২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

SujayKrishna: আরও বিপাকে 'কালীঘাটের কাকু'! কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ মামলায় হস্তক্ষেপ করল না ডিভিশন বেঞ্চ
CN Webdesk      শেষ আপডেট: 2024-01-10 14:03:02   Share:   

কলকাতা হাইকোর্টে জোর ধাক্কা 'কালীঘাটে কাকু' ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের! তাঁর কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ নিয়ে বিচারপতি অমৃতা সিনহার নির্দেশের উপরে কোনওরকমের হস্তক্ষেপ করল না বিচারপতি সৌমেন সেনের ডিভিশন বেঞ্চ। কণ্ঠস্বরের নমুনার পরবর্তী প্রক্রিয়ার উপরে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ। সাফ জানিয়ে দিল ডিভিশন বেঞ্চ। কালীঘাটের কাকুর কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ নিয়ে বিচারপতি অমৃতা সিনহার নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন জানিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সেই মামলার প্রেক্ষিতেই ডিভিশন বেঞ্চ হস্তক্ষেপ না করে এমনটাই নির্দেশ দিল ডিভিশন বেঞ্চ। ফলে এখনও আর ফ্যাসাদে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র।

নিয়োগ দুর্নীতিতে কালীঘাটের কাকু ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের জন্য কম জলঘোলা হয়নি। এদিন সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের আইনজীবী বলেন, 'সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র-এর জোর করে ভয়েস টেস্ট এর জন্য নিয়ে গিয়েছে ইডি।বিচারপতি অমৃতা সিনহা মামলার শুনানি করলেন রুদ্ধদ্বার। যার ভয়েস টেস্ট হবে তিনি এই মামলায় যুক্ত ছিলেন না। রাত ৮টার পর ইডি অ্যাম্বুলেন্সে নিয়ে গিয়ে কণ্ঠস্বর পরীক্ষা করতে নিয়ে গেলো এসএসকেএম থেকে ইএসআই জোকায়। এটা ব্যক্তিগত স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ।'

এর পরই কেন্দ্রের আইনজীবী বিল্লোদল ভট্টাচার্য্য বলেন, 'বিচারপতি সিনহার আগে বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের কাছে জামিনের আবেদনের মামলায় ভয়েস টেস্টের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি ঘোষ। এই কণ্ঠস্বর পরীক্ষার নির্দেশ বিচারপতি সিনহা নতুন দেননি। বিচারপতি ঘোষের নির্দেশ-এ দেরি হচ্ছিল, তদন্ত শ্লথ হচ্ছিল। তাই তিনি ইডিকে নির্দেশ দিয়েছিলেন তদন্তের স্বার্থে।'

ইডির আইনজীবী ধীরাজ ত্রিবেদী বলেন, 'বিচারপতি সিনহার নির্দেশের পর আমরা এসএসকেএম যাই। ওনাকে সাবধানে নিয়ে গিয়ে টেস্ট করাই ও তারপর আবার এসএসকেএম-এ ফেরত দি। এসএসকেএম-এ তিনি দীর্ঘদিন ধরে ভর্তি আছেন। এসএসকেএম বলছে তিনি সুস্থ না। অথচ অন্য হাসপাতাল ইএসআই জোকা বলেছে তিনি সুস্থ। ওনার কণ্ঠস্বর পরীক্ষা না করলে তদন্ত দেরি হচ্ছিল। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ আছে তদন্ত শেষ করতে হবে।' এছাড়াও ইডির আইনজীবীর অভিযোগ, 'আমরা তদন্ত কিভাবে করবো? গোটা রাজ্য আমাদের বিরুদ্ধে। রাজ্য অসহযোগিতা করছে।'

এর পরই বুধবার এই মামলার শুনানিতে বিচারপতি সৌমেন সেনের ডিভিশন বেঞ্চ সাফ জানিয়ে দেয়, এই মামলায় হস্তক্ষেপ করবে না ডিভিশন বেঞ্চ। মামলার পুরো সিদ্ধান্ত নেবে বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের সিঙ্গল বেঞ্চ। তবে তিনি প্রশ্ন করেন, 'ইডি হেফাজতে আছে ওই অভিযুক্ত। তাহলে ইডি ওই হাসপাতালেই কণ্ঠস্বর পরীক্ষার ব্যবস্থা করতে পারতো। সেটা না করে একজন অসুস্থ মানুষকে নিয়ে গেলো জোকা ইএসআই। আর কণ্ঠস্বর পরীক্ষার রিপোর্ট কখনও কোনও প্রমাণ হিসাবে গণ্য করা হয় না। তবে এই কণ্ঠস্বর পরীক্ষা নিয়ে কিসের তৎপরতা ইডির? কী উদ্দেশে?'


Follow us on :