Breaking News
HC: জেলে ১ বছর ৭ মাস! পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিচারপ্রক্রিয়া কবে শুরু হবে? ইডির কাছে রিপোর্ট তলব হাইকোর্টের      Sandeshkhali: ''দাদা আমাদের বাঁচান...'', সন্দেশখালির মহিলাদের আর্তি শুনলেন শুভেন্দু      Sandeshkhali: 'মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত', ক্ষোভ প্রকাশ জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সনের      Weather: বিদায়ের পথে শীত! বাড়বে তাপমাত্রা, বৃষ্টির পূর্বাভাস দক্ষিণবঙ্গে      Sandeshkhali: শিবু হাজরার গ্রেফতারিতে মিষ্টি বিলি, আদালতে পেশ, কবে গ্রেফতার সন্দেশখালির 'মাস্টারমাইন্ড'?      Arrest: সন্দেশখালিকাণ্ডে ন্যাজট থেকে গ্রেফতার শিবু হাজরা      Trafficking: ১০ মাস লড়াইয়ের পর মাদক মামলা থেকে মুক্তি বিজেপি নেত্রী পামেলার      Mimi: রাজনীতি আমার জন্য় নয়, মুখ্যমন্ত্রীর কাছে গিয়ে সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা মিমির!      Dev: রাজনীতিতে ফিরতেই ফের দেবকে দিল্লিতে ডাক ইডির      Suvendu: সুকান্ত অসুস্থ থাকলেও, সন্দেশখালি কাণ্ডে আন্দোলনের ঝাঁঝ বাড়াতে মাঠে শুভেন্দু     

Commission

Election: বাংলায় কি ফের পুনঃনির্বাচন হবে! জেলাশাসকের কাছে রিপোর্ট চাইল কমিশন

পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে একাধিক প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে। বিরোধীদের অভিযোগ, তারা প্রায় ৬ হাজার বুথে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানিয়েছিল। কিন্তু সেসব আসনে ফের ভোট নেওয়া হয়নি। এবার বিরোধীদের জমা দেওয়া সেই তালিকা জেলাশাসকদের পাঠাল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। এবং ওই তালিকা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ভোট চলাকালীন রাজনৈতিক হিংসায় বহিয়া ভোট কেন্দ্রে ভোট বাতিল হয়, সে জন্য ফের ১১ তারিখ রাজ্যের ৬৯৬টি আসনে পুনঃরায় ভোট নেওয়া হয়।
সূত্রের খবর, বাংলায় ফের পুনর্নির্বাচন হতে পারে। ইতিমধ্যে জেলাশাসকদের একটি করে নির্দেশ পাঠানো হয়েছে। সেখানে বিজেপির জমা দেওয়া বুথের তালিকাগুলি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। ওই বুথগুলিতে কোনও অশান্তি হয়েছে কিনা বা কেন অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হল তা জানাতে বলা হয়েছে।
জানা গিয়েছে, জেলাশাসকদের পাঠানো রিপোর্ট খুঁটিয়ে দেখবে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। ওই রিপোর্টে জেলাসাসকদের মন্তব্যকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। এবং প্রয়োজনে সেই রিপোর্টে র ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

7 months ago
Re Election: বিধায়কের বিরুদ্ধে ব্যালট লুঠের অভিযোগ, ফের নির্বাচন হবে হাওড়ায় নির্দেশ কমিশনের

ফের রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন। গণনা পর্ব মিটে যাওয়ার পরেও ফের ১৫টি বুথে নির্বাচনের নির্দেশ রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহার। হাওড়ার সাঁকরাইলের ১৫টি বুথে ফের নির্বাচন হবে। ওই ১৫টি বুথের গণনাকে কার্যত বাতিল ঘোষণা করেছে কমিশন।

পঞ্চায়েত নির্বাচনের মনোনয়ন, ভোটগ্রহণ ও গণনা, তিন পর্যায়ে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। গণনার দিন সাঁকরাইলের ১৫টি বুথে ভোট দেওয়া ব্যালট পেপার ছিনতাই করা হয়। গণনার কাজ সম্পূর্ণ হয়নি। সাঁকরাইলে তৃণমূল বিধায়ক প্রিয়া পালের বিরুদ্ধে ব্যালট লুঠের অভিযোগ ওঠে।

পাশাপাশি উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়ার দুটি বুথ ও হুগলির সিঙ্গুরেও পুনর্নির্বাচন হবে।  সাঁকরাইলের ২৪৭-২৫৪ নম্বর, মোট ৯টি বুথ, সারেঙ্গার ২৬৭, ২৬৮, ২৭১ ও ২৭৭ নম্বর বুথেও নির্বাচন বাতিলের নির্দেশ। সিঙ্গুরের বেরাবেরির ১৩ নম্বর বুথে ফের নির্বাচন হবে। হাবড়া ২-এর ভুরকুন্ডার ১৮ নম্বর বুথ, ৩১ নম্বর বুথ, ও গুমা পঞ্চায়েত কেন্দ্রের ১২০ নম্বর বুথেও নির্বাচনের সিদ্ধান্ত কমিশনের।

7 months ago
Electricty: গণনার দিন ১৫ মিনিট বিদ্যুৎহীন রাজ্য নির্বাচন কমিশনের অফিস

ভোটের গণনার দিনই বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ল রাজ্য নির্বাচন কমিশন দফতর। সোমবার দুপুর ৩টে ১৮ মিনিট নাগাদ লোডশেডিং হয়। ফলে কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ সব কাজ বন্ধ হয়ে যায়। বিভিন্ন জেলা থেকে গণনা সম্পর্কিত যে সব তথ্য আসছিল, তা থমকে যায়। অফিসার এবং কর্মীদের কম্পিউটারে কাজকর্ম বন্ধ হয়ে যায়। মিনিট ১৫ এ ব্যাপারে সম্পূর্ণ অন্ধকারে ছিল কমিশন। কী কারণে আচমকা লোডশেডিং হল, তা এখনও জানা যায়নি। তবে গুরুত্বপূর্ণ দিনে প্রায় ১৫ মিনিট কমিশনের কাজ থমকে যাওয়ায় কর্মীদের মধ্যেই চাপানউতর শুরু হয়। শেষ পর্যন্ত ৩টে ৩৬ মিনিট নাগাদ আবার স্বাভাবিক হয়েছে কাজকর্ম।

শনিবার ত্রিস্তর পঞ্চায়েতের ভোট ছিল। বেশ কয়েক’টি বুথে অশান্তি হয়। প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। পরে পুনঃনির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় ৬৯৬টি বুথে। কমিশন জানায় মঙ্গলবার মোট ৩৩৯টি কেন্দ্রে ভোটের গণনা চলছে। হাতেগোনা কয়েকটি বুথে গণনা শুরু হতে দেরি হয়েছে। গণনাকেন্দ্রে এক কোম্পানি করে কেন্দ্রীয় বাহিনী রয়েছে। সেই সঙ্গে রয়েছে রাজ্য পুলিশের শতাধিক কর্মী। গণনাও শান্তিপূর্ণ ভাবেই চলছে। পঞ্চায়েত ভোটের গণনার দিন সকালে কমিশনের অফিস থেকে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন রাজীব। তিনি জানান, ভোটে রাজ্যের কয়েকটি জেলায় বিক্ষিপ্ত ভাবে অশান্তি হয়েছে। কিন্তু প্রতি ক্ষেত্রেই কড়া ব্যবস্থা নিয়েছে কমিশন। কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা প্রসঙ্গে কমিশনার বলেন, ‘সাধারণ মানুষ এবং কিছু রাজনৈতিক দলের ধারণা ছিল, কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকলে ভোটের সময় অশান্তি কম হবে। বাহিনীর জন্য বাড়তি ভয় কাজ করবে। হাই কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী আমরা কাজ করেছি। প্রথমে আদালত বলেছিল প্রতি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিতে হবে। পরে সেই নির্দেশে সংশোধন করে বলা হয়, যে ক’টি বুথে সম্ভব বাহিনী দিতে হবে। আমার মনে হয় না ১০ হাজারের বেশি বুথে ওরা বাহিনী দিতে পেরেছে।’

7 months ago


Civic: হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞায় বুড়ো আঙুল, ভোট হয়েছে সিভিকরাজে

মণি ভট্টাচার্য: রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election) অশান্তি ও হিংসায় প্রথম থেকেই রাজ্য পুলিস প্রশাসন এবং রাজ্য নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) দিকেই আঙ্গুল তুলছে বিরোধী সব রাজনৈতিক দলগুলি। কিন্তু এর মধ্যেই সিভিক ভলান্টিয়ারকে পঞ্চায়েত নির্বাচনের কাজে ব্যবহার করাকে নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। সূত্রের খবর, রাজ্যের বহু বুথে সিভিক ভলান্টিয়ারকে দেখা গেছে রীতিমত পুলিশের ভূমিকায়। কোথাও সিভিক ভলান্টিয়ার লাইন সামলাচ্ছেন, কোথাও সামলাচ্ছেন ঝামেলা। কিংবা কোথাও বুথ পাহাড়ার কাজেই ব্যবহার করা হচ্ছে সিভিক ভলান্টিয়ারকে। এখন প্রশ্ন উঠছে আদালতের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও সিভিক ভলান্টিয়ারকে ভোটের কাজে ব্যবহার করা হল কেন?

সূত্রের খবর, কলকাতা হাইকোর্টের পঞ্চায়েত নির্বাচন সংক্রান্ত একটি মামলায় বিচারপতি মান্থা নির্দেশ দিয়েছিল, কোনোভাবেই নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে সিভিক ভলান্টিয়ার ব্যবহার করা যাবেনা। এছাড়া সম্প্রতি রাজ্য পুলিস প্রশাসনের তরফে একটি নির্দেশিকা দিয়ে জানানো হয়েছিল, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা সংক্রান্ত কোনো কাজে সিভিক ভলান্টিয়ারকে ব্যবহার করা যাবে না। তা সত্ত্বেও কেন এই নিয়ম মানা হলো না তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

বিরোধীদের অভিযোগ রাজ্য নির্বাচন কমিশন রাজ্য সরকারের তাবেদারি করছে সে কারণেই বহু বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবহার না করে সিভিক ভলেন্টিয়ার কে নির্বাচনের কাজে ব্যবহার করছে। যদিও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন নিয়ে গতকাল অর্থাৎ শনিবার বিরোধীরা সব পক্ষই কমিশনের বিরোধিতা করে জানিয়েছিল। নির্বাচন সুস্থ ও শান্তিপূর্ণ করার কোনো ইচ্ছেই রাজ্য নির্বাচন কমিশনের ছিলনা। বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে সিভিক ভলেন্টিয়ার মোতায়েন নিয়েও জোর বিতর্ক শুরু হয়েছে ইতিমধ্যেই। 

সূত্রের খবর এখনও অবধি হওয়া হিংসায় রাজ্যে ৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। যদিও সে বিষয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা শনিবারই জানিয়েছিলেন ভোট শান্তিপূর্ণ করা রাজ্য পুলিস ও প্রশাসনের দায়িত্ব। কোনোভাবেই সেই দায় রাজ্য নির্বাচন কমিশনের উপর বর্তায় না এবং রবিবার সকালে তিনি জানিয়েছেন, পঞ্চায়েত নির্বাচনে মোট ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

8 months ago
Suvendu: ভোট পর্ব মিটতেই কমিশনারের বিরুদ্ধে অভিযোগ, কমিশনের গেটে তালা ঝোলালেন শুভেন্দু

পঞ্চায়েত নির্বাচনের (Panchayat Election) দিন ঘোষণার পর থেকেই একের পর হিংসার ছবি রাজ্যের (Bengal) সর্বত্র। ভোটের দিনও সেই একই ছবি। কোথাও বাম পোলিং এজেন্ট বা কোথাও বাম প্রার্থী আক্রান্ত। কোথাও বা খুন বিজেপি (BJP) নেতা, কিংবা কোথাও খুন বিজেপির পোলিং এজেন্ট। সূত্রের খবর, রাজ্য পঞ্চায়েত নির্বাচন শেষ হবার পরই রাজ্য  নির্বাচন কমিশনার অর্থাৎ রাজীব সিনহাকে তুলনা করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এরপর রাজ্য নির্বাচন কমিশনের অফিসে গিয়ে গেটে তালা ঝোলালেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

দফায় দফায় আক্রান্ত বাম সমর্থকরা। আর সেই ইস্যুতে শনিবার কলকাতার রাজপথে নামলেন বাম নেতা-কর্মীরা। প্রমোদ দাশগুপ্ত ভবন থেকে মিছিল শুরু হয়। পৌঁছয় নির্বাচন কমিশনের দফতরের সামনে। এদিন মিছিলে অংশ নিয়েছিলেন, বিমান বসু, সূর্যকান্ত মিশ্র, মহম্মদ সেলিমের মতো নেতারা।

8 months ago


Election: প্রয়োজনে পুননির্বাচন, পঞ্চায়েতী হিংসা নিয়ে কি জানালেন কমিশনার রাজীব সিনহা

সকাল থেকে দুপুর, রাজ্যের পঞ্চায়েত ভোট শুরু হতেই লাগামহীন অশান্তির অভিযোগ উঠেছে। প্রতি মুহূর্তে প্রতিটি অভিযোগ জমা পড়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশনে। রাজ্যের প্রতিটি কোণ থেকে হিংসার এই অভিযোগে কার্যত বিরক্ত কমিশনের আধিকারিকরাও। অবশেষে রাজ্যের পঞ্চায়েত ভোটে বেশ কিছু বুথে পুননির্বাচনের ইঙ্গিত দিলেন রাজীব সিনহা। রাজ্যের নির্বাচন কমিশনার দাবি করেছেন, সরকারি ভাবে ভোট শেষ হলে তবেই এব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা জানিয়েছেন, 'সাতটি খুন এগুলি স্টেটের বিরুদ্ধে ক্রাইম। পুলিস ব্যবস্থা নেবে। ১২০০-১৩০০ বুথে গণ্ডগোলের মধ্যে ৬০০ সমাধান হয়েছে। যা অভিযোগ এসেছে সব জেলাশাসকদের পাঠানো হয়েছে। শান্তি বা অশান্তি বলা উচিৎ হবে না। কারণ প্রচুর অশান্তির খবর আসছে কমিশনের কাছে। সব কিছু শান্তিপূর্ণ হয়েছে যেমন বলা সম্ভব নয় তেমন অশান্তি হয়েছে এটাও বলা সম্ভব নয়। ১৫ হাজার বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী আছে। সব স্পর্শকাতর বুথেও বাহিনী মোতায়েন আছে। ফোর্স আসার সঙ্গে সঙ্গেই মোতায়েন হয়েছে'।

ভোটগ্রহণের দিন সকাল থেকেই একাধিক আশান্তির অভিযোগ এসেছে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকা থেকে। মৃতের সংখ্যা ১০ ছাড়িয়েছে। যদিও এই পরিস্থিতিতে ভোট শান্তিপূর্ণ কিনা তা জানাননি রাজীব সিনহা।

ভোটগ্রহণ পর্বে সকাল থেকে উত্তপ্ত বিভিন্ন এলাকা। বোমা ও গুলি চলেছে একাধিক জায়গায়। ঘটনার জেরে মৃত্যু হয়েছে ১০ জনেরও বেশি। সূত্রের খবর ইতিমধ্যে রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন শুভেন্দু অধিকারী। কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে তাঁর অভিযোগ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায় রাজ্যে অশান্তির পরিবেশ তৈরি করছে নির্বাচন কমিশনার। একইসঙ্গে কমিশনারকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাড়াটে খুনি বলেও কটাক্ষ করেন।

8 months ago
Election: প্রতি বুথে কি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে! নির্বাচনের আগের রাতে কী বলছে নির্বাচন কমিশন

মণি ভট্টাচার্য: রাত গড়ালেই শনিবার বাংলা এখনও অবধি ২১ জনের মৃত্যুর দায় নিয়ে পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election) অংশ নিচ্ছে। এ অবস্থায় ভোট কর্মী সহ সাধারণ মানুষের একটা তোড়জোড় রয়েছেই। কিন্তু ভোট দিতে যেতে পারবো! ভোট শান্তিপূর্ণ হবে তো, কেন্দ্রীয় বাহিনী আসবে তো! এই প্রশ্নই এখন সাধারণ মানুষের মনে। একই প্রশ্ন ভোট কর্মীদেরও। এ অবস্থায় রাজ্য নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, প্রতি বুথেই থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। আদালতের কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force) মোতায়েনের নির্দেশের পরই কেন্দ্রের কাছে চাওয়া ৮২২ কোম্পানি বাহিনীর মধ্যে প্রাথমিক ভাবে ২২ কোম্পানি বাহিনী রাজ্যে আসে। এরপর আরও ৩১৫ কোম্পানি বাহিনী পাঠায় কেন্দ্র। সেইমত ছক কষে, জেলা গুলোর গুরুত্ব বুঝে তাদেরকে মোতায়েন করা হয়। পাশাপাশি আরও ৪৮৫ কোম্পানির মধ্যে ইতিমধ্যে ১৫৬ কোম্পানি বাহিনী রাজ্যে এসেছে। রাজ্য নির্বাচন (Election Commission) সূত্রে খবর, বাদবাকি কোম্পানি শনিবার সকালেই রাজ্যে এসে পৌঁছাবে।

রাজ্য নির্বাচন সূত্রে খবর, পঞ্চায়েত ভোট সুষ্ঠুভাবে পরিচালনায় আপাতভাবে ১ কোম্পানি বাহিনী অর্থাৎ প্রায় ৮০ জন বাহিনী স্ট্রংরুম পাহারার কাজে মোতায়েন হবে। পাশাপাশি রাজ্য নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, ১-২ টি বুথ রয়েছে এমন ভোট কেন্দ্রে ৪ জন কেন্দ্রীয় বাহিনী, ৩-৪ টি বুথ রয়েছে এমন ভোট কেন্দ্রে ৮ জন কেন্দ্রীয় বাহিনী, ৫-৬টি বুথ আছে এমন ভোট কেন্দ্রে ১২ জন কেন্দ্রীয় বাহিনী, ও ৭ ও তার থেকে অধিক বুথ রয়েছে এমন ভোট গ্রহণ কেন্দ্রে ১৬ জনের বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে। এছাড়া স্পর্শকাতর বুথ গুলিকেও বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে বলেই সূত্রের খবর। যদিও পঞ্চায়েত নির্বাচন সংক্রান্ত মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের শেষ রায় ছিল, প্রতি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে হবে, মোতায়েন করতে হবে রাজ্য পুলিসকেও, এছাড়া আদালতের নির্দেশ ছিল, রাজ্য পুলিস ও কেন্দ্রীয় বাহিনী সমান ভাবে মোতায়েন করতে হবে। সে ক্ষেত্রে আদালতের নিয়ম মেনে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও রাজ্য পুলিসের মোতায়েন নিয়ে নির্বাচন সম্পূর্ণ করার প্রক্রিয়ায় প্রশ্ন থাকছেই।

প্রাথমিক ভাবে বাংলার নির্বাচনী হিংসা দেখে বৃহস্পতিবার রাতেই কেন্দ্রীয়স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে চিঠি লেখেন আইজি বিএসএফ, তিনি চিঠিতে জানান এই পরিস্থিতিতে প্রতি বুথে একজন বাহিনী দিলে তার প্রাণহানির আশঙ্কা দেখা দিতে পারে, অন্তত হাফ সেকশন অর্থাৎ ৪ জন বাহিনী প্রয়োজন। এরপর শনিবারই বিএসএফ আইজি, কেন্দ্রীয় বাহিনীর কোঅর্ডিনেটর, রাজ্য নির্বাচন কমিশন ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক একটি বৈঠক করেন। যে বৈঠকে প্রতি ভোট গ্রহণ কেন্দ্রে বাহিনী বাড়ানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। যদিও বেশ কিছু জায়গায় বাহিনী নিয়ে থানায় কোনো নির্দেশ নেই বলে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে ইতিমধ্যেই। সেকারণেই বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবিতে বারাসত ১ ব্লক বিডিও অফিসে বাম কর্মী সমর্থকরা বিক্ষোভও দেখান। একই ভাবে শনিবার ভোট হলেও বাহিনী জটিলতা কিন্তু খানিকটা রয়েই গেছে। আপাতত এ পর্যায়ে আগামীকাল অর্থাৎ শনিবার ভোট গ্রহণ কতটা শান্তিপূর্ণ হয়, কিংবা কতটা শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে সক্ষম রাজ্য নির্বাচন কমিশন, সেটাই দেখার।

8 months ago
Observer: ভোট শান্তিপূর্ণ করতে জেলাভিত্তিক ১ জন বিশেষ পর্যবেক্ষক, রইল নাম ও যোগাযোগের নম্বর

ভোট ঘোষণার পর রাজ্যে ৩০ দিনে এখনও অবধি হিংসায় মৃত্যু হয়েছে ২১ জনের। এ অবস্থায় রাজ্যপাল (Governor) স্বয়ং পিস রুম খুলেছেন যাতে ভোট সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা যায়। এমনকি রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় গ্রাউন্ড জিরোতে পৌঁছেছেন তিনি। সেইমত ভোট শান্তিপূর্ণ পরিচালনা করতে প্রতি ব্লক ভিত্তিক ১ জন ডব্লিউবিসিএস (WBCS) অফিসার ও জেলা ভিত্তিক ১ জন আইএএস (IAS) পর্যবেক্ষক (Observer) নিয়োগ করেছে কমিশন।

নিচে জেলা ভিত্তিক বিশেষ পর্যবেক্ষকদের নাম ও ফোন নম্বর রইল: