Breaking News
Modi: কৃষ্ণনগরে ভাষণ শুরু করেই ক্ষমা প্রার্থানা প্রধানমন্ত্রীর, তৃণমূলকে তীব্র তুলধনা...      Modi: 'রামমোহনের আত্মা সন্দেশখালির মহিলাদের দুর্দশায় কাঁদছে', আরামবাগ থেকে মমতাকে তোপ মোদীর      Suspend: গ্রেফতারির পরেই তৃণমূল থেকে ছয় বছরের জন্য সাসপেন্ড সন্দেশখালির 'বেতাজ বাদশা' শাহজাহান      Sandeshkhali: নিরাপদ সর্দারকে নিঃশর্তে জামিন দিয়ে রাজ্য পুলিসকে তিরস্কার বিচারপতির      Sheikh Shahjahan: ঘর ভাঙচুর, টাকা লুঠ! শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে নতুন এফআইআর সন্দেশখালি থানায়      Sandeshkhali: অজিত মাইতিকে তাড়া গ্রামবাসীদের, সাড়ে ৪ ঘণ্টা পর অবশেষে আটক পুলিসের      Ajit Maity: উত্তপ্ত সন্দেশখালি! অজিত মাইতির গ্রেফতারির দাবিতে বিক্ষোভ মহিলাদের, বাঁচতে সিভিকের বাড়িতে আশ্রয়      Sandeshkhali: সন্দেশখালি ঢুকতে বাধা, ভোজেরহাটেই দিল্লির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমকে আটকাল পুলিস      Sandeshkhali: একই যাত্রায় পৃথক ফল! ১৪৪ যুক্ত এলাকায় নির্বিঘ্নে ঘুরছেন পার্থ-সুজিত, বাধাপ্রাপ্ত মীনাক্ষী      Sandeshkhali: ভোটের আগে উত্তপ্ত সন্দেশখালি, বিশেষ নজর নির্বাচন কমিশনের     

BaichungBhutiya

Durand Cup: মুম্বইকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন ব্যাঙ্গালোর এফসি, কমবেশি সব ট্রফির মালিকানা সুনীল ছেত্রী

যত দিন যাচ্ছে ভারতীয় স্ট্রাইকার সুনীল ছেত্রীর একের পর এক কৃতিত্ব ব্যাগে পুড়ছেন | ভাবা গিয়েছিলো বাইচুং ভুটিয়ার পর আন্তর্জাতিক মানের স্ট্রাইকার যে কবে আসবে তার ঠিক নেই। দু'জনই পাহাড়ের ছেলে। সাধারণত পাহাড়ি খেলোয়াড়দের দম প্রচুর হয় বলে মানুষ জানে। কিন্তু স্কিল, সেটাও তো একটি বিষয়। গৌতম সুরজিৎদের সময়ে ভারত খুব বেশি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেনি। এর আগে পিকে চুনীদের আমলে ভারত এশিয়াডে দুর্দান্ত ফল করেছিল। পরবর্তী ভালো ফল বলতে ওই এশিয়াডে ১৯৮২ তে দিল্লিতে চতুর্থ স্থান অর্জন করেছিল ভারত। কিন্তু সে সব আদি ইতিহাস। এখন খেলার মূলমন্ত্র স্পিড ও স্কিল। বিশ্বকাপ থেকে ইউরোপিয়ান বা ল্যাটিন আমেরিকার ফুটবল সম্পূর্ণ বদলে গিয়েছে।

ভারতও বদলেছে নিজেকে কিন্তু ভারতে গত ৪০ বছরে বাইচুং ভুটিয়া, সুদীপ চ্যাটার্জি এবং সুনীল ছেত্রী ছাড়া এই দক্ষতা দেখতে পারেনি তেমন ভাবে কেউই। স্পিড বিষয়টিকে আয়ত্ব করা কঠিন বিষয়। সুনীলকে কিন্তু বিদেশিরা আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড় হিসাবে মেনে নিয়েছে। বিদেশি টিমে সুনীল খেলেছে।

রবিবার ছিল ডুরান্ড কাপের ফাইনাল। টানটান উত্তেজনা ছিল ফাইনাল ঘিরে। ইতিমধ্যে একে একে বিদায় নিয়েছে ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান এবং সারা জাগিয়েছিল মহামেডানও। ইদানিং তথাকথিত এই তিন বাংলার কোনও দলের ক্লাবে ট্রফি ওঠেনি। ফাইনালে খেলেছে সুনীল ছেত্রীর ব্যাঙ্গালোর এফসি এবং মুম্বই সিটি। মজার বিষয় এই দুই ক্লাবের কোনও অস্তিত্বই ছিল না কয়েক বছর আগে। কিন্তু আইএসএল আসার পর অনেক দলের মধ্যে এই দুটি দলও অন্যতম। মুম্বইকে অনেকেই বলেছিলো ডার্ক হর্স। কিন্তু ফাইনালে দাগ ফোটাতেই পারেনি। সুনীলকে অবশ্য মুম্বই কিছুটা আটকে রাখতে 'পুলিসম্যান' মার্কিং করেছিল তাতে ব্যাঙ্গালোরের সুবিধা হয়েছে। ২-১ গোলে জিতে ডুরান্ড কাপ এখন ব্যাঙ্গালোরে।

সুব্রত ভট্টাচার্যের জামাইয়ের লকারে অনেক ট্রফি আছে, ছিল না ডুরান্ড। এবার পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপালের হাত ধরে সেটাও চলে এলো সুনীলের দেরাজে। এই রেকর্ড বাইচুংয়ের ছিল না।

one year ago
AIFF: ভারতীয় ফুটবলে স্থায়িত্ব, বাইচুংয়ের বাইসাইকেল কিকে না কল্যাণের পাঞ্জায়?

ভারতীয় ফুটবলে বা অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশনেকে কবে শুনেছেন যে নির্বাচন করে সভাপতি ঠিক করেছে। ফেডারেশন কিন্তু একসময় দাবি করতো, সবকিছু নিয়মমাফিক হয়ে থাকে। যদি তাই হবে তবে বিষয়টি শীর্ষ আদালত অবধি গেলো কেন? আদালত কার্যকরী কমিটি বাতিল করে সাময়িক তদারকি কমিটি গড়ে দিলো কেন? এরকম সাময়িক কমিটি দেখে বিশ্ব ফুটবল বা ফিফা কেনইবা ভারতীয় ফুটবলকে ব্যান করলো? এরকম প্রশ্ন অনেকের?

কিন্তু এখন বিপাকে পরে দ্রুত নির্বাচন এনে একটা স্থায়িত্ব আনার চেষ্টা চলেছে এআইএফএফ-র অন্দরে। সভাপতি পদে ইতিমধ্যে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন পাহাড়ি বিছে বাইচুং ভুটিয়া। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখা যেতে পারে কলকাতার দুই বড় ক্লাবে গোলরক্ষক থাকা কল্যাণ চৌবেকে। কল্যাণ আবার বর্তমানে বিজেপির অন্যতম পরিচিত মুখ। 

যদিও প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সি বা প্রফুল প্যাটেল দীর্ঘদিন এআইএফএফের দায়িত্বে ছিলেন।  বিভিন্ন সময়ে কেন্দ্রে রাজনীতির পটপরিবর্তন হলেও ভারতীয় ফুটবলের উন্নতির স্বার্থে কোনও রাজনৈতিক দল এর আগে মাথা ঘামায়নি। যদিও প্রিয় বা প্রফুল কেউই প্রাক্তন ফুটবলার ছিলেন না বরং রাজনীতির নেতাই ছিলেন। 

এবারে কিন্তু নতুন কমিটি করতে নির্বাচন আসছে এবং এই নির্বাচন অনেকটাই দাঁড়িয়ে রাজনৈতিক পটভূমিকায়। যত দ্রুত একটি স্থায়ী কমিটি হবে তত দ্রুতই ফিফা ভারতীয় ফুটবল থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেবে বলেই খবর। বিশ্ব ফুটবলের নিয়ামক সংস্থা কোনওভাবেই আদালত অনুমোদিত অস্থায়ী কমিটি মানবে না। কাজেই দ্রুত নির্বাচন আসছে নতুন সভাপতি গড়তে। সাধারণত এআইএফএফ বা বিসিসিআইয়ের মতো সংস্থায় সভাপতির ক্ষমতা অসীম। তিনি বাকি পদগুলির ব্যবস্থা নিতে পারেন। বিষয়টি কিন্তু এবার আর সাধারণ নির্বাচনে দাঁড়িয়ে নেই। 

একদিকে পদপ্রার্থী ভারতের সর্বকালের সেরা ফুটবলার বাইচুং ভুটিয়া, অন্যদিকে প্রাক্তন গোলরক্ষক কল্যাণ চৌবে। শোনা যাচ্ছিল, মমতা বন্দ্যেপাধ্যায়ের বড় ভাই অজিত বন্দ্যেপাধ্যায়ও প্রার্থী হতে পারেন। বাইচুংয়ের পিছনে রয়েছে সারা ভারতের আবেগ, যদিও ভোট তো আর সাধারণ জনতা দেবে না, দেবে নানা রাজ্যের ফুটবল কমিটির সদস্যরা।  কল্যাণ সেরকম বড় মাপের খেলোয়াড় না থাকলেও ইস্ট-মোহনে খেলেছেন। তিনি মোহনবাগানের প্রয়াত সম্পাদক অঞ্জন মিত্রর জামাইও বটে। কিন্তু এটাই তাঁর বড় পরিচয় নয়। তিনি বিজেপির সদস্য তথা গত লোকসভা ও বিধানসভায় প্রার্থীও হয়েছেন পদ্ম প্রতীকে। জানা যাচ্ছে তিনি প্রার্থী হচ্ছেন মোদী-শাহর গুজরাত থেকে। স্বাভাবিক ভাবে বলে দেওয়া যায় তাঁকে জিতিয়ে আনার প্রয়াস জারি থাকবে। এবার তবে ভারতীয় ফুটবলে স্থায়িত্ব আনতে বাইচুংয়ের বাই-সাইকেল কিক না কল্যাণের পাঞ্জা? কীসে ভরসা, তা সময়ের অপেক্ষা।

2 years ago