২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

BJP: দেশের বিভিন্ন রাজ্যে বিজেপির প্রার্থী
CN Webdesk      শেষ আপডেট: 2024-01-02 16:48:04   Share:   

প্রসূন গুপ্তঃ যে যে রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় আছে এবং একক শক্তিতে সেখানে আসন ছাড়তে নারাজ কাউকে কেন্দ্রীয় বিজেপি সংগঠন। যথা উত্তরপ্রদেশ। এখানে যদিও দু'একটি ছোট দল তাদের সহযোগী রয়েছে, কিন্তু আদৌ তাদের একটিও আসন ছাড়া হবে কিনা সন্দেহের। গো-বলয়ে তাদের সহযোগীর দরকার হবে না পরিষ্কার বার্তা একমাত্র হরিয়ানা বাদে। এই রাজ্য জোটসঙ্গীদের দু'একটি আসন ছাড়তে পারে। পঞ্জাবে তাদের প্রাক্তন জোটসঙ্গী অকালি দল।

আপাতত যা খবর, জোট হচ্ছেন না। বিহারে তাদের জোট প্রয়াত রামবিলাস পাসোয়ানের দলের সঙ্গে। হয়তো একটি আসন ছাড়তে পারে। বাকি মহারাষ্ট্রে কিন্তু সংকটে বিজেপি। ৪৮টি আসন রয়েছে এ রাজ্যে। বর্তমানে মহারাষ্ট্রের ক্ষমতায় রয়েছে বিজেপি, ভাঙা এনসিপি, ভাঙা শিবসেনা। শেষ দুটি দলের দাবি ২৪টি আসন ছাড়তে হবে তাদের। বিজেপি কোনও ভাবেই ১৬টির বেশি আসন ছাড়তে নারাজ। উত্তর, পূর্ব, পশ্চিম ভারতে বিজেপি চাইছে যে কোনও ভাবেই হোক ২৪০/২৫০ টি আসন একক শক্তিতে জেতার। ২০১৯-এ কিন্তু তা পেরেছিলো তারা। কিন্তু এবারে এনডিএর বহু জোটসঙ্গী বিজেপির সঙ্গে নেই কাজেই কাজটি কঠিন। বিজেপিকে তাকিয়ে থাকতে হবে 'ইন্ডিয়া' জোটের ভাঙ্গনের দিকেই।

দক্ষিণে এক কর্ণাটক ছাড়া বিজেপির কোনও সংগঠন খুব সুবিধাজনক অবস্থায় নেই। বিজেপির সমস্যা হচ্ছে তারা মূলত হিন্দি ভাষার উপর জোর দিয়েছে। দক্ষিণ ভারত একেবারেই হিন্দি বিরোধী। তেলেঙ্গানা বা কর্ণাটকের কিছু জায়গায় তবু হিন্দি চললেও, বাকি অংশে একদম অচল। বিজেপির বর্তমান নেতাদের বেশিরভাগই হিন্দি ভাষায় অভ্যস্ত। ইংরেজি বলে না। অমিত শাহ তো যে কোনও রাজ্যে গিয়ে হিন্দিতেই ভাষণ দেন এবং তাঁর সঙ্গে স্থানীয় কেউ সেই ভাষণ নিজেদের ভাষায় অনুবাদ করে শোনায়। রাজনীতিতে বারবার এই ফর্মুলা চলে না। কারুর এতো সময় নেই যে একই ভাষণ দুবার করে শুনবে। অন্যদিকে বিপাক বুঝেই কর্নাটকে তারা জনতা দল (এস) এর সঙ্গী হয়েছে কিন্তু একই সাথে হারিয়েছে এআইডিএমকে দলকে। তাই বিজেপি চাইছে পশ্চিমবঙ্গ থেকে অন্তত ৩০টি আসন যদি জয় করা যায়। ৩২ শতাংশ মুসলিম রাজ্যে এ এক কঠিনতম কাজ।


Follow us on :