Breaking News
Abhishek Banerjee: বিজেপি নেত্রীকে নিয়ে ‘আপত্তিকর’ মন্তব্যের অভিযোগ, প্রশাসনিক পদক্ষেপের দাবি জাতীয় মহিলা কমিশনের      Convocation: যাদবপুরের পর এবার রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়, সমাবর্তনে স্থগিতাদেশ রাজভবনের      Sandeshkhali: স্ত্রীকে কাঁদতে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়লেন 'সন্দেশখালির বাঘ'...      High Court: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় প্রায় ২৬ হাজার চাকরি বাতিল, সুদ সহ বেতন ফেরতের নির্দেশ হাইকোর্টের      Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে জমি দখল তদন্তে সক্রিয় সিবিআই, বয়ান রেকর্ড অভিযোগকারীদের      CBI: শাহজাহান বাহিনীর বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ! তদন্তে সিবিআই      Vote: জীবিত অথচ ভোটার তালিকায় মৃত! ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ধূপগুড়ির ১২ জন ভোটার      ED: মিলে গেল কালীঘাটের কাকুর কণ্ঠস্বর, শ্রীঘই হাইকোর্টে রিপোর্ট পেশ ইডির      Ram Navami: রামনবমীর আনন্দে মেতেছে অযোধ্যা, রামলালার কপালে প্রথম সূর্যতিলক      Train: দমদমে ২১ দিনের ট্রাফিক ব্লক, বাতিল একগুচ্ছ ট্রেন, প্রভাবিত কোন কোন রুট?     

ElectionCommission

Vote: পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে এখনই কোনও পদক্ষেপ নয়, শুভেন্দুর মামলায় হাইকোর্টের নির্দেশ কমিশনকে

পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayat Vote) জুলাইয়ের বিজ্ঞপ্তি আপাতত স্থগিত। রাজ্য নির্বাচন কমিশন (State Election Commission) এই মুহূর্তে কোনও পদক্ষেপ নিতে পারবে না। শুভেন্দু অধিকারীর করা মামলায় নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court)। উচ্চ আদালতের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের বৃহস্পতিবার এই নির্দেশ দিয়েছে। মামলাকারী রাজ্যের বিরোধী দলনেতা কলকাতা হাইকোর্টে অভিযোগ করেন, 'রাজ্য নির্বাচন কমিশন একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে তপশিলি জাতি/উপজাতি, এসসি/ এসটি-দের সিট সংক্রান্ত তথ্য দিয়ে। সেই তথ্যের কোনও যৌক্তিকতা নেই। কোন ভেরিফিকেশন ছাড়াই তথ্য প্রকাশ করেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। সেই বিজ্ঞপ্তি বাতিল করা হোক।'

পাশাপাশি আদালতে শুভেন্দু অধিকারী আরও জানান, 'কলকাতা হাইকোর্টে আবেদনের আগে তিনি রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে পুরো ঘটনাটি সবিস্তারে জানিয়েছেন। রাজ্য নির্বাচন কমিশন কোনওরকম ব্যবস্থা নেয়নি। তাই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন।'

এই ঘটনার প্রেক্ষিতে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আইন মেনেই বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছে। তাই তাদের কোনও ত্রুটি এখানে নেই। তবে আপাতত এই বিজ্ঞপ্তিতে যেন স্থগিতাদেশ না দেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার সেই মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট জানায়, 'জুলাই মাসের ওই বিজ্ঞপ্তির উপর স্থগিতাদেশ জারি করা রইল। পরবর্তী নির্দেশিকা না আসা পর্যন্ত ওই অন্তর্বর্তী নির্দেশ বহাল থাকবে।' আগামী ৯ জানুয়ারি এই মামলার শুনানি। ততদিন পর্যন্ত পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশন কোনওরকম পদক্ষেপ নেবে না।

one year ago
Court: বেআইনি আবেদনপত্র মামলায় শিক্ষা সচিবের মুখে ব্রাত্য বসুর নাম, কী বললেন তিনি?

তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) প্রতীক ও দল হিসেবে তাদের অনুমোদন প্রত্যাহারের ইচ্ছাপ্রকাশ, নির্বাচন কমিশনকে (Election Commission) এই বিষয়ে জানানোর ভাবনা পর্যবেক্ষণের সুরে করেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। বেনামী আবেদনপত্র মামলায় শুক্রবার কোর্ট নির্দেশে হাজিরা দেন শিক্ষা সচিব মণীশ জৈন। তাঁর সঙ্গে কথা বলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তারপরেই পর্যবেক্ষণের সুরে এই মন্তব্য বিচারপতির (Justice Ganguly)। তিনি জানান, 'হয় গণতন্ত্র সঠিক হাতে নেই, না হলে গণতন্ত্র বিকশিত হয়নি। কিছু দালাল যারা মুখপাত্র বলে পরিচিত, তাঁরা আদালতের (Calcutta High Court) নামে যা ইচ্ছা বলছেন। বলছেন যে নিয়োগ হলেই আদালতে গিয়ে স্থগিতাদেশ নিয়ে আসছে। আদালত কি এগরোল নাকি যে আসলেই স্থগিতাদেশ পেয়ে যাবে?' ক্ষোভের সুরে এই প্রশ্ন ছুড়ে দেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। যদিও এদিন এজলাসে তিনি জানান, যেহেতু সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ এসেছে। আমি মানি, তাই আমি এই মামলায় কোনো নির্দেশ দিতে পারছি না। আজকের কোনও রেকর্ড আমি রাখতে পারবো না। 

তবে এদিন এজলাসে শিক্ষা সচিব মণীশ জৈনকে বেনামী আবেদনপত্র মামলায় অতিরিক্ত শূন্যপদে নিয়োগ বা সুপার নিউমেরিক পোস্ট সংক্রান্ত একগুচ্ছ প্রশ্ন করেছে হাইকোর্ট। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রশ্ন, 'আপনি কি জানেন যে কমিশনের আইন অনুযায়ী কোন বেআইনি নিয়োগ করা যায় না?' শিক্ষা সচিব জানান, 'হ্যাঁ।' তারপরেই আদালতের প্রশ্ন, 'তাহলে অতিরিক্ত শূন্যপদ কেন তৈরি করা হল?' জবাবে শিক্ষা সচিব জানান, উপযুক্ত স্তর থেকে নির্দেশ এসেছিল। ব্রাত্য বসুর নির্দেশ এসেছিল। তিনি আইনি পরামর্শ নেওয়ার কথা বলেছিল। আমাদের আইনজীবী এবং অ্যাডভোকেট জেনারেলের  সঙ্গে কথা হয়েছিল। আইন দফতরের সঙ্গে কথা হয়েছে। স্কুল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা হয়েছে। মুখ্যসচিবকে জানানো হয়েছে, ক্যাবিনেটে নোট পাঠানো হয়েছে।' পাল্টা বিচারপতি প্রশ্ন করেন, 'অবৈধদের নিয়োগ নিয়ে পরামর্শ দিয়েছেন আইনজীবীরা?' 


শিক্ষা সচিবের তরফে জবাব আসে 'না'। বিচারপতির প্রশ্ন, 'আপনার কি মনে হয় না যে অবৈধদের বাঁচানোর জন্য এই অতিরিক্ত শূন্যপদ? অবৈধদের সরানোর কোন সিদ্ধান্ত হয়েছিল?' এই প্রশ্নের জবাবে শিক্ষা সচিব জানান, 'আমরা আইন দফতরের সঙ্গে কথা বলেছি।' এরপরেই বিস্ময় প্রকাশ করে বিচারপতির প্রশ্ন, 'আমি বিস্মিত যে কীভাবে ক্যাবিনেটে এই ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হল? যেখানে আইনের কোন সংস্থান নেই। আপনি কী মনে করেন যে অবৈধদের চাকরি বাঁচানো দরকার?' জবাবে শিক্ষা সচিব জানান, 'না'।

এরপরেই আদালতের প্রশ্ন, 'কোন ক্যাবিনেটে এই সিদ্ধান্ত হয়?' মণীশ জৈন উত্তরে জানান, আমরা আইন দফতরের সঙ্গে কথা বলেছি।' বিচারপতির প্রশ্ন, 'এটা কোনও রাজ্যের নীতি হতে পারে? আবার বলা হচ্ছে যে কারও চাকরি যাবে না। স্কুল সার্ভিস কমিশনের আইনজীবীর কাছে আবেদন দাখিল করার কোন লিখিত নির্দেশিকা নেই। অতিরিক্ত প্রায় ২৬২ কোটি টাকা কেন প্রতি বছর ব্যয় করা হবে এই অযোগ্যদের জন্য।' জবাবে শিক্ষা সচিব বলেন, 'আমরা অ্যাডভোকেট জেনারেলের সঙ্গেও এবিষয়ে কথা বলেছি।' 

এরপরেই বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় প্রশ্ন করেন, 'আপনার কি মনে হয় না যে ক্যাবিনেট এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে সংবিধানবিরোধী কাজ করেছে? ক্যাবিনেটের সদস্যরা সই করলেন? কেউ তাঁদের সতর্ক করলেন না?' মণীশ জৈন জবাবে বলেন, 'আমি সেখানে ছিলাম না।' এরপরেই ক্ষুব্ধ বিচারপতির পর্যবেক্ষণের সুরে বার্তা, 'হয় গণতন্ত্র সঠিক হাতে নেই, না হলে গণতন্ত্র বিকশিত হয়নি। ক্যাবিনেটকে বলতে হবে অযোগ্যদের পাশে তারা নেই।

১৯ মে-র বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহার করতে হবে। না-হলে এমন পদক্ষেপ করা হবে যা গোটা দেশ কখনও দেখেনি। আমি ক্যাবিনেটকে পার্টি করে দেব। সবাইকে এসে উত্তর দিতে হবে। শোকজ করতে পারি।' তাঁর মন্তব্য, বিধানসভার দলনেতা হন মুখ্যমন্ত্রী, আর লোকসভায় দলনেতা প্রধানমন্ত্রী। আমি ইলেকশন কমিশনকে বলব তৃণমূল কংগ্রেসের লোগো প্রত্যাহার করার জন্য, দল হিসাবে তাদের মান্যতা প্রত্যাহার করতে বলব নির্বাচন কমিশনকে। সংবিধান নিয়ে যা ইচ্ছা করা যায় না।' 

ইতিমধ্যে বেআইনি আবেদনপত্র মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের রায়ের বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টে রাজ্য এবং এসএসসি। হাইকোর্টের ২৩ নভেম্বরের নির্দেশের উপর তিন সপ্তাহের স্থগিতাদেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। সুপ্রিম কোর্টে রাজ্য এবং এসএসসির মামলা দায়ের প্রসঙ্গে স্কুল সার্ভিস কমিশনের আইনজীবী জানান, দেশের প্রধান বিচারপতির এজলাসে জরুরি ভিত্তিতে এই মামলা শোনার জন্য আবেদন করা হয়েছিল। তিনি গুরুত্ব বুঝে তিন সপ্তাহের জন্য অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিয়েছে এবং আগামি শুনানির দিন ধার্য করেছেন। সেই মোতাবেক কলকাতা হাইকোর্টকে জানানো হয়েছে। ২৩ নভেম্বর সিঙ্গল বেঞ্চ সিবিআই তদন্ত নিয়ে এসএসসির আবেদন সংক্রান্ত যে নির্দেশ দিয়েছিল, পুরো বিষয়টা স্থগিতাদেশ দিয়েছে।

2 years ago
Voter: এবার বছরে ৪ বার ভোটার তালিকায় নাম তোলা-সংশোধন, জানুন কমিশনের নতুন নিয়ম

ভোটার তালিকায় (Voter List) নাম তোলা এবং সংশোধনে নতুন নিয়ম আনতে চলেছে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। এবার দেশজুড়ে বছরে ৪ বার নতুন ভোটার তালিকা প্রকাশিত হবে। আগে বছরে এক বার প্রকাশ করা হত। কমিশন জানিয়েছে, ২০২৩ থেকে ভোটার তালিকা প্রকাশে নতুন নিয়ম কার্যকর হবে। ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে তিন মাস অন্তর। এই সময়ের মধ্যে এপিকের তথ্যও পরিবর্তন করা যাবে।

এযাবৎকাল পয়লা জানুয়ারি নতুন ভোটার তালিকা প্রকাশ করে কমিশন। ২০২৩-এ একইদিনে ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। তবে শুধু ১ জানুয়ারি নয়, বছরে আরও তিন দিন এই কাজ করবে কমিশন। তারা জানিয়েছে, ২০২৩ থেকে দেশব্যাপী ১ জানুয়ারি, ১ এপ্রিল, ১ জুলাই এবং ১ অক্টোবর ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।

ভোটারদের সচেতনতার ফলে এই পদক্ষেপ, এমনটাই জানিয়েছে কমিশন। পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে সমীক্ষা এবং ভাবনাচিন্তার পর ৯০ দিন পর পর ভোটার তালিকা প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেয় তারা।

2 years ago


Mamata: রাজ্য পুলিসের তদারকিতে ফেব্রুয়ারিতেই পঞ্চায়েত ভোটের সম্ভাবনা

২০২৩-র ফেব্রুয়ারিতে পঞ্চায়েত ভোট (Panchayet Vote 2023) করাতে কোমর বাঁধছে মমতা সরকার। নির্বাচন কমিশন (SEC) সূত্রে সেই ইঙ্গিত মিলেছে। তবে পঞ্চায়েত ভোট রাজ্য পুলিসের তদারকিতে হবে। এমনটাই নিশ্চিত করেছে কমিশনের একটি সূত্র। জানা গিয়েছে, বুধবার রাজ্যের ২০ জেলার আসন বিন্যাস এবং আসন সংরক্ষণ নিয়ে খসড়া তালিকা প্রকাশ করছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। আগামী ২ নভেম্বর পর্যন্ত এই ২০ জেলার মানুষ সংশ্লিষ্ট জেলা শাসক এবং রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানাতে পারবেন। পাশাপাশি আগামী ৭-১৬ তারিখ পর্যন্ত সংশোধনের কাজ হবে এবং চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ পাবে নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে।

ডিসেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে শুরু হবে প্রধান, উপপ্রধান, সভাপতি, সহ-সভাপতি, সভাধিপতি, সহ-সভাধিপতি পদ সংরক্ষণের কাজ। শেষ হবে ওই মাসেই। কমিশন সূত্রে খবর, আইনগত ভাবে জানুয়ারিতেই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হতে পারে। কিন্তু, নির্বাচন কোনওভাবেই ফেব্রুয়ারি মাসে আগে সম্ভব নয়। নবান্ন সূত্রে খবর, ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসেই পঞ্চায়েত সম্পন্ন করতে চাইছে সরকার। সেই লক্ষে রাজ্য নির্বাচন কমিশন কোমর বাঁধছে।

এদিকে, চলতি বছর কোনওভাবেই হাওড়া নির্বাচন সম্ভব নয়, জানিয়ে দিল কমিশন। কারণ, হাওড়া পুর এলাকার ৫০টি ওয়ার্ড ভেঙে যে ৬৬টি ওয়ার্ডে রূপান্তরিত করার কাজ চলছে, তার এলাকা বিন্যাস, আসন বিন্যাসের কাজ করছে সরকার। এরপর শুরু হবে পদ বিন্যাস ও পদ সংরক্ষণের কাজ। সেই মোতাবেক, ওই কাজ শেষ হওয়ার পর হস্তক্ষেপ করতে পারবে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। এই অবস্থায়, কোনওভাবেই চলতি বছর হাওড়া নির্বাচন সম্ভব নয়। আগামী বছরে হবে হাওড়া পুরসভা নির্বাচন, এমনই খবর কমিশন সূত্রে।

2 years ago
Panchayet: সময়ের আগেই কি পঞ্চায়েত ভোট, তোড়জোড়ে অন্য ইঙ্গিত

প্রসূন গুপ্ত: কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন নয়, যেকোনও রাজ্যের পুর বা প্যাকেট ভোটের দায়িত্ব থাকে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। তবে সাধারণত পঞ্চায়েত দফতর থেকে অনুমোদন নিয়ে রাজ্য সচিবালয় মুখ্যমন্ত্রীর অনুমতিক্রমে নির্বাচন কমিশনকে জানায় ,সেই মোতাবেক দিন ঠিক হয়। পশ্চিমবঙ্গের আগের পঞ্চায়েত ভোট হয়েছিল ২০১৮-তে। সেই ভোট ঘিরে শাসক দলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ উঠেছিল বিস্তর। ভোটে শতকরা ৯০% শতাংশ আসন পেয়েছিল তৃণমূল। কিন্তু এই ভোট নিয়ে রাজ্যের এক বিরাট সংখ্যক ভোটারের ক্ষোভ ছিল যে ভোট হয়েছে গা-জোয়ারিতে।

এবারে পঞ্চায়েত ভোটের সময় হিসাবমতো ২০২৩-এর মে মাসে। কিন্তু শোনা যাচ্ছিল, যে ভোট এগিয়ে এসে হতে পারে ডিসেম্বর ২০২২-এ। কিন্তু এখনও তা ঠিক না হলেও রাজনৈতিক মহলের ধারণা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভোট এগিয়ে আনলেও তা কোনওভাবে হয়তো ফেব্রুয়ারির আগে নয়। এখানেও প্রশ্ন থাকে ফেব্রুয়ারিতে মাধ্যমিক এবং তারপরে উচ্চ মাধ্যমিক। কাজেই পরীক্ষার আগে ভোটের দিনক্ষণ ঠিক করলে আইনি বাধায় ভোট প্রচার করতে পারবে না কোনও দলই। সুতরাং ঘুরেফিরে ফের ওই পরের গ্রীষ্মেই চলে আসছে। 

অন্যদিকে অভিমত না যে করেই হোক তৃণমূল দ্রুত ভোট করে নিতে চাইবে। এই পঞ্চায়েত ভোট আসন্ন লোকসভা ভোটের সেমিফাইনাল বলা যেতে পারে। সোমবার তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভা থেকে হয়তো দলনেত্রী তার আভাস দিতে পারেন। একই দলের অন্য পরিকল্পনা রয়েছে সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

অভিষেক সমস্ত প্রার্থী ঠিক করছেন বলেই খবর। তিনি চাইছেন নতুন স্বচ্ছ মুখ। অভিষেক জানিয়েছেন, আসন্ন নির্বাচনে ভোটকে কেন্দ্র করে কোনওরকম বেচাল যেন না হয়।  অবাধ ও সুস্থ নির্বাচন চাইছেন তিনি। একইসঙ্গে শুরু হচ্ছে প্রধান বিরোধী দল বিজেপি শিক্ষন শিবির নিউটাউনে। এখানে বিজেপির কেন্দ্রীয় দলের প্রতিনিধিরা আসছেন এবং আসন্ন ভোট প্রক্রিয়া নিয়ে শিক্ষাদান হবে। খেলার রবিবারের পর রাজনীতির সোমবার যে ব্যস্ত থাকবে তা বলাই বাহুল্য।    

2 years ago


Jammu And Kashmir: জম্মু-কাশ্মীরে থাকলেই ভোটার তালিকায় তোলা যাবে নাম

বড় সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের! বুধবার জম্মু ও কাশ্মীরের (Jammu and Kashmir) মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) হৃদেশ কুমার (Hirdesh Kumar) ঘোষণা করেছেন, কর্মচারী, ছাত্র, শ্রমিক বা বাইরে থেকে আসা যে কেউ, যাঁরা সাধারণভাবে জম্মু ও কাশ্মীরে বসবাস করছেন, কিন্তু স্থানীয় নন (Non-locals), তাঁরা ভোটার তালিকায় (voting list) নিজেদের নাম নথিভুক্ত করতে পারবেন। এই ঘোষণার পর থেকেই শুরু হয়েছে বিতর্ক। প্রতিবাদে সরব হয়েছে উপত্যকার রাজনৈতিক দলগুলি।

তিনি আরও বলেছেন, বহিরাগতদের ভোটার হিসাবে তালিকাভুক্ত করার জন্য জম্মু-কাশ্মীরের কোথাও নিজ আবাসন থাকার প্রয়োজন নেই। অন্যান্য রাজ্যের সশস্ত্র বাহিনীর জওয়ানরাও, যাঁরা বিভিন্ন সীমান্তে, বিভিন্ন জায়গায় পোস্টিং রয়েছেন, তাঁরাও ভোটার তালিকায় নাম যুক্ত করতে পারেন। তিনি আরও জানান, এই নয়া সিদ্ধান্তের ফলে প্রায় ২৫ লক্ষ নতুন নাম ভোটার তালিকায় ঢুকতে চলেছে।

উল্লেখ্য, ৩৭০ ধারা বাতিলের পর এই প্রথমবার নির্বাচন কমিশন ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। আগামী ৩১ অগাস্টের মধ্যে সেই কাজ শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে কমিশনের। পুরো কাজ সম্পন্ন হলে চলতি বছরের শেষের দিকে জম্মু-কাশ্মীরে বিধানসভা নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও এই বছর সম্ভবত নির্বাচন হচ্ছে না কেন্দ্রশাসিত প্রদেশে।

2 years ago