Breaking News
Train: দমদমে ২১ দিনের ট্রাফিক ব্লক, বাতিল একগুচ্ছ ট্রেন, প্রভাবিত কোন কোন রুট?      Sarabjit Singh: ভারতীয় বন্দি সরবজিৎ সিং-এর হত্যাকারী সরফরাজকে গুলি করে খুন লাহোরে      BJP: ইস্তেহার প্রকাশ বিজেপির, 'এক দেশ এবং এক ভোট' লাগু করার প্রতিশ্রুতি      Fire: দমদমে ঝুপড়িতে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড, ঘটনাস্থলে দমকলের একাধিক ইঞ্জিন      Bengaluru Blast: বেঙ্গালুরু ক্যাফে বিস্ফোরণকাণ্ডে কাঁথি থেকে দুই সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করল এনআইএ      Sheikh Shahjahan: 'সিবিআই হলে ভালই হবে', হঠাৎ ভোলবদল শেখ শাহজাহানের      CBI: সন্দেশখালিকাণ্ডে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের...      NIA: ভূপতিনগর বিস্ফোরণকাণ্ডে এবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ NIA      ED: অবশেষে ইডির স্ক্যানারে চন্দ্রনাথের 'মোবাইল-হিস্ট্রি', খুলতে পারে নিয়োগ দুর্নীতি রহস্যের জট      PM Modi: তৃণমূল মানেই দুর্নীতি-লুট! ভোট প্রচারে সন্দেশখালির পর ভূপতিনগর নিয়ে সরব মোদী     

Court

Anubrata court: অনুব্রতর জেল না জামিন? আসানসোল আদালত চত্বরে কড়া নিরাপত্তা

গরুপাচার-কাণ্ডে(cattle smuggling case) ধৃত অনুব্রতের ১৪ দিনের সিবিআই(CBI custody) হেফাজতের মেয়াদ আজ শেষ। আজই আসানসোলের বিশেষ সিবিআই আদালতে(asansol CBI court) পেশ করা হবে তাঁকে। বুধবার সকালে তাঁকে নিজাম প্যালেস(Nizam palace) থেকে নিয়ে আসানসোলের উদ্দেশে রওনা সিবিআই আধিকারিকদের।

অন্যদিকে, ইতিমধ্যেই কোর্টে প্রবেশ করলেন বিচারক রাজেশ চক্রবর্তী। এদিন আসানসোলের কোর্ট চত্বরে হুমকি চিঠির জেরে কড়া নিরাপত্তা(tight security)। ব্যারিকেড দেওয়া হয়েছে জায়গায় জায়গায়। সূত্রের খবর, নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে আসানসোলের সিবিআই আদালত। ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয় কোর্ট চত্বরে। সঠিক কারণ বললে কাউকেই ব্যারিকেড টপকে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। আজ আইনজীবী ছাড়া আর কেউ প্রবেশ করতে পারবে না। সাংবাদিকদেরও প্রবেশ নিষেধ। এমনকী ঢুকতে নিষেধাজ্ঞা অন্যান্য আইজীবীদেরও। তবে চিঠি প্রসঙ্গে কোনও মন্তব্য করলেন না বিচারক রাজেশ চক্রবর্তী। 

জানা গেছে এদিন সকালের খাবারে মুড়ি খেয়েছেন, কচুরি,তরকারি খেয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল। সূত্রের খবর,আদালতের পথে যেতে এদিন শক্তিগড়ে ল্যাংচা খেয়েছেন তিনি।

সূত্রের খবর, বিচারককে হুমকি চিঠি নিয়ে অনুব্রত মণ্ডল বলেন, 'বিচারককে বলব, সিবিআই তদন্ত হোক','এই নোংরামি বন্ধ হোক' ।

এদিন সিএনের -এর বুম দেখে সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে আরও একবার মেজাজ হারালেন কেষ্ট!

সাংবাদিক: দাদা শরীর কেমন আছে?

অনুব্রত-'কোন টিভি?' 

সাংবাদিক:সিএন 

অনুব্রত-'ওই ফাউ'

অনুব্রত-'বাবা!'

অনুব্রত- 'দালালের দালালের দালালের দালালের দালালের দালাল' 

সাংবাদিক:দাদা কালকের হুমকি চিঠি নিয়ে কি বলবেন?

অনুব্রত-'একেবারে দালাল দালাল দালাল'

তবে তিনি জামিন পাবেন না ফের জেল হেফাজত হবে অনুব্রতের তা শুধু সময়ের অপেক্ষা। সেক্ষেত্রে তাঁকে ভিন্‌রাজ্যে পাঠানোর জন্য সিবিআই ‘সক্রিয়’ হবে বলে সূত্রের খবর।

2 years ago
SC: 'আপনার জন্যই ভারতীয় ফুটবলের এই হাল', প্রফুল্লকে সুপ্রিম ধমক

সুপ্রিম কোর্টের কটাক্ষের মুখে ভারতীয় ফুটবল সংস্থার (AIFF) প্রাক্তন সভাপতি প্রফুল্ল প্যাটেল (Prafulla Patel)। হুঁশিয়ারির সুরে দেশের শীর্ষ আদালতের মন্তব্য, ভারতীয় ফুটবলকে ধ্বংস করার চেষ্টা করছেন প্রফুল্ল। সোমবারই এআইএফএফ-র উপর থেকে প্রশাসক কমিটিকে (সিওএ) সরিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। এআইএফএফ নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে তারা। সেই নির্দেশ মেনে আগামী ২ সেপ্টেম্বর নির্বাচনের দিনক্ষণ ঠিক হয়েছে। এদিকে, সোমবারের শুনানিতে প্রফুল্লকে একহাত নিয়েছেন বিচারপতিরা। ভারতীয় ফুটবলের বর্তমান অবস্থার জন্য তাঁকেই দায়ী করেছে শীর্ষ আদালত।

সুপ্রিম কোর্টে প্রফুল্লের হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী কপিল সিব্বল। তিনি জানান,  নির্বাচনের তদারকির জন্য সুপ্রিম কোর্ট যে রিটার্নিং অফিসার নিয়োগ করতে চাইছে, তাতে কয়েকটি রাজ্য সংস্থার আপত্তি রয়েছে। এই মন্তব্যের পরেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়। প্রফুল্লের আইনজীবীর উদ্দেশে বিচারপতি বলেন, 'আপনি বিশ্বকাপ আয়োজনে বাধা দিচ্ছিলেন। আপনি ভারতীয় ফুটবলকে ধ্বংস করার চেষ্টা করেছেন। সেটা এখনও করে চলেছেন। আমরা আপনাকে বুঝে নেব।'

বিচারপতি চন্দ্রচূড় আরও জানান, রাজ্য সংস্থাগুলির সম্মতির পরেই রিটার্নিং অফিসার নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, 'এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে কেউ আবেদন করেনি। এমনকি, রাজ্য সংস্থার প্রতিনিধিদেরও এতে সম্মতি রয়েছে।'

সুপ্রিম কোর্টে প্রফুল্লের হয়ে সিবাল জানান, আমার মক্কেল চেয়েছিলেন নির্বাচন হোক। মহিলাদের অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপ আয়োজনের দায়িত্ব তাঁর আমলেই পাওয়া। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব নির্বাচন হোক ও ভারতীয় ফুটবলের উপর থেকে নির্বাসন তুলে নেওয়া হোক। এই বক্তব্যের পরে বিচারপতি চন্দ্রচূড় প্রশ্ন করেন, এআইএফএফ-র নির্বাচন হলে কি ফিফায় নিজের পদ থেকে সরে দাঁড়াবেন প্রফুল্ল? জবাবে প্রফুল্ল জানিয়েছেন, তিনি সেখানে নির্বাচিত প্রতিনিধি। ভারতীয় ফুটবলের ভালর জন্যই সেখানে লড়াই করছেন তিনি।

2 years ago
Bagtui: বগটুই-কাণ্ডে সিবিআইয়ের হাতে ধৃত আরও ৭, ফের ঘটনাস্থলে সেন্ট্রাল ফরেন্সিক দল

বগটুইয় গণহত্যা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় নতুন করে ৭ জন সিবিআইয়ের হাতে ধৃত। তাঁদের মঙ্গলবার আদালতে তোলা হলে ১০ দিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দিলেন বিচারক। ফের ধৃতদের ২ সেপ্টেম্বর আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে ভাদু শেখ খুনে অভিযুক্ত ছোট লালন শেখকে দু-দিনের সিবিআই (CBI) হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। 

সিবিআই সূত্রে খবর, মঙ্গলবার ধৃতদের রামপুরহাট মহকুমা আদালতে (Court) তোলা হয়। ধৃতদের নাম নুর আলি শেখ, শের আলি শেখ, বিকির আলি শেখ, আসিফ শেখ, জসিফ শেখ, সাইদুল শেখ, জামিনুল শেখ। 

উল্লেখ্য, ওই পঞ্চায়েতের উপপ্রধান ভাদু শেখ খুন হওয়ার পর থেকে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বগটুই (Bagtui) গ্রাম। একাধিক বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিল বলেও অভিযোগ। তাতেই ৮ জনের প্রাণ গিয়েছে। ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পুলিসকে কড়া ব্যবস্থা নিতেও বলেছিলেন। এই ঘটনার পর নমুনা সংগ্রহ করেছিলেন কেন্দ্রীয় ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা। এখানে কীভাবে আগুন লাগল? তা জানতেই আবার আসছে কেন্দ্রীয় ফরেনসিক টিম।

2 years ago


HC: জ্ঞানেশ্বরী তদন্ত চলছেই! বিচারক নেই, ফলে বিচারপ্রক্রিয়া থমকে

এক দশকের পরেও বাকি জ্ঞানেশ্বরী(Gyansehwari rail accident)) রেল দুর্ঘটনার সাক্ষ্য গ্রহণ। মামলাকারীর আইনজীবী জানান, চলতি বছরে মার্চ মাস থেকে নিম্ন আদালতে(lower court) নেই বিচারক। বাকি রয়েছে সাক্ষ্যগ্রহণও। বন্ধ শুনানি পশ্চিম মেদিনীপুর আদালতে। কি অবস্থায় তদন্ত? কি অবস্থায় রয়েছে মামলা? এর প্রেক্ষিতে সিবিআইকে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট(Kolkata Highcourt)। 

সিবিআইয়ের আইনজীবী জানান, জ্ঞানেশ্বরী রেল দুর্ঘটনার ১৪৮ জনের মৃত্যু হয় ১৭০ জন আহত হয়। রেল কর্তৃপক্ষ ২৫ কোটি টাকার সম্মুখীন হয়েছে। ইতিমধ্যে ২৪৫ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৭১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। জ্ঞানেশ্বরী মামলায় জামিনের আবেদনে দ্বারস্থ হয় মোট ৫ জন। এরা হলেন মন্টু মাহাত, লক্ষ্মণ মাহাত, সঞ্জয় মাহাত,তপন মাহাত এবং বাবলু রানা। সেই মামলাতেই রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিল বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী ও বিচারপতি রাজা বসুচৌধুরীর ডিভিশন বেঞ্চ। রিপোর্টের জন্য সময় দেওয়া হয়েছে ১৫ দিন। উল্লেখ্য এই মামলার বিচার চলছে মেদিনীপুরের অতিরিক্ত দায়রা বিচারকের (আরডি কোর্ট অর্থাৎ রি-ডেজিগনেটেড কোর্ট) আদালতে।

প্রসঙ্গত, ২০১০ সালের ২৭ মে গভীর রাতে ঝাড়গ্রামের সরডিহার রাজাবাঁধ এলাকায় লাইনচ্যুত হয়ে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে হাওড়া থেকে মুম্বইগামী আপ জ্ঞানেশ্বরী এক্সপ্রেস। ঠিক ওই সময়ে ডাউন লাইনে উল্টো দিক থেকে আসা একটি মালগাড়ির সঙ্গে সংঘর্ষ হয় এক্সপ্রেস ট্রেনটির। মৃত্যু হয় জ্ঞানেশ্বরীর ১৪৮ জন যাত্রীর। ১৭০ জন যাত্রী আহত হন। উল্টো দিকের মালগাড়ির চালকও নিহত হন। অভিযোগ, মাওবাদী-মদতপুষ্ট জনসাধারণের কমিটির লোকজন আপ লাইনের প্যানড্রোল ক্লিপ ও ফিসপ্লেট খুলে দেওয়ায় দুর্ঘটনাগ্রস্ত হয়েছিল জ্ঞানেশ্বরী এক্সপ্রেস।

2 years ago
Howrah: 'কোর্ট অর্ডার থাকলেও সিবিআইয়ের কেউ আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেনি', এবার ক্ষুব্ধ প্রতিমা দত্ত

দিন দুয়েক আগে রাজ্যের একাধিক ইস্যুতে সিবিআই তদন্ত (CBI Investigation) নিয়ে ঘুরিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। এবার সিবিআই প্রসঙ্গে সেই সুরই শোনা গেল নিহত তৃণমূল নেতা তপন দত্তর (TMC Leader Killed) স্ত্রীয়ের কণ্ঠে। বালির তৃণমূল নেতা তপন দত্ত খুনে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। কিন্তু চার মাস পেরোলেই কেন্দ্রীয় সংস্থার কেউ প্রতিমা দত্তর সঙ্গে যোগাযোগ করেনি। মঙ্গলবার এই অভিযোগ করেন নিহত তপন দত্তর স্ত্রী।

ক্যালকাটা নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, 'ছয় মাসের মধ্যে আমার স্বামীর খুনের ঘটনার তদন্ত সিবিআইকে শেষ করতে নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। কিন্তু সেই নির্দেশের পর চার মাস কাটলেও সিবিআইয়ের কেউ আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেনি। কিন্তু এই কোর্ট অর্ডার বার করতে আমার ১২ বছর সময় লেগেছে।'

তিনি জানান, দিলীপ দা হয়তো ঠিক বলেছেন। মানুষের মনেও একটু চিন্তা আছে। অনুব্রত মণ্ডলের মতো হাওড়ার নেতারাও বিত্তশালী। মূলত আমার যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তাঁরা হয়তো সিবিআইয়ের সঙ্গে সেটিং করে নিয়েছে। একবারও কেউ ভাবছে না যে ১২ বছর লড়াই করে একজন কোর্ট অর্ডার বের করেছে। অন্তত তাঁর সঙ্গে এসে কথা বলি। কিন্তু কেউ প্রয়োজন মনে করেনি।

প্রতিমা দত্ত বলেন, '১২ বছর ধরে আমি মামলাটাকে জীবিত করে রেখেছিলাম। আমার ধারণা ছিল সিবিআই হয়তো বিষয়টি গুরুত্ব দেবে। কিন্তু ১২ বছর আগের এক খুনের কোনও প্রত্যক্ষ তথ্য প্রমাণ নেই। আছে শুধু পারিপার্শ্বিক তথ্য প্রমাণ এবং নথি। আরও দেরি করলে সেই তথ্য প্রমাণও নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা। তাই সিবিআই ঠিক কে চাইছে বুঝতে পারছি না।'

2 years ago


Court: ১৭ বিরোধী নেতানেত্রীর সম্পত্তিবৃদ্ধি নিয়ে মামলা, সোমবার পর্যন্ত পিছলো শুনানি

১৭ বিরোধী নেতার (Opposition Leader) সম্পত্তিবৃদ্ধি নিয়ে করা মামলার (PIL) শুনানি পিছলো। আগামি ২৯ অগাস্ট এই মামলার পরবর্তী শুনানি। মঙ্গলবার শুনানিতে মহম্মদ সেলিম এবং তন্ময় ভট্টাচার্য জানান। আগেও তাঁরা সম্পত্তির খতিয়ান হলফনামা দিয়ে জানিয়েছেন। প্রয়োজনে আবারও জানাবেন। তবে বিজেপির তরফে আদালতে (Calcutta High Court) সময় চাওয়া হয়েছে। সবপক্ষকে মামলার নথি দেওয়ার নির্দেশ আবেদনকারী সুজিত গুপ্তকে দিয়েছে আদালত।

ইতিমধ্যে তৃণমূলের ১৯ নেতামন্ত্রীর সম্পত্তিবৃদ্ধি সংক্রান্ত একটি জনস্বার্থ মামলা হাইকোর্টে চলছে। সেই মামলায় ইডিকে যুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। এই নির্দেশের বিরোধিতা করে পাল্টা হলফনামা দিয়েছে তৃণমূলের একাধিক নেতামন্ত্রী। এই আবহে বিরোধী ১৭ নেতার সম্পত্তিবৃদ্ধি নিয়েও হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছে।

এই তালিকায় নাম আছে সিপিএম-র মহম্মদ সেলিম, প্রাক্তন বিধায়ক তন্ময় ভট্টাচার্য-সহ বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়, সৌমিত্র খাঁ, বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল প্রমুখদের। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী-সহ তাঁর বাবা শিশির অধিকারী এবং ভাই দিব্যেন্দু অধিকারীর নামও আছে তালিকায়।  

2 years ago
AIFF: অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশনের প্রশাসক কমিটি ভেঙে দিল সুপ্রিম কোর্ট, পিছিয়ে গেল নির্বাচনও

কেন্দ্রের আবেদনকেই মান্যতা দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। সোমবার প্রশাসক কমিটি (সিওএ) (Committee of Administrators) ভেঙে দিল সুপ্রিম কোর্ট। যাকে এই বছরের শুরুতে এআইএফএফ-এর কাজকর্মের তত্ত্বাবধানের জন্য নিযুক্ত করা হয়েছিল। অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশন (All India Football Federation) এর নির্বাচনও (postponed election) এক সপ্তাহ পিছিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট। অগাস্টের শেষ সপ্তাহের বদলে সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে নির্বাচন হবে বলে শীর্ষ আদালত জানিয়েছে। আদালতের বক্তব্য, এআইএফএফ-এর জেনারেল সেক্রেটারি প্রতিদিনের কাজকর্ম চালিয়ে যাবেন। এআইএফএফ-এর সভাপতি, সহ সভাপতি কোষাধ্যক্ষ-সহ ২৩ সদস্য থাকবেন। যার সদস্য হবেন ৬ জন প্রতিষ্ঠিত খেলোয়াড়।

তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপের কারণে ফিফা ১৫ আগস্ট এআইএফএফ-এর উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল। এবং বলেছিল যে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত ভারতের পক্ষে U17 মহিলা বিশ্বকাপ আয়োজন করা সম্ভব হবে না। শীর্ষ আদালত এআইএফএফ-এর প্রতিদিনের ব্যবস্থাপনা ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সুনান্দো ধরকে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

৩রা অগাস্ট সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসক কমিটির অধীনে এআইএফএফ-এর নির্বাচন অনুষ্ঠানের নির্দেশ দিয়েছিল ২৮শে অগাস্ট। ৩৬ জন বিশিষ্ট খেলোয়াড়কে ভোট দেওয়ার অধিকার দিয়েছিল। কিন্তু ফিফা, যেটি স্বতন্ত্র সদস্যদের ইলেক্টোরাল কলেজ গঠনের পক্ষে ছিল না, ১৫ আগস্ট ভারতীয় ফুটবল দলকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।

আজ সুপ্রিম কোর্টে মামলার শুনানিতে সলিসিটার জেনারেল বলেন, "আমাদের দেশের ফুটবলারা খেলার সুযোগ পাবেন না। আমরা দেশে বিশ্বকাপের সুযোগ হারাতে পারি। আমাদের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ফিফা।" একটি বিশদ আদেশে, বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূদের নেতৃত্বাধীন একটি বেঞ্চও ২৮ অগাস্ট এআইএফএফ-এর নির্বাচন এক সপ্তাহের জন্য স্থগিত করেছে। যাতে পরিবর্তিত ইলেক্টোরাল কলেজ এবং নতুন নিয়ম মেনে মনোনয়ন জমা দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়।

এটি আরও স্পষ্ট হয়েছে যে "এআইএফএফ-এর দৈনন্দিন বিষয়গুলি একচেটিয়াভাবে মহাসচিব দ্বারা দেখা হবে। মহাসচিব দায়িত্ব নেওয়ার পরে প্রশাসক কমিটির অস্তিত্ব বন্ধ হয়ে যাবে। প্রশাসক কমিটি ইতিমধ্যেই খসড়া সংবিধানের সারণি সহ জমা দিয়েছে।

এরই মাঝে আদালতে আবেদন করেন দেশের প্রাক্তন অধিনায়ক ভাইচুং ভুটিয়া। তাঁর দাবি ছিল, পুরনো খসড়া প্রস্তাবের মতই তাঁদের মনোনয়নও যেন গৃহীত হয । তবে তা হবে কি না এখনও স্পষ্ট নয়। ভাইচুং তাঁর আবেদনে এও জানিয়েছেন, প্রাক্তন ফুটবলারদেরও কমিটিতে থাকা জরুরি।

2 years ago
Kalyani: এইমস-এর নিয়োগ-দুর্নীতির তদন্তে বিপাকে সিআইডি

কল্যাণী এইমসে (Kalyani AIIMS) নিয়োগ-দুর্নীতি মামলা। মামলায় বিপাকে সিআইডি (CID)। কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে তদন্ত (investigation) করতে হলে কেন্দ্রের অনুমতি নিতে হবে। দুর্নীতি দমন আইনে কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠানের আধিকারিকের বিরুদ্ধে তদন্ত করতে হলে সিআইডির কেন্দ্রের অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক। কল্যাণী এইমসে বেআইনি নিয়োগের অভিযোগে তদন্ত চালানো সিআইডিকে এই মর্মে সতর্ক করল হাইকোর্ট (Highcourt)। সোমবার এই সংক্রান্ত জনস্বার্থ মামলার শুনানি ছিল হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব এবং বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চে।

উল্লেখ্য, গত শুনানিতে কেন্দ্রের আইনজীবী অভিযোগ করেন, কেন্দ্রের অনুমতি না নিয়েই তদন্ত চালাচ্ছে সিআইডি। তাঁর যুক্তি ছিল, এইমসে বেআইনি কর্মী নিয়োগ মামলায় কয়েক জন কর্মীর নিয়োগ নিয়ে অভিযোগ উঠেছে। এ ক্ষেত্রে তাঁরা কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মচারী। তাই তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও তদন্ত করতে গেলে কেন্দ্রের অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক। পাশাপাশি সিআইডিকে আদালত জানিয়েছে, দুর্নীতি দমন আইনের ১৭ (এ), ১৯৮৮ মোতাবেক, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কোনও কর্মী বা আধিকারিকের বিরুদ্ধে তদন্ত, অনুসন্ধান এবং জিজ্ঞাসাবাদ করা যাবে না। এ ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য। ফলে কল্যাণী এইমসের কর্মীদের বিরুদ্ধে তদন্তের ক্ষেত্রেও কেন্দ্রের অনুমতি নিতে হবে রাজ্যের তদন্তকারী সংস্থাকে। কেন্দ্রের আইনজীবীর যুক্তিকে মান্যতা দিয়ে সোমবার সিআইডিকে সতর্ক করল আদালত। আগামী বুধবার এই মামলার পরবর্তী শুনানি।

এদিকে সূত্রের খবর, এই মামলায় এতদিন সিআইডির তরফে শুনানি করা সিনিয়র স্ট্যান্ডিং কাউন্সিল অমিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায় এই মামলা থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা জানান। প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে কোনও সিনিয়র আইনজীবীকে এখানে নিয়োগ করার জন্য অনুরোধ করেছেন তিনি।


2 years ago


AIFF: ভারতীয় ফুটবলে স্থায়িত্ব, বাইচুংয়ের বাইসাইকেল কিকে না কল্যাণের পাঞ্জায়?

ভারতীয় ফুটবলে বা অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশনেকে কবে শুনেছেন যে নির্বাচন করে সভাপতি ঠিক করেছে। ফেডারেশন কিন্তু একসময় দাবি করতো, সবকিছু নিয়মমাফিক হয়ে থাকে। যদি তাই হবে তবে বিষয়টি শীর্ষ আদালত অবধি গেলো কেন? আদালত কার্যকরী কমিটি বাতিল করে সাময়িক তদারকি কমিটি গড়ে দিলো কেন? এরকম সাময়িক কমিটি দেখে বিশ্ব ফুটবল বা ফিফা কেনইবা ভারতীয় ফুটবলকে ব্যান করলো? এরকম প্রশ্ন অনেকের?

কিন্তু এখন বিপাকে পরে দ্রুত নির্বাচন এনে একটা স্থায়িত্ব আনার চেষ্টা চলেছে এআইএফএফ-র অন্দরে। সভাপতি পদে ইতিমধ্যে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন পাহাড়ি বিছে বাইচুং ভুটিয়া। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখা যেতে পারে কলকাতার দুই বড় ক্লাবে গোলরক্ষক থাকা কল্যাণ চৌবেকে। কল্যাণ আবার বর্তমানে বিজেপির অন্যতম পরিচিত মুখ। 

যদিও প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সি বা প্রফুল প্যাটেল দীর্ঘদিন এআইএফএফের দায়িত্বে ছিলেন।  বিভিন্ন সময়ে কেন্দ্রে রাজনীতির পটপরিবর্তন হলেও ভারতীয় ফুটবলের উন্নতির স্বার্থে কোনও রাজনৈতিক দল এর আগে মাথা ঘামায়নি। যদিও প্রিয় বা প্রফুল কেউই প্রাক্তন ফুটবলার ছিলেন না বরং রাজনীতির নেতাই ছিলেন। 

এবারে কিন্তু নতুন কমিটি করতে নির্বাচন আসছে এবং এই নির্বাচন অনেকটাই দাঁড়িয়ে রাজনৈতিক পটভূমিকায়। যত দ্রুত একটি স্থায়ী কমিটি হবে তত দ্রুতই ফিফা ভারতীয় ফুটবল থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেবে বলেই খবর। বিশ্ব ফুটবলের নিয়ামক সংস্থা কোনওভাবেই আদালত অনুমোদিত অস্থায়ী কমিটি মানবে না। কাজেই দ্রুত নির্বাচন আসছে নতুন সভাপতি গড়তে। সাধারণত এআইএফএফ বা বিসিসিআইয়ের মতো সংস্থায় সভাপতির ক্ষমতা অসীম। তিনি বাকি পদগুলির ব্যবস্থা নিতে পারেন। বিষয়টি কিন্তু এবার আর সাধারণ নির্বাচনে দাঁড়িয়ে নেই। 

একদিকে পদপ্রার্থী ভারতের সর্বকালের সেরা ফুটবলার বাইচুং ভুটিয়া, অন্যদিকে প্রাক্তন গোলরক্ষক কল্যাণ চৌবে। শোনা যাচ্ছিল, মমতা বন্দ্যেপাধ্যায়ের বড় ভাই অজিত বন্দ্যেপাধ্যায়ও প্রার্থী হতে পারেন। বাইচুংয়ের পিছনে রয়েছে সারা ভারতের আবেগ, যদিও ভোট তো আর সাধারণ জনতা দেবে না, দেবে নানা রাজ্যের ফুটবল কমিটির সদস্যরা।  কল্যাণ সেরকম বড় মাপের খেলোয়াড় না থাকলেও ইস্ট-মোহনে খেলেছেন। তিনি মোহনবাগানের প্রয়াত সম্পাদক অঞ্জন মিত্রর জামাইও বটে। কিন্তু এটাই তাঁর বড় পরিচয় নয়। তিনি বিজেপির সদস্য তথা গত লোকসভা ও বিধানসভায় প্রার্থীও হয়েছেন পদ্ম প্রতীকে। জানা যাচ্ছে তিনি প্রার্থী হচ্ছেন মোদী-শাহর গুজরাত থেকে। স্বাভাবিক ভাবে বলে দেওয়া যায় তাঁকে জিতিয়ে আনার প্রয়াস জারি থাকবে। এবার তবে ভারতীয় ফুটবলে স্থায়িত্ব আনতে বাইচুংয়ের বাই-সাইকেল কিক না কল্যাণের পাঞ্জা? কীসে ভরসা, তা সময়ের অপেক্ষা।

2 years ago
Asset: বিরোধী দলের নেতাদের নামে কোর্টে মামলা, তরজায় জড়ালেন সুকান্ত, অধীর, কুণাল

তৃণমূলের ১৯ নেতামন্ত্রীর সম্পত্তিবৃদ্ধি (Asset Case) নিয়ে হাইকোর্টে (Calcutta High Court) বিচারাধীন জনস্বার্থ মামলা (PIL)। পাশাপাশি বিরোধী দলের ১৭ নেতার সম্পত্তিবৃদ্ধি নিয়েও বৃহস্পতিবার পাল্টা জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছে হাইকোর্টেই। এবার শাসক-বিরোধী দলের নেতাদের নামে চলা এই জোড়া মামলা ঘিরে তুঙ্গে চাপানউতোর। বিরোধী দলের যে ১৭ নেতানেত্রীর নামে মামলা দায়ের হয়েছে, সেই তালিকায় নাম আছে বিজেপির দিলীপ ঘোষ, লকেট চট্টোপাধ্যায়, অগ্নিমিত্রা পাল, সৌমিত্র খাঁ প্রমুখদের। সেই প্রসঙ্গে বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, 'আমরা ইডি, সিবিআই যে কোনও ধরনের তদন্তের মুখোমুখি হতে প্রস্তুত। তৃণমূল নেতারা ইডির বিরোধিতা করে কোর্টে গিয়েছে। কিন্তু আমাদের কেউ বিরোধিতা করতে কোর্টে যাবে না।'

বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় জানান, এটা প্রতিহিংসার রাজনীতি। আমরা কষ্ট করে জনপ্রতিনিধি হয়েছি। এদিকে তৃণমূল নেতারা যা সম্পত্তি বানিয়েছে, তাঁদের কাছে আমরা অনেকটাই ক্ষুদ্র। পাল্টা দায়ের হওয়া জনস্বার্থ মামলায় নাম আছে প্রাক্তন বিরোধী দলনেতা আবদুল মান্নানের। সেই প্রসঙ্গে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী বলেন, 'আমরা চাই সবার তদন্ত হোক। সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর সম্পত্তিরও তদন্ত হোক। আমি শুধু জানতে চাই বিধায়ক, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বেতন না নিয়ে দিদির চলে কীভাবে?'

তৃণমূলের তরফে মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, 'তৃণমূল নেতাদের নামে মামলা হলে সব ঠিক আছে। আর বিজেপি কারও নামে মামলা হলে সেটা প্রতিহিংসা। ২০১৬ সালে তো বিজেপিই পার্টি অফিসে টিভি চালিয়ে শুভেন্দুর টাকা নেওয়ার ছবি দেখিয়েছিল। এবং স্লোগান তুলেছিল সিবিআই চাই। শুভেন্দু তো এখন তাঁদের সঙ্গেই ঘুরে বেড়াচ্ছে।'

ঠিক কী বললেন সুকান্ত মজুমদারম, অধীর চৌধুরী এবং কুণাল ঘোষ?

2 years ago


Kerala: স্ত্রীর সঙ্গে অন্য মহিলার তুলনা মানসিক নির্যাতনঃ কোর্ট

নিজের স্বামীর (Husband) মুখে অন্য কোনও মেয়ে বা মহিলার নাম শুনলেই তেলে বেগুনে জ্বলে ওঠেন কম-বেশি সব মহিলারাই। সেখানে নিজের স্ত্রীয়ের (Wife) সঙ্গে অন্য মহিলার তুলনা (Comparing) করার অর্থ নিজের পায়ে নিজে কুড়ুল মারা। এমনকি এবিষয়টি আইনের চোখেও অপরাধ। এবং স্বামীর তরফে এহেন মন্তব্য মানসিক নির্যাতনের (Mental torture) সমান। আজ্ঞে হ্যাঁ, সম্প্রতি এমনটাই জানিয়েছে কেরল হাইকোর্ট (Kerala High Court)।

কোনও স্বামী যদি তাঁর স্ত্রীকে অন্য নারীদের সঙ্গে বারবার তুলনা করেন কিংবা বিভিন্ন বিষয়ে কটুক্তি করতে থাকেন, তাহলে আইনের চোখে সে স্বামী অপরাধী বলেই গণ্য হবেন। ৪ই অগাস্ট একটি মামলার রায়ে এমনটাই জানিয়েছেন কেরল হাইকোর্টের বিচারপতি অনিল কে নরেন্দ্রনাথ এবং বিচারপতি সিএস সুধারের ডিভিশন বেঞ্চ। বিচারপতিরা রায়ে এও বলেছেন, স্বামীদের এই ধরনের ব্যবহার বিবাহ বিচ্ছেদের অন্যতম কারণ হতে পারে।

উল্লেখ্য, পরিবার আদালতে বিবাহ বিচ্ছেদের রায় ঘোষণা করেছিল ওই দম্পতিকে। সেই রায়ের বিরুদ্ধে কেরল হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন স্বামী। কিন্তু তাঁর আবেদন খারিজ করেছে হাই কোর্ট বলে, পরিবার আদালতে বিচ্ছেদের রায় ঘোষণার সময়ে জানানো হয়েছিল, স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কে পরিপূর্ণতা না-থাকায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া ১৮৬৯ সালের বিচ্ছেদ আইনের উল্লেখ করে বিচারপতি জানিয়েছেন, এ ক্ষেত্রে বিষয়টি মানসিক নির্যাতনের মধ্যে পরে।

ওই মামলায় দেখা গিয়েছে, বিয়ের পরে খুব কম সময়েই একসঙ্গে ছিলেন ওই দম্পতি। দীর্ঘ সময় বিচ্ছিন্ন থাকার পরে বিবাহ বিচ্ছেদের রায় দিয়েছিল পরিবার আদালত। হাই কোর্ট আরও জানিয়েছে, স্বামী মনে করতেন তাঁর প্রত্যাশা মত স্ত্রী একেবারেই দেখতে সুন্দর নন। এই ধরনের ক্রমাগত কটুক্তি বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য যথেষ্ট। এছাড়া এই ধরনের বিষয় অবশ্যই সামাজিক স্বার্থে বিবেচনা করা উচিত। কারণ এর সঙ্গে একজন মহিলার মানসিক স্বাস্থ্য জড়িয়ে রয়েছে।

2 years ago
HC: তৃণমূলের ১৯, পাল্টা শুভেন্দু,দিলীপ,সেলিম-সহ ১৭ বিরোধী নেতার সম্পত্তিবৃদ্ধি নিয়ে মামলা

তৃণমূল নেতামন্ত্রীদের অস্বাভাবিক সম্পত্তিবৃদ্ধি সংক্রান্ত একটি জনস্বার্থ মামলার ইতিমধ্যে হাইকোর্টে শুনানি চলছে। সেই মামলায় ইডিকে পার্টি হতে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। যদিও এই নির্দেশের বিরোধিতা করে পাল্টা আবেদন করেছেন রাজ্যের তিন মন্ত্রী। এই টানাপোড়েনে এবার বিরোধী দলের একাধিক নেতার বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলা দায়ের। সেখানেও শুভেন্দু অধিকারী-সহ মহম্মদ সেলিম, আব্দুল মান্নানের সম্পত্তিবৃদ্ধি নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।

শাসক পক্ষের ১৯ নেতামন্ত্রীর সম্পত্তি নিয়ে যখন জলঘোলা, তখন বিরোধী পক্ষের ১৭ নেতার সম্পত্তিবৃদ্ধি নিয়ে প্রশ্ন তুলে দায়ের হয়েছে জনস্বার্থ মামলা। এই মামলায় বিজেপি, সিপিএম এবং কংগ্রেসের একাধিক নেতার নামোল্লেখ রয়েছে। শুভেন্দু-সহ শিশির অধিকারী, দিব্যেন্দু অধিকারী, দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, সৌমিত্র খাঁ, লকেট চট্টোপাধ্যায়, প্রাক্তন বিরোধী দলনেতা আব্দুল মান্নান-সহ প্রাক্তন সিপিএম বিধায়ক তন্ময় ভট্টাচার্য এবং সিপিএম রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমের নাম রয়েছে।

হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব এবং বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলা দায়ের হয়েছে। আগামি সপ্তাহেই শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা।

এদিকে, খুব অল্প সময়ের মধ্যে রাজ্যের অন্তত ১৯ জন জনপ্রতিনিধির সম্পত্তি বেড়েছে কয়েকগুণ। হাইকোর্টে দায়ের করা মামলায় ১৯ জনের তালিকা জমা পড়ে। তাতে নাম রয়েছে ফিরহাদ হাকিম, অরূপ রায়, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক এমনকী অমিত মিত্রর মতো মন্ত্রীদের। সম্পত্তি অর্থাৎ আর্থিক বিষয়ে মামলা বলে গত ৮ আগস্ট ইডিকে যুক্ত করার নির্দেশ দেয় উচ্চ আদালত।

নেতাদের সম্পত্তি কীভাবে ক্রমশ ফুলেফেঁপে উঠছে, সেই প্রশ্ন তুলে সেই মামলায় ইডিকে পার্টি করার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এবার নির্দেশ পুনর্বিবেচনার আর্জি জানিয়ে আবেদন রাজ্যের তিন মন্ত্রীর। মন্ত্রীরা হলেন, ফিরহাদ হাকিম, অরূপ রায়, ও জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। আবেদনকারী মন্ত্রীদের দাবি, এই মামলার বিচার লোক আয়োগে হওয়া উচিত।

2 years ago
Sukanya: টেট-দুর্নীতিতে সুকন্যা সহ ৬ জনের হাজিরার নির্দেশ প্রত্যাহার করল হাইকোর্ট

কলকাতা হাইকোর্টে আপাত স্বস্তি পেলেন অনুব্রত-কন্যা সুকন্যা মণ্ডল। এদিন সুকন্যা সহ ৬ জনের হাজিরার নির্দেশ প্রত্যাহার করে নেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিত্ গঙ্গোপাধ্যায়।

গতকালের অতিরিক্ত হলফনামা গ্রহণ করছেন না বিচারপতি। কারণ মূল মামলার সঙ্গে এটা যুক্ত নয়। তাই কালকের নির্দেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে। টেট পাশ করা সহ অন্য নথিও জমা নিলেন না অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।


মামলকারীর অভিযোগে আলাদা করে মামলা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশ মোতাবেক হাইকোর্টে হাজির হয়েছিলেন অনুব্রত-কন্যা ও ভাইপো। আজ অনুব্রত মণ্ডলের মেয়ে সহ অন্যদের জমা দিতে বলা হয়েছিল নিয়োগপত্র, টেট পাশ সার্টিফিকেট, অ্যাটেনডেন্স রেজিস্টার নথি ইত্যাদি।

এদিন নথি জমা দিয়েছিলেন সকলেই। কিন্তু মামলার কোনও শুনানি হল না। আজ নয়, মালার শুনানি পয়লা সেপ্টেম্বর।


2 years ago


Tmc Asset: সম্পত্তি বৃদ্ধির মামলায় ইডি কেন? হাইকোর্টে আর্জি ফিরহাদ, অরূপ, জ্যোতিপ্রিয়র

খুব অল্প সময়ের মধ্যে রাজ্যের অন্তত ১৯ জন জনপ্রতিনিধির সম্পত্তি বেড়েছে কয়েকগুণ। হাইকোর্টে দায়ের করা মামলায় ১৯ জনের তালিকা জমা পড়ে। তাতে নাম রয়েছে ফিরহাদ হাকিম, অরূপ রায়, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক এমনকী অমিত মিত্রর মতো মন্ত্রীদের। সম্পত্তি অর্থাৎ আর্থিক বিষয়ে মামলা বলে গত ৮ আগস্ট ইডিকে যুক্ত করার নির্দেশ দেয় উচ্চ আদালত।

নেতাদের সম্পত্তি কীভাবে ক্রমশ ফুলেফেঁপে উঠছে, সেই প্রশ্ন তুলে সেই মামলায় ইডিকে পার্টি করার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এবার নির্দেশ পুনর্বিবেচনার আর্জি জানিয়ে আবেদন রাজ্যের তিন মন্ত্রীর। মন্ত্রীরা হলেন, ফিরহাদ হাকিম, অরূপ রায়, ও জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। আবেদনকারী মন্ত্রীদের দাবি, এই মামলার বিচার লোক আয়োগে হওয়া উচিত। তাঁদের দাবি, জনপ্রতিনিধিদের মামলা শোনার জন্য রয়েছে লোকায়ুক্ত। তাই হাইকোর্ট এই মামলায় ইডি-কে যুক্ত করার নির্দেশ দিতে পারে না বলেই দাবি তিন মন্ত্রীর। প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব যে নির্দেশ দিয়েছেন, তা পুনর্বিবেচনার আর্জি জানিয়েছেন তাঁরা। পাশাপাশি এদিন সম্পত্তি বৃদ্ধির মামলায় হাইকোর্টে দ্রুত শুনানির আর্জি করেছেন তিন মন্ত্রী। প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে এই আবেদন করেন তাঁরা। 

তবে সেই আবেদন মঞ্জুর হয়েছে বলে আদালত সূত্রে খবর। আগামী সপ্তাহেই শুনানির সম্ভাবনা। 

2 years ago
Anubrata-Sukanya: বাড়ি থেকে বেরোলেন অনুব্রত-কন্যা, তবে কি আদালতে হাজিরা দেবেন সুকন্যা?

বাড়ি থেকে বেরোলেন অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mandal) কন্যা সুকন্যা মণ্ডল (Sukanya Mandal)। বিচারপতির নির্দেশ মেনে আজ, বৃহস্পতিবার কলকাতা হাই কোর্টে হাজিরা দেওয়ার কথা সুকন্যার। টেট পাস না করেও প্রভাব খাটিয়ে প্রাইমারি স্কুলে চাকরির অভিযোগ ওঠে সুকন্যা সহ ৬ জনের বিরুদ্ধে। বিষয়টি নিয়ে মামলা হয় হাইকোর্টে। তারপরেই অনুব্রত কন্যা (Daughter) সহ ৬ জনকে বৃহস্পতিবার দুপুর ৩টের মধ্যে সশরীরে হাইকোর্টে (Highcourt) হাজিরার নির্দেশ দেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।

সূত্রের খবর,  সকলেই অনুব্রতর ঘনিষ্ঠ। এই ছয় জন হলেন, অনুব্রত-কন্যা, সাত্যকি মণ্ডল, কস্তুরী চৌধুরী, সুজিত বাগদি, অর্ক দত্ত, সুমিত মণ্ডল। গরু পাচার মামলায় সিবিআই হেফাজতে রয়েছেন অনুব্রত। বুধবার বীরভূমের তৃণমূল সভাপতি ও তাঁর ঘনিষ্ঠদের ফিক্সড ডিপোজিটের কোটি কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করে সিবিআই। তবে ক্যাশ নয়, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে তাঁদের অ্যাকাউন্টে প্রায় ১৭ কোটি টাকার ফিক্সড ডিপোজিট বাজেয়াপ্ত করেছে সিবিআই। অনুব্রত মণ্ডল ও তাঁর ঘনিষ্ঠদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে এই এফডি-গুলির হদিশ পেয়ে তদন্তে নামে।

সিবিআই সূত্রে খবর, যাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে গরু পাচারের টাকা নিজের মেয়ে ও পরিবারের সদ্যদের অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার হয়েছে, সেই অ্যাকাউন্ট হোল্ডারকে দেওয়া হত একটা পার্সেন্টেজ টাকা। পার্সেন্টেজ নির্ভর করত কত টাকা অ্যাকাউন্ট থেকে ট্রান্সফার করা হচ্ছে তার ওপর এবার সেই সকল অ্যাকাউন্ট হোল্ডাররাও সিবিআই স্ক্যানারে।

উল্লেখ্য, বুধবার অনুব্রত মণ্ডলের বাড়িতে তাঁর কন্যা সুকন্যাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে হানা দিয়েছিল সিবিআই। এরপরই বোলপুরে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের শাখাগুলিতে যান তদন্তকারী আধিকারিকরা। কথা বলেন ব্যাঙ্কের আধিকারিকদের সঙ্গে। তারপরই এই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টগুলির হদিশ পান সিবিআই আধিকারিকরা।

2 years ago