Breaking News
Train: দমদমে ২১ দিনের ট্রাফিক ব্লক, বাতিল একগুচ্ছ ট্রেন, প্রভাবিত কোন কোন রুট?      Sarabjit Singh: ভারতীয় বন্দি সরবজিৎ সিং-এর হত্যাকারী সরফরাজকে গুলি করে খুন লাহোরে      BJP: ইস্তেহার প্রকাশ বিজেপির, 'এক দেশ এবং এক ভোট' লাগু করার প্রতিশ্রুতি      Fire: দমদমে ঝুপড়িতে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড, ঘটনাস্থলে দমকলের একাধিক ইঞ্জিন      Bengaluru Blast: বেঙ্গালুরু ক্যাফে বিস্ফোরণকাণ্ডে কাঁথি থেকে দুই সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করল এনআইএ      Sheikh Shahjahan: 'সিবিআই হলে ভালই হবে', হঠাৎ ভোলবদল শেখ শাহজাহানের      CBI: সন্দেশখালিকাণ্ডে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের...      NIA: ভূপতিনগর বিস্ফোরণকাণ্ডে এবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ NIA      ED: অবশেষে ইডির স্ক্যানারে চন্দ্রনাথের 'মোবাইল-হিস্ট্রি', খুলতে পারে নিয়োগ দুর্নীতি রহস্যের জট      PM Modi: তৃণমূল মানেই দুর্নীতি-লুট! ভোট প্রচারে সন্দেশখালির পর ভূপতিনগর নিয়ে সরব মোদী     

AssemblyPoll

Result: ত্রিশঙ্কু মেঘালয়ে কি এনপিপি-বিজেপি সরকার, নাগাল্যান্ডে সেই এনডিএ জোট

ত্রিপুরায় (Tripura) বিজেপি জোট অনেক আগেই ম্যাজিক ফিগার ছুঁয়ে ফেলেছে। আগরতলায় গেরুয়া দলের (BJP+) মসনদে বসা শুধু সময়ের অপেক্ষা। পাশাপাশি সেভেন সিস্টার্সের অন্যতম সদস্য নাগাল্যান্ডেও এনডিএ সরকার (NDA Government)। মেঘের দেশ মেঘালয়ে (Meghalaya) অবশ্য ত্রিশঙ্কু বিধানসভা। তবে সরকার গঠনে আশাবাদী এনপিপি-র প্রধান কনরাড সাংমা (Conrad Sangma)। তাঁর দল ন্যাশনাল পিপলস পার্টি বা এনপিপি শেষ পাওয়া খবর পর্যন্ত ২৬ আসনে এগিয়ে। তাদের পিছনেই আছে অপর এক আঞ্চলিক দল ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক পার্টি বা ইউডিপি (প্রাপ্ত ভোটের শতাংশ ১৬.২৪%)। তাদের ঝুলিতে এখনও পর্যন্ত ১১টি আসন। উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যের তিন নম্বর স্থানে তৃণমূল কংগ্রেস।

জানা গিয়েছে, বিজেপি এবং কংগ্রেসকে পিছনে ফেলে এই রাজ্যে টিএমসি এগিয়ে ৫ আসনে। বিজেপি এবং কংগ্রেস ২টি করে আসনে এগিয়ে সন্ধ্যা ছ'টা পর্যন্ত। ৬০ আসন বিশিষ্ট এই বিধানসভা সরকার গঠনে ম্যাজিক ফিগার ৩১। কিন্তু প্রথমসারির কোনও দল নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায়, একক বৃহত্তম দল হিসেবে মেঘালয়ে এগিয়ে এনপিপি (প্রাপ্ত ভোটের শতাংশ প্রায় সাড়ে ৩১)। সেক্ষেত্রে সে রাজ্যে সরকার গড়তে কনরাড সাংমার দলকে সমর্থনের ইঙ্গিত দিয়েছে বিজেপি। অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা ট্যুইট করে এ খবর জানান। তবে যেহেতু মেঘালয়ে ফল গণনার ট্রেন্ড মেনে তৃতীয় টিএমসি (প্রাপ্ত ভোটের শতাংশ প্রায় ১৪), সেক্ষেত্রে সরকার গড়তে অনুঘটকের ভূমিকা পালন করতে পারে বাংলার শাসক দল।

এদিকে, নাগাল্যান্ডে সরকার গড়ছে এনডিপিপি এবং বিজেপি। এই দুই দল  এগিয়ে ৩৭ আসনে (এনডিপিপি ২৫ এবং বিজেপি ১২)। তারপরেই আছে ন্যাশনাল কংগ্রেস পার্টি বা এনসিপি। তারা এগিয়ে রয়েছে ৭ আসনে। নাগাল্যান্ডে এনডিএ জোটের ফল নিশ্চিত হতেই ট্যুইট করে ভোটারদের ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।  তথ্যসূত্র: নির্বাচন কমিশন

one year ago
Tripura: গেরুয়া ঝড় তুলে প্রত্যাবর্তন বিজেপির, প্রধান বিরোধী কি তিপ্রা মোথা

গেরুয়া ঝড় তুলে ত্রিপুরায় (Tripura Assembly Poll) প্রত্যাবর্তন বিজেপির। ৬০ আসনের বিধানসভায় ৩৩টি আসন পেয়েছে বিজেপি এবং জোটসঙ্গী আইপিএফটি (BJP+)। ১৪ আসন ঝুলিতে পুড়েছে বাম এবং কংগ্রেস জোট (Left+)। তিপ্রা মোথা পার্টি পেয়েছে ১৩টি আসনে। প্রথমবার ভোটে লড়ে খাতা খুলতে ব্যর্থ তৃণমূল কংগ্রেস। নোটার চেয়েও কম ভোট ঘাসফুল শিবিরের ঝুলিতে। যদিও প্রথমবার ভোটে লড়ে ত্রিপুরায় বিরোধী দলের স্বীকৃতি পাবে তিপ্রা মোথা। ১৬ ফেব্রুয়ারি উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে ভোট গ্রহণ হয়েছে। ভোট পড়েছিল ৮০%-র বেশি। সেদিন থেকেই ক্ষমতা ফেরার ব্যাপারে আশাবাদী ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা (CM Manik Saha)। বৃহস্পতিবার তিনি টাউন বরদোলাই আসনে ১১৮০ ভোটে জিতেছেন। মানিক সাহা হারিয়েছেন নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কংগ্রেসের আশিস সাহাকে।


এদিকে, ত্রিপুরায় ভোট গণনার প্রাথমিক পর্বে বাম-কংগ্রেস জোটের সঙ্গে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে ছিল বিজেপি। একটা সময় পর্যন্ত ম্যাজিক ফিগার (৩১) থেকে দূরে থাকলেও বেলা বাড়লে সম্পূর্ণ বদলে যায় চিত্র। বিরোধী জোটকে অনেক পিছনে ফেলে ম্যাজিক ফিগার পেরিয়ে গিয়েছে গেরুয়া শিবির। এই ভোটে তিপ্রা মোথা প্রথম থেকেই ফ্যাক্টর। ত্রিপুরায় বিজেপির ঝুলিতে ৩৯% ভোট, বাম এবং কংগ্রেস জোটের ঝুলিতে ৩৩% ভোট, এক শতাংশের কম ভোট তৃণমূলের ঝুলিতে।

এদিকে, ভোট গণনায় ফল চূড়ান্ত হওয়ায় এখন দেখার জনজাতি কেন্দ্রিক দল তিপ্রা মোথা বিজেপিকে সমর্থন করে কিনা সেদিকে তাকিয়ে জাতীয় রাজনীতি। ইতিমধ্যে সূত্রের খবর, বিজেপি শিবির থেকে সমর্থনের জন্য তিপ্রা মোথার প্রতিষ্ঠাতা প্রদ্যোত কিশোর মানিক্য দেববর্মার কাছে দূত পাঠানো হয়েছে। ভোটের আগেও এবার গেরুয়া শিবির দৌত্যর জন্য প্রদ্যোত কিশোরের কাছে লোক পাঠিয়েছিল। কিন্তু সেই দৌত্য ব্যর্থ হয়েছে।   

one year ago
Exit Poll: ভোটপর্বে ইতি, এবার কোন রাজ্যে কী সমীকরণের সম্ভাবনা?

প্রসূন গুপ্ত: ত্রিপুরার ভোট আগেই হয়ে গিয়েছিল। সোমবার হয়েছে নাগাল্যান্ড, মেঘালয়ের বিধানসভা ভোট এবং পশ্চিমবঙ্গের সাগরদিঘির উপনির্বাচন। ফলাফল আগামী ২ মার্চ, বৃহস্পতিবার। এখন লক্ষ টাকার প্রশ্ন লক্ষ্মীবারে, লক্ষ্মীপ্রাপ্তি কার হয়! ভোট পর্ব চুকতেই বিভিন্ন চ্যানেল, তাদের নিজস্ব সেফোলজি (নম্বর বিশ্লেষণ) সংস্থাকে দিয়ে বুথ ফেরত সমীক্ষা চালিয়েছে। এই সমীক্ষার পথে অনেকেই বিশ্বাসী আবার অনেকেই বিশ্বাস করে না। কারণ স্যাম্পেল টেস্ট হয় সমগ্র ভোটারদের মধ্যে মাত্র ২-৫ শতাংশ মানুষের প্রতিক্রিয়ার মধ্যেই। কিন্তু সিএন ক্রমাগত চেষ্টা করেছে মানুষের মনের ভাবনা নিয়ে খবর করতে, তারই বিবরণ খানিকটা এই প্রকার।

প্রথমেই নাগাল্যান্ড, এই রাজ্যের বিষয়ে আগেই জানিয়েছিলাম যে এরা দেশের বাসিন্দা হলেও কোথাও একটা বিদ্রোহ একদা এঁদের মধ্যে বিরাজ করেছে। যদিও এঁরা এখন পুরোপুরি রিপাবলিক অফ ইন্ডিয়ার সার্বভৌম অংশ। ভোট উৎসবের অংশীদার। এখানকার ভোটে দেশের প্রধান দুই দল বিজেপি বা কংগ্রেসকে গত দুই যুগ ধরে খুব একটা ভালো ফল করতে দেখা যায়নি। কাজেই বিজেপি এখানকার স্থানীয় শক্তি এনডিপিপির সঙ্গে জোট বেঁধে ভোট লড়ছে। আপাতত খবর যা তাতে এই জোটকে অর্থাৎ এনডিএ-কে ফের ক্ষমতায় দেখা যেতে পারে। 

মেঘালয়, এখানেও জোট সরকার। এখানে সব দল আলাদা হয়ে ভোটে লড়েছে। তাতে করে আবারও ত্রিশঙ্কু বিধানসভার ইঙ্গিত। প্রধান দল এনপিপি হয়তো ৬০ আসনের মধ্যে কমবেশি ২৫টি আসনের দাবিদার। এরপর যা বোঝা যাচ্ছে হয়তো তৃণমূল বা কংগ্রেস বেশি আসন পেতে পারে। কিন্তু বিজেপি কোনওমতেই ৩-৫টির বেশি আসন পাবে না। এমনটাই একাধিক একজিট পোল সূত্রে খবর। এনপিপি সরকার গড়তে বিজেপির হাত ধরতে পারে গতবারের মতোই।

এবার জাতীয় রাজনীতির অন্যতম টার্গেট রাজ্য ত্রিপুরা। এখানে আবার দু'টি বিষয় হতে পারে ১) ত্রিপুরার বাঙালিরা, বাংলার মতো কাউকে সরকারে আনলে চট করে সরিয়ে দিতে চায় না

২) সিপিএম-কংগ্রেস জোট বেঁধে লড়ছে বলে কংগ্রেসের সমর্থকরা বিজেপিকে ভোট দিতে পারে। তবে তিপরা মাথা এবারের যুদ্ধে রাজ্যের 'রাজা'কে প্রচারে নামিয়ে ভোটের রং বদলাতে পারে| অবশ্য সেক্ষেত্রেও বেশি আসন পাওয়ার সুযোগ রয়েছে বিজেপির।

যদি এরপরেও বিধানসভা ত্রিশঙ্কু হয় তখন কিন্তু অন্য সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছেন ভোট কারবারিরা। শেষের প্রসঙ্গ সাগরদিঘি বিধানসভা উপনির্বাচন। একটা রব উঠেছে এই আসনটি নাকি কংগ্রেস জিততে পারে। বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ তো জানিয়ে দিয়েছেন তাঁর দল লড়াইয়ে নেই। তবে যদি নীরবে "চুপ চাপ ফুলে ছাপ" হয়ে থাকে তবে ফের তৃণমূল। সব সম্ভাবনার নিশ্চিত জবাব কী, তার জন্য অপেক্ষা ২ মার্চের।

one year ago


Explain: ভোটপর্ব অতীত, ত্রিপুরার ফল নিয়ে চিন্তিত সব দল (পর্ব -২)

প্রসূন গুপ্ত: না আমরা বুথ ফেরত সমীক্ষা বা এক্সিট পোল নিয়ে কিছু লিখছি না। এই মুহূর্তে লিখবো না, কারণ এখনও অন্য রাজ্যের ভোট হতে বাকি। ভোটপর্ব মিটলে একটা ধারণা দেওয়াই যেতে পারে ২ মার্চের আগে। কিন্তু কী হলে, কী হতে পারে ত্রিপুরায়, তা নিয়ে একটা সম্ভাবনা বিশ্লেষণ করা যেতেই পারে। উল্লেখ্য, ত্রিপুরার ভোট রাজনীতির একটা ইতিহাস আছে, শাসক দলকে খুব সহজে গদিচ্যুত করে না সে রাজ্যের আম আদমি।

তবে ১৯৮৮-তে রাজীব গান্ধীর পৌরহিত্যে এবং সন্তোষমোহন দেবের হাতযশে কংগ্রেস ক্ষমতায় এসেছিল উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে। কিন্তু ৫ বছর বাদে ফিরেও যেতে হয়েছিল। যদিও এই ইতিহাসে ভর করে এই মুহূর্তে ত্রিপুরা নিয়ে কিছু বলা অসম্ভব। যদিও শাসক বিজেপি দাবি করেছে, এই ভোটে তাদের আসন বাড়বে। পাল্টা গদি উলটোবে, এই আশায় বুক বাঁধছে বিরোধী বাম-কংগ্রেস জোট।

অন্যদিকে আদিবাসী এলাকার ২০টি আসনের মধ্যে তিপরা মোথা যদি ফ্যাক্টর হয় তবে নিঃসন্দেহে ত্রিশঙ্কু অবস্থান হবে। এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। এ ক্ষেত্রে সরকার গড়বে কে, এটাই বড় প্রশ্নচিহ্ন!

ফল ঘোষণার পর তিপরা মোথা ফ্যাক্টর হলে, এই দল তাদের দর বাড়াবে। জোট বা বিজেপিকে সমর্থনে জন্য হয়তো বা তারা শর্ত দেবে যে মুখ্যমন্ত্রীর পদের।এক্ষেত্রে কী হতে পারে?

সম্ভাবনা উসকে বলা যেতে পারে, প্রথমত বিজেপি হয়তো বা রাজি হবে না। কারণ ২০২৪-র লোকসভা ভোটে ত্রিপুরার দুটি আসনে তাদের নজর আছে। বিজেপি জানে ৭০ শতাংশ বাঙালির বাস যেখানে, সেখানে উপজাতির মুখ্যমন্ত্রী হলে বাঙালিরা হয়তো বা মেনে নেবে না। কিংবা মহারাষ্ট্রের মতো শাসক জোটের শরিক হলেও হতে পারে। একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না হলে বিজেপি এখনই প্রধান চালিকাশক্তি হওয়ার জন্য ত্রিপুরায় হয়তো বা ঝাঁপাবে না। তারা অপেক্ষা করবে লোকসভা নির্বাচনের ফলের দিকে। কাজেই গো স্লো পদ্ধতিতে এগোবে পদ্মশিবির।

মনে রাখতে হবে এই বিশ্লেষণ পুরোটাই সম্ভাবনা এবং অনুমান ভিত্তিক। আদতে ভোটের ফলের উপর নির্ভরশীল শাসক-বিরোধী রাজনীতির দাড়িপাল্লা। সেটা জানতে অপেক্ষা করতেই হবে ২ মার্চ অবধি। (চলবে)


one year ago
Tripura: ভোটপর্ব অতীত, ত্রিপুরার ফল নিয়ে চিন্তিত সব দল (প্রথম পর্ব)

প্রসূন গুপ্ত: ত্রিপুরার ভোট হয়ে গিয়েছে ১৬ ফেব্রুয়ারি, ফল ঘোষণা ২ মার্চ। সমস্ত দলের কাছেই ফল কিন্তু টেনশনের। যদিও ভোটের পর মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা থেকে বিজেপির বিভিন্ন নেতা মিডিয়ার সামনে জয় সুনিশ্চিত বলে দাবি করেছেন। এরপর ২৭ ফেব্রুয়ারি উত্তর-পূর্বের বাকি দুই রাজ্যে ভোট।

তারপর বৈদ্যুতিন সংবাদ মাধ্যমে শুরু বুথ ফেরত সমীক্ষা অর্থাৎ পরিভাষায় যাকে বলে স্যাম্পেল টেস্ট। বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে বিভিন্ন ভোটারের সঙ্গে কথা বলে এই বুথ ফেরত সমীক্ষা তৈরি হয়। যদিও বহু সময়ে এই অগ্রিম বার্তা ভুল প্রমাণিত হয়েছে, তেমনই প্রায় ঠিকও হয়েছে বহুবার। তবে এই সমীক্ষায় ভরসা রাখে না অনেকেই। তবে কী করে অগ্রিম জানা যাবে? এক্সিট পোল না করেও ধারণা যা দাঁড়ায় তাই ব্যক্ত করা হচ্ছে। প্রথমত বিপুল সংখ্যাই ভোট পোল হয়েছে। কোথাও ৯১ শতাংশ অবধি বলেই খবর, তবে শতাংশের হিসাবে ৮৭%-এর মতোই। প্রশ্ন হচ্ছে এই বিপুল ভোট কার বাক্সে যেতে পারে?

ইন্দিরা গান্ধীর সময় থেকেই ভোটবাক্সে বিপুল ভোট মানে সরকার-বিরোধী ভোট! ১৯৭৭-এ জরুরি অবস্থার পর যে ভোট হয়েছিল লোকসভায়, তা সাধারণ ভোট শতাংশের থেকে অনেক বেশি ছিল। ইন্দিরা পরাজিত হয়েছিলেন, আবার ইন্দিরার মৃত্যুর পর বিপুল যে ভোট হয়েছিল তাতে সুবিধা হয়েছিল ক্ষমতাসীন কংগ্রেসের। রাজীব গান্ধী রেকর্ড গড়েছিলেন, ৫৪৩ আসনের মধ্যে ৪১৩ আসন পেয়ে।

ফলে এই দুই ধরণের ভোটের ফল হয়েছিল। ত্রিপুরায় এই মুহূর্তে জল্পনা হচ্ছে যদি ত্রিশঙ্কু হয়? তবে কি তিপরা মোথা ফ্যাক্টর? নাকি বিপুল জনসমর্থন নিয়ে ফের আগরতলার মসনদে বিজেপি সরকার? অপেক্ষা কিন্তু ২ মার্চের। (চলবে) 

one year ago


Tripura: ত্রিপুরার ভোট, কে কোথায় দাঁড়িয়ে (পর্ব ৯)

প্রসূন গুপ্ত: ১৬ ফেব্রুয়ারি ত্রিপুরায় বিধানসভা নির্বাচন। ঠিক ১০ দিন আগে প্রচারে সরগরম আগরতলা-সহ গোটা রাজ্য। সপ্তাহের প্রথম দিন অর্থাৎ ৬ ফেব্রুয়ারি আগরতলা গিয়ে পৌঁছন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গী ছিলেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। একই দিনে প্রচার শুরু করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও।মঙ্গলবার প্রথমে পদযাত্রা, রোড শো সেরে মঞ্চে ভাষণ দিতে উঠলেন মমতা। একই দিনে উপস্থিত হলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। অন্যদিকে বঙ্গ বিজেপির নেতারাও ত্রিপুরা গিয়ে প্রচারে ঝড় তুলছেন। আগামী বৃহস্পতিবার প্রচারে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও।

অন্যদিকে জোট অর্থাৎ বাম কংগ্রেস ও পরোক্ষ জোটসঙ্গী তিপরা মোথা এখনও কোনও তেমন স্টার বক্তাকে প্রচারে ব্যবহার করেনি। নিজেরাই প্রচার সারছে এবং শোনা গেলো ঘরে ঘরে ভোটার স্লিপ দিতে গিয়ে যোগাযোগ রাখছে ভোটারদের সঙ্গে। এখন মজার বিষয় এই যে প্রতি দলের প্রচারে প্রচুর ভিড় হচ্ছে কাজেই হওয়া কোন দিকে, ঠাউর করা যাচ্ছে না।

অমিত শাহ তাঁর বক্তব্যে সরাসারি আক্রমণ শানালেন সিপিএম বা বামেদের। বললেন যে, 'এই সিপিএম বা বামেদের বিশ্বাস করা যায় না। এরা সময় বুঝে কংগ্রেসকে সঙ্গী করেছে এবং সঙ্গী করেছে তিপরা মোথাকে।' শাহী ভাষণে অবশ্য তৃণমূল বা মমতার উল্লেখ ছিল না। ফলত বিরোধীরা জানাচ্ছে, যে তৃণমূল ভোটে দাঁড়িয়েছে বিজেপিকে সুবিধা করতেই।

অবশ্য আজ মমতা ভাষণে জানালেন যে বিজেপি, সিপিএম বা কংগ্রেস তাঁর রাজ্যে এক। তিনি বিরোধীদের কটাক্ষের জবাবে বললেন, 'বাংলায় বিভিন্ন প্রান্তে বিজেপি, সিপিএম প্রকাশ্য জোট করে তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়ছে।' তিনি বাংলায় চলা কন্যাশ্রী, যুবশ্রী ইত্যাদির যুক্তি দিলেন এবং তাঁদের ভোট দেওয়ার জন্য আবেদন করলেন।

যোগী তাঁর ভাষণে উত্তরপ্রদেশ বর্তমান অবস্থার কারণে রাজ্যের মানুষ খুশি, এমনটাই জানালেন। যত দিন এগোচ্ছে উত্তাপ, উত্তেজনা এবং সব দলের টেনশন বাড়ছে। অবশ্য পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ফলাফলের একটা আভাস পাওয়া গেলেও অদ্ভুত ভাবে ত্রিপুরার জনতা কিন্তু এই বিষয় টু শব্দ করছে না। কাজেই ২ মার্চ অবধি অপেক্ষা ছাড়া এই মুহূর্তে কোনও বিকল্প নেই। যদিও বিরোধীরা ভোটে প্রচণ্ড গন্ডগোলের আশংকা করছে, অন্যদিকে বিজেপি জানাচ্ছে ভোট হবে অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ।


one year ago
Tripura: ভোটমুখী ত্রিপুরায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী! 'বিকাশের পথে রাজ্য', দাবি অমিত শাহর

সোমবার ত্রিপুরার রাজনীতি (Tripura Politics) মেগা ডুয়েটের মুখোমুখি। একইদিনে সে রাজ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata Banerjee)। ত্রিপুরা দখলে কোমর বেঁধে নেমেছে ঘাসফুল শিবির (TMC)। পাশাপাশি উত্তর-পূর্বের এই রাজ্য ধরে রাখতে ইতিমধ্যেই রণকৌশল চূড়ান্ত করেছে গেরুয়া শিবির (BJP)। এই পরিবেশে আগামি ১৬ ফেব্রুয়ারির ভোট যুদ্ধের আগে জনতার মন জয়ে প্রচারের ঝড় তুলছে ঘাসফুল, পদ্মফুল দুই শিবিরই।

এদিন খোয়াইয়ের এক জনসভায় দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গত পাঁচ বছরে রাজ্যের উন্নয়নমূলক কর্মসূচির প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। তাঁর দাবি, 'ত্রিপুরায় বিজেপি বিনাশ সরিয়ে বিকাশের পরিবেশ এনেছে। ত্রিপুরা মানে আগে আদিবাসীদের উপর অত্যাচার, বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী, সন্ত্রাসবাদ, মাদক পাচার, মানব পাচার এবং দুর্নীতি। কিন্তু গত পাঁচ বছরে বিপ্লব দেব এবং মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহার নেতৃত্বে রাস্তা, ব্রিজ তৈরি হচ্ছে, পানীয় জল সরবরাহ হচ্ছে। বিনিয়োগ আসছে। আদিবাসী মা-বোনেদের স্বনির্ভর করার কাজ চলছে।' 

বিজেপি এসে রাজ্যের একাধিক সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের সঙ্গে শান্তি আলোচনা চালিয়ে বিনাশের জায়গায় বিকাশ স্থাপন করেছে। কম্যুনিস্ট শাসনে ত্রিপুরায় হিংসার বাতাবরণ, বিবাদ ছিল। কিন্তু ত্রিপুরায় এখন বিশ্বাসের বাতাবরণ। এই দাবি এদিন করেছেন দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী।

এদিন তিনি কংগ্রেস এবং বামেদের অপশাসনকে কাঠগড়ায় তুলেছেন তিনি। আমরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম ত্রিপুরায় শান্তি ফিরবে। সেই পরিবেশ ফিরিয়ে আনা হয়েছে। আগামি ৫ বছরে ত্রিপুরাকে উত্তর-পূর্বের মধ্যে আরও সমৃদ্ধ রাজ্য বানাবে বিজেপি। এই দাবি করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

one year ago
Tripura: ত্রিপুরার ভোট, কে কোথায় দাঁড়িয়ে (পর্ব ৮)

প্রসূন গুপ্ত: ত্রিপুরায় বাঙালি ও উপজাতি রয়েছে, যা এর আগেও বলেছি। কিন্তু সে রাজ্যের বাঙালিদের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের বাঙালিদের যেমন মিল রয়েছে তেমন অমিলও বিস্তর। মিল রয়েছে সংস্কৃতিতে, পুজো-অর্চনা, শিক্ষাক্ষেত্রে। সেখানেও ঘটা করে পয়লা বৈশাখ থেকে রবীন্দ্র- নজরুল জয়ন্তী যেমন পালিত হয় তেমনই দুর্গাপুজো ওই রাজ্যের প্রধান উৎসব। তারপর কালীপুজো,সরস্বতী পুজো ইত্যাদি নিয়ম করে পালিত হয়ে থাকে। এ রাজ্যে যেমন বইমেলা পালিত হয় তেমন আগরতলা বইমেলাও প্রতিবছর পালিত হয় রাজবাড়ীর সামনের মাঠে।

কিন্তু অমিলও আছে, প্রথমত ভাষাগত। এখানকার বাঙালি বলতেই ওপার বাংলার কুমিল্লা ও নোয়াখালী থেকে আগত উদ্বাস্তু। বাংলাদেশ বা উত্তরবঙ্গের মানুষের ভাষার মতো পূর্ববঙ্গীয় ভাষা এখানে। এখানকার মানুষের খাওয়াদাওয়া একটু ভিন্ন। এখানে ছুটির দিনে জলখাবার থেকে নৈশভোজ অবধি ভাত চলে। তিন বেলায় ভাত, লুচি-পরোটা বা চাউমিন অথবা পাউরুটি যে চলে না, তা নয় কিন্তু এই খাবারের প্রতি ঝোঁক কম। মাছ খেতে ত্রিপুরাবাসী খুব ভালোবাসে কিন্তু মাছ মাংস থেকে তরিতরকারির দাম প্রচণ্ড।

কলকাতার রাস্তায় এখনও ২৫ টাকায় ভাত-ডাল-সবজি পাওয়া যায়। কিন্তু আগরতলার যেকোনও ভাতের হোটেলে সবজি-ডাল-ভাত খেতে ৭৫ টাকা খরচ হয়। মাছ-ভাত ২৫০ থেকে ৭০০ টাকা অবধি দাম ওঠে কাজেই এখানকার মানুষ পারতপক্ষে রাস্তায় বা হোটেলে খেতে চান না।

চাকরি বলতে সরকারি। পশ্চিমবঙ্গে ১২% মানুষ সরকারি চাকরি করে এবং বাকি বেসরকারি। কিন্তু ওই রাজ্যে চাকরি মানেই সরকারি, কিছুটা বেসরকারি। সমস্যা শিল্প-বাণিজ্য নেই, কাজ করবে কোথায়? কিছু সংস্থার শাখা অফিস যা আছে তাতে ক'জনই বা কাজ করে।ব্যবসা বলতে ট্রেডিং। আসলে ত্রিপুরায় শিল্প হলে তার প্রোডাক্ট সারা ভারতে পাঠাতে যে পরিমান জ্বালানি খরচ হবে তাতে ভারতের অন্য প্রান্তের ওই একই প্রোডাক্টের দামের কাছে মার খাবে এ রাজ্যের প্রোডাক্ট। ফলে চাকরির বাজার খুবই খারাপ।

বর্তমানে রাজ্যের মানুষের দাবি কর্ম-দ্রব্যমূল্য হ্রাস। কংগ্রেস থেকে বর্তমান বিজেপি সরকার কেউই এই সমস্যার সমাধান খুঁজে পায়নি। (চলবে) 

one year ago


Tripura: ত্রিপুরার ভোট, কে কোথায় দাঁড়িয়ে (পর্ব ৭)

প্রসূন গুপ্ত: রাজনীতির ট্যুইস্ট, নতুন ঘটনা কিছু নয়, মোদী সরকারের আমলে বিভিন্ন রাজ্যে বিরোধী সরকার পড়েছে, নতুন ইকুয়েশন তৈরি হয়েছে। দেখা গিয়েছে, এমনও যে দলের সঙ্গে বিজেপির কোনও কালেও সুসম্পর্ক ছিল না তারা হঠাৎই বিজেপির জুড়িদার হয়েছে যথা হরিয়ানা। আবার মহারাষ্ট্রে শিবসেনা ভেঙে দু'টুকরো হয়েছে। তেমনটা কী হচ্ছে ত্রিপুরায়?

যদিও বর্তমান ত্রিপুরা সরকারে বিজেপিই একক সংখ্যাগরিষ্ঠ কিন্তু তাদের জোট সঙ্গী আছে ত্রিপুরা আদিবাসীদের আইপিএফটি। এবার ভোটেও আইপিএফটি ফের জোটবদ্ধ কিন্তু এখন তাদের দল বলতে কিছুই নেই। দলের নেতা-বিধায়করা যোগ দিয়েছে নতুন দল তিপরা মোথাতে। বিজেপি দফায় দফায় এই তিপরা মোথার সঙ্গে বৈঠক করেও তাদের বাগে আনতে পারেনি।

দলের মূল কাণ্ডারি ত্রিপুরার মহারাজ প্রদ্যোত বিক্রম মানিক্য দেববর্মন। রাজার হুকুম একাই লড়তে হবে, কারণ নাকি ত্রিপুরীরাই ত্রিপুরার আসল দাবিদার। এখানে বাঙালি ও ত্রিপুরীদের মধ্যে ভেদাভেদ রয়েছে স্বাধীনতার পর থেকেই। আইপিএফটি যদিও স্থানীয় উপজাতির দল। কিন্তু বর্তমানে উপজাতি ভোটাররা তাদের উপর নাকি ভরসা হারিয়েছে! এমনটাই কানাঘুষো।

জানা যাচ্ছে ১৮টি উপজাতি আসনে কোনওভাবে প্রভাব ফেলতে পারবে না আইপিএফটি।  বৃহস্পতিবার শেষ খবর, কংগ্রেস ও বামের জোটের সংকট শেষ হয়েছে। এই দুই দল একত্রে ভোট লড়বে কিন্তু পরোক্ষভাবে তাদের কাছে পেতে আগ্রহী তিপরা মোথা। সে তো ঠিক আছে কিন্তু লড়াই হবেটা কি করে?

এখানেই ট্যুইস্ট। বাম ও কংগ্রেস মোটামুটি ৬০টি আসনেই ভাগাভাগি করে প্রার্থী দিচ্ছে অন্যদিকে তিপরা মোথা ৪৮টি আসনে ইতিমধ্যে প্রার্থী ঠিক করে ফেলেছে। তবে জোট হচ্ছে কী করে। এই জোট তলায় তলায়। ১৮টি উপজাতি অঞ্চলে কংগ্রেস ও বামেরা দুর্বল প্রার্থী দেবে অন্যদিকে টিএম দল ১৮টি আসন বাদে বাকি আসনগুলোয় দেবে দুর্বল প্রার্থী। খুব ঝুঁকির লড়াই তবে এমন কাণ্ড তো বিস্তর ঘটেছে ভারতীয় রাজনীতিতে। এবার দেখার কী প্রতিফলন দাঁড়ায় ভোটবাক্সে।

one year ago
Tripura: ত্রিপুরায় ভোট, কে কোথায় দাঁড়িয়ে (পর্ব পাঁচ)

প্রসূন গুপ্ত: ভোট দিন ধার্য হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যে ত্রিপুরায়। কাজেই সব দলের সাজো সাজো রব। ভোটের বালি ঘড়ি যত এগোচ্ছে, দেখা যাচ্ছে যথেষ্ট টেনশনে সমস্ত দলই। ত্রিপুরার বছর ছয়েক আগে বিজেপি বলে কোনও দল খাতায় কলমে ছাড়া অন্য কোথাও ছিল না। এখন প্রশ্ন হচ্ছে যদি নাই থাকবে তবে তারা ক্ষমতায় এলো কী করে?

আসলে ত্রিপুরার মানুষ একটা পরিবর্তন চাইছিলো। দীর্ঘদিন বাম শাসনে খুশি ছিল না ওই রাজ্যের মানুষ। যদিও এটা বাস্তব পশ্চিমবঙ্গের মতো ত্রিপুরার বাঙালিরা একটু বাম ঘেঁষা, কারণ পরিষ্কার। স্বাধীনতার সময়ে ভারত ভাগ হওয়ার ফলে লক্ষ লক্ষ হিন্দু দুই পাকিস্তান থেকে উদ্বাস্তু হয়ে এই দেশের পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা, অসম এবং পঞ্জাবে আশ্রয়ে নেয়। ওই সময়ে দেশের কমিউনিস্টরা তাঁদের পাশে দাঁড়িয়ে আন্দোলন করে এবং উদ্বাস্তুদের কাছে প্রমাণ করার চেষ্টা করে যে দেশের কংগ্রেসকে দিয়ে কিছু হবে না বাম ও গণতান্ত্রিক দল দরকার। লক্ষ্য করে দেখলে প্রমাণ হবে এই চার রাজ্যেই কমিউনিস্টরা তাদের শক্তি বাড়িয়েছিল।

ক্ষমতায় এসে বামেরা দীর্ঘদিন রাজ করেছে বাংলা ও ত্রিপুরায়। সেই বাম মনোভাব কেটেছে শেষ পর্যন্ত অনটনে। পরিবর্তন এসেছে বাংলায়, ত্রিপুরায়। ত্রিপুরায় বিজেপি আসার কোনও কথাই ছিল না। ওই রাজ্যের বিরোধী কংগ্রেস ভেঙে গেলে ক্ষমতায় আসার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয় তৃণমূল।

এলাকার মানুষ বলে মুকুল রায় এবং সব্যসাচী দত্তের উপর দায়িত্ব রাখাটা ভুল ছিল মমতার। এই দোদুল্যমান অবস্থা চলার সময়ে বিজেপি তাদের সংগঠন নিয়ে আসে ত্রিপুরায় এবং বিরোধীরা একযোগে চলে যায় বিজেপিতে। কিন্তু তারপর তারা ক্ষমতায় আসার পর একটা সংঘাত বাঁধে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব ও প্রাক্তন কংগ্রেসীদের মধ্যে। এমনটাই কানাঘুষো শোনা যায়।

এক সময়ে বাধ্য হয়েই বিপ্লবকে সরিয়ে একসময়ের কংগ্রেসি মানিক সাহাকে মুখ্যমন্ত্রী করে ড্যামেজ কন্ট্রোল করে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। আপাতত ওই ফর্মুলা থেকে অনেকটাই সরে আবার নতুন ভাবে এবারের ভোটার পরিকল্পনা করছে তারা। ২৩ জন নতুন মুখ নেওয়া হয়েছে। বিপ্লব দেবকে টিকিট দেওয়া হচ্ছে না ইত্যাদি। কিন্তু এতেই কি কাজ হবে তার জন্য অপেক্ষা রেজাল্ট আউট অবধি। (চলবে)

one year ago


Tripura: বিধানসভা ভোটের প্রার্থীতালিকা ঘোষণা বিজেপির, তালিকায় মানিক-প্রতিমা! নেই বিপ্লব দেব

আসন্ন ২০২৩ ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনকে (Tripura Assembly Election) ঘিরে ইতিমধ্যে বিভিন্ন দল প্রার্থীতালিকা ঘোষণা করেছে। শনিবার প্রার্থীতালিকা প্রকাশ করল ভারতীয় জনতা পার্টি (Bharatiya Janata Party)। ৬০টি আসনের মধ্যে ৪৮টি আসনের প্রার্থীতালিকা ঘোষণা করল বিজেপি (BJP)। তাঁদের মধ্যে ১১ জনই মহিলা প্রার্থী। বাকি ১২ জন প্রার্থীর নাম খুব শীঘ্রই ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছে গেরুয়া শিবির। শনিবার দিল্লির ভারতীয় জনতা পার্টির কেন্দ্রীয় অফিসে বসে সাংবাদিক বৈঠকে এই ঘোষণা করেন সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অরুণ সিং এবং সর্বভারতীয় মুখপাত্র সম্বিত পাত্র।

এই ৪৮টি আসনের মধ্যে হেভিওয়েট প্রার্থীরা হলেন মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডাক্তার মানিক সাহা, যিনি আট টাউন বড়দোয়ালি আসনের বর্তমান বিধায়ক। ধনপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে লড়বেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের বিধানসভা কেন্দ্র ৯ বনমালিপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে লড়ছেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্য।

উল্লেখ্য, আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি ত্রিপুরায় বিধানসভা নির্বাচন, ২ মার্চ ফল ঘোষণা। ২৫ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়েছিল বিজেপি ২০১৮ সালে। তাই এবারে ত্রিপুরায় বিজেপি-কে হারাতে সমঝোতার পথে হেঁটেছে বামফ্রন্ট-কংগ্রেস৷

one year ago
Assembly: ঘোষিত ত্রিপুরা, মেঘালয়, নাগাল্যান্ডের ভোট নির্ঘণ্ট! কবে ভোট, কবে গণনা জানুন

চলতি বছর দেশে মোট নয়টি রাজ্যে বিধানসভা ভোট (Assembly Vote)। তার মধ্যে উত্তর-পূর্বের (North East States)  তিন রাজ্যের ভোট নির্ঘণ্ট ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন (ECI)। ত্রিপুরায় ভোট গ্রহণ ১৬ ফেব্রুয়ারি আর মেঘালয়-নাগাল্যান্ডে ২৭ ফেব্রুয়ারি। ৬০ বিধানসভা বিশিষ্ট এই তিন রাজ্যে ভোট গণনা ২ মার্চ। বুধবার দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার জানান, ত্রিপুরায় ভোট হবে আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি। পাশাপাশি নাগাল্যান্ড ও মেঘালয়ে নির্বাচন হবে ওই মাসের ২৭ তারিখ। জানা গিয়েছে, তিন রাজ্যে ভোট দু’দিনে হলেও ভোট গণনা কিন্তু একই দিনে অর্থাৎ আগামী ২ মার্চ হবে।

২০১৮-র বিধানসভা ভোটে বামশাসিত ত্রিপুরায় পালাবদল। দীর্ঘ বাম শাসনের ইতি টেনে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। শরিক হিসেবে রয়েছে জনজাতি দল আইপিএফটি। সেই ভোটে রাজ্যের ৬০টি আসনের মধ্যে বিজেপি ৩৬ এবং আইপিএফটি ৮টিতে জেতে। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারের নেতৃত্বে লড়ে সিপিএম পায় মাত্র ১৬টি আসন।

যদিও এবার আইপিএফটির দাপটকে পিছনে ফেলে উঠে এসেছে তিপ্রা মোথা। অন্যদিকে, রাজধানী আগরতলা-সহ বেশ কিছু এলাকায় শাসক বিজেপির সঙ্গে বাম এবং কংগ্রেসের তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার সম্ভাবনা। ভোটের লড়াইয়ে রয়েছে তৃণমূলও। প্রসঙ্গত, ২০১৮-র বিধানসভা ভোটে একটি আসনে না জিতলেও ২০১৯-র লোকসভা ভোটের হিসাবে প্রায় ২০টি আসনে এগিয়ে কংগ্রেস।

one year ago
Nadda: চব্বিশের লোকসভা ভোট পর্যন্ত বিজেপি সভাপতি নাড্ডা! নজরে ৯ রাজ্যের বিধানসভা ভোটও

নয় রাজ্যের বিধানসভা ভোট (Assembly Poll 2023) এবং চব্বিশের লোকসভা ভোটের আগে জেপি নাড্ডাতেই (JP Nadda) ভরসা বিজেপির। ২০২৪ পর্যন্ত বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি (BJP President) থাকছেন সেই নাড্ডাই। অর্থাৎ আরও এক বছর তাঁর মেয়াদ বৃদ্ধিতে সায় মোদী-শাহদের। মঙ্গলবার সংবাদ মাধ্যমকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। যদিও বিজেপির সংবিধান মেনে পূর্ণ সময়ের সভাপতির মেয়াদ ৩ বছর। অর্থাৎ দ্বিতীয়বার দলের শীর্ষ পদে তাঁর মেয়াদ বাড়লে ২০২৬ পর্যন্ত তাঁর সভাপতিত্ব থাকার কথা। কিন্তু আপাতত সাধারণ নির্বাচন পর্যন্তই অর্থাৎ ২০২৪ পর্যন্ত তাঁকে কাজ চালাতে বলেছে শীর্ষ নেতৃত্ব।

এর আগে ২০১৪ থেকে ২০২০, ছয় বছর মোট দু'দফায় বিজেপি সভাপতি ছিলেন অমিত শাহ। মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে বিজেপির জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকের পর শাহ জানান, আগামী লোকসভা নির্বাচন পর্যন্ত বিজেপির সভাপতি হিসাবে থাকবে নড্ডাই।

জানা গিয়েছে ২০২৪-র জুন পর্যন্ত সভাপতি থাকবেন নড্ডা। এ প্রসঙ্গে উল্লেখ্য, চলতি বছর ৯ রাজ্যের বিধানসভা ভোট। তালিকায় আছে মধ্য প্রদেশ, কর্নাটক, ছত্তিশগড়, রাজস্থানের মতো রাজ্যগুলো। আবার এই বছর ঘুরলেই লোকসভা নির্বাচন। তাই এই মুহূর্তে নাড্ডায় আস্থা রেখে বিধানসভা ও লোকসভা ভোটের ঘুঁটি সাজাতে চাইছে পদ্মশিবির।

one year ago


Gujrat: গুজরাতে শেষ দফার ভোট গ্রহণ, ভোট দেন প্রধানমন্ত্রী-স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী

চলছে গুজরাত বিধানসভার (Gujrat Assembly Election) ৯৩টি আসনে দ্বিতীয় দফার ভোট গ্রহণ। সোমবার আহমেদাবাদের রানিপে গিয়ে ভোট দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী  (Prime Minister Narendra Modi)। পাশাপাশি ভোট দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল (CM Bhupendra Patel)। ৮ তারিখ গুজরাত এবং হিমাচল প্রদেশ বিধানসভা ভোটের ফল ঘোষণা। মোদী-শাহের রাজ্যে এ বছর ত্রিমুখী লড়াই। বিজেপি, কংগ্রেস ছাড়াও রয়েছে আম আদমি পার্টি।

এদিন সোমবার সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ রানিপের নিশান পাবলিক স্কুলে পৌঁছন মোদী। এদিন ভোট গ্রহণ কেন্দ্রে যাওয়ার সময় হাত নেড়ে উপস্থিত জনতাকে অভিবাদন জানান নরেন্দ্র মোদী। নমস্কার করে শুভেচ্ছাও জানান তিনি। রাস্তা থেকে ভোট গ্রহণ কেন্দ্র পর্যন্ত পথ পাল্টা 'মোদী মোদী' স্লোগানে মুখরিত থাকে।

প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, 'যে ভাবে নির্বাচন হচ্ছে, তা একটি দৃষ্টান্ত তৈরি করেছে। এত সুন্দর এবং স্বচ্ছ নির্বাচন পরিচালনার জন্য আমি নির্বাচন কমিশনকেও আন্তরিক ভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।' এদিকে, সোমবার সাড়ে ১০টার কিছুক্ষণ পরে আমদাবাদের নারানপুরায় এসে ভোট দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, ছিলেন ছেলে জয় শাহ-সহ তাঁর পরিবার।

সোমবার সকাল ৮টা থেকে শুরু হওয়া ভোট গ্রহণ চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। মধ্য এবং উত্তর গুজরাতের ১৪টি জেলা জুড়ে এই ৯৩টি আসন। মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল -সহ মোট ৮৩৩ জন প্রার্থীর ভাগ্য বাক্সবন্দি হচ্ছে।

one year ago
Election: দলে থেকে কাজ করতে পারছিলেন না! ঠিক ভোটের আগে হিমাচলে কংগ্রেস থেকে বিজেপিতে ২৬ জন

শনিবার হিমাচল প্রদেশে (Himachal Pradesh) ভোট (Election)। আর ভোটের ঠিক মুখে কংগ্রেস (Congress) ছেড়ে বিজেপিতে (BJP) যোগ দিলেন ২৬ জন নেতা। দলবদল করে তাঁদের দাবি, দলে থেকে তাঁরা কাজ করতে পারছিলেন না। বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী জয়রাম ঠাকুর এবং রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিজেপি নেতার উপস্থিতিতে দলবদলের কর্মসূচি হয়। সোমবার সেই খবর দেন জয়রাম নিজে। ‘দলে থেকে কাজ করতে পারছিলাম না’— এই শব্দবন্ধের সঙ্গে প্রায় সকলেই অল্পবিস্তর পরিচিত। ২০২১-এ বাংলায় বিধানসভা ভোটের আগে এই শব্দবন্ধ শোনা গিয়েছিল এ রাজ্যে। ওই বিধানসভা ভোটের আগে তৃণমূল ছেড়ে দলে দলে নেতা-কর্মীরা বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। প্রায় সকলেই দলবদল প্রসঙ্গে ওই শব্দবন্ধ ব্যবহার করছিলেন।

দীনেশ ত্রিবেদীর মতো অনেকে আবার বলেছিলেন, ‘‘দলে থেকে দমবন্ধ হয়ে আসছে। তাই দলবদল!’’ যদিও বাংলার ভোটে বিজেপি জিততে পারেনি। বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে তৃতীয় বার সরকার গড়েছেন সেই তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই। তবে বাংলায় উল্টো স্রোত চললেও দেশের অন্যত্র ভোটের মুখে শিবির বদলের প্রবণতার বদল হয়নি। তারপর থেকে দেশের অন্য যে যে রাজ্যে ভোট হয়েছে, সেখানেই দলবদলুদের মুখে শোনা গিয়েছে এই শব্দবন্ধ। যার ব্যতিক্রম নয় হিমাচল প্রদেশও।

আগামী শনিবার সে রাজ্যে বিধানসভা ভোট। তার ৯৬ ঘণ্টা আগে ২৬ জন কংগ্রেস নেতা-কর্মী ‘হাত’ ছেড়ে যোগ দিলেন পদ্মশিবিরে। আর বললেন, কংগ্রেসে থেকে তাঁরা কাজ করতে পারছিলেন না। শনিবার হিমাচল প্রদেশে মোট ৬৮টি বিধানসভা আসনের জন্য ভোট। ফলাফল ঘোষণা ৮ ডিসেম্বর। তার আগে রাজ্যে বিজেপির প্রধান বিরোধী কংগ্রেসে বড়সড় এই ফাটল ধরিয়ে জয়ের ব্যাপারে তারা আরও আত্মবিশ্বাস অর্জন করেছে বলেই গেরুয়া শিবিরের দাবি।

one year ago