করোনা মোকাবিলায় ব্যর্থ মমতা সংখ্যালঘু তোষণ করছেন, তীব্র আক্রমণ ধনকড়ের

0

করোনা মোকাবিলায় রাজ্য সরকার চূড়ান্ত ব্যর্থ। নিজেদের দোষ ঢাকতেই জনগণের নজর ঘোরানোর কৌশল নেওয়া হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সংখ্যালঘু তোষণ এতটাই প্রকট যে কোনও সাংবাদিক নিজামুদ্দিনের মারকাজ নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি জবাব দেন, সাম্প্রদায়িক প্রশ্ন করবেন না। এটা দুর্ভাগ্যজনক।
মমতার পাঁচপাতার চিঠির জবাবে শুক্রবার ১৪ পাতার চিঠি পাঠিয়ে খোলাখুলি তাঁকে বিঁধেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। তাঁর স্পষ্ট অভিযোগ, রেশনের মাল লুট হয়ে যাচ্ছে। করোনা নিয়ে তথ্যগোপন করা হচ্ছে। স্তব্ধ করা হচ্ছে মিডিয়াকে। তাঁর মন্তব্য, ভদ্রতার বদলে চিৎকার মেজাজে রয়েছে মুখ্যমন্ত্রী। জনগণের টাকা চুরি হচ্ছে, মানবাধিকারভঙ্গ করা হচ্ছে। বিশিষ্ট ডাক্তারদের পরামর্শ ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া হচ্ছে। স্বাস্থ্যকর্মীদের উপযুক্ত প্রতিরোধক পোষাক দেওয়া হচ্ছে না। আইসোলেশন ওয়ার্ডে মোবাইল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের টিমকে বাধা দেওয়া হচ্ছে। ধনকড়ের কথায়, রাজ্যকে নিজের মর্জিমতো জমিদারি ভেবে কাজ করা যায় না। স্বাস্থ্য পরিষেবা অবহেলা করলে ফল হবে মারাত্মক।
বৃহস্পতিবার মমতার চিঠির জবাবে তিনি লিখেছেন, তিনি কখনই তাঁকে কিংবা বা তাঁর মন্ত্রী বা অফিসারদের অপমান করেননি। বরং মুখ্যমন্ত্রীই তাঁকে এমনকী, বিধানসভার ভিতরেও বারবার অপমান করেছেন। বিধান রায়ের আমলে এসব ভাবাও যেত না। ধনকড়ের কথায়, আইন মুখ্যমন্ত্রী ঊর্ধ্বে। কাজ করত হবে সংবিধান মেনে। মমতা সংবিধানকে লঙ্ঘন করেছেন। আম্বেদকরের কথা উদ্ধৃত করে তাঁর পরিপন্থী কাজ করে চলেছেন।