Breaking News
Abhishek Banerjee: বিজেপি নেত্রীকে নিয়ে ‘আপত্তিকর’ মন্তব্যের অভিযোগ, প্রশাসনিক পদক্ষেপের দাবি জাতীয় মহিলা কমিশনের      Convocation: যাদবপুরের পর এবার রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়, সমাবর্তনে স্থগিতাদেশ রাজভবনের      Sandeshkhali: স্ত্রীকে কাঁদতে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়লেন 'সন্দেশখালির বাঘ'...      High Court: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় প্রায় ২৬ হাজার চাকরি বাতিল, সুদ সহ বেতন ফেরতের নির্দেশ হাইকোর্টের      Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে জমি দখল তদন্তে সক্রিয় সিবিআই, বয়ান রেকর্ড অভিযোগকারীদের      CBI: শাহজাহান বাহিনীর বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ! তদন্তে সিবিআই      Vote: জীবিত অথচ ভোটার তালিকায় মৃত! ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ধূপগুড়ির ১২ জন ভোটার      ED: মিলে গেল কালীঘাটের কাকুর কণ্ঠস্বর, শ্রীঘই হাইকোর্টে রিপোর্ট পেশ ইডির      Ram Navami: রামনবমীর আনন্দে মেতেছে অযোধ্যা, রামলালার কপালে প্রথম সূর্যতিলক      Train: দমদমে ২১ দিনের ট্রাফিক ব্লক, বাতিল একগুচ্ছ ট্রেন, প্রভাবিত কোন কোন রুট?     

Egra

Blast: এগরার পর দত্তপুকুর, বাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে ছিন্নভিন্ন দেহাংশ

এগরার পর এবার দত্তপুকুর (Dattapukur)। তিন মাস পর আবারও বেআইনি বাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ (Firecracker Factory blast)। ঘটনাটি ঘটেছে বারাসত লাগোয়া দত্তপুকুর থানার অন্তর্গত নীলগঞ্জ ফাঁড়ির নীলগঞ্জ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার মোষপোল পশ্চিমপাড়া অঞ্চলের একটি বাজি কারখানায়। এখনও অবধি ৮ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। আহত অবস্থায় ৯ জনকে জন বারাসত মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁদের মধ্যে মৃত্যু হয় এক জনের। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা। ঘটনায় ক্ষোভে ফুঁসছেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় দত্তপুকুর থানার পুলিস। পুলিসকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন স্থানীয়রা। প্রশ্ন উঠছে এগরার ঘটনার পরও কেন পদক্ষেপ করল না প্রশাসন?

জানা গিয়েছে, রবিবার সকালে আচমকাই বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। অভিযোগ,  একটি দোতলা বাড়িতে মজুত করে রাখা হত বাজি। বিস্ফোরণে প্রায় ধূলিসাৎ হয়ে গিয়েছে বাড়িটি। আশপাশের বহু বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্থানীয়দের বিস্ফোরক দাবি,  বাজি কারখানার মালিকরা শসকদলের সমর্থক হওয়ায় কেউ ভয়ে কিছু বলতেন না। এই কারখানার পিছনে প্রশাসনের মদত ছিল বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। 

প্রশাসনের নাকের ডগায় বাজি কারখানা চললেও পুলিস কোনও ব্যবস্থা নেয়নি বলেই অভিযোগ। বিস্ফোরণস্থলে কোথাও ৫০ মিটার, কোথাও ১০০ মিটার দূরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে রয়েছে দেহাংশ। ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, রথীন ঘোষ এবং সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। এছাড়াও রবিবার সন্ধেবেলা উত্তরবঙ্গ থেকে ফিরেই বিস্ফোরণস্থলে পৌঁছে যান রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস।

10 months ago
Joe Biden: মঞ্চের মধ্যে মুখ থুবড়ে পড়ে গেলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, ভাইরাল ভিডিও

মঞ্চে বক্তৃতা দেওয়ার পরই মুখ থুবড়ে পড়ে গেলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন (Joe Biden)। ঘটনাটি বৃহস্পতিবারের। সূত্রের খবর, কলোরাডোতে (Colorado) মার্কিন বায়ুসেনা অ্যাকাডেমির গ্র্যাজুয়েশন সেরিমনিতে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে গিয়ে মঞ্চে বক্তৃতা দিতে ওঠেন। এরপর বক্তৃতা শেষে মঞ্চ থেকে নামতে গিয়েই হঠাৎ হোঁচট খেয়ে পড়ে যান তিনি। তাঁকে সাহায্য করতে ছুটে আসেন সেখানে উপস্থিত উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। সেই ভিডিও সমাজমাধ্যমে মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল। জানা গিয়েছে, তেমন কোনও চোট লাগেনি তাঁর।

সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার কলোরাডোতে মার্কিন বায়ুসেনা অ্যাকাডেমির গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠান ছিল। সেই অনুষ্ঠানেই যোগ দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। আর সেখানে গিয়েই ঘটে এই বিপদ। আচমকা হোঁচট খেয়ে পড়ে যান তিনি। এর আগেও একাধিকবার তাঁর সুস্থতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তারমধ্যেই এমন এক কাণ্ড। তবে জানা গিয়েছে, মঞ্চে রাখা এক ব্যাগের সঙ্গে পা লেগেই তিনি পড়ে যান। ফলে সম্পূর্ণ সুস্থ জো বাইডেন। এমনটাই দাবি হোয়াইট হাউসের।

বাইডেন পড়ে যেতেই পাশের থেকে অনেকে ছুটে এলেও তিনি একাই উঠে যান ও হাত দিয়ে দেখিয়ে দেন যে, ব্যাগে হোঁচট খেয়েই পড়ে যান তিনি। পরে হোয়াইট হাউসের তরফেও বলা হয়, 'প্রেসিডেন্ট একদম সুস্থ রয়েছেন। আসলে তিনি যখন জনতার দিকে হাত নাড়ছিলেন তখন স্টেজে থাকা একটি ব্যাগ পায়ে জড়িয়ে যায়।'

one year ago
Explosion: 'মাথা নত করে বলছি, এ ঘটনায় আমি ক্ষমা চাইছি' এগরায় বিস্ফোরণ স্থলে মমতা

এগরায় (Egra) বিস্ফোরণ নিয়ে এবার ক্ষমা চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) । শনিবার কপ্টারে করে এগরার ঘটনাস্থলে নিহতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যান মমতা বন্দোপাধ্যায়। নিহতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করে আড়াই লক্ষ টাকা ও পরিবারের একজনকে হোমগার্ডের চাকরি দেওয়ার ঘোষণা করেন তিনি। সেই সঙ্গে  তিনি নিজেই ওই চেক তুলে দেন পরিবারে হাতে। পাশাপাশি বেআইনি বাজি কারখানা নিয়ে সরব হন তিনি। এগরায় শনিবার পৌঁছে মমতা বলেন, 'কেউ কেউ পয়সার লোভে বাজি কারখানা করছেন, আর অন্যরা মরছে।' যদিও এ প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) কটাক্ষ, 'তৃণমূল বোমা ফাটিয়ে মানুষ মারবে, আর দিদি প্যাকেজ দেবে।'

শনিবার এগরায় গিয়ে বাজি ব্যবসার জন্য ক্লাস্টার গড়ে দেওয়ার পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেন মমতা বন্দোপাধ্যায়। পাশাপাশি তিনি বলেন, 'এখানে রাজনীতি করতে আসিনি, অনেকে এই ঘটনা নিয়ে রাজনীতির রং লাগিয়ে অন্য রূপ দেওয়ার চেষ্টা করেছেন, সেটা ঠিক করেননি।' শনিবার মমতা বন্দোপাধ্যায় সকলকে বেআইনি বাজি কারখানা বন্ধ করার কথা বলেন। নবান্নর তরফে বেআইনি বাজি কারখানা বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে পূর্বেই। তার মধ্যেও বাজি কারখানায় বিস্ফোরণে  প্রাণ হারিয়েছে ৫ জন, বজবজ ও মালদহে।

বারবার প্রশ্ন উঠেছে বেআইনি বাজি কারখানা নিয়ে, প্রশ্ন উঠছে পুলিস ও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও। বারবার বাজি কারখানা বিস্ফোরণে প্রাণ হারিয়েছেন সাধারণ মানুষ। এদিন মমতা বন্দোপাধ্যায় সবুজবাজি তৈরির আবেদন করেন। তিনি এও জানান যে ফায়ারক্রাকার্স বানানো অবৈধ। তিনি এগরা থেকেই বললেন, 'আমার নলেজে আছে যে বাজি কারখানায় বাজি তৈরী হয়ে বর্ডার মারফত চলে যায় ওড়িশায়। বেআইনি বাজি কারখানার খবর থাকলেই পুলিসকে খবর দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেন তিনি। কিন্তু এখানেই উঠছে প্রশ্ন। রাজ্যের সংশ্লিষ্ট দফতরের মন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বৈধ বাজি অর্থাৎ সবুজ বাজির সংখ্যা মাত্র ৭ টি। এছাড়া মমতা বন্দোপাধ্যায়য়ের নলেজে যখন বেআইনি বাজি কারখানার খবর ছিল, কেন আগে ব্যবস্থা নেওয়া হলো না। আগে ব্যাবস্থা নিলে হয়ত ১৬ টা তরতাজা প্রাণ বেচে যেত।

one year ago


Egra: এগরায় বিস্ফোরণে মৃত ১১, তাঁর ঠিক ১১ দিন পর ঘটনাস্থলে মুখ্যমন্ত্রী

ঠিক কাকতালীয় কিনা জানা নেই, কিন্তু এগরায় (Egra) বিস্ফোরণে মৃতের (Dead) সংখ্যা ১১, এবং বিস্ফোরণের ঘটনার ১১ দিন পর খাদিকূল পৌঁছেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। চলতি সপ্তাহে বৃহস্পতিবার সেখানে যাওয়া কথা ছিল তাঁর। কিন্তু, শেষমুহূর্তে তা স্থগিত হয়ে যায়। আজ, শনিবার সকালে হেলিকপ্টারে এগরায় পৌঁছেছেন  মুখ্যমন্ত্রী। হেলিপ্যাড ও অস্থায়ী মঞ্চ তৈরি করা হয়েছে। ওই মঞ্চেই এগরার বিস্ফোরণে মৃতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন। সেখান থেকেই আর্থিক সাহায্য তুলে দেবেন মুখ্যমন্ত্রী।

রাজ্যের কারামন্ত্রী অখিল গিরি জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রী আসছেন । অস্থায়ী মঞ্চ, হেলিপ্যাড... সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে ইতিমধ্যেই। দুর্গতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন তিনি। জানা গিয়েছে, এগরায় কর্মসূচির পর পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনির জনসভায় যাবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার এগরার বিস্ফোরণে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ৯ জন গ্রামবাসীর। গত শুক্রবার সকালেই মৃত্যু হয় ঘটনার মূল অভিযুক্ত ভানু বাগের। সব মিলিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয় ১২। ভানু ছাড়া এই ঘটনায় পুলিশ গ্রেফতার করেছিল তার ছেলে পৃথ্বীজিৎ এবং তার এক ভাইপোকে। সম্প্রতি, ভানু বাগের স্ত্রীকেও গ্রেফতার করে পুলিশ।

one year ago
Egra: এগরা বিস্ফোরণ কাণ্ডে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ল, এসএসকেমে মৃত্যু অগ্নিদগ্ধের

এগরা (Egra) বিস্ফোরণ কাণ্ডে মৃতের (Dead) সংখ্যা বাড়ল। শুক্রবারই কটকের হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে মূল অভিযুক্ত ভানু বাগের (Bhanu Bagh)। এবার এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও এক আহত ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। মৃতের নাম রবীন্দ্র মাইতি। জানা গিয়েছে, তাঁর শরীরের বেশিরভাগ অংশ পুড়ে গিয়েছিল। উল্লেখ্য, এগরা বিস্ফোরণ কাণ্ডে ঘটনাস্থল থেকে ৯ জনের দেহ উদ্ধার হয়েছিল। এরপর ভানু বাগ-সহ মোট দু'জনের মৃত্যু হয়েছে। অর্থাৎ এগরা বিস্ফোরণ কাণ্ডে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১১।

জানা গিয়েছে, গত তিন দিন ধরে অগ্নিদগ্ধ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন এগরার রবীন্দ্র মাইতি। তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল। শেষপর্যন্ত শুক্রবার সন্ধ্যায় তাঁর মৃত্যু হয়। এগরা বিস্ফোরণ কাণ্ডে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে খবর। এখনও এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন পিঙ্কি মাইতি নামে আরও একজন। তাঁর অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে খবর।

one year ago


Egra: এগরার বিস্ফোরণ কাণ্ডের মধ্যেই বদলি করা হল আইসিকে

এগরার (Egra) বিস্ফোরণ (Balst) কাণ্ডের মধ্যেই বদলি করা হলো এগরার আইসিকে (IC)। এগরার নতুন আইসি হলেন স্বপন গোস্বামী। আগে হুগলি জেলার সাইবার ক্রাইম দফতরের ইন্সপেক্টর ছিলেন তিনি। ওদিকে এগরা থেকে বদলি করা হল আইসি মৌসম চক্রবর্তীকে। মৌসম চক্রবর্তীকে বদলি করা হলো হুগলি পুলিশ জেলার ইন্সপেক্টর হিসেবে। এগরার বিস্ফোরণের ঘটনার পরেই শোকজ করা হয় মৌসম চক্রবর্তীকে। 

এগরার বিস্ফোরণ কাণ্ডে পুলিসের উপর অসন্তোষ প্রকাশ করেছিল মমতা বন্দোপাধ্যায় নিজে। যদিও নবান্ন থেকে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন এই ঘটনার তদন্ত সিআইডি করবে। এগরার বিস্ফোরণ কাণ্ডে এখনও প্রাণ হারিয়েছেন ৯ জন, আরও ২ জন এখনও চিকিৎসাধীন। এই ঘটনার পর পুলিসের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে সরব হয়েছিলেন স্থানীয়রা থেকে বিরোধীরাও। এগরার ঘটনায় বিজেপি পুলিসের উপর অভিযোগ তুলে এনআইএ তদন্তের দাবি করে। পাশাপাশি স্থানীয়দের অভিযোগ ভানুর এই কারখানা থেকে পুলিস মোটা অংকের টাকা মাসোহারা পেত। 

এগরার বিস্ফোরণের পর ওই জেলার পুলিস সুপার অমরনাথ কে জানিয়েছিলেন, এই বাজি কারখানা অবৈধ ছিল এবং সেটা কিভাবে চলত কিংবা কার মদতে চলত সেটা তদন্ত করে দেখা হবে। 

one year ago
CID: আদালতে চাপের মুখে পড়ে এগরা বিস্ফোরণকাণ্ডে নতুন ধারা যোগ করলো সিআইডি

এগরা বিস্ফোরণকাণ্ডে (Egra Blast) নতুন ধারা যোগ করল সিআইডি (CID)। হাইকোর্টে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে গতকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার বিচারপতির ভর্ৎসনার মুখে পড়ার পরেই আজ অর্থাৎ শুক্রবারই এ ঘটনায় নতুন ধারা যোগ করল সিআইডি। সিআইডি সূত্রে খবর, এই মামলায় ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০২, ৩০৭, ও ১৯০৮ এক্সপ্লোসিভ অ্যাক্টের ধারা যোগ করল সিআইডি।

মঙ্গলবার এগরা বাজি কারখানায় বিস্ফোরণকাণ্ডে এখনও অবধি প্রাণ হারিয়েছে ৯ জন। এছাড়া সূত্রের আরও খবর ২ জন এখনও এসএসকেএমের বার্ন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন। পূর্বেই এই ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসনের উপরে ক্ষুব্ধ ছিলেন মমতা বন্দোপাধ্যায়। নবান্নের প্রশাসনিক সভা থেকে মমতা জানিয়েছিলেন দোষীদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এরপরেই তদন্তভার সিআইডির হাতে যায়। পাশাপাশি ওই মামলায় পুলিসের করা এফআইআরে অসন্তোষ জানিয়েছিল বিরোধীরা। এমনকি এই মামলা হাইকোর্টে গেলে এই মামলার ধারা দেখে রীতিমত ক্ষুব্ধ হয় প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম। এবং তিনি রাজ্যের তরফে আইনজীবীকে প্রশ্ন করেন, 'এ ঘটনায় বিস্ফোরণের ধারা নেই কেন?'

এরপরে এ ঘটনায় ৭ দিনের মধ্যে সিআইডিকে রিপোর্ট পেশ করার নির্দেশ দেয় বিচারপতি। তারপরেই আজ অর্থাৎ শুক্রবার এই মামলায় আরও ধারা যোগ করল সিআইডি। ঘটনার তদন্তে নেমে এই মামলায় এখনও অবধি মূল অভিযুক্ত ভানু, তাঁর ছেলে ও তাঁর ভাইপোকে গ্রেফতার করে সিআইডি। যদিও শুক্রবার কাকভোরে অভিযুক্ত ভানু বাগ ওড়িশার কটকের একটি নার্সিংহোমে মারা যান। 

one year ago
Nabanna: বেআইনি বাজি বন্ধে কড়া প্রশাসন, একগুচ্ছ নির্দেশিকা নবান্নের

এগরার (Egra) ভয়ানক বাজি কারখানার বিস্ফোরণের (Explosion) পর বাড়তি সতর্ক প্রশাসন। মঙ্গলবার পূর্ব মেদিনীপুরের এগরায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটেছিল। বেআইনি বাজি কারখানায় সেই বিস্ফোরণের ঘটনার পরই সতর্ক হল প্রশাসন।

এবার বাজি বিক্রি, তৈরি রুখতে বাজি কারখানা নিধনের পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নবান্ন (Nabanna)। জারি করা হয়েছে নির্দেশিকা। বৃহস্পতিবার নবান্নের তরফে জারি করা হল ছ'দফা নির্দেশিকা। পুলিশ সুপার ও কমিশনারদের উদ্দেশে জারি হল বেশ কিছু নির্দেশিকা। নবান্নের নির্দেশ, রাজ্যের সমস্ত বেআইনি বাজি কারখানার বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা নিতে হবে। ওই বেআইনি কারখানার বাজি-শ্রমিকদের বিকল্প কর্মসংস্থানের কথাও বলা হয়েছে।

এই ছ'দফা নির্দেশিকা হল।

 ১) বেআইনি বাজি নির্মাণের সঙ্গে যুক্ত সকলের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

 ২)নিয়ম বহির্ভূত বাজি কারখানাগুলিতে তল্লাশি এবং নিয়ম মেনে বিস্ফোরক সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করা। 

৩)বাজেয়াপ্ত বাজি আদালতের নির্দেশ মেনে নষ্ট করা। প্রয়োজনে অল্প অল্প করে নষ্ট করা।

৪)বেআইনি কারবারি ফের যাতে ব্যবসা শুরু না করতে পারে তা স্থানীয় থানাকে জানানো।

৫) এই ধরনের বাজি কারখানায় স্থানীয়রা কাজ করেন এক্ষেত্রে প্রশাসনের সাহায্য নিয়ে তাঁদের পুনর্বাসন দেওয়া।

৬) এই কারবারে রাশ টানতে সাধারণ মানুষকে এর ক্ষতিকর দিকটি বোঝানো।

one year ago


Custody: এগরায় বিস্ফোরণ কাণ্ডে ৮ দিনের সিআইডি হেফাজত ভানুর ভাইপোর

এগরার (Egra) বিস্ফোরণ কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত ভানু বাগ (Bhanu Bagh), তাঁর ছেলে ও ভাইপোকে বৃহস্পতিবার সকালেই গ্রেফতার করেছে সিআইডি (CID)। ওড়িশার কটকের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন ভানু। এ ঘটনায় ভানুর ভাইপোকে ৮ দিনের সিআইডি হেফাজতের নির্দেশ দিল কাঁথি মহকুমা আদালত।

বৃহস্পতিবার ভানুর ভাইপোকে তোলা হয় কাঁথি আদালতে। তাঁর বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় একাধিক মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, ইন্দ্রজিৎ এগরাতেই ছিল।

উল্লেখ্য, এগরা বিস্ফোরণ কাণ্ডে গ্রেফতার মূল অভিযুক্ত কৃষ্ণপদ বাগ ওরফে ভানু বাগ। কটকের রুদ্র নার্সিংহোমে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। বিস্ফোরণের জেরে ভানুর শরীরের ৭০ শতাংশের বেশি পুড়ে গিয়েছে। আহত অবস্থাতেই হাসপাতালে ভর্তি ছিল ভানু ও তার ছেলে ও ভাইপো। ওড়িশা থেকে সবাইকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি। সিআইডি সূত্রে খবর, শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল হলে ভানুকে রাজ্যে আনা হবে।

one year ago
TMC: এগরার বিস্ফোরণের ঘটনাস্থলে তৃণমূল প্রতিনিধি দলকে ঢুকতে বাধা, চোর চোর স্লোগান

পূর্ব মেদিনীপুরের এগরায় (Egra) গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের মুখে তৃণমূলের (TMC) প্রতিনিধি দল। বুধবার সাহারা গ্রামে নিহতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে বাধার মুখে পড়লেন রাজ্যের মন্ত্রী (Minister) মানস ভুঁইঞা-সহ তৃণমূলের নেতা-নেত্রীরা। কার্যত বাধ্য হয়েই গ্রামে ঢোকার আগে সেখান থেকে বেরিয়ে আসেন তাঁরা। এই ঘটনায় বিজেপির ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে অভিযোগ মানস ভুইঞার। এর পিছনে সিপিএম এবং বিজেপি দুয়ের মদত রয়েছে বলেই অভিযোগ করেছেন তৃণমূল নেত্রী দোলা সেন।

এদিনই বিস্ফোরণের গ্রামে গিয়েছিল রাজ্যের বিরোধী দলবিজেপি। গোটা ঘটনার জন্য পুলিশকেই দায়ী করেন তারা। দাবি করেন এই ঘটনায় এনআইএ তদন্তের। এই ব্যাপারে এদিনই তাঁকে মামলা করার অনুমতি দিয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট। বৃহস্পতিবার এই মামলার শুনানি হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। 

এই অবস্থাতেই এগরার গ্রামে গিয়েছিল তৃণমূলের প্রতিনিধি দল। খানিকক্ষণ গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলার পরেই অভিযোগ কার্যত তাঁদের ঘিরে ফেলেন গ্রামবাসীরা। চোর চোর স্লোগান দেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে গ্রামবাসীদের বিরুদ্ধে। পরিস্থিতি হাতের বাইরে যেতে পারে, এই আশঙ্কায় তৃণমূল প্রতিনিধিদের ওই এলাকা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। প্রতিক্রিয়ায় মানস ভুঁইঞা জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে তাঁরা এসেছিলেন। কিন্তু কিছু বিজেপির গুন্ডা এখানে অশান্তি পাকানোর চেষ্টা করে।

one year ago


Factory: এগরাতে অবৈধ বাজি কারখানায় আগুন, মৃত এক

ফের অবৈধ বাজি কারখানায় (Cracker Factory) আগুন (Fire) লেগে মৃত্যু (Death) হল এক ব্যক্তির। ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার দুপুরে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার এগরা ১ নং ব্লকের আর বি সি গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত পুরন্দা গ্রামে। প্রথমে আহত ২ জনকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে হাসপাতালে (Hospital)।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বহুদিন ধরে ওই এলাকায় একটি অবৈধ বাজি খারাখানা চালাচ্ছিলেন দুর্গাপদ জানা ও তাঁর বাবা নারায়ণ চন্দ্র জানা। ঘটনার সময় নারায়ণচন্দ্র জানা আতশবাজি তৈরি করছিলেন। হঠাৎই অসাবধানতাবশত আগুন লেগে যায়। ছেলে দুর্গাপদ জানা ও স্ত্রী গৌরী জানার গায়ে আগুন লেগে যায়।

এলাকাবাসী দেখতে পেয়ে দমকলে ফোন করলে ২ টি দমকল ইঞ্জিন এসে আগুন নেভায়। গুরুতর আহত অবস্থায় দুর্গাপদ ও গৌরীকে এগরা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা দুর্গাপদকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। গৌরী এখনও গুরুতর আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন। এই ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে।

one year ago
Egra: তোলা না পেয়ে পুলিসের বাড়িতে দুষ্কৃতী হামলা, মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ

রক্ষকের উপরই হামলা! মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হল এক পুলিস (police) কর্মীর, রক্ষা পাননি তাঁর স্ত্রীও। এলাকার দুষ্কৃতীদের দাবি মত চাঁদা এবং মদ কেনার টাকা (money) না দেওয়ায় পুলিস কর্মীকে বেধড়ক মারধর ও লুটপাট চালানোর অভিযোগ। ঘটনায় উত্তেজনা ছড়ায় পূর্ব মেদিনীপুরের (East Medinipur) খেজুরি বিধানসভার নিজ কসবা গ্রামে।

জানা যায়, কসবা গ্রামের বাসিন্দা পেশায় পুলিসকর্মী রামকৃষ্ণ মণ্ডল। বর্তমানে তিনি কোলাঘাট থানায় কর্তব্যরত। তাঁর অভিযোগ, দীর্ঘ কয়েকদিন ধরে তাঁর বাড়িতে এলাকার কিছু দুষ্কৃতী সবসময় টাকা চাওয়া এবং মদ কেনার টাকা, পুজোর চাঁদা চাইতে আসে। তবে এবারের ঘটনার সূত্রপাত শনিবার রাতে। সেদিনও তাঁর কাছে বেশ কিছু টাকা চায় রাজনৈতিক মদতপুষ্ট কিছু দুষ্কৃতী, এমনটাই অভিযোগ। রামকৃষ্ণবাবু তা দিতে অস্বীকার করলে বিভিন্নভাবে হুমকি দিতে থাকে তাঁকে। তাদের কাছে এই চাঁদার কারণ জানতে চাইলে দীর্ঘক্ষণ কথা কাটাকাটি হয়। এরপর রামকৃষ্ণবাবু ও তাঁর স্ত্রী বাড়ি ফিরে এলেও দুষ্কৃতীরা পেছন পেছন ধাওয়া করে বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয়, হুমকির মুখে পড়তে হয় তাঁদের।

এরপর কিছু সময়ের মধ্যেই রামকৃষ্ণবাবুর বাড়ির পাশে পড়ে থাকা বাস ও লাঠি নিয়ে তাঁর মাথায় আঘাত করা হয়। ঘটনাস্থলেই তিনি জ্ঞান হারান। অভিযোগ, তাঁর স্ত্রীর চিৎকারেও প্রতিবেশীরা কেউ আসেনি সহযোগিতা করতে।

জ্ঞান ফিরতেই বাড়ির সদস্যরা তাঁকে নিয়ে যায় প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। আহত পুলিসকর্মীর দাবি, এলাকার কিছু দুষ্কৃতীরা তাঁকে যখন তখন বিভিন্নভাবে টাকা পয়সা চেয়ে হুমকি দিত। তিনি দিতেন না বলেই এই ধরনের আক্রোশের শিকার হয়েছেন। তাঁর দাবি, "আমরা পুলিস কর্মী হয়ে যদি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগি এবং যদি কোনওপ্রকার সহযোগিতা না পাই, তাহলে সাধারণ মানুষ কোথায় রয়েছে, তাঁদের নিরাপত্তার কথা কে ভাববে?"

তবে পুলিস সূত্রে খবর, তাঁদের পারিবারিক বিবাদের জেড়েই এই ধরনের ঘটনা। এই ঘটনার সঙ্গে কোনও রাজনৈতিক বা দুষ্কৃতীদের সম্পর্ক নেই।

2 years ago
Egra: রাতে আচমকাই বারে বিধ্বংসী আগুন, প্রাণ বাঁচিয়ে বাড়ি ফিরলেন সুরাপ্রেমীরা

আচমকাই দাউ দাউ করে জ্বলে ওঠে আগুন (fire)। তখন ঘড়ির কাটায় আটটা। লাইসেন্স প্রাপ্ত বারে (bar) বসেছিল মদ্যপানের আসর। সেই সঙ্গে চলছিল হই হুল্লোড়। হঠাৎই যেন বিষাদের সুর নেমে আসে। আচমকাই সোনা যায় চিৎকার-চেঁচামেচি। কিন্তু কী হল? শুনলে আপনিও অবাক হবেন।

অভিযোগ, বারের তিন তলার রান্নাঘরে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলে ওঠে মঙ্গলবার রাতে। আর সেই আগুনের লেলিহান শিখা দেখেই বারের দোতলা থেকে সুরাপ্রেমীরা আতঙ্কে হুড়োহুড়ি করে নীচে নেমে আসে। মঙ্গলবার রাতে ঘটনাটি পূর্ব মেদিনীপুর জেলার এগরার (Egra) নেগুয়াতে এক লাইসেন্স প্রাপ্ত মদের দোকানের। অনুমান, রান্নাঘরের গ্যাস সিলিন্ডারের ওভেনে সংযোগকারী পাইপ লিকেজ হয়ে প্রথমে গ্যাস বের হয়, এরপরেই সিলিন্ডার ব্লাস্ট হয়ে যায়। দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকে আগুন। স্থানীয়রা এবং দোকানের কর্মীরা জল দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন, কিন্তু ততক্ষণে পুরো রান্নাঘর সহ বিভিন্ন সরঞ্জাম আগুনে পুড়ে ছারখার হয়ে যায়। খবর দেওয়া হয় দমকলকে।

এরপর এগরা থেকে দমকলের একটি ইঞ্জিন এসে আগুন নেভায়। দমকল কর্মীদের তত্পরতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, দমকল কর্মীরা যদি দ্রুত এসে পৌঁছত তাহলে এতটা ক্ষয়ক্ষতি হয়ত হত না। প্রতিবাদে স্থানীয়রা দমকলের কর্মীদের ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে রাতেই। আবার অনেকেই দমকলের উদাসীনতাকে দায়ী করেছেন। অপরদিকে, ঠিক যে জায়গায় আগুন লেগেছে অর্থাৎ রান্নাঘরে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র, ভেন্টিলেশন, ফায়ার অ্যালার্ম রাখা হয়নি বলেও অভিযোগ।

অনেকের প্রশ্ন, লাইসেন্স প্রাপ্ত বারে কেনই বা আগুন নেভানোর পর্যাপ্ত ব্যবস্থা থাকবেনা? তবে এই প্রসঙ্গে দোকানের মালিকের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে দমকল পুলিস। রাত থেকেই ওই এলাকায় যথেষ্ট শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

2 years ago