Breaking News
BJP: ইস্তেহার প্রকাশ বিজেপির, 'এক দেশ এবং এক ভোট' লাগু করার প্রতিশ্রুতি      Fire: দমদমে ঝুপড়িতে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড, ঘটনাস্থলে দমকলের একাধিক ইঞ্জিন      Bengaluru Blast: বেঙ্গালুরু ক্যাফে বিস্ফোরণকাণ্ডে কাঁথি থেকে দুই সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করল এনআইএ      Sheikh Shahjahan: 'সিবিআই হলে ভালই হবে', হঠাৎ ভোলবদল শেখ শাহজাহানের      CBI: সন্দেশখালিকাণ্ডে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের...      NIA: ভূপতিনগর বিস্ফোরণকাণ্ডে এবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ NIA      ED: অবশেষে ইডির স্ক্যানারে চন্দ্রনাথের 'মোবাইল-হিস্ট্রি', খুলতে পারে নিয়োগ দুর্নীতি রহস্যের জট      PM Modi: তৃণমূল মানেই দুর্নীতি-লুট! ভোট প্রচারে সন্দেশখালির পর ভূপতিনগর নিয়ে সরব মোদী      NIA: ভূপতিনগর বিস্ফোরণকাণ্ডে গ্রেফতার আরও ২ , কেন্দ্রীয় এজেন্সির উপর হামলার ঘটনায় উদ্বিগ্ন কমিশন      Sheikh Shahjahan: বিজেপির 'দালাল'রা তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যে বলছে, দাবি শেখ শাহজাহানের     

EastDelhiMurder

Delhi: বারুইপুর-কাণ্ডের ছায়া দিল্লিতে! বাবার কাটা মুণ্ডু কোথায় পুঁতবে, ছেলের কাণ্ড ধরল সিসিটিভি

সম্প্রতি শ্রদ্ধা ওয়ালকার (Shraddha Walkar) খুনের সূত্র ধরে পূর্ব দিল্লির (East Delhi Murder) আরও এক হত্যাকাণ্ডের পর্দা ফাঁস হয়েছে। এই ঘটনায় গৃহকর্তা অঞ্জন দাসের খণ্ডিত দেহাংশ দিল্লির একাধিক জায়গা থেকে উদ্ধার করেছিল পুলিস। শ্রদ্ধার মতোই অঞ্জনের দেহ খণ্ড করে ফ্রিজে সংরক্ষণ করেছিলেন অভিযুক্ত মা-ছেলে। এই ঘটনায় প্রতিফলিত হয়েছে বাংলার বারুইপুর-কাণ্ডের (Baruipur Murder Case) ছায়া। এখানেও গৃহকর্তা প্রাক্তন নৌ সেনা কর্মীকে খুন করে খণ্ডিত দেহ এলাকার একাধিক পানাপুকুর, জঙ্গল, ঝোপে ছড়িয়ে দিয়েছিল মা-ছেলে। নেপথ্যে ছিল দৈনিক গৃহ হিংসা এবং বিবাদ। একই ঘটনা অঞ্জন দাস হত্যাকাণ্ডে, প্রাথমিক তদন্তে জানতে পেরেছে দিল্লি পুলিস।  

সৎবাবাকে অঞ্জন দাসকে খুন করে দেহ ১০ টুকরো করার অভিযোগে সোমবারই গ্রেফতার হয়েছিলেন দিল্লির বাসিন্দা দীপক দাস এবং তাঁর মা পুনম দাস। এই হাড়হিম করা হত্যা রহস্যের তদন্তে নেমে একটি একটি সিসিটিভি ফুটেজ পেয়েছে পুলিস। সেই ফুটেজে দেখা গিয়েছে, দিল্লির এক মাঠে প্লাস্টিক ব্যাগ নিয়ে দাঁড়িয়ে দীপক, কি‌ছুক্ষণ পর ব্যাগটি মাঠ থেকে তুলে নিয়ে আবার হাঁটতে শুরু করেন তিনি। সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়া এই দৃশ্য দেখে সন্দেহ হয় পুলিসের। তদন্তে নেমে জানা গিয়েছে, ওই মাঠে সৎবাবার কাটা মাথা পুঁতে দিতে এসেছিলেন দীপক।

চলতি বছর জুনে মা পুনমের কথায় সৎবাবা অঞ্জনকে খুন করেন দীপক। পূর্ব দিল্লির পাণ্ডব নগরের বাসিন্দা পুনমের দাবি, তাঁর স্বামী বিনা অনুমতিতে গয়না বিক্রি করে দিয়ে সেই টাকা তাঁর প্রথম স্ত্রীকে পাঠাতেন। বিহারে আট ছেলেমেয়ে নিয়ে সংসার অঞ্জনের প্রথম স্ত্রীর। তাঁদের সংসার চালানোর টাকা দিতে অঞ্জন গয়না বিক্রি করেছিলেন।

এই ঘটনা জানতে পেরে স্বামীর উপর ক্ষেপে যান পুনম। ছেলে দীপকের সঙ্গে যোগসাজশ করে অঞ্জনকে খুন করেন তিনি। পুলিস সূত্রের খবর, অঞ্জনকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে গলায় কুঠার দিয়ে কোপ মেরে খুন করা হয়। সারা রাত ধরে মৃতদেহ থেকে রক্ত বের হয়ে যাওয়ার পরদিন একটি ধারালো অস্ত্র দিয়ে অঞ্জনের দেহ ১০ টুকরো করে পলিথিনের ব্যাগে ভরে ফ্রিজে রেখে দেন পুনম-দীপক। ধারালো অস্ত্রটির খোঁজ মিললেও ছুরিটি এখনও মেলেনি। তারপর সেই টুকরোগুলি দিল্লির বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে দিয়ে আসতেন দীপক। তল্লাশি চালিয়ে দেহের ৬টি টুকরো খুঁজে পেয়েছে পুলিস।

one year ago
Delhi: বারুইপুর-কাণ্ডের ছায়া দিল্লিতে! মা-ছেলের বিরুদ্ধে খুন করে গৃহকর্তার দেহাংশ ছড়ানোর অভিযোগ

শ্রদ্ধা ওয়ালকরের (Shraddha Walkar Murder) মতোই আরও একটি নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সাক্ষী জাতীয় রাজধানী (Delhi Murder)। অভিযোগ, এক্ষেত্রেও খুন করে দেহ টুকরো করা হয়েছে। সেই টুকরো ফ্রিজে সংরক্ষিত করে আশপাশে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে নিহতের স্ত্রী এবং পুত্রকে গ্রেফতার করেছে দিল্লি পুলিস (delhi Police)। শ্রদ্ধা হত্যাকাণ্ড প্রকাশ্যে আসার মাসেই ফের এই হাড়হিম করা হত্যাকাণ্ড পূর্ব দিল্লির (East Delhi Murder)।

মহারাষ্ট্রের তরুণী শ্রদ্ধা ওয়ালকারকে খুন করে তাঁর লিভ-ইন সঙ্গী তথা প্রেমিক আফতাব দেহ টুকরো করে কেটেছিলেন। ১৮ মে শ্রদ্ধা খুন হন, সেই দেহাংশ সংরক্ষণ করে রাখা হয় ফ্রিজে এবং সেই দেহাংশ মেহরৌলীর জঙ্গলে ফেলে আসতেন অভিযুক্ত। ইতিমধ্যে আফতাব গ্রেফতার হয়ে তিহার জেলে বন্দি। এই ঘটনার নৃশংসতা নাড়িয়েছে দেশকে।

এদিকে, শ্রদ্ধা হত্যাকাণ্ডের সূত্র ধরেই পূর্ব দিল্লির এই খুনের ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। জানা গিয়েছে, শ্রদ্ধার দেহাংশ খুঁজতে দিল্লির সব থানায় নির্দেশ জারি করা হয়েছিল। তখনই জানা যায়, গত জুনে পাণ্ডব নগর দেহাংশের খোঁজ মিলেছিল। কিন্তু পচাগলা সেই দেহাংশ কার, তখন জানা যায়নি। শ্রদ্ধা খুনের ঘটনা প্রকাশ্যে আসতে ফের ওই ঘটনা নিয়ে তদন্ত শুরু করে পুলিস। খতিয়ে দেখা হয় জুনে উদ্ধার ওই দেহাংশ শ্রদ্ধার কিনা।

তখনই উঠে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা যায়, ওই দেহাংশ অঞ্জন দাস নামে পাণ্ডব নগরের এক ব্যক্তির। তিনি সম্প্রতি পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। অঞ্জনের স্ত্রী পুনম এবং ছেলে দীপক এই বিষয়ে জানতে পেরে তাঁকে খুন করে। জানা গিয়েছে, অঞ্জনকে প্রথমে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচৈতন্য করা হয়। তারপর খুন করে তাঁর দেহ টুকরো করা হয় এবং সেই দেহ ফ্রিজে রাখা হয়। এবং তা পরে ফেলে আসা হয় বিভিন্ন জায়গায়। অবৈধ সম্পর্কের জেরেই এই হত্যা, প্রাথমিক ভাবে মনে করছে পুলিস। স্থানীয় বেশ কিছু সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করে পুলিস জানতে পেরেছে, গভীর রাতে ব্যাগ হাতে বাড়ি থেকে বেরোচ্ছেন মৃতের ছেলে দীপক, পিছনে তাঁর মা।

অন্য একটি ফুটেজে দেখা গিয়েছে, দিনের বেলায় পূর্ব দিল্লির একাধিক জায়গা ঘুরছেন দু’জন। পরে ওসব জায়গা থেকেই মেলে অঞ্জনের দেহাংশ। আফতাবের কাণ্ড পুনমরা জানতেন কি না, তা এখনও জানা যায়নি।

এদিকে, সম্প্রতি বারুইপুরে প্রাক্তন নৌ সেনার খণ্ডিত দেহ উদ্ধারে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছিল। এলাকার একাধিক ঝোপ, পানাপুকুর থেকে উদ্ধার হয়েছে ওই নৌ সেনার দেহাংশ। এই ঘটনায় অভিযুক্ত প্রাক্তন নৌ সেনার ছেলে এবং স্ত্রী। দাম্পত্য কলহ এবং গৃহ হিংসা থেকে বাঁচতে এই পথ নিয়েছে মা-ছেলে। জেরায় এমনটাই পুলিসকে জানিয়েছে তাঁরা।

one year ago