Breaking News
Tapas Roy: তৃণমূল ছাড়লেন তাপস রায়, বরাহনগরের বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা বর্ষীয়ান নেতার      Resign: হঠাৎ অবসর বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের, 'রাজনীতি যোগ' জল্পনা তুঙ্গে      Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে ফের ফ্য়াক্ট ফাইন্ডিং টিম, শুনবে মহিলা ও বাসিন্দাদের কষ্টের কথা      BJP: প্রথম দফায় ১৯৫ প্রার্থীর নাম ঘোষণা বিজেপির, বাংলার ২০ জনের নাম তালিকায়      Modi: 'রামমোহনের আত্মা সন্দেশখালির মহিলাদের দুর্দশায় কাঁদছে', আরামবাগ থেকে মমতাকে তোপ মোদীর      Suspend: গ্রেফতারির পরেই তৃণমূল থেকে ছয় বছরের জন্য সাসপেন্ড সন্দেশখালির 'বেতাজ বাদশা' শাহজাহান      Sandeshkhali: নিরাপদ সর্দারকে নিঃশর্তে জামিন দিয়ে রাজ্য পুলিসকে তিরস্কার বিচারপতির      Sheikh Shahjahan: ঘর ভাঙচুর, টাকা লুঠ! শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে নতুন এফআইআর সন্দেশখালি থানায়      Sandeshkhali: অজিত মাইতিকে তাড়া গ্রামবাসীদের, সাড়ে ৪ ঘণ্টা পর অবশেষে আটক পুলিসের      Ajit Maity: উত্তপ্ত সন্দেশখালি! অজিত মাইতির গ্রেফতারির দাবিতে বিক্ষোভ মহিলাদের, বাঁচতে সিভিকের বাড়িতে আশ্রয়     

BJP

BJP: প্রার্থী ঘোষণার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই বড় ধাক্কা বিজেপি শিবিরে, আসানসোলে প্রার্থী হতে নারাজ পবন সিং

শনিবারই প্রথম দফায় ১৯৫ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করল বিজেপি। তার মধ্যে রয়েছে বাংলার ২০ জন। কিন্তু বড় ধাক্কা গেরুয়া শিবিরের। আসানসোল কেন্দ্রে এবার প্রার্থী হিসেবে ভোজপুরি গায়ক অভিনেতা পবন সিংয়ের নাম ঘোষণা করেছিল বিজেপি। কিন্তু, ভোজপুরী ‘ললিপপ’ গায়ক ভোটে প্রার্থী হতে নারাজ সে কথা নিজেই এক্স হ্যান্ডেলে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডাকে ট্যাগ করে জানিয়েছেন। রাজ্যবাসীর প্রবল ‘জনগর্জনে’র জন্যই সরে দাঁড়াতে বাধ্য হলেন পবন, প্রতিক্রিয়া তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

রবিবার এক্স হ্যান্ডেলে পবন লেখেন, “আমি ভারতীয় জনতা পার্টির শীর্ষ নেতৃত্বের প্রতি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। দল আমাকে বিশ্বাস করেছিল এবং আসানসোল থেকে প্রার্থী হিসাবে ঘোষণা করেছিল। কিন্তু কিছু কারণে, আমি আসানসোল থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারব না।” এক রাতের মধ্যে হঠাৎ এমন সিদ্ধান্ত কেন ভোজপুরী গায়কের? তা নিয়ে চর্চা এখন তুঙ্গে।

উল্লেখ্য, এই ঘোষণার পরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় টুইট করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি পবন সিংয়ের টুইটটি সামনে রেখে লিখেছেন, 'পশ্চিমবঙ্গবাসীর অদম্য শক্তির জোর'। তিনি 'জনগর্জন' হ্যাসট্যাগ-টিও ব্যবহার করেছেন।

2 days ago
BJP: প্রথম দফায় ১৯৫ প্রার্থীর নাম ঘোষণা বিজেপির, বাংলার ২০ জনের নাম তালিকায়

লোকসভা নির্বাচন ২০২৪-এর জন্য প্রথম প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করল বিজেপি। আজ, শনিবার প্রথম দফায় ১৯৫ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করল বিজেপি। যার মধ্যে রয়েছে বাংলার ২০টি আসনের প্রার্থীর নাম। বিজেপির প্রথম প্রার্থী তালিকায় জায়গা পেয়েছেন ৩৪ জন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং লোকসভার ও কয়েকটি রাজ্যের বিধানসভার অধ্যক্ষও। বারাণসী থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। গান্ধিনগর থেকে প্রার্থী হচ্ছেন অমিত শাহ। মথুরা থেকে লড়বেন হেমা মালিনী। লখনউ থেকে লড়বেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। প্রথম প্রার্থী তালিকায় ২৮ জন মহিলা প্রার্থীর নাম রয়েছে।

বাংলায় কোচবিহার থেকে বিজেপির হয়ে লড়বেন নিশীথ প্রামাণিক, আলিপুরদুয়ারে বিজেপির প্রার্থী মনোজ টিজ্ঞা, বালুরঘাটের বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার, মালদা উত্তরে বিজেপির টিকিট পেলেন খগেন মুর্মু, মালদা দক্ষিণে বিজেপি প্রার্থী শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরী, নির্মল কুমার সাহা লড়বেন বহরমপুর, রানাঘাট থেকে লড়বেন জগন্নাথ সরকার, বনগাঁ শান্তনু ঠাকুর, যাদবপুর থেকে লড়বেন ড. অনির্বাণ গঙ্গোপাধ্যায়, হাওড়া থেকে বিজেপির হয়ে লড়বেন রথিন চক্রবর্তী, হুগলি থেকে লড়বেন লকেট চট্টোপাধ্য়ায়, ঘাটাল থেকে লড়বেন হিরণ চট্টোপাধ্য়ায়, কাঁথি থেকে লড়বেন সৌমেন্দু অধিকারী, বাঁকুড়া থেকে নির্বাচিত সুভাষ সরকার, বিষ্ণুপুর থেকে লড়বেন সৌমিত্র খাঁ, আসানসোল পবন সিং, বোলপুর থেকে লড়বেন প্রিয়া শা।

প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালে প্রথম তালিকায় ১৮০ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছিল বিজেপি। প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হয়েছিল, ভোটের সূচি ঘোষণার ১১ দিন পর।

2 days ago
koustav: শুভেন্দুই মমতা বিরোধী একমাত্র মুখ, কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যাচ্ছেন কৌস্তভ!

কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গেকে চিঠি পাঠিয়ে কংগ্রেস ছাড়লেন আইনজীবী কৌস্তব বাগচী। ফলে লোকসভা ভোটের আগে কিছুটা অস্বস্তিতে কংগ্রেস। বুধবার সকালে কংগ্রেসের সদস্য পদ ছাড়তে চেয়ে দলের সভাপতি ছাড়াও বঙ্গ কংগ্রেসের সভাপতি ও কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষককে চিঠির প্রতিলিপি পাঠিয়েছেন কৌস্তভ। কংগ্রেস থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর কৌস্তভের দাবি, এখন কংগ্রেসের আত্মসম্মান নেই।

ইস্তফা দেওয়ার পর সিএন কে দেওয়া এক্সক্লুজিভ সাক্ষাৎকারে কৌস্তভ জানালেন, 'বারবার দলকে জানিয়েছেন ঠিক কোথায় কোথায় ভুল রয়েছে, এছাড়া কংগ্রেস আর তৃণমূল এখন একই দলের মত অবস্থা। ওই দলে আত্মসম্মান নেই। তাই দল ছাড়লাম।' গত বছর গ্রেফতার হয়েছিলেন কংগ্রেস নেতা কৌস্তভ। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় মামলা রুজু করেছিল পুলিশ। পরে যদিও জামিন পেয়ে যান। তবে আদালত থেকে বেরিয়েই সে সময় কৌস্তভ হুঙ্কার করেছিলেন, “যদি না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে উৎখাত করবেন, ততদিন পর্যন্ত মাথার চুল রাখবেন না।” এরপর মাথা মুণ্ডন করেন তিনি। কিন্তু পরবর্তীকে দেখায় লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি-কে পর্যুদস্ত করতে কংগ্রেস-তৃণমূল ইন্ডিয়া জোটে সহাবস্থান করছে। যা কিছুতেই মেনে নিতে পারেননি এই নেতা।

এছাড়া সিএন কে দেওয়া এক্সক্লুজিভ সাক্ষাৎকারে কৌস্তভ বললেন, শুভেন্দু অধিকারী বিরোধী দলনেতা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের একমাত্র মুখ তিনি।' কংগ্রেস থেকে ইস্তফা দিয়ে বিজেপিতে যাওয়ার জল্পনা উস্কে দিলেন প্রাক্তন কংগ্রেস নেতা কৌস্তভ বাগচী।

6 days ago


BJP: দল ভেঙে বিজেপিতে

প্রসূন গুপ্তঃ লোকসভা নির্বাচনের আর মাস দুয়েকও নেই। কিন্তু ২০১৯-এর বিজেপি তথা এনডিএর বিশাল জয় এবং একই সাথে ইন্ডিয়া জোটের হতশ্রী অবস্থা দেখে বিভিন্ন দল থেকে সাংসদ-বিধায়ক এবং কাউন্সিলররা বিজেপিতে যেতে চাইছে। যাচ্ছেও বটে। একটা সময়ে এই বিজেপি দল ছিল ভারতীয় জনসঙ্ঘ। মূলত আরএসএস করা কর্মী এবং প্রচারকরা জনসঙ্ঘতে আসতো। এটিই দস্তুর ছিল। পরে ১৯৭৭-এ ইন্দিরা গান্ধীর জরুরি অবস্থার পরে গোটা দলটাই নব নির্মিত জনতা পার্টিতে যোগ দেয়। জনতা পার্টি ভেঙে যায় '৭৯ তেই। তৈরি হয় ভারতীয় জনতা পার্টি। তখন পুরাতন জনসঙ্ঘ ছাড়াও অনেকেই এই দলে যোগ দিয়েছিলেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত ওই সঙ্ঘ পরিবারের হাতেই অনেকটা নিয়মাবলী ছিল।

১৯৯৮-তে প্রথম বিজেপির নেতৃত্বে ভারতের ক্ষমতায় আসে এক নতুন জোট নাম এনডিএ। ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক এলায়েন্স। এই জোটে বহু দলের সমন্বয় ছিল। এখানে যেমন সোশ্যালিস্ট পার্টির একটি অংশ ছিল তেমনিই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গান্ধীবাদী কংগ্রেস মনোভাবাপন্ন দলও ছিল। সময় পাল্টেছে ফের গত ১০ বছর ক্ষমতায় সেই এনডিএ। তবে তা নামমাত্র। আসলে বিজেপি একাই একক শক্তি নিয়ে ক্ষমতায়। একটু ভুল হলো, আসলে এটি মোদী সরকার। এখানে প্রবল প্রতাপান্বিত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সঙ্গে অমিত শাহ। প্রশাসন মোদীর হাতে সংগঠন শাহের কব্জায়। ইতিমধ্যে রাজ্যে রাজ্যে ভোট হয়েছে বহুবার। সব জায়গাতেই বিজেপি জিতেছে এমন নয় কিন্তু যেখানেই যে দল জিতুক না কেন লোকসভা ভোট এলেই ফের মোদী।

ব্যতিক্রম নয় এবারেও। কিন্তু ভোট যত এগিয়ে আসছে তত বিভিন্ন দল ভেঙে ঝাঁকে ঝাঁকে নেতারা বিজেপিতে যোগ দিচ্ছে। বিরোধীরা বলছে যে, কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা এজেন্সির চাপে নাকি এই বদল কিন্তু অন্য বিষয়ও আছে। কংগ্রেস বা অন্য বিরোধীরা বুঝেছে বিজেপিকে হারিয়ে ক্ষমতায় আসা অসম্ভব না হলেও কঠিন কাজেই ক্ষমতার অলিন্দে থাকতে গেলে বিজেপিতে যাওয়া দরকার।

বিজেপি তাদের দলে নিচ্ছেও কিন্তু এই ভাবে বিভিন্ন মতবাদের মানুষ নিয়ে বৃহৎ দল তৈরি করলে বিপদও আছে। একটা সময় আসবে যখন নানা মুনির নানা মতে দলে ভাঙন লাগতে পারে। যা হয়েছিল ১৯৭৭ বা ১৯৮৯ এ। এতো দলের মধ্যেই উপদল হয়ে যাবে। শাহের মাথায় আছে কি তা?

2 weeks ago
Trafficking: ১০ মাস লড়াইয়ের পর মাদক মামলা থেকে মুক্তি বিজেপি নেত্রী পামেলার

মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়াও চলছে এই রাজ্যে। এমন দাবি করলেন বিজেপি নেত্রী পামেলা গোস্বামী। ২০২১ সালে যাঁর নাম জড়িয়েছিল মাদক পাচার মামলায়। তারপর যদিও আইনি লড়াইয়ে নেমেছিলেন পামেলা। মামলার জল কলকাতা হাইকোর্ট থেকে সুপ্রিমকোর্ট- গড়িয়েছে সর্বত্রই। বহুবার তাঁকে ক্লিনচিট দেওয়া হলেও, রাজ্য সরকারের তরফ থেকে বারবার আদালতের নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, শুধুমাত্র তাঁকে ফাঁসানোর জন্য। এমনই দাবি করেন পামেলা।

বারবার মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, দাবি পামেলার। তবে শেষ পর্যন্ত এই মামলা থেকে সম্পূর্ণরূপে মুক্তি পেলেন পামেলা। তাঁর নামে রইল না আর কোনও অভিযোগ। এদিন, সত্যের এই জয়ই ভাগ করে নেন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। পামেলাকে কেন্দ্রে রেখে, মালা পরিয়ে, হাতে সত্যেমেব জয়তে লেখা প্ল্যাকার্ড নিয়ে চলল মিছিল।

পামেলার আইনজীবীও জানান, এই মামলা বাকিদের বিরুদ্ধে এখনও চললেও, পামেলার বিরুদ্ধে সমস্ত অভিযোগের নিস্পত্তি ঘটেছে।

তবে বিরোধী মহল শুক্রবার খুশি, কারণ সত্যের জয় হয়েছে। মাদক সঙ্গে রাখা এবং পাচারের অভিযোগে যোগ হওয়া কালো দাগ মুছল পামেলার জীবন থেকে। পামেলা যদিও আগেও বলেছিলাম, তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে। পুরোটাই রাকেশ সিং ও রাজ্য সরকারের মিলিত চাল। তবে এই পরিকল্পনাতে জড়িয়ে কে বা কারা, তা জানা যাবে মামলার সম্পূর্ণ নিষ্পত্তিতে।

3 weeks ago


Sandeshkhali: সন্দেশখালির পথে বিজেপির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমকে বাধা পুলিসের...

সন্দেশখালির পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে রামপুরে গেল বিজেপির ফ্য়ক্ট ফাইন্ডিং টিম। কিন্তু সন্দেশখালি প্রবেশের আগেই বাধা পায় বিজেপি প্রতিনিধির দলটি। ব্য়ারিকেড করে বাধা দেওয়া হয়েছে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমকে। প্রতিবাদে রামপুরের রাস্তায় বসে পড়লেন প্রতিনিধি দল। বিজেপি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বচসা পুলিসের। 

গতকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার রাতে কলকাতায় আসেন ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির সদস্যরা। নিউটনের একটি বেসরকারী হোটেলে আসেন তাঁরা। তারপর এদিন সকাল নটা নাগাদ ছয় সদস্যের এই প্রতিনিধি দল রওনা দেন সন্দেশখালি উদ্দেশ্যে। সন্দেশখালি পৌঁছনোর আগেই পুলিসের বাধার মুখে পড়তে হয় ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমকে। 

গোটা সন্দেশখালি জুড়ে এখনও রয়েছে আতঙ্ক। উত্তেজনা প্রবণ এলাকায় নতুন করে জারি করা হয়েছে ১৪৪ ধারা। এদিন সন্দেশখালি আসবেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক দিলীপ ঘোষ। 


3 weeks ago
Sandeshkhali: বসিরহাটে বিজেপির এসপি অফিস অভিযান ঘিরে ধুন্ধুমার, রাস্তায় বসে বিক্ষোভ সুকান্তর

বসিরহাটে বিজেপির এসপি অফিস অভিযান ঘিরে ধুন্ধুমার। আহত ১১ বিজেপি কর্মী, গ্রেফতার ১ বিজেপি কর্মী। পুলিসি বাধার মুখে রীতিমতো মেজাজ হারান বিজেপি নেতা-কর্মীরা। ব্যারিকেড ভেঙে যাওয়ার চেষ্টা করেন বিজেপি কর্মীরা। পুলিসের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয়। লাঠিচার্জ শুরু করে পুলিস। ফাটানো হয় কাঁদানে গ্যাসের সেল। গ্রেফতার করা হয় ১ বিজেপি কর্মীকে। এখনও অবধি পাওয়া খবর অনুযায়ী আহত হন ১১ জন বিজেপি কর্মী। এর পরই পুলিস অফিসারের অফিসের সামনে রাস্তায় বসে বিক্ষোভ দেখান সুকান্ত মজুমদার সহ বিজেপি নেতৃত্ব। অন্যদিকে, সন্দেশখালিতে ১৪৪ ধারা বাতিল হাইকোর্টে।

বিজেপির তরফে অভিযোগ, পুলিশের তরফে ইট ছোড়া হয়েছে বিজেপির মিছিল উদ্দেশ্য করে। মহিলা বিজেপি কর্মীদের হেনস্থা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ। সন্দেশখালিতে ১৪৪ ধারা নিয়ে মঙ্গলবার রাজ্য ও পুলিসকে তীব্র ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হয়। এরপরই বিচারপতি সন্দেশখালিতে ১৪৪ ধারা খারিজ করার নির্দেশ দেন। বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত সাফ জানিয়ে দেন সন্দেশখালিতে ১৪৪ ধারার আর প্রয়োজনীয়তা নেই।

উল্লেখ্য,মঙ্গলবার দুপুরে বসিরহাট জেলা পুলিস সুপারের অভিযান কর্মসূচি নিয়েছিল বিজেপি। সুকান্ত মজুমদারের নেতৃত্বে এদিন বিজেপি কর্মীরা সড়ক পথে বসিরহাট যাওয়ার চেষ্টা করেন। সড়ক পথে পুলিস বাধা দিলে ফের ট্রেন পথে চলে আসেন সুকান্তররা। হৃদয়পুর স্টেশন থেকে ট্রেনে বসিরহাট যান সুকান্ত মজুমদার সহ অন্যান্য বিজেপি নেতৃত্বরা। সেখান থেকে বাইক করে বসিরহাট পুলিশ সুপার অফিসের সামনে হাজির হন তাঁরা।

3 weeks ago
BJP: পারিবারিক বিবাদের জেরে হামলা! গুরুতর জখম বিজেপি নেতা, তদন্তে বিষ্ণুপুর থানার পুলিস

রাজনৈতিক উত্তাপে উত্তাল বঙ্গ। ইতিমধ্যেই, লোকসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে রাজনৈতিক দলগুলি। এরইমাঝে পারিবারিক বিবাদের জেরে রক্ত ঝরল বাঁকুড়া বিষ্ণুপুর ব্লকের মড়ার গ্রাম পঞ্চায়েতের বিজেপি পঞ্চায়েত সদস্যের। সোমবার রাতে ছুরি দিয়ে বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্য দেবাশিস রায়ের উপর হামলার অভিযোগ। পারিবারিক বিবাদের জেরে পাশের বাড়ির এক মহিলা কয়েকজন স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায় বলেই দাবি বিজেপি নেতার। চড়, থাপ্পড় মারার পাশাপাশি ছুরি দিয়েও আঘাত করার অভিযোগ তুলেছেন আহত বিজেপি নেতা।

ঘটনার পরই আহত বিজেপি নেতাকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় বিষ্ণুপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। অন্যদিকে লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমেছে বিষ্ণুপুর থানার পুলিস। এদিকে, রাজ্যজুড়ে বিরোধীদের নিরাপত্তা ঘিরে উঠেছে প্রশ্ন। আর কত হিংস্রতার পরিচয় দেবে বঙ্গ, এখন সেটাই দেখার।

3 weeks ago


Arrest: জামিনে মুক্ত হতেই ফের গ্রেফতার বিজেপির বিকাশ এবং বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতা উত্তম, কিন্তু কেন?

শনিবার গ্রেফতার। সোমে জামিনে মুক্ত হতে না হতেই ফের গ্রেফতার সন্দেশখালির বিজেপি নেতা বিকাশ সিংহ ও তৃণমূলের বহিষ্কৃত নেতা উত্তম সর্দার। এরপরই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। আবারও কেন গ্রেফতার করা হয়েছে সে বিষয়ে এখনও কিছুই জানা যায়নি। তবে বিকাশ সিংহ-কে গ্রেফতার করা হলে বিকাশ সিংহের পরিবারের লোকেরা এবং বিজেপি কর্মী সমর্থকেরা রাস্তায় বসে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। আদালত চত্বরে কান্নায় ভেঙে পড়েন বিকাশ সিংহের মেয়ে। যদিও পরে বিক্ষোভ উঠে যায় যায়।

শনিবার গ্রেফতার হয়ে সোমেই জামিনে মুক্ত হয়েছেন শাহজাহান ঘনিষ্ঠ সাসপেন্ডেড তৃণমূল নেতা উত্তম সর্দার। তাঁকে মিথ্যে মামলার ফাঁসানোর চেষ্টা হয়েছিল বলে অভিযোগ করা হয়। ২ হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে জামিন দেওয়া হয় উত্তমকে। একই সঙ্গে জামিন পান বিজেপি নেতা বিকাশ সিংহ-ও। আদালত থেকে বেরতে না বেরতেই নতুন করে অশান্তি। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা বিকাশকে গাড়িতে তোলার সময় বসিরহাট পুলিস তাঁকে জোর করে গাড়িতে তোলে বলে অভিযোগ। এক মামলায় জামিন পেতে না পেতে অন্য মামলায় গ্রেফতার করা হয় তাঁকে বলে পুলিস সূত্রে খবর।

3 weeks ago
Sandeshkhali: সন্দেশখালিকাণ্ডে এসপি অফিস অভিযানের ডাক বাম ও বিজেপির, জারি ১৪৪ ধারা

সন্দেশখালিকাণ্ডে আজ, মঙ্গলবার সুকান্ত মজুমদারের নেতৃত্বে বসিরহাট এসপি অফিস অভিযানের ডাক দেয় বিজেপি। সেই অভিযানের আগেই এসপি অফিস থেকে ৫০০ মিটার পর্যন্ত বসিরহাট জেলা পুলিস জারি করল ১৪৪ ধারা। রাস্তার উপর বাঁশ দিয়ে ব্যারিকেড করা হয়েছে। মোতায়েন রয়েছে বিশাল পুলিস বাহিনী।

শেখ শাহজাহানের দুই ঘনিষ্ঠ শিবু হাজরা ও উত্তম সর্দারের গ্রেফতারির দাবিতে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল গোটা সন্দেশখালিতে। দীর্ঘদিনের নির্যাতনের প্রতিবাদে মুখ খুলেছেন মহিলারা। শিবু হাজরা ও উত্তম সর্দারের বিরুদ্ধে সেই অভিযোগ এনেছেন নির্যাতিতা মহিলারা। কীভাবে দিনের পর দিন রাতের অন্ধকারে তাঁদের প্রতি নির্যাতন করা হত সেই কথা প্রকাশ্যে জানিয়েছেন তাঁরা। সোমবার সন্দেশখালি যান রাজ্য মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন লীনা গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁর কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন অনেকেই। অন্যদিকে সোমবারই সন্দেশখালি পরিদর্শনে রাজ্যপাল। যাওয়ার কথা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীরও। কিন্তু এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি হওয়ায় এবং পুলিসি বাধার মুখে পড়ায় সন্দেশখালি ঢুকতে পারেনি।

3 weeks ago


Jayprakash: বাংলাকে ভাতে মারার চেষ্টা,' ধরনা মঞ্চে এসে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সরব জয়প্রকাশ

জয়প্রকাশ মজুমদার (তৃণমূল মুখপাত্র): মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রের বঞ্চনার প্রতিবাদে অবস্থান বা ধরণা কর্মসূচি দিয়েছিলেন। কারণ কেন্দ্র একটা ষড়যন্ত্র করেছে, বাংলাকে পেটে মারবে, ভাতে মারবে এবং সেটা হবে ২০২১ এর নির্বাচনের পরাজয়ের কারণে। যে ষড়যন্ত্র তৈরি করেছে বিজেপি সেই ষড়যন্ত্রের প্রতিফলন হচ্ছে ১০০ দিনের টাকা না দেওয়া। গত আড়াই বছর ধরে বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্পের টাকা না দেওয়া। যাতে বাংলা অর্থনৈতিক অবরোধের চাপে পড়ে নতিস্বীকার করে। এটাই ওদের মূল লক্ষ্য।

শুধু তাই নয় এর সঙ্গে আরও একটা জিনিস ছিল যে ভোট পরবর্তী ক্ষেত্রে শুভেন্দু অধিকারী ও তার দলবল কেন্দ্রকে বোঝায় যে, বাংলার লোক আমাদের ভোট দেয়নি। টার্গেট ২০০ আসন বলা হয়েছিল, কিন্তু ৭৭এ থমকে গেছে। সুতরাং এদেরকে শাস্তি দিতে হবে। কিরকম শাস্তি! যেভাবে ইংরেজ ১৯৪৩ সালে দিয়েছিল। ৫০ লক্ষ বাঙ্গালীকে হত্যা করেছিল ইংরেজরা, সেইরকম নরেন্দ্র মোদি সরকার পয়সা বন্ধ করে বাংলায় গরিব মানুষকে শাস্তি দেবে। এটাই ছিল মূল উদ্দেশ্য। সেটাই ওরা করছে। তার বিরুদ্ধে তখন যারাই থাকুক না কেনো ১৯৪৩ সালে, এখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আছেন, তিনি রুখে দাঁড়িয়েছেন।

বাংলাকে এইভাবে রোখা যাবে না, তার জন্য এই প্রতিবাদ ও অবস্থান কর্মসূচি। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ আসছে। আজ এই অবস্থার সপ্তম দিন। এরই মধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দিয়েছেন একুশে ফেব্রুয়ারি মধ্যে ২১ লক্ষ লোকের বকেয়া ১০০ দিনের টাকা, তিনি নিজে সরকারের ফান্ড থেকে দেবেন। বাংলা যে নতিস্বীকার করবে না তারই ঘোষণা। মনে রাখতে হবে একুশে ফেব্রুয়ারি বাংলা ভাষা দিবস, বাংলা ভাষাকে স্বীকৃতির দিবস। সারা পৃথিবীতে ভাষা দিবস হিসেবে বাংলা ভাষার জন্য হয়। সেদিন ১০০ দিনের বকেয়া এই টাকা সমস্ত  তাদের ব্যাংকে যাবে যারা কেন্দ্রের বঞ্চনার শিকার। সুতরাং তারই জন্য আজ সপ্তম দিনে তৃণমূল কংগ্রেস ওবিসি সেল তৃণমূল কংগ্রেস সংখ্যালঘু ও এসএসটি সেল ধরণা মঞ্চে জমায়েত হয়ে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন।

4 weeks ago
Bidhansabha: পুলিসমন্ত্রী ধিক্কার লেখা পোস্টার! বিক্ষোভ বিজেপি বিধায়কদের, উত্তাল বিধানসভা

সোমবার থেকে শুরু হয়েছে বিধানসভার বাজেট অধিবেশন। আর বাজেট অধিবেশনের তৃতীয় দিনেও উত্তাল বিধানসভার অধিবেশন কক্ষ। নারী নির্যাতনের ঘটনা নিয়ে বিধানসভায় বিজেপির বিধায়করা মুলতুবি প্রস্তাব জমা দিলে, অধ্যক্ষ তা পাঠের সুযোগ দিলেও, তা নিয়ে আলোচনার দাবি খারিজ করা হয়।

এরপরেই বিজেপি বিধায়করা হাতে কালো পতাকা নিয়ে, পুলিস মন্ত্রী ধিক্কার লেখা পোস্টার নিয়ে বিক্ষোভ দেখান বিধানসভার অধিবেশন কক্ষে। বিরোধীদের মতে, এ রাজ্যের সরকার নারী নির্যাতনের মত নৃশংস ঘটনাকে আলোচনার জন্য প্রয়োজনীয় বলেই মনে করে না। এরই সঙ্গে অধিবেশন শুরু থেকেই বিজেপি বিধায়করা স্পিকারের বিশেষ দলে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ আগেই এনেছে। মঙ্গলবার ক্যাগ রিপোর্ট নিয়ে মুলতুবি প্রস্তাব খারিজের পর, একই ভাবে, অধিবেশনের তৃতীয় দিনেও দেখা গেল নারী নির্যাতনের মুলতুবি প্রস্তাব পাঠের সুযোগ দিলেও, তা নিয়ে আলোচনার সুযোগ দিলেন না স্পিকার।

মহিলাদের সুরক্ষা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে, এ রাজ্যে নারী নির্যাতনের সমস্যা নিয়ে কথা বলতে গেলে, সেই আলোচনা খারিজ করেন বিধানসভার স্পিকার। এর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখাতে পাল্টা স্লোগান তুলতে ছাড়েন না শাসক দলের মহিলা বিধায়করাও। এসব দৃশ্য দেখার পর, এই ঘটনা শোনার পর সাধারণের মনে প্রশ্ন জাগছে, আদৌ কি সত্যিই মহিলারা সুরক্ষিত এ রাজ্যে? নাকি শাসকের ঘটনা চাপা দেওয়ার প্রবণতা মহিলাদের দিন দিন অসুরক্ষিত করে তুলছে?

এ নিয়ে অধিবেশন কক্ষ উত্তাল হয়ে ওঠে। একদিকে নারী নির্যাতনের ঘটনায় আলোচনা না করতে দেওয়ার জন্য বিজেপি বিধায়করা যখন স্লোগান তোলেন, তখন পাল্টা স্লোগান তুলতে দেখা যায় শাসক দলের মহিলা বিধায়কদেরও। তবে, এই নিন্দনীয় ঘটনায় রাজ্য সরকার এবং বিধানসভার স্পিকারকে কালো পতাকা দেখানো যথার্থ বলেই মনে করছে বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পল।

4 weeks ago
Suvendu: অমিতের ডাকে দিল্লিতে শুভেন্দু

প্রসূন গুপ্তঃ সোমবার পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য বাজেট অধিবেশন শুরু। যদিও সামনেই লোকসভা নির্বাচন কাজেই এই বাজেট নেহাতই অন্তর্বর্তীকালীন হিসাবেই থাকবে। এদিকে বাজেট যাই হোক না কেন, সোমবার রাজ্যপাল আনন্দ বোস বাজেটের আগে তাঁর সরকারের এক বছরের কাজের খতিয়ান দেবেন এবং সেই সময়ে উপস্থিত থাকবেন না বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এমন ঘটনা এর আগে ঘটেনি, কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে ঠিক এই সময়ে এমন কি জরুরি তলব দিল্লি থেকে তাঁর কাছে এলো যে , শুভেন্দু তড়িঘড়ি দিল্লিতে রবিবার রাতেই রওনা হয়ে গেলেন! শোনা গিয়েছে যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের ডাকেই তাঁর দিল্লি গমন। সোমবার বৈঠক হবে অমিতের সাথে।

সূত্র মারফত যতটুকু জানা যাচ্ছে, আসন্ন নির্বাচন নিয়েই নাকি আলোচনা। লোকসভা তো পরের বিষয়, কিন্তু আগামী মার্চে বাংলার রাজ্যসভার ৫টি আসন খালি হচ্ছে। নিঃসন্দেহে ৪টি আসন জিততে চলেছে ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস এবং একটি আসন পাবে বিজেপি। এবারে এই একটি আসনের জন্য অনেক নাম ঘোরাফেরা করছে বাজারে। শোনা যাচ্ছে মিঠুন চক্রবর্তীর নাম, রঙিন দুনিয়ার আরও কিছু নামও শোনা যাচ্ছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ঠিক করবেন ওই অমিত শাহই। এমন কোনও নাম আসতে পারে, যাকে আসন্ন নির্বাচনে ব্যবহার করা যেতে পারে। কাজেই শুভেন্দুর সঙ্গে এই বিষয় প্রাথমিক আলোচনা করতে চাইছেন শাহ। 

যদিও তিনি একই বিষয় রাজ্যের অন্য নেতাদের সঙ্গেও আলোচনা করবেন। রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার সোমবার সকালের বিমানেই দিল্লি চলে গিয়েছেন। জানা নেই যে, শুভেন্দুর সঙ্গে বৈঠকে সুকান্ত থাকবেন কি না। এমনিতেই রাজ্য বিজেপিতে প্রবল গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। শাহ বারবার সে বিষয় সাবধান করার পরেও সংযত হওয়ার তেমন কোনও বার্তা নেই। তবুও অমিত চাইছেন, যে ভাবেই হোক ভোটের আগে বাংলায় সকলে একসাথে কাজ করুক। এই কারণে নতুন একটি কমিটি হয়েছে যেখানে ফিরিয়ে আনা হয়েছে দিলীপ ঘোষ ও রাহুল সিনহাকে। শুভেন্দু, সুকান্ত না ফেরা অবধি জানা যাবে না এই জরুরি তলব কেন! 

4 weeks ago


Nitish Kumar: 'ইন্ডিয়া জোটে' বড় ধাক্কা, মোদীর হাত ধরে এনডিএ-তে ফিরছেন জেডিইউ প্রধান নীতিশ কুমার!

অবশেষে গুঞ্জনই কি সত্যি হবে! ফের একবার জোট বদল করতে চলেছেন জেডিইউ সুপ্রিমো তথা বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার। এমনটা নিয়েই জল্পনা তুঙ্গে। ২৮ জানুয়ারি বিজেপি-জেডিইউ জোটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে পারেন নীতিশ বলেই সূত্রের খবর। গেরুয়া শিবিরে ফিরতে চলেছেন তিনি। রবিতেই এনডিএ জোটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন জেডিইউ সুপ্রিমো, আর এই নিয়েই শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে।

ফের একবার বিহারের রাজনীতিতে 'হালচাল'। জানা গিয়েছে, গতকাল গভীর রাতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর বাড়িতে বিহারের বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে একটি বৈঠক হয়। সূত্রের খবর, সেখানে বিহারের বিজেপি নেতৃত্বকে স্পষ্ট বলে দেওয়া হয়েছে নীতিশকে প্রয়োজন এনডি‌এ-র। আজ অর্থাৎ প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন জানা যাচ্ছে, বিজেপি এবং নীতিশ কুমার-এর জোট প্রায়ই নিশ্চিত। রবিবারই এনডিএ জোটের হয়ে বিহারের মুখ্যমন্ত্রীর শপথ নিতে চলেছেন নীতিশ কুমার। এই পরিস্থিতিতে সুশীল মোদিকে উপমুখ্যমন্ত্রী করা হবে বলেও কেন্দ্রের তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে খবর।

আরও দূরত্ব বাড়ল বিহারের জেডিইউ এবং আরজেডির মধ্যে, তা বলাই বাহুল্য। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে লালু প্রসাদ যাদবের কন্যা রোহিনি এক্স হ্যান্ডেলে নাম না করে কোনও একজন রাজনীতিবিদকে প্রবল আক্রমণ করেন। সেখানে "বদতামিজ" এর মত শব্দ প্রয়োগ করেন তিনি। পরিষ্কারই বোঝা যাচ্ছিল আক্রমণের লক্ষ্য বিহারের মুখ্যমন্ত্রী তথা জেডিইউ সুপ্রিমো নীতিশ কুমার। এতে অত্যন্ত অপমানিত এবং ক্ষুব্ধ হয়েছেন নীতিশ। যদিও পরে এক্স হ্যান্ডেলের এই পোস্টগুলি মুছে দেন রোহিনী। কিন্তু এবার নীতিশের পাশে দাঁড়িয়ে রোহিনীকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি তোলে বিহার বিজেপি। আর এর থেকেই পরিষ্কার যে, বিজেপির সঙ্গে ক্রমশই সম্পর্কের উন্নতি হচ্ছে নীতিশ কুমারের।

যদিও জেডিইউ-র পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও বিবৃতি দেওয়া হয়নি। তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে, এই সিদ্ধান্ত প্রায় পাকা হয়ে গিয়েছে। ফলে রবিবার যদি  বিজেপি-র সঙ্গে হাত মিলিয়ে এনডিএ-তে ফের প্রত্যাবর্তন করেন নীতিশ কুমার, তবে লোকসভা নির্বাচনের আগে 'ইন্ডিয়া' জোটের জন্য বড় ধাক্কা, তা বলাই বাহুল্য।

a month ago
BJP: শেখ শাহজাহানকে গ্রেফতারির দাবিতে হাইকোর্টের দ্বারস্থ বিজেপি, মামলা দায়েরের অনুমতি আদালতের

সন্দেশখালিতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার উপর হামলার ঘটনায় এবার আদালতের দ্বারস্থ বিজেপি। ইডির উপর প্রাণঘাতী হামলার বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা দিয়ে তদন্তের আবেদন জানানো হয় কলকাতা হাইকোর্টে। সন্দেশখালিতে রেশন বণ্টন দুর্নীতি মামলার তদন্ত করতে গিয়ে শেখ শাহজাহানের বাড়িতে তল্লাশি করতে যায় ইডি গোয়েন্দারা। সেখানেই শেখ শাহজাহানের গুন্ডা বাহিনীর দ্বারা আক্রান্ত ইডি গোয়েন্দারা। ভাঙচুর করা হয় ইডির গাড়ি। আক্রান্ত সংবাদমাধ্যম। এরপর থেকই নিখোঁজ শাহজাহান। সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিস জারি হয়েছে ইতিমধ্যেই। এর পর তাকে অবিলম্বে গ্রেফতার করার দাবিও জানায় বিজেপি।

সোমবার শেখ শাহজাহানের গ্রেফতারির দাবি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে বিজেপি। মামলাও গ্রহণ করেছে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। চলতি সপ্তাহে শুনানির সম্ভাবনা বলে জানায় আদালত।

বিজেপি পক্ষের আইনজীবী সুস্মিতা সাহা দত্ত দাবি করেন, সন্দেশখালিতে তৃণমূল নেতা শেখ শাজাহানের বাড়িতে ইডি তল্লাশি করতে গিয়ে ইডির তদন্তকারী আফিসাররা আক্রান্ত হন। শুধু তাই নয়, বনগাঁর প্রাক্তন চেয়ারম্যান শঙ্কর আঢ্যের বাড়িতে তল্লাশি করতে গিয়েও একই পরিস্থিতির শিকার হন ইডি আধিকারিকরা। তাই এই ঘটনায় সিবিআই বা এনআইএ তদন্তের দাবি জানানো হয় বিজেপির পক্ষ থেকে। এবং সন্দেশখালিতে এই আবহে যাতে আর কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে তার জন্য সেখানে পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করার আবেদনও করা হয়েছে বিজেপির পক্ষ থেকে।

2 months ago