Breaking News
HC: জেলে ১ বছর ৭ মাস! পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিচারপ্রক্রিয়া কবে শুরু হবে? ইডির কাছে রিপোর্ট তলব হাইকোর্টের      Sandeshkhali: ''দাদা আমাদের বাঁচান...'', সন্দেশখালির মহিলাদের আর্তি শুনলেন শুভেন্দু      Sandeshkhali: 'মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত', ক্ষোভ প্রকাশ জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সনের      Weather: বিদায়ের পথে শীত! বাড়বে তাপমাত্রা, বৃষ্টির পূর্বাভাস দক্ষিণবঙ্গে      Sandeshkhali: শিবু হাজরার গ্রেফতারিতে মিষ্টি বিলি, আদালতে পেশ, কবে গ্রেফতার সন্দেশখালির 'মাস্টারমাইন্ড'?      Arrest: সন্দেশখালিকাণ্ডে ন্যাজট থেকে গ্রেফতার শিবু হাজরা      Trafficking: ১০ মাস লড়াইয়ের পর মাদক মামলা থেকে মুক্তি বিজেপি নেত্রী পামেলার      Mimi: রাজনীতি আমার জন্য় নয়, মুখ্যমন্ত্রীর কাছে গিয়ে সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা মিমির!      Dev: রাজনীতিতে ফিরতেই ফের দেবকে দিল্লিতে ডাক ইডির      Suvendu: সুকান্ত অসুস্থ থাকলেও, সন্দেশখালি কাণ্ডে আন্দোলনের ঝাঁঝ বাড়াতে মাঠে শুভেন্দু     

Born

Born: রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতেই সন্তানের জন্ম মাদকাসক্ত তরুণীর, ভাইরাল সেই ভিডিও

পথে চলতে চলতেই সন্তানের জন্ম (Born) দিলেন এক তরুণী। এর আগেও চলতি পথে কিংবা ট্রেনে-বাসে হঠাৎ প্রসববেদনা উঠে সন্তানের জন্ম দেওয়ার কথা শোনা গিয়েছে। তবে পথে হাঁটতে হাঁটতে সন্তান জন্ম দেওয়া ঘটনা কিন্তু তেমন শোনা যায় নি। এমনি এক ভিডিও সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

ভিডিয়োটিতে দেখা গিয়েছে, আমেরিকার কোনও একটি শহরের ইউনিয়ন স্কোয়্যারের রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন এক অন্তঃসত্ত্বা (Pregnent) তরুণী। কিন্তু সেই মুহূর্তে সন্তান প্রসব করার মতো অবস্থা ছিল না তাঁর। তবে সব কিছু সময় দিনক্ষণ দেখে তো আর হয় না। পথে হাঁটতে হাঁটতে হঠাৎ থমকে গিয়ে রাস্তার উপর শুয়ে পড়েন ওই তরুণী। তাঁকে দেখে আশপাশ থেকে ছুটে আসেন পথচারীরা। তাড়াতাড়ি করে সদ্যোজাত এবং ওই তরুণীকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। কিন্তু চিকিৎসকরা ওই তরুণীকে পরীক্ষা করে জানিয়েছেন, তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন। তার প্রভাবেই এমন অসাবধানতায় সন্তান প্রসব করেন তিনি। জানা গিয়েছে, এখন মা ও শিশু দু’জনেই সুস্থ আছে।

10 months ago
Dog: হাসপাতালের করুন চিত্র! সদ্যোজাতকে মুখে করে ঘুরছে কুকুর, নিখোঁজ বাবা-মা

ফের প্রকাশ্যে এল সরকারি হাসপাতালের দুরাবস্থার চিত্র। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দায়িত্বজ্ঞানহীনতা। রোগীর পরিবারের অভিযোগ, হাসপাতাল চত্বরে বেড়েছে কুকুরের (Dog) উৎপাত। এমনকি ওয়ার্ডের মধ্যে অবাধে বিচরণ সারমেয়দের। সম্প্রতি সদ্যজাতকে কামড়ে, মুখে করে ওয়ার্ড থেকে নিয়ে চলে গেল কুকুর। মৃত্যু (Death) হয় ওই নবজাতক শিশুর (Newborn)। এমনই ভয়ঙ্কর ঘটনা সামনে আসতে নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। ঘটনাটি ঘটেছে কর্নাটকের (Karnataka) শিবমোগা জেলায়।

স্বাভাবিকভাবেই ঘটনায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। জানা গিয়েছে, হাসপাতালের কর্মীদের যতক্ষণে নজরে আসে যে, কুকুরটি সদ্য়জাত শিশুকে মুখে নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে, ততক্ষণে অনেকটাই দেরী হয়ে যায়। এরপরই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এদিকে, ঘটনার পর থেকে খোঁজ মিলছে না শিশুটির অভিভাবকদেরও। গোটা ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পুলিস সূত্রে খবর, শনিবার সকালে কর্নাটকের শিবমোগা জেলায় একটি সরকারি হাসপাতালে ঘটনাটি ঘটেছে। হাসপাতালের প্রসূতি বিভাগ থেকে কাপড়ে মোড়া শিশুটিকে মুখে করে নিয়ে হাসপাতালের মধ্যে ঘুরে বেড়ায় কুকুরটি। কিছুক্ষণ বাদে হাসপাতালের নিরাপত্তারক্ষীর নজরে আসে বিষয়টি। তখনই কুকুরটিকে ধাওয়া করে কুকুরটির মুখ থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করে। তবে ততক্ষণে শিশুটির মৃত্য়ু হয়েছিল বলেই জানা গিয়েছে। কুকুরের কামড়েই শিশুটির মৃত্যু হয়েছে নাকি আগেই হয়েছিল, তা এখনও জানা যায়নি। বর্তমানে শিশুটির দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে, রিপোর্ট পাওয়ার পরই মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে।

উল্লেখ্য, পুলিসের তরফে জানানো হয়েছে মৃত শিশুটির অভিভাবকদের পরিচয় এখনও জানা সম্ভব হয়নি। স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করা হয়েছে। কীভাবে হাসপাতলের মধ্যে কুকুর ঢোকে এবং শিশুকে মুখে নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে আর কেউ তা কীভাবে দেখল না তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

11 months ago
Basirhat: রাস্তার পাশে পড়ে ব্যাগ, সেখান থেকে উদ্ধার নবজাতক শিশুর দেহ

ব‍্যাগের ভিতর থেকে নবজাতক শিশুর দেহ (Child Death) উদ্ধার। বসিরহাটের (Basirhat) হাড়োয়া থানার হাড়োয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের মল্লিকপুর এলাকার ঘটনা। ঘটনাস্থলে হাড়োয়া থানার (Haroa Police) পুলিস। ঘটনাস্থল থেকে পুলিস শিশুটির দেহটি উদ্ধার করে হাড়োয়া গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যায় ময়নাতদন্তের জন্য। জানা গিয়েছে, সোমবার সাত সকালে স্থানীয় বাসিন্দারা দেখতে পান একটি ব্যাগের মধ্যে সাদা কাপড়ের মোড়া নবজাতকের দেহটি। 

স্থানীয় এক মহিলা জানান, সোমবার সকালে মাঠে যাওয়ার সময় ওই ব্যাগটিকে রাস্তার পাশে পড়ে থাকতে দেখেন তিনি। পরে ওই ব্যাগটিকে পায়ে করে একটু উঁচু করেন। উঁচু করতেই ব্যাগের ভিতরে থাকা শিশুটিকে সাদা কাপড়ে মোড়ানো অবস্থায় দেখেন তিনি। সঙ্গে সঙ্গে এই ঘটনার কথা তিনি স্থানীয়দের জানান। পরে স্থানীয়রা পঞ্চায়েতকে এই বিষয়টি জানালে, পঞ্চায়েতের তরফ থেকে পুলিসে খবর দেওয়া হয়। 

ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিস। তবে ওই শিশুটির দেহ কীভাবে এলো সেটাও খতিয়ে দেখছে পুলিস। 

11 months ago


Baby: শকুন্তলা পার্কে পরিত্যক্ত পড়ে সদ্যজাত শিশুর দেহ, ছিঁড়ে খেল কাক

শহর কলকাতার (Kolkata Incident) বুকে দেখা গেল অমানবিক চিত্র। আবর্জনার স্তূপের মধ্যে সদ্যজাতর দেহ। শুধু তাই নয় সদ্যজাতর (New Born Baby) দেহকে ছিঁড়ে খাচ্ছে কাক। ঘটনাটি ঘটে বেহালার সরশুনা থানা (Sarsuna PS) এলাকার শকুন্তলা পার্কে। ঘটনাস্থলে সরশুনা থানার পুলিস। সদ্যজাতর দেহটি উদ্ধার করে নিয়ে যায় পুলিস। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিস। ঘটনায় স্তম্ভিত এলাকাবাসী।

এক পথচারী জানান, 'রাস্তার ধারে আবর্জনা স্তুপের মধ্যে এক সদ্যজাতর দেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। প্লাস্টিক থেকে সেই সদ্যজাতকে বের করে ছিঁড়ে খাচ্ছিল কাক। এই দেখে সরশুর থানায় ফোন করে বিষয়টি জানানো হয়। পুলিস এসে দেহটি উদ্ধার করে নিয়ে যায়।'

11 months ago
Child: সাতসকালে আবর্জনার স্তুূপে সদ্যোজাতর দেহ উদ্ধার, নেপথ্যে কন্যাসন্তানের জন্ম?

সদ্যোজাত শিশুকন্যার (New Born) মৃতদেহ ঘিরে চাঞ্চল্য তমলুকের (Tamluk) চককামিনাতে। পূর্ব মেদনীপুরের হলদিয়া-মেচেদা রাজ্য সড়কের পাশে শিশুকন্যার মৃতদেহ উদ্ধার। ঘটনাটি ঘটেছে তমলুক থানার চককামিনা এলাকায়। জন্মের আগেই আলট্রাসাউন্ডে (USG) কন্যাসন্তান দেখে নিয়েছিলেন সদ্যোজাতর পরিবার। তাই সেই নিষ্পাপ প্রাণকে হত্যা করা হয়েছে বলে অনুমান স্থানীয়দের। রাস্তার পাশে আবর্জনা স্তুূপে এই শিশুর দেহ উদ্ধারের ঘটনায় ইতিমধ্যে চাঞ্চল্য এবং ক্ষোভ এলাকায়। 

এক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, সকালবেলায় ঘটনাস্থলে অনেক লোকের ভিড়। আবর্জনার স্তুূপে একটি শিশুর দেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। অভিযোগ, মৃতদেহটি কেউ রাতের অন্ধকারে ওই স্থানে ফেলে দিয়ে গিয়েছে। পুলিস খবর পেয়ে ওই শিশুর দেহ উদ্ধার করে। কে বা কারা এমন ঘটনা ঘটিয়েছে তা তদন্ত করছে পুলিস।           

one year ago


Polio: শিশু সুরক্ষায় বড়সড় সিদ্ধান্ত! খুব দ্রুত চালু পোলিওর তৃতীয় টিকা, কোথায় ফুটবে ইঞ্জেকশন

এবার বড়সড় সিদ্ধান্ত শিশুদের সুরক্ষায় (Child protection)। খুব শীঘ্রই চালু হতে চলেছে পোলিও টিকার (Polio vaccine) তৃতীয় ডোজ অর্থাৎ "ইঞ্জেকটেবল" (Injectable)। বর্তমানে সদ্যজাত শিশুদের (Newborn babies) ৬ থেকে ১৪ সপ্তাহের মধ্যে দুটি করে পোলিও টিকা দেওয়া হয়। এবার থেকে ১৪ মাস থেকে ৯ বছরের মধ্যে টিকার আরও একটি ডোজ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। কেন্দ্রের টিকাকারণ নিয়ন্ত্রক সংক্রান্ত জাতীয় প্রযুক্তিগত উপদেষ্টা গ্রুপ ও ইমিউনাইজেশন এই নিয়ম পরিবর্তনের উপর নজর রাখছে। টিকার এই তৃতীয় ডোজ দেওয়া হবে শিশুর বাম হাতের উপরের দিকে।

আগামী ১ জানুয়ারি থেকে দেশের প্রতিটি কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল ও রাজ্যগুলিকে এই নির্দেশিকা কার্যকর করতে বলা হয়েছে। শিশুদের যেমন দুটি পোলিও ডোজ দেওয়া হচ্ছে, তেমনই দেওয়া হবে। তবে তৃতীয় ডোজ দেওয়ার আগে স্বাস্থ্য কর্মীদের একটি ট্রেনিংও দেওয়া হবে। এই নিয়ে প্রতিটি রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরকে আলাদা করে নির্দেশিকা জারি করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি দেশের প্রতিটি শিশু যেন পোলিও তৃতীয় ডোজ পায়, সেদিকে নজর রাখবে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক।

সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী ২০১১ এরপর থেকে কেউ পোলিও আক্রান্ত হয়নি গোটা দেশে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের তরফ থেকে ইতিমধ্যে এই নির্দেশিকা প্রত্যেকটি রাজ্যকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

one year ago
death: শহরে চিকিৎসার গাফিলতিতে নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ, কী বলছে হাসপাতাল?

ফের শিশু মৃত্যুকে ঘিরে উত্তেজনা আরজিকর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে (R G Kar Medical College and Hospital) ঘটনার পরই বিক্ষোভ দেখায় শিশুর পরিবার। অভিযোগ, চিকিৎসকদের গাফিলতিতে ওই শিশুর মৃত্যু (death) হয়েছে। জানা গিয়েছে, প্রসূতি উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গার (Deganga) বাসিন্দা। গত ২৮ তারিখ তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ৩১ তারিখ সন্তান প্রসব করেন তিনি। তবে সদ্যোজাত শিশুর পরিবারের দাবি, সিজার করতে চেয়েছিলেন তাঁরা। কিন্তু সাধারণ ডেলিভারি হয়। এরপর শুক্রবার রাতে মৃত্যু হয় শিশুর। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় হাসপাতালের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে শিশুর পরিবার।

যদিও হাসপাতালের তরফ থেকে বলা হয়েছে, অভিযোগ থাকলে আপনারা ময়নাতদন্তের জন্য আবেদন করতে পারেন। কিন্তু পরিবারের তরফ থেকে তা না করেই হাসপাতাল ছেড়ে শিশুকে নিয়ে চলে যায় পরিবার। এই ঘটনায় আরজিকর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ডেপুটি সুপার ত্রিদিব মুস্তাফি জানান, ওই মহিলার সাধারণ ডেলিভারি করার কথা ছিল, সেইমতো সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু পরিবার সিজার করার দাবি করলেও, তেমন কোনও প্রয়োজন ছিল না। সরকারি নিয়ম মেনে তবেই সিজার করা হয়। শেষে প্রসবের সময় দেখা যায়, শিশু ডেলিভারি হতে দেরি হচ্ছিল। তাই ফরসেপস দেওয়া হয়। যে ধরনের চিকিৎসার প্রয়োজন ছিল তার সমস্ত কিছু করা হয় ওই সদ্যোজাত শিশুর। তবে সদ্যোজাত শিশুটির কিডনি ঠিকমত কাজ করছিল না। তার জেরেই মৃত্যু শিশুটির।

তবে লিখিত দরখাস্ত দেওয়ায় বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করে এই ঘটনার কারণ অনুসন্ধান করে দেখা হবে বলেই জানা গিয়েছে।

one year ago
Ireland: কন্যাসন্তান জন্ম নিতেই নাম রাখলেন 'পকোড়া'! কেন শুনলে অবাক হবেন

ইন্টারনেটের এই যুগে সাড়া ফেলল এক সদ্যোজাত কন্যা, যার নাম "পকোড়া"।বাংলার মানুষের অতি প্রিয় এই খাবারের নামে সদ্যোজাতের নামকরণ? শুনতে অবাক লাগলেও ঘটনাটি কিন্তু সত্যি। একথাও সত্যি যে অনেক বিদেশি বাংলার কিছু নামে অনুপ্রাণিত হয়ে তাঁদের পরিবারের সদস্যদের নামকরণ করেছেন সেইসব নামে।

পকোড়া ভারতের একটি জনপ্রিয় তেলে মুচমুচে করে ভাজা স্ন্যাক্স, যা খুবই প্রসিদ্ধ বাংলায়। সেটা যে কারো নাম হতে পারে, বিশেষত কন্যাসন্তানের, সেটা অবশ্য অনেকেরই মাথায় সেভাবে আসেনি। এই ভারতীয় খাবারের প্রেমে পড়ে কেউ তাঁদের সদ্যোজাত সন্তানের নাম মিলিয়ে রেখেছেন, এ যেন ভাবাই যায় না।তাই স্বাভাবিকভাবেই দেশজুড়ে এই নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে। ইন্টানেটের দুনিয়াতেও প্রবল সাড়া ফেলেছে এই ঘটনা।

আয়ারল্যান্ডের নিউটাউনঅ্যাবেতে একটি রেস্তোরাঁ আছে। সেই রেস্তোরাঁয় ওই ব্রিটিশ দম্পতি প্রায়ই যান। সেখানে যাতায়াত করতে করতেই তাঁদের মাথায় আসে, সদ্যোজাতের নাম কোনও খাবারের নামে রাখা হবে।

ওই রেস্তোরাঁয় স্ত্রীর সবচেয়ে প্রিয় পদ পকোড়া।২৪ আগস্ট কন্যাসন্তান জন্ম নিতেই নাম রেখে দিলেন পকোড়া। ইন্টারনেটের জগত তো এমনই এক চটকদার খবরের অপেক্ষায় ছিল। ফলে নানা কমেন্টে ভরে গেল বক্স।

one year ago


Maharastra: চিকিৎসা না পেয়ে বাড়িতেই মৃত্যু দুই সদ্যোজাতের, মাকে বাঁচাতে লড়াই

আত্মজকে বাঁচানোর আপ্রাণ চেষ্টা। কিন্তু শেষরক্ষা হল না। এই সময়ে দাঁড়িয়েও, শুধু হাসপাতালে পৌঁছনোর কোনও রাস্তা নেই বলে জীবনযুদ্ধে হার মানল দুই সদ্যোজাত। হাসপাতালে যাওয়ার দুর্গম পথে রাস্তাতেই রক্তক্ষরণ মায়ের, মর্মন্তুদ ঘটনাটি ঘটেছে মহারাষ্ট্রের পালঘর জেলায়।

পালঘর জেলার মোখাদা তহসিলের বাসিন্দা বন্দনা বুধর সাতমাসের গর্ভাবস্থায় বাড়িতেই যমজ সন্তানের জন্ম দিয়েছেন বলে সংবাদসংস্থা সূত্রে খবর। সময়ের আগেই জন্ম নেওয়া যমজ সন্তান দুর্বল ছিল। সঠিক চিকিৎসার অভাব ছিল সদ্যোজাতের। ফলে বাড়িতেই মৃত্যু হয় তাদের। সন্তান জন্মানোর পরই রক্তক্ষরণ শুরু হয় প্রসূতির। প্রচণ্ড রক্তক্ষরণের কারণে মহিলার অবস্থার দ্রুত অবনতি হওয়ায় পরিবারের সদস্যরা দড়ি, বিছানার চাদর এবং কাঠ ব্যবহার করে একটি অস্থায়ী স্ট্রেচার তৈরি করে হাসপাতালের উদ্দেশে রওনা দেন। পরিবারের সদস্যরা মহিলাকে প্রায় ৩ কিমি নিয়ে যান। পাথুরে জমি এবং পিচ্ছিল ঢালের মধ্য দিয়ে নিয়ে যেতে হয়। এই মর্মান্তিক দৃশ্য দেখা গেল ছবিতে।

যে মা তাঁর সদ্যোজাতকে হারিয়েছেন, তাঁকে বাঁচানোর জন্য পরিবারের সদস্যরা ছিলেন দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তিনি অবশেষে হাসপাতালে চিকিত্সাধীন।

মহারাষ্ট্রের ক্ষমতাসীন জোটের অংশ বিজেপির রাজ্য সহ-সভাপতি চিত্র কিশোর ওয়াঘ ঘটনাটিকে "খুব বেদনাদায়ক" বলে বর্ণনা করেছেন। "সময়ে স্বাস্থ্যসেবা না পাওয়ায় বুধরের যমজ শিশু মারা গেছে," তিনি টুইট করেছেন। বিজেপি নেতা আরও বলেছেন, রাজ্যের বেশ কয়েকটি অংশে রাস্তার অভাবের কারণে এমন অনেক ঘটনা ঘটছে।

2 years ago