Breaking News
Abhishek Banerjee: বিজেপি নেত্রীকে নিয়ে ‘আপত্তিকর’ মন্তব্যের অভিযোগ, প্রশাসনিক পদক্ষেপের দাবি জাতীয় মহিলা কমিশনের      Convocation: যাদবপুরের পর এবার রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়, সমাবর্তনে স্থগিতাদেশ রাজভবনের      Sandeshkhali: স্ত্রীকে কাঁদতে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়লেন 'সন্দেশখালির বাঘ'...      High Court: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় প্রায় ২৬ হাজার চাকরি বাতিল, সুদ সহ বেতন ফেরতের নির্দেশ হাইকোর্টের      Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে জমি দখল তদন্তে সক্রিয় সিবিআই, বয়ান রেকর্ড অভিযোগকারীদের      CBI: শাহজাহান বাহিনীর বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ! তদন্তে সিবিআই      Vote: জীবিত অথচ ভোটার তালিকায় মৃত! ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ধূপগুড়ির ১২ জন ভোটার      ED: মিলে গেল কালীঘাটের কাকুর কণ্ঠস্বর, শ্রীঘই হাইকোর্টে রিপোর্ট পেশ ইডির      Ram Navami: রামনবমীর আনন্দে মেতেছে অযোধ্যা, রামলালার কপালে প্রথম সূর্যতিলক      Train: দমদমে ২১ দিনের ট্রাফিক ব্লক, বাতিল একগুচ্ছ ট্রেন, প্রভাবিত কোন কোন রুট?     

ElectionCommission

Mamata: বাংলার পুলিস যে কোন রাজ্যের পুলিসের থেকে দক্ষ: মমতা

রাজ্য নির্বাচন কমিশনার (Election Commissioner) বিতর্কে মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjeee)। বৃহস্পতিবার পাটনা যাওয়ার সময় কলকাতা বিমানবন্দরে রাজ্য নির্বাচন কমিশনার বিতর্কে মুখ খুলে বিরোধীদের কটাক্ষ করেন তিনি।  এদিন তিনি স্পষ্ট বলেন, 'নির্বাচন কমিশনারকে সরাতে হলে ইমপিচমেন্ট করতে হবে। যা অতন্ত্য জটিল প্রক্রিয়া।' রাজ্যে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে নির্বাচন কমিশনের (Panchayat Election) পাশেই থাকলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, 'রাজ্যে এত শান্তিপূর্ণ মনোনয়ন এর আগে কখনও হয়নি।

মনোনয়ন পর্বে হিংসা অশান্তি অভিযোগ নিয়ে বারবার হাইকোর্টের দ্বারস্থ বিরোধী দলগুলি। এ বিষয়েও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তীব্র কটাক্ষ করেন বিরোধীদের। তিনি বলেন, 'মাত্র চারটি বুথে অশান্তি হয়েছে, মোট ২ লক্ষ ৩৪ হাজার প্রার্থী। ৪ টি বুথে ঝামেলায় দু তিনজন মারা গিয়েছেন। তাও একটি বুথে দুজন তৃণমূল কর্মী। এরপরে তিনি বিরোধীদের কটাক্ষ করে আরও বলেন, 'যত বাংলাকে বঞ্চনা করবেন, যত বাংলাকে লাঞ্চনা করবেন মনে রাখবেন ভোটটা মানুষ দেবে, যত ঘাটাবে, যত পেছনে লাগবে, মানুষ তত ভোট দেবে। মানুষের এজলাসে বিচার হবে।'

পাশাপাশি এদিন রাজ্য নির্বাচন কমিশন ও রাজ্য পুলিশের পাশে থেকেই ভোটে লড়ার বার্তা দেন মমতা। বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, 'নির্বাচন কমিশনার নিয়োগে সমস্ত পদ্ধতি মেনেই যা হবার হয়েছে। পাশাপাশি তিনি রাজ্য পুলিসের পাশে দাঁড়িয়ে বলেন, 'বাংলার পুলিশ যে কোন রাজ্যের পুলিশের থেকে দক্ষ।'

12 months ago
Amrita: 'ভোট হচ্ছে! নাকি হচ্ছে না।' নির্বাচন কমিশনের কাছে স্পষ্ট জবাব চাইলেন জাস্টিস সিনহা

কার্যত আদালতের ভর্ৎসনার মুখে রাজ্য নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। ভাঙড়ে (Bhangar) আইএসএফ (ISF)প্রার্থীদের পুনরায় মনোনয়ন চেয়ে একটি মামলা দায়ের করা হয় হাইকোর্টে। অমৃতার সিনহার (Amrita Sinha) এজলাসে এদিন এই মামলার শুনানিতে কমিশনকে ফের সন্ত্রাস সংক্রান্ত বিষয়ে প্রশ্ন করেন জাস্টিস সিনহা। এদিন কমিশনের আইনজীবী কাছে  জাস্টিস সিনহা স্পষ্ট জানতে চান, ভোট হচ্ছে কি হচ্ছে না! নির্বাচন প্রক্রিয়া কি এখনো চলছে? এছাড়া তিনি একটি উল্লেখযোগ্য প্রশ্ন করেন কমিশনের আইনজীবির কাছে যে 'নির্বাচন কমিশনার কি আছে এখনও,' এমন প্রশ্ন করে বিস্ময় প্রকাশ করেন জাস্টিস সিনহা।

সূত্রের খবর, আজ অর্থাৎ বৃহস্পতিবার দুপুর দুটোর মধ্যে এ সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর চেয়ে পাঠানো হয়েছে জাস্টিস সিনহার এজলাসে। মনোনয়ন পর্বে গোটা রাজ্যজুড়ে হিংসা,খুনো-খুনি ও স্বতঃস্ফূর্ত সন্ত্রাসের চিত্র দেখেছে বাংলা। যার পরে বিভিন্ন দল হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে। গতকাল অর্থাৎ বুধবার জাস্টিস সিনহার এজলাসে কংগ্রেস প্রার্থীদের নমিনেশন ও প্রতীক সংক্রান্ত মামলায়, কংগ্রেস প্রার্থীদের সিআরপিএফ জওয়ানের নিরাপত্তার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি আজ আইএসএফ প্রার্থীদের মনোনয়নের মামলা।

এদিন জাস্টিস সিনহা প্রশ্ন করেন, 'নির্বাচন কমিশনের নির্ঘন্ট মেনে এখনও কি ভোট হচ্ছে!' অর্থাৎ এ প্রশ্নের পরেই রাজনৈতিক মহল মনে করছে বিচারকের এই প্রশ্ন ভীষণ ইঙ্গিত পূর্ণ। গতকালই রাজ্য নির্বাচন কমিশন ও রাজ্যকে পঞ্চায়েত ভোটের সন্ত্রাস সংক্রান্ত বিষয় বারবার হুঁশিয়ারি করেন এবং তিনি বলেন, 'যদি নির্বাচন কমিশনার ঠিক মতন তাঁর দায়িত্ব পালন করতে না পারে, তাহলে তিনি বসে যান। এরপরেই অবশ্য গতকাল রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের জয়েনিং লেটার ফেরান রাজ্যপাল।'

12 months ago
Election: কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে কি রক্তশূন্য পঞ্চায়েত নির্বাচন সম্ভব! খোঁজ নিল সিএন-ডিজিটাল

মণি ভট্টাচার্যঃ কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে কি রক্তশূন্য পঞ্চায়েত নির্বাচন (Election Commission) সম্ভব! এই প্রশ্নই এখন বাংলার আপামর জনগণের মনে। আপাতভাবে বাংলায় সাড়ে ৫ কোটির উপরে পঞ্চায়েত ভোটদাতা। যেখানে ৬১ হাজার ৬৩৬টি বুথ আছে। যার মধ্যে ১৮৯ টি বুথ স্পর্শকাতর। রাজ্য নির্বাচন কমিশনের তরফে চলতি মাসেই ঘোষণা করা হয় পরবর্তী মাসে অর্থাৎ ৮ই জুলাই পঞ্চায়েত নির্বাচন, ও তা এক দফাতেই হবে। এরপর মনোনয়ন পর্বেই রাজ্যের চূড়ান্ত হিংসা ও সংঘর্ষের চিত্র দেখে গোটা  বাংলা, যার পর দীর্ঘ তালবাহানার পর রাজ্যে ৮২৫ কোম্পানির বেশি অর্থাৎ প্রায় ৮৫ হাজার কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force) মোতায়নের নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্টের (High Court) ডিভিশন বেঞ্চ। যার মধ্যে সক্রিয় বাহিনীর সংখ্যা হতে পারে প্রায় ৭৫ হাজার অর্থাৎ স্পর্শকাতর বুথে ২টি করে এবং রাজ্যের সব বুথগুলিতে যদি ১টি করে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন হয়। এবং তাঁদের সঙ্গ দেয় রাজ্য পুলিস। তাহলে কি সুষ্ঠুভাবে ভোট সম্ভব! অর্থাৎ রক্তশূন্য ভোট সম্ভব? কি বলছে রাজ্যের বিরোধী দলগুলি।


সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন পরিচালনায় কমিশনের ভূমিকাকেই সর্বত্র দায়ী করছেন বিরোধী দলগুলি। বিরোধীদের মত নির্বাচন কমিশন চাইলে ভোট শান্তিপূর্ণই সম্ভব। কিন্তু নির্বাচন কমিশন প্রথম দিক থেকেই শাসকদলের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করে এসেছে। ফলে প্রতি বুথে একজন কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়েও সুস্থভাবে ভোট হবে কিনা তা বিষয়ে সন্দিহান প্রকাশ করছেন রাজ্যের সব বিরোধী দলই।


এ বিষয়ে বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্যকে সিএন-ডিজিটালের তরফে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, 'তৃণমূল কংগ্রেস ও নির্বাচন কমিশন আপ্রাণ চেষ্টা করবে কেন্দ্রীয় বাহিনী যাতে কোন ভাবে কার্যকর না হয়। সেটা আদালতের নজরদারিতে থাকবে। আমরা দল হিসেবে যতটা করা ততটা করব। কেন্দ্রীয় বাহিনী এক কোম্পানি হোক কিংবা ১০০ কোম্পানি, আমরা নির্বাচন লড়তে প্রস্তুত।'

পাশাপাশি এ বিষয়ে ভাঙড়ের আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকীর মত প্রায় একই, তিনিও এক প্রকার নির্বাচন কমিশনকেই দুষলেন। তিনি বলেন, 'জানিনা কেন কমিশন হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্ট অবধি দৌড়ালেন। কিন্তু কমিশন চাইলে সুষ্ঠুভাবে ভোট সম্ভব।মনোনয়ন পর্ব থেকেই শাসকদল যে নোংরামি করেছে, আশা রাখি নির্বাচন কমিশন ভোট পর্বে সেই নোংরামি করতে দেবে না।'

যদিও এই বিষয়ে শুধু রাজ্য নির্বাচন কমিশন কে নয়, তৃণমূলকেও দুষলেন বাম নেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। মীনাক্ষী এদিন সিএন-ডিজিটাল কে বলেন, 'তৃণমূলের কোন দায় নেই সুষ্ঠুভাবে ভোট করানোর। পঞ্চায়েত তৃণমূলের লুটে খাওয়ার জায়গা, সেখানে যদি সঠিকভাবে ভোট হয় তাহলে তৃণমূল গোহারা হারবে। ফলত সেজন্যই সুষ্ঠুভাবে ভোট তৃণমূলই চায় না। ওরা যদি মানুষের জন্য কাজ করত ওরা নিশ্চয়ই শান্তিপূর্ণ ভোটে সাহায্য করত।'

12 months ago


Vote: ১ জেলায় ১ কোম্পানি! কেন্দ্রীয় বাহিনীতে অনিচ্ছা রাজ্য নির্বাচন কমিশনের!

পঞ্চায়েত ভোটে (Panchayet Election) প্রতি জেলায় এক কোম্পানি করে কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force) মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন (Election Commission)! সেই হিসাবে মঙ্গলবার কেন্দ্রের কাছে ২২ জেলার জন্য ২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে পাঠানো হয়েছে কমিশনের তরফে এমনটাই সূত্রের খবর। এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীতে সাধারণত থাকেন ১০০ থেকে ১০৫ জন সদস্য থাকেন। তাঁদের মধ্যে পরিস্থিতি অনুযায়ী কাজে লাগানো হয় কম-বেশি ৮০ জনকে।

পঞ্চায়েত ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের রায় মঙ্গলবার বহাল রেখেছে সু্প্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালত জানায়, সব জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করেই রাজ্যে ভোট করতে হবে। এর আগে হাই কোর্টও ওই নির্দেশ দিয়েছিল। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে গিয়েছিল রাজ্য ও রাজ্য নির্বাচন কমিশন। মঙ্গলবার সেই মামলার শুনানিতে অবাধ ও স্বচ্ছ ভোটের জন্য হাই কোর্টের নির্দেশই বহাল রাখার কথা জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

12 months ago
Commission: মঙ্গলেই যেন অমঙ্গল! বাহিনী সংক্রান্ত মামলায় সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা কমিশনের

এ যেন ঠিক মঙ্গলবারে অমঙ্গলের বার্তা রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কাছে। আজ অর্থাৎ মঙ্গলবার রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দায়ের করা বাহিনী সংক্রান্ত মামলায় জোর ধাক্কা সুপ্রিম কোর্টে। অর্থাৎ পঞ্চায়েত নির্বাচনে রাজ্যের সব জেলাতেই কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে পঞ্চায়েত নির্বাচন করানোর হাইকোর্টের রায় বহাল রাখলো সুপ্রিম কোর্ট। সূত্রের খবর, গত সপ্তাহে বৃহস্পতিবার কংগ্রেস ও বিজেপির করা একটি মামলায় রাজ্যের শুধু স্পর্শকাতর বুথ নয়, রাজ্যের সব জেলাতেই কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করানোর প্রস্তাব দেয় হাইকোর্ট। ওইদিন হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের নির্দেশ দেন, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কেন্দ্রের কাছে বাহিনী চেয়ে পাঠাতে হবে। এরপর এই মামলা গড়ায় সুপ্রিম কোর্টে। রাজ্য ও রাজ্য নির্বাচন কমিশনের তরফে হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা করা হয় সুপ্রিম কোর্টে।

সুপ্রিম কোর্টে এই মামলার শুনানিতে মঙ্গলবার প্রথমেই জোর ধাক্কা খায় রাজ্য নির্বাচন কমিশন। একার্থে সুপ্রিমকোর্টের ভর্ৎসনার মুখে পড়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন জিজ্ঞেস করে, আপনারা অন্যান্য বহু রাজ্য থেকে বাহিনী চেয়েছেন। সে ক্ষেত্রে আপনাদের কাছে পর্যাপ্ত পুলিস নেই। তবে বাহিনী কোথা থেকে এলো সেটা কেন আপনাদের চিন্তার বিষয়?

এছাড়া এদিন সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ বিগত দিনে হওয়া রাজ্যের হিংসাকে কারণ দেখিয়ে প্রশ্ন করেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে। সুপ্রিম কোর্টের এদিন বলেন, হিংসা কখনও নির্বাচনের সহযোগী হতে পারেনা। এছাড়া তাদের আরও মত ২০১৩-২০১৮ তে পঞ্চায়েত নির্বাচনে হিংসার ঘটনা রয়েছে তবে কেন কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট নয়। ফলে একার্থে সুপ্রিম কোর্টের এই রায় যে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের ও রাজ্যের কাছে একটি অস্বস্তির কারণ সেটা স্পষ্ট। প্রসঙ্গত গোটা রাজ্যের পঞ্চায়েত ভোটে ৬১৬৩৬টি বুথের মধ্যে ১৮৯টি স্পর্শকাতর বুথ হিসেবে চিহ্নিত।

12 months ago


Election: সাত খুন মাফ! হিংসা সংক্রান্ত রাজ্য নির্বাচন কমিশনের রিপোর্টকে 'বদমাইসি' আখ্যা বিরোধীদের

মণি ভট্টাচার্য: সাত খুন মাফ! রাস্কিন বন্ডের ছোট গল্পের অনুসরণে তৈরি 'সাত খুন মাফ' হিন্দি সিনেমাটি বেশ খ্যাত। যদিও ওই সিনেমাটির সঙ্গে বাস্তবে পশ্চিমবঙ্গের (West Bengal) কোনও মিল নেই। কেবল মিল রয়েছে সিনেমাটির নামের সঙ্গে। সাত খুন মাফ। পশ্চিমবঙ্গে পঞ্চায়েত ভোট (Panchayat Election) ঘোষণার ১০ দিনের মধ্যে হিংসার ঘটনায় এখনও অবধি ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। যদিও প্রাথমিকভাবে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) দেওয়া রিপোর্টে কোনও মৃত্যুর উল্লেখ নেই। বরং কমিশনের রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে, রাজ্যের বিভিন্ন ঘটনায় এখনও অবধি ১০৪ জন আহত হয়েছেন। বেআইনি অস্ত্র ও বোমার সংখ্যা ওই রিপোর্টে থাকলেও নেই কোনও মৃত্যুর সংখ্যা। অন্যদিকে, খোদ মুখ্যমন্ত্রীর গলায় শোনা গিয়েছে হিংসায় মৃত্যুর কথা। এখন প্রশ্ন উঠছে পঞ্চায়েতের প্রেক্ষাপটে রাজ্যের হিংসা ও মৃত্যুর ঘটনায় কার অবস্থান সঠিক? নির্বাচন কমিশন, মুখ্যমন্ত্রী নাকি রাজ্য পুলিস?

পঞ্চায়েত ভোট ঘোষণার পর ৯ই জুন মুর্শিদাবাদে শুটআউটে মৃত্যু হয় কংগ্রেসকর্মী ফুলচাঁদ শেখের। এরপর ১৫ই জুন ভাঙড়ে ১ জন আইএসএফ কর্মী মঈনুদ্দিন মোল্লা ও ২ তৃণমূল কর্মী রাজু নস্কর ও রশিদ মোল্লার মৃত্যু হয়। ওই দিনই মুর্শিদাবাদের নবগ্রামে মোজাম্মেল শেখ নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়। ওদিকে ১৭ই জুন মালদহের সুজাপুরে তৃণমূলের প্রার্থী মোস্তফা শেখকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ ওঠে। পাশাপাশি ১৮ই জুন বিজেপি প্রার্থীর দেওর শম্ভু দাসকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে খুনের অভিযোগ ওঠে। যদিও এসমস্ত ঘটনার কোনও উল্লেখই নেই কমিশনের দেওয়া রিপোর্টে। কিন্তু কেন? এ বিষয়ে অবশ্য নির্বাচন কমিশনের সাফাই রাজ্য পুলিসের রিপোর্টে এই ঘটনাগুলির কথা উল্লেখই নেই। রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সচিব নীলাঞ্জন সান্ডিল্যকে সিএন ডিজিটালের তরফে ফোন করা হলে তিনি এ বিষয়ে কিছু বলতে চান নি।

রাজ্য পুলিস ও নির্বাচন কমিশনের এমন ঘটনাকে পারস্পরিক কানামাছি খেলা হিসাবেই উল্লেখ করেছেন বাম নেতা বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য। সোমবার সিএন-ডিজিটালকে তিনি বলেন, 'পুলিসের রিপোর্ট না পেলেও নির্বাচন কমিশন কাগজ পড়ে, নিশ্চয়ই সংবাদ মাধ্যমে নজর রাখে। তবে নির্বাচন কমিশন কেন স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে খোঁজ করল না, আসলে তাঁরা কানামাছি খেলছে।' পাশাপাশি এ বিষয়ে বিজেপি নেতা সন্ময় বন্দোপাধ্যায়  রাজ্য সরকার ও কমিশনকেই দুষেছেন। 'তথ্য গোপন করা এই সরকারের জন্ডিস রোগ। এতগুলো মৃত্যুর পরও যদি পুলিস আর কমিশন মৃত্যু চোখে দেখতে না পায়, তবে বলতে হবে তারা চোখের অপারেশন করাক। পশ্চিমবঙ্গে বেহায়া, নির্লজ্জ, বদমাস, শয়তান সরকার ভারতবর্ষে কোনও রাজ্যে নেই।'

এ ঘটনাকে অবশ্য ছোট হিসেবেই দেখছেন কংগ্রেস নেতা অরুনাভ ঘোষ। তিনি বলেন পঞ্চায়েতে প্রায় সাড়ে চার কোটি ভোটার, তাঁদের মধ্যে মাত্র ৭ জন মারা গিয়েছেন। এসব সরকারের কাছে কিছুই না।' তিনি আরও বলেন যে, 'পশ্চিমবঙ্গের ট্রেন্ড এটা, ক্ষমতার সঙ্গে অফিসাররা থাকে, ক্ষমতার বিরুদ্ধে কোন অফিসার থাকবে!' পাশাপাশি এ বিষয়ে আইএসএফ নেতা ও বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী বলেন, 'কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে, কমিশন অসত্য কথা বলছে, সে সঙ্গে হাইকোর্টের নির্দেশকেও মানছে না কমিশন।'

12 months ago
Court: বাহিনী চেয়ে পাঠানো রাজ্যের কাজ, আমাদের কাজ নয়: রাজ্য নির্বাচন কমিশনার

'বাহিনী চেয়ে পাঠানো আমাদের কাজ নয়, ওটা রাজ্যের কাজ।' কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বাহিনীর নির্দেশের প্রেক্ষিতে সোমবার সুপ্রিম কোর্টকে (Supreme Court) এমনই জানালেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার (State Election Commissioner) রাজীব সিনহা। সম্প্রতি পঞ্চায়েত নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের রায়ের প্রেক্ষিতে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে রাজ্য সরকার এবং রাজ্য নির্বাচন কমিশন। গত বৃহস্পতিবার কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের ডিভিশন বেঞ্চ এই নির্দেশ দেয়। কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়েই পঞ্চায়েত ভোট করাতে হবে। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের কাছে বাহিনী চেয়ে আবেদন করতে হবে রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে।

এই রায়ের প্রেক্ষিতে শনিবার সুপ্রিম কোর্টে মামলা, অর্থাৎ স্পেশাল লিভ পিটিশন দায়ের করে রাজ্য সরকার এবং রাজ্য নির্বাচন কমিশন। আদালত সূত্রের খবর, সোমবার শীর্ষ আদালতের অবকাশকালীন বেঞ্চে মামলাটির দ্রুত শুনানির আবেদন জানানো হয়েছে, তবে মঙ্গলবার এই মামলার শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।

বিরোধীদের দাবি, হাই কোর্টের নির্দেশ সত্ত্বেও এখনও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের কাছে বাহিনী চেয়ে পাঠায়নি রাজ্য নির্বাচন কমিশন। ফলে এক্ষেত্রে আদালত অবমাননা হয়েছে।

12 months ago
Election: বাহিনী দিয়ে ভোটের নির্দেশকে বিরোধিতা, সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ রাজ্য-কমিশন

কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force) দিয়ে পঞ্চায়েত ভোট (Panchayet Election) করানোর নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে রাজ্য ও নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। সূত্রের খবর, কংগ্রেস ও বিজেপির করা একটি মামলায় গতকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির নির্দেশ ছিল ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কমিশনকে কেন্দ্রের কাছে বাহিনী চেয়ে পাঠাতে হবে। এবং শীঘ্রই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে হবে স্পর্শকাতর এলাকা গুলিতে। ফলত স্পষ্ট হয়েছিল কেবলমাত্র স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে নয়, গোটা রাজ্য জুড়ে পঞ্চায়েত ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন হবে।

এবার হাইকোর্টের ওই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিমকোর্টের দ্বারস্থ রাজ্য এবং রাজ্য নির্বাচন কমিশন। সূত্রের খবর গতকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা জানিয়েছিল, আদালতের নির্দেশ মেনে নেব কিন্তু আজ অর্থাৎ শুক্রবার পাল্টি খেলেন রাজ্য এবং রাজ্য নির্বাচন কমিশনার। সূত্রের খবর, শুক্রবারই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন রাজ্য নির্বাচন কমিশন। কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়নের নির্দেশ কে চ্যালেঞ্জ করে কমিশনের এই মামলার শুনানি আগামী শনিবার হতে পারে বলে সূত্রের খবর।

12 months ago


Commission: এখনও অবধি মনোনয়ন পর্ব শান্তিপূর্ণ, কোনও মৃত্যুর ঘটনা নেই, দাবি নির্বাচন কমিশনের

পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayet Election) মনোনয়ন (Nomination) পর্বের শেষদিন পর্যন্ত কোনও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। বৃহস্পতিবার রাতে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) তরফে এই খবর জানানো হয়েছে। তাদের দাবি, রাজ্য পুলিস মৃত্যুর বিষয়ে কোনও রিপোর্ট জমা করেনি।

মনোনয়ন পর্বের প্রথম দিন থেকেই অশান্তির খবর পাওয়া গিয়েছে। তবে সোমবার থেকে রণক্ষেত্র পরিস্থিতি তৈরি হয় ভাঙড়ে। তৃণমূল ও আইএসএফের সংঘর্ষে অগ্নিগর্ভ চেহারা নেয় ভাঙড়ের বিডিও অফিস এলাকা। তারপর বৃহস্পতিবার ফের সংঘর্ষ বাঁধে। গুলি ও বোমাবাজির খবর পাওয়া যায়। মৃত্যু হয় দু'জনের। অন্যদিকে উত্তর দিনাজপুরের চোপড়ায় গুলি চালানোর ঘটনায় মৃত্যু হয় ২ জোট কর্মীর।

মনোনয়নের শেষ দিনে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। এই ঘটনায় প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে বিরোধীরা। তাদের বক্তব্য, যাঁদের মৃত্যু হয়েছে তাদের তথ্য কমিশনের রিপোর্টে কেন উল্লেখ নেই। যদিও কমিশন সূত্রে খবর, পুলিশ যে রিপোর্ট কমিশনকে পাঠায় সেই তথ্য সবসময় আপডেট থাকে না। তাই ভাঙড়ের ঘটনার আগে ওই রিপোর্ট এসেছে কিনা জানা যায়নি। তবে কমিশন জানিয়েছে মনোনয়ন পর্বে আহতের সংখ্যা ৯০। এবং গোটা রাজ্যে ১ হাজার ৮০০ জনের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছ।

12 months ago
Election: পঞ্চায়েত ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীতেই আস্থা হাইকোর্টের

শুধু স্পর্শকাতর এলাকা নয়, গোটা রাজ্যেই কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force) দিয়ে ভোট। কেন্দ্রের কাছে বাহিনী চেয়ে কমিশনকে (State Election Commission) আবেদন করার নির্দেশ হাইকোর্টের (HighCourt)। প্রধান বিচারপতি অর্থাৎ পঞ্চায়েত নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর এই মামলায় বড় ধাক্কা রাজ্য কমিশনের। এর পূর্বে হাইকোর্ট কিছু নির্দেশিকা দিয়েছিল পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে, সেখানে স্পষ্ট করা হয়েছিল যে, ভোটের গোটা দায়িত্ব কমিশনের উপরেই থাকবে এবং স্পর্শকাতর এলাকা গুলিতে কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবহার করতে পারবে কমিশন। কিন্তু সে সিদ্ধান্ত নেবে কেবলমাত্র রাজ্য নির্বাচন কমিশন।

ওই সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে আজ মনোনয়ন পর্বের উত্তপ্ত ছবি তুলে ধরে বাম ও কংগ্রেস। এর সঙ্গে বিজেপিও উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, মুর্শিদাবাদ, ভাঙ্গড়, ক্যানিং এলাকা গুলিতে মনোনয়নপত্রেই সন্ত্রাসের চিত্র তুলে ধরে। যার পরেই কমিশনকে ধমকি দেয় প্রধান বিচারপতি। যার পরে কিছুটা বিরক্ত হয়েই প্রধান বিচারপতি এই মামলার শুনানিতে নির্দেশ দেয়, শুধু স্পর্শকাতর এলাকা নয় রাজ্যের সব জায়গাতেই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে হবে।

রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে কেন্দ্রের কাছে বাহিনীর চেয়ে পাঠানোর জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এমনই নির্দেশ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএসএস শিবজ্ঞানমের। সূত্রের খবর, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বাহিনীর চেয়ে পাঠাতে হবে কমিশনকে এমনই নির্দেশ বিচারপতির এবং এই সূত্রে আরও খবর যে, এই বাহিনীর খরচ বহন করবে কেন্দ্রীয় সরকার

12 months ago


Meeting: মনোনয়ন পর্বে অশান্তির মধ্যে আজ কমিশনের সঙ্গে সর্বদল বৈঠক

মঙ্গলবার রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে সর্বদলীয় বৈঠক করবে রাজ্য নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা (Rajib Sinha)। মনোনয়ন পর্বে অশান্তি এবং নিরাপত্তা সহ একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ওই বৈঠকে।

সর্বদলীয় বৈঠক না করে ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছিল বামফ্রন্ট সহ সব বিরোধী রাজনৈতিক দল। তারপর মঙ্গলবারের ওই বৈঠক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

এদিকে পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে হাইকোর্টে মামলা করেছে বিজেপি এবং কংগ্রেস। মনোনয়ন জমার সময় বৃদ্ধি, কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন সহ মোট পাঁচ দফা আবেদন করে ওই মামলা দায়ের করা হয়েছে। সোমবার সেই মামলার শুনানিতে প্রধান বিচারপতি ১৪ জুলাই নির্বাচন করার প্রস্তাব দিয়েছেন। যদিও মামলার রায়দান এখনও বাকি।

one year ago
Election: রাজ্যের সমস্ত জেলা শাসকদের নিয়ে বৈঠক রাজ্য নির্বাচন কমিশনের, কবে পঞ্চায়েত ভোট!

ব্যালট, কাগজ সহ, পঞ্চায়েতকে (Panchayet Election) মাথায় রেখে বেশ কিছু প্রস্তুতি আগেই শুরু করেছিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। এবার পঞ্চায়েত ভোটকে নজরে রেখে আরও তৎপর রাজ্য নির্বাচন কমিশন। সূত্রের খবর, নির্বাচন কমিশন এবার প্রতিটি জেলার প্রশাসনিক (Administration) নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চলেছে।

রাজ্য নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ১৮ এপ্রিল জেলাশাসকদের নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসতে চলেছে। আরও খবর, সব জেলার জেলাশাসকদের ওই বৈঠকে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। ১৮ এপ্রিল দুপুর ২টো থেকে এই বৈঠক শুরু হবে। সরকারিভাবে পঞ্চায়েত নির্বাচন কবে হবে তা এখনও পর্যন্ত জানানো না হলেও এই বৈঠকের মাধ্যমে মনে করা হচ্ছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন পঞ্চায়েত ভোটের প্রস্তুতি শুরু করে দিল।

কমিশনের নির্দেশিকা অনুযায়ী, পঞ্চায়েত নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র নিয়ে চূড়ান্ত নির্দেশ প্রকাশ হওয়ার কথা ২৮ এপ্রিল। বিধি অনুযায়ী তার ১২ দিনের মধ্যে ভোট করানো সম্ভব নয়। কমিশনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের সাধারণত ২১ থেকে ৩৫ দিনের মধ্যে ভোট করানো যেতে পারে। সেক্ষেত্রে মে মাসের শেষে বা জুনের প্রথমে ত্রিস্তরীয় নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে। রাজ্য নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই জানিয়েছে রাজ্য সরকার, কেন্দ্র সরকার, সংশ্লিষ্ট সরকারের অধিকৃত সংস্থা পুরসভা, স্কুল-কলেজের শিক্ষক-শিক্ষা কর্মীদের ভোট কর্মী হিসেবে বাছা যেতে পারে। ভোট কর্মীদের দলে যাতে অন্তত একজন করে কেন্দ্র বা রাজ্য সরকারের কর্মী থাকেন, তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে জেলাগুলিকে।

one year ago
Election: মে মাসের দ্বিতীয়ার্ধে হতে পারে ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত নির্বাচন, শুরু প্রস্তুতি

ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত ভোট যে ঘাড়ে নিঃস্বাস ফেলছে, সেটা আংশিক স্পষ্ট করল রাজ্য নির্বাচন কমিশন (State Election Commission)। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যে ব্যালট (Ballot) বাক্স এবং ব্যালট পেপার প্রস্তুতির কাজ শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন। পঞ্চায়েত (Panchayet) ভোট নিয়ে আদালতের জট কাটার পর, নির্বাচন কমিশন নিজের তালেই, নির্বাচনের গোছগাছ পর্ব সেরে ফেলতে চাইছে বলে খবর। এক দফার ভোট হবে নাকি একের বেশি দফায় ভোট হবে, এ নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও ভোটের প্রস্তুতি তুঙ্গে সেটা স্পষ্ট। সূত্রের খবর, মে মাসের দ্বিতীয়ার্ধে হতে পারে ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত নির্বাচন।

নির্বাচন কমিশন সূত্রের খবর, এক দফায় পঞ্চায়েত ভোটে প্রায় সাড়ে তিন লক্ষ ভোটকর্মী লাগতে পারে। তা নিয়ে প্রশাসনের সমস্যা নেই। তবে রাজ্য পুলিস দিয়ে এক দফায় ভোট করানো সম্ভব কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন আছে। পর্যবেক্ষক মহলের যুক্তি, ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েতে ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ৬১,৩৪০টি। ভোটে সিভিক ভলান্টিয়ারদের ব্যবহার করা যাবে না। তাই প্রতি ভোট কেন্দ্রে দু’জন করেও পুলিস মোতায়েন করতে হলে প্রায় ১ লক্ষ ২৩ হাজার পুলিশকর্মী প্রয়োজন। তা ছাড়াও, নাকা তল্লাশি, কুইক রেসপন্স টিম, মোবাইল নিরাপত্তা বাহিনী, স্ট্রং-রুম নিরাপত্তার দায়িত্ব আছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য থানাগুলিও খালি করা যাবে না। তাই অত পুলিশকর্মী মিলবে কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন আছে। তবে সরকারের শীর্ষ মহল থেকে ইঙ্গিত মিলেছিল, প্রয়োজনে অন্য রাজ্যের পুলিশ এনে ভোট করানো যেতে পারে।

one year ago


Vote: ঝুলে পঞ্চায়েত ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা, স্থগিতাদেশ বাড়ালো হাইকোর্ট

পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayat Vote) দিন ঘোষণার জট কাটলো না। পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণার উপর স্থগিতাদেশ বাড়ালো কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। রাজ্যের পঞ্চায়েত নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশের স্থগিতাদেশের মেয়াদ বৃদ্ধি। শুক্রবার পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ালো কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। শুনানি শেষ না হওয়ায় বাড়ানো হলো মেয়াদ। রাজ্য নির্বাচন কমিশনের (State Election Commission) হলফনামাই গ্রহণ করলো না ডিভিশন বেঞ্চ।

অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের দাবিতে সরব রাজ্যের বিরোধী দলগুলো। ইতিমধ্যে প্রাথমিক পর্যায়ের প্রস্তুতি শুরু করেছে সবকটি রাজনৈতিক দল। কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করে চলতি বছরের পঞ্চায়েত ভোট চেয়ে সরব প্রধান বিরোধী দল বিজেপি। তারা অবাধ-শান্তিপূর্ণ ভোটের দাবিতে দ্বারস্থ হাইকোর্টের। সেই আবেদনের উপরেও চলছে শুনানি। এখন রাজ্য রাজনীতির কারবারীরা তাকিয়ে হাইকোর্টের সিদ্ধান্তের দিকে। সূত্রের খবর, কোর্টের নির্দেশ নিয়েই উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার পরে প্রাক-ভোট প্রস্তুতিতে নামতে পারে নির্বাচন কমিশন। 

one year ago
Tripura: ত্রিপুরায় ভোট, কে কোথায় দাঁড়িয়ে (পর্ব -২)

প্রসূন গুপ্ত: ত্রিপুরার ভোট (Tripura Vote) আসন্ন কিন্তু ঠিক কবে ঘোষণা হয়নি। একবার শোন যাচ্ছিলো যে ফেব্রুয়ারিতে ভোট হতে পারে। কিন্তু সে রাজ্যেও মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের মতোই। তবে কি এপ্রিল বা মে নাগাদ? নির্বাচন কমিশনার (Election Commission) সেই সূচি ঘোষণা করবেন।

আগের পর্বে জানিয়েছিলাম সিপিএম বা তৃণমূলের প্রাথমিক অবস্থান। আজ জানাবো বিজেপি এবং কংগ্রেস কে কোথায় দাঁড়িয়ে। কয়েক মাস আগে অবধি কংগ্রেসের অবস্থান অত্যন্ত করুণ ছিল উত্তর-পূর্বের সে রাজ্যে। একটা সময়ে ত্রিপুরায় দুটি দলই ছিল কংগ্রেস ও সিপিএম। কিন্তু ২০১৮ র নির্বাচনে কংগ্রেসের সব ভোট গিয়ে পড়ে বিজেপির বাক্সে। পক্ষান্তরে কংগ্রেস শূন্য হয়ে যায়। পরে কংগ্রেস থেকে বেড়িয়ে সুদীপ রায় বর্মণ বিজেপিতে যোগ দেন। কিন্তু তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় তিনি ফের বিজেপি ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দেন। ফের ভোট দাঁড়িয়ে জিতেও আসেন। কার্যত সুদীপবাবু মানেই কংগ্রেসের সংগঠন প্রমাণিত। কিন্তু একা সুদীপবাবু কি লড়াই দিতে পারবেন বিজেপির সঙ্গে? ভোটের পূর্বাভাস কিন্তু তা বলছে না।

অন্যদিকে বর্তমানে সরকারে থাকা বিজেপির জোট সঙ্গী আইপিএফটি এবারও কি বিজেপির সঙ্গে জোটবদ্ধ হবে? জানা যাচ্ছে জনজাতি গোষ্ঠীর এই দলটির ক্ষমতা ত্রিপুরার বিশেষ কিছু অঞ্চলে যেখানে ত্রিপুরীদের বসবাস। আবার ত্রিপুরার মহারাজ প্রদ্যোতকিশোর ,এই রাজ্যে যথেষ্ট জনপ্রিয়। একসময় ত্রিপুরার মহারাজদের সহযোগিতায় কংগ্রেস বারবার ক্ষমতা পেয়েছিল। এখন সেই বংশের অন্যতম প্রদ্যোৎকিশোর নতুন দল গড়েছেন জনজাতিদের নিয়ে 'ত্রিপুরা মোথা'। শোনা যাচ্ছে এরাও এবারের ভোট অংশ নেবে।

তাহলে বিজেপির বিরুদ্ধে অনেক দল আলাদা আলাদা করে দাঁড়াচ্ছে? বামেরা, কংগ্রেস, তৃণমূল ,ত্রিপুরা মোথা ইত্যাদি। এটা বাস্তব যে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের কাজে অখুশি ছিল ত্রিপুরার মানুষ। বিপ্লব মূলত দিল্লি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ফলে দ্রুত ড্যামেজ কন্ট্রোলে নামে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। দ্রুত বিপ্লবকে সরিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর পদে নিয়ে আসা হয় প্রাক্তন কংগ্রেসী মানিক সাহাকে।

মানিকবাবুর যথেষ্ট জনপ্রিয়তা আছে কাজেই ফের তিনিই দলের মুখ। পঞ্চমুখী লড়াইতে অ্যাডভান্টেজ বিজেপি, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। (চলবে)

one year ago