Breaking News
Modi: কৃষ্ণনগরে ভাষণ শুরু করেই ক্ষমা প্রার্থানা প্রধানমন্ত্রীর, তৃণমূলকে তীব্র তুলধনা...      Modi: 'রামমোহনের আত্মা সন্দেশখালির মহিলাদের দুর্দশায় কাঁদছে', আরামবাগ থেকে মমতাকে তোপ মোদীর      Suspend: গ্রেফতারির পরেই তৃণমূল থেকে ছয় বছরের জন্য সাসপেন্ড সন্দেশখালির 'বেতাজ বাদশা' শাহজাহান      Sandeshkhali: নিরাপদ সর্দারকে নিঃশর্তে জামিন দিয়ে রাজ্য পুলিসকে তিরস্কার বিচারপতির      Sheikh Shahjahan: ঘর ভাঙচুর, টাকা লুঠ! শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে নতুন এফআইআর সন্দেশখালি থানায়      Sandeshkhali: অজিত মাইতিকে তাড়া গ্রামবাসীদের, সাড়ে ৪ ঘণ্টা পর অবশেষে আটক পুলিসের      Ajit Maity: উত্তপ্ত সন্দেশখালি! অজিত মাইতির গ্রেফতারির দাবিতে বিক্ষোভ মহিলাদের, বাঁচতে সিভিকের বাড়িতে আশ্রয়      Sandeshkhali: সন্দেশখালি ঢুকতে বাধা, ভোজেরহাটেই দিল্লির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমকে আটকাল পুলিস      Sandeshkhali: একই যাত্রায় পৃথক ফল! ১৪৪ যুক্ত এলাকায় নির্বিঘ্নে ঘুরছেন পার্থ-সুজিত, বাধাপ্রাপ্ত মীনাক্ষী      Sandeshkhali: ভোটের আগে উত্তপ্ত সন্দেশখালি, বিশেষ নজর নির্বাচন কমিশনের     

Chandrayaan3

Chandrayaan 3: চাঁদের বুকে পাকাপাকিভাবে ঘুমিয়ে পড়ল বিক্রম ও প্রজ্ঞান!

চাঁদের বুকে ফের নেমে আসল অন্ধকার। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কোনও উত্তর পাওয়া গেল না চন্দ্রযান ৩-এর ল্যান্ডার 'বিক্রম' ও রোভার 'প্রজ্ঞান'-এর থেকে। একেবারে ঘুমের দেশের চলে গিয়েছে। ইসরো তরফে আশা করা হয়েছিল, চাঁদে অন্ধকার শেষে সূর্যোদয় হলে জেগে উঠবে বিক্রম ও প্রজ্ঞান। কিন্তু তা হল না। ফলে মনে করা হচ্ছে, একেবারেই পাকাপাকি ভাবে চাঁদের বুকেই ঘুমিয়ে পড়েছে চন্দ্রযান ৩-এর বিক্রম ও প্রজ্ঞান।

এর আগেই ইসরোর তরফে জানানো হয়েছিল, বিক্রম-প্রজ্ঞান জেগে না উঠলেও তাতে কোনও অনুতাপ নেই তাঁদের। কারণ নিজেদের কাজ সম্পূর্ণ করেই তারা ঘুমের দেশে গিয়েছে। চন্দ্রযান ৩ অবতরণের পর চাঁদে আঁধার নেমে আসার আগে স্লিপ মোডে পাঠানো হয়েছিল তাদের। মনে করা হয়েছিল, সূর্যাস্তের পরই জেগে উঠবে ল্যান্ডার ও রোভার। কিন্তু এখনও পর্যন্ত তাদের ঘুম থেকে ওঠানো যায়নি। কোনও সংকেত পাওয়া যায়নি তাদের থেকে। ফলে প্রথমবারে রাতের কঠিন ঠান্ডা সহ্য করে যখন জেগে উঠতে পারেনি চন্দ্রযান-৩, তখন আর কখনই তার ঘুম ভাঙবে না বলে ধরে নেওয়া যায়। ফলে এবারে মনে করা হচ্ছে, একেবারের জন্যই চাঁদের বুকে ঘুমিয়ে পড়েছে বিক্রম ও প্রজ্ঞান।

5 months ago
Chandrayaan 3: চাঁদে ফের সূর্যাস্ত, প্রকাশ্যে এল চন্দ্রযান ৩-এর এক চমকপ্রদ তথ্য

ফের চাঁদে (Moon) নামতে চলেছে অন্ধকার। চাঁদে চন্দ্রযান ৩ (Chandrayaan 3)-এর ল্যান্ডার বিক্রম অবতরণের পর এই নিয়ে দু'বার চাঁদে সূর্যাস্ত হতে চলেছে। কিন্তু এখনও কোনও উত্তর পাওয়া যায়নি ল্যান্ডার 'বিক্রম' ও রোভার 'প্রজ্ঞান'-এর থেকে। প্রায় এক মাসে আগেই স্লিপ মোডে পাঠানো হয়, কিন্তু আশা করা হচ্ছিল, সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গেই ফের জেগে উঠবে বিক্রম ও প্রজ্ঞান। কিন্তু এখনও তাদের থেকে কোনও উত্তর পাওয়া না গেলে প্রশ্ন উঠছে, চন্দ্রযান ৩-এর মিশন কি তবে এখানেই শেষ? তবে বিক্রম ও প্রজ্ঞান জেগে না উঠলেও সমস্ত কাজই তারা সম্পূর্ণ করেছে বলে জানিয়েছে ইসরো। ফলে তাদের কোনও অনুতাপ নেই। এমনকি ইসরোর তরফে ল্যান্ডারের সম্পর্কে আরও এক নয়া তথ্য প্রকাশ্যে আনা হয়েছে।

চন্দ্রযান ৩ প্রজেক্ট ডিরেক্টর পি ভীরামুথুভেল জানিয়েছেন, বিক্রম-এর অবতরণের পর চাঁদে সূর্যাস্ত হতে শুরু হলে ল্যান্ডারের হপ এক্সপেরিমেন্ট করানো হয়। আর সেটি একেবারেই অপরিকল্পিত ছিল বলে জানিয়েছেন তিনি। গত ৩ সেপ্টেম্বর ইসরো থেকে একটি ভিডিও শেয়ার করা হয়েছিল, যেখানে দেখা গিয়েছিল, চাঁদের মাটি ছেড়ে কিছুটা উপরে উঠে কিছুটা দূরে দ্বিতীয়বারের জন্য সফট ল্যান্ডিং করে ল্যান্ডার বিক্রম। আর এটি একেবারেই 'অপরিকল্পিত' ছিল বলে জানা গিয়েছে। ফলে তিনি আরও জানিয়েছেন, ল্যান্ডার বিক্রম মিশনের উদ্দেশ্যর থেকেও বেশি কাজ করেছে। ফলে সূর্যোদয়ের পর তারা জেগে না উঠলেও তাতে তাঁরা দুঃখিত নয়। 

5 months ago
Chandrayaan 3: চন্দ্রপৃষ্ঠে ইসরোর লোগো ও জাতীয় প্রতীকের স্পষ্ট ছাপ ফেলতে পারেনি প্রজ্ঞান! প্রকাশ্যে নয়া তথ্য

চাঁদের সূর্যোদয়ের পরও ঘুমিয়ে রয়েছে চন্দ্রযান৩-এর (Chandrayaan 3) ল্যান্ডার 'বিক্রম' (Vikram) ও রোভার 'প্রজ্ঞান' (Pragyan)। বর্তমানে এগুলো নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে থাকলেও আশাবাদী ইসরোর (ISRO) বিজ্ঞানীরা। খোদ ইসরোর চেয়ারম্যান এস সোমনাথ জানিয়েছে, তারা যে কোনও সময় জেগে উঠতে পারে। কিন্তু এসবের মাঝেই এক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেলেন বিজ্ঞানীরা। জানা গিয়েছে, চাঁদের মাটিতে রোভার প্রজ্ঞান স্পষ্টভাবে ছাপ ফেলতে পারেনি ইসরোর লোগো ও অশোকস্তম্ভের চিহ্ন। তবে এতে ইসরোর বিজ্ঞানীরা এক নতুন আশার আলো দেখতে পাচ্ছেন বলে জানানো হয়েছে।

রোভার প্রজ্ঞানের চাকায় লাগানো ছিল ভারতের জাতীয় প্রতীক অশোকস্তম্ভ ও ইসরোর লোগো। নির্ধারিত ছিল যে, চাঁদে পৌঁছেই মাটিতে ছাপ ফেলবে প্রজ্ঞান। কিন্তু ইসরো সূত্রে খবর, ইসরোর লোগো ও অশোকস্তম্ভের ছাপ স্পষ্টভাবে পড়েনি চাঁদের মাটিতে। তবে এতে নিরাশ নন বিজ্ঞানীরা। এস সোমনাথ জানিয়েছেন, চাঁদের মাটি ধুলো-বালির তৈরি শক্ত না, এটি নরম ধরনের। কোনও গলিত উপাদানের তৈরি। তার মানে চাঁদে কিছু উপাদান মাটিকে বেঁধে রেখেছে। কিন্তু কী সেই উপাদান যা মাটিকে বেঁধে রেখেছে, তা গবেষণা করতে হবে।

ইসরো সূত্রে খবর, এর থেকেই অনুমান করা হচ্ছে, চাঁদেও থাকতে পারে জল। এছাড়াও ফিজিক্যাল রিসার্চ ল্যাবরেটরির নির্দেশক অনিল ভরদ্বাজ জানিয়েছেন, 'আমরা খুব স্পষ্টভাবে দেখতে পাচ্ছি যে, রোভারের চলাচলের কারণে চাঁদের পৃষ্ঠে গর্ত তৈরি হচ্ছে। ল্যান্ডিং সাইট এবং রোভার চলাচলের স্থানের চারপাশে তোলা ফটোগুলি দেখায় যে রোভারের চলাচলের কারণে সৃষ্ট গর্তগুলি প্রায় এক সেন্টিমিটার গভীর। ল্যান্ডারের পা চন্দ্রপৃষ্ঠে বসে যাচ্ছে। যা নির্দেশ করে সেখানকার মাটি আলগা রয়েছে। আমরা যত গভীরে যাব, মাটি তত ঘন হবে।'

5 months ago


Chandrayaan 3: চাঁদে সূর্যোদয়ের তিনদিন পার, তবুও নেই কোনও সাড়া বিক্রম-প্রজ্ঞান-এর

চাঁদে সূর্যোদয় হওয়ার তিনদিন পেরিয়ে গিয়েছে, তবুও সাড়া পাওয়া যায়নি 'বিক্রম' (Vikram) ও 'প্রজ্ঞান'-এর (Pragyan)। তবে হার ছাড়েনি ইসরোর বিজ্ঞানীরৈ। আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা, কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনও উত্তর দেয়নি চন্দ্রযান ৩-এর ল্যান্ডার ও রোভার। আর কতদিন অপেক্ষা করা হবে বিক্রম ও প্রজ্ঞান-এর উত্তর পাওয়ার, এবারে সে বিষয়েই বিস্তারিত জানালেন ইসরো (ISRO) চেয়ারম্যান এস সোমনাথ (S Somnath)।

আশা করা হয়েছিল, চাঁদের ভোর হতেই ফের জাগিয়ে তোলা হবে বিক্রম ও প্রজ্ঞানকে। কিন্তু তিনদিন পেরিয়ে গেলেও এখনও কোনও সাড়া দেয়নি। তবে ইসরোর বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, তাঁরা চাঁদের পরবর্তী রাত হওয়া পর্যন্ত চেষ্টা চালিয়ে যাবেন। সুতরাং তাঁরা এক চন্দ্রদিন অর্থাৎ ১৪ দিন ধরে বিক্রম ও প্রজ্ঞানকে ফের সক্রিয় করার চেষ্টা করা হবে। অর্থাৎ ৬ অক্টোবর পর্যন্ত তাঁকে জাগিয়ে তোলার চেষ্টা জারি থাকবে।

ইসরো চেয়ারম্যান এস সোমনাথ বলেছেন, 'ল্যান্ডার এবং রোভারের সঙ্গে কখন যোগাযোগ করা যাবে, তার নিশ্চয়তা নেই। জানি না, ওরা কখন জেগে উঠবে। হয়তো আগামী কালও জেগে উঠতে পারে। আবার দেখা গেল, চাঁদে আঁধার নামার আগের দিনও ওরা সাড়া দিল। তবে আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। যদি ল্যান্ডার এবং রোভারকে জাগিয়ে তুলতে পারি, তা হলে এটাও হবে আমাদের বড় সাফল্য।'

5 months ago
Chandrayaan 3: ঘুম ভাঙছে না 'বিক্রম' ও 'প্রজ্ঞান'-এর, জাগিয়ে তোলার চেষ্টা জারি ইসরোর

টানা ১৪ দিন পর চাঁদের দেশে এসে পৌঁছেছে সূর্যের আলো। ঠিক ছিল, চাঁদে সূর্যের আলো পৌঁছনোর পর থেকেই 'বিক্রম' (Vikram) ও 'প্রজ্ঞান' (Pragyan)-কে ফের জাগিয়ে তোলা র চেষ্টা করা হবে। কিন্তু টানা ১৪ দিন পর পৃথিবীর ডাকে সাড়া দিল না চন্দ্রযান-৩-এর (Chandrayaan 3) ল্যান্ডার ও রোভার 'বিক্রম' ও 'প্রজ্ঞান'। এমনটাই জানানো হয়েছে ইসরোর (ISRO) তরফে। কিন্তু এখনই সাড়া না দিলেও হার মানছেন না ইসরোর বিজ্ঞানীরা।

শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা ৪৮ মিনিটে এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্ট করে জানিয়েছে ইসরো, 'বিক্রম ল্যান্ডার এবং প্রজ্ঞান রোভারের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হয়েছিল। এখনও পর্যন্ত তাদের কাছ থেকে কোনও সিগন্যাল এসে পৌঁছয়নি। তবে তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা জারি থাকবে।' প্রসঙ্গত, চাঁদে চন্দ্রযান-৩-এর সফট ল্যান্ডিং-এর পর, ল্যান্ডার বিক্রম এবং রোভার প্রজ্ঞান চাঁদে একটি পূর্ণ দিন কাটিয়েছে। এই সময়ে, বিক্রম এবং প্রজ্ঞানের সঙ্গে থাকা পেলোডটি চন্দ্রপৃষ্ঠ সম্পর্কে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ইসরোর কাছে পাঠিয়েছে। ইসরোর বিজ্ঞানীরা বলছেন, চন্দ্রযান-৩ মিশনের উদ্দেশ্য পূরণ হয়েছে। এখন আবার বিক্রম ও প্রজ্ঞানকে জাগিয়ে আরও তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনও সাড়া না মিললেও শনিবার তাদের কাছে সিগন্যাল পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে ইসরো।

ইসরো আরও বলছে, যদি ফের সক্রিয় না হয় রোভার ও ল্যান্ডার, তাহলে চিরকাল ভারতের দূত হিসেবে চাঁদের মাটিতেই থেকে যাবে বিক্রম ল্যান্ডার ও রোভার প্রজ্ঞান।

5 months ago


Chandrayaan 3: রাত পোহালেই চাঁদের দেশে হবে সূর্যোদয়, জেগে উঠবে কি বিক্রম-প্রজ্ঞান?

প্রায় ১৫ দিন পর চাঁদের (Moon) দেশে ভোরের আলো ফুটতে শুরু করবে। ইসরো (ISRO) তরফে আগেই জানানো হয়েছিল, ২২ সেপ্টেম্বর ফের সূর্যের আলো এসে পৌঁছবে চাঁদের দেশে। ফলে এবারে চন্দ্রযান ৩-এর (Chandrayaan 3) ল্যান্ডার ও রোভারের জেগে ওঠার সময়। তবে আদৌ বিক্রম ও প্রজ্ঞান জেগে উঠবে কিনা তা নিয়ে এখনও সংশয় রয়েছে। তবে আশা হারাচ্ছেন না ইসরো বিজ্ঞানীরা, এমনটাই জানিয়েছেন তাঁরা। আরও জানানো হয়েছে, যদি প্রজ্ঞান ও বিক্রম ফের জেগে উঠতে পারে তবে তাদের দিয়ে আরও ১৪ দিন কাজ করানো যাবে।

জানা গিয়েছে, আগামীকাল অর্থাৎ ২২ সেপ্টেম্বর চাঁদের দক্ষিণ মেরুর 'শিবশক্তি পয়েন্টে' সূর্যের আলো পৌঁছতে শুরু করবে। ইসরো সূত্রে খবর, ২২ সেপ্টেম্বর বিজ্ঞানীরা 'প্রজ্ঞান' ও 'বিক্রম'-এর সঙ্গে ফের যোগাযোগ করার চেষ্টা করবে। প্রায় অর্ধেক মাস চাঁদের এই জায়গায় সূর্যের আলো পৌঁছতে পারেনি। তাই এখানকার তাপমাত্রা প্রায় ২০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে চলে গিয়েছে। তাই সেই পরিস্থিতি থেকে ল্যান্ডার ও রোভার জেগে উঠতে পারবে কিনা, তাই নিয়ে চিন্তায় বিজ্ঞানীরা। ফলে তাঁরা এখন বিক্রম ও প্রজ্ঞানের ব্যাটারি চার্জ হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন। সূর্যের আলো পৌঁছনোর পরই চার্জিং শুরু হবে ও তার পরই এগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করবেন ইসরো বিজ্ঞানীরা। প্রজ্ঞান ও বিক্রম-এর ফের জেগে উঠবে, এই নিয়েই আশাবাদী তাঁরা।

5 months ago
Engineer: ১৮ মাস বেতন না পেয়ে ইডলি বিক্রি করছেন চন্দ্রযান ৩-এর লঞ্চপ্যাড তৈরি করা ইঞ্জিনিয়ার!

যে চন্দ্রযান ৩ (Chandrayaan 3) সফল হওয়ার জন্য দেশের মুখ উজ্জ্বল হয়েছে বিশ্বদরবারে, সেই মহাকাশযান তৈরির পিছনে এক ইঞ্জিনিয়ারকে নাকি এখন দিন কাটাতে হচ্ছে রাস্তায় ইডলি, ধোসা বিক্রি করে। প্রায় ১৮ মাস ধরে তিনি বেতন পাননি বলে দাবি এক আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থার। চন্দ্রযান ৩-এর বিভিন্ন যন্ত্রপাতি তৈরির পিছনে তাঁর হাত রয়েছে বলে খবর। চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে প্রথমবার পৌঁছে ইতিহাস সৃষ্টি করার পরও এমন কেন হাল ইঞ্জিনিয়ারদের, তা নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয় মঙ্গলবার থেকে। কিন্তু কতটা সত্যি এই খবর, এই নিয়েই এবারে শুরু জল্পনা। মঙ্গলবার এই খবর ছড়িয়ে পরার পরই পিআইবি থেকে এই খবরকে 'ভুয়ো' বলে দাবি করা হচ্ছে।

গতকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার খবরে আসে, চন্দ্রযান ৩-এর লঞ্চপ্যাড তৈরি করেছেন এইইসি-এর ইঞ্জিনিয়ার দীপক কুমার উপারারিয়া। আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থার তরফে দাবি করা হয়েছে, ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর চন্দ্রযান-৩ মহাকাশযানের লঞ্চপ্যাড তৈরিতে যুক্ত ছিলেন দীপক কুমার উপরারিয়া (Deepak Kumar Uprariya)। হেভি ইঞ্জিনিয়ারিং কর্পোরেশন লিমিটেড (HEC)-তে কর্মরত তিনি। সম্প্রতি ঝাড়খণ্ডের রাঁচির রাস্তায় তাঁকে ঠেলাগাড়িতে ইডলি বিক্রি করতে দেখা গিয়েছে। ধুরওয়া এলাকায় পুরনো বিধানসভা ভবনের ঠিক উল্টোদিকের রাস্তায় ইডলি বিক্রি করেন তিনি। সকালে অফিসে যাওয়ার আগে ইডলি বিক্রি করেন ও অফিস থেকে ফিরেও আবার দোকানে যান। আর এতেই চলছে সংসার। শুধু তাই নয়, দাবি করা হয়েছে, দীপকের মতো আরও প্রায় ২৮০০ জন ইঞ্জিনিয়ার এইচইসি থেকে প্রায় ১৮ মাস ধরে বেতন পাননি।

কিন্তু এই সমস্ত দাবিকে মিথ্যা বলে উড়িয়ে দেয় কেন্দ্রীয় সরকার, সঙ্গে দেওয়া হয় 'প্রমাণ'। পিআইবি-এর তরফে জানানো হয়েছে, ইঞ্জিনিয়ারদের পারিশ্রমিক না পাওয়ার তথ্য় একেবারেই 'ভুয়ো'। আবার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের সিনিয়র অ্যাডভাইজার কাঞ্চন গুপ্তা জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থার তরফে মিথ্যা অভিযোগ করা হয়েছে। এমনকি চন্দ্রযান ৩-এর কোনও যন্ত্রপাতি তৈরির নেপথ্যে এইচইসি ছিলই না। এইচইসি থেকে শুধুমাত্র পরিকাঠামোর জন্য কিছু সামগ্রী নেওয়া হয়েছিল।

5 months ago
ISRO: 'ঘুমের দেশে' 'বিক্রম' ও 'প্রজ্ঞান', এর পরই প্রকাশ্যে এল চন্দ্রপৃষ্ঠের থ্রি ডি ছবি!

২৩ অগাস্ট চাঁদের বুকে সফলভাবে অবতরণ করেছে চন্দ্রযান ৩-এর (Chandrayaan 3) ল্যান্ডার 'বিক্রম' (Lander Vikram) ও রোভার 'প্রজ্ঞান' (Rover Pragyan)। তাঁদের ১৪ দিনের জন্য কাজ করতে পাঠানো হয়েছে চাঁদে। কারণ এর পরই চাঁদে নেমে এসেছে আঁধার অর্থাৎ চাঁদের এখন রাত চলছে। ফলে চাঁদে রাত নামার আগেই বিক্রম ও প্রজ্ঞানকে 'স্লিপ মোডে' পাঠানো হয়েছে। কিন্তু তারা ঘুমনোর আগে পর্যন্ত অনবরত করে চলেছে কাজ। তারই প্রমাণ একটি ছবি, যা ইতিমধ্যে শেয়ার করেছে ইসরো।

জানা গিয়েছে, ল্যান্ডার 'বিক্রম'-এর ছবিটি 'প্রজ্ঞান' ৩০ অগাস্ট তুলেছিল। তবে এটা ইসরো তার এক্স অ্যাকাউন্টে শেয়ার করেছে ৫ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার। তবে প্রজ্ঞানের তোলা এই ছবিতে এক বিশেষত্ব রয়েছে। ইসরো সূত্রে খবর, 'বিক্রম' ও চন্দ্রপৃষ্ঠের ছবিটি অ্যানাগ্লিফ (Anaglyph)। আসলে এটি একটি থ্রি ডি ছবি। এই ছবিতে চন্দ্রপৃষ্ঠের রং ধূসরের পরিবর্তে কিছুটা সবুজ ও লালচে রং-এর দেখাচ্ছে। তবে খালি চোখে এই থ্রি ডি ছবি ঠিকমতো বোঝা যাবে না। এর জন্য রেড অ্যান্ড সায়াল গ্লাসের প্রয়োজন। আরও জানানো হয়েছে, এমন ধরনের ছবি ন্যাভক্যাম স্টিরিও ইমেজ-এর মাধ্যমে  (NavCam Stereo Images) তোলা হয়েছে।

6 months ago


ISRO: প্রয়াত হলেন চন্দ্রযান ৩-এর কাউন্টডাউনের নেপথ্য কণ্ঠ তথা ইসরো বিজ্ঞানী এন ভালারমতি

২৩ অগাস্ট চাঁদের বুকে পা রেখেছে ইসরোর চন্দ্রযান ৩ (Chandrayaan 3), এর পর ২ সেপ্টেম্বর সূর্যের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে আদিত্য এল-১। কিন্তু উচ্ছ্বাসের মাঝেই এল দুঃখের খবর। জানা গিয়েছে, শনিবার প্রয়াত হলেন ইসরোর (ISRO) বিজ্ঞানী এন ভালারমতি (N Valarmathi)। ইসরোর পাঠানো চন্দ্রযান ৩ -এর পিছনেও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। জানা গিয়েছে, চন্দ্রযান ৩-এর কাউন্টডাউনের সময় নেপথ্যে যাঁর গলা ছিল তিনি আর কেউ নন, এন ভালারমতিই ছিলেন।

সূত্রের খবর, গত শনিবার সন্ধ্যায় চেন্নাইয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ভালারমতি। প্রয়াণকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৪ বছর। হার্ট অ্যাটাকে তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। জানা গিয়েছে, শুধুমাত্র চন্দ্রযান ৩-এর কাউন্টডাউনের ঘোষিকা হিসাবেই ছিলেন না। ইসরো থেকে উৎক্ষেপণ করা প্রায় সমস্ত রকেটের উৎক্ষেপণের আগের কাউন্টডাউন তাঁর কন্ঠেই শোনা যেত। এছাড়াও চাঁদের বুকে অবতরণ করেছে, এসমস্ত কিছুর নেপথ্যে কন্ঠ ছিল তাঁরই। চন্দ্রযান ৩ তাঁর শেষ কাজ ছিল।

এন ভালারমতির মৃত্যুতে শোকজ্ঞাপন করেছেন ইসরোর প্রাক্তন ডিরেক্টর পিভি বেঙ্কিটাকৃষ্ণন তাঁর এক্স অ্যাকাউন্টে লিখেছেন, 'শ্রীহরিকোটা থেকে ইসরোর উৎক্ষেপণ করা রকেটের কাউন্টডাউনের সময় তাঁর ভালারমতি ম্যাডামের কন্ঠ আর শোনা যাবে না। খুবই দুঃখিত।' ফলে তাঁর মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ বৈজ্ঞানিক মহল।

6 months ago
Chandrayaan 3: অবশেষে 'নিদ্রা'য় 'প্রজ্ঞান', জেগে উঠবে কি? আশায় ইসরোর বিজ্ঞানীরা

অবশেষে 'নিদ্রা'য় গিয়েছে চন্দ্রযান ৩-এর (Chandrayaan 3) ল্যান্ডার 'বিক্রম' (Lander Vikram) ও রোভার 'প্রজ্ঞান' (Rover Pragyan)। শনিবার রাতে ইসরো (ISRO) থেকে এক্স-এ জানানো হয়েছে, রোভার প্রজ্ঞান তার কাজ সম্পন্ন করেছে ও এটিকে ঠিকমতো পার্ক করা হয়েছে। ফলে এখন এটাকে 'স্লিপ মোডে' রাখা হয়েছে। ২৩ অগাস্ট চাঁদের বুকে চন্দ্রযান ৩ পা রেখে এক ইতিহাস গড়েছিল ভারত। এরপর ১৪ দিনের জন্য কাজ করতে পাঠানো হয়েছিল বিক্রম ও প্রজ্ঞানকে। ইসরো তরফে তাই জানানো হয়েছে, স্লিপ মোডের আগে রোভার তার কাজ সম্পন্ন করেছে। তবে সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন জাগছে, চাঁদের অন্ধকার চলে গেলে ফের কি জেগে উঠবে প্রজ্ঞান?

শনিবার রাত ১০ টা নাগাদ টুইট করে ইসরো জানায়, ১০ দিনেই কাজ সম্পন্ন করেছে প্রজ্ঞান। তাই তাকে এখন নিরাপদ স্থানে ঘুম পাড়িয়ে রাখা হয়েছে। আরও জানানো হয়েছে, তার দুটো পেলোড এপিএক্সএস ও এলআইবিএস-কেও বন্ধ করে রাখা হয়েছে। এই পেলোডে সংগৃহীত তথ্য ল্যান্ডার বিক্রম-এর মাধ্যমে পাঠানো হচ্ছে। ইসরোর বিজ্ঞানীরা আরও জানিয়েছেন, প্রজ্ঞানকে ঘুম পাড়িয়ে রাখলেও এতে সম্পূর্ণ চার্জ রয়েছে। এর সোলার প্যানেল গুলোকে এমনভাবে স্থাপন করা হয়েছে, চাঁদে আবার সূর্যের আলো পড়লে তা যেন প্যানেলে পড়ে। ইসরোর বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, ২২ সেপ্টেম্বর ফের চাঁদে দিন অর্থাৎ সূর্যের আলো পড়বে। তারপরই জেগে উঠতে পারে 'প্রজ্ঞান'।

তবে এও জানানো হয়েছে, যদি প্রজ্ঞান তার 'ঘুম' থেকে জেগে উঠতে না পারে তবে তা সারাজীবনের মত ভারতের চাঁদ 'অ্যাম্বাসেডর' হয়ে থেকে যাবে। আর এক ইতিহাস হওয়ার সাক্ষ্য প্রমাণ করে চলবে প্রজ্ঞান ও বিক্রম। ফলে সারা দেশবাসী এখন প্রজ্ঞানের জেগে ওঠার অপেক্ষায়। কারণ এটা জেগে উঠলেই আরও বিভিন্ন ধরনের কাজ করিয়ে নেবে ইসরোর বিজ্ঞানীরা।

6 months ago


Chandrayaan 3: চাঁদে নামবে রাত, 'ঘুম পাড়ানো'র চেষ্টা 'বিক্রম' ও 'প্রজ্ঞান'-কে, পরে কি ফিরে পাবে প্রাণ?

২৩ অগাস্ট চাঁদের দক্ষিণ মেরু (Moon South Pole) স্পর্শ করে ইসরোর (ISRO) চন্দ্রযান ৩ (Chandrayaan 3)। ইসরোর বিজ্ঞানীদের কথা মতো, চাঁদের বুকে এক চন্দ্রদিবস বা পৃথিবীর ১৪ দিন কাটাবে সেখানে। এর পরই নিস্তেজ হয়ে পড়বে ল্যান্ডার 'বিক্রম' ও রোভার 'প্রজ্ঞান'। ফলে সেই মতো বিক্রম ও প্রজ্ঞান-কে 'ঘুম পাড়ানো'র কাজ শুরু করবে ইসরোর বিজ্ঞানীরা। কারণ চাঁদের অন্ধকার পর্ব আর কিছুদিনের মধ্যেই শুরু হবে। তবে এর আগেই এক খুশির খবর দিল ইসরো। জানা গিয়েছে, 'প্রজ্ঞান' (Pragyan) ইতিমধ্যেই 'শিবশক্তি' পয়েন্ট থেকে ১০০ মিটার পথ অতিক্রম করেছে। সেই ছবিও শেয়ার করল ইসরো।

আজ, শনিবার অর্থাৎ ২ সেপ্টেম্বর সূর্যের উদ্দেশে আদিত্য এল ১ পাঠানোর পরই ইসরো তরফে এই খবর দেওয়া হয়েছে। ইসরো প্রধান এস সোমনাথ জানিয়েছেন, 'এক চন্দ্রদিন চাঁদে অতিবাহিত করার পরই চন্দ্রযান ৩-কে স্লিপ মোডে পাঠাবে ইসরো। ল্যান্ডার থেকে ইতিমধ্যেই ১০০ মিটার পথ অতিক্রম করে ফেলেছে রোভারটি। এখনও সক্রিয় বিক্রম ও প্রজ্ঞান। কিন্তু এক-দু'দিনের মধ্যে ল্যান্ডার এবং রোভারটিকে ঘুম পাড়ানোর কাজ শুরু করব আমরা, যাতে চাঁদের বুকে দীর্ঘমেয়াদি রাতের মোকাবিলা করতে পারে তারা।'

জানা গিয়েছে, চাঁদে রাত নামলেই সেই জায়গার তাপমাত্রা কমে হয়ে যেতে পারে মাইনাস ২০০ ডিগ্রি সেলসিয়ালের মতো। ফলে এই পরিস্থিতিতে ঠান্ডা সহ্য করতে পারবে না 'বিক্রম' এবং 'প্রজ্ঞান'। তাই তাদের ঘুম পাড়িয়ে রাখার সিদ্ধান্ত ইসরোর। ১৪ দিন পর ফের সূর্য উঠলে তারা আবার সক্রিয় হবে কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে মানুষের মনে।

6 months ago
Moonquake: চাঁদেও ভূমিকম্প! চমকে দেওয়ার মতো তথ্য প্রকাশ্যে

চন্দ্রযান ৩ (Chandrayaan 3) চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে পৌঁছনোর পর থেকেই ক্রমাগত নতুন নতুন তথ্য পাঠিয়ে চলেছে ইসরোকে (ISRO)। সম্প্রতি চাঁদের মাটি থেকে তোলা 'বিক্রম' ল্যান্ডার (Lander Vikram) ও রোভার 'প্রজ্ঞান'-এর (Rover Pragyan) অনেক ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করেছে ইসরো। তবে এবার যে ঘটনা সামনে এসেছে তাতে অবাক ইসরোর বিজ্ঞানীরাও। এবারে চাঁদে ভূমিকম্পের খবর পেয়েছে ইসরো। ইসরো সূত্রে খবর, গত ২৬ অগাস্ট ল্যান্ডার বিক্রম চাঁদে একটি 'প্রাকৃতিক' ভূমিকম্প চিহ্নিত করেছে।

ইসরো সূত্রে খবর, চাঁদের বুকে ল্যান্ডার 'বিক্রম' ও রোভার 'প্রজ্ঞান' নামার পর এর পেলোড বিভিন্ন কাজ করে চলেছে। আর এর ফলেই এক কম্পন অনুভূত করেছিল ইলসা পেলোড বা ইনস্ট্রুমেন্টস ফর লুনার সিসমিক অ্যাক্টিভিটি। কিন্তু ২৬ অগাস্ট এক প্রাকৃতিক কম্পন অনুভূত করেছে ইলসা, এমনটাই সূত্রের খবর। ফলে ২৬ অগাস্টে যে চাঁদের বুকে যে কম্পন অনুভূত হয়েছে, তার পিছনে কী কারণ রয়েছে তা খতিয়ে দেখছে ইসরোর বিজ্ঞানীরা।

বৃহস্পতিবার 'এক্স' (টুইটার) হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করে ইসরো লিখেছে, 'চন্দ্রযান ৩-এর ল্যান্ডারের পেলোড ইলসা, রোভার এবং অন্যান্য পেলোডের কার্যকলাপের কারণে হওয়া কম্পন চিহ্নিত করেছে। আবার একই সঙ্গে ২৬ অগাস্ট ইলসা আরও একটি কম্পন চিহ্নিত করেছে। যা প্রাকৃতিক বলে মনে করা হচ্ছে।'

6 months ago
Chandrayaan 3: চাঁদমামার বাড়িতে হাঁটি হাঁটি পা পা 'প্রজ্ঞান'-এর! প্রকাশ্যে এল চোখধাঁধানো ভিডিও

চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে চন্দ্রযান ৩-এর (Chandrayaan 3) ল্যান্ডার ও রোভার পৌঁছনোর পর থেকেই একের পর এক তথ্য প্রকাশ্য়ে আসছে। কখনও রোভার-এর ক্যামেরায় উঠে এসেছে 'সঙ্গী' ল্যান্ডার 'বিক্রম'-কে (Lander Vikram)। আবার ছবির পাশাপাশি রোভার 'প্রজ্ঞান' (Rover Pragyan) পাঠিয়েছে চন্দ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা ও খনিজ পদার্থের নমুনা। আর এবারে ল্যান্ডার বিক্রম-এর ক্যামেরায় ধরা পড়ল প্রজ্ঞান-এর কিছু কার্যকলাপ। যা দেখে বিস্মিত ইসরোর বিজ্ঞানীরা। জানা গিয়েছে, চাঁদের বুকে নিরাপদ জায়গা খুঁজছে প্রজ্ঞান।

বৃহস্পতিবার ইসরো তরফে এক ভিডিও শেয়ার করা হয়েছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে, চাঁদের ধূসর মাটিতে ঘুর পাক খাচ্ছে প্রজ্ঞান। একবার গোল করে ঘুরে ফের সামনের দিকে এগোতে দেখা গেল প্রজ্ঞানকে। এটি একটি নিরাপদ রাস্তা খুঁজছে বলে জানিয়েছে ইসরো। তাই প্রজ্ঞানের এমন কার্যকলাপ দেখে বিজ্ঞানীরা এক্স-এ লিখেছেন, 'দেখে মনে হচ্ছে যেন চাঁদমামার উঠোনে খেলা করছে একটি শিশু। আর তাকে স্নেহের চোখে দেখছেন মা। তাই না?'

6 months ago


Chandrayaan 3: 'স্মাইল প্লিজ'! 'প্রজ্ঞান'-এর তোলা ছবিকে 'অভিযানের সেরা ছবি' তকমা দিল ইসরো

চাঁদের দক্ষিণ মেরু (Moon South Pole) স্পর্শ করার আজ ৭ দিন অতিক্রম হল। ল্যান্ডার 'বিক্রম' (Vikram) ও রোভার 'প্রজ্ঞানে'র (Pragyan) চাঁদে এক সপ্তাহ পেরোতেই বিভিন্ন তথ্য সামনে এসেছে। প্রথমে ইসরোর বিজ্ঞানীদের কাছে তথ্য এসেছিল চন্দ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রার ব্যাপারে। তারপর প্রকাশ্যে এসেছে অক্সিজেনের হদিশ। এছাড়াও পাওয়া গিয়েছে সালফার, অ্যালুমিনিয়াম, ক্যালসিয়াম, ফেরাস, ক্রোমিয়াম, টাইটানিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, সিলিকন। আর এবারে এক ছবি প্রকাশ্যে এসেছে, যেটিকে 'অভিযানের সেরা ছবি' বা 'ইমেজ অফ দি মিশন' বলে উল্লেখ করেছেন ইসরোর বিজ্ঞানীরা। কী এমন ছবি তুলেছে 'প্রজ্ঞান'?

ইসরোর শেয়ার করা টুইটে দেখা গিয়েছে, রোভার 'প্রজ্ঞান' ছবি তুলেছে তার 'সঙ্গী' ল্যান্ডার 'বিক্রম'-এর। প্রজ্ঞানের তোলা ছবিতে দেখা গিয়েছে, চাঁদের দক্ষিণ মেরুর এবড়ো-খেবড়ো, রুক্ষ জমিতে দাঁড়িয়ে রয়েছে 'বিক্রম'। তাতে লাগানো 'চ্যাস্ট' ও 'ইলসা' নামক পেলোডগুলোও দেখা যাচ্ছে। রোভারে লাগানো ন্যাভিগেশন ক্যামেরার মাধ্যমে বিক্রমকে ক্যামেরাবন্দি করেছে প্রজ্ঞান। আর এই ছবিটিকেই 'ইমেজ অফ দ্য মিশন'-এর তকমা দিয়েছেন ইসরোর বিজ্ঞানীরা।

6 months ago
Chandrayaan 3: খনির ভাণ্ডার চন্দ্রপৃষ্ঠ! চাঁদে অক্সিজেনের হদিশ, আর কী কী পাওয়া গেল

চন্দ্রযান ৩ (Chandrayaan 3) সফলভাবে ল্যান্ড করতে পেরে এক ইতিহাস গড়েছে ভারত। ভারতই প্রথম দেশ, যে চাঁদের দক্ষিণ মেরু (Moon South Polar) স্পর্শ করতে পেরেছে। আর সেখানে পৌঁছেই প্রকাশ্যে আসছে একের পর এক বিস্ময়কর তথ্য। কিছুদিন আগেই জানা গিয়েছিল, চন্দ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রার বিষয়ে। আর এবারে জানা গেল সেখানকার বিভিন্ন খনিজ পদার্থের বিষয়ে। একেবারে যেন খনির ভাণ্ডার চন্দ্রপৃষ্ঠ! জানা গিয়েছে, চাঁদের মাটিতে পাওয়া গিয়েছে সালফার (Sulpher)। চন্দ্রপৃষ্ঠে সালফারের বিপুল ভাণ্ডারের খোঁজ পেতেই বেজায় খুশি বিজ্ঞানীরা।

ইসরো সূত্রে খবর, প্রজ্ঞানে থাকা LIBS বা লেসার ইনডিউসড ব্রেকডাউন স্পেকট্রোস্কোপ যন্ত্রের সাহায্যেই চন্দ্রপৃষ্ঠে থাকা বিভিন্ন খনিজের সন্ধান করেছে রোভার। তবে শুধু সালফার নয়, একে একে পাওয়া গিয়েছে, অ্যালুমিনিয়াম, ক্যালসিয়াম, ফেরাস, ক্রোমিয়াম, টাইটানিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, সিলিকন ও অক্সিজেন। ইসরো সূত্রের খবর, এই পদার্থের খোঁজ পাওয়া প্রত্যাশিতই ছিল। তবে এবারে সেখানে হাইড্রোজেন পাওয়া যায় কিনা, তার খোঁজেই রোভার 'প্রজ্ঞান'।  এতে লাগানো প্রত্যেকটি পেলোড এবারে হাইড্রোজেনের সন্ধান শুরু করেছে।  আর যদি পরে হাইড্রোজেনের সন্ধান পাওয়া যায়, তবে সেখানে জলেরও হদিশ পাওয়া যাবে বলে আশাবাদী বিজ্ঞানীরা। ফলে পরবর্তীতে চাঁদের বুকে হাইড্রোজেন পাওয়া যায় কিনা, তারই আশায় দেশবাসী।

6 months ago