corona update: রাজ্যের করোনা কম-বেশি

কলকাতাঃ রাজ্যে কিছুটা কমল দৈনিক সংক্রমণ ও মৃত্যু। বেড়েছে সুস্থ্যতার হার। 

মঙ্গলবার সন্ধের স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘন্টায় রাজ্যে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৬৬২ জন। একদিনে মৃত্যু হয়েছে ১০ জনের। 

সব মিলিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা ১৮ হাজার ৯৫ জন। আর মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৫ লক্ষ ২৪ হাজার ৯৫৮ জন। অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যা কমে মোট ১১ হাজার ৩৮০ জন। একদিনে কমেছে ১৮৬ জন। 


রাজ্যে একদিনে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৮৩৮ জন। মোট সংখ্যাটা ১৪ লক্ষ ৯৫ হাজার ৪৮৩ জন। ফলে সুস্থতার হার বেড়ে দাঁড়াল ৯৮.০৭ শতাংশে। এদিন রাজ্যে ৪৩ হাজার ১১৩ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। বর্তমানে রাজ্যে সেফ হোমের সংখ্যা ২০০। 

রবিবার সন্ধের স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী, ২৪ ঘন্টায় রাজ্যে করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন ৬৫৭ জন। একদিনে মৃত্যু হয়েছে ১২ জনের। মোট মৃতের সংখ্যা ছিল ১৮ হাজার ৮৫ জন। আর মোট আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১৫ লক্ষ ২৪ হাজার ২৯৬ জন। অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যা কমে মোট ১১ হাজার ৫৬৬ জন। 

রাজ্যে একদিনে সুস্থ হয়েছিলেন  ৮৭৫ জন। মোট সংখ্যাটা ছিল ১৪ লক্ষ ৯৪ হাজার ৬৪৫ জন। সুস্থতার হার ছিল ৯৮.০৫ শতাংশ।  রাজ্যে সেদিন ৩২ হাজার ২৮৩ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছিল। 


রাজ্যে অনেকটাই কমল দৈনিক সংক্রমণ

কলকাতাঃ রাজ্যে অনেকটাই কমল দৈনিক সংক্রমণ। তবে বেড়েছে দৈনিক মৃত্যু। 

রবিবার সন্ধের স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘন্টায় রাজ্যে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৬৫৭ জন। রবিবার এই সংখ্যাটা ছিল ৮০৬ জনে। তবে গতকালের তুলনায় এদিন টেস্ট হয়েছে অনেক কম। 

একদিনে মৃত্যু হয়েছে ১২ জনের। রবিবার এই সংখ্যাটা ছিল ৯ জনে। অর্থাত্ গতকালের তুলনায় বেশি। সব মিলিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা ১৮ হাজার ৮৫ জন। আর মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৫ লক্ষ ২৪ হাজার ২৯৬ জন। অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যা কমে মোট ১১ হাজার ৫৬৬ জন। 


গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নতুন করে করোনা আক্রান্তদের মধ্যে ৮৪ জন উত্তর ২৪ পরগনার। অর্থাৎ দৈনিক সংক্রমণের নিরিখে ফের প্রথম স্থানে ওই জেলা। দ্বিতীয় স্থানে দার্জিলিং।  

রাজ্যে একদিনে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৮৭৫ জন। মোট সংখ্যাটা ১৪ লক্ষ ৯৪ হাজার ৬৪৫ জন। ফলে সুস্থতার হার বেড়ে দাঁড়াল ৯৮.০৫ শতাংশে। এদিন রাজ্যে ৩২ হাজার ২৮৩ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। রবিবার ছিল ৫০ হাজার ৫৩ টি। বর্তমানে রাজ্যে সেফ হোমের সংখ্যা ২০০। 


ফের বাড়ল রাজ্যের দৈনিক সংক্রমণ

কলকাতাঃ গত ২৪ ঘন্টায় রাজ্যে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৮০৬ জন। একই সময় মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের। তবে সুস্থতার হার বেড়ে ৯৮.০৪ শতাংশ।

রবিবার সন্ধের স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী, নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৮০৬জন। শনিবার ছিল ৭৩০জন। সব মিলিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৫ লক্ষ ২৩ হাজার ৬৩৯ জন। অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যা মোট ১১ হাজার ৭৯৬ জন। 


গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের। শনিবার এই সংখ্যাটা ছিল ৮ জনে। সব মিলিয়ে রাজ্যে মোট মৃতের সংখ্যা ১৮ হাজার ৭৩ জন। 

রাজ্যে একদিনে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৮৯২ জন। মোট সংখ্যাটা ১৪ লক্ষ ৯৩ হাজার ৭৭০ জন। ফলে সুস্থতার হার বেড়ে দাঁড়াল ৯৮.০৪ শতাংশে। এদিন রাজ্যে ৫০ হাজার ৫৩ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। বর্তমানে রাজ্যে সেফ হোমের সংখ্যা ২০০। 


কোথায় পড়বে, কি পড়বে ?

কলকাতাঃ মাধ্যমিক, উচ্চ্যমাধমিকের ফল প্রকাশিত হয়ে গিয়েছে । পাশ করা ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা অগণিত । বাপমায়ের চিন্তা এবার কোথায় পড়বে এবং কি নিয়ে পড়বে ! স্বাভাবিক, মাধ্যমিক পাস্ করা প্রথম বিভাগে থাকা পড়ুয়াদের অধিকাংশই বিজ্ঞান নিয়ে ভর্তি হওয়া কঠিন ব্যাপার তবে কি নিয়ে পড়বে ? পাশাপাশি উচ্চ মাধ্যমিক পাস্ করা পড়ুয়ারা, যাদের বিজ্ঞান রয়েছে তারা আদৌ অনার্স নিয়ে কি পড়তে পারবে ?

ইতিমধ্যে বাম জমানাতে এই রাজ্যে প্রচুর বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তৈরী হয়েছে । এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়তে গেলে বিপুল অর্থ খরচ হবে । ধনী  বা উচ্চ মধ্যবিত্তদের হাতে টাকা আছে তাদের ছেলেমেয়েরা যে কোনও জায়গায় ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেতে পারে কিন্তু অপেক্ষাকৃত দরিদ্রদের অবস্থা সঙ্গিন । 


corona updateঃ রাজ্যে কিছুটা কমল দৈনিক সংক্রমণ ও মৃত্যু

রাজ্যে কিছুটা কমল দৈনিক সংক্রমণ ও মৃত্যু। স্বস্তি রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের। বৃহস্পতিবার রাজ্যে দৈনিক মৃত্যু একলাফে দ্বিগুণ বেড়ে গিয়েছিল। সেই সংখ্যাটা অনেকটাই কমেছে। 

শনিবার সন্ধের স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী, একদিনে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৭৩০জন। শুক্রবারের তুলনায় কিছুটা কম। সেদিন ছিল ৮০০র বেশি। মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৫ লক্ষ ২২ হাজার ৮৩৩ জন। 

গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু হয়েছে ৮ জনের। শুক্রবার এই সংখ্যাটা ছিল ১৬ জন। সব মিলিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা ১৮ হাজার ৬৪ জন। 

রাজ্যে একদিনে সুস্থ হয়েছেন ৯২০ জন। মোট সংখ্যাটা ১৪ লক্ষ ৯২ হাজার ৮৭৮ জন। ফলে সুস্থতার হার বেড়ে দাঁড়াল ৯৮.০৩ শতাংশে। এদিন রাজ্যে ৫২ হাজার ১৮৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। বর্তমানে রাজ্যে সেফ হোমের সংখ্যা ২০০। 


করোনার জ্ঞান নিয়েছে কি মানুষ ?

কোনও  সন্দেহ নেই গত বছর প্রথম ঢেউয়ের পর নভেম্বর থেকে দেশ তথা রাজ্যের মানুষ অনেকটাই গা ছাড়া ভাব এনে ফেলেছিলো । সামাজিক দূরত্ব থেকে আড্ডা ফিরে এসেছিলো ফের । এ বছর এপ্রিলের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে ফের দ্বিতীয় ঢেউ এসেছিলো । যদিও টিকাকরনও চলেছিল কিন্তু এবারে মানুষ ভয় পেয়েছিলো । মে মাস থেকে কড়াকড়ি শুরু হয় । এবারে সতর্ক করা হয় তৃতীয় ঢেউয়ের ।

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশিকা দেওয়ার পর মানুষ একটু গুটিয়ে গিয়েছিলো কিন্তু লোকাল ট্রেন বন্ধ থেকে বাস চালু হওয়াতে প্রচন্ড ভিড় বাসে, মিনি বাসে এবং অটোতে । দূরত্ব বলে কিছুই নেই । এ ছাড়া শহর কোলকাতাতে বিভিন্ন বাজারে অসম্ভব ভিড় । লাইন পড়ছে টিকা নিতে । সংক্রমণ একদিকে যেমন কমেছে তেমনই তৃতীয় ঢেউয়ের আগমন ঘটেছে উত্তরপূর্ব ভারতে । বাংলার মানুষ সতর্ক তো ?


হাই মাদ্রাসার ফল প্রকাশ, পাসের হার ১০০ শতাংশ

প্রকাশিত হল রাজ্য হাই মাদ্রাসা পরীক্ষার ফলাফল। পাসের হার ১০০ শতাংশ। হাই মাদ্রাসা ছাড়াও আলিম ও ফাজিলেও পাস করেছেন ১০০ শতাংশ পরীক্ষার্থী।

পশ্চিমবঙ্গ মাদ্রাসা শিক্ষা পর্ষদ (West Bengal Board of Madrasa Education) সাংবাদিক সম্মেলন করে ফল প্রকাশ করে। তিনটি পরীক্ষাতেই পাশের হার ১০০ শতাংশ।

আলিমে সর্বোচ্চ নম্বর ৮৯৬। ফাজিলে সর্বোচ্চ নম্বর ৫৭৪ । হাই মাদ্রাসায় সর্বোচ্চ নম্বর ৭৯৭। হাই-মাদ্রাসায় ১ থেকে ১০-এর মধ্যে রয়েছেন ৩৫ জন। আলিমে ১ থেকে ১০-এর মধ্যে রয়েছে ১৭ জন। ফাজিলে ১ থেকে ১০-এর মধ্যে রয়েছে ১০ জন।

উল্লেখ্য, এবছর হাই মাদ্রাসায় পরীক্ষার্থী ছিলেন ৫৬,৫০৭ জন। এদের মধ্যে ছেলেদের সংখ্যা ছিল ১৬,৫৭৬ ও মেয়েদের সংখ্যা ছিল ৩৯,৯৩১।  এরা সবাই পাস করেছেন। অন্যদিকে, আলিম ও ফাজিল-এও সবাই পাস করেছে। 


breaking news: উচ্চমাধ্যমিকের ফল প্রকাশ

প্রকাশিত হচ্ছে উচ্চমাধ্যমিকের ফল

উচ্চমাধ্যমিকের ফল প্রকাশ করছে সংসদ। ফল জানা যাবে বিকেল চারটে থেকে। 


বিস্তারিত আসছে 



বাংলায় দৈনিক মৃতের সংখ্যা কমলেও,বেড়েছে সংক্রমণ

রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় কিছুটা কমেছে মৃত্যু। কিন্তু গতকালের তুলনায় বেড়েছে সংক্রমণ। একদিনে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৮৬৯ জন রাজ্যবাসী। পজিটিভিটি রেট ১.৬০ শতাংশ। 

বুধবার সন্ধের স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৮৬৯ জন। মঙ্গলবার ছিল ৭৫২ জন। সবমিলিয়ে এদিন রাজ্যের মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ১৫ লক্ষ ২০ হাজার ৪৬৮ জন।

একদিনে সুস্থ হয়েছেন ৯৮১ জন। মোট সংখ্যাটা ১৪ লক্ষ ৯০ হাজার ৫০ জন। ফলে সুস্থতার হার বেড়ে ৯৮ শতাংশ। এদিন রাজ্যে ৫৪ হাজার ৪৩৩ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। 

গত ২৪ ঘন্টায় রাজ্যে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৬ জনের। মঙ্গলবার ছিল ১০ জন। তারফলে রাজ্যে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ১৮ হাজার ২১ জন। মৃত্যু হার হল ১.১৯ শতাংশ। 


আগামীকাল ২২ জুলাই উচ্চমাধ্যমিকের ফলপ্রকাশ

করোনা পরিস্থিতিতে এবছরও হয়নি উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষাও। তাই বিকল্প পদ্ধতিতে মূল্যায়ণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এবার উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৯ লক্ষ।

উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ  জানিয়েছে, আগামীকাল ২২ জুলাই দুপুর ৩ টেয় উচ্চমাধ্যমিকের ফলপ্রকাশ হবে। আর বিকেল ৪টে থেকে ওয়েবসাইট থেকে ফল জানতে পারবেন পরীক্ষার্থীরা। সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার্থীর রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়েই ওয়েবসাইটে ফল দেখতে পাওয়া যাবে।  

এছাড়া আগামী ২৩ জুলাই স্কুলগুলিকে মার্কশিট, সার্টিফিকেট এবং অ্যাডমিট কার্ডও দেওয়া হবে। মাধ্যমিকের মত উচ্চমাধ্যমিকেও মেধাতালিকা প্রকাশ করা হবে না।  এমনটাই শিক্ষা সংসদ  সূত্রে খবর। 

তৃণমূলের একুশে জুলাইয়ের পাল্টা শহিদ শ্রদ্ধাঞ্জলি দিবস পালন বিজেপির

প্রতিবারের মত এবারও একুশে জুলাই শহিদ দিবস পালন করল তৃণমূল। যদিও করোনা পরিস্থিতিতে ভার্চুয়াল পালন করা হয় শহিদ দিবস। অন্যদিকে শহিদ দিবসের পাল্টা শহিদ শ্রদ্ধাঞ্জলি দিবস পালন করল বিজেপি। 

এদিন দিল্লিতে রাজঘাটে ধর্নায় বসে বিজেপি। যার নেতৃত্বে ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল আমাদের যে ১৭৫ জন কর্মীকে খুন করেছে, তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। এছাড়া কর্মসূচি পালিত হয় রাজ্যের ব্লক-বুথ ও জেলাস্তরেও। 

১৯৯৩ সালে ২১ জুলাই। ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে প্রতিবাদ কর্মসূচি নিয়েছিল তৎকালীন প্রদেশ কংগ্রেস। প্রতিবাদ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন তত্কালীন যুব কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই কর্মসূচীতে পুলিসের গুলিতে শহিদ হয়েছিলেন ১৩ জন কংগ্রেস কর্মী। এরপর থেকেই প্রতি বছর ১৩ জন শহিদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে শহিদ দিবস পালন করে তৃণমূল কংগ্রেস। 


রাজ্যজুড়ে ধেয়ে আসছে দুর্যোগ

বর্ষার দোসর নিম্নচাপ। ফের বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের চোখরাঙানি। তারফলে আগামী কয়েকদিন রাজ্যজুড়ে ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা। 

আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, আগামী ২৩ জুলাই ওড়িশা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে এবং ২৬ জুলাই বাংলাদেশ সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে তৈরি হবে নিম্নচাপ। তারফলে দক্ষিণবঙ্গে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস।

আজ বুধবার মূলত আকাশ মেঘলাই থাকবে। কয়েক পশলা হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা। এছাড়া কলকাতা-সহ উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পুরুলিয়াতে বৃহস্পতি ও শুক্রবারও মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। উত্তরবঙ্গে আরও ৪৮ ঘণ্টা ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস। 

এদিন কলকাতায় সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৭.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মঙ্গলবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩০.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে সর্বোচ্চ জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ৯৫ শতাংশ। 


ফের বাড়ল রাজ্যের দৈনিক করোনা সংক্রমণ

কিছুতেই বাগে আনা যাচ্ছে না করোনাকে। রাজ্যে এখনও কড়া বিধি নিষেধ চলছে। রয়েছে নাইট কার্ফু। তা স্বত্বেও রাজ্যে সোমবারের তুলনায় মঙ্গলবার বাড়ল দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা। 

মঙ্গলবার সন্ধের স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৭৫২ জন। সোমবার সংখ্যাটা ছিল ৬৬৬। সবমিলিয়ে এদিন রাজ্যের মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ১৫ লক্ষ ১৯ হাজার ৫৯৯ জন। রাজ্যের পজিটিভিটি রেট দাঁড়াল ১.৪৮ শতাংশ।

একদিনে সুস্থ হয়েছেন ৯৯২ জন। মোট সংখ্যাটা ১৪ লক্ষ ৮৯ হাজার ৬৯ জন। ফলে সুস্থতার হার দাঁড়াল ৯৭.৯৯ শতাংশ। এদিন রাজ্যে ৫০ হাজার ৭১৩ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। 

গত ২৪ ঘন্টায় রাজ্যে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ১০ জনের। সর্বাধিক মৃত্যু হয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা ও হুগলিতে। এই দুই জেলায় ২৪ ঘন্টায় মোট ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া কলকাতা, হাওড়া, পূর্ব মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, দাঁর্জিলিং, ও জলপাইগুড়িতে এক জন করে করোনা রোগীর মৃত্যু হয়েছে।  তারফলে রাজ্যে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ১৮ হাজার ২১ জন। মৃত্যু হার হল ১.১৯ শতাংশ। 


corona: রাজ্যে ফের বাড়ল দৈনিক মৃত্যু

কলকাতাঃ রাজ্যে ফের বাড়ল দৈনিক মৃতের সংখ্যা। প্রায় তিন মাস পর গতকাল সংখ্যাটা ১০-এর নিচে নেমে এসেছিল। আজ তা ফের বেড়ে গেল। তারফলে মোট মৃতের সংখ্যা প্রায় ১৮ হাজার। 

রবিবার রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে করোনা আক্রান্ত ৮০১ জন। গতকাল ছিল  ৮৯৯ জন। সব মিলিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৫ লক্ষ ১৮ হাজার ১৮১ জন। 


অন্যদিকে ২৪ ঘন্টায় রাজ্যে মৃত্যু হয়েছে ১১ জনের। গতকাল এই সংখ্যাটা ছিল মাত্র ৮ জনে। প্রায় তিন মাস পর গতকাল সংখ্যাটা ১০-এর নিচে নেমে এসেছিল। তবে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৭ হাজার ৯৯৯ জন। 

তবে দৈনিক আক্রান্তের তুলনায় সুস্থতার সংখ্যা বেশি। একদিনে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন ১ হাজার ১২ জন। মোট সুস্থ হয়েছেন ১৪ লক্ষ ৮৭ হাজার ৭১ জন। 

অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যা কমে ১৩ হাজার ১১১ জন। একদিনে কমেছে ২২২ জন। গত ২৪ ঘন্টায় করোনা টেস্ট হয়েছে ৫১ হাজার ৩১৬ টি। বর্তমানে রাজ্যের ১২৬ টি ল্যাবরেটরিতে টেস্ট হচ্ছে। 


প্রায় ৬ হাজার কেজি ইলিশ পৌঁছল ডায়মন্ড হারবারে

ডায়মন্ডহারবার: বাঙালিদের কাছে ইলিশ খুব জনপ্রিয় মাছ। এ ছাড়াও ইলিশ ভারতের বিভিন্ন এলাকা যেমন পশ্চিমবঙ্গ, উড়িষ্যা, ত্রিপুরা ও অসমেও অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি মাছ।

এই রাজ্যের দিঘা বা ডায়মন্ডহারবারে প্রতি বছর আষাঢ়ে প্রচুর রুপোলি শস্যে উঠে। এবার আষাঢ়ে তেমন পাওয়া যায়নি ইলিশ। যদিও দুই বছর ধরে করোনার জন্য রুপোলি শস্যের দেখা নেই। তার উপর বাংলাদেশের ইলিশেরও এবার তেমন জোগান নেই।