Breaking News
HC: জেলে ১ বছর ৭ মাস! পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিচারপ্রক্রিয়া কবে শুরু হবে? ইডির কাছে রিপোর্ট তলব হাইকোর্টের      Sandeshkhali: ''দাদা আমাদের বাঁচান...'', সন্দেশখালির মহিলাদের আর্তি শুনলেন শুভেন্দু      Sandeshkhali: 'মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত', ক্ষোভ প্রকাশ জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সনের      Weather: বিদায়ের পথে শীত! বাড়বে তাপমাত্রা, বৃষ্টির পূর্বাভাস দক্ষিণবঙ্গে      Sandeshkhali: শিবু হাজরার গ্রেফতারিতে মিষ্টি বিলি, আদালতে পেশ, কবে গ্রেফতার সন্দেশখালির 'মাস্টারমাইন্ড'?      Arrest: সন্দেশখালিকাণ্ডে ন্যাজট থেকে গ্রেফতার শিবু হাজরা      Trafficking: ১০ মাস লড়াইয়ের পর মাদক মামলা থেকে মুক্তি বিজেপি নেত্রী পামেলার      Mimi: রাজনীতি আমার জন্য় নয়, মুখ্যমন্ত্রীর কাছে গিয়ে সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা মিমির!      Dev: রাজনীতিতে ফিরতেই ফের দেবকে দিল্লিতে ডাক ইডির      Suvendu: সুকান্ত অসুস্থ থাকলেও, সন্দেশখালি কাণ্ডে আন্দোলনের ঝাঁঝ বাড়াতে মাঠে শুভেন্দু     

CentralForce

Election: তবে কি পাশের রাজ্য থেকে বাহিনী নিয়েই পঞ্চায়েত ভোট!

রাজ্যের চাহিদা মতো কেন্দ্র ৮২২ কোম্পানি সেন্ট্রাল ফোর্স (Central Force) না দিতে পারলে পাশের রাজ্য থেকে বাহিনী নিয়ে আসবে রাজ্য নির্বাচন কমিশন (State Election Commission)। মূলত, ঝাড়খন্ড (Jharkhand) এবং ওড়িশা থেকে বাহিনী আনার সম্ভাবনা রয়েছে। জানা গিয়েছে, শনিবার রাজ্যের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী এবং রাজ্য পুলিশের ডিজি মনোজ মালব্যের সঙ্গে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে একটি বৈঠক করেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা। এমনকি শনিবার বিকালেও রাজ্যের এডিজি আইনশৃঙ্খলা জাভেদ শামিমের সঙ্গেও একটি বৈঠক করেন তিনি। ওই বৈঠকেই পার্শ্ববর্তী রাজ্য থেকে বাহিনী আনার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর সোমবারের মধ্যেই রাজ্যে ৩৩৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চলে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়াও নিরাপত্তার জন্য থাকছে ৬০ হাজার রাজ্য পুলিশ এবং ১৫ হাজার কলকাতা পুলিশ। তবে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের তরফে ৮২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছিল।

সূত্রের খবর, নিরাপত্তা নিয়ে কোনও ফাঁক রাখতে চাইছে না নির্বাচন কমিশন। কোনও কারণে ৪৮৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী না এলে পাশের রাজ্য থেকে বাহিনী নিয়ে এসে ভোট করাবে তারা।

8 months ago
Demonstration: সব বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবিতে কমিশনের সামনে বিক্ষোভে বসবে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ

সব বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর (Central Force) দাবিতে এবার নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) সামনে বিক্ষোভে বসতে চলেছে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ (Sangrami Joutha Mancha)। রবিবার প্রকাশ করা একটি বিবৃতিতে এই বিষয়ে জানিয়েছে তারা। আগামী ৪ জুলাই বেলা ১টা নাগাদ বিক্ষোভে সামিল হবেন মঞ্চের সদস্যরা।

এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনে বুথে বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে কিনা সেবিষয়ে এখনও নিশ্চিত নয়। সূত্রের খবর, নির্বাচন কমিশনের অন্দরেও এবিষয়ে আলোচনা চলছে। তারই মাঝে কমিশনে বিক্ষোভ দেখাবে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। তাদের তরফে জানানো হয়েছে, এবার সরকারী কর্মী, চিকিৎসক, নার্স, শিক্ষক, অধ্যাপক, ব্যাঙ্ক কর্মী সহ একাধিক পেশায় নিযুক্তদের নির্বাচনের কাজে নিযুক্ত করা হবে। ফলে তাঁদের নিরাপত্তার জন্য কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা জরুরি।

পাশাপাশি তাঁদের বক্তব্য, নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়নি বুথে বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে কিনা। ফলে স্বভাবতই সরকারী কর্মীরা উদ্বিগ্ন। তাই বাধ্য হয়েই এই কর্মসূচি নিচ্ছেন মঞ্চের নেতারা। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তার দাবিতে প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিবকে গণ ইমেইল করার সিদ্ধান্তও নিয়েছেন তাঁরা।

8 months ago
Election: কোনও বুথে থাকবে না কেন্দ্রীয় বাহিনী, বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানালো নির্বাচন কমিশন

রাজ্য নির্বাচন কমিশন (Election Commission) গতকাল অর্থাৎ শুক্রবার একটি বিজ্ঞপ্তি (Notice) জারি করে। যেখানে স্পষ্ট ৩১৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force) রাজ্যে নাকা চেকিং, বর্ডার এবং অন্তর্দেশীয় চেকপয়েন্ট সুরক্ষা, এছাড়া বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করবেন। এছাড়া ওই বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা আছে, কেন্দ্রীয় বাহিনী রুটমার্চ করবে ও যেখানে রাজনৈতিক হিংসা দেখা যাবে সেখানে রাজ্য পুলিশের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় বাহিনী পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করবে। অথচ কোনও বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের কোনও উল্লেখ ওই বিজ্ঞপ্তিতে নেই। তবে স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠছে, কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা না পেলে সুস্থভাবে ভোট করা কি সম্ভব? এছাড়া প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে যখন প্রতি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট, সেখানে হাইকোর্টের নির্দেশকে কি বুড়ো আঙুল দেখালো কমিশন!

রাজ্য নির্বাচন কমিশনের এমন বিজ্ঞপ্তিতে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে সাধারণ মহলে। প্রশ্ন উঠছে, বারবার যেখানে হাই কোর্ট ও বিরোধীরা প্রতি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর চেয়ে আবেদন করলেন এবং হাইকোর্টও প্রতি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দিলেন কমিশন কে, সেখানে রাজ্য নির্বাচন কমিশন এরকম বিজ্ঞপ্তি কিভাবে জারি করতে পারে? বিরোধীদের অভিযোগ কেন্দ্রীয় বাহিনী আসার আগেই, রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোট ঘোষণা হওয়ার পর ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রতি বুথে না থাকলে এই মৃত্যুর পরিমাণ আরও বাড়বে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহল।

8 months ago


Central Force: কোন জেলায় কত কেন্দ্রীয় বাহিনী! নির্দেশিকা জারি করে জানাল কেন্দ্র

রাজ্যে ৩১৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী দ্রুত পাঠানো হবে, তা চিঠি দিয়ে আগেই জানিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। এবার কোন ক্যাটেগরির ফোর্স কোন জেলায় যাবে তাও জানিয়ে দিল তারা।

কেন্দ্রীয় বাহিনীর মধ্যে বিএসএফ, সিআরপিএফ, আইটিবিপি-র মতো পৃথক  ক্যাটেগরি রয়েছে। কোথায়, কোন ক্যাটাগরির ব্যাটেলিয়ন মোতায়েন করা হবে, সেই বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক জানিয়েছে, ১১ জেলায় সিআরপিএফ, ৬ জেলায় সিআইএসএফ, ৯ জেলায় থাকবে বিএসএফ । সবচেয়ে বেশি বাহিনী মোতায়েন হবে বাঁকুড়া, বীরভূমে।  সূত্রের খবর,  দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও মুর্শিদাবাদে পাঠানো হচ্ছে বিএসএফ। পুরুলিয়াতে পাঠানো হচ্ছে সিআরপিএফ। তবে, বাহিনী সংখ্যা বাড়লে কেন্দ্রীয় বাহিনী বন্টনের তালিকাও বদলে যাবে।

পঞ্চায়েত নির্বাচনের জন্য মোট ৮২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়েছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। তার মধ্যে ২২ কোম্পানি বাহিনী ইতিমধ্যেই পাঠিয়েছে কেন্দ্র। বাকি ৩১৫ কোম্পানি অতি দ্রুত পাঠানো হবে বলে চিঠিতে জানানো হয়েছে। তবে ৪৮৫ কোম্পানি বাহিনীর নিশ্চয়তা এখনও পাওয়া যায়নি বলে খবর।

8 months ago
Force: কোথায় কিভাবে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ব্যবহার! জানতে চেয়ে কমিশনকে চিঠি কেন্দ্রের

কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force) নিয়ে অস্বস্তিতে রাজ্য নির্বাচন কমিশন (State Election Commission)। একদিকে যখন রাজ্য নির্বাচন কমিশন বাহিনী চেয়ে চিঠি লিখেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে। অন্যদিকে তখন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের চিঠিতে পাল্টা চাপে নির্বাচন কমিশন। সূত্রের খবর, ২২ কোম্পানি ও ৩৩৭ কোম্পানি বাহিনীকে কোথায় কিভাবে কাজে লাগানো হবে সেটা জানতে চেয়ে পাল্টা চিঠি দিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক (Ministry of Home Affairs)।

আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে কোন জেলায় কত বাহিনী মোতায়েন করা হবে তা এখনও নির্দিষ্ট হয়নি। সূত্রের খবর, বাহিনী মোতায়েন নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব রয়েছে নির্বাচন কমিশনের উপর। কিন্তু বাহিনী মোতায়েন নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা রয়েছে।

পঞ্চায়েত নির্বাচনের নিরাপত্তার জন্য আপাতত ৩১৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠাচ্ছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। তার মধ্যে ২০০ কোম্পানি সরাসরি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকছে এবং বাকি বাহিনীর মধ্যে থাকছে বিভিন্ন রাজ্যের আর্মড ফোর্স। ফলে এই বাহিনী কোন কোন জেলায় যাবে তা ভাগ করে দিতে হবে রাজ্য নির্বাচন কমিশনকেই। কিন্তু এখনও সেই কাজ সম্পন্ন হয়নি বলে জানা গিয়েছে।

কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, সব জেলায় সম সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে না। ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনীর কো-অর্ডিনেটর বিএসএফের আইজি এস পি বুদাকোটি শুক্র, শনি ও রবিবার কমিশনে যান। নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে একাধিক বৈঠকও করেন। সেই বৈঠকেও এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলেই সূত্রের খবর। তবে নির্বাচন শুরুর আগেই বেশ কিছু জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী পৌঁছে গেছে। তারা রুট মার্চও শুরু করেছে।

8 months ago


Commission: কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে জেলাশাসক ও পুলিস সুপারদের কড়া বার্তা কমিশনের

ইতিমধ্যেই রাজ্যের প্রায় সমস্ত জেলাতেই কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force) মোতায়েন করা হয়েছে। এবার এই কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে কড়া নির্দেশিকা জারি করল কমিশন (Election Commission)। শনিবার বিকেলে সব জেলার জেলা শাসক (DM), জেলা পুলিস সুপার, পুলিস কমিশনারেটের কমিশনার ও পঞ্চায়েত অফিসারদের নিয়ে ডাকা বৈঠকে নির্বাচন কমিশনার পষ্টাপষ্টি জানিয়ে দিলেন, আধা সামরিক বাহিনী এমন ভাবে মোতায়েন করবেন যাতে মানুষের নজরে পড়ে।

জেলা পিছু ১ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ আগেই দিয়েছে কমিশন। এখন কৌতূহলের বিষয় হল, এই অতিরিক্ত ৮০০ কোম্পানির মধ্যে কোন জেলায় কত বাহিনী পাঠানো হবে? এদিনের বৈঠকে তা স্পষ্ট করে কমিশন জানায়নি। তবে সূত্রের দাবি, সব পুলিশ জেলাকে কমিশন নতুন করে পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে জানাতে বলেছে। হিসাব মতো গড়ে এক একটি জেলায় ৩৬ কোম্পানি করে আধা সামরিক বাহিনী পাঠানো যেতে পারে। কিন্তু কালিম্পং সহ ছোট জেলাগুলিতে অত বাহিনী প্রয়োজন নেই। আবার দক্ষিণ ২৪ পরগনা, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া অতিরিক্ত বাহিনী প্রয়োজন হতে পারে। এই সব সাত পাঁচ বিচার করে জেলা পুলিশের ইনপুট অনুযায়ী কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে।

8 months ago
Bankura: পঞ্চায়েত ভোটের আগে বাঁকুড়ায় পৌঁছল কেন্দ্রীয় বাহিনী

ইতিমধ্যেই বাঁকুড়ায় (Bankura) পৌছলো এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force)। কমিশনের (Election Commission) তরফে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে ৮২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে পাঠানো হয়েছে। যার মধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানানো হয়েছে, প্রাথমিক দফায় ২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানো হয়েছিল এর সঙ্গে আরও ৩১৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানো হবে প্রাথমিক দফায়। অর্থাৎ মোট ৩৩৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রাথমিক দফায় রাজ্য আসতে চলেছে। যার মধ্যে এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী ইতিমধ্যে বাঁকুড়ায় পৌঁছে গিয়েছে।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর অপারেশন দিকটা দেখবে সংশ্লিষ্ট রাজ্যের জেলা শাসক। এছাড়া আরও খবর পঞ্চায়েত ভোটের জন্য ৮২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চাওয়া হয়েছে যার মধ্যে ৩৩৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী পাওয়া গিয়েছে এছাড়া আরও ৪৮৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশন ফের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠি লিখেছে বলে এখন অবধি কমিশন সূত্রের খবর।

8 months ago
High Court: 'শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য সব পদক্ষেপ গ্রহণ করব,' হাইকোর্টকে জানাল কমিশন

শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করার জন্য সব পদক্ষেপ আমরা গ্রহণ করব। কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force) মোতায়েনের নির্দেশ সংক্রান্ত আদালত অবমাননার মামলায় হাইকোর্টকে (High Court) এমনই জানালো নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) আইনজীবী। সূত্রের খবর, আজ অর্থাৎ শুক্রবার হাইকোর্টের বিচারপতির প্রশ্নের মুখে পড়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। ওদিকে বিচারপতি ভোট সংক্রান্ত বাংলার পরিস্থিতির কথা জানতে চায় কমিশনের আইনজীবীর কাছে। সে সময় কমিশনের আইনজীবী আদালতকে জানায়, তারা পর্যাপ্ত বাহিনী কেন্দ্রের কাছে চেয়ে পাঠিয়েছে। কেন্দ্র এই মুহূর্তে ৩৩৭ কোম্পানি বরাদ্দ করেছে। এবং বাকি ৪৮৫ কোম্পানির জন্য তাঁরা চিঠি করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে আবেদন জানিয়েছে।

এছাড়া একদিন নির্বাচন জনিত সুরক্ষা ও পঞ্চায়েত নির্বাচনে হিংসার ওঠার জন্য সমস্ত পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে আদালতকে জানায় নির্বাচন কমিশন। সূত্রের খবর, আদালতকে রাজ্য নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, পঞ্চায়েত নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে করতে ২৭৩ জন ডব্লুবিসিএস পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে। এছাড়া ২২ জন আইএএস নিয়োগ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর পক্ষে আবেদন পর্যবেক্ষককে নিরপেক্ষ হতে হবে কমিশন অবশ্যই নিরপেক্ষ পর্যবেক্ষক নিযুক্ত করুন। পাশাপাশি ভোটের দফা বাড়ানোর দাবি শুভেন্দু অধিকারীর আইনজীবীর। শুভেন্দু অধিকারীর আইনজীবী জানান তিনদিনে কুড়ি হাজার ৮০০ র উপরে প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছে এটা কিভাবে সম্ভব। পাশাপাশি ভোটের দফা বাড়ানোর প্রস্তাবকে সায় দিয়ে কেন্দ্রের পক্ষে আইনজীবীর দাবি, ২০১৩র মডেল অনুযায়ী যদি ভোট হয়, তাহলে পর্যাপ্ত কেন্দ্র বানিয়ে দেওয়া সম্ভব। সে সঙ্গেই বিচারপতির আরও সংযোজন। 'যদি কেন্দ্রীয় বাহিনী কম বলে মনে হয় তবে সেক্ষেত্রে বাহিনী আবেদন করতে পারবে নির্বাচন কমিশন।

পাশাপাশি একুশে জুন বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশের পক্ষে কোনও তথ্য নেই আদালতের কাছে। এই প্রেক্ষিতে বিচারপতি বলেন একুশে জুনের রায়ের কোনও হলফনামা নেই, কেন ? এরপর বিচারপতি রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে ২৭ এ জুনের মধ্যে এ বিষয়ে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেম।

8 months ago


Force: নির্বাচন কমিশনের আবেদনে আজই রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় বাহিনী

আজই রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force)। পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayet Election) জন্য বাহিনী চেয়ে গতকালই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে আবেদন করেছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। পঞ্চায়েত ভোট শান্তিপূর্ণ করতে বিজেপি (BJP) ও কংগ্রেস গত সপ্তাহে বৃহস্পতিবার হাইকোর্টে একটি মামলা দায়ের করে। সেই মামলার শুনানিতে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি রাজ্যের সমস্ত জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়নের নির্দেশ দেয়। এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় রাজ্য নির্বাচন কমিশন। সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্টের রায় বহাল রাখে। এরপর জেলা প্রতি এক কোম্পানি বাহিনীর চেয়ে পাঠায় রাজ্য নির্বাচন কমিশন। এরপর চলতি সপ্তাহে মঙ্গলবার পঞ্চায়েত নির্বাচন সংক্রান্ত একটি মামলা শুনানিতে কলকাতা হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশ দেয় ২০১৩ সালের গ্রাফ অনুযায়ী ৮২৫ কোম্পানির বেশি বাহিনী চাইতে হবে। সেই মোতাবিক গতকালই অর্থাৎ বৃহস্পতিবার ৮২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে পাঠায় রাজ্য নির্বাচন কমিশন।

সূত্রের খবর, রাজ্যের আবেদনের ভিত্তিতে প্রাথমিক ভাবে রাজ্যে আসছে ৩১৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। বিজ্ঞপ্তি জারি করে এ কথা জানিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৩১৫ কোম্পানি বাহিনীর মধ্যে সিআরপিএফ থাকবে ৫০ কোম্পানি, বিএসএফ ৬০ কোম্পানি, সিআইএসএফ ২৫ কোম্পানি, আইটিবিপি ২০ কোম্পানি, এসএসবি ২৫ কোম্পানি, আরপিএফ ২০ কোম্পানি। বাকি ১২টি রাজ্য থেকে ‘স্পেশাল আর্মড ফোর্স’ থাকবে ১১৫ কোম্পানি।

8 months ago
Election: কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে ৮২২ কোম্পানি বাহিনী চেয়ে পাঠালো নির্বাচন কমিশন

হাইকোর্টের (High Court) নির্দেশে বৃহস্পতিবারই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে বাহিনী (Central Force) চেয়ে আবেদন রাজ্য নির্বাচন কমিশনের (Election Commission)। সূত্রের খবর, পূর্বেই সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে রাজ্যে প্রত্যেকটি জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন।  সেই মোতাবেক প্রতি জেলা পিছু এক কোম্পানি বাহিনীর জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে চিঠি দেয় কমিশন। অর্থাৎ মোট ২২ কোম্পানি বাহিনী চেয়ে পাঠায় রাজ্য নির্বাচন কমিশন।

এরপর পঞ্চায়েত নির্বাচন সংক্রান্ত মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ বুধবার রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দেয় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ২০১৩র গ্রাফ অনুযায়ী ৮২৫ কোম্পানির বেশি বাহিনী চেয়ে পাঠাতে হবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে। যদিও এর সপক্ষে আজ অর্থাৎ বৃহস্পতিবার মোট ৮২২ কোম্পানি বাহিনী চেয়ে পাঠায় রাজ্য নির্বাচন কমিশন।

8 months ago


Election: কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে কি রক্তশূন্য পঞ্চায়েত নির্বাচন সম্ভব! খোঁজ নিল সিএন-ডিজিটাল

মণি ভট্টাচার্যঃ কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে কি রক্তশূন্য পঞ্চায়েত নির্বাচন (Election Commission) সম্ভব! এই প্রশ্নই এখন বাংলার আপামর জনগণের মনে। আপাতভাবে বাংলায় সাড়ে ৫ কোটির উপরে পঞ্চায়েত ভোটদাতা। যেখানে ৬১ হাজার ৬৩৬টি বুথ আছে। যার মধ্যে ১৮৯ টি বুথ স্পর্শকাতর। রাজ্য নির্বাচন কমিশনের তরফে চলতি মাসেই ঘোষণা করা হয় পরবর্তী মাসে অর্থাৎ ৮ই জুলাই পঞ্চায়েত নির্বাচন, ও তা এক দফাতেই হবে। এরপর মনোনয়ন পর্বেই রাজ্যের চূড়ান্ত হিংসা ও সংঘর্ষের চিত্র দেখে গোটা  বাংলা, যার পর দীর্ঘ তালবাহানার পর রাজ্যে ৮২৫ কোম্পানির বেশি অর্থাৎ প্রায় ৮৫ হাজার কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force) মোতায়নের নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্টের (High Court) ডিভিশন বেঞ্চ। যার মধ্যে সক্রিয় বাহিনীর সংখ্যা হতে পারে প্রায় ৭৫ হাজার অর্থাৎ স্পর্শকাতর বুথে ২টি করে এবং রাজ্যের সব বুথগুলিতে যদি ১টি করে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন হয়। এবং তাঁদের সঙ্গ দেয় রাজ্য পুলিস। তাহলে কি সুষ্ঠুভাবে ভোট সম্ভব! অর্থাৎ রক্তশূন্য ভোট সম্ভব? কি বলছে রাজ্যের বিরোধী দলগুলি।


সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন পরিচালনায় কমিশনের ভূমিকাকেই সর্বত্র দায়ী করছেন বিরোধী দলগুলি। বিরোধীদের মত নির্বাচন কমিশন চাইলে ভোট শান্তিপূর্ণই সম্ভব। কিন্তু নির্বাচন কমিশন প্রথম দিক থেকেই শাসকদলের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করে এসেছে। ফলে প্রতি বুথে একজন কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়েও সুস্থভাবে ভোট হবে কিনা তা বিষয়ে সন্দিহান প্রকাশ করছেন রাজ্যের সব বিরোধী দলই।


এ বিষয়ে বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্যকে সিএন-ডিজিটালের তরফে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, 'তৃণমূল কংগ্রেস ও নির্বাচন কমিশন আপ্রাণ চেষ্টা করবে কেন্দ্রীয় বাহিনী যাতে কোন ভাবে কার্যকর না হয়। সেটা আদালতের নজরদারিতে থাকবে। আমরা দল হিসেবে যতটা করা ততটা করব। কেন্দ্রীয় বাহিনী এক কোম্পানি হোক কিংবা ১০০ কোম্পানি, আমরা নির্বাচন লড়তে প্রস্তুত।'

পাশাপাশি এ বিষয়ে ভাঙড়ের আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকীর মত প্রায় একই, তিনিও এক প্রকার নির্বাচন কমিশনকেই দুষলেন। তিনি বলেন, 'জানিনা কেন কমিশন হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্ট অবধি দৌড়ালেন। কিন্তু কমিশন চাইলে সুষ্ঠুভাবে ভোট সম্ভব।মনোনয়ন পর্ব থেকেই শাসকদল যে নোংরামি করেছে, আশা রাখি নির্বাচন কমিশন ভোট পর্বে সেই নোংরামি করতে দেবে না।'

যদিও এই বিষয়ে শুধু রাজ্য নির্বাচন কমিশন কে নয়, তৃণমূলকেও দুষলেন বাম নেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। মীনাক্ষী এদিন সিএন-ডিজিটাল কে বলেন, 'তৃণমূলের কোন দায় নেই সুষ্ঠুভাবে ভোট করানোর। পঞ্চায়েত তৃণমূলের লুটে খাওয়ার জায়গা, সেখানে যদি সঠিকভাবে ভোট হয় তাহলে তৃণমূল গোহারা হারবে। ফলত সেজন্যই সুষ্ঠুভাবে ভোট তৃণমূলই চায় না। ওরা যদি মানুষের জন্য কাজ করত ওরা নিশ্চয়ই শান্তিপূর্ণ ভোটে সাহায্য করত।'

8 months ago
Force: পঞ্চায়েত ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী বাড়ানোর নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

পঞ্চায়েত ভোটে (Panchayet Election) কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force) বাড়ানোর নির্দেশ হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চের (High Court)। সূত্রের খবর, আদালত অবমাননা মামলা করে সোমবার কমিশনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ওই মামলার শুনানিতে আজ অর্থাৎ বুধবার রাজ্য ও নির্বাচন কমিশন জানায়, ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে একটি চিঠি করা হয়েছে এরপর কমিশনের তরফে আইনজীবী স্পষ্ট করেন প্রতি জেলায় এক কোম্পানি বাহিনী চেয়ে পাঠানো হয়েছে।

এরপরে কলকাতা ডিভিশন বেঞ্চ জানতে চায় তাহলে প্রত্যেকটা বুথে কতজন কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়ন সম্ভব। এরপর হিসেব করে দেখা যায়, একজন কেন্দ্রীয় বাহিনী ২৮টি বুথের দায়িত্বে থাকবেন। এরপরই রীতিমতো কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ কমিশনের উপর ক্ষুব্ধ হয়। এবং নির্দেশ দেয় ২০১৩র পঞ্চায়েত ভোটের হিসেব অনুযায়ী ৮২৫ কোম্পানি বেশি বাহিনী মোতায়েন করতে হবে। অর্থাৎ আক্ষরিক অর্থে প্রায় ৮২ হাজারের বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ।

প্রসঙ্গত রাজ্যে মোট বুথের সংখ্যা ৬১ হাজার ৬৩৬টি, এবং স্পর্শকাতর বুথের সংখ্যা ১৮৯টি। ভোট শান্তিপূর্ণ ও স্বাভাবিক করার দাবিতে কংগ্রেস ও বিজেপি হাইকোর্ট একটি মামলা করে। ওই মামলা শুনানিতে গত সপ্তাহে বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি নির্দেশ দেয় রাজ্যের সব জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে হবে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে। অর্থাৎ কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়েই পঞ্চায়েত ভোট হবে। এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সোমবার রাজ্য কমিশন সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় রাজ্য ও নির্বাচন কমিশন। ওই মামলার শুনানিতে মঙ্গলবার হাইকোর্টের রায় বহাল রাখে সুপ্রিম কোর্ট। এরপর মঙ্গলবার কমিশনের অনিচ্ছা প্রকাশ পায়। অর্থাৎ এত হিংসা ও সংঘর্ষ সত্ত্বেও, গোটা রাজ্যে ২২টি জেলায়, প্রতি জেলা পিছু এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীর চেয়ে পাঠানো হয় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের কাছে।

এছাড়া প্রসঙ্গত ২০১৩ সালে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যান মীরা পান্ডে নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে হওয়ার জন্য সুপ্রিম কোর্টে দ্বারস্থ হয় এবং পঞ্চায়েত নির্বাচন ৫ দফায় ৮২৫ কোম্পানি অর্থাৎ প্রায় ৮২ হাজার আধা সামরিক বাহিনী মোতায়নের আবেদন জানায়। সেই আবেদনে সুপ্রিম কোর্ট এবার ওই ২০১৩ সালের সুপ্রিম কোর্টের রায়কে নজরে রেখে কলকাতায় হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ তাঁর থেকে বেশি সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দেয় বুধবার।

এছাড়া সূত্রের আরো খবর রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে ২৪ ঘন্টার মধ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়নের নির্দেশ দেয় এবং কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ চরম ভর্ৎসনার মুখে পড়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। ডিভিশনের মত যদি রাজ্য নির্বাচন কমিশন ২৪ ঘন্টার মধ্যে বাহিনী মোতায়েন না করে, তাহলে আদালত কমিশনের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ডিভিশন বেঞ্চ আরও মন্তব্য করেন, যদি রাজ্য নির্বাচন কমিশন তার দায়িত্ব পালনে সক্ষম না হয়, তাহলে রাজ্যপালকে সে দায়িত্ব নিতে হবে। এবং রাজ্য নির্বাচন কমিশনার বদল করে ফের নির্বাচনের আয়োজন করতে হবে।

8 months ago
Vote: ১ জেলায় ১ কোম্পানি! কেন্দ্রীয় বাহিনীতে অনিচ্ছা রাজ্য নির্বাচন কমিশনের!

পঞ্চায়েত ভোটে (Panchayet Election) প্রতি জেলায় এক কোম্পানি করে কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force) মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন (Election Commission)! সেই হিসাবে মঙ্গলবার কেন্দ্রের কাছে ২২ জেলার জন্য ২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে পাঠানো হয়েছে কমিশনের তরফে এমনটাই সূত্রের খবর। এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীতে সাধারণত থাকেন ১০০ থেকে ১০৫ জন সদস্য থাকেন। তাঁদের মধ্যে পরিস্থিতি অনুযায়ী কাজে লাগানো হয় কম-বেশি ৮০ জনকে।

পঞ্চায়েত ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের রায় মঙ্গলবার বহাল রেখেছে সু্প্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালত জানায়, সব জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করেই রাজ্যে ভোট করতে হবে। এর আগে হাই কোর্টও ওই নির্দেশ দিয়েছিল। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে গিয়েছিল রাজ্য ও রাজ্য নির্বাচন কমিশন। মঙ্গলবার সেই মামলার শুনানিতে অবাধ ও স্বচ্ছ ভোটের জন্য হাই কোর্টের নির্দেশই বহাল রাখার কথা জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

8 months ago


Force: ২৪ ঘন্টার মধ্যে বাহিনী চেয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে আবেদন করতে পারে কমিশন!

কেন্দ্রের কাছে ২৪ ঘন্টার মধ্যে বাহিনী (Central Force) চাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (Election Commision)। সূত্রের খবর, মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) ধাক্কা খাবার পর কেন্দ্রের কাছে বাহিনী চাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র দফতরকে চিঠি লিখে ২৪ ঘন্টার মধ্যে বাহিনীর আবেদন করবে রাজ্য নির্বাচন কমিশন।

সূত্রের খবর, গত সপ্তাহে বৃহস্পতিবার কংগ্রেস এবং বিজেপির করা একটি মামলায়, হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম নির্দেশ দেয়, রাজ্যের প্রতিটি জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে হবে। এবং তিনি আরও নির্দেশ দেন যে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে কেন্দ্রের কাছে বাহিনী চেয়ে পাঠাতে হবে। এরপর অবশ্য ৪৮ ঘন্টা পেরিয়ে গেলেও কমিশন কোনও সিদ্ধান্তই নেয় নি। পাশাপাশি হাইকোর্টের ওই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় রাজ্য নির্বাচন কমিশন। এরপরই কার্যত সুপ্রিম কোর্ট সমস্ত সওয়াল জবাবের পর, হাইকোর্টের রায়কে বহাল রাখে। এরপর মঙ্গলবার থেকে আরও তৎপর হয় নির্বাচন কমিশন। এবং এখনও অবধি পাওয়া সূত্রের খবর অনুযায়ী, প্রতিটি জেলার জন্য দুই কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী আবেদন করবে রাজ্য নির্বাচন কমিশন।

8 months ago
Election: বাহিনী দিয়ে ভোটের নির্দেশকে বিরোধিতা, সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ রাজ্য-কমিশন

কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force) দিয়ে পঞ্চায়েত ভোট (Panchayet Election) করানোর নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে রাজ্য ও নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। সূত্রের খবর, কংগ্রেস ও বিজেপির করা একটি মামলায় গতকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির নির্দেশ ছিল ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কমিশনকে কেন্দ্রের কাছে বাহিনী চেয়ে পাঠাতে হবে। এবং শীঘ্রই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে হবে স্পর্শকাতর এলাকা গুলিতে। ফলত স্পষ্ট হয়েছিল কেবলমাত্র স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে নয়, গোটা রাজ্য জুড়ে পঞ্চায়েত ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন হবে।

এবার হাইকোর্টের ওই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিমকোর্টের দ্বারস্থ রাজ্য এবং রাজ্য নির্বাচন কমিশন। সূত্রের খবর গতকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা জানিয়েছিল, আদালতের নির্দেশ মেনে নেব কিন্তু আজ অর্থাৎ শুক্রবার পাল্টি খেলেন রাজ্য এবং রাজ্য নির্বাচন কমিশনার। সূত্রের খবর, শুক্রবারই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন রাজ্য নির্বাচন কমিশন। কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়নের নির্দেশ কে চ্যালেঞ্জ করে কমিশনের এই মামলার শুনানি আগামী শনিবার হতে পারে বলে সূত্রের খবর।

8 months ago