Breaking News
HC: জেলে ১ বছর ৭ মাস! পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিচারপ্রক্রিয়া কবে শুরু হবে? ইডির কাছে রিপোর্ট তলব হাইকোর্টের      Sandeshkhali: ''দাদা আমাদের বাঁচান...'', সন্দেশখালির মহিলাদের আর্তি শুনলেন শুভেন্দু      Sandeshkhali: 'মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত', ক্ষোভ প্রকাশ জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সনের      Weather: বিদায়ের পথে শীত! বাড়বে তাপমাত্রা, বৃষ্টির পূর্বাভাস দক্ষিণবঙ্গে      Sandeshkhali: শিবু হাজরার গ্রেফতারিতে মিষ্টি বিলি, আদালতে পেশ, কবে গ্রেফতার সন্দেশখালির 'মাস্টারমাইন্ড'?      Arrest: সন্দেশখালিকাণ্ডে ন্যাজট থেকে গ্রেফতার শিবু হাজরা      Trafficking: ১০ মাস লড়াইয়ের পর মাদক মামলা থেকে মুক্তি বিজেপি নেত্রী পামেলার      Mimi: রাজনীতি আমার জন্য় নয়, মুখ্যমন্ত্রীর কাছে গিয়ে সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা মিমির!      Dev: রাজনীতিতে ফিরতেই ফের দেবকে দিল্লিতে ডাক ইডির      Suvendu: সুকান্ত অসুস্থ থাকলেও, সন্দেশখালি কাণ্ডে আন্দোলনের ঝাঁঝ বাড়াতে মাঠে শুভেন্দু     

Governor

Team: পুলিসের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাতেই কি রাজভবনে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি?

পুলিসকে তোপ দেগে এবার রাজ্যপালের (Governor) দ্বারস্থ কেন্দ্রের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি (Fact Finding Committee) সদস্যরা। সূত্রের খবর, আজ অর্থাৎ সোমবার সকালে তাঁরা রাজভবনে পৌঁছেছেন রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করবার জন্য। রামনবমীকে ঘিরে রাজ্যের অশান্তি এবং হিংসার ঘটনায় পুঙ্খানুপুঙ্খ তথ্য জানতে পাঁচজনের একটি ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম গঠন করে কেন্দ্র।

সেই অনুযায়ী ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমের সদস্যরা শনিবার এবং রবিবার, যথাক্রমে হুগলির রিষড়া ও হাওড়ার শিবপুরে যাওয়ার চেষ্টা করেন। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে তথ্য জোগাড় করার জন্য। কিন্তু কমিটির সদস্যদের অভিযোগ, পুলিস তাঁদের সংশ্লিষ্ট কোনও জায়গাতেই যেতে দেয়নি। শনিবার রিষড়া যাওয়ার পথে কোন্নগরে তাঁদেরকে আটকায় পুলিস। স্পষ্ট জানায়, ১৪৪ ধারা জারি থাকার জন্য তাঁদেরকে ওই এলাকায় যেতে দেওয়া হবে না।

পাশাপাশি রবিবার দিন তাঁরা হাওড়ার শিবপুরের ঘটনাস্থলে যাওয়ার চেষ্টা করলে ১৪৪ ধারার দোহাই দিয়ে তাঁদেরকে দ্বিতীয় হুগলি সেতুতে আটকায় পুলিস। তারপরেই ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির সদস্যরা পুলিসের বিরুদ্ধে তোপ দাগে এবং জানান রাজ্যে অশান্তি ছড়াতে পুলিস সাহায্য করেছে। পুলিসের সহযোগিতাতেই রাজ্যে হিংসা ছড়িয়েছে। এরপর রবিবার সেখান থেকে এসএসকেএমে যায় রিষড়ার ঘটনায় আহত ব্যক্তির সঙ্গে দেখা করতে। সূত্রের খবর আজ অর্থাৎ সোমবার সকালে তাঁরা এ ঘটনার সমস্ত তথ্য জানাতে রাজভবনে পৌঁছেছে।

11 months ago
Dilip: রাজ্যপালের প্রশংসায় পঞ্চমুখ দিলীপ ঘোষ! বলেন, 'রাজ ভবন রাজনীতির জায়গা নয়'

প্রসূন গুপ্ত: তিনি প্রাক্তন রাজ্য বিজেপি সভাপতি, তিনি বিজেপি সাংসদ। কঠিন সময়ে প্রথমে ২০১৬-তে খড়গপুর বিধানসভা থেকে জিতে বিধায়ক হন। আবার ২০১৯-এ মেদিনীপুর লোকসভা থেকে সাংসদও হয়েছেন দিলীপ ঘোষ। এটা বাস্তব তাঁর রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ছিল না ২০১৪ পর্যন্ত। কিন্তু তারপর তাঁকে সংঘ পরিবার থেকে নিয়ে এসে দল সভাপতি করে। এক সময়ে মজা করে প্রশ্ন করা হয়েছিল, বিয়ে করেননি কেন? উত্তর এসেছিলো, সারাটা জীবন তো সংঘের প্রচারক হিসাবে কাজ করলাম, ফলে বিয়ের ভাবনাটাই আসেনি। এটাও বাস্তব তাঁর আমলে রাজ্য বিজেপি শক্তি বৃদ্ধি করেছিল। বঙ্গ বিধানসভায় ৩ থেকে ৭৭ আসন পাওয়া কম কথা নয়। কিন্তু সেই কাজটি করতে পেরেছিলেন দিলীপবাবু।

পরে রাজ্য বিজেপির সভাপতির পদ থেকে কেন্দ্রীয় বিজেপির সহ-সভাপতির পদ পান। শোনা গিয়েছে দ্বিতীয় মোদী সরকারে তাঁকে ক্যাবিনেটের দায়িত্ব নেওয়ার অনুরোধ করলে তিনি নম্রভাবে প্রত্যাখ্যান করেন। দিলীপ ঘোষ চিরকাল ভোরে উঠে নানা জায়গায় চায়ের আড্ডা জমান, তিনি বলেন জনমত বোঝার এটা একটা মোক্ষম কাজ। একইসঙ্গে মাঝে মধ্যে বিতর্কিত মন্তব্য করে খবরে থাকেন দিলীপ ঘোষ। যদিও লালু যাদব, অনুব্রত মন্ডল থেকে দিলীপ ঘোষের কটাক্ষ বিরোধীদের উদ্দেশে ক্রোধের থেকে মজাদায়ক বেশি।

এহেন দিলীপ ঘোষ ফের মুখ খুললেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের হয়ে। সম্প্রতি রাজ্যের বিরোধী নেতা রাজ্যপালের উপর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। সেই মন্তব্যের উত্তরও দিয়েছেন কম কথা বলা উচ্চশিক্ষিত বোস। এবার দিলীপ ঘোষ রাজ্যপালের প্রভূত প্রশংসা করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, সিভি আনন্দ বোস উপযুক্ত মানুষ। পথে নেমে কাজ করেন রাজ্যপাল। দিলীপবাবু বলেন, 'রাজভবন রাজনীতির  জায়গা নয়।' 

11 months ago
Governor: সংবিধান মেনেই কাজ করবেন আনন্দ বোস, শাসক-বিরোধীকে স্পষ্ট বার্তা

প্রসূন গুপ্ত: রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকে পেয়ে বঙ্গের মানুষ অখুশি এমন দাবি কেউই করবেন না। বরং যত দিন যাচ্ছে ততই দেখা যাচ্ছে, বোস যথেষ্ট নিয়মানুবর্তিতা মেনে চলার মানুষ। এই রাজ্যপালের গুণ, তিনি সমস্ত দলের কথা শোনেন এবং সেই প্রেক্ষিতে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করেন। সাধারণত পশ্চিমবঙ্গে বাম আমল থেকে যত রাজ্যপাল এসেছেন, বোস কিন্তু তাঁদের থেকে একটি বিষয়ে ব্যতিক্রম। সংবিধান মেনে প্রশাসনকে নিয়ে চলা। তিনি দীর্ঘদিন প্রশাসনে ছিলেন ফলে অভিজ্ঞতা তাঁর টাটকা। তাঁকে চাপ দিয়ে কাজ হাসিল করা কঠিন, তা তৃণমূল বাম কিংবা বিজেপি হোক না কেন।

সম্প্রতি হাওড়া এবং রিষড়াতে রামনবমী মিছিলকে কেন্দ্র করে যে যে অনভিপ্রেত ঘটনা ঘটেছে তা নিজে উপস্থিত থেকে সরেজমিন তদন্ত করছেন আনন্দ বোস। যদিও বাম দলগুলি এই কাণ্ডকে ধর্মীয় মেরুকরণের বলে দাগিয়েছে। কাঠগড়ায় তোলা হয়েছে তৃণমূল-বিজেপিকে। তারা বলেছে যে, ধমীয় মেরুকরণ করে আসন্ন ভোটগুলিতে ফায়দা তুলতে চাইছে এই দুই দল। সে যাই হোক না কেন সম্পূর্ণ বিষয়টি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে গিয়েছে এবং তারপর বিষয়টি দেখতে গিয়েছেন রাজ্যপাল নিজেই।

এটি নিয়ে কোনও রকম রাজনীতি হোক সে বিষয়ে রাজ্যপাল সজাগ ছিলেন। খবর, তিনি বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে রিষড়া না যেতে অনুরোধ করেন। সুকান্তবাবু রাজ্যপালকে সম্মান জানিয়ে অকুস্থলে যাননি। কিন্তু গিয়েছেন রাজ্যপাল এবং দেখে এসেছেন সবই। তিনি পরিবেশ শান্ত রাখতে অনুরোধ করেছেন। কিন্তু সুকান্ত মজুমদার রাজ্যপালের অনুরোধ রাখলেও, কিছুটা আক্রমণাত্মক রাজ্যের বিরোধী নেতা। যদিও তাঁর এই সমালোচনা শুনে রাজ্যপাল মিষ্টি হেসে জানান, 'কেউ সমালোচনা করতে পারেন, অতি সমালোচনা করতে পারেন কিন্তু দ্বিচারিতা করবেন না।' তাঁর এই প্রতিক্রিয়ার ওপারে কে? কিছুটা আন্দাজ করতে পারছে রাজনৈতিক মহল। রাজ্যপাল আরও বলেন, 'তাঁর কাজ বন্ধু ও পথপ্রদর্শক হিসাবে দায়িত্ব পালন করা। একইসাথে রাজ্য প্রশাসক যেন সংবিধান মেনে কাজ করেন সেটাই দেখা।'

11 months ago


Governor: শিবপুর-কাণ্ডে কড়া ব্যবস্থার পক্ষে রাজ্যপাল, কী বলছে রাজভবন

প্রসূন গুপ্ত: ফের রাজ্যের পাশে রাজ্যপাল। তিনি যে জগদীপ ধনকরের পদাঙ্ক অনুসরণ করবেন না, তা প্রথম থেকেই তাঁর কর্মপদ্ধতি দেখে বোঝা গিয়েছিল। তিনি শিক্ষিত মানুষ এবং সাহিত্যিক। লেখাপড়ার জগৎ ছাড়াও প্রশাসনের কাজে সুচারু। প্রশংসা পেয়েছিলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রীরও। মোদী বলেছিলেন, তিনি দক্ষ কাজের মানুষ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছিলেন, 'দিদি যাকে পাঠানো হচ্ছে তাঁকে আপনার পছন্দ হবে।' তিনি নতুন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। নতুন রাজ্যপাল আসার পর খুব ভালো সম্পর্ক হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যেপাধ্যায়ের সঙ্গে। রাজ্য সরকারের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকেছেন বোস, ভূয়সী প্রশংসা করেছেন সরকারের।

এরপর কলকাতা ফিল্ম ফেস্টিভেলে উপস্থিত থেকে বাংলা সিনেমার উন্নয়নে সঙ্গে থাকার কথা বলেছেন। এরপরেই যেন খানিক সুর কেটে গিয়েছিল রাজ ভবনের সচিব বদলি ঘিরে। কিন্তু এখানে রাজ্য সরকার কোনও সংঘাতে যায়নি।

অন্যদিকে এখনও পর্যন্ত রাজ্যপাল এমন কিছু বলেননি যাতে সরকার বিপাকে পড়তে পারে। সম্প্রতি রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু কলকাতায় এসেছিলেন। তাঁকে সংবর্ধনা জানায় রাজ্য সরকার। সেই অনুষ্ঠানে হাসিমুখে দেখা গিয়েছে মমতা ও আনন্দ বোসকে। পরস্পর কুশল বিনিময় করে হৃদ্যতা বজায় রেখেছেন। সম্প্রতি রামনবমীকে কেন্দ্র করে মস্ত সংকট তৈরি হয়েছিল। বিভিন্ন কেন্দ্রে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে বাক-বিতন্ডা যেমন হয়েছে আবার সৌহার্দের চিত্রও দেখা গিয়েছে। কিন্তু সুরতাল কেটে গেলো হাওড়ায়।

শিবপুরে এই রামনবমীকে কেন্দ্র করে একদল যে হৈ-চৈ ও হামলা চালালো বলে  খবর তা মোটেই স্বাস্থ্যকর ছিল না। বিষয়টি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী, মিছিল, দুষ্কৃতী বাহিনী এবং স্থানীয় পুলিসের উপর প্রবল ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন। এখানেই শেষ নয় বিষয়টি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ অবধি পৌঁছয়। শাহ রাজ্যপালের সঙ্গে কথা বলেন।সম্পূর্ণ বিষয়টি দেখে বোস প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ। তিনি জরুরিভিত্তিতে পতাকা না দেখে কড়া ব্যবস্থা নিতে বলেছেন। তিনি বলেছেন, যে কেউ যদি ভাবেন মানুষকে বোকা বানাতে হিংসার আশ্রয় নেবেন, তবে তাঁরা মূর্খের স্বর্গে বাস করছেন। ইঙ্গিতটি কোনদিকে তা তাঁর বক্তব্যেই স্পষ্ট। কাজেই কোনও বেচাল যে বোস বরদাস্ত করবেন না তা বলাই বাহুল্য।

11 months ago
Raj Bhawan: খুদে শিক্ষাগুরুর থেকে অ এবং আ লেখা শিখলেন রাজ্যপাল! রাজ ভবনে হাতেখড়ি অনুষ্ঠান

বাংলা শিখতে রাজ ভবনে হাতে-খড়ি অনুষ্ঠানের আয়োজন করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। আগামি ৫ বছরের মধ্যে তিনি বাংলা ভাষা রপ্ত করতে চান। এমন ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন বাংলার রাজ্যপাল। সেই লক্ষে পৌঁছতেই সরস্বতী পুজোর দিন থেকেই 'ছাত্র' হিসেবে বাংলা ভাষা চর্চা শুরু করলেন তিনি। তাই প্রথামাফিক হল তাঁর হাতে-খড়ি। নয় বছরের শিশুকন্যা ইয়াসিনি রায় এদিন রাজ্যপালকে শিশু-গুরু হিসেবে হাতে-খড়ি দিয়েছে। ব্ল্যাক বোর্ডে সিভি আনন্দ বোসের হাত ধরে অ এবং আ লেখায় এই শিশুকন্যা। গুরু দক্ষিণা হিসেবে ইয়াসিনির হাতে উপহার তুলে দেন রাজ্যপাল।

একইভাবে আরও দুই খুদে-গুরু রাজ্যপালকে ইংরাজি থেকে বাংলা অনুবাদ শেখান। মাদার মানে মা এবং আর্থ মানে ভূমি ডক্টর বোসকে শেখানো হয়েছে। তাদের হাতেও তুলে দেওয়া গুরু দক্ষিণা। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধানসভার অধ্যক্ষ ছাড়াও ছিলেন প্রবীণ সিপিএম নেতা বিমান বসু। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পেলেও, তিনি যাবেন না বলে জানিয়েছিলেন আগেই।

one year ago


Raj Bhawan: আজ রাজভবনে রাজ্যপালের 'হাতেখড়ি'! আমন্ত্রিতদের তালিকায় কারা

প্রসূন গুপ্ত: সিভি আনন্দ বোস, নতুন রাজ্যপালের তাই নাম। জানা গেলো সিভি আনন্দ অবধি ঠিক আছে। কিন্তু দক্ষিণ ভারতীয় বিশেষ করে কেরালা ও তামিলনাডুর অধিবাসীরা নেতাজি সুভাষকে প্রচণ্ড শ্রদ্ধা করেন। ফলে অনেকেরই নাম সুভাষ বা বোস। রাজ্যপালের নাম ওভাবেই এসেছে। আনন্দ বোস একেবারেই ব্যতিক্রমী চরিত্র। উচ্চ শিক্ষিত, বহু বিষয়ে বিস্তর পড়াশুনো এবং দেশের প্রশাসনিক বিষয়ে বহু দায়িত্ব সামলেছেন। বোসের লেখা বহু বই আছে যা কিনা দেশের সম্পদ মনে করেন অনেকেই।

রাজ্যপাল প্রচারের আলোর বাইরে থাকতে পছন্দ করেন। যা কিনা প্রাক্তন রাজ্যপাল ধনকরের একেবারেই উল্টো পথ। তিনি মনে করেন সাংবিধানিক প্রধান হিসাবে যখন দায়িত্ব পেয়েছেন, তখন সেই কাজ নিপুনভাবে করা উচিত। এই রাজ্যপাল নিয়োগের সময়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যেপাধ্যায় সরাসরি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে অভিযোগ করেছিলেন, তাঁকে না জানিয়ে কেন বারবার রাজ্যপাল নিয়োগ করা হচ্ছে। অমিত বুদ্ধিদীপ্ত ভঙ্গিতে মমতাকে জানিয়েছিলেন, ইনি অত্যন্ত কাজের মানুষ এবং প্রশাসনিক কাজে সহযোগিতা করে চলতে ভালোবাসেন, দিদির নিশ্চয় পছন্দ হবে।

বাস্তবিক আপাতত তাই সত্যি হয়েছে। রাজ্যপাল যেমন খুশি এ রাজ্যে এসে, তেমন মুখ্যমন্ত্রীও তাঁকে পেয়ে আনন্দিত। যা কিনা তিনি মিডিয়ার সামনে প্রকাশ করেছেন।

সম্প্রতি শিক্ষাবিদ ও সিস্টার নিবেদিতার আচার্য সত্যম রায়চৌধুরীর আমন্ত্রণে গত ২৫ ডিসেম্বর তাঁর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন রাজ্যপাল। বিষয় নিখিল ভারত বঙ্গ সাহিত্যের শতবর্ষ। সেদিন মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন বাংলার তাবড় তাবড় ব্যক্তিত্ব, কিন্তু শেষ বক্তা হিসাবে রাজ্যপাল মানুষের মন জয় করে নিলেন। তিনি বলেছিলেন, সাহিত্য জানতে গেলে রবীন্দ্রনাথকে জানতে হবে। রবি ঠাকুরের কাবুলিওয়ালার 'মিনি'-কে জেনে উদ্বুদ্ধ হয়েছিলেন তাঁর পরিবারের কাছে।

তিনি বলেছিলেন, রবীন্দ্রনাথ, বঙ্কিমচন্দ্র, শরৎচন্দ্র না পড়লে ভারতীয় সাহিত্য অসম্পূর্ণ থাকবে। তিনি জানান, তিনি বাংলা সাহিত্য পড়েছেন ইংরেজি অনুবাদে। কিন্তু আসন্ন ৫ বছরে তিনি বাংলা শিখে তাঁর বহু লেখা বইয়ের মতো বাংলাতেও বই লিখবেন। তিনি আবেদন করেন তাঁকে বাংলা শিখতে এবং বুঝতে সহযোগিতা করতে।

অবশেষে তাঁর সেই প্রচেষ্টা বাস্তবের দিকেই যাচ্ছে। আজ সরস্বতী পুজোর সন্ধ্যায় তিনি কোনও পণ্ডিতের কাছে বাংলার 'হাতেখড়ি' নেবেন। অর্থাৎ লক্ষ্য তাঁর বাংলা শিক্ষার দিকে। তাঁর এই অনুষ্ঠানে বিশেষ ভাবে আমন্ত্রিত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সঙ্গে মন্ত্রিসভার অনেক সদস্য এবং বিদ্বজন। মমতা অবশ্যই উপস্থিত থাকবেন সপার্ষদ। উপস্থিত থাকবেন বিজেপি, বাম, কংগ্রেস দলের প্রতিনিধিরা বলে আপাতত সংবাদ। কিন্তু থাকবেন না বলে খবর রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুভ কাজে রাজনীতি থাকছেই, এই প্রশ্ন এখন ঘুরেফিরে আসছে।

 

one year ago
Birthday: শহরজুড়ে নেতাজি জন্মজয়ন্তী পালন! দেশপ্রেমীর শ্রদ্ধায় শোভাযাত্রা থেকে মূর্তিতে মাল্যদান

দার্জিলিং থেকে সুন্দরবন; ধুমধাম করে পালিত নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ১২৬তম জন্মদিবস (Netaji Birthday Celebration)। কলকাতাও নানা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই মহামানবকে স্মরণ করছে। শহরের উত্তর থেকে দক্ষিণ, নানা প্রান্তে নেতাজি জন্মজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে দেখা গিয়েছে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (Governor CV Anand Bose) থেকে রাজ্য মন্ত্রিসভার একাধিক সদস্যকে। পিছিয়ে ছিল না রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপিও (BJP)। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী থেকে রাজ্য বিজেপির সভাপতি তথা সাংসদ সুকান্ত মজুমদারও নেতাজির জন্মদিন উদযাপনের অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন। শ্যামবাজার পাঁচ মাথার মোড়ে নেতাজি মূর্তির পাদদেশে নেতাজি জন্মজয়ন্তী কমিটি আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যপাল।


এদিন সকালে একটি পৃথক অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়েছে নেতাজি ভবনেও। সেখানেও সকাল থেকে উৎসাহী মানুষের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতোন। পাশাপাশি চেতলায় নিজের পাড়ায় নেতাজি জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় পা মেলান রাজ্যের মন্ত্রী তথা মেয়র ফিরহাদ হাকিম। দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুকেও দেখা গিয়েছে লেক টাউনে নেতাজির মূর্তিতে মাল্যদান করতে। উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সাংসদ সাংসদ সৌগত রায়।


অপরদিকে, শহিদ মিনারের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে নেতাজি মূর্তিতে মাল্যদান করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। একইভাবে ধর্মতলায় নেতাজি মূর্তিতে মাল্যদান করে এই বরেণ্য ব্যক্তিকে শ্রদ্ধা জানান বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ এবং রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।

one year ago
Tornado: ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড়ের লণ্ডভণ্ড মার্কিন মুলুক! বিপর্যস্ত মিসিসিপি থেকে জর্জিয়া

আমেরিকায় (America) টর্নেডোর (Tornado) হানা। ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড়ে লণ্ডভণ্ড হয়ে গিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ-পূর্ব দিকের রাজ্য আলাবামা (Alabama)। এই টর্নোডো ঘূর্ণিঝড় বৃহস্পতিবার বয়ে গিয়েছে মিসিসিপি থেকে শুরু করে জর্জিয়া পর্যন্ত। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে এখনও পর্যন্ত ন’জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে।

মার্কিন আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, পরপর অন্তত ৫টি টর্নেডো আছড়েছে আলাবামায়। ঝড়ের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ২৪১ কিলোমিটার। সূত্রের খবর, নিখোঁজ প্রচুর বাসিন্দা। যার মধ্যে রয়েছে শিশু ও স্কুলপড়ুয়ারা। ইতিমধ্যে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী উদ্ধার কাজ শুরু করেছে। জর্জিয়ার গভর্নর ব্রায়ান কেম্প জানিয়েছেন, 'নিখোঁজ স্কুলপড়ুয়াদের ফিরিয়ে আনার চেষ্টা হচ্ছে। তবে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।'

আলাবামা প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, ঘূর্ণিঝড়ের জেরে অন্তত ৫০টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঝড়ের দাপটে ভেঙে পড়েছে একাধিক গাছ। উপড়ে গিয়েছে বিদ্যুতের খুঁটি। যার জেরে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে প্রায় ১০ হাজার বাড়ি। এছাড়া বেশ কিছু বাড়ির ছাদও উড়ে যায়। গাছ ভেঙে পড়ে জর্জিয়াতে মৃত্যু হয় পাঁচ বছরের এক শিশুর। শুধু তাই নয়, শুক্রবারের ঝড়ের দাপট সহ্য করতে পারেনি মালবাহী ট্রেনও। রেললাইন থেকে ছিটকে পড়ে ওই ট্রেন।

গত মাসেই বড়দিনের ঠিক আগে ‘বম্ব সাইক্লোন' নামক তুষারঝড়ে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় আমেরিকার। তুষারঝড়ের সময় তাপমাত্রা চলে যায় হিমাঙ্কের ৫০ ডিগ্রি নীচে। চারদিকে কেবল বরফ আর বরফ। যত দূর চোখ গিয়েছিল সাদা আস্তরণে ঢেকেছে বাড়িঘর, রাস্তা, গাছপালা। রাস্তার পাশে দাঁড়ানো গাড়িও ঢেকে গিয়েছিল বরফের পুরু আস্তরণে। আমেরিকা এবং কানাডার বিভিন্ন রাস্তা ঢাকা পড়েছে ৮ ফুট থেকে ১০ ফুট পুরু বরফের আস্তরণে। সেই দুর্যোগ কাটিয়ে এখন ফের টর্নেডোর দাপট।

one year ago


Blood: ঐতিহ্যবাহী কফি হাউস রক্তদান শিবিরে এসে অভিভূত রাজ্যপাল, ছিলেন জাস্টিস গাঙ্গুলিও

ধুমধাম করেই আয়োজিত কফি হাউসের বার্ষিক রক্তদান শিবির। সকাল ৯টা থেকে শুরু হওয়া এই মহতী অনুষ্ঠান চলে রাত ৯টা পর্যন্ত। সোমবার ঐতিহ্যবাহী কলেজ স্ট্রিট কফি হাউসে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যপাল ডক্টর সিভি আনন্দ বোস এবং কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।

কলেজ স্ট্রিট কফি হাউস বহু বছর ধরেই কফি হাউস সোশাল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের ব্যানারে এই রক্তদান শিবির আয়োজন করছে। বইপাড়ার একাধিক স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক-অশিক্ষককর্মী-সহ বিভিন্ন বিশিষ্ট জন উপস্থিত থেকে রক্তদান করেন এই মহতী অনুষ্ঠানে।


এদিকে, কফি হাউসের বার্ষিক রক্তদান উৎসবে এসে অভিভূত রাজ্যপাল। তিনি এখানে প্রতিবছর আসতে চান। একইসঙ্গে তিনি বেশ কিছু পরিকল্পনা করেছেন। এদিন উপস্থিত ছিলেন টলিউড অভিনেতা-অভিনেত্রী আবির চট্টপাধ্যায়, দেবলীনা দত্ত, চৈতি ঘোষাল প্রমুখরা।

one year ago
Suvendu: কেন রাজ্যপালের শপথ অনুষ্ঠান বয়কট শুভেন্দুর? ট্যুইটে জবাব ক্ষুব্ধ বিরোধী দলনেতার

বুধবার রাজ ভবনে নবনিযুক্ত রাজ্যপাল (Bengal Governor) সিভি আনন্দ বোসের শপথ অনুষ্ঠান (Oath Taking Ceremony) বয়কট করেন শুভেন্দু আধিকারী। কেন এই সিদ্ধান্ত, প্রথমে ট্যুইট করে জানান রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikary)। পাশাপাশি বিধানসভাতেও সাংবাদিক বৈঠক করেন তিনি। এদিন ট্যুইটে বিরোধী দলনেতার অভিযোগ, 'রাজ্যপালের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে রাজ্যের বিরোধী দলনেতার আসন বরাদ্দ করা হয়েছে কৃষ্ণ কল্যাণী এবং বিশ্বজিৎ দাসের পাশে। যারা বিজেপির টিকিটে বিধায়ক নির্বাচিত হয়ে দল বদলে এখন তৃণমূল (TMC) করছেন। দলত্যাগ আইনে এঁদের বিধায়ক পদ খারিজের শুনানি চলছে।'

পাশাপাশি তিনি নবনিযুক্ত রাজ্যপালকে শপথ গ্রহণের শুভেচ্ছা জানিয়ে এই আসন বিতর্কের জন্য পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তথ্য এবং সম্প্রচার দফতরকে কাঠগড়ায় তুলেছেন। এ প্রসঙ্গে উল্লেখ্য, এই দফতরের দায়িত্বে খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার এই প্রসঙ্গে সাংবাদিক বৈঠক করেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, 'শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠানে আমি এবং বিজেপির রাজ্য সভাপতি কার্যত রাজ ভবনের গেট থেকে ফিরে এসেছি। আমরা সাড়ে ১০টার মধ্যে কাছাকাছি চলে গিয়েছিলাম। কেন এই সিদ্ধান্ত, তার জন্য একটি ট্যুইট করেছি। যাতে কোনওভাবে ভুল বার্তা না ছড়ায় এবং সত্য উদ্ঘাটিত হয়।' 

তাঁর খোঁচা, 'আমন্ত্রিতদের তালিকা তৈরি থেকে, বসার ব্যবস্থাপনা, এসব কিছু কোম্পানির মালিক করেছেন। এটা একটা গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক অনুষ্ঠান। কোনও রাজনৈতিক লাভ-ক্ষতি নেই। এই অনুষ্ঠানে বিধানসভার অধ্যক্ষ, তিন-চার জন মন্ত্রী আমন্ত্রিত ছিলেন। তার বাইরে দু'জন বিধায়ককে আমন্ত্রণ করা হয়েছে। এঁরা কারা, নাম বলতে চাই না। বিজেপির টিকিটে ভোটে জিতে বিধানসভায় বিজেপি এবং বিধানসভার বাইরে তৃণমূল। তাঁদের মধ্যে একজন লজ্জা ছেড়ে আবার বনগাঁ তৃণমূলের সাংগঠনিক জেলার সভাপতি। এঁদের কোন প্রোটোকলে ডাকা হয়েছে? যদি ধরে নিতাম ২৯৪ জন বিধায়ক আমন্ত্রিত তাহলে এই প্রশ্ন করতাম না। এই নিকৃষ্ট রাজনীতির সাক্ষী থাকল বাংলা।'

এই সাংবাদিক বৈঠকে রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের আসন বরাদ্দ নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, 'এই অনুষ্ঠানে কলকাতার লোকসভা এবং রাজ্যসভার একাধিক সাংসদকে সামনের সারিতে বসানো হয়েছে। সেখানে বালুরঘাটের সাংসদ মাননীয় ডক্টর সুকান্ত মজুমদারকে পিছনের সারিতে বসতে দেওয়া হয়েছে। পিছনের সারিতে বসেছেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসুও। যদি সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় সাংসদ হন, মালা রায় সাংসদ হন, ডেরেক ও ব্রায়েন সাংসদ হন, তাহলে ডক্টর সুকান্ত মজুমদারও সাংসদ।'           

one year ago


Governor: শপথ গ্রহণ রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের, নীল হাড়িতে সাদা রসগোল্লা পাঠালো নবান্ন

নির্ঘণ্ট মেনেই বুধবার রাজভবনে (Raj Bhawan) শপথ নিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (Dr CV Anand Bose)। তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব। সস্ত্রীক উপস্থিত ছিলেন বাংলার প্রাক্তন রাজ্যপাল গোপালকৃষ্ণ গান্ধী। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata Banerjee) ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাম নেতা বিমান বসু। ছিলেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম-সহ রাজ্য মন্ত্রিসভার অন্য সদস্যরা।

নতুন রাজ্যপালকে অভ্যর্থনা জানাতে ইতিমধ্যে নীল হাড়িতে সাদা রসগোল্লা পাঠিয়েছে নবান্ন। তবে আসন বিতর্কে এদিন শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান বয়কট করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ট্যুইট করে সেই শপথ বয়কটের প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক। তাঁর এই পদক্ষেপকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি শাসক দলও। তবে সাড়ে ৫ মাস পর স্থায়ী রাজ্যপাল পেল বাংলা। রাষ্ট্রপতি ভবনের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ ছিল, যেদিন শপথ নেবেন, সেদিন থেকেই রাজ্যপাল পদে নিযুক্ত হবেন আনন্দ বোস। তাঁর পূর্বসূরি বর্তমান উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকরের সঙ্গে নবান্নের সংঘাত সর্বজনবিদিত।

সেই সংঘাতের পরিবেশ বর্তমান আমলেও থাকবে কিনা, সেই দেখার অপেক্ষায় বাংলায় রাজনৈতিক মহল।

one year ago
Governor: কলকাতায় এলেন নতুন রাজ্যপাল, বুধবার শপথ গ্রহণ

প্রসূন গুপ্ত: সকাল সাড়ে ৯টা বাজতেই নেতাজি সুভাষ বিমানবন্দর (Kolkata Airport) ছুঁল নতুন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের (CV Ananda Bose) বিমান। বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী তথা কলকাতার মহানাগরিক ববি হাকিম এবং শিল্প-বাণিজ্যমন্ত্রী শশী পাঁজা। উপস্থিত ছিলেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল এবং মুখ্য সচিব প্রমুখ। বিমানবন্দরেই তাঁকে গার্ড অফ অনার দেওয়া হয় পুলিসের তরফে। শশী পাঁজা অনায়াস ভঙ্গিতে দক্ষিণ ভারতীয় ভাষায় বোসের সঙ্গে আলাপচারিতা করেন। এরপর রাজ্যপাল রাজ্ভবনে (Raj Bhawan) যান, সেখানেই তিনি আজকের দিনটি থাকবেন কিনা জানা না গেলেও জানা গিয়েছে বুধবার তিনি কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে শপথ নেবেন।

দিল্লি থেকে ইতিমধ্যেই রাষ্ট্রপতি ভবন বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছে, যে মুহূর্তে ডক্টর বোস শপথ নেবেন, সেই মুহূর্ত থেকে তিনি রাজ্যের ৫ বছরের স্থায়ী রাজ্যপাল হবেন। অবশ্যই এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের কথা হয়েছে এবং শাহ জানিয়েছেন যে এই নতুন রাজ্যপাল আনন্দ বোস ভালো লোক মুখ্যমন্ত্রীর পছন্দ হবে। অন্যদিকে জানা গিয়েছে খোদ প্রধানমন্ত্রীর প্রিয়পাত্র এই বোস। যিনি দীর্ঘদিন সংবিধানের নানা কাজে যুক্ত। এই আইএএস প্রাক্তনী তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন কলকাতা থেকেই। নেতাজি সুভাষচন্দ্রের পদবি বোস নিয়েই তাঁর নাম বোস, অবশ্য নামের আগে একটি আনন্দও আছে।

তাঁর আগমনে খুশি বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর ইচ্ছা পূর্বতন রাজ্যপাল (ধনকর) মতোই সক্রিয় থাকবে বাংলার রাজ ভবন। যদিও রাজ্যপাল হওয়ার আগে বোস জানান, তিনি সংবিধান মেনেই সরকারকে সহযোগিতা করবেন। তাঁর সঙ্গে মমতার ফোনে কথা হয়েছে। বোসও মুখ্যমন্ত্রীর ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। ২৯টি পুরস্কারপ্রাপ্ত বোসকে জ্ঞানের আধার বলা হয়। দেখার বিষয় বাংলা, প্রকৃত সাংস্কৃতিক রুচিবান আদর্শে অচল এবং ৪০টি বই লেখা আনন্দ বোসকে কতটা কাছে পাবে আগামীতে।

one year ago
Oath: বুধবার রাজ ভবনে শপথ সিভি আনন্দ বোসের, থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী-বিরোধী দলনেতা

২৩ নভেম্বর, বুধবার বাংলার নতুন রাজ্যপাল (Governor CV Ananda Bose) হিসেবে শপথ নেবেন ডক্টর সিভি আনন্দ বোস। মঙ্গলবার রাতেই তিনি আসবেন রাজ ভবনে (Raj Bhawan)। শনিবার তাঁকে ফোন করে শুভেচ্ছা জানান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata)। বুধবার রাজ ভবনে (Governor of Bengal) ডক্টর বোসকে শপথ বাক্য পাঠ করাবেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব। জানা গিয়েছে, ২১ এবং ২৩ তারিখ, কবে তিনি শপথ গ্রহণ করবেন, জানতে চাওয়া হয়েছিল। ২৩ নভেম্বরকে বেছে নিয়েছেন বাংলার ভাবী রাজ্যপাল।

জানা গিয়েছে, এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে বর্তমান অস্থায়ী রাজ্যপাল লা গণেশন ছাড়াও উপস্থিত থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, রাজ্য মন্ত্রিসভার সদস্যরা। এদিকে, প্রাক্তন সিভিল সার্ভেন্ট ডক্টর সিভি আনন্দ বোস সার্নে ভারতকে প্রতিনিধিত্ব করেছেন। নেহেরু ফেলোশিপপ্রাপক ডক্টর বোসের বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে। দেশের বর্তমান উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকরের পদত্যাগের সাড়ে ৫ মাস পর স্থায়ী রাজ্যপাল পেয়েছে বাংলা।

one year ago


Governor: 'ম্যান অফ আইডিয়াস' নতুন রাজ্যপালকে নিয়ে কী ভাবছে রাজ্য সরকার এবং বিজেপি?

প্রসূন গুপ্ত: বৃহস্পতিবার নির্ধারিত হয়ে গেল আর অস্থায়ী রাজ্যপাল নয়, এবার ৫ বছরের জন্য নতুন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। এই নিয়মরক্ষায় নতুনত্ব বা অভিনবত্ব কিছু নেই তবু তৃণমূলের প্রশ্ন থাকে, ইনি কি পূর্বসূরি ধনকরের মতো হবেন নাকি নিরপেক্ষ? অন্যদিকে বিজেপির কাছে প্রশ্ন, সাময়িক রাজ্যপাল লা গণেশনের মতো হবেন নাকি ফের তাঁদের মনপসন্দ ধনকরের মতো নিরপেক্ষ? আসলে এই 'নিরপেক্ষতা' শব্দটি এখন ক্লিশে হয়ে গিয়েছে। যুযুধান রাজনৈতিক দলগুলি ভাবে তাদের মনের মতো প্রশাসন বা সংবাদমাধ্যম হওয়া মানেই নিরপেক্ষ নতুবা পক্ষপাতদুষ্ট। সর্বত্রই এই ভাবনার মধ্যে সমস্ত রাজনৈতিক দল।

লা গণেশন দ্রুত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রিয় মানুষ হয়ে পড়েছিলেন। কালীপুজোয় মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে যান গনেশন। এরপর অস্থায়ী রাজ্যপালের আমন্ত্রণে তাঁর চেন্নাইয়ের বাড়িতো যান মমতা। এরই মাঝে বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারী, গণেশনের সাক্ষাৎ চেয়েও পাননি। ফলে গুঞ্জনে এই কারণেই কি তাঁকে সরিয়ে বোসকে দায়িত্ব দেওয়া হলো।

এবার প্রশ্ন কেমন মানুষ এই বোস? জানা গিয়েছে কেরালার ভূমিপুত্র আনন্দ বোস একজন প্রাক্তন আইএএস। দুর্দান্ত তাঁর কর্ম জীবন, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ড.মনমোহন সিংয়ের প্রিয়পাত্র ছিলেন বোস। ২০১১-তে কর্মজীবন শেষ হলে তিনি বিজেপির ঘনিষ্ঠ হয়ে পড়েন বলে সংবাদ।

তাঁকে নাকি সরকারি নানা উপদেষ্টামণ্ডলীতে রাখা হয় এবং প্রধানমন্ত্রী মোদী তাঁকে সম্মান দিয়ে 'ম্যান অফ আইডিয়াস' বলে অভিহিত করেছেন। ২০১৯-এ তাঁর বিজেপির হয়ে ভোটে দাঁড়িয়ে অথবা রাজ্যসভার সদস্য হয়ে মোদী মন্ত্রিসভাতে আসার কথা ছিল। কিন্তু যে কোনও কারণেই হোক সেটা আর হয়নি।

নতুন রাজ্যপাল স্থির হওয়ার আগে নিয়ম করে সংশ্লিষ্ট রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতে হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ নাকি তা করেননি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় অবশ্য অমিত শাহ ফোন করে বাড়তি জানান মমতাকে। ক্ষুব্ধ মমতা শাহকে বলেন, 'ফের তাঁকে না জানিয়েই কেন বারবার রাজ্যপাল নিয়োগ হচ্ছে।' অমিত শাহ মমতাকে নিশ্চিন্ত করেন, নতুন রাজ্যপাল আপনার খুব পছন্দের হবে। উনি খুব ভালো লোক। এছাড়াও বিভিন্ন বিষয়ে মমতার সঙ্গে অমিত কথা বলেন। এখন লক্ষ টাকার প্রশ্ন, রাজ্যপাল কারও কাছের লোক হবেন নাকি রাজ্যের সংবিধান প্রধান হয়ে রাজ ভবনে বসবেন।

one year ago
Governor: ডক্টর আনন্দ বোস বাংলার নতুন রাজ্যপাল, সাড়ে ৫ মাস পর স্থায়ী গভর্নর

অস্থায়ী রাজ্যপাল লা গণেশনের জায়গায় স্থায়ী রাজ্যপাল (Bengal Governor) হিসেবে বাংলার দায়িত্বে আসছেন  ডাঃ সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। বর্তমানে মেঘালয় সরকারের উপদেষ্টা আনন্দ বোসের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে রাষ্ট্রপতি ভবন (Raisina Hill)। তাঁকে মনোনীত করেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। ১৯৭৭ সালের সিভিল (IAS) সার্ভেন্ট, আবাস বিশেষজ্ঞ, লেখক এবং বাগ্মী আনন্দ বোস। ভারত সরকারের সচিব পদমর্যাদায় কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে ডক্টর আনন্দ বোসের। পাশাপাশি অঙ্গ রাজ্যের মুখ্যসচিব এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে জওহরলাল নেহেরু ফেলোশিপ প্রাপক এই ব্যক্তি। এমনকি সার্নে ভারতকে প্রতিনিধিত্ব করেছে ডক্টর বোস। জগদীপ ধনকরের পর পাঁচ মাস স্থায়ী রাজ্যপাল পেল বাংলা।

জগদীপ ধনকড় উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পর লা গণেশনকে অস্থায়ী রাজ্যপাল নিয়োগ করেছিলেন রাষ্ট্রপতি ভবন। কিন্তু বাংলার মতো রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ রাজ্যে স্থায়ী রাজ্যপাল নিয়োগের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে মোদী সরকার। পাশাপাশি রাজ্য বিজেপি বহুদিন স্থায়ী রাজ্যপাল চেয়ে দরবার করেছে। সামনে পঞ্চায়েত ভোট এবং ২০২৪-এ লোকসভা ভোট। তাই আগামি দিনে স্থায়ী রাজ্যপালের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে বিজেপির এই দরবার।

one year ago