Breaking News
Tapas Roy: তৃণমূল ছাড়লেন তাপস রায়, বরাহনগরের বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা বর্ষীয়ান নেতার      Resign: হঠাৎ অবসর বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের, 'রাজনীতি যোগ' জল্পনা তুঙ্গে      Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে ফের ফ্য়াক্ট ফাইন্ডিং টিম, শুনবে মহিলা ও বাসিন্দাদের কষ্টের কথা      BJP: প্রথম দফায় ১৯৫ প্রার্থীর নাম ঘোষণা বিজেপির, বাংলার ২০ জনের নাম তালিকায়      Modi: 'রামমোহনের আত্মা সন্দেশখালির মহিলাদের দুর্দশায় কাঁদছে', আরামবাগ থেকে মমতাকে তোপ মোদীর      Suspend: গ্রেফতারির পরেই তৃণমূল থেকে ছয় বছরের জন্য সাসপেন্ড সন্দেশখালির 'বেতাজ বাদশা' শাহজাহান      Sandeshkhali: নিরাপদ সর্দারকে নিঃশর্তে জামিন দিয়ে রাজ্য পুলিসকে তিরস্কার বিচারপতির      Sheikh Shahjahan: ঘর ভাঙচুর, টাকা লুঠ! শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে নতুন এফআইআর সন্দেশখালি থানায়      Sandeshkhali: অজিত মাইতিকে তাড়া গ্রামবাসীদের, সাড়ে ৪ ঘণ্টা পর অবশেষে আটক পুলিসের      Ajit Maity: উত্তপ্ত সন্দেশখালি! অজিত মাইতির গ্রেফতারির দাবিতে বিক্ষোভ মহিলাদের, বাঁচতে সিভিকের বাড়িতে আশ্রয়     

JadavpurUniversity

Student: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ফের পড়ুয়ার মৃত্যুতে শুরু বিতর্ক, আজই জরুরি বৈঠকের ডাক কর্তৃপক্ষের

ফের যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ার মৃত্যুতে শুরু বিতর্ক। অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্র ও এক গবেষকের মানসিক এবং শারীরিক নির্যাতনের ফলেই আত্মহত্যা করেছেন ওই ছাত্রী। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রীর দেহ উদ্ধার হয় জলপাইগুড়ির মালবাজারে। ওই ছাত্রীর এক আত্মীয়ের বাড়িতে উদ্ধার হয় তাঁর দেহ। তারপরেই শুরু হয় বিতর্ক।

অভিযোগ, ওই ছাত্রীর বাবা গত ২৫ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন। ওই অভিযোগপত্রে তিনি লিখেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষাতত্ত্ব বিভাগের এক ছাত্র এবং বাংলা বিভাগের এক গবেষক মিলে তাঁর মেয়েকে শারীরিক, মানসিক অত্যাচার করত। যে কথা মৃত্যুর আগে পরিবারকে ওই ছাত্রী জানিয়েছিলেন বলেও দাবি। এমনকী জোর করে ওই ছাত্রীকে নেশা করানোর অভিযোগও উঠেছে।

এবার সেই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতেই জরুরি বৈঠকের ডাক দিল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে ওই বৈঠকে থাকবেন রেজিস্ট্রার, ডিন অফ স্টুডেন্টস-সহ একাধিক আধিকারিকরা। ওই বৈঠকেই মৃত ছাত্রীর বাবার করা অভিযোগের ভিত্তিতে আলোচনা হওয়ার কথা।

যদিও এই ঘটনার পর সরব হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক ছাত্র সংগঠন। মৃত ছাত্রীর পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের দাবি, এই ঘটনায় উপযুক্ত তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে হবে কর্তৃপক্ষকেও। ইতিমধ্যেই কর্তৃপক্ষকে ডেপুটেশন জমা দিয়েছেন ছাত্র সংগঠনের প্রতিনিধিরা। ছাত্র সংগঠন এফএসডি-র তরফেও দৃষ্টিহীন ছাত্রীর মৃ্ত্যুতে ডেপুটেশন জমা দেওয়া হয়েছে।

a month ago
JU: 'বাম বাধা'য় রাম কর্মসূচি, বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে

ফের সংবাদ শিরোনামে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। যাদবপুরে বাম বাধায় আটকে গেল রাম কর্মসূচি। অশান্তির গুঞ্জন ছিলই। সে কথা মাথায় রেখে রবিবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিজ্ঞপ্তিও জারি করেছিল। কিন্তু রামমন্দির উদ্বোধনের দিন অশান্তি আটকানো গেল না যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে। অযোধ্যায় রামমন্দিরের উদ্বোধন শুরুর খানিকটা আগেই তপ্ত হয়ে ওঠে যাদবপুর ক্যাম্পাস।

রামমন্দির উদ্বোধনের লাইভ স্ট্রিমিং করার জন্য প্রোজেক্টর-সহ অন্যান্য জিনিসপত্র নিয়ে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করছিল অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের সমর্থকেরা। অভিযোগ, সেই সময় অতিবাম সংগঠনের ছাত্রছাত্রীরা তাদের বাধা দেয়। স্লোগান, পাল্টা স্লোগানে ক্যাম্পাসে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়। হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন দু'পক্ষের সমর্থকেরা। চলে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ও। ABVP শিবিরের দাবি, বামেরা তাদের উপর হামলাও চালিয়েছে।

যাদবপুরের ঘটনায় ইতিমধ্যেই আহত হয়েছেন বিশ্ব বিদ্যালয়ের সহ উপাচার্য অমিতাভ দত্ত। সূত্রের খবর, মারমুখী ছাত্রদের মধ্যে পড়ে আহত হন তিনি।  এছাড়াও ABVP সূত্রে খবর, তাঁদের ৮ জন সদস্য আহত হয়েছেন। অন্যদিকে DSF, SFI সহ অন্যান্য বাম সংগঠনের ৪ জন সদস্য আহত। খবর পেয়ে অধ্যাপকদের অনেকে পৌঁছে যান ৩ নম্বর গেটের সামনে। পরিস্থিতি সামাল দিতে গেট বন্ধ করে দেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তার পরেও চাপা উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে।

a month ago
JU: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির ঘরের সামনে বিতর্কিত পোস্টার, ক্ষুব্ধ বুদ্ধদেব সাউ

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির ঘরের সামনে বিতর্কিত পোস্টার। পোস্টারে লেখা ভিসিকেই কটাক্ষ করে নানারকম কৌতুকমূলক লাইন। লেখা রয়েছে, 'তোরা যে যা বলিস ভাই, আমার চেয়ার খানি চাই।' এমনকি তাতেই কার্টুনের মাধ্যমে এক ব্যক্তির চেয়ার আটকানোর ছবি ছাপিয়ে লেখা, 'আমায় ছেড়ে যাস না প্লিজ, আমায় ছেড়ে যাস না।' পাঁচিলে, দেওয়ালের বিভিন্ন জায়গায় এই ছবি ছাপিয়েছে কেউ বা কারা। আর তা নিয়েই ফের তৈরি হল বিতর্ক।

প্রসঙ্গত, যাদবপুরের ভিসি কে? তা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে রীতিমত অচলাবস্থা চলছেই। গত বছর ডিসেম্বরের ২৮ তারিখেই জুটার তরফে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের কাছে একটি চিঠি মারফত জানতে চাওয়া হয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কে! এই চিঠির উত্তরে রেজিস্ট্রার স্নেহমঞ্জু বসু জানিয়েছিলেন, দুটি চিঠি পেয়েছেন তিনি। একটি রাজ্যপালের ও একটি বিকাশ ভবনের। এরপর এখন কে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য তার জন্য আইনি পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে। সুতরাং এখান থেকেই স্পষ্ট হয়েছিল, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কে সে বিষয়ে কিন্তু কোনও স্পষ্ট উত্তর রেজিস্ট্রারের কাছেও নেই। ঘটনাকে 'অভূতপূর্ব' বলেই মন্তব্য করেছিলেন জুটার সেক্রেটারি পার্থপ্রতিম রায়। এবার ভিসির ঘরের সামনে পোস্টার বিতর্কে সেই অচলাবস্থাকেই টেনে আনলেন তিনি।

এদিকে যাকে নিয়ে গত ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহ থেকেই শুরু হয়েছে বিতর্ক। যখন রাজ্যপাল তাঁকে অপসারণ করেন যাদবপুরের অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্যের পদ থেকে। সেই বুদ্ধদেব সাউ এবার পোস্টার বিতর্কে সুর চড়ালেন। তিনি বললেন, যাঁরা এই কাজ করেছেন, এতে তাঁদের মনুষ্যত্ব, তাঁদের চরিত্র কেমন তা বোঝা যাচ্ছে।

তবে এর জেরে একমাত্র সমস্যার মুখে পড়তে হবে পড়ুয়াদেরই। উপাচার্য কে তা না জানা গেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের বহু কাজও যেতে পারে আটকে। আর এহেন পরিস্থিতির মধ্যেই এবার এই সব পোস্টার রহস্য। কে বা কারা এই পোস্টার লাগিয়েছে, তা এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি।

2 months ago


Jadavpur: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কে! জানেই না কর্তৃপক্ষ, রেজিস্ট্রারকে চিঠি জুটার

মণি ভট্টাচার্যঃ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কে! জানেই না কর্তৃপক্ষ। ফলত, সমাবর্তনের পর থেকেই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার জুটার তরফে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের কাছে একটি চিঠি মারফত জানতে চাওয়া হয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কে? এই চিঠির উত্তরে রেজিস্ট্রার স্নেহমঞ্জু বসু জানিয়েছেন দুটি চিঠি পেয়েছেন তিনি। একটি রাজ্যপালের ও একটি বিকাশ ভবনের, এরপর এখন কে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য তার জন্য আইনি পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে। ফলে এটা স্পষ্ট যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কে সে বিষয়ে কিন্তু কোনও স্পষ্ট উত্তর রেজিস্ট্রারের কাছে নেই। এছাড়া সিএনের তরফ থেকে যোগাযোগ করা হলে রেজিস্ট্রারও একই উত্তর দেন।

এই রকম পরিস্থিতি এর আগে কখনও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে হয়নি। তাই এই ঘটনাকে অভূতপূর্ব বলেই মনে করছেন জুটার সেক্রেটারি পার্থপ্রতিম রায়। উপাচার্য কে তা জানতে না পারলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্ত কাজ আটকে যাবে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি। পার্থপ্রতিম রায়ের সাফ কথা, ভিসি যেই থাকুন না কেন সেটা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে বা বুদ্ধদেব সাউকে পরিষ্কার করে জানাতে হবে।

রাজ্যের নাম করা বিশ্ববিদ্যালয়ে এই ধরনের অচলাবস্থায় সমস্যার মুখে পড়তে পারেন এই বিশ্ববিদ্যালেয়ের পড়ুয়ারা। এমনকি সমাবর্তনের সার্টিফিকেট নিয়েও বাড়তে পারে অনিশ্চয়তা।

2 months ago
Jadavpur University: অপসারিত যাদবপুরের অন্তর্বর্তী ভিসি, আইন অনুযায়ী সঠিক কে?

মণি ভট্টাচার্যঃ যাদবপুরের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে রাজ্যপাল কর্তৃক অন্তর্বর্তী উপাচার্যকে অপসারণের ঘটনা নিয়ে সরগরম হয়ে আছে রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত। ঘটনাক্রমে রবিবার সমাবর্তনের আগেই শনিবার রাজ্যপাল কর্তৃক অপসারণ করা হয় যাদবপুরের অন্তর্বর্তী ভিসি বুদ্ধদেব সাউকে। এরপর পাল্টা শনিবার মধ্যরাতে বিকাশ ভবনের তরফে যাদবপুরকে একটি চিঠি দিয়ে জানানো হয় রাজ্যপালের ওই নির্দেশ বেআইনি। চিঠিতে সুপ্রিম কোর্টের মামলার রায়ের কথা উল্লেখ করে সুপারিশ করা হয় যে বুদ্ধদেব সাউই থাকবে যাদবপুরের উপাচার্য। এরপর অবশ্য রবিবার রাজভবনের তরফে একটি বিবৃতি দিয়ে জানানো হয় সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অমান্য ও যাদবপুর ACT অমান্য করার জন্যই বুদ্ধদেব সাউকে সরানো হয়েছে। এছাড়া ওই বিবৃতিতে বলা হয়, রাজ্য শিক্ষা দফতর বিশ্ববিদ্যালয় গুলির সায়ত্ব শাসনে হস্তক্ষেপ করতে পারে না। এখন প্রশ্ন, গোটা ঘটনায় আইন অনুযায়ী সঠিক কে? কী বলছে যাদবপুর ১৯৮১ ACT? তারই খোঁজ নিল সিএন।

১৯৮১ সালের ৮ সেপ্টেম্বর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক কার্য পরিচালনার জন্য একটি ACT গঠন করা হয়। যা ১৯৮৩ সালে পাশ হয় বিধানসভায়। তারপর থেকেই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্ত অনুষ্ঠান, পরীক্ষা, সমাবর্তন, সহ সমস্ত প্রক্রিয়া সংঘটিত হয় এই ACT অনুযায়ী।জানা গেল, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৮১ ACT এর ৮ নম্বর রুলের ২,৩ ও ৯ নম্বর রুলের ১ নম্বর ধারা অনুযায়ী যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি নিয়োগ করবেন কেবল আচার্য। যদিও ১৯৮১ এর সেই ACT খানিক পরিবর্তন করা হয় ২০১১ সালে। সেখানে অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়া হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য বা রাজ্যপালকে। যেখানে উল্লেখ রয়েছে, কোনও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি পদ যদি শূন্য থাকে সেক্ষেত্রে আচার্য ওই পদে অন্তর্বর্তী ভিসি বা ভারপ্রাপ্ত ভিসিকে নিয়োগ করতে পারেন এবং তিনিই ওই নিয়োগ প্রত্যাহার করতে পারেন।

সুতরাং গোটা ঘটনায় যা স্পষ্ট হল, অন্তবর্তী ভিসি নিয়োগের অ্যাপয়েন্টমেন্ট অথরিটি কেবলমাত্র আচার্য বা রাজ্যপালের। সেখানে রাজ্যশিক্ষা দপ্তর, বিকাশ ভবন বা শিক্ষামন্ত্রী কেউই কোনও হস্তক্ষেপ করতে পারবেন না। তাহলে রাজ্যপাল কর্তৃক অপসারণ হতেই পারে, মত বিশেষজ্ঞদের। শুধু তাই না, রাজভবন সূত্রে জানা যায়, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অমান্য করেছেন বুদ্ধদেব সাউ। সুপ্রিম নির্দেশে তিনি অন্তর্বর্তী ভিসি হিসেবে থাকলেও, বুদ্ধদেব সাউ নিজেকে ভিসি বলেই দাবি করতেন। এছাড়াও বেশ কয়েকটি আইন অমান্য করেছেন বুদ্ধদেব সাউ। ফলে বিশেষজ্ঞদের মতে, রাজ্যপাল কর্তৃক যাদবপুরের অন্তর্বর্তী ভিসি অপসারণে যুক্তি খুঁজে পাচ্ছেন তাঁরা।

2 months ago


JU: রাজ্যপালের অপসারণ-নির্দেশ অমান্য! যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে হাজির বুদ্ধদেব সাউ

রাজ্যপালের অপসারণ নির্দেশ অগ্রাহ্য করেই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে হাজির বুদ্ধদেব সাউ। আচার্যের অনুমতি ছাড়াই হচ্ছিল যাদবপুরে সমাবর্তন। তাই কি সরতে হল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্য বুদ্ধদেব সাউকে! এই নিয়ে জল্পনা ছিল তুঙ্গে। শনিবার রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস অপসারণ করেন বুদ্ধদেব সাউকে। ফলে সমাবর্ত নিয়ে জটের মধ্যেই অপসারিত হলেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্য। তবে রাজ্যপালের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা জানিয়ে মধ্যরাতে নির্দেশিকা দিল রাজ্য শিক্ষা দফতর। এই নিয়ে এখন জোর চর্চা শুরু হয়েছে রাজ্য–রাজনীতিতে। রবিবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে হওয়ার কথা সমাবর্তন। তার আগের সন্ধ্যায় এই কড়া সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোড়ন ফেলে দিয়েছেন রাজ্যপাল।

রাজ্য উচ্চ শিক্ষা দফতর নির্দেশিকা দিয়ে জানিয়েছে, এই অপসারণ রাজ্যপাল করতে পারেন না। যেহেতু মামলা সুপ্রিম কোর্টে রয়েছে। এছাড়া যাদবপুরকে একটি চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছে এই অপসারণ অবৈধ। এছাড়া ওই চিঠিতে উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের প্রাথমিক রায়ও উল্লেখ করা হয়েছে।

রাজভবন থেকে শনিবার উপাচার্যকে জানিয়ে দেওয়া হয়, তাঁকে তাঁর কর্তব্য থেকে অব্যাহতি দেওয়া হল। এর পরেই প্রশ্ন উঠছে, রবিবার কি আদৌ যাদবপুরে হবে সমাবর্তন? সে প্রশ্নের উত্তর ইতিমধ্যেই পেয়ে গেছেন সকলে। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে খবর, অপসারণের খবর পেয়েই সমাবর্তন অনুষ্ঠান নিয়ে রাতেই বৈঠকে বসেছেন ইসির সদস্যরা। রাজ্যপালকে আম্রন্ত্রণ জানানো নিয়েও আলোচনা হয় বৈঠকে।

অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্য বুদ্ধদেব সাউকে অপসারনের খবর প্রকাশ্যে আসতেই তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে টুইট করেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। রাজ্যপালের সিদ্ধান্তকে স্বেচ্ছাচারিতা বলেও মনে করছেন শিক্ষাবিদদের একাংশ।

2 months ago
Ragging: 'নিজেকে নিরাপদ মনে করছি না', ফের র‍্যাগিং-এর অভিযোগ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে

ফের র‍্যাগিং-এর অভিযোগ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে (Jadavpur University)। কয়েকমাস আগেই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে র‍্যাগিং-এর শিকার হয়ে মৃত্যু হয় এক ছাত্রের। আর এই নিয়েই তোলপাড় হয় গোটা রাজ্য। কিন্তু সেই ঘটনার পর ফের র‍্যাগিং-এর অভিযোগ উঠল, যার ফলে পড়ুয়াদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

র‍্যাগিং-এর শিকার হয়ে পড়ুয়ার মৃত্যুর পর ফের একই অভিযোগ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে। জানা গিয়েছে, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই মেইন হোস্টেলেই র‍্যাগিং-এর শিকার হয়েছে এক পড়ুয়া। স্নাতকোত্তরের প্রথম বর্ষের ওই পড়ুয়া নিজের পরিচয় গোপন রেখে ইতিমধ্যেই কর্তৃপক্ষকে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, 'হোস্টেলে থাকতে নিজেকে নিরাপদ মনে করছি না। এই হোস্টেলে থেকে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়।' এমনই কথা উল্লেখ করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে অভিযোগ জানিয়েছেন ওই পড়ুয়া।

3 months ago
Jadavpur University: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়ার রহস্যমৃত্যুতে এবার জমা পড়ল চার্জশিট

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বর্ষের পড়ুয়ার রহস্যমৃত্যুতে এবার জমা পড়ল চার্জশিট। বুধবার আদালতে এই চার্জশিট জমা দেয় কলকাতা পুলিশ। সূত্রের খবর, চার্জশিটে কলেজের ৬ জন বর্তমান পড়ুয়া এবং ৬ জন প্রাক্তনীর বিরুদ্ধে ভারতীয় দন্ডবিধির ৩০২ এবং ৩০৫ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব়্যাগিং এবং পকসো ধারাতেও অভিযোগ এনেছে পুলিস।

উল্লেখ্য, অগাস্ট মাসে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের মেন হস্টেলের তিনতলার বারান্দা থেকে পড়ে মৃত্যু হয় নদিয়ার বগুলার প্রথম বর্ষের ছাত্রের। ঘটনার পর থেকেই প্রতিবাদ, মিছিল, এককথায় উত্তাল হয়ে উঠেছিল ক্যাম্পাস। র‍্যাগিংয়ের জেরেই মৃত্যু হয়েছে ওই পড়ুয়ার তা কার্যত স্বীকার করে নেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এরপর পরিবারের পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাংশ পড়ুয়ার বিরুদ্ধে যাদবপুর থানায় খুনের মামলা দায়ের করা হয়। তদন্তে নেমে একাধিক পড়ুয়াকে আটক করে পুলিস। তাদের বিরুদ্ধেই এদিন কলকাতা পুলিসের তরফে আদালতে চার্জশিট জমা দেওয়া হয়েছে।

4 months ago


Jadavpur: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে 'উলট পুরাণ'! রাতভর ধরনায় যাদবপুরের উপাচার্য-ডিন

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে (Jadavpur Universitry) এবারে একবারে উল্টো দৃশ্য। সাধারণত যাদবপুরে ধরনা বলতেই পড়ুয়াদের কথাই মাথায় আসে। কিন্তু এবারে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ধরনায় বসলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষ আধিকারিকরা। পড়ুয়া মৃত্যু ঘটনার জেরেই শিরোনামে উঠে এসেছিল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের অচলাবস্থা নিয়ে বারাবর পড়ুয়ারা কাঠগড়ায় তুলেছিল কর্তৃপক্ষদের। তবে এবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে 'উলট পুরাণ'। বিক্ষোভে বসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষ আধিকারিকরা। পড়ুয়াদের হাতে লাগাতার হেনস্থা ও অপমানের অভিযোগ তুলে এই ধরনা বলে দাবি শীর্ষ আধিকারিকদের। বিশ্ববিদ্যালয়ের অরবিন্দ ভবনের বাইরে বুধবার রাত থেকে অবস্থানে বসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্বর্তী উপাচার্য বুদ্ধদেব সাউ, সহ উপাচার্য অমিতাভ ভট্টাচার্য, রেজিস্ট্রার স্নেহমঞ্জু বসু সহ অন্যান্য আধিকারিকরা। সকালেও চলছে ধরনা অবস্থান।

বুধবার ইসি মিটিং চলাকালীন অবস্থান বিক্ষোভে বসার সিদ্ধান্ত নেন আধিকারিকরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্য বুদ্ধদেব সাউয়ের দাবি, যতবারই ইসি মিটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ততবারই তা বানচাল করার চেষ্টা করেছেন ছাত্ররা। বুধবার ইসি মিটিং চলাকালীন ভিতরে এসে স্লোগান দেন পড়ুয়ারা। তাঁরা কর্তৃপক্ষের কাছে জবাব চান, কেন তাঁদের এতক্ষণ ডাকা হয়নি? এও দাবি জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের তৈরি করা বোর্ডে রাখতে হবে স্টুডেন্ট রিপ্রেজেন্টিভ। ফলে পড়ুয়াদের এরূপ বিক্ষোভের জেরেই তাঁরা ধরনায় বসেন বলে সূত্রের খবর।

এর আগে উপাচার্যের মুখে শোনা গিয়েছিল র‍্যাগিং-এর শিকার তিনি। এবার সহ উপাচার্যের মুখেও শোনা গেল একই কথা। তিনি বলেন দিনের পর অধ্যাপকদের সমস্ত কাজে বাধা দিয়ে তাঁদের র‍্যাগিং করা হচ্ছে। পড়ুয়া মৃত্যুর বিচার করতে দেওয়া হচ্ছে না, তাঁদের দাবি। সকলে বার্তা দিতে চাইছেন যে তাঁরা অসহায়। কাজ করতে পারছেন না তাঁরা। এদিন কার্যত মেজাজ হারিয়ে ফেলেন উপাচার্য। এত পড়ুয়ার উপস্থিতিতে পড়ুয়া মৃত্যুর মত ঘটনা ঘটল। যেসব পড়ুয়ারা হস্টেলের দায়িত্বে ছিল তাঁরা কী করছিল। 'যাদের জন্য এত বড় ঘটনা ঘটল তারাই আজ তৈরি করবে নিয়ম?' প্রশ্ন উপাচার্যের। তিনি আরও বলেন কিছু পড়ুয়াদের জন্য কালিমালিপ্ত হচ্ছে বিশ্ববিদ্য়ালয়। ফলে সবকিছু ঘিরে ফের তপ্ত ক্যাম্পাস।

5 months ago
Jadavpur: ফের শিরোনামে যাদবপুর, নার্সিং পড়ুয়ার রহস্যমৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ার অস্বাভাবিক মৃত্যুর পর ফের শিরোনামে যাদবপুর। পূর্ব যাদবপুরের গ্রিনপার্ক এলাকায় নার্সিং পড়ুয়ার মৃত্যু ঘিরে ক্রমশ ঘনীভূত হচ্ছে রহস্য। সূত্রের খবর, গ্রিনপার্ক এলাকায় একটি বাড়িতে ভাড়া থাকতেন বাঁকুড়ার বাসিন্দা বছর ২২-এর মল্লিকা দাস। সোমবার সকালে নিজের ঘর থেকেই নার্সিং-এর চতুর্থ বর্ষের ওই পড়ুয়ার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে সহপাঠীরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় যাদবপুর থানার পুলিস। পুলিসের প্রাথমিক অনুমান, আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছিল মল্লিকা।

কিন্তু এই মৃত্যুর কারণ কি? সম্পর্কের টানাপোড়েন নাকি মানিসিক অবসাদ নাকি মৃত্যুর নেপথ্যে রয়েছে অন্য কোনও কারণ? খতিয়ে দেখছে যাদবপুর থানার পুলিস। তবে এলাকার স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, প্রাণোচ্ছল মেয়ে ছিল মল্লিকা। বন্ধুদের সাথে মিলে মিশে থাকত। কোনও ঝামেলা ছিলনা। ঠিক কী কারণে এই মৃ্ত্যু তা স্পষ্ট নয় তাদের কাছেও।

একরাশ স্বপ্ন নিয়ে বাঁকুড়ার হাড়মাসড়া গ্রাম থেকে শহরে পড়তে এসেছিল মল্লিকা।ছিল জীবনে কিছু করার তাগিদ। এক লহমায় বদলে গেল বাস্তব ছবি। পরিবারের মায়া কাটিয়ে না ফেরা দেশে হারিয়ে গেল মল্লিকা। মল্লিকার অকাল প্রয়ানে শোকস্তব্ধ গোটা হাড়মাসড়া গ্রাম।

5 months ago


Jadavpur: রাত ১০ টা বাজলেই তালা পড়ে যাবে হস্টেলের সব গেটে, নয়া নির্দেশিকা যাদবপুরে

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের হস্টেলে ছাত্রমৃত্যুর ঘটনায় তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। এখনও অবধি এই মামলায় ১২ জন হাজতে। ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্দরের একাধিক ‘অপ্রিয় সত্য’ সামনে এসেছিল। প্রশ্ন উঠেছিল ছাত্রছাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়ে। সিসিটিভি বসানোর দাবিও উঠেছিল। র‌্যাগিং-এর প্রসঙ্গও জোরালো হয়েছে। অবশেষে, টনক নড়ল কর্তৃপক্ষের। কড়া নিয়মে শৃঙ্খলা ফেরাতে যাদবপুরের হস্টেলে রাতে অবাধ যাতায়াত বন্ধ করতে চলেছে কর্তৃপক্ষ। এবার থেকে রাত ১০ টা বাজলেই তালা পড়ে যাবে যাদবপুরের হস্টেলের সব গেটে। গেট বন্ধ থাকবে সকাল ৬টা পর্যন্ত।

এছাড়াও নিয়ম করে দেওয়া হয়েছে, হস্টেলের সমস্ত বোর্ডারদের সঙ্গে সবসময় থাকতে হবে আইডি কার্ড। দেখতে চাওয়া মাত্রই তা দেখাতে হবে। যদি, কোনও ইমার্জেন্সিতে হস্টেলের বাইরে রাতে বেরতে হয়, তবে আগাম তা সুপারকে জানিয়ে রাখতে হবে বলে নির্দেশ।

5 months ago
JU: যাদবপুরে পড়ুয়া মৃত্যু কাণ্ডের পর সিসিটিভি চালু করল কর্তৃপক্ষ

দীর্ঘ ৮ বছর পর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে চালু হল সিসিটিভি। অরবিন্দ ভবন এবার সিসিটিভির আওতায়। এখন শুধু ক্যাম্পাস ও হস্টেল চত্বরে সিসিটিভি বসানোর অপেক্ষা। ছাত্রদের আচরণে অপমান বোধ করছি, তাই নজদারির প্রয়োজন আছে, দাবি উপাচার্যের।

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের পড়ুয়া মৃত্যু সামনে এনেছিল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা অরাজকতার ছবি। একপ্রকার নড়েচড়ে বসতে বাধ্য করেছিল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে। র‍্যাগিং, মাদকের আসর ক্যাম্পাসে বন্ধ করতে ক্যাম্পাস ও হস্টেল চত্বরে সিসিটিভি বসানোর দাবি জোরালো হয় দিনদিন।কেন এতদিন বসেনি সিসিটিভি চারিদিকে উঠেছিল সেই প্রশ্ন।ধীরে ধীরে জোরালো হয় সিসিটিভি তত্ত্ব। এই আবহেই বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্য সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন সিসিটিভি বসানোর।ওয়েবেলকে ওয়াক ওর্ডার দেওয়া হয় সিসিটিভি বসানোর। কোথায় কোথায় বসবে সিসিটিভি তা নিয়ে বৈঠকও করা হয়েছে ইসরোর সঙ্গেও। তবে পড়ুয়া মৃত্যুর ১ মাস অতিক্রান্ত হলেও ক্যাম্পাসে এখনও বসেনি সিসিটিভি। তবে সিসিটিভি চালু হল এবার অরবিন্দ ভবনে। দেওয়া হয়েছে পোস্টার, উই আর আণ্ডার সিসিটিভি।

উপাচার্যের এই পদক্ষেপকে সমর্থন করে যাদবপুরের টিমিসিপি ছাত্র সংগঠনের সদস্যরা। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক অম্বিকেশ মহাপাত্র বলেন, নিরাপত্তার স্বার্থে সিসিটিভি বসাতে হবেই, অরিন্দম ভবনের পাশাপাশি এবার  বিশ্ববিদ্যালয়ের সব জায়গায় বসাতে হবে সিসিটিভি। তবে উপাচার্যের রুমের সামনে সিসিটিভি বসানো নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে এসএফআই ছাত্র সংগঠনের মধ্যে। তাঁদের দাবি এখন সিসিটিভি বসানোতে জোর না দিয়ে প্রথম বর্ষের পড়ুয়াদের অন্য হস্টেলে স্থানান্তর করা দরকার।

ছাত্রদের আচরণে অসম্মান বোধ করেছি, তাই সিসিটিভি অ্যাকটিভ করা হয়েছে, দাবি উপাচার্যের। অন্যান্য জায়গায় সিসিটিভি বসবে ইউজিসির গাইডলাইন মেনেই দাবি উপাচার্যের। তবে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে এই সিসিটিভি বির্তক প্রথম না। ২০১৪ সালে তৎতকালীন বর্তমান উপাচার্য অভিজিৎ চক্রবর্তী যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরাপত্তার স্বার্থে অরবিন্দ ভবনে সিসিটিভি বসিয়েছিলেন। তবে সেই সময় 'হোক কলরব' ছাত্র আন্দোলনের জেরে  ক্যাম্পাস ছাড়তে হয়েছিল তাঁকে। এরপর সুরঞ্জন দাস হন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় এর উপাচার্য। তিনি এসে খুলে দিয়েছিলেন অরবিন্দ ভবনের সিসিটিভি। তারপর দীর্ঘ ৮ বছর পর ফের সিসিটিভির আওতায় বিশ্ববিদ্যালয়।তবে সিসিটিভি অ্যাক্টিভ করা হলেও স্ট্র্যাটেজিক পয়েন্টে কবে থেকে বসানো হবে সিসিটিভি এখন সেটাই দেখার।

6 months ago
Dengue: আবারও ডেঙ্গিতে বলি কলকাতায়, মৃত্যু যাদবপুরের পড়ুয়া

রাজ্যে উর্ধ্বমূখী ডেঙ্গির গ্রাফ (Dengue)। তার সঙ্গেই তাল মিলিয়ে ক্রমশ বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যাও। একই দিনে দক্ষিণ দমদম পুরসভা এলাকার পরপর দু'জনের ডেঙ্গিতে মৃত্যুর খবর (Dengue Death) প্রকাশ্যে আসে। কার্যত ডেঙ্গির দৌরাত্ম্যে তটস্থ বাংলা। তারই মধ্যে সোমবার আবার কলকাতায় ডেঙ্গি আক্রান্ত পড়ুয়ার মৃত্যু। সূত্রের খবর, মৃত যুবকের নাম ওহিদুর রহমান। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের এমটেক-এর ছাত্র। ছাত্রের ডেথ সার্টিফিকেটে ডেঙ্গি শক সিন্ড্রোমের উল্লেখ রয়েছে।

ওই মৃত ছাত্রের সহপাঠীরা জানান, ওহিদুর রহমান নামে ওই ছাত্র এনএস ওয়ান ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হন। গত ৩১ অগাস্ট তাঁকে ভর্তি করা হয় কেপিসি হাসপাতালে। অবস্থার অবনতি হওয়ায় ৩ সেপ্টেম্বর বেলভিউ নার্সিংহোমে ভর্তি করানো হয়। সোমবার দুপুর ৩টে নাগাদ সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। সম্প্রতি যাদবপুরের ছাত্ররা অভিযোগ তুলেছিলেন, ক্যাম্পাসজুড়ে মশার উৎপাতে টেকা দায়। হস্টেলে কয়েকজনের ডেঙ্গিও হয়েছে বলে দাবি করেছিলেন তাঁরা।

স্বাস্থ্য দফতর ও কলকাতা পুরসভার তরফ থেকে একাধিক গাইডলাইন জারির পরও রাজ্যে বেলাগাম ডেঙ্গি সংক্রমণ। একের পর এক মৃত্যু সংবাদের মাঝে ডেঙ্গি-ম্যালেরিয়ার জোড়া হানা কলকাতা মেডিক্যাল কলেজেঁও। হাসপাতালের কর্মী আবাসনের ৩ টি ব্লক কার্যত পরিণত হয়েছে রোগের আঁতুড়ঘরে। অন্ততপক্ষে ২০ জন ডেঙ্গি আক্রান্ত। কয়েকজন আবার ডেঙ্গি ও ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত বলে জানা গিয়েছে। পাশাপশি মেডিক্যাল কলেজ হোস্টেল-এর ৪ জন পড়ুয়া ডেঙ্গিতে আক্রান্ত।

6 months ago


Jadavpur: যাদবপুর কাণ্ডে ধৃতদের বিরুদ্ধে পকসো ধারা যোগ পুলিসের

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র মৃত্যুর ঘটনায় ধৃত ১২ জনের বিরুদ্ধে পকসো আইন যোগ করল পুলিশ। কলকাতা পুলিশ আগেই জানিয়েছিল, ওই কাণ্ডে পকসো ধারা যোগ করা হতে পারে। সেই মোতাবেক এবার আদালতে উপযুক্ত তথ্য সহ পকসো ধারা যোগ করার আবেদন জানায় যাদবপুর থানার পুলিস। এরপরই আদালতের অনুমতিতে যাদবপুর কাণ্ডে ধৃতদের বিরুদ্ধে পকসো আইন যোগ করল পুলিশ। এদিকে ধৃতদের আজ অর্থাৎ শুক্রবার আদালতে তোলা হলে, ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সকলের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

গত ৯ অগাস্ট যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের মেইন হস্টেলের তিনতলা বারান্দা থেকে পড়ে মৃত্যু হয় প্রথম বর্ষের এক পড়ুয়ার। ঘটনার পর অভিযোগ ওঠে, ব়্যাগিংয়ের জেরেই মৃত্যু হয়েছে তাঁর। তদন্তে নেমে প্রাক্তন পড়ুয়া সহ মোট ১২ জন ছাত্রকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ছাত্র মৃত্যু ঘটনায় পরিকল্পনা মাফিক খুন ও ৱ্যাগিংয়ের অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নেমে, প্রথম গ্রেফতার করা হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী সৌরভ চৌধুরীকে। তাঁকে জেরা করেই বাকিদের নাম জানতে পারে পুলিশ। এবং ধাপে ধাপে মোট ১২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

সবশেষে গ্রেফতার করা হয়েছিল জয়দীপ ঘোষ নামে এক প্রাক্তনীকে। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, ঘটনার দিন রাতে পুলিশকে ক্যাম্পাসে ঢুকতে বাধা দিয়েছিলেন তিনি।  যদিও তাঁকে জামিন দিয়েছে আদালত।

6 months ago
Jadavpur: কোথায় কোন প্রযুক্তি! যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ঘুরে দেখল ইসরোর বিজ্ঞানীরা

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে কোথায়, কী প্রযুক্তি বসবে, তা খতিয়ে দেখল ইসরোর প্রতিনিধি দল। বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী উপাচার্য বুদ্ধদেব সাউকে সঙ্গে নিয়ে ক্যাম্পাস ঘুরে দেখে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্রের দুই প্রতিনিধি।

মঙ্গলবার যাদপুরে গিয়েছিলেন ইসরোর বিজ্ঞানীরা। তাঁরা শুধু মাত্র ক্যাম্পাসে গিয়েছিলেন। এদিন ইসরো প্রতিনিধিরা ঘুরে দেখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল হস্টেল। গত ৯ অগস্ট এই হস্টেলেই মৃত্যু হয়েছিল প্রথম বর্ষের এক পড়ুয়ার। তারপর থেকেই উত্তপ্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস-সহ রাজ্য রাজনীতি। এই ঘটনার পরেই অস্থায়ী হিসাবে দায়িত্ব নিয়েছেন বুদ্ধদেব সাউ।

ইতিমধ্যেই ক্যাম্পাসে প্রযুক্তি ব্যবহারের পক্ষেই তিনি সওয়াল করেছেন। কোন কোন প্রযুক্তি যাদবপুরের কোথায় বসবে, সে বিষয়ে ইসরো কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ করব। বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে ইসরোর প্রযুক্তিকে ব্যবহারের কথা প্রথমবার বলেছিলেন আচার্য এবং রাজ্যের রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস।

তিনি জানিয়েছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়াদের নিরাপত্তার স্বার্থে ইসরোর সহায়তা প্রয়োজন। পরে রাজভবনের তরফ থেকে ইসরোর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল।

6 months ago