ণনগরে ভাষণ শুরু করেই ক্ষমা প্রার্থানা প্রধানমন্ত্রীর, তৃণমূলকে তীব্র তুলধনা...      Modi: 'রামমোহনের আত্মা সন্দেশখালির মহিলাদের দুর্দশায় কাঁদছে', আরামবাগ থেকে মমতাকে তোপ মোদীর      Suspend: গ্রেফতারির পরেই তৃণমূল থেকে ছয় বছরের জন্য সাসপেন্ড সন্দেশখালির 'বেতাজ বাদশা' শাহজাহান      Sandeshkhali: নিরাপদ সর্দারকে নিঃশর্তে জামিন দিয়ে রাজ্য পুলিসকে তিরস্কার বিচারপতির      Sheikh Shahjahan: ঘর ভাঙচুর, টাকা লুঠ! শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে নতুন এফআইআর সন্দেশখালি থানায়      Sandeshkhali: অজিত মাইতিকে তাড়া গ্রামবাসীদের, সাড়ে ৪ ঘণ্টা পর অবশেষে আটক পুলিসের      Ajit Maity: উত্তপ্ত সন্দেশখালি! অজিত মাইতির গ্রেফতারির দাবিতে বিক্ষোভ মহিলাদের, বাঁচতে সিভিকের বাড়িতে আশ্রয়      Sandeshkhali: সন্দেশখালি ঢুকতে বাধা, ভোজেরহাটেই দিল্লির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমকে আটকাল পুলিস      Sandeshkhali: একই যাত্রায় পৃথক ফল! ১৪৪ যুক্ত এলাকায় নির্বিঘ্নে ঘুরছেন পার্থ-সুজিত, বাধাপ্রাপ্ত মীনাক্ষী      Sandeshkhali: ভোটের আগে উত্তপ্ত সন্দেশখালি, বিশেষ নজর নির্বাচন কমিশনের     

Modi

Modi-Shah: দুই পৃথক অনুষ্ঠানে নভেম্বরে শহরে মোদী-শাহ, থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতাও

সরকারি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে নভেম্বরে রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী (Prime Minister) নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। সূত্রের খবর, মাসের শুরু দিকে আসছেন শাহ এবং শেষের দিকে আসবেন মোদী। আলোচ্য বিষয়, দুজনের কর্মসূচিতেই থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।

জানা গিয়েছে, শাহ ৫ নভেম্বর পূর্বাঞ্চল পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে একটি বৈঠকে যোগ দিতে কলকাতায় আসবেন। ওই বৈঠকে পরিষদের ভাইস চেয়ারপার্সন হিসেবে থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। ওই বৈঠকে উপস্থিত থাকতে পারেন নীতিশ কুমার। ফলে তাঁর সঙ্গেও দেখা হয়ে যাবে মুখ্যমন্ত্রীর।

'নমামি গঙ্গা' কর্মসূচি উপলক্ষে নরেন্দ্র মোদীর কলকাতায় আসার কথা নভেম্বরের শেষে। দিল্লিতে মোদী-মমতা বৈঠক হয়েছে মাসখানেক আগে। তারপর থেকেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয় নানারকম চর্চা। এরপরে সম্ভবত এই কর্মসূচি হবে তাঁদের দু’জনের মুখোমুখি সাক্ষাৎ।

এর মধ্যেই ২ নভেম্বর মমতার চেন্নাই সফরও আছে। বাংলার দায়িত্বপ্রাপ্ত রাজ্যপাল লা গণেশন মুখ্যমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। সেই আমন্ত্রণ রক্ষা করতেই চেন্নাই যাচ্ছেন বলে খবর। চেন্নাই পৌঁছে প্রথমেই তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী ডিএমকে নেতা এমকে স্ট্যালিনের সঙ্গে দেখা করবেন বলে জানা গিয়েছে। আপাতত সব মিলিয়ে রাজনৈতিক মহলে চর্চা তুঙ্গে।

one year ago
Narendra Modi: অযোধ্যা ঘুরে কার্গিলে প্রধানমন্ত্রী, সেনা জওয়ানদের সঙ্গে দীপাবলি উদযাপন

প্রতি বছরই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Narendra Modi) দীপাবলি (Diwali) উদযাপন করেন সেনাদের সঙ্গে। পৌঁছে যান সীমান্তে থাকা প্রহরীদের কাছে। এবারও তার অন্যথা হল না। এবারে আলোর উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নিলেন জম্মু ও কাশ্মীরের কার্গিলে (kargil) কর্তব্যরত সৈন্যদের (Army) সঙ্গে। পাশাপাশি সোমবার দেশবাসীকে দীপাবলির শুভকামনা জানান প্রধানমন্ত্রী। সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, 'সবাইকে দীপাবলির শুভেচ্ছা। দীপাবলি উজ্জ্বলতা এবং আলোকের সঙ্গে জড়িত। এই শুভ উৎসব আমাদের জীবনে আনন্দ ও মঙ্গল চেতনাকে আরও বাড়িয়ে তুলুক। আমি আশা করি, আপনি পরিবার এবং বন্ধুদের সঙ্গে সুন্দরভাবে দীপাবলি উদযাপন করবেন।' 

উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী গত আট বছর ধরে সেনাদের সঙ্গে দীপাবলি উদযাপন করছেন। ২০১৪ সালে মোদী প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এ কাজ করেন। সে বছর সিয়াচেনে প্রথম দীপাবলি উদযাপন করেছিলেন। সেনাবাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে দীপাবলি উদযাপনের ঐতিহ্য বজায় রেখে এবার কার্গিলকে বেছে নিলেন তিনি।

তার ঠিক পরের বছর অর্থাৎ ১১ নভেম্বর ২০১৫ সালে প্রধানমন্ত্রী মোদী পঞ্জাবে সৈন্যদের সঙ্গে দীপাবলি উদযাপন করেছেন। এখানে তিনি ১৯৬৫ সালের যুদ্ধ স্মৃতিসৌধ পরিদর্শনেও আসেন। ৩০ অক্টোবর ২০১৬ সালে মোদী হিমাচলের কিন্নর পৌঁছেছিলেন। এখানে তিনি ভারত-চীন সীমান্তের কাছে সেনাদের সঙ্গে দীপাবলি উদযাপন করেন। ১৮ অক্টোবর ২০১৭ সালে জম্মু ও কাশ্মীরের গুরেজে, ৭ নভেম্বর ২০১৮ উত্তরাখণ্ডের হরশিলে ইন্দো-তিব্বত সীমান্তে, ২৭ অক্টোবর ২০১৯-এ এলওসি বরাবর সৈন্যদের সঙ্গে, এবং ১৪ নভেম্বর ২০২০ সালে জয়সলমেরের লংয়েওয়ালা পোস্ট আর ৪ নভেম্বর ২০২১ সালে রাজৌরির নওশেরা সেক্টরে সৈন্যদের সঙ্গে দীপাবলি উদযাপন করেছিলেন।

প্রসঙ্গত, এ বছর দীপাববলির আগে থেকেই বিভিন্ন জায়গায় গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। ২১ অক্টোবর বাবা কেদারনাথ এবং বদ্রীনাথ দর্শন করতে এসেছিলেন। এর পরে, তিনি ২৩ অক্টোবর অযোধ্যার ষষ্ঠ দীপোৎসবে অংশ নিয়েছিলেন। এর সঙ্গে অযোধ্যায় পৌঁছে রামলালা বিরাজমানকেও দেখতে যান।

one year ago
NARENDRA: দীপাবলির আগে আলোর মালায় সাজছে অযোধ্যা, আসছেন প্রধানমন্ত্রী, দেখবেন দীপোৎসব

করোনা আতঙ্ক কাটিয়ে দু'বছর পর এবার দীপাবলীর (Diwali) আলোয় সেজে উঠছে অযোধ্যা (Ayodhya)। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (PM Modi) আগমনের জন্য রাম নগরী অযোধ্যায় প্রস্তুতি পুরোদমে। ষষ্ঠ দীপোৎসবে, রাম নগরী অযোধ্যা তার নিজের রেকর্ড ভাঙবে এবং একসঙ্গে প্রায় ১৬ লক্ষ প্রদীপ জ্বালিয়ে একটি নতুন রেকর্ড গড়বে।

জানা গিয়েছে, ষষ্ঠ দীপোৎসব উপলক্ষে অযোধ্যায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী। নিরাপত্তার জন্যও ব্যাপক ব্যবস্থা। ইতিমধ্যে এসপিজি দল অযোধ্যায় পৌঁছেছে এবং প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানস্থল  বিশেষ পরিদর্শন চলছে। উল্লেখ্য, ২৩ তারিখ, অর্থাৎ রবিবার ষষ্ঠী দীপোৎসব পালিত হবে। এরই ধারাবাহিকতায়, ডঃ রামমনোহর লোহিয়া অবধ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬০০০ এরও বেশি স্বেচ্ছাসেবক যুদ্ধকালীন তৎপরতায় রাম কি পায়দির সমস্ত ঘাটে মাটির প্রদীপ জ্বালানোর কাজ শুরু করেছেন। প্রায় ১৫টি তোরণ গেট নির্মাণ করা হয়েছে। যার নাম রামায়ণ যুগের সঙ্গে সম্পর্কিত। জটায়ু দ্বার, লক্ষ্মণ দ্বার, হনুমান দ্বার, সীতা দ্বার প্রভৃতি নাম অন্তর্ভুক্ত।

সাকেত কলেজের মাঠে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জন্য তৈরি করা হচ্ছে হেলিপ্যাড, যা পরিদর্শনও করেছে এসপিজি-র দল। প্রসঙ্গত, উত্তরপ্রদেশে যোগী সরকার গঠনের পর এটি ষষ্ঠ দীপোৎসব। যেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ছাড়াও দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ও দেশ-বিদেশের বিশিষ্টজনরা অংশ নেবেন। ছোট দীপোৎসবে সব মিলিয়ে ১৬ লক্ষ দিয়ার আলোয় আলোকিত হবে অযোধ্যা।

one year ago


Kharge: কংগ্রেস সভাপতি হলেন বটে, কিন্তু আদতে বাঘের পিঠে চাপলেন না তো খাড়গে?

প্রসূন গুপ্ত: এআইসিসি বা সর্বভারতীয় কংগ্রেসের যে ভোট সোমবার হয়ে গেলো বুধবার তার গণনা হয়েছে। খবর বিপুল ভোটে জিতেছেন মালিকার্জুন খাড়গে। তাঁর জয় সুনিশ্চিত ছিল, কারণ গান্ধী পরিবার ঘনিষ্ঠ রাজ্যসভার এই কংগ্রেস সাংসদ। সোনিয়া এবং রাহুলের আশীর্বাদধন্য খাড়গের জয় নিশ্চিত ছিল শশী থারুরের বিরুদ্ধে।

তিরুবনন্তপুরমের কংগ্রেস সাংসদ ইতিমধ্যে তাঁর সোশ্যাল নেটওয়ার্কের পেজে কংগ্রেসের ভালো হোক লিখে সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে একযোগে লড়াইয়ের আবেদন জানিয়েছেন। থারুর কংগ্রেসের বিদ্রোহী বা জি-২৩ গোষ্ঠীর অন্যতম মুখ। তবুও বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য থারুর জিতলে কংগ্রেসেরই ভালো হতো। শশী থারুর সুশিক্ষিত, সুবক্তা এবং সুদর্শন। ফলে ৮-৮০ সবার মধ্যেই থারুরের ক্যারিশ্মা আছে। কিন্তু দল এবং দলের বাইরে সেটা হওয়ার নয়। কাজেই কয়েক ঘন্টার মধ্যে কংগ্রেসের নতুন সভাপতি মালিকার্জুন খাড়গে।

এখন লাখ টাকার প্রশ্ন, আজ কংগ্রেসের যা অবস্থা সেখান থেকে খাড়গে কি দলে সুদিন আনতে পারবেন? অভিজ্ঞতা বলছে তা হবে কঠিন কাজ। এই মুহূর্তে সারা ভারতে রাজস্থান এবং ছত্রিশগড় ছাড়া হাতে অন্য কোনও রাজ্য কংগ্রেসের নেই। ঝাড়খণ্ড এবং বিহারে মিলিজুলি অবিজেপি সরকার। পড়শি এই দুই রাজ্যে কংগ্রেস শাসক জোটের শরিক মাত্র। এর মধ্যে রাজস্থানে প্রবল গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব গেহলট এবং পাইলটের। গেহলটকে সোনিয়া কংগ্রেসের সভাপতি পদে প্রার্থী হতে বলেছিলেন। কিন্তু উনি মুখ্যমন্ত্রীর পদ শচিন পাইলটকে ছাড়তে নারাজ।

রাজস্থানে এই গোষ্ঠীকোন্দল খাড়গেকেই মেটাতে হবে। অন্যদিকে কর্নাটক, মহারাষ্ট্রতে বিজেপি বিরোধী জোটকে কাজে লাগিয়ে আগামি ভোটে ফল প্রত্যাশিত করার চাপ থাকবে খাড়গের। সামনে লোকসভা ভোট ২০২৪-এ। বর্তমান বিজেপি সরকারকে বেগ দিতে খাড়গে কি পারবেন নরেন্দ্র মোদীর বিকল্প মুখ হয়ে উঠতে?


one year ago
Inflation: নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যর ঝাঁজে চোখে জল মধ্যবিত্তের, দিশেহারা হয়ে পড়ে আম জনতা

সৌমেন সুর: দিনের পর দিন দেশের অগ্রগতির জন্য সম্পদ ও শ্রীবৃদ্ধির অমোঘ পরিকল্পনা বেড়েই চলেছে। একদিকে চলে প্রচুর অর্থব্যয়ে দেশকে সমৃদ্ধ করা, অন্যদিকে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম ঊর্ধ্বমুখী হয়ে যাওয়ায়, সেদিকে কড়া নির্দেশ বা দৃষ্টিপাতের উদাসীনতা। এতে আখেরে নাভিশ্বাস ওঠে মধ্যবিত্ত শ্রেণির। তাঁদের ঘাড়ে মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা। জীবন হয়ে ওঠে সঙ্কটময়। কৃষকশ্রেণির চোখে শূন্যতা, শ্রমিক শ্রেণি বিধস্ত। আসলে ভারতের বহিঃরঙ্গে ঐশ্বর্য বিলাস। অন্তরঙ্গে দুঃখ-দৈন্যের করুন থাবা।

অসাধু ব্যবসায়ীদের জন্য সৃষ্টি হয় পণ্যের কৃত্রিম অভাব। সৃষ্টি হয় কালোবাজারি। এই চোরা পথেই পণ্যের মূল্যরেখা হয় ঊর্ধ্বগতি। মুনাফার অঙ্ক বাড়ে। বাড়ে শোষণের নেশা। তাই পণ্যমূল্য বৃদ্ধির দুঃসহ আঘাতে মানুষ মরিয়া হয়ে ওঠে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। চারদিকে ধর্মঘট, বেতনবৃদ্ধির আন্দোলনে মানুষ দিশেহারা।

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি সমাজের গভীর ক্ষত। এতে স্ফীত হয় মুদ্রা দিশেহারা হয়ে পড়ে আম আদমি, যেমন মধ্যবিত্ত এবং প্রান্তিক সমাজ। অর্থনীতির বিজ্ঞান ভিত্তিক পুনর্বিন্যাসে এই গভীর ক্ষতের উপশম সম্ভব। 

one year ago


Ration: প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণের আওতায় আরও ৩ মাস বাড়তে পারে বিনামূল্যে রেশন প্রদান

প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ যোজনার আওতায় আরও তিন মাস বিনামূল্যে রেশন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে মোদী সরকার। এই সংক্রান্ত সরকারি বিজ্ঞপ্তি আর কয়েকদিনের মধ্যে জারি হওয়ার সম্ভাবনা। এমনটাই কেন্দ্রের এক সূত্রের খবর।  করোনা অতিমারীর সময় থেকে বিনামূল্যে পরিবারপিছু ৫ কেজি খাদ্যশস্য প্রদানের ঘোষণা করেছিলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। এই প্রকল্পখাতে গত দু'বছরে ৩ লক্ষ কোটি টাকা খরচ হয়েছে। আরও তিন মাস এই রেশন প্রদানের মেয়াদবৃদ্ধি হলে ৪৫ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত সরকারি কোষাগার থেকে বেরোবে। এমনটাই অর্থ মন্ত্রক সূত্রে খবর।

মূলত, আর্থিক এবং সামাজিক ভাবে পিছিয়ে থাকা মানুষের সুরাহা দিতে করোনা কালে এই প্রকল্প মোদী সরকারের মাস্টার স্ট্রোক ছিল। লকডাউন এবং করোনার ফলে কাজ হারানো বহু পরিবার এই রেশনে দু'বেলা ভরপেট খেতে পেয়েছে। তাই উৎসবের মরশুমে আরও একবার এই প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ার সম্ভাবনা। এমনটাই মোদী সরকার সূত্রে খবর।

এদিকে অর্থ মন্ত্রকের একটি সূত্রের দাবি, রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিশ্বজুড়ে অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়েছে। সে কথা সম্প্রতি আমেরিকাকে বলেছেণ বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। এই পরিস্থিতিতে ভর্তুকি আছে এমন প্রকল্প চালানো কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়ছে। তবে জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনে এই প্রকল্পের আওতায় ৮০ কোটির বেশি মানুষ উপকৃত হয়েছে।

one year ago
DA: উৎসবের মরশুমে সুখবর! কেন্দ্রীয় সরকারী কর্মীদের জন্য মোদী সরকারের আরও একপ্রস্থ ডিএ ঘোষণা

উৎসবের মরশুমে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের (Central Government Employee) জন্য সুখবর। ফের তাঁদের একপ্রস্থ ৪% হারে মহার্ঘ ভাতা (DA) বাড়তে চলেছে। পঞ্চম বেতন কমিশন অনুসারে এই মহার্ঘ ভাতা বাড়াতে চলেছে মোদী সরকার (Modi Government)। কেন্দ্রের এই ঘোষণায় রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের বেতনের ব্যবধান বেড়ে দাঁড়াল ৩৫%। কেন্দ্রের এই ঘোষণায় ৫০ লক্ষ কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী এবং ৬৫ লক্ষ পেনশনভোগী এই সুবিধা পেতে চলেছেন। 

কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মীরা আগেই ৩৪ শতাংশ হারে মহার্ঘ ভাতা পেতেন। রাজ্য সরকার সেখানে ৩ শতাংশ হারে মহার্ঘ ভাতা দিয়ে থাকে। কেন্দ্রীয় সরকারের নতুন ঘোষণার ফলে রাজ্য সরকার এবং কেন্দ্রীয় সরকারের মধ্যে মহার্ঘ ভাতার ব্যবধান বেড়ে আরও বাড়ল। 

এদিকে, গত সপ্তাহে ডিএ মামলায় কলকাতা হাইকোর্টে ধাক্কা খেয়েছে রাজ্য। মহার্ঘ ভাতা প্রদান নিয়ে ডিভিশন বেঞ্চের রায় পুনর্বিবেচনার আর্জি খারিজ করে দিয়েছে। বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডনের ডিভিশন বেঞ্চ এই আর্জি খারিজ করেছে। তারা জানিয়েছে, মে মাসের রায় বহাল রেখেই রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ মেটাতে হবে।

যদিও রাজ্যের তরফে অর্থাভাবের যুক্তি দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু সেই যুক্তি খারিজ হয়েছে আদালতে। ডিভিশন বেঞ্চের এই রায়ে পুজোর আগে কয়েক হাজার সরকারি কর্মীর মুখে হাসি ফুটবে। এমনটাই মনে করছেন সরকারি কর্মীদের সংগঠন।

one year ago
Assembly: মমতার মুখে মোদী স্তুতি, বললেন,'ইডি-সিবিআইয়ের অতিসক্রিয়তায় প্রধানমন্ত্রীর সমর্থন নেই'

সোমবার বিধানসভায় (Assembly) পাশ হয়েছে সিবিআই-ইডির (CBI ED) 'অতিসক্রিয়তায়' অভিযোগে আনা নিন্দা প্রস্তাব। এই প্রস্তাবের পক্ষে ভোট পড়েছে ১৮৯টি এবং বিপক্ষে ভোট পড়েছে ৬৪টি। এদিন বিধানসভায় উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata) এবং বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। প্রস্তাবের পক্ষে বলতে উঠে মুখ্যমন্ত্রীর মুখে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা শোনা গিয়েছে। ইডি-সিবিআই যখন, তখন যার তাঁর বাড়ি চলে যাচ্ছে। এই কাজে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (PM Modi) সমর্থন নেই। বিজেপি নেতারা এসব করাচ্ছে। কেন্দ্রীয় এজেন্সি দিয়ে ধমকানো-চমকানোর চেষ্টা করছে। তিনি জানান সিবিআই-ইডির অতি সক্রিয়তার বিরুদ্ধে আনা নিন্দা প্রস্তাব আদতে কেন্দ্রীয় সংস্থার নিরপেক্ষতা চেয়ে সওয়াল।

বিধানসভায় দাঁড়িয়ে বিজেপির উদ্দেশ্যে এদিন আর কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী? 

বাংলার সরকার স্বাধীনচেতা সরকার, চোরের মায়ের বড় গলা

কী দেশ ছিল কী হয়েছে, দু'লাইন পড়তে পারেন না 

শুধু বলেন দেখে নেবো, ২০২৪-এ একেবারে যাবে

গেরুয়া বসন পরে, টাকার পাহাড়ে বসে আছেন

সারদা, নারদায় সুব্রত দা, ববি সবার বাড়িতে অভিযান হয়েছে

বিজেপি আজ ক্ষমতায় আছো, তাই তুমি আজ সাধু হয়েছো

তিন-চার মাসে ১০৮ টা কেস করেছে কেন্দ্রীয় এজেন্সি

ব্যবসায়ীরা পালিয়ে যাচ্ছে, আর এদিকে সকালে নোটিশ, বিকেলে...

নোটিশ, আমি বিশ্বাস করি না নরেন্দ্র মোদী এসব করেছেন বা উনার সমর্থন রয়েছে

বিজেপির নেতারা করাচ্ছেন, আপনারা বুনো ওল হলে, আমরা বাঘা তেঁতুল

২৪-এ কেন্দ্রের বিজেপি সরকার পগারপার, মহারাষ্ট্রে টাকা দিয়ে সরকার ভাঙলেন কোথায় পেলেন এত টাকা?

সব লুটেছে, সরকার ভাঙছে টাকা দিয়ে, আর আপনারা সাধু?

বাংলার জনগণের টাকা, বাংলা থেকে তুলে নিয়ে যাচ্ছো

এরা গান্ধীজির নাম বলে না, প্রধানমন্ত্রীকে সম্মান করে বলছি 

প্রধানমন্ত্রীজি এদের সামলান, গণতন্ত্রের ৩টে হাতিয়ার কব্জা করার চেষ্টা হচ্ছে

সংবাদ ব্যবস্থা, বিচারসভা এবং জনগণ, নোবেল প্রাইজ উদ্ধার করতে পেরেছে সিবিআই? নেতাই পেরেছে? ওদের সাকসেস রেট খুব খারাপ 

one year ago


Russia: 'এখন যুদ্ধের সময় নয়', পুতিনকে পরামর্শ মোদীর, ইউক্রেন সংঘাতে ইতি টানার ইঙ্গিত রাশিয়ার

এখন যুদ্ধের সময় নয়। উজবেকিস্তানের এসসিও (SCO) বৈঠকের ফাঁকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট (Russia President) ভ্লাদিমির পুতিনকে (Vladimir Putin) পেয়ে পরামর্শ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (PM Modi)। এসসিও বা সাংহাই কো অপারেশন সম্মেলন এ বছর আয়োজিত হচ্ছে উজবেকিস্তানের সমরখন্দে। রাশিয়া, ভারত ছাড়া এই সম্মেলনের অন্যতম অংশগ্রহণকারী দেশ চিন। কিন্তু দক্ষিণ এশিয়ায় রাশিয়ার প্রকৃত মিত্র ভারত কিংবা চিন কেউই ইউক্রেন যুদ্ধ প্রসঙ্গে পুতিনের পাশে দাঁড়ায়নি। বরং দুই পড়শি দেশ আকার-ইঙ্গিতে রাশিয়াকে বুঝিয়ে দিয়েছে এখন যুদ্ধ বন্ধের সময়।

সমরখণ্ডে দুই দেশের রাষ্ট্রনেতার মধ্যে হওয়া পার্শ্ববৈঠকে মোদী জানান, এখন যুদ্ধের সময় নয়। এই আপৎকালীন সময়ে খাদ্য ও শক্তির নিরাপত্তা অগ্রাধিকার। এদিকে, ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধ ঘোষণার পর তেমন বড় কোনও সাফল্য গত ৭ মাসে পায়নি পুতিন বাহিনী। উলটে একসময় রাশিয়ার হাতে থাকা একের পর এক প্রদেশ হাতছাড়া হচ্ছে মস্কোর। তাও চলতি সপ্তাহের গোড়াতে ইউক্রেনে যুদ্ধ বন্ধের সম্ভাবনা খারিজ করেছিলেন পুতিন। বরং আক্রমণের তীব্রতা বাড়ানোর ‘বার্তা’ দেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট।

এই পরিস্থিতিতে মোদীর মন্তব্য আন্তর্জাতিক মঞ্চে রাশিয়াকে আরও নিঃসঙ্গ করে দিল। এমনটাই মনে করছে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা। এদিকে, শুধু নরেন্দ্র মোদী নয়, পুতিন বৈঠক করেছেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিংপিংয়ের সঙ্গেও।

সেই বৈঠকে বেজিংয়ের তরফে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পায়নি মস্কো। ইতিমধ্যে ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হতে পুতিনের সঙ্গে চার বার ফোনে কথা বলেন মোদী। যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ভারতে সফরে এসেছিলেন রুশ বিদেশমন্ত্রী সার্গেই লাভরভ। শুক্রবারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে সেই প্রসঙ্গ তুলে পুতিনকে নরেন্দ্র মোদী বলেছেন, গণতন্ত্র, কূটনীতি এবং আলোচনাই বর্তমান বিশ্বে সমস্যা সমাধানের পথ হওয়া উচিত। মোদীকে জন্মদিনের আগাম শুভেচ্ছা জানিয়ে যত দ্রুত সম্ভব ইউক্রেন সঙ্ঘাতে ইতি টানার কথা বলেছেন পুতিন।

one year ago
Modi: প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে নামিবিয়া থেকে ৮টি চিতা মধ্যপ্রদেশে, ৭ দশক পর চিতার দৌড় দেখবে ভারত

আজ, অর্থাৎ ১৭ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Narendra Modi) ৭২বছরে পা দিলেন। সকাল থেকেই শুভেচ্ছাবার্তায় উপচে পড়ছে সোশ্যাল মিডিয়া। বিদেশ থেকেও আসছে শুভেচ্ছাবাণী। প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন (Birthday) উপলক্ষে বিশেষ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে দেশজুড়ে। গোটা দিনই ঠাসা কর্মসূচী প্রধানমন্ত্রীর। তাঁর জন্মদিনেই নামিবিয়া থেকে আটটি চিতা আনা হয়েছে মধ্যপ্রদেশের (Madhya pradesh) কুনো জাতীয় অভয়ারণ্যে। প্রধানমন্ত্রী মোদী নিজেই সেই চিতা এদিন খাঁচামুক্ত করলেন। পাশাপাশি হুডখোলা জিপে সওয়ার হয়ে ফটোশ্যুট করতে তাঁকে দেখা গিয়েছে।

প্রথমেই সরাসরি জঙ্গলে না ছেড়ে পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর জন্য তারের বেড়ায় ঘেরা মুক্ত প্রান্তরে ছাড়া হয়েছে এই আটটি চিতাকে। কেন্দ্রীয় বন ও পরিবেশ মন্ত্রক জানিয়েছে,  নামিবিয়া থেকে আগামী পাঁচ বছর ধরে ধাপে ধাপে ৫০টি চিতা ভারতে আনা হবে। এর মধ্যে অক্টোবর মাসে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে আরও ১২টি চিতা আনা হবে বলে জানা গিয়েছে। প্রায় ৭০ বছর পর ভারতে দেখা যাবে চিতার দৌড়।

মোদী সরকারের দাবি, ভারতের অরণ্যে লুপ্ত হয়ে যাওয়া চিতা ফেরানোর উদ্দেশ্যেই এই পদক্ষেপ। তবে, কেবল মাত্র ইরানেই এখনও পর্যন্ত এশীয় চিতার দেখা মেলে। ভারত সরকারের উদ্যোগে এখন যে চিতাগুলি নিয়ে আসা হচ্ছে, সেগুলি আফ্রিকার চিতা।বিশেষভাবে প্রস্তুত বি-৭৪৭ জাম্বো জেট বিমানে চিতাগুলিকে আনা হয়েছে। এদের মধ্যে পাঁচটি মহিলা এবং তিনটি পুরুষ চিতা। ২টি চিতা সম্পর্কে সহোদর। তারা নাকি সবসময় একজোট হয়েই শিকার করে। স্ত্রী চিতাগুলির বয়স দুই থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে। আর পুরুষ চিতাগুলি সাড়ে চার থেকে পাঁচ বছরের। শনিবার সকাল আটটা নাগাদ তাদের নিয়ে গ্বালিয়রে অবতরণ করে বায়ুসেনার বিশেষ ওই কপ্টার ‘চিনুক’।

উল্লেখ্য, ১৯৫০-এর দশকে ভারত থেকে বিলুপ্ত হয়ে যায় এই বন্য প্রাণী। ১৯৫২ সালে তৎকালীন কেন্দ্রীয় সরকার চিতাকে বিলুপ্ত বলে ঘোষণা করে। সেই সময় থেকে গত ৭ দশক ধরে চিতাহীন রয়েছে ভারত। তাই চিতার পর্যাপ্ত বংশবৃদ্ধি করতে সুদূর আফ্রিকা থেকে আটটি চিতাকে উড়িয়ে আনা হয়েছে ভারতে বলে জানিয়েছে।

one year ago


Queen: ৯৬-এ থামল রানী এলিজাবেথের রাজ্যপাট, প্রিন্স থেকে কিং হলেন চার্লস

বৃহস্পতিবার সকালে রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের (Queen Elizabeth II) শারীরিক অবস্থার কথায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন চিকিৎসকরা। তিনি সেই সময় ছিলেন স্কটল্যান্ডের (Scotland) বালমোরাল (Balmoral casele) প্রাসাদে। খবর পেয়েই ছুটে যান তার পরিবারের সদস্যরা। চার ছেলে-মেয়ে— যুবরাজ চার্লস (৭৩), রাজকুমারী অ্যান (৭২), যুবরাজ অ্যান্ড্রিউ (৬২), যুবরাজ এডওয়ার্ড (৫৮) পৌঁছে যান। ৯৬ বছর বয়সে প্রয়াত রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ। চার্লসের বড় ছেলে যুবরাজ উইলিয়ামও (William) পৌঁছন।

বৃহস্পতিবার স্কটল্যান্ডের বালমোরাল প্রাসাদে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন তিনি। তাঁর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে টুইট করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রধানমন্ত্রী লিখলেন, '২০১৫ এবং ২০১৮' সালে যখন ব্রিটিশ যুক্তরাজ্য সফরে গিয়েছিলাম, তখন রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের সঙ্গে স্মরণীয় সাক্ষাৎ হয়েছিল। আমি কখনও তাঁর উষ্ণতা এবং উদরতার কথা ভুলব না। একটি সাক্ষাতে তিনি বিয়েতে মহাত্মা গাঁধীর দেওয়া রুমাল আমায় দেখিয়েছিলেন। সারা জীবন সেই কথা মনে রাখব।' রানীর মৃত্যুতে প্রোটোকল মেনেই প্রিস্ন থেকে কিং হলেন চার্লস।

সোশাল মিডিয়া উদ্বেগ প্রকাশ করেন ব্রিটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী লিজ ট্রাস-সহ মন্ত্রী এবং সারা বিশ্বের রাজনীতিক, ধর্মীয় নেতারা। কলকাতার ঝকঝকে রাজপথে উন্মুখ কিন্তু শৃঙ্খলিত জনতার সেই ছবি আজও দেখা যায় কোনও কোনও সাবেক ব্রিটিশ মুভিরিলে। বিলেতের রানিমার সেই সফরে কলকাতার উষ্ণ অভ্যর্থনা নাকি ভারতের সঙ্গে ব্রিটেনের সম্পর্কে এক নতুন অধ্যায়েরই সূচনা করে। ছাদখোলা গাড়িতে বসে থাকা রাজ্যপাল পদ্মজা নায়ডুর পাশে দাঁড়িয়ে সাদা দস্তানা ঢাকা হাত নাড়তে নাড়তে রাজভবনমুখী গোটা পথটা পেরোন রানি এলিজাবেথ। সে-সব আজ ৬১ বছরেরও আগের কথা।


one year ago
Kartabya Path: প্রতিষ্ঠিত হল নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ২৮০ মেট্রিক টনের মূর্তি

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) রাজধানী দিল্লির ইন্ডিয়া গেটের (India Gate) কাছে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর (Subhash Chandra Bose) ২৮ ফুট উঁচু মূর্তির আবরণ উদ্বোধন করলেন। একটি গ্রানাইট শিলাকে কেটে ২৮০ মেট্রিক টনের ওই মূর্তি  তৈরি করা হয়েছে। একই সঙ্গে মোদী রাজপথ অ্যাভিনিউয়ের নাম পরিবর্তন করে কর্তব্য পথ নামকরণ করেন।

দেশবাসীর উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী মনে করিয়ে দেন, ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে নেতাজির ভূমিকা কতটা গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি দাবি করেন, স্বাধীনতা উত্তর ভারতে নেতাজির প্রতি যথোচিত সম্মান প্রদর্শন করেনি কোনও সরকারই। মোদী বলেন,'আজ, ইন্ডিয়া গেটে জাতীয় নেতা নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর এই সুবিশাল মূর্তি প্রতিষ্ঠিত হল।' এই মূর্তিকে শক্তিশালী ভারতের প্রতীক হিসেবেও অভিহিত করেন তিনি। মোদীর খোঁচা পূর্বতন সরকারের দিকেও। তিনি বলে, দূর্ভাগ্যজনকভাবে স্বাধীনতার পরই আমরা আমাদের এই মহান নেতাকে ভুলে গেলাম, তাঁর দেখানো পথ, এমনকি তাঁর সঙ্গে সম্পর্কিত চিহ্নকেও উপেক্ষা করা হল।'

এই প্রসঙ্গেই মোদীর ভাষণে উঠে আসে লালকেল্লায় তেরঙ্গা পতাকা উত্তোলনের কথাও। তিনি বলেন, 'নেতাজি স্বপ্ন দেখেছিলেন লালকেল্লায় জাতীয় পতাকা উত্তোলনের। আমি ভারতের স্বাধীনতার ৭৫ বছর পূর্তিতে লালকেল্লায় তেরঙ্গা পতাকা উত্তোলনের সৌভাগ্য অর্জন করেছি।' ইন্ডিয়া গেটের যে জায়গায় নেতাজির মূর্তি বসেছে সেখানে আগে ছিল অমর জওয়ান জ্যোতি। এই প্রসঙ্গেই প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'ব্রিটিশ রাজের সময় এখানে ব্রিটেনের প্রতিনিধির মূর্তি ছিল। আজ, একই জায়গায় নেতাজির মূর্তি স্থাপন করা হল। যা শক্তিশালী ভারতের প্রতীক।'

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রবেশ করার পরই প্রধানমন্ত্রীকে হাসি গল্পে মেতে উঠতে দেখা যায় ওই মূর্তি স্থাপনে অংশ নেওয়া শ্রমিকদের সঙ্গে। তাঁদের প্রত্যেককে আগামী বছরের প্রজাতন্ত্র দিবসের প্যারেডে তাঁর অতিথি হিসাবে নিমন্ত্রণও করেন প্রধানমন্ত্রী। নেতাজির পথে চললে ভারত অনেক উঁচুতে পৌঁছতে পারত। তিনি এখন সেই পথেই চলছেন বলে বার্তা দিয়েছেন মোদী।

ইন্ডিয়া গেট থেকে রাইসিনা হিল পর্যন্ত রাজপথ ও তার দু’পাশের এলাকা— সেন্ট্রাল ভিস্টা ঢেলে সাজানোর পরে আজ প্রধানমন্ত্রী তার উদ্বোধন করেছেন। রাজপথের নাম বদলে করেছেন 'কর্তব্য পথ'। স্বাধীনতার পরে সুভাষচন্দ্র বসু পথে চলার চেষ্টা করলে অনেকখানি উচ্চতায় পৌঁছতে পারত। দুর্ভাগ্য হল, এই মহান নায়ককে ভুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে।' নেতাজিকে 'অখণ্ড ভারতের প্রথম প্রধান' বলেও উল্লেখ করেছেন মোদী।

one year ago
PM MODI: দেশে অন্তত দুটি 'পিএম শ্রী স্কুল', অর্থ বরাদ্দ ক্যাবিনেটের, দেখুন কী কী থাকবে এই স্কুলে

মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় (CENTRAL) মন্ত্রিসভার বৈঠকে পিএম শ্রী স্কুল কর্মসূচির জন্য অর্থবরাদ্দ করা হয়েছে। নয়া জাতীয় শিক্ষানীতির আওতায় এই প্রকল্প গৃহীত। কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে অর্থ বরাদ্দের মাধ্যমে 'পিএম শ্রী স্কুল' (P.M.SREE.SCHOOL) গড়ার প্রস্তাবে সায় দিল নরেন্দ্র মোদী (NARENDRA MODI) মন্ত্রিসভা।

প্রস্তাবিত কর্মসূচিতে দেশের গ্রাম ও শহরাঞ্চলের প্রতিটি ব্লকে অন্তত দু'টি করে বিদ্যালয়কে 'পিএম শ্রী স্কুল' হিসাবে উন্নীত করা হবে। এবং আগামী পাঁচ বছরে ১৪,৫৯৭টি প্রধানমন্ত্রীর নামাঙ্কিত স্কুল নির্মাণের জন্য ব্যয় হবে ২৭,৩৬০ কোটি টাকা।

কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রক সূত্রের খবর, 'পিএম শ্রী স্কুল' গুলিতে আধুনিক প্রযুক্তির স্মার্ট ক্লাসরুম, থ্রিডি ল্যাবরেটরি-সহ নানা পরিকাঠামো থাকবে আরও থাকবে জীবনশৈলী পাঠের ব্যবস্থা। পরীক্ষামূলকভাবে পড়ুয়াদের মাসে ১০ দিন স্কুলব্যাগ ছাড়াই স্কুলে আসার নীতি চালু করা হবে। প্রথম পর্যায়ে বিশেষ ভাবে গুরুত্ব দেওয়া হবে খেলাধুলোর প্রতি।

যে স্কুলগুলিকে এই কর্মসূচিতে উন্নীত করা হবে সেগুলির পরিচালনার ব্যবস্থা হবে কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়গুলির আদলে। পরিচালনার ভার থাকবে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রকের হাতে। পাঁচ বছরের জন্য প্রতি 'পিএম শ্রী স্কুল'কে পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য দু'কোটি টাকা করে দেওয়া হবে। সরাসরি সংশ্লিষ্ট স্কুল কর্তৃপক্ষকে সেই টাকা দেবে কেন্দ্র। পড়ুয়াদের উন্নতির দিকে বিশেষ নজরে রাখতে হবে এবং স্কুল প্রশাসনকে আরও কড়া ও স্বচ্ছ করার উদ্দেশ্যে 'পিএম শ্রী স্কুল' গুলির জন্য একটি বিশেষ পোর্টালও তৈরি করতে চলেছে।

one year ago


Netaji: কদম কদম বাড়ায়ে যা আবহে ইন্ডিয়া গেটে নেতাজির গ্রানাইট মূর্তির উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রী

গত ২৩ জানুয়ারি নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর (Netaji Subhash Chandra Bose) ১২৫ তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে দিল্লির ইন্ডিয়া গেটে বসানো হয়েছিল নেতাজির হলোগ্রাম মূর্তি (Netaji Hologram Statue) উদ্বোধন করেছিলেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Narendra Modi)। প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন, দেশের প্রতি নেতাজির অবদানের কথা মাথায় রেখেই শীঘ্রই সেখানে দেশনায়কের গ্রানাইটের মূর্তি বসাবে কেন্দ্র। কথা মতন, বুধবার বিকেলেই ইন্ডিয়া গেটে (India Gate) পঞ্চম জর্জের ক্যানোপিতে বসল নেতাজী সুভাষ বসুর গ্রানাইটের সুউচ্চ মূর্তি। বৃহস্পতিবার ৭টা নাগাদ এর আনুষ্ঠানিক উন্মোচন  প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)।

পাশাপাশি, এদিন রাজধানীর ‘কর্তব্য পথের' আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। কথা ছিল, গত ১৫ অগাস্টের মধ্যে গ্রানাইটের মূর্তটির উদ্বোধন করা হবে। যদিও কাজ সম্পূর্ণ না হওয়ায় তা হয়নি। মাঝে হলোগ্রামেরও খোঁজ মিলছিল না। যা নিয়ে সরব হয়েছিলেন বিরোধীরা।

উল্লেখ্য যে, নেতাজির মূর্তি তৈরির প্রধান ভাস্কর হলেন অরুণ যোগীরাজ। মোট ২৮ ফুট উঁচু মূর্তিটি গ্রানাইট পাথর দিয়ে খোদাই করা হয়েছে। পাশাপাশি, এটির ওজন হল ৬৫ মেট্রিক টন। জানা গিয়েছে, এই অনুষ্ঠানকে স্মরণীয় করতে মণিপুরী শঙ্খ বাদ্যম বা শঙ্খধ্বনি ও তার সঙ্গে কেরলের চন্দা ও পঞ্চবাদ্যমের আয়োজন করা হয়েছে। নেতাজী মূর্তি উন্মোচনের সময় গোটা অঞ্চলে বাজানো হবে আইএনএ মার্চিং সং-‘কদম কদম বড়ায়ে যা’। পরে ‘কর্তব্যপথ’ উদ্বোধনের পর এই অনুষ্ঠান উপলক্ষে ভাষণও দেবেন প্রধানমন্ত্রী।

one year ago
Sushmita Sen: সোশাল মিডিয়ায় একে অপরকে আনফলো ললিত-সুস্মিতা, ভাঙনের ইঙ্গিত?

ফের চর্চায় ললিত-সুস্মিতা (Lalit-Sushmita) জুটি। তবে এবার আলোচনা তাঁদের সম্পর্কের বিচ্ছেদ (Relation Breakup) নিয়ে। বলে রাখা ভাল, সম্প্রতি কিছুদিন আগে জল্পনার মধ্যেই একসঙ্গে লেন্সবন্দি হয়েছিলেন বিশ্বসুন্দরী এবং তাঁর প্রাক্তন রোহমান (Rohman Shawl)। তবে কি ফের নতুন করে শুরু হচ্ছে তাঁদের সম্পর্ক (Relation)? ললিত মোদীর সঙ্গে কাটানো সময় বা সম্পর্কের খবর সবটাই গুজব? যদিও এসব উত্তর অধরাই ছিল। তার মধ্যে নয়া খবর।

টুইটারে পরস্পরকে ‘আনফলো’ করে দিয়েছেন সুস্মিতা এবং ললিত।  শুধু তাই নয়, প্রাক্তন আইপিএল কর্তা তার আগে সুস্মিতা এবং তাঁর একসঙ্গে দেওয়া সব ছবি সরিয়ে অন্য প্রোফাইল পিকচার আপলোড করেছেন। টুইটার এবং ইনস্টাগ্রাম বায়ো থেকে মুছে দিয়েছেন সুস্মিতার নাম।

সুস্মিতা এবং রোহমান  ২০২১ সালে তাঁদের সম্পর্ক নেই বলে ঘোষণা করেন। তবে বন্ধুত্বটা থাকবে বলে জানিয়েছিলেন। ২০১৮ সালে তাঁদের সম্পর্কের শুরু হয়েছিল। সম্প্রতি যখন আইপিএলের প্রাক্তন কর্তা ললিত মোদী টুইট করে তাঁর সঙ্গে সুস্মিতার সম্পর্ক ঘোষণা করেন। এবং সুস্মিতা সেনকে 'বেটার হাফ' বলে সম্বোধনও করেন। তখন ট্রোলড হন নায়িকা। সেই সময় তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন রোহমান। যদিও নায়িকা নিজে এই নিয়ে কোনও মন্তব্য করেননি।

উল্লেখ্য, ২০১০ সাল থেকে লন্ডনে রয়েছেন ললিত মোদী। কর ফাঁকি এবং আর্থিক তছরূপের অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে নিয়ে আসা হয়েছিল। সেইসময় তিনি ভারত ছেড়ে মার্কিন মুলুকে পাড়ি দিয়েছিলেন।]

2 years ago