Breaking News
HC: জেলে ১ বছর ৭ মাস! পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিচারপ্রক্রিয়া কবে শুরু হবে? ইডির কাছে রিপোর্ট তলব হাইকোর্টের      Sandeshkhali: ''দাদা আমাদের বাঁচান...'', সন্দেশখালির মহিলাদের আর্তি শুনলেন শুভেন্দু      Sandeshkhali: 'মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত', ক্ষোভ প্রকাশ জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সনের      Weather: বিদায়ের পথে শীত! বাড়বে তাপমাত্রা, বৃষ্টির পূর্বাভাস দক্ষিণবঙ্গে      Sandeshkhali: শিবু হাজরার গ্রেফতারিতে মিষ্টি বিলি, আদালতে পেশ, কবে গ্রেফতার সন্দেশখালির 'মাস্টারমাইন্ড'?      Arrest: সন্দেশখালিকাণ্ডে ন্যাজট থেকে গ্রেফতার শিবু হাজরা      Trafficking: ১০ মাস লড়াইয়ের পর মাদক মামলা থেকে মুক্তি বিজেপি নেত্রী পামেলার      Mimi: রাজনীতি আমার জন্য় নয়, মুখ্যমন্ত্রীর কাছে গিয়ে সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা মিমির!      Dev: রাজনীতিতে ফিরতেই ফের দেবকে দিল্লিতে ডাক ইডির      Suvendu: সুকান্ত অসুস্থ থাকলেও, সন্দেশখালি কাণ্ডে আন্দোলনের ঝাঁঝ বাড়াতে মাঠে শুভেন্দু     

CPIM

Panchayat: কমিউনিজম মৃত নয়, এই পঞ্চায়েতে প্রমাণের পালা বামেদের

প্রসূন গুপ্ত: আর কয়েক দিন নাকি কয়েক ঘন্টা, তারপরেই রাজ্যজুড়ে গ্রামীন ভোট বা পঞ্চায়েত নির্বাচন। যে পরিমান প্রচারের দরকার ছিল প্রবল ক্ষমতা সম্পন্ন তৃণমূলের বিরুদ্ধে তা কোথায় বিরোধীদের? এরা কোর্টে মোকদ্দমা করতেই ব্যস্ত। বিশেষ করে বিজেপি ও কংগ্রেস। অন্যদিকে শোনা যাচ্ছিল যে বাম তথা সিপিএম নাকি ঘরে ঘরে গিয়ে প্রচার করছে। পথে নামিয়েছে তরুন প্রজন্মকে। কিন্তু সাংবাদিকরা খবর করতে গিয়ে তাদের খবর পাচ্ছে না।

২০১১ থেকে ক্ষমতার বাইরে সিপিএম। রেজিমেন্টেড দল, সংগঠন করার বিষয়ে তাদের রেকর্ড রয়েছে। ২০১১ তে প্রধান বিরোধী দল হলো তারা ৭০-এর কাছাকাছি আসন নিয়ে কিন্তু ২০১৩-র পঞ্চায়েতে পর্যুদস্তু হলো। এরপর ২০১৪-র লোকসভায় মাত্র দুটি আসন পেলো তারা। এরপর ২০১৬-র বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের সঙ্গে হাত মিলিয়ে আসন কমে ২২/২৩ টির বেশি আসন পেলো না তারা।

২০১৯-র লোকসভা নির্বাচনে এই বাম দল থেকে প্রায় ২৯% ভোট চলে গেল বিজেপিতে। এটা কেন হলো তা আজও রহস্যে ভরা। ফলাফল বিজেপি ১৮ এবং সিপিএম শূণ্য। ২০২১ ফের তারা কংগ্রেসের হাত ধরলো কিন্তু ওই ২৯% "কমিটেড" ভোট ফিরে এলো না। অবশ্য একটি কাজ তারা করেছিল সংখ্যালঘু ভোট ধরতে। প্রথমত মহম্মদ সেলিমকে দলের সম্পাদক করা এবং দ্বিতীয়ত সেলিম, নওশাদ সিদ্দিকি তথা তাঁর দল আইএসএফ-এর সাথে হাত মেলালেন। কিন্তু সংখ্যালঘু ভোট এবারেও আসলো না। মধ্যে থেকে নওশাদ জিতলেন কিন্তু সিপিএম ফের শূন্য।

এবারে দেখা গিয়েছিল বৃদ্ধ নেতাদের স্থানে এসেছে তরুন প্রজন্ম। তারাই প্রচার করছে। সম্প্রতি বেশ কয়েকটি সমবায় ভোটে সিপিএম ভালই ফল করেছিল কিন্তু পঞ্চায়েতে কী হবে প্রশ্ন ছিলই।

সাংবাদিক মহলের এবং বেশ কিছু সার্ভে রিপোর্টে দেখা যাচ্ছ যে বিজেপি দ্বিতীয় শক্তিশালী দল আজও। যে বাম ভোট বিজেপিতে চলে গিয়েছিল তা আর ফেরত পাওয়ার নয়। কাজেই এমনিতেই বিশ্বজুড়ে কমিউনিষ্টদের আকাল তার প্রতিচ্ছবি ভারতেও। জীবনানন্দ লিখেছিলেন "মৃতেরা ফেরে না"। বামেদের প্রমান করতে হবে কমিউনিজম মৃত নয়।

8 months ago
Kultali: সিপিআইএমের ভোট প্রচারে গিয়ে হামলার শিকার বাম সমর্থক, অভিযোগের তীর তৃণমূলের দিকে

পঞ্চায়েত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজ্যের জেলায় জেলায় বারবার শাসক (TMC) দলের বিরুদ্ধে হামলার ঘটনা উঠে আসছে। জয়নগরের পর এবার কুলতলিতেও বামেদের (CPIM) উপর হামলার (Attack) অভিযোগ উঠছে শাসক দলের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন সিপিআইএম-এর সমর্থক জাকির সর্দার। এই ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় কুলতলি (Kultali) থানার পুলিস। পুলিস (Police) আহত ওই সিপিআইএম সমর্থককে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যায়। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় কুলতলি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন জাকির সর্দার। অভিযোগের ভিত্তিতে এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিস। 

সূত্রের খবর, কুলতলির মেরিগঞ্জ ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের ১২ নম্বর বুথের সিপিআইএম পার্থী মর্জিনা সর্দার। রবিবার সকালে ওই প্রার্থীকে নিয়েই গ্রামে প্রচার করতে যায় সিপিআইএম-এর সমর্থক জাকির সর্দার। তখনই এমন ঘটনা ঘটায় শাসক দল, এমনটাই দাবি। আহত ওই বাম সমর্থক জাকির সর্দারের অভিযোগ, গ্রামে প্রচার করার সময়ই তৃণমূল আশ্রিত কিছু দুষ্কৃতী তাঁদের পথ আটকে ধরে। তারপরেই জাকির সর্দারকে অপহরণ করে একটি বাড়িতে নিয়ে গিয়ে ব্যাপক মারধর করে। এমনকি লোহার রড দিয়ে তাঁর মাথায় জোরে আঘাতও করে। ঠিক তারপরেই জাকির সর্দারের শরীরে যাতে কোনও রক্তের দাগ না থাকে তার জন্য গায়ের জামাও খুলে নেয় অভিযুক্তরা, এমনটাই অভিযোগ করেছেন আহত ওই সমর্থক।

যদিও অপহরণ করে মারধর করার অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন কুলতলির ব্লক সভাপতি পিন্টু প্রধান। তিনি জানান, এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও সংযোগ নেই। নির্বাচনের আগে শাসক দলকে কালিমালিপ্ত করতেই এমন ঘটনা ঘটাচ্ছে বিরোধী দল। 

8 months ago
Turmoil: রাজ্যপালের কথামতো অভিযোগ জানাতে গিয়ে হেনস্থার শিকার বাম-কংগ্রেস সমর্থকরা

রাজ্যপাল (Governor) গতকাল অর্থাৎ শুক্রবার জানিয়েছিলেন, প্রয়োজনে তাঁর গাড়ির সামনে গিয়ে অভিযোগ করা যাবে। অর্থাৎ তার রাস্তা আটকে অভিযোগ করা যাবে। জানানো যাবে অশান্তি বা নিপীড়িত হওয়ার ঘটনা। কিন্তু কথামতো রাজ্যপালকে নালিশ জানাতে গিয়ে ঘাড় ধাক্কা খেলো বাম (CPIM) ও কংগ্রেস (Congress) সমর্থকরা। কোচবিহারে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের সফরের মধ্যেই রাজ্যপালের দেহরক্ষীদের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ সিপিএম-কংগ্রেসের। দিনহাটায় রাজ্যপালের কনভয় যাওয়ার সময় তাঁর কাছে অভিযোগ জানাতে যান দুই রাজনৈতিক দলের কর্মীরা। অভিযোগ, ওই সময় পুলিস তাঁদের কার্যত সেখান থেকে দূরে সরিয়ে দেন। প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ জানিয়ে তাঁদের দাবি, রাজ্যপাল তাঁদের কথা শুনতে চেয়েছিলেন। কিন্তু পুলিস ও তাঁর দেহরক্ষীরা তাঁদের কথা বলতে দেয়নি।

এদিন কোচবিহারে গিয়ে পঞ্চায়েত ভোটে অশান্তি নিয়ে রাজ্যপালের কাছে একপ্রস্ত অভিযোগ জানায় প্রতিটি রাজনৈতিক দল। তাঁদের কথা শুনেই দিনহাটার দিকে রওনা দেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। এরমধ্যে রাস্তায় তাঁকে ফের অভিযোগ জানাবেন বলে অপেক্ষা করছিলেন বাম ও কংগ্রেস সমর্থকরা। দিনহাটা যাওয়ার পথে রাজ্যপালের কনভয়ের দিকে এগোতে গেলে পুলিস তাঁদের বাধা দেয়।

অভিযোগ এই সময় তাঁদের কার্যত ঘাড় ধাক্কা দিয়েই ওই জায়গা থেকে সরিয়ে দেয় পুলিস। বাম-কংগ্রেস সমর্থকদের অভিযোগ, দিনহাটার প্রতিটি ব্লকে যা চলছে, তা তাঁরা রাজ্যপালকে জানানোর চেষ্টা করেছিল। আসল সত্য যাতে না বেরিয়ে আসে, তার জন্যই পুলিসের এমন আচরণ বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। যাবতীয় অভিযোগ উড়িয়ে জেলা পুলিশের বক্তব্য, রাজ্যপালের নিরাপত্তার কারণেই রাজনৈতিক কর্মীদের কনভয়ের পাশ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

8 months ago


Election: পঞ্চায়েতে কি চার বিরোধীর মহাজোট?

প্রসূন গুপ্তঃ সদ্য পাটনায় হয়ে গেলো বিজেপি বিরোধী ১৫টি দলের বৈঠক। যেটা ভাবনায় ছিল যে, হয়তো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বনিবনা হবে না রাহুল গান্ধী বা কংগ্রেসের। কিন্তু হলো উল্টো, দুই নেতাই একে অপরের প্রশংসায় পঞ্চমুখ ছিলেন। সমস্যা হলো কংগ্রেসের সঙ্গে আপ পার্টি এবং সিপিএমের। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় এই যে, পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন নির্বাচনে কংগ্রেসের সঙ্গে তৃণমূলের যে বৈরিতা চলেছে তা নিয়ে একটিও শব্দ উচ্চারিত হয় নি। অন্যদিকে, ইদানিং রাহুল গান্ধী বিস্তর ক্ষেপে গিয়েছেন সিপিএম দলের বিরুদ্ধে। এই সভায় সিপিএম, কংগ্রেস দুই দল উপস্থিত থাকলেও কেরলে কংগ্রেস সভাপতিকে গ্রেফতারের জন্য কেরল কংগ্রেস আপত্তি তুলেছিল জোটে সিপিএমের উপস্থিতি নিয়ে। ত্রিপুরাতেও জোট করে কংগ্রেস-বামেরা লড়েছিল, কিন্তু ফল অশ্বডিম্ব। ওই রাজ্যের কংগ্রেস মনে করে এটি অসম জোট ছিল।

পক্ষান্তরে আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে কংগ্রেস হাত মিলিয়েছে বামেদের সঙ্গে। হলে কি হবে, বামেরা বহু জায়গায় কংগ্রেসের বিরুদ্ধে প্রার্থী দাঁড় করিয়েছে। কিন্তু বেশ কিছু জায়গায় দেখা গিয়েছে বিজেপির সঙ্গে জোট বেঁধেছে কংগ্রেস এবং বামেরা এবং সঙ্গে আইএসএফ তো আছেই। এই সমস্ত ক্ষেত্রে প্রশ্ন করা হলে প্রার্থীরা উত্তর দিচ্ছে যে, বৃহৎ শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করতে গেলে ক্ষেত্র বিশেষে জোট বাঁধতেই হবে।

এমন দেখা গিয়েছে, জেলা পরিষদে বিজেপি, পঞ্চায়েত সমিতিতে সিপিএম এবং গ্রামীণ ভোট কংগ্রেস। এই বিষয়টি নাকি অলিখিত ভাবে বহু জায়গায় হয়েছে, আবার বেশ কিছু জায়গায় পোস্টের ফেস্টুন দেওয়া হয়েছে মহাজোট প্রায় প্রকাশ্যে। এই বিষয়ে সিপিএমের বক্তব্য যে তারা সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে নেই অথচ সরকারি ভাবে বিজেপি যেমন সাম্প্রদায়িক নয় তেমন আইএসএফ নিজেদের অসাম্প্রদায়িক বলে দাবি করলেও মূলত এটি কিন্তু সংখ্যালঘুদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।  এরই মধ্যে আইএসএফ প্রধান নওশাদ সিদ্দিকীকে কেন্দ্রীয় সরকার নিরাপত্তা বাহিনী দিয়েছে। অতএব কে যে কখন কার সঙ্গে কোথায় হাত মিলিয়েছে ভোটার ফলেই বোঝা যাবে।

8 months ago
Election: বৃষ্টিতে ভোটদান, ভেবেছেন কি!

সৌমেন সুর: ৮ই জুলাই পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayat Election) নির্ঘন্ট যতই এগিয়ে আসছে, ততই সব দলের সাজো সাজো রব শুরু হয়ে গেছে। সবদলেরই একটা যুদ্ধং দেহি মনোভাব। ছকের পর ছক কষতে শুরু করে দিয়েছে। বিজেপি (BJP), কংগ্রেস (Congress), সিপিএম (CPIM) ও তৃণমূল (TMC), ' নাহি দিব সূচাগ্র মেদিনী...' একেবারে আগ্রাসী মনোভাবে এগিয়ে চলেছে। কেউ এতটুকু জায়গা ছাড়তে নারাজ। কিন্তু প্রকৃতি তার স্বভাব সিদ্ধে অটল, অর্থাৎ এখন বর্ষার মরশুম। মেঘেদের রং বদলাতেও শুরু করেছে। বর্ষার প্রাণের আনন্দধারায় স্বস্তির আশা এনে দিয়েছে আমাদের মনে। কিন্তু কথা হল এই বর্ষা মরশুমে ভোটদান পর্ব কি সঠিক বিচার হল। এক-দুই ঘন্টা বৃষ্টিতে ভিজে মানুষ ভোট দেবে? মানলাম বৃষ্টি সেদিন হলো না, কিন্তু হবে না এই গ্যারান্টি কোথায়? বিপ্লব যেমন ঘন্টা বেজে আসে না, তেমনই বৃষ্টি কিন্তু হঠাৎ প্রকাশ পায় তার আড়ম্বর নিয়ে।

যদি ৮ই জুলাই প্রবল বর্ষণ হয়, তাহলে তো সব মাঠে মারা যাবে। এত আয়োজন সব তো বিফলে যাবে। সবচেয়ে বড় কথা হল, এত বড় নির্বাচন কখনও বৃষ্টির মরশুমে আগে হয়নি। দু-একটা উপনির্বাচন হয়তো হয়েছে যা হয়েছে শীতের মরশুমে, ইন্দিরা গান্ধীর মৃত্যুর পর বড় নির্বাচন আমার স্মরণে শীতেই হয়েছে। আচ্ছা! গ্রামের ভোটাররা বৃষ্টির জল মাথায় নিয়ে, জল কাদা ঠেঙিয়ে ভোট দেবে তো। এই মুহূর্তে বিশ্বকবির মহান কয়েকটা কথা মনে পড়ে গেল, 'নীল নবঘনে আষাঢ় গগনে, তিল ঠাই আর নাইরে। ওগো আজকে তোরা যাসনে ঘরের বাইরে...।' যদি ৮ই জুলাই 'ঝরঝরো মুখর বাদর দিনে' হয় তাহলে মানুষ ভোট দিতে ঘরের বাইরে আসবে কি?

8 months ago


CPIM: সিপিআইএম প্রার্থীর বাড়িতে বোমা মারার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

সিপিআইএম (CPIM) প্রার্থীর (Candidate) বাড়ি লক্ষ্য করে বোমাবাজির অভিযোগ উঠল তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) বিরুদ্ধে। ঘটনাটি পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর ১ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। ওই পঞ্চায়েতের সদস্য পদে সিপিআইএম- এর প্রার্থী হয়েছেন দেবিকা দেবনাথ। পাশের একটি বুথে প্রার্থী দেবিকার স্বামী সুশান্ত মণ্ডল। রবিবার ভোররাতে তাঁদের বাড়ি লক্ষ্য করে বোমা মারা হয় বলে অভিযোগ। অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল কংগ্রেস।

দেবিকার অভিযোগ, ভোর ৩টে নাগাদ বোমাবাজি করে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। ঘটনার জেরে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়ায়। খবর দেওয়া হয় পুলিসে। ঘটনাস্থলে পুলিস পৌঁছে কয়েকটি বোমা উদ্ধার করে।

ঘটনার বিষয়ে রাজ্য তৃণমূলের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস জানিয়েছেন, হার নিশ্চিত বুঝতে পেরে মিথ্যা অভিযোগ করছে সিপিএম। তাদের অভিযোগের কোনও ভিত্তি নেই।

8 months ago
CPIM: পঞ্চায়েত ভোটের মুখে প্যারোডি বানিয়ে প্রচার সিপিআইএমের

ফের গান বানাল সিপিআইএম (CPIM)। পঞ্চায়েত নির্বাচনকে (Panchayat Election) সামনে রেখে এই গান তৈরি হয়েছে। প্যারোডি বানিয়ে ফের চমক সঙ্গীত শিল্পী রাহুল, নীলাব্জদের। পঞ্চায়েতের প্রচারে এই গান ব্যবহার করা হবে দলীয় সূত্রে খবর।

শুক্রবার গানটি সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে পোস্ট করেন সিপিআইএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। গত বিধানসভা নির্বাচনের আগে টুম্পা সোনা তৈরি করেছিল সিপিএম। ব্রিগেড সমাবেশের আগে সেই গান ব্যাপক জনপ্রিয় হয়। এবার ভূমি ব্যান্ডের বারান্দায় রোদ্দুর-গানের প্যারোডি নিয়ে এল সিপিএম।

দলের অভ্যন্তরে এমন গানের মাধ্যমে প্রচার নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। তবু পিছু হটেনি গান প্রস্তুতকারকরা। বিধানসভা নির্বাচনে আরও কিছু গান নিয়ে এসেছিল সিপিএম। জেলা নেতৃত্বের কাছ থেকেও গানের অনুরোধ আসে তাঁদের কাছে। এই প্যারোডিতে শাসকদল তৃণমূল ও বিজেপিকে একযোগে আক্রমণ করা হয়েছে।

8 months ago
Election: পঞ্চায়েত ভোটে রাজ্যের বলি বেড়ে দাঁড়ালো ৮, মৃত্যু চোপড়ার সিপিআইএম কর্মীর

মনোনয়ন পর্বে আহত চোপড়ার সিপিআইএম কর্মীর মৃত্যু (Death) হল বুধবার। শিলিগুড়ির (Siliguri) একটি বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁর। নাম মনসুর আলম।

মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে ১৫ জুন রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় চোপড়া। ওই দিন মাথায় গুলি লাগে ২৩ বছর বয়সী মনসুরের। আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি করা হয় শিলিগুড়ির একটি বেসরকারি হাসপাতালে। বুধবার ভোররাতে মৃত্যু হয় তাঁর।

মনোনয়ন জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে তৃণমূল ও সিপিএমের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। সেদিন বোমাবাজি ও গুলি চালানোরও অভিযোগ ওঠে। ঘটনাস্থলেই ছিলেন মনসুর। মাথায় গুলি লাগে তাঁর। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও পরে শিলিগুড়ির বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। বুধবার সকালে মৃত্যু হয় মনসুরের।

ঘটনার দিনই বাম-কংগ্রেসের তরফে অভিযোগ করা হয়েছিল, শান্তিপূর্ণভাবেই মনোনয়ন জমা দিতে যাচ্ছিল তাদের প্রার্থী ও কর্মীরা। কিন্তু আচমকা মিছিল লক্ষ্য করে গুলি চালায় শাসক দল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। যদিও সব অভিযোগ অস্বীকার করেছিল শাসক দল।

8 months ago


Mamata: সিপিএমের সঙ্গে কংগ্রেসের জোট নিয়ে জাতীয় স্তরে কংগ্রেসকে কটাক্ষ মমতার

সিপিএমের (CPIM) সঙ্গে থেকে বাংলায় কংগ্রেস (Congress) যেন তৃণমূলের (TMC) সাহায্য আশা না করে। কাকদ্বীপের (Kakdwip) জনসভা থেকে কংগ্রেসকে হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছেন, বিজেপির বিরুদ্ধে জাতীয় স্তরে সাহায্য তিনি করবেন। কিন্তু, বাংলায় যেন কংগ্রেস কোনও সাহায্য প্রত্যাশা না করে। মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পরই এবার বিজেপি বিরোধী জোট নিয়ে প্রশ্ন উঠে গেল।

এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, 'কংগ্রেস বাংলায় সিপিএমের সঙ্গে জোট বেঁধে আবার সংসদে আমাদের সাহায্য চাই। বিজেপি বিরোধিতার জন্য আমরা দিল্লিতে তাও সাহায্য করব। কিন্তু বাংলায় সিপিএমের সঙ্গে ঘর করে তৃণমূলের সাহায্য যেন না আশা না করে কংগ্রেস।' স্পষ্ট করে দিলেন, জাতীয় স্তরে সমঝোতা করতে চাইলেও এ রাজ্যে সিপিএমের সঙ্গে থাকলে সেটা সম্ভব নয়।

এদিকে, ২৩ জুন পাটনায় বিজেপি বিরোধী জোটের সম্মিলিত বৈঠক। তাতে উপস্থিত থাকার কথা মমতা এবং কংগ্রেস শীর্ষ নেতৃত্বের। তার আগে মমতার মন্তব্য বেশ তাৎপর্যপূর্ণ।

8 months ago
Election: পঞ্চায়েতে সিপিএমের শক্তিবৃদ্ধি হচ্ছে!

প্রসূন গুপ্তঃ ভারতের অন্য প্রান্তের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের বিস্তর ফারাক আছে রাজনীতিতে। এখানে চিরকালই সরকারের একটা পকেট ভোট থাকে, কখনও বাড়ে কখনও কমে। অন্যদিকে, বিরোধীদের যে ভোট আছে তা সুনির্দিষ্ট নয়। বাংলায় যদি নিয়মমাফিক পরিবর্তনের গতিতে রাজনীতি চলতো তবে নিশ্চিত বামেরা ৩৪ বছর শাসন করতে পারতো না। এমন নয় যে গুজরাতের মতো শিল্পে মোড়া ছিল বাংলা। বরং বেকারত্ব, শিল্পপতিদের রাজ্য ছেড়ে চলে যাওয়ার ঘটনাই হয়েছে। বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু পদ্ধতিগত ভুল ছিল বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞ মহলে। বামেরা জিতেছে মূলত গ্রামীণ ভোটে। সেই ভোট তাদের দিক থেকে মুখ সরিয়ে নিলো যখন, তখনই বাংলায় পরিবর্তন হলো। এবারে প্রশ্ন হচ্ছে, আজ সিপিএম বা বামেরা কোথায় এবং তারা কি পারবে বিজেপির ভোট কাটতে? এটাই পঞ্চায়েতের মস্ত প্রশ্ন।

প্রথমত, বিজেপি এবং সিপিএম দুটিই সংগঠনশীল। কিন্তু আরএসএস-এর নিয়মানুবর্তিতা থেকে সৃষ্ট বিজেপি দল সংগঠনশীল হলেও তাদের পলিসি যস্মিন দেশে যদাচার। বাম বা কমিউনিস্টদের কিন্তু পলিসি রাশিয়া বা চিনে যা এ দেশেও তা। অর্থাৎ জাতীয় বুর্জুয়ার সঙ্গে হাত মিলিয়ে ক্ষমতায় এসো এবং তারপর ওই দলকে ভাগাও। এ রাজ্যেও তাই হয়েছে বারবার। ১৯৬৭-তে প্রথম তারা ক্ষমতায় আসে বাংলা কংগ্রেসের হাত ধরে। সরকার টেকে না। এরপর ১৯৭৭-এ জনতা পার্টির হাত ধরে পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতায় আসে, তারপর ৩৪ বছর শাসন করে। মমতার জমানায় তারা দু'বার কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করে তৃণমূলের সঙ্গে লড়লে কিছুটা সুবিধা পায় কংগ্রেস। কিন্তু বামেদের আসন একেবারে কমে যায়।

এরপর ২০১৯ বামেদের সিংহভাগ ভোট পরে বিজেপির বাক্সে এবং বামেরা শূন্য হয়ে যায়। ২০২১ও তাই। কাজেই ফের তারা কংগ্রেসের হাত ধরেছে এবং তাদের যে কমিটেড ভোট বিজেপির বাক্সে পড়েছিল তা খুব সন্তর্পনে ফিরিয়ে আনছে। যদি বিজেপিতে চলে যাওয়া তাদের ভোটের ৫০ শতাংশও ফিরে আসে, তবে বিজেপির হাল খুব খারাপ হবে আসন্ন পঞ্চায়েতের নির্বাচনে। কাজেই রাজ্য বিজেপির চিন্তা তৃণমূলকে নিয়ে নয়, আপাতত সিপিএম। সিপিএম যে কি গেম খেলবে এখনও আঁচ করতে পারছে না সংগঠিত বিজেপি।

8 months ago


Canning: তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দে উত্তপ্ত ভাঙড়, গুলিবিদ্ধ এক তৃণমূল কর্মীও

মনোনয়ন (Nomination) পর্ব ঘিরে ভাঙ্গড়ের পাশাপাশি উত্তপ্ত ছিল ক্যানিংও (Canning)। গতকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার নমিনেশন সে জমা দিতে গেলে মারধর করা হয় বিজেপি (BJP) ও সিপিএম (CPIM) কর্মীদের। কিন্তু বুধবার দেখা গেল অন্য চিত্র। বুধবার মনোনয়নপত্র জমা দেওয়াকে ঘিরে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে রণক্ষেত্র হয়ে উঠল দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিং। বাসন্তী হাইওয়েতে তৃণমূলের দু’পক্ষের মধ্যে বোমাবাজি এবং গুলি চলার অভিযোগ উঠেছে। তার জেরে সুনীল হালদার নামে এক তৃণমূল কর্মী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে সূত্রের খবর। এর প্রতিবাদে শুরু হয় বাসন্তী হাইওয়ে অবরোধ। তৃণমূলের একটি সূত্রে জানা গিয়েছে, এলাকার ব্লক সভাপতি এবং স্থানীয় বিধায়কের গোষ্ঠীর মধ্যে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া নিয়ে বিবাদের জেরে বুধবার ছড়িয়ে পড়ে উত্তেজনা। এই আবহে ক্যানিং শহরে সিপিএমের একটা অফিসেও হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ।

ক্যানিং ব্লকের তৃণমূলের সভাপতি শৈবাল লাহিড়ির অভিযোগ, বুধবার তাঁর অনুগামীরা মনোনয়নপত্র জমা দিতে গেলে তাঁদের ক্যানিং বাসস্ট্যান্ড চত্বরে আটকে দেয় দুষ্কৃতীরা। আরও অভিযোগ, স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক পরেশরাম দাসের অনুগামীরা তাঁদের মনোনয়নপত্র জমা দিতে বাধা দিচ্ছেন। ক্যানিং বাসস্ট্যান্ড এলাকায় বহু মানুষ জমায়েত করেছেন বলেও অভিযোগ। এই আবহে ক্যানিং হাসপাতাল মোড় এলাকায় তৃণমূলের দু’পক্ষের মধ্যে শুরু হয় সংঘর্ষ। শুরু হয় দু’দলের মধ্যে ইটবৃষ্টি। তাদের মধ্যে বোমাবাজি হয় বলে অভিযোগ। গুলিও চলেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। ঘটনার প্রতিবাদে ক্যানিংয়ের হাসপাতাল মোড়ে অনুগামীদের নিয়ে অবরোধ শুরু করেন শৈবাল। তাঁর হুঁশিয়ারি, পরেশরামের অনুগামীদের জমায়েত না সরালে অবরোধ চলবে। অবরোধের জেরে ওই রাস্তায় বড়ালি থেকে ঘটকপুকুর পর্যন্ত যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

শৈবালের তোলা যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পরেশরাম। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিস। দু’পক্ষকে ছত্রভঙ্গ করতে ছোড়া হয় কাঁদানে গ্যাসের শেল। তার জেরে পিছু হটে দু’পক্ষ। তবে এলাকার পরিস্থিতি থমথমে।

মঙ্গলবার ক্যানিংয়ে বিজেপি প্রার্থীদের মারধরের অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। যদিও তা অস্বীকার করেছেন স্থানীয় তৃণমূল নেতারা। বুধবার ক্যানিং শহরে সিপিএমের একটি পার্টি অফিসের ভিতরে ঢুকে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের আক্রমণ করার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। সিপিএম প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র ছিঁড়ে দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। যদিও সিপিএমের তোলা সেই অভিযোগ মানতে নারাজ শাসকদল।

8 months ago
CPIM: ভাঙড়ের ঘটনা নিয়ে কমিশনে নালিশ বাম-কংগ্রেসের

ভাঙড়ের ঘটনা (Bhangar incident) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) কাছে একযোগে নালিশ করতে চলেছে কংগ্রেস (Congress) ও সিপিএম (CPIM)। মঙ্গলবার পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে সর্বদল বৈঠক ডেকেছে কমিশন। সেই বৈঠকেই নালিশ জানানো হবে বলে জানিয়েছেন বিরোধী নেতারা। বাম নেতা সুজন চক্রবর্তী জানিয়েছেন, মনোনয়নের ঘটনায় যদি এই পরিস্থিতি হয়, তাহলে ভোটের দিনের চেহারা মারাত্মক হতে পারে। ভাঙড়ের ঘটনাকে উদাহরণ টেনে পঞ্চায়েতে ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবিতে অনড় কংগ্রেস ও বিজেপি।

এই ঘটনার পর বিরোধীদের প্রশ্ন কোথায় গেল ১৪৪ ধারা? কোথায় গেল পুলিসের রুট মার্চ? গত শুক্রবার থেকে তপ্ত ছিল ভাঙড়ের দু'নম্বর ব্লক। ওই দিন এক সরকারি কর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছিল শাসক তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। অভিযোগ কেন আইএসএফ মনোনয়ন জমা দেবে, তা নিয়ে বচসা শুরু হয়েছিল। সেই জল গড়াল বোমাবাজিতে। সোমবারই ভাঙড়ের তৃণমূল নেতা আরাবুল ইসলাম দাবি করেছিলেন, নিয়ম মেনেই মনোনয়ন জমা দেওয়া হবে। কোনও অশান্তি তাঁরা ভাঙড়ে হতে দেবেন না।

২৪ ঘণ্টার মধ্যে ভাঙড় সব উল্টো প্রমাণ করল। তৃণমূল-আইএসএফের সংঘর্ষে জখম হলেন কমবেশি সাত থেকে আট জন। হরির লুঠের মতো বোমা পড়ল। প্রায় সাত রাউন্ড গুলি চলেছে বলেও খবর। যেখানে রক্ত ঝড়েছে পুলিসের গা থেকেও।

8 months ago
Domkal: মনোনয়ন জমা করাকে নিয়ে বাম-তৃণমূল সংঘর্ষ, উত্তপ্ত ডোমকল

পঞ্চায়েত নির্বাচনের (Panchayet Election) জন্য মনোনয়নপত্র (Nomination) জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে জড়াল বাম (Cpim) ও তৃণমূল (TMC) নেতা কর্মীরা। ঘটনার জেরে রণক্ষেত্রের পরিস্থিতি তৈরি হয় ডোমকল বিডিও অফিস সংলগ্ন এলাকা। ডোমকল থানার পুলিস ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

বাম কর্মী সমর্থকরা জানিয়েছেন, শনিবার সকালে বিডিও অফিসে মনোনয়ন জমা দিতে যাচ্ছিলেন তাঁদের প্রার্থীরা। অভিযোগ, সেসময় অফিসের গেটের সামনে তাঁদের আটকে দেয় তৃণমূলের কর্মীরা। এবং প্রতিবাদ করলে তৃণমূলের তরফে মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ।

যদিও সম্পূর্ণ অভিযোগ অস্বীকার করে তৃণমূল কংগ্রেসের পালটা দাবি, ইচ্ছাকৃতভাবে অশান্তি পাকানোর চেষ্টা করছে বাম কর্মীরা। ঘটনার সময় ওই এলাকায় থাকা পুলিস পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চেষ্টা করে। কিন্তু তা সম্ভব না হওয়ায় পরে ফের ঘটনাস্থলে পৌঁছয় অতিরিক্ত পুলিস। তারপর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। এবং মনোনয়ন জমা শুরু করা হয়েছে।

9 months ago


Shasan: সিপিআইএম-র দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর, অভিযোগ তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে

দীর্ঘ ১২ বছর পর শাসনের (Shasan) মাটিতে লাল পতাকা উড়েছিল। পুরনো দলীয় কার্যালয় আবার রং করে পাটিকর্মীরা সমাদরে বসতে শুরু করেছিল। তবে সেই খুশিটা ছিল শুধু ক্ষণিকের। শনিবার রাত ১২ টা নাগাদ শাসনের একমাত্র সিপিআইএম-র (CPIM) দলীয় কার্যালয়ে হামলা করে তৃণমূল (TMC) আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। দলীয় কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ভাঙ্গা হয় দরজা-জানালা, চেয়ার-টেবিল। এমনকি মাটিতে ছুঁড়ে ফলে দেওয়া হয় সিপিআরএম-র দলীয় লাল পতাকাও। 

সূত্রের খবর, এই ঘটনায় অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবিতে রবিবার পথ অবরোধ করে বামপন্থীরা। প্রায় ২০ মিনিট ধরে রাস্তার উপর টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ করেন বামপন্থীরা। যার ফলে ওই রাস্তায় সৃষ্টি হয় ব্যাপক যানজট। এই খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে আসে মধ্যমগ্রাম থানার পুলিস (Police)। এমনকি দুষ্কৃতীদেরকে গ্রেফতার করার আশ্বাস দেয় পুলিস। আর পুলিসের এই আশ্বাস পাওয়ার পরেই সিপিএম নেতৃত্ব অবরোধ তুলে নেন।  

এই ঘটনায় সিপিআইএম-র নেতৃত্বদের দাবি, দীর্ঘ ১২ বছর ধরে সিপিআইএম-র এই কার্যালয়টি বন্ধ হয়েছিল। তবে প্রায় দু আড়াই মাস আগে এই কার্যালয়টি আবার খোলা হয়। সেই নিয়ে বেশ খুশিতেই ছিলেই বামপন্থীর সদস্যরা। তবে এই দু আড়াই মাসে সিপিআইএম-এ তৃণমূল থেকে দলে দলে লোক এসে যোগ দেয় এই কার্যালয়ে। আর তা নিয়েই দু দলের মধ্যে অশান্তির সৃষ্টি হয়। আর তার জন্যই শনিবার গভীর রাতে সিপিআইএম-র দলীয় কার্যালয়ে হামলা চালায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা, এমনটাই দাবি সিপিআইএম-র নেতৃত্বদের। 

9 months ago
CPIM: জাস্টিস গাঙ্গুলির রায়ে কি অতিরিক্ত লাভবান বামেরা! আসন্ন পঞ্চায়েতে তাদের টার্গেট কি জানুন

ভারতবর্ষের একমাত্র দলসমূহ কমিউনিস্টরা (Communist), যাদের স্ট্রাটেজি বোঝা দুস্কর বিশেষ করে সিপিএম (CPIM)। বিশ্ব রাজনীতিতে যেখানেই কমিউনিস্টরা ক্ষমতায় এসেছে, দেখা গিয়েছে তারা তাদের ভাষায় জাতীয় বুর্জুয়াদের হাত ধরেই এসেছে। ব্যতিক্রম নয় এ রাজ্যেও। ১৯৬৭-তে পশ্চিমবঙ্গে (West Bengal) ক্ষমতায় এসেছিলো যুক্তফ্রন্ট গড়ে, অজয় মুখোপাধ্যায়ের হাত ধরে। ৩৪ বছরের শাসন চালিয়েছিল কিন্তু ক্ষমতায় এসেছিলো তৎকালীন জনতা পার্টির এবং প্রফুল্ল সেনের হাত ধরে। বাস্তব ঘটনা এই যে তারা প্রাথমিক ভাবে পরজীবীর মতো থাকে এবং ক্ষমতায় এলে প্রথমেই বাতিলের খাতায় পাঠায় যাদের হাত ধরে আসে। এবারের নতুন বন্ধু কংগ্রেস, যাদের সঙ্গে জোট বেঁধেছে কয়েক বছর ধরে। বেশ কয়েকটি নির্বাচন লড়লোও তারা।

মনে রাখতে হবে আজ থেকে ঠিক দু বছর আগে ,ঠিক আজকের দিনেই তাদের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় আসন সংখ্যা শূন্য হয়ে গিয়েছিলো। অবশ্য পরে বেশ কিছু উপনির্বাচনে সর্বোপরি পৌর নির্বাচনে তারা বিজেপিকে তৃতীয় স্থানে ফেলে দ্বিতীয়তে উঠে এসেছে। একটি পুরসভা দখলও নিয়েছে। এরপর সাগরদিঘি নির্বাচনে কংগ্রেসকে সঙ্গী করে নিজেরা মূল প্রচারে নেমে কংগ্রেসকে প্রথম আসন জিততে সাহায্য করেছে। এবারে লক্ষ পঞ্চায়েত তারপর লোকসভা। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় সরে যাওয়াতে সব থেকে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে কিন্তু সিপিএম কারণ বিচারপতি যত আদেশ দিয়েছেন তার ফায়দা নিয়েছিল বামেরা।

পথে নেমে চাকুরী প্রার্থীদের এবং ডিএ দাবিদারদের পাশে নিয়মিত ভাবে সিপিএম দাঁড়িয়েছিল। বিজেপির মতো অত মিডিয়ার সাহায্য না পেলেও সোশ্যাল নেটে তারা বিশাল ভাবে প্রচার করেছিল। আপাতত সিবিআইয়ের দিকে তাকিয়ে সিপিএম। অবশ্যি তারা কিন্তু গ্রামেগঞ্জে ঘরে ঘরে গিয়ে প্রচার চালাচ্ছে এবং টার্গেট করেছে মুসলিম ভোট। যদিও এই কঠিন বাস্তব আজকের বিজেপির ভোটের সিংহভাগই বাম ভোট। বামেদের ২০১১-র ভোট ছিল প্রায় ৩৯ শতাংশ। ২০১৯-এ ওই শতাংশ থেকে ৩০ শতাংশ ভোট চলে যায় বিজেপির বাক্সে। কাজেই ওই কমিটেড সিপিএম ভোট যদি ফেরত না আসে তবে দুর্ভোগ আছে তাদের। সুতরাং তারা এক তরফা তৃণমূলের বিরোধিতা করে ভোট ফেরত আনার চেষ্টায় রয়েছে।

10 months ago