Breaking News
Abhishek Banerjee: বিজেপি নেত্রীকে নিয়ে ‘আপত্তিকর’ মন্তব্যের অভিযোগ, প্রশাসনিক পদক্ষেপের দাবি জাতীয় মহিলা কমিশনের      Convocation: যাদবপুরের পর এবার রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়, সমাবর্তনে স্থগিতাদেশ রাজভবনের      Sandeshkhali: স্ত্রীকে কাঁদতে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়লেন 'সন্দেশখালির বাঘ'...      High Court: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় প্রায় ২৬ হাজার চাকরি বাতিল, সুদ সহ বেতন ফেরতের নির্দেশ হাইকোর্টের      Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে জমি দখল তদন্তে সক্রিয় সিবিআই, বয়ান রেকর্ড অভিযোগকারীদের      CBI: শাহজাহান বাহিনীর বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ! তদন্তে সিবিআই      Vote: জীবিত অথচ ভোটার তালিকায় মৃত! ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ধূপগুড়ির ১২ জন ভোটার      ED: মিলে গেল কালীঘাটের কাকুর কণ্ঠস্বর, শ্রীঘই হাইকোর্টে রিপোর্ট পেশ ইডির      Ram Navami: রামনবমীর আনন্দে মেতেছে অযোধ্যা, রামলালার কপালে প্রথম সূর্যতিলক      Train: দমদমে ২১ দিনের ট্রাফিক ব্লক, বাতিল একগুচ্ছ ট্রেন, প্রভাবিত কোন কোন রুট?     

DilipGhosh

Dilip Ghosh: তৃণমূলের টিকিটে দাঁড়াতে চাইছে না, প্রার্থী না পেয়ে 'ইউসুফে' ভরসা! বিস্ফোরক দিলীপ

বৃহস্পতিবার ইকো পার্কে প্রাতঃভ্রমণে গিয়ে বিস্ফোরক বর্ধমান-দুর্গাপুরের বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ। এদিন তিনি ইউসুফ পাঠান ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। যদিও ইতিমধ্যে মুখ্যমন্ত্রীকে অশালীন আক্রমণের জন্য দিলীপ ঘোষকে শোকজ করেছে নির্বাচন কমিশন।

তৃণমূল এবার রেকর্ড গড়ার আশায় বহরমপুরে প্রার্থী করেছে ইউসুফ পাঠানকে। এব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে দিলীপ ঘোষ কটাক্ষের সুরে বলেন, ইউসুফ পাঠান থাকেন গুজরাতে। একটা শব্দ বোঝেন না, বাংলায় তাঁকে নিয়ে এসেছে। তিনি আরও বলেন, তৃণমূলের টিকিটে কেউ দাঁড়াতে চাইছে না। প্রার্থী পাচ্ছে না শাসক দল।

দিলীপ ঘোষ কটাক্ষ করে বলেছেন, পুরনোরা রিজেক্ট হয়ে যাচ্ছে তাও কিছু লোককে পাল্টাতে পারেনি, রেখেছে। তাঁদের হোয়াইটওয়াশ করার চেষ্টা হচ্ছে। আর প্রার্থী খুঁজতে খুঁজতে বিহার পার হয়ে গুজরাত চলে গিয়েছে। তৃণমূলের অবস্থা বোঝাই যাচ্ছে, যার টিকিট কেউ দাঁড়াতে চায় না, তারা জিতবে টা কী করে! অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বুধবার ডায়মন্ড হারবারে হাই প্রোফাইল দলীয় বৈঠক করেছেন। সেখানে একলক্ষের বেশি ভোটে জেতার লক্ষ্যমাত্রা দিয়েছেন। এব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে দিলীপ ঘোষ বলেন, ওখানে সবার সব সময় হাই প্রোফাইল থাকে, লো প্রোফাইল হয় না। ওখানে একটা আলাদা অ্যাডমিনিস্ট্রেশন চলে, ওয়েস্ট বেঙ্গল গর্ভমেন্টের থেকে আলাদা।

নাম না করে দিলীপ ঘোষ বলেন, ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রকে উনিও আলাদা দেখাতে চান। তিনি বলেন, সরকারের টাকা নেই, ওখানে বিলিয়ে দেয় কী করে? এত খরচা করেছেন। একটাই লোকসভা আছে নাকি? বাকি ৪১ টার কী হয়েছে, কেন সরকার দেখে না। এদিক ওদিক লুটপাট করে সব লোককে দেখাচ্ছেন! দিলীপ ঘোষের প্রশ্ন, ডায়মন্ড হারবারের মানুষের জীবনে কী উন্নতি হয়েছে, সামাজিক কি পরিবর্তন হয়েছে, বড় বড় কথা বলেন।

শান্তনু ঠাকুর, রেখা পাত্রকে বাধা দেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাধা দেওয়া ছাড়া কী করবে তারা? রেখা পাত্রকে নিয়ে নোংরা রাজনীতি করছিল, সন্দেশখালি তার জবাব দিয়ে দিয়েছে। রেখা পাত্রকে বুকে টেনে নিয়েছে। এই ধরনের রাজনীতি এবার বাংলা থেকে বিদায় নেবে, বলেছেন তিনি।


3 months ago
Election: প্রচারের নানান রূপ

প্রসূন গুপ্তঃ ভারতবর্ষের বিভিন্ন রাজ্যের কিংবা লোকসভা ভোটে প্রচারের নানান রূপ দেখা যায়। পন্ডিত নেহেরু অবিশ্যি এসবে বিশ্বাস করতেন না, কিন্তু ইন্দিরা গান্ধী ভোট প্রচারে গেলে সারা দেশ জুড়ে তাঁকে ঘুরতে হত এবং একেকটি রাজ্যে গেলে পারদপক্ষে সেখানকার পোশাক (অবশ্যই শাড়ি) পড়তে দেখা যেত। রাজীব গান্ধীর প্রচারের সময়ে দেখা যেত নিজেই গাড়ি চালিয়ে এক স্থান থেকে অন্য কেন্দ্রে যেতেন। বাংলাতেও তাই দেখা যেত। জ্যোতি বসু অবিশ্যি কটাক্ষ করে বলতেন যে, পাইলট ছিলেন তাই অভ্যাসটি যায়নি, এখনও দেশটিকে এরোপ্লেন বলে মনে করেন। যাই হোক না কেন রাজীব কিন্তু ওসব পরোয়া করেননি। একই অভ্যাস অবশ্যই নরেন্দ্র মোদীরও রয়েছে। আসলে এঁরা যথেষ্ট সুদর্শন, কাজেই সেগুলো তাঁদের ইউএসপি বলেই ধরে নেওয়া হতো বা হয়।

তবে এই রাজ্যে বিভিন্ন পোশাকের বহর প্রথম দেখা গিয়েছিলো সিদ্ধার্থ শঙ্কর রায়ের মধ্যে। এরপর কমিউনিস্ট সরকারে পোশাক আশাক ইত্যাদি নেতাদের মধ্যে একেবারেই দেখা যায়নি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অবিশ্যি জেলা ভিত্তিক নানান ব্যবহার করেছেন। জঙ্গলমহলে তাঁর সাঁওতালদের সঙ্গে নাচ বা গানে তাঁকে দেখা গিয়েছে। যদিও ভোটের সময়ে মুখ্যমন্ত্রী একেবারেই ভিন্ন মুডে থাকেন। রাজ্য বিজেপিতে ভিন্ন রূপে নেতাদের দেখা গিয়েছে বিস্তর।

এবারের নির্বাচনে দেখা গেল, দোল উৎসবকে কেন্দ্র করে প্রচারে সবকটি দলই রং খেলায় মেতেছেন। দক্ষিণ কলকাতা, যাদবপুর থেকে হুগলি বা বীরভূম সহ প্রায় প্রতিটি জায়গায় প্রার্থীরা মেতেছিলেন আনন্দ উৎসবে। বাদ নয় সিপিএম প্রার্থীরাও। আজকের প্রচারে কাঠখোট্টা ভাষণে মানুষ বোধহয় আনন্দ পায় না। এখন জমজমাট ভাষণ দিতে পারে হাতে গোনা কয়েকজন মাত্র। সোশ্যাল নেটের যুগে নতুনত্ব আনতেই আজকের রাজনৈতিক দলে সেলিব্রেটিদের আনাগোনা। তাঁরা কোথাও খাবার পরিবেশন করছেন, কোথাও নিজেরাই খেতে বসেছেন। কোথাও পুজোতে খঞ্জনি বাজাচ্ছেন আবার আসন্ন ঈদ উপলক্ষে হাজিরা দিচ্ছেন ইফতারে। করতেই হবে, ভোট যে বড়োই বালাই।

3 months ago
Dilip Ghosh: দিলীপ ঘোষের দায়িত্ব বাড়ালেন শাহ

প্রসূন গুপ্তঃ যদিও বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা এবং এই দলের নিয়ম অনুযায়ী সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী। সে তো খাতায় কলমে আসলে এখনও সংগঠনের অলিখিত চালিকা শক্তি অমিত শাহের হাতেই।

দেড় দিনের কলকাতা সফরে এসেছিলেন নাড্ডা এবং শাহ। বড়দিনের রাতে হাজির হয়েছিলেন দুই প্রধান। অনেক রাত হলেও নিউ টাউনের হোটেলে প্রাথমিক আলোচনা চলে পশ্চিমবঙ্গের নেতাদের সঙ্গে। ১৪ জনের একটি কোর কমিটি ছিল,তাদের মধ্যে মিঠুন চক্রবর্তী ছাড়া সবাই উপস্থিত ছিলেন বিমানবন্দরে এবং হোটেলে। স্বভাবিক ভাবেই প্রশ্ন ওঠে মিঠুন অনুপস্থিত কেন? তিনি বর্তমানে নাকি আমেরিকায়। কিন্তু রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার জানান যে, রবিবার মিঠুনের সঙ্গে তাঁর টেলিফোনে কথা হয়েছে। মিঠুনকে কোর কমিটিতে রাখা এবং বড়দিনের রাতে তাঁর খোঁজ নেওয়ার কারণ অনেকেরই ধারণা যে আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে মিঠুন হয়তো দক্ষিণ কলকাতা থেকে প্রার্থী হতে পারেন।

অমিত মঙ্গলবার দলের নেতাদের পরিষ্কার বার্তা দিয়েছেন, সামনেই নির্বাচন অতএব দলের অন্দরের গোষ্ঠী কোন্দল এবং দলবাজি বাদ দিতে হবে। শাহের কাছে বার্তা ছিল, এ রাজ্যে সুকান্ত, শুভেন্দু বা পুরাতনীদের মধ্যে বিবাদ আছে। মঙ্গলবার ফের ১৪ জনের নতুন কমিটি তৈরি করে দিলেন শাহ, নাড্ডা। এই নতুন কমিটির মধ্যে সুকান্ত মজুমদার, আমিতাভ চক্রবর্তী বা শুভেন্দু অধিকারীরা যেমন আছেন অথবা কেন্দ্রীয় বিজেপির প্রতিনিধি যেমন আছেন, তেমনই প্রাক্তন সভাপতি দিলীপ ঘোষকেও রাখা হলো। শুধু রাখাই নয়, শাহ পরিষ্কার জানিয়েছেন, দিলীপবাবু দীর্ঘদিনের সংঘ করা এবং প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি। সুতরাং তাঁর সঙ্গে দলীয় আলোচনা করে চূড়ান্ত রূপ দিতে হবে। দিলীপবাবুকেও পুরাতন বিবাদ ভুলে নতুনদের উপদেশ দিতে অনুরোধ করেন অমিত।

বেশ কয়েক মাস ধরে দিলীপবাবু পর্দার অন্তরালে চলে গিয়েছিলেন। এমনিতেই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব তাঁর উপর আদি বনাম নব্যর সংকট যা তৈরি হয়েছিল, শাহ আদেশ দিলেন এসব বন্ধ করতে হবে। এই কমিটি আসন্ন নির্বাচনের প্রচারের দিকে বিশেষ নজর দেবে যদিও পশ্চিমবঙ্গের ৪২ আসনে করা প্রার্থী হবে তা একেবারেই ঠিক করবে দিল্লির কর্তারা। সূত্রের খবর, শাহী আদেশে কাঁথি লোকসভাতে ভোটে দাঁড়াতে পারেন শুভেন্দু অধিকারী।

6 months ago


TET: নির্দিষ্ট দিনই টেট পরীক্ষা, দিলীপ ঘোষের আবেদন খারিজ করল হাইকোর্ট

আগামী ২৪ ডিসেম্বরই হবে টেট পরীক্ষা। ওই দিনই কলকাতার ব্রিগেড ময়দানে লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠের ডাক দিয়েছে কয়েকটি সংস্থা। আর সেকারণেই প্রাথমিকের চাকরির টেট পরীক্ষা পিছনোর আর্জি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি তথা সাংসদ দিলীপ ঘোষ। মঙ্গলবার সেই মামলার শুনানিতে দিলীপ ঘোষের আবেদন খারিজ করল কলকাতা হাইকোর্ট।

প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, পরীক্ষার দিন পরিবর্তন করা হবে না। ২৪ ডিসেম্বরই হবে টেট পরীক্ষা। রাজ্য প্রশাসনকে নিশ্চিত করতে হবে যাতে প্রত্যেক পরীক্ষার্থী পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছতে পারে। এ ব্যাপারে পরিবহন দফতরকে উপযুক্ত পরিবহন ব্যবস্থা রাখতে হবে। যারা পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড দেখাবে সেই পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছতে হবে নির্দেশ প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের।

6 months ago
Dilip Ghosh: অমিত্রাক্ষর ছন্দে দিলীপ ঘোষ

প্রসূন গুপ্ত: গুঞ্জনে একটি কথা চালু আছে যে রাজ্য বিজেপিতে নাকি শুভেন্দু অধিকারী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের অতি কাছের মানুষ। অন্যদিকে নাড্ডা আসলে তাঁকে তদারকির দায়িত্ব থাকে রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের। গুঞ্জনে কিছু আসে যায় না বিজেপির সর্বভারতীয় নেতৃত্বর, কারণ দলটি একেবারেই রেজিমেন্টেড বলেই কথিত আছে। তবে জেপি নাড্ডা যতই দলের সভাপতি হন না কেন, কোনও সমস্যা আসলে তখন অবশ্যই ডাক পড়ে প্রাক্তন সভাপতি অমিতের। এই কিছু দিন আগে মনিপুর নিয়ে যখন উত্তাল লোকসভা এবং বিরোধীরা প্রধানমন্ত্রীর জবাবি মন্তব্য চাইছে একই সাথে তারা হেরে যাবে জেনেও বর্তমান সরকারের উপর অনাস্থা প্রস্তাব এনেছে, তখনই প্রাথমিক সামাল দেওয়ার জন্য ডাক পড়লো অমিত শাহের। অমিত লোকসভায় মনিপুরকে মোটামুটি পাশে ঠেলে প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়নের গুণগান করলেন প্রায় দেড় ঘণ্টা। অমিত শাহ মানেই ড্যামেজ কন্ট্রোলার।

অমিত অসাধারণ বুদ্ধি ধরেন। অনেক বিশেষজ্ঞদের মতে লালকৃষ্ণ আদবানির থেকেও দ্রুত দলের নেতিবাচক দিককে ইতিবাচক করে তোলার বিষয়ে পারদর্শী। বাংলার সমস্যা নিয়ে যখনই দলের উচ্চ নেতাদের কেউ কথা বলতে চেয়েছেন তখনই সটান দিল্লি গিয়ে অমিতের সাথে বৈঠক করেছেন নিয়মিত যথা শুভেন্দু।

সম্প্রতি প্রাক্তন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ বেশ কিছুটা একঘরে। তাঁর সর্বভারতীয় সহ-সভাপতিত্ব গিয়েছে এবং পরিবর্তে পাননি কিছুই। দিলীপ যে কিছুটা ক্ষুব্দ ও বিষন্ন এবং একই সাথে প্রাক্তন আরএসএস করা বেশ কিছু বিজেপি নেতা তাঁর পাশে সে খবর বিলক্ষণ অমিতের কানে পৌঁছিয়েছে।

সম্প্রতি নাড্ডার কলকাতা সফরে দিলীপ তাঁর প্রতিটি বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বটে কিন্তু কোনও বিষয়ে টু শব্দটি করেননি। এ খবরটিও অমিত শাহের কানে গিয়েছে বলে খবর। তিনি দিলীপকে দ্রুত দিল্লিতে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেছেন। দিলীপ বৃহস্পতিবার দুপুর ৩ টের বিমানে দিল্লি চলে গিয়েছেন। সন্ধ্যার পর অমিত শাহের বাড়িতে তাঁর বৈঠক বলে সূত্রের খবর। এবারে প্রশ্ন কি কি হতে পারে? ১) দিলীপকে শান্ত করতে পারেন অমিত কিংবা ২) দিলীপের মন্ত্রিত্বের সুযোগ আসতে পারে অথবা ৩) তাঁকে ফের কোনও পদ দেওয়া যেতে পারে। তবে আজকেই সমাধান না হলেও অমিত্রাক্ষর ছন্দে যে দিলীপ ফিরবেন তা নিঃসন্দেহে বলে দেওয়া যায়।

10 months ago


Dilip Ghosh: হীরক জয়ন্তীতে পা দিয়েও চিন্তায় দিলীপ

প্রসূন গুপ্ত: হীরক জয়ন্তীতে পা দিয়েও চিন্তায় দিলীপ ফের আলোচনায় বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ। ইদানিং দিলীপবাবুকে নিয়ে জল্পনা কমছেই না। শুধু তাঁর দল থেকেই নয় তৃণমূল কংগ্রেসীদের একটা অংশও দিলীপ ঘোষের অপসারণের সমালোচনা করছে। দিলীপ ঘোষ বর্ণময় চরিত্র। দলের মধ্যে তিনিই নিয়মিত জনতার সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন যদি এ রাজ্যে থাকেন। দিলীপবাবুর তৃণমূল বা অন্য বিরোধীদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য তৃণমূলের কেউই খুব একটা মাথা ঘামায় বরং মজাই পায়।

অন্যদিকে দিলীপবাবু এই প্রতিবেদককে জানিয়েছিলেন যে, তাঁর তৃণমূল দলের নেতাদের সঙ্গে ভালোই সম্পর্ক কিন্তু যখনই রাজনীতির প্রসঙ্গ আসে তখন তিনি ছেড়ে কথা বলেন না। অবিশ্যি তৃণমূলের মুখপাত্ররাও দিলীপবাবুর সমালোচনা কোর্ট দ্বিধা করে না। একটি যেন অম্লমধুর সম্পর্ক। এমনটিই হওয়া উচিত জানিয়েছিলেন কুনাল ঘোষ। সেই দিলীপ ঘোষকে এক প্রকার অপসারণ করাতে সমস্ত দলের মানুষ কিন্তু দিলীপের পাশেই দাঁড়িয়েছে। এই মুহূর্তে দিলীপবাবু পদহীন। কেউ কেউ বলছে হয়তো কেন্দ্রের মন্ত্রী হতে পারেন কিন্তু মন্ত্রিত্বতো ২০১৯-এ দিলীপবাবু শ্রদ্ধার সঙ্গে নাকচ করেছিলেন। তিনি জানিয়েছিলেন, সংগঠনের মানুষ আমি, মন্ত্রী হয়ে কি হবে। এখন যদি তাঁকে মন্ত্রিসভায় নিয়েই আসা হয় তবে ১০ মাসে তিনি কিই বা করতে পারবেন? সম্প্রতি দলের বর্তমান সভাপতি সুকান্ত মজুমদার জানিয়েছেন যে, দিলীপদাকে নিয়ে যাই অসন্তোষ হোক না কেন তাতে দলের ক্ষতি হবে না।

কিন্তু এই প্রশ্ন আসছে কেন? দিলীপ ঘোষ কি ব্রাত্য? তিনি ছাড়া আর কোনও নেতা কি অসংযমী কথাবার্তা বলেন না, প্রশ্ন দিলীপ ঘনিষ্ঠদের।  আমল দিচ্ছেন না সুকান্তবাবু। বাস্তব ঘটনা এই যে, সাম্প্রতিক পঞ্চায়েত ভোটে বিজেপির ১৬ শতাংশ ভোট কমেছে। এর নির্ণয় অনুযায়ী আসন্ন লোকসভা ভোটে বিজেপির ১৮ আসন কমে ৩/৪ টি আসনে দাঁড়াতে পারে। কি ভাবনা রয়েছে কেন্দ্রের অথবা রাজ্য দলের? অন্যদিকে দলেরই এক ছোট নেতা সন্ময় বন্দোপাধ্যায় তার সোশ্যাল মিডিয়াতে জানিয়েছেন যে, হয়তো কেন্দ্রে সুকান্ত মজুমদার মত্রী হতে পারেন এবং রাজ্য সভাপতি হতে পারেন শুভেন্দু অধিকারী। এই বার্তা কি নাড্ডারও? দিলীপবাবু মঙ্গলবার ৬০-এ পা দিলেন অর্থাৎ ডায়মন্ড জুবিলী বা হীরক জয়ন্তী। তাঁর জন্য কোন হীরা অপেক্ষা করছে সেটাই দেখার।

11 months ago
Dilip Ghosh: আসছে মন্ত্রিত্ব নাকি শাস্তি? দিলীপ ঘোষ নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে

প্রসূন গুপ্তঃ এই প্রতিবেদন লেখার আগে দু'দিন ধরে প্রচুর ফোন পাচ্ছি যে, দিলীপ ঘোষের গল্পটা কি? অথবা এটা কি শাস্তি হলো, হলে কেন হলো ইত্যাদি। এছাড়া তিনি কি মন্ত্রী হচ্ছেন কেন্দ্রে, গোছের প্রশ্নও আছে। এখানে সাংবাদিকের সূত্র তেমন কাজ করছে না কাজেই একেক মিডিয়ায় একেক বার্তা দেওয়া হচ্ছে। এর মাঝে কোনটি সত্যি আর কোনটি নয় ধরা মুশকিল। এক জায়গায় তো লেখা হলো রাজ্য দলের চাপেই দিলীপ ঘোষকে সরিয়ে দেওয়া হলো, আবার একই সঙ্গে বলা হচ্ছে তিনি কেন্দ্রের ক্যাবিনেট মন্ত্রী হচ্ছেন।

১৯৮০-তে বিজেপি দল গঠন হওয়ার পর বহু নেতা কেন্দ্রে এবং রাজ্যে সভাপতি বা দায়িত্বপূর্ণ পদে এসেছেন। বাম জমানায় বিষ্ণুকান্ত শাস্ত্রী থেকে শুরু করে রাহুল সিনহা অবধি এ রাজ্যে বহু সভাপতি এসেছেন। কিন্তু যাঁরাই দায়িত্বে এসেছেন তারা অবশ্যই সংঘ পরিবারের ইচ্ছাতেই এসেছেন বলেই জানা যায়। মূলত আরএসএস করা নেতারাই ভারত তথা রাজ্যগুলির সভাপতি হয়েছেন। দিলীপ ঘোষও ব্যতিক্রম নন। তিনি প্রধানত সংঘ পরিবারের প্রচারক ছিলেন। জীবনের বেশি সময়ে তিনি আদর্শগত ভাবে প্রচারক ছিলেন বলেই তাঁর মুখ থেকে শোনা। একটা সময়ে তিনি আন্দামানে দীর্ঘদিন কাজ করেছিলেন বলে এই প্রতিবেদককে জানিয়েছিলেন।

তিনি বলেছিলেন যে, যা সংঘ বলেছে তার অন্যথা করি নি কখনও। আত্মত্যাগের কারণে বিবাহও করেননি বলে জানা যায়। তাঁর কোনও দাবি নেই, দল যখন রাজনীতিতে আসতে বলেছে তখনিই তার বিজেপিতে প্রবেশ। ভোটে দাঁড়ালেন এবং ২০১৬-তে জিতেও আসলেন। ওই সময়েই তাঁকে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য দলের সভাপতি করা হয়। বলা যেতে পারে ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে এবং ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনে এ রাজ্য থেকে যথাক্রমে ১৮ টি এবং ৭৭টি আসন বিজেপি পায়। শোনা যায় তাঁকে ২০১৯-এ কেন্দ্রে ক্যাবিনেট মন্ত্রী পদ নেওয়ার আবেদন ছিল কিন্তু দিলীপবাবু তা গ্রহণ করেননি।

অবিশ্যি এরপর সভাপতি হিসাবে ড. সুকান্ত মজুমদারকে নিয়ে আসা হয়। তারপর থেকেই কিন্তু দলে নানা গোষ্ঠী সমস্যা তৈরি হয়। বিজেপির ভোট কমতে থাকে। ৩৮% ভোট কমে এখন ২২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে কেন্দ্রও ভেদাভেদে বিরক্ত। সম্প্রতি দলের প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে দিলীপ ঘোষকে সরিয়ে দেওয়া হয়। শোনা যায় তিনি অন্য দায়িত্ব পেতে পারেন। কিন্তু বাস্তব সত্যি দিলীপ ঘোষের মতো বর্ণময় চরিত্র কমই দেখা যায় এবং অবশ্যই তাঁর মতো জনসংযোগ কম নেতারই ছিল এ রাজ্যে।

11 months ago
Dilip: সর্ব-ভারতীয় পদ খোয়ালেন দিলীপ, তবে কি কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় ঠাঁই! জল্পনা রাজনৈতিক মহলে

এখন তিনি কেবল সাংসদ। সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি পদ থেকে দিলীপ ঘোষকে সরিয়ে দেওয়া হল বলেই সূত্রের খবর। সূত্রের খবর, শনিবার সকালে সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা যে নতুন কমিটি ঘোষণা করেছেন, তাতে দিলীপের নাম নেই। বিজেপি সূত্রে খবর, অনেক সময় বেফাস কিছু মন্তব্য করে বসেন দিলীপ ঘোষ, যার জেরে অস্বস্তিতে পড়তে হয়েছে বিজেপি সহ বিজেপির বহু কর্মীদেরও। যে কারণেই এমন সিদ্ধান্ত বলে মনে করছেন বিজেপির একাংশ। যদিও দিলীপ ঘোষের মতে, সামনে লোকসভা নির্বাচন। সেজন্যই সমস্ত সাংসদদের দলীয় পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে, এবং তাঁরা যেন নির্বাচনী ক্ষেত্রে ঠিকভাবে দলীয় কাজগুলো সারতে পারেন ও সাংগঠনিক দিকেও নজর দিতে পারেন, সেজন্য এমন সিদ্ধান্ত বলে মনে করছেন দিলীপ ঘোষ।

একদা তিনি রাজ্যের রাজ্য বিজেপি সভাপতি পদ সামলাতেন, সে পদ যাওয়ার পর তিনি বিজেপির তরফে সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি পদে নিয়োগ হয়েছিলেন। শনিবারে জেপি নাড্ডার কমিটির পর তিনি কেবল মেদিনীপুরের সংসদ রইলেন। যদিও গুঞ্জন সোনা গিয়েছে দিলীপ ঘোষকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় আনতে পারে বিজেপি। যদিও তাতে এখনও কোনও শিলমোহর পড়েনি। ওদিকে জেপি নাড্ডার সর্বভারতীয় কমিটিতে বাংলা থেকে নেওয়া হয়েছে একমাত্র অনুপম হাজরা কে।

11 months ago


Explosion: 'মাথা নত করে বলছি, এ ঘটনায় আমি ক্ষমা চাইছি' এগরায় বিস্ফোরণ স্থলে মমতা

এগরায় (Egra) বিস্ফোরণ নিয়ে এবার ক্ষমা চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) । শনিবার কপ্টারে করে এগরার ঘটনাস্থলে নিহতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যান মমতা বন্দোপাধ্যায়। নিহতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করে আড়াই লক্ষ টাকা ও পরিবারের একজনকে হোমগার্ডের চাকরি দেওয়ার ঘোষণা করেন তিনি। সেই সঙ্গে  তিনি নিজেই ওই চেক তুলে দেন পরিবারে হাতে। পাশাপাশি বেআইনি বাজি কারখানা নিয়ে সরব হন তিনি। এগরায় শনিবার পৌঁছে মমতা বলেন, 'কেউ কেউ পয়সার লোভে বাজি কারখানা করছেন, আর অন্যরা মরছে।' যদিও এ প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) কটাক্ষ, 'তৃণমূল বোমা ফাটিয়ে মানুষ মারবে, আর দিদি প্যাকেজ দেবে।'

শনিবার এগরায় গিয়ে বাজি ব্যবসার জন্য ক্লাস্টার গড়ে দেওয়ার পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেন মমতা বন্দোপাধ্যায়। পাশাপাশি তিনি বলেন, 'এখানে রাজনীতি করতে আসিনি, অনেকে এই ঘটনা নিয়ে রাজনীতির রং লাগিয়ে অন্য রূপ দেওয়ার চেষ্টা করেছেন, সেটা ঠিক করেননি।' শনিবার মমতা বন্দোপাধ্যায় সকলকে বেআইনি বাজি কারখানা বন্ধ করার কথা বলেন। নবান্নর তরফে বেআইনি বাজি কারখানা বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে পূর্বেই। তার মধ্যেও বাজি কারখানায় বিস্ফোরণে  প্রাণ হারিয়েছে ৫ জন, বজবজ ও মালদহে।

বারবার প্রশ্ন উঠেছে বেআইনি বাজি কারখানা নিয়ে, প্রশ্ন উঠছে পুলিস ও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও। বারবার বাজি কারখানা বিস্ফোরণে প্রাণ হারিয়েছেন সাধারণ মানুষ। এদিন মমতা বন্দোপাধ্যায় সবুজবাজি তৈরির আবেদন করেন। তিনি এও জানান যে ফায়ারক্রাকার্স বানানো অবৈধ। তিনি এগরা থেকেই বললেন, 'আমার নলেজে আছে যে বাজি কারখানায় বাজি তৈরী হয়ে বর্ডার মারফত চলে যায় ওড়িশায়। বেআইনি বাজি কারখানার খবর থাকলেই পুলিসকে খবর দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেন তিনি। কিন্তু এখানেই উঠছে প্রশ্ন। রাজ্যের সংশ্লিষ্ট দফতরের মন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বৈধ বাজি অর্থাৎ সবুজ বাজির সংখ্যা মাত্র ৭ টি। এছাড়া মমতা বন্দোপাধ্যায়য়ের নলেজে যখন বেআইনি বাজি কারখানার খবর ছিল, কেন আগে ব্যবস্থা নেওয়া হলো না। আগে ব্যাবস্থা নিলে হয়ত ১৬ টা তরতাজা প্রাণ বেচে যেত।

one year ago
BJP: রাজ্য সংগঠনের চূড়ান্ত সমালোচনায় দিলীপ ঘোষ

প্রসূন গুপ্তঃ রবিবার বিজেপির রাজ্য কমিটির এক বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো। আয়োজিত হয়েছিল কলকাতার জাতীয় গ্রন্থাগারে। সভার আলোচনার মূল বিষয় ছিল, নরেন্দ্র মোদী সরকারের নবম বর্ষপূর্তি। রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার তাঁর বক্তব্যে জানান, সরকারের বর্ষপূর্তি এবং কাজের উন্নয়নের কথা জনগণের কাছে জানাতে হবে। আগামী ৩০ মে থেকে ৩০ জুন অবধি রাজ্যজুড়ে প্রচার অভিযানে নামবেন তাঁরা। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির রাজ্য পর্যবেক্ষক সুনীল বনশল। বনশল জানান, দলের মধ্যে ছ্যুৎমার্গ চলবে না। পরোক্ষে দলে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বকে বোঝান বনশল। এই ভাবে চললে দল কড়া ব্যবস্থা নেবে, জানান বনশল।

পাশাপাশি বিধানসভার বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারী ধন্যবাদ জানান কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রীকে ১০০ দিনের কাজের টাকা আটকে দেওয়ার জন্য। অবশ্য সুর চড়া করে বক্তব্য রাখেন প্রাক্তন সভাপতি, সাংসদ দিলীপ ঘোষ। দিলীপবাবু বলেন যে, সংগঠনের ত্রুটি রয়েছে। নিচু তলার কর্মীদের সঙ্গে উচ্চ নেতাদের যোগাযোগ নেই মোটেই। তিনি বিভিন্ন সময়ে জেলায় জেলায় গিয়ে দেখেছেন যে প্রবল ক্ষোভ তৈরি হয়েছে কর্মীদের উপর। তিনি তাঁর বক্তব্যে কড়া বার্তা দেন। তাঁর ভাষণের বিরোধিতা করতে দেখা যায় নি। বিজেপি কর্মীদের অন্দরের কথা, দিলীপবাবু যখন দায়িত্বে ছিলেন তখন সংগঠন চাঙ্গা ছিল এবং এই সময়েই বিজেপির ভোট বাড়ে। গত লোকসভায় বিজেপি ১৮টি আসন জয় করে দিলীপের নেতৃত্বে। দিলীপবাবু 'চায়ের আড্ডা' যথেষ্ট জনপ্রিয় ছিল বলে দাবি দলের কর্মীদের।

অবিশ্যি এটাও বাস্তব যে বিজেপির ভোট বেড়েছিল মূলত সিপিএম তথা বামেদের ভোটেই। ২০১৬ তে বিজেপির ভোট এই রাজ্যে ছিল মাত্র ১০ শতাংশ, কিন্তু ২০১৯-এ তা বেড়ে হয়ে যায় ৩৯ শতাংশ। অন্যদিকে, বামেদের ভোট কমে দাঁড়ায় মাত্র ৭-৯ শতাংশ। কাজেই প্রশ্ন থাকে বাম ভোট কমে কি বিজেপিতে গেলো? খতিয়ে দেখছে দল যে কোনও কারণে ২০২১ ভোট পর থেকেই বিজেপির ভোট ক্রমশ ক্ষয়িষ্ণু হচ্ছে। সাগরদিঘিতে বিজেপির জামানত গিয়েছে এবং নদীয়া জেলায় সমবায় ভোট বিজেপি শূন্য হয়ে গিয়েছে যেখানে সিপিএমের ভোট বেড়েছে। কাজেই সুনীল বনশল দলের সংগঠনের উপর জোর দিচ্ছেন।

one year ago


Dilip: কুড়মিদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জের, দিলীপ ঘোষের বাংলো ভাঙচুর আন্দোলনকারীদের

খড়্গপুরে (Kharagpur) দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) বাংলো ঘেরাও করলেন কুড়মি (Kurmi) আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষেরা। বাংলোর মেন গেট লাথি মেরে খুলে ফেলে বিক্ষোভকারীরা। এরপর  বাংলোর সামনে বাগানে ঢুকে ভাঙচুর চালায় বিক্ষোভকারীরা। নষ্ট করে ফুলের টব। উপড়ে দেয় বাগানের বহু গাছ। তাঁদের দাবি দিলীপ ঘোষকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে।

সম্প্রতি দিলীপ ঘোষের করা মন্তব্য নিয়ে অসন্তোষ ও বিতর্ক দানা বাধে কুড়মি সমাজ। কুড়মিদের করা বেফাঁস মন্তব্য ঘিরেই কুড়মিদের মধ্যে আরও বেশি ক্ষোভ জমা হয়েছিল। সেই ক্ষোভের প্রকাশ পাওয়া গেল বুধবার। ফলে দিলীপ ঘোষের সাময়িক বিপাকে পড়ে।

এদিনের বিক্ষোভে সামিল ছিলেন কুড়মি সমাজের শীর্ষ নেতা অজিত মাহাত। বিক্ষোভের সময় অজিতবাবু সাংবাদিকদের বলেন, 'দিলীপ ঘোষের সঙ্গে আমার সম্পর্ক ভালো ছিল। তিনি আরএসএসের ক্যাম্পে দীর্ঘদিন প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। কিন্তু তা সত্ত্বেও কুড়মি সমাজের প্রতি এ ধরনের মন্তব্য তিনি কীভাবে করতে পারলেন? দিলীপবাবুকে ক্ষমা চাইতেই হবে। 

one year ago
Mamata: 'বিরোধী জোট গঠনের বৈঠক হোক বিহারে', নীতীশকে পাশে বসিয়ে ঘোষণা মমতার

বিহারেই হোক বিজেপি বিরোধী জোট গঠনের বৈঠক। নীতীশ-তেজস্বীকে পাশে বসিয়ে এই প্রস্তাব দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথমে ছোট একটা বৈঠক তারপরে সবাই মিলে বসে একটা বার্তা দেওয়া যে বিজেপি-বিরোধী সব দল এক। এভাবেই বিজেপি-বিরোধী জোট গঠনে উদ্যোগী হয়ে সরব হলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। এই সময় তাঁর পাশে হাসিমুখে দেখা গিয়েছে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার এবং ডেপুটি সিএম তেজস্বী যাদবকে।

তিনি জানান, 'বিজেপি খুব বড় হিরো হয়ে গিয়েছে, আমি চাই ওরা জিরো হয়ে যাক। নীতীশজি সবার সঙ্গে কথা বলছে, আমিও বলছি। সবাই মিলে বসে ঐক্যবদ্ধ সিদ্ধান্ত নেবো।' এদিকে জোট ফর্মুলা প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'আমাদের মিশন, ভিশন পরিষ্কার। সবাই মিলে একসঙ্গে বসুক, তারপর সিদ্ধান্ত নেবো।' 

নবান্নে হওয়া এই বৈঠক প্রসঙ্গে বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ জানান, 'পরবর্তীকালে কারা কারা জেলে যাবে, জেলে গেলে তারপর কী হবে, সেসব নিয়ে বৈঠক।' সিপিএম রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম বলেন, 'বিরোধীরা একজোট হতে চাইছে, এই সমীকরণে তৃণমূল কংগ্রেস নেই। আদানি-কাণ্ডে তৃণমূলের প্রতিবাদ দেখা যায়নি। এছাড়া দুই পড়শি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী একে অপরের সঙ্গে দেখা করতেই পারে।'

one year ago
Dilip: মুকুল রায় 'বেওয়ারিশ নেতা', মমতার থ্রেট তত্ত্ব উড়িয়ে সিএন ডিজিটালকে জানালেন দিলীপ ঘোষ

মণি ভট্টাচার্যঃ মমতা বন্দোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) করা মুকুল রায়কে (Mukul Roy) থ্রেট তত্ত্ব উড়িয়ে, মমতা বন্দোপাধ্যায়ের মন্তব্যের পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh)। বুধবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দিয়েছিলেন মুকুল রায় বিজেপির বিধায়ক। মুকুল রায় প্রসঙ্গে তিনি একটি উল্লেখযোগ্য মন্তব্যও করেন, তিনি বলেন, 'ওকে হয়ত কেউ থ্রেট করেছে।' এরপরে এই প্রসঙ্গে রাজ্য বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে সিএন ডিজিটালকে জানালেন, 'মুকুল রায় কোন বাচ্চা ছেলে নয়, উনি বঙ্গ রাজধানীতে দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতি করছেন। কাউকে থ্রেট করে নিয়ে যাওয়া হবে এতটা বাচ্চা মুকুল রায় নন।' তিনি আরও বলেন, 'মুখ্যমন্ত্রী হয়তো থ্রেট করে তাঁকে তৃণমূলে নিয়ে গিয়েছিলেন, এছাড়া বঙ্গ রাজনীতিতে ওনার গ্রহণযোগ্যতা কী আছে?'

এছাড়া মুকুল রায়ের অন্তর্ধান প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ এদিন স্পষ্ট বলেন, 'মুকুল রায়ের রাজনৈতিক কোন দাম এই মুহূর্তে বাংলায় নেই, তিনি এখন বেওয়ারিশ নেতা।' যদিও দিলীপ ঘোষ আরও বলেন, 'কখনও ওনার ছেলে বলছেন বাবা কিডন্যাপ হয়েছেন, কখনও উনি বলছেন আমি ঠিক আছি, আবার ওনার ছেলে বলছেন উনি নাকি অসুস্থ। পাল্টা মুকুল রায় বলছেন আমি সুস্থ, আমি বিজেপি করি। উনি একজন বিধায়ক উনি উনার ইচ্ছে মত দল করতে পারেন।'

রাজনৈতিক ঘটনাচক্রে ২০২১ সালে জুন মাসে, বিজেপিতে কেউ থাকতে পারবে না বলে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন তিনি। বর্তমানে মুকুল ফের দাবি করছেন, তিনি বিজেপির বিধায়ক, দলবদল প্রসঙ্গে সিএন-ডিজিটালকে বৃহস্পতিবার দিলীপ ঘোষ আরও বলেন যে, 'মুকুল রায় দীর্ঘ এক-দেড় বছর রাজনীতির বাইরে ছিলেন, কোনও ভাবেই সক্রিয় রাজনীতির মধ্যে ছিলেন না তিনি। তখন কে তাঁর খোঁজ নিয়েছে, তখন তাঁর খোঁজ নেননি কেউই।' দলবদল প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বৃহস্পতিবার সিএন-ডিজিটালকে আরও বলেন, 'মুকুল রায় যখন বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে গিয়েছেন। সেই সময় আমাদের বিজেপির মনবল নষ্ট করেছেন এবং বিজেপির অনেক অসম্মান করেছেন। এখন তাঁকে বিজেপিতে নেওয়া হবে কিনা! সে বিষয়ে আমি কিছু বলতে পারব না। সে বিষয়ে বিজেপির উচ্চ কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নেবে।'

one year ago


Dilip: রাজ্যপালের প্রশংসায় পঞ্চমুখ দিলীপ ঘোষ! বলেন, 'রাজ ভবন রাজনীতির জায়গা নয়'

প্রসূন গুপ্ত: তিনি প্রাক্তন রাজ্য বিজেপি সভাপতি, তিনি বিজেপি সাংসদ। কঠিন সময়ে প্রথমে ২০১৬-তে খড়গপুর বিধানসভা থেকে জিতে বিধায়ক হন। আবার ২০১৯-এ মেদিনীপুর লোকসভা থেকে সাংসদও হয়েছেন দিলীপ ঘোষ। এটা বাস্তব তাঁর রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ছিল না ২০১৪ পর্যন্ত। কিন্তু তারপর তাঁকে সংঘ পরিবার থেকে নিয়ে এসে দল সভাপতি করে। এক সময়ে মজা করে প্রশ্ন করা হয়েছিল, বিয়ে করেননি কেন? উত্তর এসেছিলো, সারাটা জীবন তো সংঘের প্রচারক হিসাবে কাজ করলাম, ফলে বিয়ের ভাবনাটাই আসেনি। এটাও বাস্তব তাঁর আমলে রাজ্য বিজেপি শক্তি বৃদ্ধি করেছিল। বঙ্গ বিধানসভায় ৩ থেকে ৭৭ আসন পাওয়া কম কথা নয়। কিন্তু সেই কাজটি করতে পেরেছিলেন দিলীপবাবু।

পরে রাজ্য বিজেপির সভাপতির পদ থেকে কেন্দ্রীয় বিজেপির সহ-সভাপতির পদ পান। শোনা গিয়েছে দ্বিতীয় মোদী সরকারে তাঁকে ক্যাবিনেটের দায়িত্ব নেওয়ার অনুরোধ করলে তিনি নম্রভাবে প্রত্যাখ্যান করেন। দিলীপ ঘোষ চিরকাল ভোরে উঠে নানা জায়গায় চায়ের আড্ডা জমান, তিনি বলেন জনমত বোঝার এটা একটা মোক্ষম কাজ। একইসঙ্গে মাঝে মধ্যে বিতর্কিত মন্তব্য করে খবরে থাকেন দিলীপ ঘোষ। যদিও লালু যাদব, অনুব্রত মন্ডল থেকে দিলীপ ঘোষের কটাক্ষ বিরোধীদের উদ্দেশে ক্রোধের থেকে মজাদায়ক বেশি।

এহেন দিলীপ ঘোষ ফের মুখ খুললেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের হয়ে। সম্প্রতি রাজ্যের বিরোধী নেতা রাজ্যপালের উপর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। সেই মন্তব্যের উত্তরও দিয়েছেন কম কথা বলা উচ্চশিক্ষিত বোস। এবার দিলীপ ঘোষ রাজ্যপালের প্রভূত প্রশংসা করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, সিভি আনন্দ বোস উপযুক্ত মানুষ। পথে নেমে কাজ করেন রাজ্যপাল। দিলীপবাবু বলেন, 'রাজভবন রাজনীতির  জায়গা নয়।' 

one year ago
Dilip: হাওড়ার পর অগ্নিগর্ভ রিষড়া, দিলীপ ঘোষের রাম নবমীর মিছিলে দুষ্কৃতী হামলার অভিযোগ

রিষড়ায় (Rishra) দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) রাম নবমীর মিছিলে দুষ্কৃতী হামলার (Attack) অভিযোগ। হাওড়ার পর এবার রিষড়ায় অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি রাম নবমীর মিছিলে। সূত্রের খবর, রবিবার রাম নবমীর মিছিলে পা মিলিয়েছিলেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। অভিযোগ, আচমকাই একদল দুষ্কৃতী হামলা করে ওই মিছিলে। ভাঙচুর চালানো হয় বলে অভিযোগ। সূত্রের খবর, কোনরকমে কেন্দ্রের সশস্ত্র জওয়ান ও তাঁর দেহরক্ষী তাঁকে ওই পরিস্থিতি থেকে উদ্ধার করেন। ওই ঘটনায়, গুরুতর আহত হন বিজেপি বিধায়ক বিমান বোস। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।  এ ঘটনায় রিষড়ায় বিশাল পুলিস  বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

দু'দিন, ঘোর কাটেনি হাওড়ার শিবপুরের। শিবপুরে রামনবমীর মিছিলে হামলার অভিযোগে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে হাওড়া, শিবপুরের কাজীপাড়া। নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। মমতা বন্দোপাধ্যায় পুলিসের নিষ্ক্রিয়তা মেনে নিয়ে তদন্ত করা হবে জানান। রাজনৈতিক মহলে জোর কটাক্ষ শুরু হয়। রাজ্যপাল আশ্বাস দেন কমিটি ঘটনা করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তদন্তভার সিআইডি গ্রহণ করে। হাওড়ার শিবপুরের ঘটনার তিনদিনের মাথায় এমন ঘটনা  কি করে ঘটল? এ নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। প্রশ্ন উঠছে, কেন রাম নবমীর মিছিলে অতিরিক্ত পুলিসি নিরাপত্তা দেওয়া হলো না? ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিসবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। এখন পরিস্থিতি খানিকটা নিয়ন্ত্রণে।

one year ago