Breaking News
Bengaluru Blast: বেঙ্গালুরু ক্যাফে বিস্ফোরণকাণ্ডে কাঁথি থেকে দুই সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করল এনআইএ      Sheikh Shahjahan: 'সিবিআই হলে ভালই হবে', হঠাৎ ভোলবদল শেখ শাহজাহানের      CBI: সন্দেশখালিকাণ্ডে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের...      NIA: ভূপতিনগর বিস্ফোরণকাণ্ডে এবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ NIA      ED: অবশেষে ইডির স্ক্যানারে চন্দ্রনাথের 'মোবাইল-হিস্ট্রি', খুলতে পারে নিয়োগ দুর্নীতি রহস্যের জট      PM Modi: তৃণমূল মানেই দুর্নীতি-লুট! ভোট প্রচারে সন্দেশখালির পর ভূপতিনগর নিয়ে সরব মোদী      NIA: ভূপতিনগর বিস্ফোরণকাণ্ডে গ্রেফতার আরও ২ , কেন্দ্রীয় এজেন্সির উপর হামলার ঘটনায় উদ্বিগ্ন কমিশন      Sheikh Shahjahan: বিজেপির 'দালাল'রা তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যে বলছে, দাবি শেখ শাহজাহানের      Bratya Basu: ব্রাত্যকে মন্ত্রিসভা থেকে সরানোর সুপারিশ রাজ্যপাল বোসের      ED: সাঁড়াশি চাপে শেখ সন্দেশখালির বেতাজ বাদশাহ, 'রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র', দাবি শাহজাহানের     

AbhishekBanerjee

TMC: লোকসভা ভোটে তৃণমূলের প্রার্থী তালিকায় বড় চমক, একঝাঁক নতুন মুখ, দেখে নিন তালিকা...

ব্রিগেডের জনগর্জন সভা থেকে পশ্চিমবঙ্গ-সহ বিভিন্ন রাজ্যের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে দিলেন তৃণমূল কংগ্রেস। বেশ কয়েকটি আসনে বদলানো হলো প্রার্থী। ফলে বিদায়ী অনেক সাংসদই টিকিট পেলেন না। তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী তালিকায় একঝাঁক নতুন মুখ। নজিরবিহীনভাবে লোকসভার ৪২ প্রার্থী নিয়ে র‍্যাম্পে হাঁটলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

প্রার্থী তালিকায় যাঁদের নাম রয়েছে, দেখে নিন একনজরে-

কোচবিহার থেকে লড়বেন- জগদীশ চন্দ্র বর্মা বসুনিয়া

আলিপুরদুয়ার- রাজ্যসভার সাংসদ প্রকাশ চিক বড়াইক

জলপাইগুড়ি- সাংসদ নির্মল চন্দ্র রায়

দার্জিলিং- গোপাল লামা

রায়গঞ্জ-  কৃষ্ণ কল্যানী

বালুরঘাট- মন্ত্রী বিপ্লব মিত্র

মালদা উত্তর- প্রাক্তন আইপিএস প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় 

মালদা দক্ষিণ- শানোয়াজ আলী রেহান

জঙ্গিপুর- খলিলুর রহমান

বহরমপুর- ক্রিকেটার ইউসুফ পাঠান

মুর্শিদাবাদ- আবু তাহের খান

কৃষ্ণনগর- মহুয়া মৈত্র

রানাঘাট- মুকুটমণি অধিকারী

বনগাঁ- বিশ্বজিৎ দাস

ব্যারাকপুর- পার্থ ভৌমিক 

দমদম- প্রফেসর সৌগত রায়

বারাসত- ডক্টর কাকলি ঘোষ দস্তিদার

বসিরহাট- হাজী নুরুল ইসলাম

জয়নগর- প্রতিমা মণ্ডল

মথুরাপুর- যুবনেতা বাপি হালদার

ডায়মন্ড হারবার- তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

যাদবপুর- সায়নী ঘোষ

কলকাতা দক্ষিণ- মালা রায়

কলকাতা উত্তর- সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়

হাওড়া- ফুটবলার প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়

হুগলি- অভিনেত্রী রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়

আরামবাগ- মিতালী বাগ

তমলুক- আইটি সেলের রাজ্যের ইনচার্জ দেবাংশু ভট্টাচার্য

কাঁথি- উত্তম বারিক

ঘাটাল- দীপক অধিকারী (দেব)

মেদিনীপুর- জুন মালিয়া

ঝাড়গ্রাম- কালিপদ সরেন

পুরুলিয়া- শান্তি রাম মাহাতো

বর্ধমান-দুর্গাপুর- কীর্তি আজাদ

আসানসোল- শত্রুঘ্ন সিনহা

বাঁকুড়া- অরূপ চক্রবর্তী

বোলপুর- অসিতকুমার মাল

বীরভূম- শতাব্দী রায়

বিষ্ণুপুর- সুজাতা খাঁ

a month ago
TMC Brigade: 'জনগণের গর্জন, বাংলা বিরোধীদের বিসর্জন', নতজানু হয়ে প্রণাম করে হুঁশিয়ারি অভিষেকের

“জনগণের গর্জন, বাংলা বিরোধীদের বিসর্জন।” ব্রিগেড গ্রাউন্ডের মঞ্চে নতজানু হয়ে, মাথা ঠেকিয়ে উপস্থিত সাধারণ মানুষকে প্রণাম করেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন তাঁর কণ্ঠেই শোনা যায় এমন শ্লোগান।

গর্জে ওঠেন অভিষেক। ১২ দিনের মধ্যে ব্রিগেড করে দেখিয়ে দিলাম। কেউ বলেছিল একে একে দল ছাড়ছে, তৃণমূল দলটা উঠে যাবে। কিন্তু এই ব্রিগেড থেকেই বিজেপির বিদায়ের সূচনা হয়ে গেল। মঞ্চে দাঁড়িয়ে হুঁশিয়ারি তৃণমূল সেকেন্ড ইন কমাণ্ডের। শুধু তাই নয়, বাংলা বিরোধী বিজেপি, ইডি-সিবিআই ভোট দেবে না। তা বলেও আক্রমণ শানান তিনি।

আরও বলেন, 'জনগর্জন কী আজকে তো ট্রেলার দেখালাম। আসল সিনেমা নির্বাচনের দিন আপামর বাংলা দেখাবে বিজেপিকে।' একইসঙ্গে দিল্লিতে ‘ভূমিকম্পে’র ডাক দেন তিনি।

a month ago
TMC Brigade: হাই-ভোল্টেজ রবিবার! 'জনগর্জন' সভা মমতা-অভিষেকের, সন্দেশখালিতে শুভেন্দু

একেবারেই হাইভোল্টেজ রবিবার। একদিকে তৃণমূলের 'জনগর্জন' সভা। আর অন্যদিকে তৃণমূলের ব্রিগেডের পালটা আজ সন্দেশখালিতে সভা করবেন শুভেন্দু অধিকারী। উপস্থিত থাকবেন সন্দেশখালির মহিলারা। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে এই সভা হবে।

সামনেই লোকসভা নির্বাচন। দিন ঘোষণা না হলেও একেবারে জোরদার প্রচারে নেমে পড়েছে ডান-বাম রাজনৈতিক দলগুলি। বিশেষ করে বাংলায় সন্দেশখালির ইস্যুকে কেন্দ্র করে লাগাতার বিক্ষোভ-মিছিল, আন্দোলনে নেমেছিল বঙ্গ বিজেপি। সন্দেশখালির বুকেই সভা করবেন আজ শুভেন্দু-সুকান্তরা।

এক ইঞ্চি ময়দান ছাড়তে নারাজ ঘাসফুল শিবিরও। ব্রিগেডের 'জনগর্জন' সভার মধ্যে দিয়ে একেবারে পুরোদমে লোকসভা নির্বাচনে নেমে পড়বেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু তাই নয়, ব্রিগেডের ময়দান থেকেই সন্দেশখালি ইস্যুতেও বার্তা দিতে পারেন তাঁরা, এমনটাই সূত্রের খবর।

নতুন রূপে তৈরি করা হয়েছে 'জনগর্জন' সভা মঞ্চ। ৩৩০ ফুট লম্বা র‍্যাম্প মূল মঞ্চের সামনে তৈরি হয়েছে। মূলত বিদেশের বিভিন্ন মিউজিক কনসার্ট কিংবা ফ্যাশন শো'তে এমন র‍্যাম্প দেখা যায়। সেই মঞ্চ তৈরি হয়েছে ব্রিগেডের। আর এই র‍্যাম্প ধরেই জনতার মাঝে পৌঁছে যাবেন তৃণমূল সুপ্রিমো। অন্যদিকে মূল মঞ্চ লম্বায় ৭২ ফুট, মাটি থেকে ১২ ফুট উপরে তৈরি করা হয়েছে। মঞ্চের পিছনে থাকছে এলসিডি। যাতে ব্রিগেডের সমস্ত কোণা থেকে সবাই দেখতে পারেন। শুক্রবার রাত থেকে বিভিন্ন জেলা থেকে কর্মীরা আসতে শুরু করেছে।

যদিও সন্দেশখালিতে সভার আগে মহিলাদের ভয় দেখানোর অভিযোগ সামনে আসছে। বিজেপির দাবি, সন্দেশখালির মানুষ যাতে বিজেপির সভায় না যেতে পারে সেজন্য ভয় দেখানো হচ্ছে। যদিও শাসকদলের তরফে এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।

শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, বাস কিংবা অন্য কিছু তো তৃণমূলের ব্রিগেডের জন্য পাওয়া যাবে না। সন্দেশখালির মহিলারাই মাঠ ভরাবেন বলে দাবি বিরোধী দলনেতার। তাঁর সঙ্গে এদিন সন্দেশখালির সভায় থাকবেন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারও।

a month ago


Derby: সুখের পায়রা

প্রসূন গুপ্তঃ সুখের দিনের বন্ধু এবং দুঃখে পলায়নের কথা তো চিরকালীন। রাজনীতিতে এর যোগ সবচাইতে বেশি। ৭৭-এ বামেরা মোটেই পূর্বতন কংগ্রেসীদের তাদের দলে নিয়ে নেয়নি, কারণ এটা তাদের ট্র্যাডিশন নয়। কিন্তু ২০১১-তে তৃণমূল আসার আগে থেকেই বাম দলগুলি থেকে গুন্ডা, বদমাস অথবা সমাজবিরোধীরা চেষ্টা করলো নতুন দলে আসার জন্য। শুধু তারাই নয়, নেতাদেরও জার্সি বদল শুরু হলো। ওই সময়ে তৃণমূলে প্রবল ক্ষমতা সম্পন্ন ছিলেন মুকুল রায়। তিনি বাঁধন ছাড়া এই দলকে আশ্রয় দিয়েছিলেন দলে। প্রতিবাদ এসেছিলো ভীষণভাবে, কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয় নি। তাঁর এই প্রয়াসকে পাথেয় করে কমতি যাননি অন্য নেতারাও। যথা আপাতত জেলে থাকা বালু মল্লিক।

আজকে মমতা বন্দ্যেপাধ্যায় বুঝতে পারছেন কি সর্বনাশটি সংগঠিত হয়েছে। হাতে গরম প্রমাণ সন্দেশখালি। এরা সব সুখের পায়রা। এদেরই এক দল তৃণমূলে পাত্তা না পেয়ে বিজেপিতে চলে গিয়েছিলো। বলতে গেলে বিজেপির কর্মী সমর্থকদের বেশিরভাগটাই প্রাক্তন সিপিএম। বাম থেকে রাম। এছাড়াও এমন বহু যুবক বা মধ্যবয়সী ২০১১-র পরে তৃণমূলে এসেছে। এরা জানেই না বা জানতে ইচ্ছুক নয় যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি প্রচন্ড লড়াই লড়েছিলেন সিপিএমের বিরুদ্ধে। অনেকেই নিজেদের আখের গোছাতে দল করছে। অবিশ্যি তৃণমূলের প্রবল শক্তির মধ্যে একটি দুর্বল স্থান সোশ্যাল নেটে তাদের ভূমিকা। যেখানে বিজেপি তুমুল শক্তিশালী বা শূন্যে থাকা সিপিএমও। দেখা গিয়েছে কয়েক মাস আগে তৃণমূল একটি আইটি সেল খুলেছে। চেষ্টা করছে তারা প্রচার করতে দলের, কিন্তু সুখের পায়রা এখানেও ঢুকে পড়েছে। তারা কমিটিতে না থাকলেও দাবি করছে তারা নাকি প্রচুর প্রচার করছে দলের হয়ে। আসলে কিছুই নয়। ওই জানান দিতে যে 'আমি দিদির লোক'।

গতকাল দলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় হঠাৎ জানালেন যে, আগামী ১০ মার্চ সকল ১১ টাতে ব্রিগেডে মহা সমাবেশ। এদিকে ওই দিন সন্ধ্যায় মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গলের ম্যাচ। কাজেই একদল ওই যুবকরা বেজায় ক্ষুব্ধ। তারা পোস্ট করে দলেরই সমালোচনা করছে। এই নব্য তৃণমূলীদের কতটা ভরসা করা যায় তা নিশ্চিত ভাবনার।

2 months ago
Dev: দেব ফিরলেন ঘরে!

প্রসূন গুপ্তঃ রাজনৈতিক জটিলতা কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না তৃণমূল নেতৃত্বের। কখনও ইডি বা সিবিআই, কখনও সন্দেশখালি অথবা দলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অবস্থান। এরই উপর অভিনেতা, সাংসদ দেবের রাজনীতি ছেড়ে দেওয়ার আভাস। সম্প্রতি বাজেট অধিবেশনে দেব লোকসভায় বলেই ফেলেন যে, আগামীতে যেন তাঁর কেন্দ্র ঘাটালের উন্নয়নের দিকে নজর দেয় সরকার। কারণ নাকি তাঁকে আর পাওয়া যাবে না।

এখানে প্রশ্ন ১) ফের বর্তমান সরকারই যে ফেরত আসবেন, তা দেব কি পরোক্ষে জানিয়ে দিলেন? ২) তিনি কি আর রাজনীতিতে থাকতে চাইছেন না? এর পরেই দেব সংবাদ তুষের আগুনের মতো ছড়িয়ে পরে। যদিও বেশ কয়েকদিন ধরেই বেসুরো ছিলেন তিনি। শোনা গিয়েছে, দেবের এই অনাগ্রহের পর নাকি উত্তর-পূর্বের কোনও এক অমিত শাহ ঘনিষ্ঠ মুখ্যমন্ত্রী দেবকে ফোন করেন এবং বিজেপিতে যোগ দিতে অনুরোধ করেন। উত্তরে দেব কি জানিয়েছিলেন তা অবিশ্যি জানা যায় নি।

শোনা গিয়েছিল, আরও দুটি ঘটনা ১) কয়েক মাস আগে দেবের প্রোডাকশনের ছবি প্রজাপতি নন্দনে রিলিজ করতে দেওয়া হয় নি, এতে ভয়ঙ্কর ক্ষুব্ধ ছিলেন তিনি। তারপরেই দলের অতি অপছন্দের কোনও এক প্রচার মাধ্যমে তিনি উপস্থিত থেকে নাকি এমন সব ছবি তুলে প্রকাশ করেন যাতে দল খুশি হতে পারেনি। ২) তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যাওয়া মিঠুন চক্রবর্তীকে নিজের ছবিতে নেওয়া এবং তাঁর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা, দলের একাংশের আপত্তি ছিল। এসব কারণ বাদেও তাঁর কেন্দ্র ঘটালে কোনও এক নেতা নাকি দেবকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন। কাজেই সব মিলিয়ে অভিমানী দেব নাকি আর রাজনীতিতে থাকবেন না শোনা যাচ্ছিলো।

শনিবার দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, দেবের সঙ্গে নিজের অফিস ক্যামাক স্ট্রিটে দীর্ঘ সময় ধরে আলোচনা করেন এবং সেখান থেকে বেরিয়ে দেব চলে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে। সবশেষে মধুরেণ সমাপয়েৎ। দেব ফের প্রার্থী হচ্ছেন ঘটালে।

তবে একটি কথা না বললেই নয়, তৃণমূল দল চলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে এবং তাঁর ছবি বহন করেই দলের এতো শক্তিবৃদ্ধি, তা সত্বেও দেব কে নিয়ে এতো ভাবনার কি আছে? উত্তর বোধহয় জানা থাকলেও কেউ মুখে আনবেন না তৃণমূলের।

2 months ago


Dev: অভিষেকের সঙ্গে ৫০ মিনিটের বৈঠকে কাটল জট! নির্বাচনে দাঁড়াতে রাজি দেব

সমস্ত জল্পনার অবসান। দলেই থাকছেন দেব। সূত্রের খবর, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে অভিনেতা সাংসদ দেব জানিয়েছেন দল যেখানে দাঁড়াতে বলবে সেখানেই দাঁড়াবেন তিনি।দীর্ঘ ৫o মিনিটের বৈঠকে মিলল সমাধান সূত্র। এমনটাই খবর ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে।

শনিবার বিকেলে ক্যামাক স্ট্রিটে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠকের পর সেখান থেকে বেরিয়ে সোজা কালীঘাটে গেলেন দলের তারকা সাংসদ দেব। সেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করে কথা বলেছেন বলে খবর। বেশ কয়েকমাস যাবৎ ঘাটাল লোকসভার একাধিক নেতার সঙ্গে মনোমালিন্য শুরু হয় সাংসদ দেবের। দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর বাড়িতে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা বৈঠকে কড়া ভাষায় জেলা তৃণমূলের একাধিক নেতাকে সতর্ক করেন।

সূত্রের খবর, সেই বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, 'দেব ভালো ছেলে, ওকে কেন বিরক্ত করছেন।' গত ৩ রা ফেব্রুয়ারি পশ্চিম মেদিনীপুর জেলাশাসকের কাছে চিঠি পাঠিয়ে ঘাটাল লোকসভার অন্তর্গত তিনটি প্রতিষ্ঠানের পরিচালন সমিতি থেকে ইস্তফা দেন দীপক অধিকারী ওরফে দেব। জল্পনা শুরু হয় এবার কি তাহলে রাজ্যসভা? লোকসভা অধিবেশনের শেষ দিনে দেবের সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট একাধিক জল্পনা উসকে দেয়। কেউ কেউ বলতে শুরু করেন এবার আর রাজনীতি নয়, একেবারে অভিনেতা দেবকেই দেখা যাবে।

যদিও সূত্রের খবর, ৫০ মিনিটের বৈঠকে দলের বেশ কিছু সমস্যা নিয়ে এদিন আলোচনা করেছেন দেব। সেই আলোচনা চলাকালীন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেব জানিয়েছেন, নির্বাচনে লড়াই করতে রাজি তিনি। বৈঠক শেষে হাসি মুখেই বেরিয়ে যান দেব।

2 months ago
Mamata: সংহতি মিছিলে মমতা ও অভিষেক, পার্ক সার্কাসের মঞ্চ থেকে বিস্ফোরক বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

অযোধ্যায় রামমন্দির উদ্বোধনের দিনই সোমবার রাজপথে নেমেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রামলালার প্রাণপ্রতিষ্ঠা পর্ব শেষের পরই পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী কলকাতার রাজপথে সংহতি মিছিল শুরু করলেন তৃণমূল সুপ্রিমো।  সর্বধর্ম সমন্বয়ে এই মিছিলে যোগ দেওয়ার বার্তা দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। দুপুর ৩টের আগে কালীঘাট মন্দিরে পুজো দিয়ে, আরতি করে যাত্রা শুরু করেন তিনি। 

মিছিলের পুরোভাগে কোনও রাজনৈতিক নেতা নয়, ছিলেন সমস্ত ধর্মীয় সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি। পুরোহিত, মোয়াজ্জেম, শিখ গুরু, গির্জার ফাদার প্রত্যেকে সামনে থেকে এই মিছিলকে নেতৃত্ব দেন। মিছিল করে তাঁরা পৌঁছে যান গড়চায়। সেখানে স্কুটিতে ওঠেন মমতা। সেই স্কুটি তাঁকে পৌঁছে দেয় গুরুদ্বারের সামনে। সেখানে নেমে গুরুদ্বারে একাই ঢুকলেন তৃণমূল নেত্রী। গুরুদ্বারের ধর্মগুরুরা তাঁকে স্বাগত জানিয়ে ভিতরে নিয়ে যান।

গুরুদ্বার থেকে বেরিয়ে ফের মিছিলে যোগ দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্যদিকে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের  নেতৃত্বে জমায়েত হয়ে একটা মিছিল শুরু করে। এখানে অভিষেকের সঙ্গে ছিলেন সুজিত বসু, শান্তনু রায়, অনন্যা চট্টোপাধ্য়ায়, রাজীব বন্দ্যোপাধ্য়ায়রা। ছিলেন তৃণমূল ছাত্র পরিষদের নেতারাও।

মিছিল এসে পৌঁছয় পার্ক সার্কাসে। সেখানেই তৈরি করা হয়েছিল মঞ্চ। বক্তব্য রাখেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি বক্তব্য রাখেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তিনি বলেন, 'আজকের দিনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাঙালি হিসাবে গর্বের যে বিভিন্ন ধর্মের লক্ষাধিক মানুষ পায়ে পা মিলিয়েছেন। আমরা মানুষের স্বার্থে লড়াই করব। ঐক্যবদ্ধ হয়ে আগামী দিন লড়াই করতে হবে।'

3 months ago
Justice Ganguly: 'আমার কথায়-কাজে একশ্রেণী বিপদে পড়ছে', অভিষেকের মামলা প্রসঙ্গে বললেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে প্রকাশ্যে বিরূপ মন্তব্য করার থেকে বিরত থাকার দাবি নিয়ে শীর্ষ আদালতে আবেদন করেছেন অভিষেক। এরপরই মুখ খুললেন বিচারপতি। বুধবার কারোর নাম উল্লেখ না করেই তিনি বলেন, 'আমার কথায়-কাজে একশ্রেণী বিপদে পড়ছে।' নাম না করে ফের কাদের খোঁচা দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি, উঠছে প্রশ্ন। শহরের এক অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে দুর্নীতি ইস্যুতেও সরব হয়েছিলেন জাস্টিস গঙ্গোপাধ্যায়।

উপযুক্ত সময়ে সব প্রশ্নের উত্তর দেবেন তিনি, কাকে ইঙ্গিত বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের, উঠছে প্রশ্ন। তিনি বলেন, 'আমার বিরুদ্ধে উপযুক্ত কারণ থাকলে নিশ্চয় পদক্ষেপ করবে আদালত।' তাঁর দাবি, বিচারপতিদের বিরুদ্ধে মামলা না হওয়ার কোনও কারণ নেই। কিন্তু বিচারপতিদের গায়ে সাংবিধানিক কবচ থাকে, তাই সেই ধরনের মামলা হতে পারে না। রাজ্যের শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি প্রশ্নেও বুধবার সরব ছিলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। আগে এত চুরি-জোচ্চুরি দেখেছেন, প্রশ্নের সুরে খোঁচা হাইকোর্টের বিচারপতির।

শাহজাহান-কাণ্ডেও বুধবার মুখ খুলেছিলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি সন্দেশখালি-কাণ্ডে পুলিসের ভূমিকা নিয়ে অবশ্য মন্তব্য করতে চাননি। বিচারপতির বিস্ফোরক মন্তব্য, ভালো কাজ যাঁরা করতে চেয়েছেন, তাঁদের টেনে নামানোর চেষ্টা হয়েছে। বিধবা বিবাহ প্রচলনের সময় বিদ্যাসাগরকে শারীরিক নিগ্রহও করা হয়েছিল, দাবি বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের।

3 months ago


TMC Meet: পাখির চোখ লোকসভা নির্বাচন! পশ্চিম মেদিনীপুরের নেতৃত্বের সঙ্গে কালীঘাটে বৈঠক মমতার

২০২৪-এর লোকসভাকে পাখির চোখ করেই একেবারে জেলা ধরে ধরে প্রস্তুতি বৈঠক শুরু করলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার পশ্চিম মেদিনীপুর নেতৃত্বের সঙ্গে প্রস্তুতি বৈঠক শুরু করলেন নিজের বাড়ি কালীঘাট থেকেই। বৈঠকে উপস্থিত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ঘাটালের সাংসদ দেব। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার নেতারা রয়েছেন এই বৈঠকে। এছাড়াও আছেন সুব্রত বক্সি, জুন মালিয়া, মানস ভুঁইয়্যা, শিউলি সাহারা। ভোটের আগে দলের রণকৌশল ও মানুষের কাছে পৌঁছানোর বার্তা দিতে আজ, বুধবার জেলাস্তরের তৃণমূল নেতাদের নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই বৈঠক।

এদিন কালীঘাটের বৈঠকে কিছু বার্তা দেওয়া হয়েছে।

১) যুবদের প্রচারে ঝাঁঝ বাড়াতে হবে।

২) সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার বাড়াতে হবে।

৩) সুজয় হাজরাকে বলা হয়েছে জুন মালিয়ার সঙ্গে দ্বন্দ্ব মেটাতে।

৪) পঞ্চায়েতের আগে যেভাবে আন্দোলনে ঝাঁঝ বাড়িয়েছিলেন, সেটা কম মনে হচ্ছে, বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

৫) অনেক সাংগঠনিক নির্দেশ মানা হয়নি। চন্দ্রকোনা পঞ্চায়েত সমিতি উদাহরণ। নিয়ম না মানলে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

৬) কেশিয়ারি ব্লকের সভাপতি শ্রীনাথ হেমব্রমকে সরানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

৭) শ্রীকান্ত মাহাতোকে ঝাড়গ্রামে সময় দিতে বলা হয়েছে।

৮) পূর্ব আর পশ্চিম মেদিনীপুরে মানস ভুইয়াকে বেশি করে সময় দিতে বলা হয়েছে।

৯) ঘরে বসে রাজনীতি নয়। মাঠে নামুন। স্পষ্ট বার্তা মমতা-অভিষেকের।

১০) সব ইস্যু নিয়ে বই ছাপানো হবে। সেই বই যাবে কর্মীদের কাছে। অভিষেক বন্দোপাধ্যায়কে দায়িত্ব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

১১) জুন মালিয়ার সাথে দ্বন্দ্ব মেটাও। জেলা সভাপতি সুজর হাজরাকে নির্দেশ।

১২) সংবাদমাধ্যমে যে কেউ মুখ খুলবে না। কথা বলার জন্য দলের মুখপাত্ররা আছেন।

১৩) মেদিনীপুর পুরসভা দ্বন্দ্ব মেটাতে দায়িত্ব মানস ভুইয়া ও জেলা সভাপতিকে। এক সপ্তাহের মধ্যে সমস্যা মেটানোর নির্দেশ।

১৪) বিজেপি চোর বললে ওদের ডাকাত বলে প্রচার করো বৈঠকে বার্তা দলনেত্রীর। স্লোগান দিতে হবে " গলী গলি মে শোর হায় বিজেপি চোর হায়।"

এছাড়াও জানা গিয়েছে, রাজ্য স্তরের কয়েকজন মুখপাত্রর ভূমিকায় সন্তুষ্ট নন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে কয়েকজন মুখপাত্র বদল করার ইঙ্গিত দিয়েছেন। কারও কোনও ব্যাপারে প্রশ্ন থাকলে, দলের অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র আছে। সেখানে বলতে হবে। যদি কেউ এর পরেও নির্দেশ না মানে তাহলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দলের নির্দেশ না মানলে কার্যত ছেটে ফেলা হবে। রাজ্য সভাপতিকে নির্দেশ দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। খড়গপুরে কেন দলীয় কার্যালয় এখনও তৈরি হলো না।বিধায়ককে প্রশ্নও করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এছাড়াও তিনি এদিন বলেন,  'আমরা INDIA জোটে আছি থাকব। তবে বাংলায় আমরা একা লড়ার জন্য যথেষ্ট।'

এদিন বৈঠকে প্রথম থেকেই অভিষেক বন্দোপাধ্যায় চুপচাপ থাকলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে কিছু বলতে বলেন। অভিষেক প্রথমে কিছু বলতে চাননি। কিন্তু পরে মমতা বলেন, 'তুই যখন এসেছিস, তুই বল।' তারপর অভিষেক বন্দোপাধ্যায় নবজোয়ার যাত্রার অভিজ্ঞতা বলেন। এছাড়া বলেন, 'দল যা নির্দেশ দেবে তাই করব। সেই দায়িত্ব পালন করব।'

3 months ago
Abhishek: রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মন্তব্য! কলকাতা হাইকোর্টের দুই বিচারপতির বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে অভিষেক

কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সম্পাদক তথা তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিচারাধীন বিষয় নিয়ে বাইরে কীভাবে মন্তব্য করছেন তিনি, সেই নিয়ে অবিলম্বে শীর্ষ আদালতকে হস্তক্ষেপ করার বুধবার আবেদন জানিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এর পাশাপাশি বিচারপতি অমৃতা সিনহার থেকে মামলা সরিয়ে নেওয়ারও আবেদন শীর্ষ আদালতে করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

সম্প্রতি একাধিকবার সংবাদমাধ্যমের সামনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করে বিস্ফোরক কিছু মন্তব্য করেছেন। কয়েকদিন আগেই অভিষেককে তাঁর বিপুল সম্পত্তির হিসেব প্রকাশ্যে আনার জন্য চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেন। এরপরই আজ অর্থাৎ বুধবার সুপ্রিম কোর্টে নতুন মামলা করেন অভিষেক বন্দোপাধ্যায়। আবেদনে তিনি জানিয়েছেন, বিচারাধীন বিষয়ে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের মুখে লাগাম টানার নির্দেশ দেওয়া হোক। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মন্তব্য থেকে বিচারপতিকে বিরত থাকার আবেদন জানিয়েছেন। বিচারাধীন বিষয়ে হাইকোর্টের কোনও বিচারপতি যেন একতরফা মন্তব্য না করেন, সেই বিষয়েও আবেদন জানিয়েছেন অভিষেক। আবার তিনি প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলার জন্য নতুন বিশেষ বেঞ্চ গঠনের আবেদনও জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের কাছে। এ নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে নির্দেশ দেওয়া হোক বলে দাবি অভিষেকের।

3 months ago


Justice Ganguly: 'এত সম্পত্তি কোথা থেকে আসে, হিসাব দিতে পারবেন?', অভিষেককে চ্যালেঞ্জ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তি প্রসঙ্গে এবারে সরব বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। সোমবার বিচারপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তি নিয়েচ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য করেন বিচারপতি।

অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন। এদিন কুণালের সেই চিঠি প্রসঙ্গে কুণালকে নিজের এজলাস থেকে পাল্টা জবাব দিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি জানালেন, এসব করে তো আর চুরি আটকানো যাবে না। আর এই প্রসঙ্গেই উঠে আসে অভিষেকের সম্পত্তির প্রসঙ্গও। সম্পত্তির হিসেব নিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। বিচারপতি মন্তব্য করেন, 'একের পর এক কোটি কোটি টাকা খরচ করে মামলা হয়, এই মামলার খরচ কে বহন করে তা জানাতে হবে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এত সম্পত্তি কোথা থেকে আসে? যদি হলফনামা দিয়ে জানান তাহলে বাকি নেতা মিনাক্ষীর মতো তাদের বলব আপনারাও সম্পত্তির কথা জানান। উনি কি পারবেন? মনে হয় না পারবেন? রাজ্য দুর্নীতি ঢাকতে কত টাকা খরচ করছে। এরপর অফিসিয়ালি জানতে চাইব। বিভিন্ন স্তরের লোকেরা জেলে তাই আমার উপর রাগ। বিচারপতি অমৃতা সিনহার স্বামীর কন্ঠস্বরের পরীক্ষা কেন? তিনি তো আসামী নন। একটা হাসপাতাল ব্যবহার করল। কী চলছে আমরা সবাই বুঝতে পারছি। দেখি কদিন হয়। দুর্নীতি করে টাকা রাখতে চাই এরপর এই ধরণের মামলা করবে।'

বিচারপতি আরও বলেন, 'সুদীপ রাহাকে আমি চিনি না সুতরাং তার বক্তব্যের কোনও মতামত আমি দেব না। সুদীপ রাহার নাম শুনিনি। আমায় সন্ত্রস্ত করার চেষ্টা করেছে। অনেক কাজ করতে পারে। আমার মনে হয় একদল চোর এবার হয়ত সুপ্রিম কোর্টে মামলা করবে আমাদের সম্পত্তি চুরি করে করা। বন্ধ হলে অসুবিধা হবে তাই অবাধে চুরি করার অনুমতি চেয়ে মামলা করবে। যার যেখানে অভিযোগ করার করুক, আমি ন্যায়ের পথেই চলবো।'

3 months ago
TMC: অভিষেক নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য তৃণমূলের রাজ্য সভাপতির, সুর চড়ালেন কুণাল ঘোষ

২৬ পেরিয়ে সাতাশ বছরে পা দিল তৃণমূল কংগ্রেস। আজ, পয়লা জানুয়ারি দলের প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষ্যে দিনভর একাধিক কর্মসূচি ছিল শাসকদলের। প্রথম কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয় দলের সদর দফতর তৃণমূল ভবনে। বাইপাসের ধারে মেট্রোপলিটানে দলের সেই দফতরে সকালে জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী। আর সেখানেই বিস্ফোরক তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি। তারপরই নতুন বছরের প্রথম দিনেই তৃণমূলের নবীন-প্রবীণের দ্বন্দ্ব প্রকট হয়।

দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেকের ভূমিকা নিয়ে তর্কবিতর্ক চলছিল বিগত কয়েক দিন ধরে। সোমবার সেই বিতর্ককেই কার্যত উস্কে দিলেন মমতা ঘনিষ্ঠ সুব্রত বক্সী। সুব্রতের ‘ধারণা’, অভিষেক লড়াইয়ের ময়দান থেকে পিছিয়ে যাবেন না। তাঁর ‘বিশ্বাস’, অভিষেক ‘যদি’ লড়াইয়ের ময়দানে থাকেন, তবে দলের সর্বময় নেত্রী মমতাকে সামনে রেখেই লড়বেন তিনি। বিরোধীরা কোনোভাবেই ভাঙন ধরাতে পারবে না।

সুব্রত বক্সীর এই মন্তব্যের পরেই তৃণমূলের ঘরোয়া কোন্দল প্রকাশ্যে এসেছে। সাংবাদিক বৈঠক করে তৃণমূলের রাজ্য সভাপতির এই মন্তব্যে আপত্তি জানিয়েছেন  কুণাল ঘোষ। তিনি বলেন, রাজ্য সভাপতিকে সম্মান করি। কিন্তু তাঁর বাক্যগঠন নিয়ে আপত্তি রয়েছে। এটা কখনই কাঙ্খিত নয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সেনাপতিত্বে তৃণমূল লড়াই করছে, করবে। তাঁর পিছিয়ে আসার কোনও কারণ নেই।

তৃণমূলের শীর্ষ দুই নেতার মন্তব্যে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। একদিকে যখন নিয়োগ সহ একাধিক দুর্নীতিতে জর্জরিত রাজ্যের শাসক দল। তখনই দলের শীর্ষ নেতৃত্বের এই দ্বন্দ্ব লোকসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূলকে বেকায়দায় ফেলবে তা বলাই বাহুল্য। তৃণমূলের অন্দরে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়েছে মন্তব্য রাজনৈতিক বিশ্লেষক ঝন্টু বরাইকের। বিজেপি মুখপাত্র সজল ঘোষ বলেন, সুব্রত বক্সীর কথা গুরুত্বহীন, তাঁর কথা দলেরই বিধায়ক শোনেন না।

নব জোয়ার থেকে দলের একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে সাংগঠনিক ভাবে দলকে শক্তিশালী করতে দেখা গিয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। যদিও ইদানিং দলের কর্মসূচিতে সেই ভাবে দেখা যাচ্ছে না তাঁকে। অভিষেকের ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে খবর চাউর হয়, তিনি নিজের লোকসভা কেন্দ্রেই মনোনিবেশ করতে চান। এই আবহেই সুব্রত বক্সীর এই মন্তব্যে, আগুনে ঘৃতাহুতি বলেই দেখছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

3 months ago
Abhishek Banerjee: ডায়মন্ড হারবারেই 'সীমাবদ্ধ' থাকতে চান অভিষেক! কেন এমন সিদ্ধান্ত?

সামনেই লোকসভা নির্বাচন। এই নির্বাচনকে পাখির চোখ করে এগোচ্ছে সব রাজনৈতিক দল। কিন্তু প্রস্তুতির শুরুতেই কার্যত হোঁচট খেতে হল রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসকে। এমনিতেই জোট নিয়ে বেঁধেছে জট। তার উপর গোদের উপর বিষফোঁড়ার মত অন্তর্দ্বন্দ্ব চরমে শাসকদলের অন্দরে। সূত্রের খবর, এই নির্বাচনে শুধুমাত্র নিজের নির্বাচনী কেন্দ্রেই মনোনিবেশ করতে চান তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

সূত্রের খবর, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে শনিবার সন্ধেয় বৈঠক করেন তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক কুণাল ঘোষ, মন্ত্রী পার্থ ভৌমিক, ব্রাত্য বসু, তাপস রায়-সহ একাধিক নেতা। প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টা ধরে চলে সেই বৈঠক। সূত্রের খবর, এই বৈঠকে দলের নেতারা অভিষেককে দ্বিতীয় নবজোয়ার যাত্রা করার ব্যাপারে অনুরোধ করেন। তখনই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দেন, তিনি আগামী লোকসভা নির্বাচনে নিজেকে শুধুমাত্র তাঁর লোকসভা কেন্দ্রে সীমাবদ্ধ রাখতে চাইছেন। রাজ্যের শাসক দলের শীর্ষ নেতার এহেন মন্তব্যে শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। তাহলে কি নব্য-পুরনো তৃণমূলের দ্বন্দ্ব প্রকট হচ্ছে? কোথাও কি গুরুত্ব হারাচ্ছেন অভিষেক?

নবযাত্রা থেকে রাজ্যজুড়ে বিভিন্ন কর্মসূচি করে সংগঠনকে চাঙ্গা করতে দেখা গিয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। কিন্তু হঠাৎ এমন কী হল যে এই পদক্ষেপের পথে হাঁটতে হচ্ছে তাঁকে? দলে কোনঠাসা হচ্ছেন? নাকি সংগঠনের কাজে বিরক্ত হয়েই সরে আসার বার্তা? আপাতত এই প্রশ্নগুলোই ঘুরছে রাজ্য রাজনীতির অলিন্দে।

3 months ago


Abhishek Banerjee: একসপ্তাহ পেরোতেই ফের জোড়া ধাক্কা! অভিষেকের আর্জি খারিজ সুপ্রিম কোর্টে

একসপ্তাহ পেরোলেও নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সুপ্রিম কোর্টে অস্বস্তি বজায়ই থাকলো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ নিয়ে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আবেদন খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালতের স্পষ্ট বক্তব্য, এ বিষয়ে কোনও অভিযোগ থাকলে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হতে হবে।

কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাস থেকে সরানো হোক নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলা। এমনকী, বিচারপতি সিনহার এজলাসে মামলার শুনানি চলাকালীন হওয়া কথোপকথন যাতে এজলাসের বাইরে না আসে। এই জোড়া আবেদন সুপ্রিম কোর্টে করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দুটি আবেদনই পত্রপাঠ নাকচ করে উল্টে কলকাতা হাইকোর্টে বল ঠেলেছে দেশের শীর্ষ আদালত। দ্বিতীয় আবেদনের জন্য প্রয়োজন মনে করলে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন যেতে পারেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল সাংসদকে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে বিচারপতি সঞ্জীব খান্নার ডিভিশন বেঞ্চ। অর্থাত্ নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের এক্তিয়ারে হস্তক্ষেপ করতে নারাজ দেশের শীর্ষ আদালত।

এদিকে, নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে কলকাতা হাইকোর্ট নজরদারি নয়, তদারকি চালাচ্ছে- এমন অভিযোগ তুলেও চলতি মাসে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন অভিষেক। কলকাতা হাইকোর্টের সেই এক্তিয়ারেও ৮ ডিসেম্বর হস্তক্ষেপ করেনি সুপ্রিম কোর্ট। চলতি মাসেই এভাবেও একবার খালি ফিরেছেন অভিষেককে।

সম্প্রতি নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে হাইকোর্ট নজরদারির পরিবর্তে তদারকি করছে- এই অভিযোগ তুলে প্রথমে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে যান অভিষেক। তবে অভিষেকের আবেদনে সাড়া না দিয়ে হাইকোর্ট উল্টে তদন্তে তাঁকে সাহায্য করার কথাই বলেছিল। এরপর হাইকোর্টের এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিমকোর্টের যান অভিষেক বন্দোপাধ্যায়। সেবারও বিচারপতি সঞ্জীব খান্না এবং বিচারপতি এসভিএন ভাট্টির ডিভিশন বেঞ্চ অভিষেকের আবেদন খারিজ করে দিয়েছিল। এমনকি মামলাটির নিষ্পত্তিও করে দেওয়া হয়। ফলে সুপ্রিম অস্বস্তির মুখে পড়লেন অভিষেক বন্দোপাধ্যায়। একসপ্তাহ পেরোতেই ফের জোড়া ধাক্কা খেয়ে খালি হাতে কলকাতা হাইকোর্টেই ফিরছেন কি তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড, উঠছে প্রশ্ন।

4 months ago
Abhishek: 'এত সম্পত্তি ২০১৪-এর পরে কীভাবে?', অভিষেকের নথি দেখে বিচারপতি সিনহার প্রশ্নের মুখে ইডি

কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) নির্দেশ মতো তাঁর আয়ের উৎস, লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের (Leaps and Bounds) ডিরেক্টর পদ নিয়ে একাধিক নথিপত্র অবশেষে জমা করলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এই বিষয়ই ইডির আইনজীবী আদালতে বিচারপতি অমৃতা সিনহাকে জানাতেই প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় ইডিকে। বিচারপতি অমৃতা সিনহার প্রশ্ন, 'এত ডকুমেন্ট এল কীভাবে? কিছু না থাকলে এত ডকুমেন্ট আসে কি? এত সম্পত্তি ২০১৪-এর পরে কীভাবে? তদন্ত করে দেখা হয়েছে?' ফলে একবার ফের লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস-এর সঙ্গে অভিষেকের যোগসূত্র নিয়ে প্রশ্ন করতে দেখা গেল বিচারপতি সিনহাকে।

মঙ্গলবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নথিপত্র জমা দেওয়ার পরই আদালতে তা জানানো হয়। এরপরই এদিন আদালতে অমৃতা সিনহা প্রশ্ন করেন, "এত ডকুমেন্ট এল কীভাবে? কিছু না থাকলে এত ডকুমেন্ট আসে কি? সেগুলি খতিয়ে দেখেছেন? কোথা থেকে এল? এত টাকার উৎস কি সেটা দেখেছেন? সব সম্পত্তি ২০১৪ পরে কীভাবে? এত অল্প সময় কীভাবে হল? আবার নিয়োগ দুর্নীতিও একই সময়। কোনও যোগসূত্র আছে কি?" এসব ব্যাপারে তদন্তকারী সংস্থাকে খোঁজ নিতে বলা হয়।

এরপরই ইডির আইনজীবী জানিয়েছেন, "ইডি খতিয়ে দেখছে। সাংসদ জানিয়েছেন কোন কোম্পানি, সেটি কী প্রস্তুত করে ইত্যাদি লেখা হয়েছে। আমরা যখন দেখি আর্থিক দুর্নীতি, তখন তদন্ত শুরু হয়। সিল কভারে রিপোর্ট দিতে চাই বৃহস্পতিবার।" এরপরই বিচারপতি বলেন, "তদন্ত দ্রুত করুন। অনির্দিষ্টকালের জন্য কাউকে গ্রেফতার করে রাখা যায় না।" ইডির তদন্তে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন বিচারপতি। কোন পথে তদন্ত, তা জানতে চায় আদালত। এরপরই বিচারপতির নির্দেশ, ১৪ ডিসেম্বর ইডিকে মুখবন্ধ খামে রিপোর্ট দিতে হবে। ২০ ডিসেম্বর রিপোর্ট জমা দেবে সিবিআইও।

অন্যদিকে প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের কাছে প্যানেল লিস্ট চাইলে বোর্ড যে যুক্তি খাড়া করেছে তাতেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিচারপতি। পর্ষদ থেকে জানানো হয়েছে, পর্ষদের নিয়োজিত সংস্থার আধিকারিকদের গ্রেফতার করেছে তদন্তকারী সংস্থা। তাই আদালতে তথ্য জমা দিতে পারবে না। এই যুক্তি শোনার পরই বিচারপতি ক্ষোভপ্রকাশ করেন ও আগামী ২০ ডিসেম্বরের মধ্যে বোর্ডের কাছে প্যানেল লিস্ট রিপোর্ট আকারে চেয়ে পাঠায় কলকাতা হাইকোর্ট। পাশাপাশি ইডি তদন্তের গতি কোন পর্যায়ে জানতে চেয়েও ১৪ ডিসেম্বর ইডির কাছে রিপোর্ট তলব করেছে কলকাতা হাইকোর্ট। সিবিআইকেও তদন্তের রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী ২০ ডিসেম্বর এই মামলার পরবর্তী শুনানি।

4 months ago