Breaking News
HC: জেলে ১ বছর ৭ মাস! পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিচারপ্রক্রিয়া কবে শুরু হবে? ইডির কাছে রিপোর্ট তলব হাইকোর্টের      Sandeshkhali: ''দাদা আমাদের বাঁচান...'', সন্দেশখালির মহিলাদের আর্তি শুনলেন শুভেন্দু      Sandeshkhali: 'মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত', ক্ষোভ প্রকাশ জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সনের      Weather: বিদায়ের পথে শীত! বাড়বে তাপমাত্রা, বৃষ্টির পূর্বাভাস দক্ষিণবঙ্গে      Sandeshkhali: শিবু হাজরার গ্রেফতারিতে মিষ্টি বিলি, আদালতে পেশ, কবে গ্রেফতার সন্দেশখালির 'মাস্টারমাইন্ড'?      Arrest: সন্দেশখালিকাণ্ডে ন্যাজট থেকে গ্রেফতার শিবু হাজরা      Trafficking: ১০ মাস লড়াইয়ের পর মাদক মামলা থেকে মুক্তি বিজেপি নেত্রী পামেলার      Mimi: রাজনীতি আমার জন্য় নয়, মুখ্যমন্ত্রীর কাছে গিয়ে সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা মিমির!      Dev: রাজনীতিতে ফিরতেই ফের দেবকে দিল্লিতে ডাক ইডির      Suvendu: সুকান্ত অসুস্থ থাকলেও, সন্দেশখালি কাণ্ডে আন্দোলনের ঝাঁঝ বাড়াতে মাঠে শুভেন্দু     

CPM

Burdwan: বর্ধমান শহরে সিপিএম-র আইন অমান্য ঘিরে ধুন্ধুমার, উপড়ে ফেলা হল বিশ্ব বাংলার লোগো

সিপিএম পূর্ব বর্ধমান জেলা কমিটির ডাকে আইন অমান্য কর্মসূচি ঘিরে ধুন্ধুমার বর্ধমান শহরের কার্জন গেট এলাকায়। মূলত 'চোর ধরো জেল ভরো' ব্যানারে এই কর্মসূচি ডাকা হয়েছিল। দলের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমের নেতৃত্বে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে সরকারি সম্পদ লুঠ,মূল্যবৃদ্ধি, খাদ্যপণ্যে জিএসটি, বেকারত্ব এবং বিভাজনের রাজনীতির বিরুদ্ধে স্লোগান ওঠে। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিপুল পুলিস মোতায়েন করা হলেও সংঘর্ষ বাঁধে সিপিএম কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে। তাঁদের ৫ পুলিসকর্মী আহত বলে জানিয়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিস।

এই কর্মসূচি থেকে উপড়ে ফেলা হয় রাজ্য সরকারের বিশ্ববাংলা লোগো। পরিস্থিতি আয়ত্বে আনতে প্রায় ৫ রাউন্ড কাঁদানে গ্যাস ছোড়া হয়। বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাসের অফিসেও চলে ভাঙচুর। বর্ধমানের বড়নীলপুর মোড় থেকে কার্জনগেট চত্বর পর্যন্ত প্রতিবাদ মিছিল ঘিরেই এলাকায় ধুন্ধুমার। আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখতে লাঠিচার্জ করেছে পুলিস।

পুলিসি অতিসক্রিয়তার অভিযোগ তুলেছেন মহম্মদ সেলিম। তিনি জানান, মিছিল ঢোকার মুখেই কাঁদানে গ্যাস ছোড়া হয়। কোনওরকম সতর্কবার্তা ছাড়া এই পদক্ষেপ। বিশেষ একজন পুলিসকর্তাকে এই কাজে ইন্ধন জুগিয়েছে। আমরা তাঁকে চিহ্নিত করেছি। তিনি পুলিসের উপর হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সিপিএম রাজ্য সম্পাদক। 

পাল্টা তৃণমূলের তরফে দাবি, সেলিমের নেতৃত্বে গুন্ডাগিরি হয়েছে। সরকারি সম্পত্তি, পুলিসের উপর হামলা হয়েছে। দোকান লুটপাট চলেছে। অর্থাৎ এটা আইন অমান্য নয় গুন্ডাগিরি।

দেখুন সেই মুহূর্তের ভিডিও এবং কে কী বললো--


one year ago
Mamata: 'রাজনীতি এত নোংরা জানলে কবেই রাজনীতি ছেড়ে দিতাম', সরব মুখ্যমন্ত্রী মমতা

এরকম নোংরা রাজনীতি দেখলে আগেই রাজনীতি ছেড়ে দিতাম। নবান্নে ক্ষোভপ্রকাশ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (CM Mamata)। সব কয়লার টাকা নাকি কালীঘাটে যাচ্ছে। কার কাছে যাচ্ছে মা কালীর কাছে? এহেন প্রশ্ন তুলে মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্য, 'জেনেশুনে কোনও অন্যায় করিনি। তৃণমূল কংগ্রেস পরিবারকে (TMC) কলঙ্কিত করবেন না। আমি একটা মশাও মারি না। রক্ত, মৃতদেহ দেখতে পারি না। ভয় পাই। যাকে তাঁকে কলুষিত করার চেষ্টা চলছে। তৃণমূলকে পরিকল্পিত করে কলঙ্কিত করার চেষ্টা হচ্ছে। প্রতিহিংসা না প্রকাশ্যে হিংসা?'

তাঁর দাবি, 'উত্তর প্রদেশ, বিহার হয়ে গোরু আসছে। গোরু-কয়লা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীনে। আমি সেটিং করি না। এই কাজের জন্য আমি ফিট না। আমার কাছে সেটিং করতে আসে। আমরা কারও কাছে ভিক্ষা চাই না, প্রাপ্য চাই। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সে ব্যাপারে কথা বলতে গেলে বলা হয় সেটিং করতে গিয়েছি।'  মুখ্যমন্ত্রী জানান, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে আমি কোনও বেতন নিই না। প্রায় ৫-৬ কোটি টাকা সাদা টাকা তো হবেই। আমার চেয়ারের লোভ নেই। এটা মানুষের চেয়ার, মানুষ যেদিন চাইবে না থাকবো না। একটা ঝোলা ব্যাগ নিয়ে রেল মন্ত্রক ছেড়ে চলে এসেছিলাম। ক্রীড়া মন্ত্রক ছেড়ে দিয়েছিলাম।

অভিমানের সুরে তাঁর মন্তব্য, 'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বই লিখলে আপত্তি কোথায়। বাচ্চাদের সঙ্গে মিশতে গেলে বাচ্চা মন করতে হয়। তাও সোশাল মিডিয়ায় আমার লেখা নিয়ে হাসাহাসি হয়। দু'বার আঁকার প্রদর্শনী করেছিলাম। যা টাকা পেয়েছি দান করে দিয়েছি। আমি ছোট থেকেই লিখি। আমার সৃজনশীলতা আমাকে গান লিখতে, বই লিখতে অনুপ্রেরণা দিলে আমি লিখি। আপনারও লিখুন, কে না করেছে। আমার তো তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়া কোনও পরিবার নেই। রান্না করতে হয় না, অভিষেকের মা আমাকে দেখে। তাই এসব নিয়ে থাকি।'

বুধবার মুখ্যমন্ত্রী বৃহস্পতিবার ইউনেস্কোর জন্য আয়োজিত থ্যাঙ্কস গিভিং পদযাত্রার পরকিল্পনা সংবাদ মাধ্যমের সামনে তুলে ধরেন। কোথা থেকে মিছিল শুরু হয়ে, কোথায় থামবে। সেই বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা দেন তিনি।

one year ago
ED: কয়লা পাচার-কাণ্ডে ফের অভিষেককে ইডির তলব, শুক্রবার সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা

প্রসূন গুপ্ত: ফের আগামী শুক্রবার কয়লা কাণ্ডে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ডেকেছে ইডি। যদিও ২৮ তারিখ রবিবার তাঁকে নোটিস মেইল করা হয়েছে। এমনটাই সূত্র মারফৎ খবর। এবার তাঁকে যেতে হবে ইডির কলকাতা দফতর সিজিও কমপ্লেক্সে। জানা গিয়েছে, দিল্লি থেকে বিশেষ আধিকারিকরা আসছেন তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে। তিনি অবশ্যই আইনি পরামর্শ নিয়েই ইডি সমনে সাড়া দেবেন। পর্যবেক্ষকদের কাছে রহস্যময় বিষয় এই যে সোমবার সমাবেশ মঞ্চ থেকে অভিষেক জানিয়েছিলেন, ২১ জুলাইয়ের মেগা সমাবেশের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছিল পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। কে বলতে পারে আজকের সমাবেশের পর (পড়ুন ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুষ্ঠান) ৪-৫ দিনের মধ্যে আবার কারও ডাক আসতে পারে। এই আশঙ্কাই খানিকটা আক্রমণের সুরে করেছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।

সেই সম্ভাবনাকে উসকে দিয়ে চিঠি একদিন আগে এলেও, মেয়ো রোডের সমাবেশের ঠিক ৪ দিনের মাথায় খোদ অভিষেকেরই ডাক পড়লো ইডি দফতরে। এদিকে, সোমবার ছিল তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুষ্ঠান। সাধারণত ২৮ অগাস্ট প্রতিষ্ঠা দিবস, কলকাতার মেয়ো রোডেই অনুষ্ঠান হয়ে থাকে। প্রাথমিক বক্তব্য ছাত্র সভাপতি বা দু-একজন বক্তা বক্তব্য রাখার পর প্রধান বক্তা হিসাবে মঞ্চে আসেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু এবার ব্যতিক্রম। এবার দলের নাম্বার টু অর্থাৎ সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও ছিলেন অন্যতম বক্তা। সাম্প্রতিক সময়ে দেখা গিয়েছে অভিষেক এখন তৃণমূলের কোনও প্রধান অনুষ্ঠানে প্রথমসারির বক্তা।

কারণ অবশ্য অনেক। এই মুহূর্তে সারা বাংলা-সহ যেখানে তৃণমূলের অবস্থান আছে সেখানেই অভিষেক, কারণ সংগঠনকে মজবুত করা দরকার। শোনা যায়, দলের নিচুতলার কর্মী-সমর্থকরা অন্তত তেমনটাই জানেন। দলের সংগঠন দেখবেন তিনিই এবং শেষ কথাও তিনি বলবেন| সোমবারের সমাবেশে তৃণমূলের আদি নেতারা মোটামুটি সকলেই ছিলেন এবং যাঁরা ভাষণের মাঝে নেত্রীর নাম উল্লেখ করেন। গতকাল কিন্তু মানুষ দেখলো বা শুনলো অন্য কথা। ববি হাকিমের মতো প্রবীণ নেতার মুখেও তৃণমূলের আগামী নেতা হিসেবে অভিষেকের নাম। মমতা ঘনিষ্ঠ অন্য নেতা তথা মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসও বক্তব্য শেষে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিন্দাবাদের সঙ্গে জুড়লেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জিন্দাবাদ। 

এখন প্রশ্ন, কেন অভিষেকের নাম রাজ্যের একাধিকক মন্ত্রীর মুখে। রাজনৈতিক মহলে শোনা গিয়েছে, ইডি বা সিবিআই তদন্তে দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মধ্যে কম্পন শুরু হয়েছে। তখন একমাত্র অভিষেক নিয়মিত যাচ্ছেন ইডির ডাকে সাড়া দিতে। বেশ কয়েক ঘন্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর বেরিয়ে এসে দাপটে কেন্দ্রকে সমালোচনার সুরে বিঁধছেন তিনি। বারবার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের দিকে। সোমবারও তাঁর অন্যথা হয়নি।

one year ago


Sougata: বিরোধীদের এলাকাছাড়া করার হুমকি সৌগতর গলায়, বললেন, 'তৃণমূল মানেই চোর বলবেন না'

বরানগরে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভা থেকে বিস্ফোরক দমদমের সাংসদ সৌগত রায় (MP Saugata Ray)। বিরোধী সিপিএম, বিজেপি কংগ্রেসকে (Opposition) এলাকাছাড়া করার হুঁশিয়ারি প্রবীণ এই রাজনীতিবিদের। ভাইরাল এক ভিডিওয় সৌগত রায়ের এহেন মন্তব্য ঘিরে ফের তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা। যদিও সেই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি ক্যালকাটা নিউজ বা ক্যালকাটা নিউজ ডিজিটাল। ঠিক কী বলেছেন দমদমের তৃণমূল সাংসদ। তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভায় সৌগত রায় বলেন, 'সিপিএম, বিজেপি, কংগ্রেস আপনারা সব তৃণমূলকে চোর ধরো, জেল ভরো বলবেন না। তৃণমূলের সবাই চোর বলবেন না। আমাদের দলের ৯৮% সৎ, ২% দুর্নীতিবাজ। আমরা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাও নেব। তাই তৃণমূল মানেই চোর এভাবে বলে বিরোধীরা আমাদের উত্যক্ত করলে তৃণমূল কর্মীরা চুপ করে বসে থাকবে না। আমরা একবার রুখে দাঁড়ালে ওদের এলাকা ছেড়ে দিতে হবে।'

এখানেই থামেননি প্রবীণ এই সাংসদ, রীতিমতো চ্যালেঞ্জ ছুড়ে বলেন, 'বিরোধীদের কেউ একজন প্রমাণ করুক সৌগত রায় কারও থেকে টাকা নিয়েছে, কোথাও সম্পত্তি রয়েছে। তাহলে রাজনীতি ছেড়ে দেব। ফালতু অভিযোগ শুনতে রাজি নই।' 

মিডিয়া ট্রায়ালের অভিযোগ তুলে তৃণমূল সাংসদ বলেন, 'যাদের চিনি না, তাঁরা আমাদের দিকে অভিযোগ তুলবে, সেটা ভালো লাগে না। তৃণমূলের লোকেরা ফুঁসছে, তাই বিরোধীরা নিজেদের নিয়ন্ত্রণ না করলে কপালে দুঃখ আছে।'  

সৌগত রায়ের এই মন্তব্যের সমালোচনায় সরব বিরোধী দলগুলো। সিপিএম নেতা তথা প্রাক্তন বিধায়ক তন্ময় ভট্টাচার্য বলেন, 'আমরা তো বলছি না তৃণমূল চোর। বলছি চোর ধরো, জেল ভরো। তাহলে চোরেদের গায়ে লাগার কথা তৃণমূলের কেন গায়ে লাগছে। সৌগত দা-কে ব্যক্তিগতভাবে আমি শ্রদ্ধা করি। উনি অভিজ্ঞ, বিদগ্ধ, অধ্যাপক মানুষ। কিন্তু এর আগে সৌগত রায় বলেছিলেন বিরোধীদের চামড়া দিয়ে জুতো বানানো হবে। তাহলে কি উনি গণতন্ত্রের সুস্থ সংস্করণ বিরোধী পরিসরের বিরুদ্ধাচারণ করছেন?' 

পাশাপাশি প্রাক্তন সাংসদ তথা বিজেপির যুবনেতা অনুপম হাজরা জানান, অধ্যাপক মানুষের এমন মস্তিষ্ক কেন এমন বিকৃতি ঘটেছে বুঝতে পারছি না। নাকি উনি অনুব্রত মণ্ডলের জায়গা নিতে চাইছেন? অনুব্রত মণ্ডল তো এই ধরনের ধমক-চমকের রাজনীতি করতেন। ওরা দিনে দুপুরে চুরি করবে আর মানুষ কিছু বলতে পারবে না?'

দেখুন সেই ভাইরাল ভিডিও, সত্যতা যাচাই করেনি ক্যালকাটা নিউজ বা ক্যালকাটা নিউজ ডিজিটাল

2 years ago
CPIM: নিমতৌরিতে সিপিএম এবং কলেজ স্ট্রিটে বাম ছাত্র সংগঠনের প্রতিবাদ মিছিলে ধুন্ধুমার, পুলিসের সঙ্গে ধস্তাধস্তি

বামেদের সারা ভারত কৃষকসভা ও খেতমজুর সংগঠনের ডাকে মঙ্গলবার বিকেলে পূর্ব মেদিনীপুর জেলাশাসকের দফতরে অভিযান ও আইন অমান্য কর্মসূচি নেওয়া হয়েছিল। প্রথমে নিমতৌড়িতে (Nimtauri) পথসভা করা হয় সেই পথসভাতে নেতৃত্ব দেন রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য সুজন চক্রবর্তী (Sujan Chakraborty)। পাশাপাশি ছিলেন জেলা সম্পাদক নিরঞ্জন সিহি-সহ অন্যান্য বাম নেতৃত্বরা। তবে এই কর্মসূচি ঘিরে চলে তুমুল বিক্ষোভ। বেলা বাড়তেই বামকর্মী সমর্থকরা ছত্রভঙ্গ হয়ে ৩০ মিনিট ধরে ৪১ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করার  সিদ্ধান্ত নেয়।

জানা যায়, এই পথসভা শেষে নিমতৌড়ি চৌরাস্তার মোড় থেকে বামকর্মী সমর্থকরা মিছিল আকারে জেলাশাসক দফতরের মূল প্রবেশদ্বারের সামনে যেতে না যেতেই পুলিসি বাধা পায়। তবে পুলিসি বাধা পেলে বাম নেতৃত্ব-সহ কর্মী সমর্থকরা পুলিসি ব্যারিকেড ভেঙে এগনোর চেষ্টা করে। তবে পুলিস এই বিক্ষোভের মুখে পড়ে বিক্ষোভ না সামাল দিতে পেরে জল কামান ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করে। এর ফলে সেই বিক্ষোভ মিছিল ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। তবে বিক্ষোভ চলে দীর্ঘক্ষণ।

অন্যদিকে শহর কলকাতাতেও (Kolkata) বিক্ষোভে সরব এআইডিএসও। এআইডিএসও-এর (AIDSO) তরফ থেকে মঙ্গলবার একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। জানা যায়, হলদিবাড়ি কলেজের ফ্রি বৃদ্ধির প্রতিবাদ করে কোচবিহারে (Cooch Behar) আন্দোলন করা হয়েছিল এআইডিএসও-এর পক্ষ থেকে।  কিন্তু সেই সময় তাঁদের অভিযোগ, পুলিসি (Police) বাধার সম্মুখীন হয় এইআইডিএসও সমর্থকরা। তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। দেওয়া হয় জামিনঅযোগ্য ধারা।  এবার তাদের নিঃশর্ত ছাড়তে হবে এই দাবিতে তাঁদের এই বিক্ষোভ মিছিল বলে জানা যায়।

2 years ago


SSKM: 'তৃণমূলের সঙ্গে আছি', হাসপাতালে মন্তব্য পার্থর, 'আগে নির্দোষ প্রমাণ করুক', পাল্টা শান্তনু

দলের সঙ্গে ছিলাম এবং দলের সঙ্গে আছি। শনিবার ফের তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। এদিন শারীরিক অসুস্থতার কারণে তাঁকে প্রেসিডেন্সি জেল থেকে এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিল। মেডিক্যাল পরীক্ষার পর তাঁকে যখন ফের জেলে ফেরানো হচ্ছিল, তখনই সংবাদ মাধ্যমের উদ্দেশ্যে এই মন্তব্য করেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। শনিবার বিকেলে যখন তাঁকে হাসপাতালে আনা হয়, তখন অবশ্য তিনি জানিয়েছিলেন শরীর ভালো নেই। এদিকে, তৃণমূলের প্রাক্তন মহাসচিবের এই মন্তব্য ঘিরে শোরগোল পড়েছে রাজ্য রাজনীতিতে।

তৃণমূল সাংসদ শান্তনু সেন বলেন, 'তদন্ত সম্পূর্ণ হয়ে তিনি নির্দোষ প্রমাণিত হয় এলে, নিশ্চয় দল তাঁকে সম্মান ফিরিয়ে দেবে। এমনটা আমাদের শীর্ষ নেতৃত্ব আগেই জানিয়েছে। কেউ যদি বলি আমি তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে আছি, তাতে দলের অস্বস্তি কেন হবে? দল পাল্টা কী অবস্থান নিয়েছে, বা কী বলছে সেটাই বিবেচ্য। তৃণমূল ইতিমধ্যে অবস্থান পরিষ্কার করেছে। তদন্তে তিনি নির্দোষ প্রমাণিত হলে অবশ্যই দল এবং মন্ত্রিসভা পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে।'

সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, 'পার্থ চট্টোপাধ্যায় আগের দিন বলছিলেন কেউ ছাড় পাবে না। তাই শাসক দল আকার-ইঙ্গিতে বলে দিয়েছে, যেহেতু টাকা পাওয়া গিয়েছে তাই সরাসরি বলতে পারেনি, যে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে দল আছে,  এবং পাল্টা উনি বললেন আমি দলের সঙ্গে আছি।' বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ কটাক্ষের সুরে বলেন, 'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তো উনার উপর থেকে ভরসার হাত তুলে নিয়েছেন। কেউ একবারও ওর না করছে না। উনি তো বলবেনই দলের সঙ্গে আছি এবং দলের সঙ্গে থাকবো। কিন্তু দল কি পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে আছে? এখন তো শুধু ইডি-সিবিআই সঙ্গে আছে।' 

2 years ago
Custody: ফের চারদিন সিবিআই হেফাজত অনুব্রতর, সমর্থন বিজেপি-সিপিএম-র

১০ দিন সিবিআই হেফাজত (CBI Custody) শেষে ফের ৪ দিনের কেন্দ্রীয় সংস্থার হেফাজতে অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)। শনিবার বিকেলেই অনুব্রতকে নিয়ে সিজিও কমপ্লেক্সে পথে সিবিআই। এই আবহে ফের একবার বিরোধী আক্রমণের মুখে তৃণমূল কংগ্রেস। বাম এবং বিজেপি একযোগে আক্রমণ শানিয়েছে ঘাসফুল শিবিরকে (TMC)। রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপির (BJP) সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, 'অনুব্রত মণ্ডলের চার দিনের সিবিআই হেফাজতের সিদ্ধান্তকে আমরা স্বাগত জানাচ্ছি। এখন ন্যানো কারখানার বদলে চালকলে গাড়ি পাওয়া গিয়েছে, অনুব্রত সিবিআই হেফাজতে থাকলে আরও সম্পত্তির হদিশ মিলবে।'

সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তীর প্রশ্ন, 'অনুব্রত মণ্ডল এত প্রভাবশালী তাই জামিনের সুযোগ নেই। যদি বিচারব্যবস্থা বলে কিছু থাকে তাহলে জেলেই থাকতে হবে। কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি নিয়ে বাইরে কীভাবে ঘুরে বেড়াবেন অনুব্রত মণ্ডল?' 

কী বলছে বিজেপি-সিপিএম?

এদিকে, অনুব্রত মণ্ডলের জামিনের আর্জি খারিজ। ফের ৪ দিনের জন্য সিবিআই হেফাজতে বীরভূমের জেলা তৃণমূল সভাপতি। ২৪ অগাস্ট পর্যন্ত সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দিল আসানসোলে সিবিআইয়ের বিশেষ আদালত। অর্থাত্ বীরভূমের দাপুটে নেতার ফের ঠিকানা নিজাম প্যালেস। অনুব্রতর শারীরিক অসুস্থতার যুক্তি খারিজ আদালতে। সূত্রের খবর, জামিন পেলে প্রমাণ নষ্ট করতে পারেন, তাই প্রভাবশালী তত্ত্বে খারিজ জামিনের আবেদন।

2 years ago
Asset: বিরোধী দলের নেতাদের নামে কোর্টে মামলা, তরজায় জড়ালেন সুকান্ত, অধীর, কুণাল

তৃণমূলের ১৯ নেতামন্ত্রীর সম্পত্তিবৃদ্ধি (Asset Case) নিয়ে হাইকোর্টে (Calcutta High Court) বিচারাধীন জনস্বার্থ মামলা (PIL)। পাশাপাশি বিরোধী দলের ১৭ নেতার সম্পত্তিবৃদ্ধি নিয়েও বৃহস্পতিবার পাল্টা জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছে হাইকোর্টেই। এবার শাসক-বিরোধী দলের নেতাদের নামে চলা এই জোড়া মামলা ঘিরে তুঙ্গে চাপানউতোর। বিরোধী দলের যে ১৭ নেতানেত্রীর নামে মামলা দায়ের হয়েছে, সেই তালিকায় নাম আছে বিজেপির দিলীপ ঘোষ, লকেট চট্টোপাধ্যায়, অগ্নিমিত্রা পাল, সৌমিত্র খাঁ প্রমুখদের। সেই প্রসঙ্গে বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, 'আমরা ইডি, সিবিআই যে কোনও ধরনের তদন্তের মুখোমুখি হতে প্রস্তুত। তৃণমূল নেতারা ইডির বিরোধিতা করে কোর্টে গিয়েছে। কিন্তু আমাদের কেউ বিরোধিতা করতে কোর্টে যাবে না।'

বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় জানান, এটা প্রতিহিংসার রাজনীতি। আমরা কষ্ট করে জনপ্রতিনিধি হয়েছি। এদিকে তৃণমূল নেতারা যা সম্পত্তি বানিয়েছে, তাঁদের কাছে আমরা অনেকটাই ক্ষুদ্র। পাল্টা দায়ের হওয়া জনস্বার্থ মামলায় নাম আছে প্রাক্তন বিরোধী দলনেতা আবদুল মান্নানের। সেই প্রসঙ্গে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী বলেন, 'আমরা চাই সবার তদন্ত হোক। সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর সম্পত্তিরও তদন্ত হোক। আমি শুধু জানতে চাই বিধায়ক, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বেতন না নিয়ে দিদির চলে কীভাবে?'

তৃণমূলের তরফে মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, 'তৃণমূল নেতাদের নামে মামলা হলে সব ঠিক আছে। আর বিজেপি কারও নামে মামলা হলে সেটা প্রতিহিংসা। ২০১৬ সালে তো বিজেপিই পার্টি অফিসে টিভি চালিয়ে শুভেন্দুর টাকা নেওয়ার ছবি দেখিয়েছিল। এবং স্লোগান তুলেছিল সিবিআই চাই। শুভেন্দু তো এখন তাঁদের সঙ্গেই ঘুরে বেড়াচ্ছে।'

ঠিক কী বললেন সুকান্ত মজুমদারম, অধীর চৌধুরী এবং কুণাল ঘোষ?

2 years ago


HC: তৃণমূলের ১৯, পাল্টা শুভেন্দু,দিলীপ,সেলিম-সহ ১৭ বিরোধী নেতার সম্পত্তিবৃদ্ধি নিয়ে মামলা

তৃণমূল নেতামন্ত্রীদের অস্বাভাবিক সম্পত্তিবৃদ্ধি সংক্রান্ত একটি জনস্বার্থ মামলার ইতিমধ্যে হাইকোর্টে শুনানি চলছে। সেই মামলায় ইডিকে পার্টি হতে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। যদিও এই নির্দেশের বিরোধিতা করে পাল্টা আবেদন করেছেন রাজ্যের তিন মন্ত্রী। এই টানাপোড়েনে এবার বিরোধী দলের একাধিক নেতার বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলা দায়ের। সেখানেও শুভেন্দু অধিকারী-সহ মহম্মদ সেলিম, আব্দুল মান্নানের সম্পত্তিবৃদ্ধি নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।

শাসক পক্ষের ১৯ নেতামন্ত্রীর সম্পত্তি নিয়ে যখন জলঘোলা, তখন বিরোধী পক্ষের ১৭ নেতার সম্পত্তিবৃদ্ধি নিয়ে প্রশ্ন তুলে দায়ের হয়েছে জনস্বার্থ মামলা। এই মামলায় বিজেপি, সিপিএম এবং কংগ্রেসের একাধিক নেতার নামোল্লেখ রয়েছে। শুভেন্দু-সহ শিশির অধিকারী, দিব্যেন্দু অধিকারী, দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, সৌমিত্র খাঁ, লকেট চট্টোপাধ্যায়, প্রাক্তন বিরোধী দলনেতা আব্দুল মান্নান-সহ প্রাক্তন সিপিএম বিধায়ক তন্ময় ভট্টাচার্য এবং সিপিএম রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমের নাম রয়েছে।

হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব এবং বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলা দায়ের হয়েছে। আগামি সপ্তাহেই শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা।

এদিকে, খুব অল্প সময়ের মধ্যে রাজ্যের অন্তত ১৯ জন জনপ্রতিনিধির সম্পত্তি বেড়েছে কয়েকগুণ। হাইকোর্টে দায়ের করা মামলায় ১৯ জনের তালিকা জমা পড়ে। তাতে নাম রয়েছে ফিরহাদ হাকিম, অরূপ রায়, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক এমনকী অমিত মিত্রর মতো মন্ত্রীদের। সম্পত্তি অর্থাৎ আর্থিক বিষয়ে মামলা বলে গত ৮ আগস্ট ইডিকে যুক্ত করার নির্দেশ দেয় উচ্চ আদালত।

নেতাদের সম্পত্তি কীভাবে ক্রমশ ফুলেফেঁপে উঠছে, সেই প্রশ্ন তুলে সেই মামলায় ইডিকে পার্টি করার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এবার নির্দেশ পুনর্বিবেচনার আর্জি জানিয়ে আবেদন রাজ্যের তিন মন্ত্রীর। মন্ত্রীরা হলেন, ফিরহাদ হাকিম, অরূপ রায়, ও জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। আবেদনকারী মন্ত্রীদের দাবি, এই মামলার বিচার লোক আয়োগে হওয়া উচিত।

2 years ago
Reaction: অনুব্রতর পাশে মমতা, 'তৃণমূল ডুবন্ত নৌকা', সরব বিজেপি, 'ভয় পেয়ে হালুম', খোঁচা সুজনের

স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে বেহালায় তৃণমূলের অনুষ্ঠানে ঘুরিয়ে অনুব্রত মণ্ডলের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর এই অবস্থানকে কটাক্ষের সুরে বিঁধেছে বিরোধী দলগুলো। একযোগে আক্রমণ করেছে বিজেপি-কংগ্রেস। রাজ্যের প্রধান বিরোধী দলের সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, 'তৃণমূলের নৌকা ডুবতে চলেছে। মানুষ বুঝতে পারছে তৃণমূল চোরদের দল। অনুব্রত মণ্ডল সাংসদ, বিধায়ক না হয়েও মেডিক্যাল কলেজের মালিক। এমনটা শোনা যাচ্ছে। চুরি না করলে এমনটা কী করে হয়? আগে শুনতাম চোরের মায়ের বড় গলা, এখন চোরের দিদির বড় গলা।'


এদিন মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেছেন, ঝাড়খণ্ডে বিধায়ক কেনবেচা বাংলার পুলিস আটকেছে। এদিন সেই প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদারের পাল্টা, 'উনি এ রাজ্যে বিজেপির বিধায়ক চুরি করে পিএসির চেয়ারম্যান করেছে। আরও অনেক বিরোধী বিধায়ককে কিনেছেন।' 

একই সুর শোনা গিয়েছে সিপিএম-র গলায়। বাম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, 'বেহালার যিনি বিধায়ক আগে জেলে গিয়েছেন। বেহালায় বসে তিনি অনুব্রতর কথাই বলে গেলেন। অনুব্রত মণ্ডল কেন এমএলএ, এমপি না, সেটা দলনেত্রীর বিষয়। উনি যা বলেছেন তার কোনও ব্যাখ্যা বা যুক্তি নেই। যেহেতু অনুব্রতর কাছে মধুভান্ড আছে, তাই বেহালায় দাঁড়িয়ে অনুব্রতর কথা বলে গেলেন। আসলে ভয় পেয়ে হালুম করলেন।' 

এদিন বেহালার জনসভায় মমতার প্রশ্ন, 'কেষ্ট কী করেছিল? ওকে ধরলে কেন? একটা কেষ্টকে জেলে পুরলে হাজার কেষ্ট তৈরি হবে। কেষ্টরা এজেন্সিকে ভয় পায় না। প্রতি ভোটে ওকে নজরবন্দি করে রাখে।'

2 years ago


Opposition: 'দুর্নীতিতে দলের জিরো টলারেন্স', দাবি তৃণমূলের, আক্রমণ বাম-বিজেপি-কংগ্রেসের

বৃহস্পতিবার সকালে অনুব্রতর গ্রেফতারিকে (Anubrata Arrest) স্বাগত জানিয়েছে রাজ্যের বিরোধী দলগুলো। এদিন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikary) বলেন, 'সিবিআইয়ের দেশে গরিমা আছে। তাদের উদ্দেশে প্রশ্ন তুলছিল মানুষ। তাই সিবিআই সঠিক কাজ করেছে। আইনের আওতায় এনে তদন্ত প্রক্রিয়া চালাবে সিবিআই। অনুব্রত মণ্ডল একজন মাফিয়া। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (CM Mamata) প্রশ্রয়ে-আশ্রয়ে একজন মুদির দোকানি থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক।'

এদিন সিপিএম-র রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম বলেন, 'বিড়াল যদি বলে মাছ খাব না, তাহলে কে বিশ্বাস করবে? কয়লা পাচার-কাণ্ডে নাম না জড়ালে কেউ নাম জানত অভিষেকের। আর ওই বৈভবের টাকায় তো শহরজোড়া হোর্ডিং।'

শুধু বিজেপি বাম-নয় সরব ছিল কংগ্রেসও। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী বলেন, 'বাংলার এই দুর্নীতি নিয়ে আমরা আগেও বলেছি। এখন যেটা দেখছেন সেটা হিমশৈলের চূড়া।' দেখুন আর কী বললো বাম-বিজেপি-কংগ্রেস।

এদিকে, কোনও অনৈতিক কাজ এবং দুর্নীতিকে তৃণমূল প্রশ্রয় দেয় না। দুর্নীতির (Corruption) বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স দলের। অনুব্রতর (Anubrata Mondal) গ্রেফতারির পর জানাল তৃণমূল কংগ্রেস। বৃহস্পতিবার শাসক শিবিরের তরফে সাংবাদিক বৈঠক করেন রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য (Minister Chandrima Bhattacharya) এবং প্রাক্তন বিধায়ক সমীর চক্রবর্তী। চন্দ্রিমাদেবী জানান, দলনেত্রী-সহ তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট করেছেন, মানুষের পক্ষে যা ক্ষতিকর বা মানুষকে যদি কেউ ঠকায়, সেই কাজকে দল সমর্থন করে না। আগে এবং আজও তৃণমূলের এই বিষয়ে অবস্থান একই। মানুষের সমর্থনে তিন বার তৃণমূল রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছে এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন। তাই মানুষের আশীর্বাদ ছাড়া কোনও সম্পদে তৃণমূলের আর কোনও আগ্রহ নেই।

2 years ago
Reaction: 'সম্পত্তিবৃদ্ধিতে নাম বাম-কংগ্রেস নেতাদেরও', দাবি ব্রাত্যর, মন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ সেলিমের

নেতামন্ত্রীদের সম্পত্তি বৃদ্ধি সংক্রান্ত মামলায় বিরোধীদের তরফে কাঠগড়ায় তৃণমূলের ১৯ নেতামন্ত্রী (TMC Leaders)। এবার সেই আক্রমণ ভোঁতা করতে পাল্টা আসরে রাজ্যের শাসক দল। এই জনস্বার্থ মামলায় হাইকোর্ট (Pil in High court) রায়ের অর্ধেক অংশ তুলে ধরা হচ্ছে প্রচার মাধ্যমে। পুরো কোর্ট অর্ডারে উল্লেখ আছে, বাম-কংগ্রেস (Left-Congress) নেতাদের নামও। যাদের সম্পত্তিবৃদ্ধি নিয়েও পর্যবেক্ষণ রয়েছে হাইকোর্টের। আর সেই তালিকায় নাম আছে সূর্যকান্ত মিশ্র, কান্তি গঙ্গোপাধ্যায়, অশোক ভট্টাচার্য এবং অধীর চৌধুরীর মতো বিরোধী দলের নেতারা। বুধবার সাংবাদিক বৈঠক করে এই দাবি করেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু।

যদিও তৃণমূলের তরফে তোলা এই অভিযোগ খণ্ডন করেছেন অশোক ভট্টাচার্য, কান্তি গঙ্গোপাধ্যায়, অধীর চৌধুরীরা। রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী অশোক ভট্টাচার্য বলেন, 'আমরা পার্টিকে বেতনের টাকা দিই, তার বিনিময়ে পার্টি আমাদের একটা লেভি দেয়। আমাদের ব্যক্তিগত কোনও রোজগার নেই। আর ওরা একটা সিআইডি তদন্ত করুক, তাতেই বেড়িয়ে যাবে আমার কত সম্পত্তি বেড়েছে। ব্রাত্য বসু একদম নতুন ওর অনেক আয়ের উৎস।'

তিনি জানান, তৃণমূল মানে সবাই চোর। পা থেকে মাথা পর্যন্ত চোর। বাম জমানার অপর এক মন্ত্রী কান্তি গঙ্গোপাধ্যায়ের জবাব, 'কোর্ট কি এই নামগুলো বলেছে? তাহলে চোরেদের পার্টি কী অভিযোগ করল, তার জবাব কেন দেব? সিপিএম পার্টি সেই ধাতুতে গড়া নয়।'

তৃণমূলের এই অভিযোগ প্রসঙ্গে সিপিএম-র রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম আরও আক্রমণাত্মক ছিলেন। তিনি বলেন, 'আমাদের কাছে আরও যা নাম আছে কাউন্সিলর, পঞ্চায়েত প্রধান আরও যারা নেতা আছে ওদের তাঁদের নাম দেব। আমি চ্যালেঞ্জ ছুড়লাম ব্রাত্য বসুকে। সূর্যকান্ত মিশ্র, জ্যোতি বসু এঁদের নাম নিচ্ছেন, ওরা কোর্টে গিয়ে হলফনামা দিয়ে সিপিএম নেতাদের সম্পত্তি খুঁজতে ইডিকে পার্টি করুন। সাহস আছে, ইডিকে পার্টি করার? কিন্তু মিথ্যাচার করবেন না। রায়ে ওদের ১৯ জনের নাম আছে, রায় আর পিটিশনের তফাৎ বুঝতে হবে।'

যদিও এই বিষয় বিচারাধীন বলে কোনও মন্তব্য করতে চায়নি বিজেপি।

2 years ago
TMC: 'তৃণমূল কংগ্রেস করা মানে সবাই চোর, এই প্রচার অপমানজনক', সরব ফিরহাদ, ব্রাত্য, মলয়রা

পাঁচ বছরে নেতা-মন্ত্রীদের ব্যাপক সম্পত্তিবৃদ্ধি (Asset) কীভাবে? এই সংক্রান্ত জনস্বার্থ মামলায় ইডিকে (ED) যুক্ত করতে নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। এই নেতা-মন্ত্রীদের তালিকায় নাম রয়েছে শুধু তৃণমূলের (TMC) ১৯ জনের। এই প্রচার ঘিরে রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে। বিরোধীদের আক্রমণের মুখে ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim), ব্রাত্য বসু, মলয় ঘটক-সহ ওই ১৯ জন। এবার বিরোধীদের আক্রমণ ভোঁতা করতে আসরে শাসক শিবির। বুধবার বিধানসভায় একসঙ্গে সাংবাদিক বৈঠক করেন ব্রাত্য বসু, ফিরহাদ হাকিম, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, মলয় ঘটক, অরূপ রায়, শিউলি সাহা প্রমুখ। তাঁদের অভিযোগ, আদালতের রায়ের একটা অংশ তুলে ধরা হচ্ছে। বাকিটা সামনে আসছে না। বুধবার মহামান্য প্রধান বিচারপতির সেই রায়ের কপি আপলোড করেছে। সেই কপি দেখেই এই সাংবাদিক বৈঠক। তাঁদের দাবি, 'সম্পত্তিবৃদ্ধির নিরিখে শুধু শাসক দল নয়, বাম, কংগ্রেস নেতাদের নাম রয়েছে আদালতের কপিতে।'  

এই সাংবাদিক বৈঠকে রাজ্যের মন্ত্রী তথা কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম বলেন, 'চক্রান্ত করে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করা হচ্ছে। আমি লজ্জিত, পার্থ চট্টোপাধ্যায় যা করেছেন। এই পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে চিনতাম না। কিন্তু, তার মানে এই নয়, তৃণমূল কংগ্রেস করা মানে সবাই চোর। আমি ছোটবেলা থেকে ব্যবসা করছি, সেই টাকা দিয়ে মানুষের কাজ করেছি এবং তার থেকেই ব্যক্তিগত সম্পত্তি করেছি। অনেকে রোজগারের টাকায় করে, আমি ব্যবসা করে করেছি। এতে অন্যায়ের কী আছে? মানুষের কাজ করার স্বার্থে আমরা কাজ করেছি। তারপরও ব্যক্তিগতভাবে চক্রান্ত করা হচ্ছে। অপমান করা হচ্ছে।'

তিনি জানান, একটা জনস্বার্থ মামলা হয়েছে ২০১৭ সালে। আমাদের সম্পত্তি নাকি খুব বেড়ে গিয়েছে। আমরা কোনও ফ্যাক্ট লুকিয়েছি? তাহলে তো আয়কর দফতর ধরতে পারতো। অদ্ভুত লাগে এই মামলায় কোর্টের পর্যবেক্ষণ নিয়ে অর্ধসত্য প্রকাশিত হচ্ছে।

সূর্যকান্তবাবুকে বলছি। জ্যোতি বসু আসার আগে চন্দন বসুর নাম শুনিনি। তাতে আমাদের কোনও আপত্তি নেই। অমিত শাহর ছেলে জয় সাহা আছেন।

ব্যবসা করছেন, সম্পত্তি বেড়েছে। আমি সুজনবাবুকে বলি, সিপিএম-এর ছেলেদের জিজ্ঞাসা করুন চেতলায় আমার নামে কোনও অভিযোগ আছে কি না? শুধু তৃণমূলের নেতাদের নাম নেবেন। আর কারও নাম নেবেন না, সেটা ঠিক নয়।

এই জনস্বার্থ মামলায় সম্পত্তিবৃদ্ধির তালিকায় নাম এসেছে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুরও। এদিন তিনিও উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক বৈঠকে। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, 'কোর্ট পর্যবেক্ষণের একটা অংশ তোলা হচ্ছে। পুরো কোর্টের রায় আমরা তুলে ধরছি। নেতা-মন্ত্রীদের সম্পত্তিবৃদ্ধি নিয়ে যে মামলা, সেই তালিকায় নাম রয়েছে অধীর চৌধুরী, সূর্যকান্ত মিশ্র, অশোক ভট্টাচার্য,

কান্তি গঙ্গোপাধ্যায়, আবু হেনা, ফণীভূষণ মাহাতো, ধীরেন বাগদি, তরুণকান্তি ঘোষ,

চন্দন সাহা, নেপাল মাহাতদের।  সিপিএম, কংগ্রেস, তৃণমূল প্রত্যেকের নাম আছে। কিন্তু সিপিএম, কংগ্রেস টানা আমাদের বিরুদ্ধে প্রচার করে যাচ্ছে। এটা ভুল এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। রাজনীতিবিদ মানে সমাজের কাছে ভিলেন, মানুষের শত্রু, এমন উদাহরণ তুলে ধরা হচ্ছে। এর শেষ কোথায়?' 

ব্রাত্য বসু জানান, আমরা দলের উচ্চপদস্থ নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলবো। ২০১৬ সালে বিরোধীদের এমন কোনও প্রার্থী নেই, যিনি ২০২১-এ জিতেছেন। এঁরা যদি আবার ২০২৬-এ লড়েন, সে সময় তাঁদের সম্পত্তি খতিয়ে দেখা হোক। আমরা নজর রাখবো। 

রাজ্যের অপর এক মন্ত্রী মলয় ঘটক বলেন, 'এই মামলাতে আয়কর দফতরের একটা ফাঁক আছে। আমাদের এখন যা সম্পত্তি আছে, তার মূল্য দিনের পর দিন বাড়বে।

রাষ্ট্রপতি হোক বা কেন্দ্রীয় সংস্থা, প্রত্যেককে বিজেপি ব্যবহার করছে।

এখানেই থামেননি তৃণমূল ব্রাত্য বসু, ফিরহাদ হাকিমরা। শিক্ষামন্ত্রীর মন্তব্য, প্রধানমন্ত্রীর আয় বৃদ্ধি পেয়েছে। আমরা এসব নিয়ে কুৎসা করব না, আবার গান্ধীগিরিও করব না। রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করব।


2 years ago