Breaking News
BJP: ইস্তেহার প্রকাশ বিজেপির, 'এক দেশ এবং এক ভোট' লাগু করার প্রতিশ্রুতি      Fire: দমদমে ঝুপড়িতে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড, ঘটনাস্থলে দমকলের একাধিক ইঞ্জিন      Bengaluru Blast: বেঙ্গালুরু ক্যাফে বিস্ফোরণকাণ্ডে কাঁথি থেকে দুই সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করল এনআইএ      Sheikh Shahjahan: 'সিবিআই হলে ভালই হবে', হঠাৎ ভোলবদল শেখ শাহজাহানের      CBI: সন্দেশখালিকাণ্ডে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের...      NIA: ভূপতিনগর বিস্ফোরণকাণ্ডে এবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ NIA      ED: অবশেষে ইডির স্ক্যানারে চন্দ্রনাথের 'মোবাইল-হিস্ট্রি', খুলতে পারে নিয়োগ দুর্নীতি রহস্যের জট      PM Modi: তৃণমূল মানেই দুর্নীতি-লুট! ভোট প্রচারে সন্দেশখালির পর ভূপতিনগর নিয়ে সরব মোদী      NIA: ভূপতিনগর বিস্ফোরণকাণ্ডে গ্রেফতার আরও ২ , কেন্দ্রীয় এজেন্সির উপর হামলার ঘটনায় উদ্বিগ্ন কমিশন      Sheikh Shahjahan: বিজেপির 'দালাল'রা তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যে বলছে, দাবি শেখ শাহজাহানের     

Bogtui

Fire: ফের বগটুইয়ে তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ, অল্পের জন্য রক্ষা

বীরভূমের বগটুইয়ে এক তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীর বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। জানালা দিয়ে ছুড়ে দেওয়া হল জলন্ত পতাকা। তার জেরে বিছানার কিছু অংশ পুড়ে গিয়েছে। তৃণমূল কর্মীর অভিযোগ, রাজনৈতিক কারণেই এই কাজ করা হয়েছে।

জানা গিয়েছে ওই তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীর নাম মুর্শিদা বিবি। শনিবার রাতে তাঁর বাড়ির পিছনের দিকে জানালা দিয়ে জলন্ত পতাকা ঢুকিয়ে দেয় দুষ্কৃতীরা। তার জেরে বিছানার একাংশ এবং বেশ কিছু সামগ্রী সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গিয়েছে।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় রামপুরহাট থানার পুলিস। পুরো পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে তদন্ত শুরু করেছে পুলিস। মুর্শিদা বিবি জানিয়েছেন, তাঁরা সেসময় ওই ঘরে ছিলেন না। ফলে কে বা কারা ওই ঘটনা ঘটালো তা জানতে পারেননি। তবে রাজনৈতিক কারণেই বাড়িতে আগুন লাগানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন।

বাড়ির সদস্য আলম শেখ জানান, যেহেতু তাঁরা এই কাউকে এই কাজ করতে দেখেননি তাই সরাসরি পুলিশের কাছে কারোর নামে অভিযোগপত্র দায়ের করেননি। যদিও পুরো ঘটনা খতিয়ে দেখে তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন।

9 months ago
CBI: সিবিআইয়ের গ্রেফতারের দাবিতে সরব লালনের স্ত্রী, অস্থায়ী ক্যাম্পে বিক্ষোভ পরিবারের

বাবকে খুন করেছে সিবিআই (CBI)। ওদের হেফাজতে থাকা সবাইকে এভাবেই মেরে ফেলব। সিবিআই হেফাজতে বগটুই হত্যাকাণ্ডের (Bogtui Massacre) মূল অভিযুক্ত লালন শেখের (Lalan Seikh Death) মৃত্যুর পর ফের একবার খুনের অভিযোগে সরব পরিবার। সোমবার এই ঘটনা চাউর হতেই থমথমে গোটা গ্রাম। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে গ্রামে মোতায়েন বিশাল পুলিস বাহিনী। এই ঘটনার তদন্তে সিবিআইয়ের ইন্টালিজেন্স ইউনিট। কেন্দ্রীয় সংস্থার যুগ্ম অধিকর্তা (স্পেশাল ক্রাইম)' মঙ্গলবার দু'জন সিআরপিএফ কনস্টেবলকে নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। এদিকে, জোর করে লালন শেখের বয়ান রেকর্ডের চেষ্টা হয়েছে। এই অভিযোগে রাজ্য সিআইডি একাধিক ধারায় মামলা রুজু করতে চলেছে, এমনটাই সূত্রের খবর। চার সদস্যের সিআইডি দল হাসপাতাল মর্গে গিয়েও পৌঁছয়।

মঙ্গলবার রামপুরহাট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন লালন শেখের স্ত্রী সিবিআইয়ের অভিযুক্ত আধিকারিকদের ফাঁসির দাবিতে সরব। দোষীরা গ্রেফতার না হলে, তিনি স্বামীর সৎকার করবেন না। প্রয়োজনে নিজেও আত্মহত্যা করবেন। এই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন লালনের স্ত্রী। সিবিআইয়ের বিশেষ তিন জনের নাম উচ্চারণ করে তাঁর অভিযোগ, 'আমরা মোবাইলে স্বামীর মৃত্যুর খবর পেয়েছি। সিবিআই কোনও খবর দেয়নি।'

পাশাপাশি দিল্লিতে সিবিআইয়ের সদর দফতরে পাঠানো হয়েছে লালন মৃত্যুকাণ্ডের প্রাথমিক রিপোর্ট। এমনকি লালনের মৃত্যুকালে কর্তব্যরত ১ CRPF ও ১ কনস্টেবলের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু করেছে সিবিআই। জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় সংস্থার সদর দফতর থেকে একাধিক বিহসয়ে খোঁজখবর নেওয়া হয়েছে। ১) সুপ্রিম কোর্টের গাইড লাইন মেনে সিবিআই ক্যাম্পে এবং লালন হেফাজতে থাকাকালীন সিসিটিভি লাগানো ছিল কিনা? ২) ৪৮ ঘণ্টা অন্তর লালনের মেডিক্যাল চেকআপ হয়েছে কিনা ৩) এই ঘটনায় তদন্তকারী অফিসারের ভূমিকা কী? সেই সময় তিনি কোথায় ছিলেন? ৪) বিচারপতি ডিকে বসুর গাইড লাইন মেনেছে কিনা সিবিআই? 

এদিন সকাল হতেই লালনের পরিবার রামপুরহাট থানার সামনে জমায়েত করে বিক্ষোভ দেখান। সিবিআইয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পে গিয়ে ব্যারিকেড ভেঙে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করেন তাঁরা। বাধা পেয়ে ক্যাম্পের গেটের বাইরে অবস্থান করে লালনের পরিবার। ওঠে 'সিবিআই গো ব্যাক', 'সিবিআইয়ের শাস্তি চাই' স্লোগান। এদিকে, মঙ্গলবারই লালনের ময়না তদন্তের পর দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে।


one year ago
Bagtui: বগটুই-কাণ্ডের ৮ মাস পর গ্রেফতার! মূল অভিযুক্ত সেই লালন শেখের সিবিআই হেফাজতে মৃত্যু

বগটুই হত্যাকাণ্ডের (Bogtui Murder) মূল অভিযুক্ত লালন শেখের মৃত্যু। সিবিআই হেফাজতে (CBI Custody) থাকাকালীন মৃত্যু লালনের, এমনটাই কেন্দ্রীয় সংস্থা সূত্রে খবর। তাদের দাবি, 'আত্মহত্যা করেছেন লালন।' বীরভূমে (Birbhum) সিবিআইয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পে মৃত্যু এই অভিযুক্তর। কীভাবে কেন্দ্রীয় সংস্থার হেফাজতে থাকাকালীন অবস্থায় বগটুই-কাণ্ডের মতো গুরুত্বপূর্ণ মামলার অভিযুক্তর মৃত্যু? সেই নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। ৪ ডিসেম্বর ৬ দিনের সিবিআই হেফাজতে ছিলেন লালন। ১০ ডিসেম্বর তাঁকে ফের কেন্দ্রীয় সংস্থার হেফাজতে ৩ দিনের জন্য পাঠানো হয়। সেই হেফাজতে থাকাকালীন এই মৃত্যু। যদিও পরিবারের অভিযোগ মারধরের কারণে মৃত্যু হয়েছে লালন শেখের। সিবিআইয়ের শাস্তির দাবিতে সরব তাঁরা।  হাইকোর্টের নির্দেশেই এই মামলার তদন্তভার পায় সিবিআই।

২১ মার্চ খুন হয়েছিলেন বড়শাল গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূলের উপপুরপ্রধান ভাদু শেখ। তিনি ঘটনাচক্রে বগটুই গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। বোমা মেরে তাঁকে খুন করা হয়। এই হত্যাকাণ্ডের পর সে রাতেই রামপুরহাটের বগটুই গ্রামে পরপর বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছিল। সেই ঘটনায় ১০ জনের দগ্ধ দেহ উদ্ধার করেছিল দমকল এবং জেলা পুলিস। এই ঘটনায় নাম জড়ায় ভাদু শেখ ঘনিষ্ঠ লালন শেখের। বগটুই-কাণ্ডের পর থেকে পলাতক ছিলেন লালন শেখ। বগটুই হত্যাকাণ্ডের ৯ মাস পর ঝাড়খণ্ডের পাকুর থেকে ৩ ডিসেম্বর তাঁকে গ্রেফতার করে সিবিআই। যদিও গ্রেফতারির পর সংবাদ মাধ্যমের সামনে লালন দাবি করেছিলেন, ভাদু খুনের পর তিনি রামপুরহাট হাসপাতালে ছিলেন। ঘটনাস্থলে ছিলেন না। 

    

one year ago


Bagtui: বগটুই-কাণ্ডে সিবিআইয়ের হাতে ধৃত আরও ৭, ফের ঘটনাস্থলে সেন্ট্রাল ফরেন্সিক দল

বগটুইয় গণহত্যা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় নতুন করে ৭ জন সিবিআইয়ের হাতে ধৃত। তাঁদের মঙ্গলবার আদালতে তোলা হলে ১০ দিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দিলেন বিচারক। ফের ধৃতদের ২ সেপ্টেম্বর আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে ভাদু শেখ খুনে অভিযুক্ত ছোট লালন শেখকে দু-দিনের সিবিআই (CBI) হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। 

সিবিআই সূত্রে খবর, মঙ্গলবার ধৃতদের রামপুরহাট মহকুমা আদালতে (Court) তোলা হয়। ধৃতদের নাম নুর আলি শেখ, শের আলি শেখ, বিকির আলি শেখ, আসিফ শেখ, জসিফ শেখ, সাইদুল শেখ, জামিনুল শেখ। 

উল্লেখ্য, ওই পঞ্চায়েতের উপপ্রধান ভাদু শেখ খুন হওয়ার পর থেকে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বগটুই (Bagtui) গ্রাম। একাধিক বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিল বলেও অভিযোগ। তাতেই ৮ জনের প্রাণ গিয়েছে। ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পুলিসকে কড়া ব্যবস্থা নিতেও বলেছিলেন। এই ঘটনার পর নমুনা সংগ্রহ করেছিলেন কেন্দ্রীয় ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা। এখানে কীভাবে আগুন লাগল? তা জানতেই আবার আসছে কেন্দ্রীয় ফরেনসিক টিম।

2 years ago