Breaking News
BJP: ইস্তেহার প্রকাশ বিজেপির, 'এক দেশ এবং এক ভোট' লাগু করার প্রতিশ্রুতি      Fire: দমদমে ঝুপড়িতে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড, ঘটনাস্থলে দমকলের একাধিক ইঞ্জিন      Bengaluru Blast: বেঙ্গালুরু ক্যাফে বিস্ফোরণকাণ্ডে কাঁথি থেকে দুই সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করল এনআইএ      Sheikh Shahjahan: 'সিবিআই হলে ভালই হবে', হঠাৎ ভোলবদল শেখ শাহজাহানের      CBI: সন্দেশখালিকাণ্ডে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের...      NIA: ভূপতিনগর বিস্ফোরণকাণ্ডে এবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ NIA      ED: অবশেষে ইডির স্ক্যানারে চন্দ্রনাথের 'মোবাইল-হিস্ট্রি', খুলতে পারে নিয়োগ দুর্নীতি রহস্যের জট      PM Modi: তৃণমূল মানেই দুর্নীতি-লুট! ভোট প্রচারে সন্দেশখালির পর ভূপতিনগর নিয়ে সরব মোদী      NIA: ভূপতিনগর বিস্ফোরণকাণ্ডে গ্রেফতার আরও ২ , কেন্দ্রীয় এজেন্সির উপর হামলার ঘটনায় উদ্বিগ্ন কমিশন      Sheikh Shahjahan: বিজেপির 'দালাল'রা তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যে বলছে, দাবি শেখ শাহজাহানের     

BratyaBasu

Bratya Basu: ব্রাত্যকে মন্ত্রিসভা থেকে সরানোর সুপারিশ রাজ্যপাল বোসের

ফের তুঙ্গে রাজ্য ও রাজ্যপাল সংঘাত। শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুকে রাজ্যের মন্ত্রিসভা থেকে সরিয়ে দেওয়ার সুপারিশ রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোসের। এই সুপারিশকে এক্স হ্যান্ডেলে ‘হাস্যকর’ বলে উল্লেখ করেন ব্রাত্য।

উল্লেখ্য, ৩০ শে মার্চ গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে ওয়েবকুপার একটি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ওইদিন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। সেখানে রাজনৈতিক আলোচনা হয়েছে বলে অভিযোগ তোলেন সরাসরি রাজ্যপাল। রাজ্যপালের অভিযোগ তিনি নির্বাচন বিধি লঙ্ঘন করেছেন এবং সেই অভিযোগে শিক্ষামন্ত্রীকে মন্ত্রিসভা থেকে সরানোর সুপারিশ রাজ্যপালের।

এই ঘটনার পর টুইটে পাল্টা খোঁচা শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর। টুইট করে রাজ্যপালকে কটাক্ষ করে বলেন, ‘‘আমি রাষ্ট্রপতির কাছে যদি রাজ্যপালকে সরানোর সুপারিশ করতাম, তা হলে সেটা যেমন হাস্যকর হত, এটাও ঠিক তেমনই। আমি কোনও নির্বাচনী বিধিভঙ্গ করে থাকলে তা কমিশনের নজরে আনার অধিকার রয়েছে রাজনৈতিক দলের। ভারতের সংবিধান অনুযায়ী কোনও রাজ্যের মন্ত্রীর অপসারণ বা নিয়োগের সুপারিশ করতে পারেন একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু রাজ্যপাল এমন অভিযোগ তুলে নিজের সাংবিধানিক পদের অপব্যবহার করছেন। নিজের রাজনৈতিক পরিচয়ও প্রকাশ্যে এনেছেন। নিজের সাংবিধানিক সীমাও লঙ্ঘন করেছেন।’’

a week ago
SLST Recruitment: অবশেষে 'ডেডলাইন'! 'শীঘ্রই নিয়োগপত্র পাব', বৈঠকের পর আশাবাদী এসএলএসটি চাকরিপ্রার্থীরা

অবশেষে পাওয়া গেল 'ডেডলাইন'। শুক্রবার শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর সঙ্গে বৈঠক সেরে বেরিয়ে এসেই এসএলএসটি চাকরিপ্রার্থীরা জানালেন, নিয়োগ সংক্রান্ত জটিলতা কেটে যাওয়ার আশাবাদী তাঁরা। নিয়োগের দাবি জানিয়ে ১১ ডিসেম্বর শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে প্রথম বৈঠক করেছিলেন তাঁরা। এর পর আজ অর্থাৎ শুক্রবার বিকাশ ভবনে দ্বিতীয় বৈঠক হয়। চাকরিপ্রার্থীরা বিকাশ ভবন থেকে বেরিয়ে এসেই জানালেন, আগামী ১ ফেব্রুয়ারি ডেডলাইন। অর্থাৎ ১ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নিয়োগের নিশ্চয়তা তাঁদের কাছে চলে আসবে, এমনই আশ্বাস মিলেছে বিকাশ ভবন থেকে।

এদিন দ্বিতীয় বৈঠক থেকে বেরিয়ে চাকরিপ্রার্থীরা জানান, আইনি প্রক্রিয়াকে সম্মান জানিয়ে সব দিক বিবেচনা করেই তাঁদের নিয়োগের বিষয়টি দেখছে শিক্ষা দফতর। শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে তেমনই ইঙ্গিত তাঁরা পেয়েছেন। তাঁরা বলেন, 'এই মিটিংয়ে নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয় দীর্ঘক্ষণ আলোচনা হল। আমাদের মূল বিষয় ছিল, নিয়োগ কবে হবে, নিয়োগের উন্নতি কতটা হয়েছে। আমরা আজকে জানতে পারলাম। আমাদের নিয়োগপত্র দ্রুত পেয়ে যাব বলে আশা করছি। আমাদের নিয়োগ হবে। আমরা নির্দিষ্ট তারিখ চেয়েছিলাম। এর পর ১ ফেব্রুয়ারির তারিখ পেয়েছি। একটা কার্যকরী জায়গায় পৌঁছে যাব বলে আশা করছি।

ফলে এত দিনের মধ্যে একটা সমাধান বেরোবে বলে আশাবাদী চাকরিপ্রার্থীরা। তাঁরা আরও বলেন, 'নিয়োগপত্র পাব, ৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে তার নোটিফিকেশন পাব বলে আশাবাদী। আইনি জটিলতা কীভাবে কাটবে, কীভাবে ওনারা করবেন, সেটা ওনাদের ব্যাপার। আইন বিশেষজ্ঞ ওনাদের আছে। আমরা সাধারণ চাকরিপ্রার্থী, আমরা ডেড লাইন পেয়েছি। নির্দিষ্ট তারিখ পেয়েছি। এর মধ্যে যাবতীয় আইনি জটিলতাকে সম্মান জানিয়ে আমরা নিয়োগ পত্র পাব।'

চাকরিপ্রার্থীরা আরও জানিয়েছেন, 'মুখ্যমন্ত্রীর কাছ থেকে নির্দেশ এসেছে। সেই অনুযায়ী ১ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নিয়োগ সংক্রান্ত জট কাটবে বলে তাঁরা আশাবাদী। ওয়েটিং লিস্টে থাকলেই যে সবাই চাকরি পাবে এমন নয়, যাঁরা প্রকৃত প্রার্থী তাঁদের লিস্টের নাম থাকা নিয়ে কোন বিতর্ক নেই। তাঁদের নিয়োগের দাবি জানানো হচ্ছে। শিক্ষামন্ত্রী এই আশাই দিয়েছেন। পরে ফের বৈঠক হতে পারে, তবে তার তারিখ নির্দিষ্ট হয়নি।'

4 months ago
SLST Job: 'দ্রুত স্কুলে ফিরব...', বৈঠক শেষে দ্রুত নিয়োগে আশাবাদী চাকরিপ্রার্থীরা

বহু প্রতীক্ষার অবসান। চাকরিপ্রার্থীদের আন্দোলনের ১০০২ দিন পর অবশেষে সোমবার কুণাল ঘোষের তদারকিতে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক হয় এসএলএসটি চাকরিপ্রার্থীদের। শিক্ষা দফতরে প্রায় ২ ঘণ্টা ধরে তাঁদের বৈঠক চলে। বৈঠক শুরুর আগে কুণাল ঘোষকে দেখা যায় আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে তিনি বলছেন, 'আইনি জট খুলবেই।' এছাড়াও নিয়োগ নিয়ে জট তৈরি হয়েছে, তা খুলতে চলেছে বলে দাবি করেছেন চাকরিপ্রার্থীরাও। তাঁদের দাবি, শিক্ষামন্ত্রীর কাছ থেকে আশ্বাস পেয়েছেন তাঁরা।

সোমবার দুপুর ৩ টে নাগাদ শুরু হয় বৈঠক। প্রায় ২ ঘন্টার বৈঠক শেষে বেরিয়ে আসতে দেখা যায় চাকরিপ্রার্থীদের। খানিক স্বস্তি ছিল তাঁদের মুখে। তাঁরা আশাবাদী। তাঁরা জানালেন, 'সোমবারের বৈঠক সদর্থক। স্কুল সার্ভিস কমিশন এবং শিক্ষা দফতরের মধ্যে কোথাও একটা মিসকমিউনিকেশন ছিল। সেই জন্যই আইনি জটে আটকে রয়েছে নিয়োগ।' তাঁরা বললেন, 'মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে যত দ্রুত সম্ভব আইনি জটিলতা কাটিয়ে মিলবে নিয়োগ। খুব দ্রুতই স্কুলে চাকরি করতে পারব। ফিরে যেতে পারব বাড়িতে।'

এক বুক যন্ত্রনায় দিন যাচ্ছে তাঁদের। অবশেষে ১৬ মাস পর শিক্ষা দফতরে বৈঠক করতে পেরেছেন চাকরিপ্রার্থীরা। ফের তাঁদের দেওয়া হয়েছে ভুরি ভুরি প্রতিশ্রুতি। য্ন্ত্রণাপীড়িত চাকরিপ্রার্থীরা খানিক আশার আলো দেখছেন। তবে শেষ অবধি নিয়োগপত্র কবে তাঁদের হাতে আসবে, তা তাঁরা জানেন না এখনও। এখন তাঁদের অপেক্ষা ২২ ডিসেম্বরের বৈঠকের। কারণ, নিয়োগে আইনি জট কাটানোর কাজ কতটা সম্পন্ন হল, তা জানা যাবে ২২ ডিসেম্বরেই।

4 months ago


Conference: অনুপ্রবেশকারী! রাজ্য শিক্ষা সম্মেলনে ডাক পেলেন না রাজ্যপাল নিযুক্ত উপাচার্যরা

শিক্ষা সম্মেলন হয়ে গেল। কিন্তু অভিযোগ ডাকা হল না রাজ্যপাল নিযুক্ত উপাচার্যদের। তবে রাজ্যের নিযুক্ত রেজিস্ট্রারদের এই সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। এই সম্মেলনে রাজ্যপাল নিযুক্ত উপাচার্যদের না ডাকার কারণ হিসাবে রাজ্যে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু জানিয়েছেন, রাজ্যপাল নিযুক্ত উপাচার্যরা অনুপ্রবেশকারীদের মতো।

এই সম্মেলনে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশকে ফের উল্লেখ করেন শিক্ষামন্ত্রী। সাফ জানান, সিভি আনন্দ বোস নিযুক্ত উপাচার্যদের বেআইনি ভাবে নিয়োগ করা হয়েছে বলেই জানিয়েছে শীর্ষ আদালত।

নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে কলকাতায় বসতে চলেছে বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন। তার আগে একটি বণিকসভার সহায়তায় শুক্রবার একটি শিক্ষা সম্মেলনের আয়োজন করেছিল শিক্ষা দফতর। আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল দেশ-বিদেশের একাধিক বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে।

5 months ago
Bratya: 'সাবধান, শহরে নতুন ভ্যাম্পায়ার এসেছে,' নাম না করে রাজ্যপালকে কটাক্ষ ব্রাত্যর

এ লড়াই কোনও রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের নয়, বরং প্রশাসনের বিরুদ্ধে প্রশাসনের। একজন অপরজনকে লাগাতার আক্রমন করছেন। তারপর পাল্টা আক্রমন করছেন অপরজনও। এ যুদ্ধ পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর ও প্রশাসনিক প্রধান অর্থাৎ রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের।

সম্প্রতি উপাচার্য নিয়োগ সহ বিভিন্ন বিষয় নয় রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত চরমে উঠেছিল। আক্রমন, পাল্টা আক্রমণে শনিবার রাজ্যপাল হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, মাঝরাত পর্যন্ত দেখুন কী করি! পালটা শিক্ষামন্ত্রী আবার তাঁর সঙ্গে ‘ভ্যাম্পায়ারে’র তুলনা করলেন! 

শনিবার এক্স বার্তায় ব্রাত্য লিখেছেন, 'মাঝরাত পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। কী পদক্ষেপ নেওয়া হয় দেখতে থাকুন। সাবধান! সাবধান! সাবধান! শহরে নতুন ভ্যাম্পায়ার এসেছে। শহরবাসী আপনারা সতর্ক থাকুন। নিজেদেরকে সাবধানে রাখুন। অধীর আগ্রহে ভারতীয় পুরাণ অনুযায়ী রাক্ষস প্রহরের জন্য অপেক্ষা করছি।'

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত দীর্ঘদিনের। রাজ্যের মনোনীত কাউকে উপাচার্য হিসাবে না নিয়ে নিজের পছন্দমতো অধ্যাপকদের উপাচার্য পদে নিয়োগ শুরু করেছেন রাজ্যপাল। যার প্রতিবাদে রাজ্য সরকার পন্থী শিক্ষাবিদ এবং উপাচার্যরা রাস্তাতেও নেমেছেন। বুধবারই রেজিস্ট্রারদের বৈঠকে উপাচার্য নিয়োগ এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে রাজ্যপালকে বিঁধেছেন ব্রাত্য। ওই বৈঠক থেকে তিনি বলেন, রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান ‘পুতুলখেলা খেলছেন’। তাঁকে মহম্মদ বিন তুঘলকের সঙ্গে তুলনাও করেছিলেন।

যার পালটা হিসাবে শনিবারই রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস কার্যত হুঁশিয়ারির সুরে শিক্ষামন্ত্রীর উদ্দেশে বলে দিয়েছিলেন, “আমি যা করছি তার জন্য গর্বিত। আমার আচরণে আমি খুশি। মধ্যরাত পর্যন্ত দেখতে থাকুন, আসল পদক্ষেপ কাকে বলে।” রাজ্যপালের এই হুঁশিয়ারিতে স্বাভাবিকভাবেই রাজ্য রাজনীতিতে আলোড়ন পড়ে গিয়েছে। রাজ্যপাল কী পদক্ষেপ করতে চলেছেন, তা নিয়ে জল্পনাও শুরু হয়ে যায়।

7 months ago


CV Bose: 'নিয়োগ নিয়ে চিন্তা, কারও হতাশা নিয়ে নয়,' ব্রাত্যকে কটাক্ষ রাজ্যপালের

রাজ্য ও রাজ্যপালের সংঘাত চলছেই। শুক্রবার রাতে রেজিস্ট্রারদের সঙ্গে বৈঠকের পর রাজ্যপালের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন ব্রাত্য বসু। সরকার মনোনীত উপাচার্যদের নিয়োগ নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, রাজ্যপাল মিথ্যা কথা বলছেন। এবার ফের এই নিয়ে মুখ খুললেন রাজ্যপাল। জানালেন, তাঁর চিন্তা নিয়োগ নিয়ে। কারও হতাশা নিয়ে কোনও চিন্তা নেই।

১০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগের সিদ্ধান্ত শিক্ষা দফতরের সঙ্গে আলোচনা না করেই নেওয়া হয়েছে। এমনই অভিযোগ তুলে রাজ্যপালের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। শুক্রবার সাংবাদিক বৈঠক করে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। জানান, রাজ্যপাল মিথ্যা বলছেন। ১৫ জন রেজিস্ট্রারকে শো-কজও করেছে শিক্ষা দফতর। এই টানাপোড়েনের জেরে উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার নুপূর দাস পদত্যাগ করেছেন।

কয়েকজন শিক্ষামন্ত্রীর বৈঠকে উপস্থিতও ছিলেন না। সেই সব রেজিস্ট্রারকেও শো-কজ করতে পারে শিক্ষা দফতর। এদিকে শনিবার এই নিয়ে রাজ্যপাল সাফ জানিয়ে দিলেন, তিনি নিয়োগ নিয়ে চিন্তিত। রাজ্যের দফতরে কারও হতাশা নিয়ে একেবারেই ভাবতে চান না।

7 months ago
Education policy: শিক্ষাক্ষেত্রে নতুন 'রাজ্য-শিক্ষানীতি' চালু করল রাজ্য, থাকছে মাধ্যমিক পরীক্ষাও

এক পথে না হেঁটে, একই মানের অন্য পথে হাটল বাংলা। ফলে জাতীয় শিক্ষানীতি সম্পূর্ণ না মানলেও জাতীয় শিক্ষানীতির ‘বেস্ট প্র্যাকটিসেস’ টুকু নিয়ে, রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থার কথা মাথায় রেখে নতুন শিক্ষানীতি চালু করল রাজ্য। ১৬৩ পাতার রাজ্য শিক্ষানীতি বলবৎ হবে এ রাজ্যের শিক্ষা ক্ষেত্রে। গ্যাজেট নোটিফিকেশন করে আজ থেকেই রাজ্য শিক্ষানীতি বলবৎ শুরু করে দিচ্ছে শিক্ষা দফতর। শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু আগেই জানিয়েছিলেন, জাতীয় শিক্ষানীতি থেকে ‘বেস্ট প্র্যাকটিসেস’ বেছে নিয়ে তৈরি হয়েছে এই রাজ্য শিক্ষানীতি।

এক বছরের প্রি-প্রাইমারি ক্লাস এবং চার বছরের প্রাথমিকের ক্লাসের কথা বলা হয়েছে। এরপর পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেণি এবং নবম-দশম শ্রেণি শেষে মাধ্যমিক পরীক্ষা। তারপর একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির শেষে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা। উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা হবে সেমেস্টার পদ্ধতি এবং এমসিকিউ ধাঁচে। প্রত্যেক পড়ুয়ার তিন বছর বয়স থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত অ্যাকাডেমিক রেকর্ড জমা থাকবে ক্লাউডে।

একেবারে শুরুর পড়াশোনার জন্য মুখ্যসচিবের নেতৃত্বে একাধিক দফতর মিলিয়ে তৈরি হবে একটি সমন্বয় কমিটি। এর পাশাপাশি প্রত্যেক স্কুলে এবার থেকে ‘গ্র্যাজুয়েশন সেরিমনি’-ও আয়োজন করা হবে। পড়ুয়া ও শিক্ষকের অনুপাতে যাতে কোনও সমস্যা না হয়, তার দিকেও নজর দেওয়া হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী শিক্ষকদের গ্রামে বদলি করা হবে। পড়ুয়াদের জন্য নিয়মিত কাউন্সেলিং-এর ব্যবস্থার কথাও বলা হয়েছে রাজ্যের শিক্ষানীতিতে।

উচ্চমাধ্যমিক শেষে স্কুলের গন্ডি পেরনোর পরই শুরু কলেজ জীবন। সেক্ষেত্রে পড়ুয়াদের সুবিধার্ধে স্কুলগুলির সঙ্গে বিভিন্ন মেডিক্যাল কলেজ ও ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের সমন্বয় তৈরির কথাও বলা হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রাক্তনীদের কাছ থেকে অনুদানের নীতি নির্ধারণ করার দিকেও জোর দেওয়া হয়েছে রাজ্যের শিক্ষানীতিতে।

একই ক্যাম্পাসে যাতে নার্সিং ও প্যারামেডিক্যাল কোর্স করানো যায় এবং এর পাশাপাশি আইনের পাঠের জন্য বিশেষ কোর্স চালু করার কথাও বলা হয়েছে সেখানে। এছাড়া ভিন রাজ্যের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যাতে রাজ্যে আসে, সেদিকেও নজর দেওয়া হয়েছে। বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি নীতি নির্ধারণের কথাও বলা হয়েছে রাজ্যের শিক্ষানীতিতে। গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে মাতৃভাষা ও আঞ্চলিক ভাষাকে। প্রথম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত সব মাধ্যমের পড়ুয়াদের জন্য বাংলা বিষয় পড়ার সুযোগের কথাও বলা হয়েছে।

7 months ago
Governor: 'আজ মধ্যরাতের মধ্যে কী করি দেখুন।' ব্রাত্যকে পাল্টা হুঁশিয়ারি দিলেন রাজ্যপাল

‘আজ মধ্যরাতের মধ্যে কী করি দেখুন।’ রাজ্যপালকে উদ্দেশ্য করে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর ‘বিন তুঘলক’ কটাক্ষের কড়া প্রতিক্রিয়া দিলেন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। এরপরে কি উচ্চশিক্ষা নিয়ে রাজ্য – রাজ্যপাল সংঘত নতুন কোনও উচ্চতায় পৌঁছতে চলেছে? এই নিয়েই শুরু হয়েছে জল্পনা।

শনিবার বিধাননগরের পূর্বাঞ্চলীয় সংস্কৃতি কেন্দ্রে এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে রাজ্যপাল বোস বলেন, ‘আমার কাজে আমি খুশি। আজ মধ্যরাতের মধ্যে কী পদক্ষেপ করি দেখুন।’

শুক্রবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেন, ‘আগে ওনাকে আলাউদ্দিন খিলজি ভাবতাম, এখন দেখছি উনি বিন তুঘলক।’ রাজ্যপালকে নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর এই বক্তব্য নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। এদিন রাজ্যপালের পালটা মন্তব্যে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা। তবে কী পদক্ষেপ করতে চলেছেন রাজ্যপাল?

উপাচার্য নিয়োগের একচ্ছত্র এক্তিয়ার রয়েছে রাজ্যপালের। সুপ্রিম কোর্টের এই নির্দেশের পর রাজ্যের ১৭টি বিশ্ববিদ্যালয়ে অস্থায়ী উপাচার্য নিয়োগ করেছেন রাজ্যপাল বোস। রাজ্যের অভিযোগ, তাদের সঙ্গে আলোচনা না করেই শিক্ষার সঙ্গে সম্পৃক্ত নন এমন ব্যক্তিদের উপাচার্য পদে বসানোর হয়েছে। এই নিয়ে আইনি পদক্ষেপ করারও হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টে জবর ধাক্কা খাওয়ার পর ফের আদালতে যাওয়ার সাহস এখনো দেখিয়ে উঠতে পারেননি তিনি।

রাজ্য – রাজ্যপাল সংঘাতে দু-পক্ষের সঙ্গেই দূরত্ব বজায় রাখার চেষ্টা করছে বাম ও কংগ্রেস। তাদের দাবি, এই সংঘাতের জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলির।

7 months ago


VC: মাঝরাতে কন্যাশ্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগ, রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত তুঙ্গে

ফের বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক। মঙ্গলবার মাঝরাতে কৃষ্ণনগরের কন্যাশ্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্য নিয়োগ করেছেন রাজ্যপাল তথা আচার্য সিভি আনন্দ বোস। আর তার ফলে রাজ্য-রাজ্যপালের সংঘাত আরও বাড়ল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবারই রাজ্যপালের নাম না করে তাঁর এই উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে সরব হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু, তাতেও কোনও লাভ হয়নি। কোনও কিছু তোয়াক্কা না করে নিজের কাজে ব্রতী রাজ্যপাল।

জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার মাঝরাতে রাজ্যপাল কৃষ্ণনগরের কন্যাশ্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্বর্তিকালীন উপাচার্য হিসাবে অধ্যাপক কাজল দে-কে নিয়োগ করছেন। রাজ্যপালের নিয়োগপত্রে সই করার ছবিও প্রকাশ্যে এসেছে। রাজভবনের তরফে উপাচার্য নিয়োগের খবর প্রকাশ্যে আনা হয়েছে।

রাজ্যপাল বলেছিলেন, নতুন করে অন্তর্বর্তিকালীন উপাচার্য নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত আচার্য হিসাবে তিনি নিজেই ১৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্বতিকালীন উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। শুধু তাই নয়, অভিযোগ রাজ্যের সঙ্গে আলোচনা না করেই তিনি ওই বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্য নিয়োগ করেছেন। যা নিয়ে বারবার সরব হয়েছে তৃণমূল। রাজ্যপালকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু।

মঙ্গলবার শিক্ষক দিবসের মঞ্চ থেকে ফের রাজ্যপালের প্রসঙ্গ তুললেন তিনি। জানালেন, রাজ্যপাল পদাধিকার বলে রাজ্যের সব বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য হলেও অর্থ বরাদ্দ করে রাজ্য সরকার। সেক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়গুলি রাজ্যপালের কথা মেনে চললে আর্থিক সাহায্য করবে না রাজ্য। মঙ্গলবার এমনই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

7 months ago
Bratya: 'কোন আইনের বলে আচার্য উপাচার্যের পদ সামলাতে পারেন' প্রশ্ন তুলে আইনি পথে ব্রাত্য

উপাচার্যহীন বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে আচার্য অর্থাৎ রাজ্যপালই উপাচার্য এই ঘোষণার পর বিতর্ক শুরু হয়েছে সব মহলেই। যা নিয়ে এবার রাজ্য রাজ্যপাল সংঘাত এবার তুঙ্গে। রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের বিরুদ্ধে আবারও আইনি পদক্ষেপের পথে রাজ্য। কোন আইনের বলে আচার্য উপাচার্যের পদ সামলাতে পারেন? সেই প্রশ্ন তুললেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। আইনি পথে যাওয়ার হুঁশিয়ারি তিনি আগেই দিয়ে রেখেছিলেন। এবার রাজ্য যে সেই পথেই হাঁটছে, তা তিনি শুক্রবার স্পষ্ট করে দিলেন। শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেন, “আমি সুপ্রিম কোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। যিনি আচার্য, তিনিই আবার উপাচার্য। কোন আইনের বলে এটা করলেন, আমার মাথায় ঢুকছে না। আমরা আইনি পদক্ষেপ করব বলে ভাবছি।”

রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলির প্রশাসনিক স্তরে যে টানাপোড়েন চলছে, তার প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ছে শিক্ষাঙ্গনে। বৃহস্পতিবার রাত ১০টার সময়ে রাজভবন থেকে একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। সেখানে বলা হয়, রাজ্যে বর্তমানে ১৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নেই। রাজ্যের যে সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নেই, সেখানে আচার্য তথা রাজ্যপাল তাঁর নিজ ক্ষমতাবলে অন্তবর্তীকালীন উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করবেন। যাতে বিভিন্ন শংসাপত্র, নথি ও অন্যান্য সুবিধা পেতে ছাত্রছাত্রীদের কোনও সমস্যা না হয়। সেই বিজ্ঞপ্তিতে এটাও স্পষ্ট করে দেওয়া হয়, ছাত্রছাত্রীরা চাইলে রাজভবনে গিয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করতে পারেন।

বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, এই বিজ্ঞপ্তি একেবারে সরাসরিই রাজ্য শিক্ষা দফতরকে চ্যালেঞ্জ করছে। তারপরই শিক্ষা দফতরের তরফে আইনি পদক্ষেপ করার কথা ভাবে। শিক্ষা মন্ত্রী ব্রাত্য বসু জানিয়েছেন, রাজ্য সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হতে চলেছে।

8 months ago


Vice Chancellor: রাজ্যপালের সুপারিশে নিয়োগ হওয়া ১৪ জন উপাচার্যের বেতন-ভাতা বন্ধ করল সরকার

শিক্ষামন্ত্রীর (Education Minister) সঙ্গে আলোচনা না করে নিযুক্ত হওয়া ১৪ জন উপাচার্যের (Vice Chancellor) বেতন-ভাতা বন্ধের নির্দেশ দিলেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু (Bratya Basu)। ইতিমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলির কাছে ১৪ জন 'অবৈধ' উপাচার্যের বেতন বন্ধের নির্দেশ পৌঁছেছে।

রাজ্যের উচ্চশিক্ষা দফতর থেকে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারদের কাছে নির্দেশ পৌঁছেছে, ওই সব অস্থায়ী উপাচার্যের নিয়োগ বেআইনি। তাই তাঁরা বেতন ও ভাতা পাবেন না। দু’দফায় এ ভাবে ১৪ জন অস্থায়ী উপাচার্য নিয়োগ করেছেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস।

শিক্ষামন্ত্রী আগেই জানিয়েছিলেন, উচ্চশিক্ষা দফতরের সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই রাজ্যপাল যাঁদের অস্থায়ী উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ করেছেন, রাজ্য সরকার তাঁদের স্বীকৃতি দিচ্ছে না। উচ্চশিক্ষা দফতরের চিঠিতে জানানো হয়েছে, রাজ্যপালের এ ভাবে সরাসরি উপাচার্য নিয়োগের কোনও এক্তিয়ার নেই। তাঁদের জন্য বরাদ্দ বেতন এবং ভাতাও মঞ্জুর করছে না রাজ্য সরকার। রাজ্যপালের অস্থায়ী উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে মামলাও হয়েছে।

10 months ago
Bratya: জাতীয় শিক্ষা নীতি মেনে নেয়নি রাজ্য, দাবি শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্যর

চলতি শিক্ষাবর্ষ থেকে সব সরকারি এবং বেসরকারি কলেজগুলিতে (College) চালু হবে চার বছরের স্নাতক (Graduation)। এখবর সামনে আসার পর থেকেই অনেকে বলছেন, জাতীয় শিক্ষানীতি মেনে নিয়েছে রাজ্য। কারণ সেখানেও চার বছর স্নাতক কোর্সের কথা উল্লেখ রয়েছে। কিন্তু আদৌ কি জাতীয় শিক্ষানীতিতে শিলমোহর দিয়েছে রাজ্য? শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু (Bratya Basu) বলেছেন অন্য কথা। তাঁর কথায়, বিভ্রান্তিমূলক খবর ছড়ানো হচ্ছে। এটা রাজ্য সরকারের পৃথক স্টেট এডুকেশন পলিসি। জাতীয় শিক্ষানীতিকে সরকার যে মেনে নেয়নি, সেটাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন ব্রাত্য বসু।

এদিন শিক্ষামন্ত্রী টুইটে ৪ বছরের স্নাতক কোর্স নিয়ে বিস্তারিত জানিয়ে লেখেন, " রাজ্য সরকার ন্যাশনাল এডুকেশন পলিসি মেনে নিয়েছে, এটিকে সত্যের অপলাপ বললে কম বলা হবে। রাজ্য সরকার একটি সম্পূর্ণ পৃথক স্টেট এডুকেশন পলিসি তৈরি করেছে, যেখানে সমস্ত ‘বেস্ট প্র্যাকটিসেস’ বা ভাল ব্যবস্থাগুলিকে নেওয়া হয়েছে। কেন এই সিদ্ধান্ত? ব্রাত্য মনে করেন, ৪ বছরের ডিগ্রি কোর্স চালু না হলে রাজ্যের প্রায় ৭ লক্ষ ছাত্রছাত্রী সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারতেন না। বাইরের রাজ্যে গিয়ে পড়ার প্রবণতা বেড়ে যেত। সেসব দিক ভেবেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ৪ বছরের স্নাতকের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

এদিন টুইটে, বামেদেরও আক্রমণ করেছেন ব্রাত্য। সেইসঙ্গে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, জাতীয় শিক্ষানীতির অনেকগুলো দিক তাঁরা বিরোধিতা করেছেন। রাজ্য শিক্ষানীতিতে গ্রহণ করেননি।

11 months ago
Result: উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণার দিনক্ষণ, কবে কিভাবে জানবেন জানুন

মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল ঘোষণার দিনক্ষণ টুইট করে জানিয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। এবার উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল ঘোষণার দিনক্ষণও জানিয়ে দিল উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। সোমবার সংসদের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী ২৪ মে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হবে। মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল ঘোষণার তারিখ ১৯ মে। আগেই তা জানিয়েছে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। তার পাঁচ দিন পরেই প্রকাশ করা হবে উচ্চ মাধ্যমিকের ফলও।

ব্রাত্য বসু সোমবার টুইট করে জানিয়েছেন ২৪ তারিখ উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ বেলা বারোটার সময় সাংবাদিক বৈঠক করে জানানো হবে। স্কুলগুলিকে  চলতি মাসের 31 তারিখেই স্কুলগুলিকে সার্টিফিকেট দিয়ে দেওয়া হবে। এছাড়া উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের পক্ষে আরও জানানো হয়েছে যে ২৪শে মে বেলা বারোটার পর পরীক্ষার্থীরা বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালে তাদের পরীক্ষার ফল জানতে পারবে।

চলতি বছরে ১৪ মার্চ উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হয়েছিল। তা চলেছে ২৭ মার্চ পর্যন্ত। প্রায় দু’মাসের মাথায় ফল প্রকাশ করা হচ্ছে। উচ্চ মাধ্যমিকে এ বছর মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৮ লক্ষ ৫২ হাজার, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ১ লক্ষ ১০ হাজার বেশি।

11 months ago


Bratya: 'উনি হয় বিল সই করে দিন, নয়তো...' শিক্ষা নিয়ে নবান্ন-রাজভবন সংঘাত চরমে

'উনি হয় বিল সই করে দিন, নয়তো আমরা আবার বিধানসভায় (Bidhansava) পাশ করাব। দরকার হলে দু’বার পাশ করাব।' রাজ্যপালকে (Governer) নিশানা করে ঠিক এমনই হুঙ্কার শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর (Bratya Basu)। ফলে রাজভবনের সঙ্গে রাজ্য সরকারের শিক্ষা দফতরের সংঘাত ফের প্রকাশ্যে চলে এল। শুক্রবার শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু জানিয়ে দিলেন, রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকে তিনি রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আচার্য বলে মানেন না। যে সিদ্ধান্ত ইতিমধ্যেই ২০২২ সালে বিধানসভায় বিল পাশ করে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু রাজভবন থেকে সেই বিল পাশ না হওয়ায় এখনও চূড়ান্ত করা যায়নি। যদিও আইনত এই পদ রাজ্যপালেরই।

শুক্রবার দুপুরে রাজভবনের অদূরে বি আর আম্বেদকরের মূর্তিতে মালা দিতে এসেছিলেন ব্রাত্য। সেখানেই বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আচার্য হিসাবে রাজ্যপালের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ব্রাত্য। গত সোমবার থেকেই শুরু হয়েছে রাজ্যপাল তথা আচার্য বোসের বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন পর্ব। প্রথমে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় দিয়ে শুরু। তার পর বারাসত বিশ্ববিদ্যালয় হয়ে বৃহস্পতিবার প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়েও গিয়েছিলেন বোস। দেখা করেছেন সেখানকার অধ্যাপক এবং ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে। এই সব সফরে বিভিন্ন অনুদানের ঘোষণাও করেছেন রাজ্যপাল। আবার বারাসতে গিয়ে নেতাজি মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচর্যও ঠিক করে এসেছেন বোস। ব্রাত্য প্রশ্ন তুলেছেন, রাজ্যপালের এই সমস্ত পদক্ষেপ নিয়েই। তিনি জানতে চেয়েছেন, ‘‘যে অনুদান উনি ঘোষণা করেছেন, সে তো সরকারি অর্থ। উনি কী ভাবে শিক্ষা দফতরের সঙ্গে কোনও কথা না বলে একর পর এক এ ধরনের ঘোষণা করতে পারেন?’’

২০২২ সালের জুন মাসে যখন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে রাজ্য প্রশাসনের সংঘাত চরমে, তখনই বিধানসভায় বিল পাশ করিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আচার্য করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তার পর সেই বিলে অনুমোদন নেওয়ার জন্য রাজভবনেও পাঠানো হয়েছিল। ধনখড়ের আমলে সেই বিল প্রত্যাশিত ভাবেই অনুমোদন পায়নি। কিন্তু পরে রাজ্যের রাজ্যপাল বদল হওয়ার পরও রাজভবন থেকে বিলটি রাজ্য সরকারের কাছে এসে পৌঁছয়নি। এ প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের একটি সাম্প্রতিক পর্যবেক্ষণ উল্লেখ করে ব্রাত্য বলেন, ‘শীর্ষ আদালতের নির্দেশ অনুসারে কোনও বিল রাজভবনে দু’সপ্তাহের বেশি থাকতে পারে না। কিন্তু বাংলার রাজ্যপালের কাছে ওই বিল ১০ মাস ধরে পড়ে রয়েছে।’

12 months ago
TET: 'আমি এবিষয়ে বিস্তারিত জানি না..', টেট চাকরিপ্রার্থীদের আন্দোলন নিয়ে মন্তব্য মমতার

উত্তরবঙ্গ থেকে ফিরে জানবাজারে পুজো উদ্বোধনে যান মুখ্যমন্ত্রী (CM Mamata)। সেই ফাঁকেই যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে উপস্থিত সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন তিনি। তাঁর উত্তরবঙ্গ সফর চলাকালীন ঝুলে থাকা কাজে গতি আনতে একাধিক ফাইলে সই করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর যুবভারতীতে উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনে করুণাময়ীতে (Karunamoyee) চলা টেট ২০১৪ নন ইনক্লুডেড চাকরিপ্রার্থীদের (TET Agitation) অনশন নিয়ে সেভাবে কিছু বলতে চাননি মুখ্যমন্ত্রী।

তিনি জানান, আমি এ বিষয়ে বিস্তারিত জানি না। ব্রাত্য বেশি ভালো বলতে পারবে। কারণ দফতরটা ওর। আমি এবিষয়ে কোনও মন্তব্যই করব না। তবে ন্যায্য দাবিতে যারা আন্দোলন করেন আমি তাঁদের ভালোবাসি। কোর্ট মামলা চলছে, আমরা কোর্ট নির্দেশ মেনে চলছি। আমি চাই না কারও চাকরি যাক। তাই সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে আমরা খুশি। মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পরেই সরগরম রাজ্য রাজনীতি।

বিজেপির শমীক ভট্টাচার্যের মন্তব্য, 'আমরাও চাই সব শূন্যপদে নিয়োগ হোক। শিক্ষার অধিকার মৌলিক অধিকার। সব দফতরের ঊর্ধ্বে যিনি আছেন, তিনি এভাবে দায় ঝাড়তে পারেন না। তিনি এই জটিলতার সমাধান করুন।' তৃণমূলের এক নেতা চাকরিপ্রার্থীদের বাড়িতে ডেকে নিয়ে আশ্বাস দিয়েছিলেন। বর্তমান শিক্ষামন্ত্রীও চাকরিপ্রার্থীদের সঙ্গে কথা বলেছেন। কিন্তু এই জটিলতায় ধীরে ধীরে সরকারি স্কুলের হাল বেহাল হয়ে পড়ছে।'

২০১৪ টেট আন্দোলনকারী সন্তু দাস জানান, আমরা আশাবাদী ২০২০ সালে নবান্ন থেকে মুখ্যমন্ত্রী চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন। সেই আশ্বাস তিনি রাখবেন আমরা সেই আশা রাখি। পাশাপাশি সিপিএম নেতা বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, 'উনি কাটমানি, পুজো উদ্বোধন, উৎসব ছাড়া কিছুই জানেন না। যেহেতু মুখ্যমন্ত্রীর জানার পরিধি স্বল্প তাই এতকিছু হয়ে যাওয়ার পরেও কিছুই জানেন না। মিথ্যাচার করে মানুষকে বিপদে ফেলছেন মুখ্যমন্ত্রী।' 

2 years ago