০৫ মার্চ, ২০২৪

Durgapur: বিদ্যুৎ কর্মাধ্যক্ষর গ্রামের একপ্রান্তে দিনে জ্বলে পথবাতি, সন্ধ্যায় অন্য প্রান্ত আঁধারে!
CN Webdesk      শেষ আপডেট: 2022-12-07 12:27:12   Share:   

গ্রামের এক প্রান্তে বিদ্যুতের (electricity) অপচয় বাড়িয়ে দিনের আলোতে জ্বলছে রাস্তার আলো। আর অন্যপ্রান্তে বিদ্যুৎ খুটি পুজোর আগে লাগানোর পরও আজও জ্বলেনি আলো। নীল সাদা রঙের বিদ্যুতের খুটি শুধু দাঁড়িয়ে রয়েছে। ছবিটা তৃণমূল পরিচালিত খোদ জেলা পরিষদের বিদ্যুৎ কর্মাধ্যক্ষর গ্রামের। গ্রামের নাম শঙ্করপুর (Shankarpur)। দুর্গাপুরের (Durgapur) জেমুয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীন এই গ্রাম। শুধু এখানেই নয়, এই গ্রামের আশপাশেও বেশ কিছু অংশের বেহাল ছবি ধরা পড়েছে।

ইতিমধ্যেই রাস্তার (road) আলোকীকরণের কাজ পঞ্চায়েতের বিভিন্ন প্রান্তে শুরু হয়েছে। উদ্দেশ্য ছিল অন্ধকারময় গ্রামগুলির রাস্তাগুলিকে আলোকীকরণ করা। সেই মোতাবেক এই বছর বিশ্বকর্মা পুজোর সময় নীল সাদা রঙের বিদ্যুতের খুটি বসিয়ে ছিলেন খোদ তৃণমূল পরিচালিত পশ্চিম বর্ধমান জেলা পরিষদের বিদ্যুৎ কর্মাধ্যক্ষ স্বাধীন ঘোষ। কিন্তু অভিযোগ, পুজোর আগে যে খুটি বসেছিল আলোকিকরণের জন্য সেই খুঁটির এল.ই.ডি আলো আজও জ্বলেনি। ফলে রাতের অন্ধকারে সমস্যায় পড়ে যান গ্রামবাসীরা।

সাপ খোপের উৎপাত রয়েছে গ্রামে। অন্ধকারে জীবন হাতে নিয়ে গ্রামের মানুষজন চলাচল করছেন। স্থানীয়রা জানান, মাঝে একবার রাস্তার আলো জ্বলেছিল, কিন্তু ওই একদিনের জন্যই। তারপর থেকেই বন্ধ আলো। তবে অন্যদিকে, শঙ্করপুর গ্রামের এক কোনে থাকা বর্জ্য ফেলার ডাম্পিং স্টেশন যাওয়ার রাস্তায় গুটি কয়েক আলো দিনের বেলাতেও জ্বলছে বিদ্যুতের অপচয় বাড়িয়ে। ছবিটা শুধু শঙ্করপুর গ্রামের নয়, জেমুয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের আরও বেশ কিছু গ্রামের ছবি একই রকম।

গ্রামবাসীদের অভিযোগ, ভোটের সময় ভোট নেয় নেতারা। এরপর আর পাত্তা দেওয়া হয় না ভোটারদের। এছাড়াও ১০০ দিনের কাজ করিয়ে নেওয়ার পর টাকা না দেওয়ার অভিযোগও করেন তাঁরা। পাশাপাশি সরকারি বিভিন্ন প্রকল্প থেকে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ।

তবে এই ঘটনার পর জেলা পরিষদের বিদ্যুৎ দফতরের কর্মাধক্ষ স্বাধীন ঘোষ জানান, 'স্থানীয় বিধায়ক ব্যস্ত বিভিন্ন কাজে। তাই উদ্বোধন সম্ভব হচ্ছে না। খুব তাড়াতাড়ি আলো জ্বলবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।'  


Follow us on :