Dengue: বাড়ছে ডেঙ্গির প্রকোপ, জানুন কি খাবেন

করোনায়  প্রায় দুটো বছর পার হতে চলেছে। একটুও শান্তি নেই। প্রথম ঢেউ শেষ হতে না হতেই দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হয়ে গেল। এবার তৃতীয় ঢেউ-এর পালা। রোগ বালাইয়ের দুনিয়ায় করোনাই এখন একচ্ছত্র সম্রাট। তার দাপটে অন্যান্য রোগেরা ঠিক পাত্তা পাচ্ছে না।এদিকে ভ্যাক্সিনের পাল্টা আক্রমণও শুরু হয়ে গেছে। করোনা ধীরে ধীরে কাহিল হচ্ছে। আর এই ফাঁকে অন্যান্য রোগগুলিও মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে শুরু করেছে। এই যেমন ডেঙ্গি বাবাজীবন। তিনি এখন ফের নিজের স্বমহিমায় আসতে শুরু করেছে। মানে মশার প্রকোপ এতদিনও ছিল কিন্তু মাস্ক স্যানিটাইজারের চক্কোরে মশার ধূপ বা পরিষ্কার জল জমতে না দেওয়ার মতো কাজে বেজায় গাফিলতি হয়েছে। তাই মশার দল সংখ্যায় বেড়েছে। চারদিকে ডেঙ্গি ডেঙ্গি রব শুরু হয়েছে।

ডেঙ্গি প্রতিরোধে তাই যেমন মশা দূর করতে হবে.ঘর-বাড়ি পরিষ্কার রাখতে হবে. জল জমানো যাবেনা।আর যদি  ডেঙ্গি হয়, তবে খুব সাবধানভৰে থাকতে হবে.জল খেতে হবে প্রচুর পরিমানে। পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। ডেঙ্গি রোগীদের পক্ষে খুব উপকারী। খাদ্য তালিকায় রাখুন হলুদ, হলুদ মেশানো দুধ, মেথি, কালো আঙুর, পেয়ারা, বিট, টোম্যাটো ইত্যাদি।তেলমশলাযুক্ত খাবার রোগীকে একেবারেই দেওয়া যাবে না।একেবারে বাতিল করতে হবে প্রক্রিয়াজাত খাবারঅ্যালকোহল, কোল্ডড্রিঙ্ক ইত্যাদি একেবারে বন্ধ রাখতে হবে।

শরীরকে সুস্থ করতে অনেকটাই সাহায্য় করে। ডেঙ্গি রোগীর বমিভাব দূর করতে আদার জল, জোয়ানের আরক খাওয়ানো যেতে পারে। লেবুর গন্ধ শুঁকলেও বমিভাব কমে যায়। মাঝে মধ্যেই নুন চিনির জল, স্যালাইন বা ওআরএস খাওয়ানো প্রয়োজন। রক্তের প্লেটলেট বাড়াতে ব্রোকোলি খাওয়া খুব ভালো। তাই খাদ্যতালিকায় এই খাবারগুলি আপনারা অবশ্যই রাখবেন। 

এবার নয়া আতঙ্ক জিকা

করোনা ভাইরাসের পর আরও এক ভাইরাস হানা দিয়েছিল যার নাম ব্ল্যাক ফাঙ্গাস। তবে এবার নয়া আতঙ্ক সম্প্রতি তুলে ধরা হচ্ছে যার নাম জিকা ভাইরাস। ইতিমধ্যে কেরলে ১৩ জনের আক্রান্ত হওয়ার খবর মিলেছে। সম্পূর্ণ সুস্থ শরীরের উপরও হামলা চালাচ্ছেন জিকা ভাইরাস। চোখের সমস্যা, মাথাব্যথা, সামান্য জ্বর – এ ধরনের উপসর্গ দেখা যাচ্ছে। বর্ষার মরশুমে এ ধরনের রোগের প্রকোপ বাড়তে থাকায় এবার জনস্বার্থে সতর্কতামূলক বিজ্ঞপ্তি জারি করল রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তর।

প্রতিটি জেলাকে এই নয়া নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে। সতর্ক করা হয়েছে মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকদের। মূলত এটি মশাবাহিত রোগ। এদিকে করোনা অতিমারির পাশে এই নয়া ভাইরাসে আতঙ্ক হয়ে পড়ছে রাজ্যবাসী। যদিও এই জিকা ভাইরাস একজনের শরীর থেকে অপরজনের শরীরে সংক্রমণ ছড়ায়। ফলে জিকা ভাইরাসের অস্তিত্ব মিললে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। রাজ্য স্বাস্থ্যদফতরের তরফে ইতিমধ্যে এক নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। এই বিষয়টিতে নজর দেওয়া হচ্ছে। সতর্ক থাকার বার্তা দেওয়া হয়েছে রাজ্যবাসীকে।

নয়া আতঙ্ক 'মাঙ্কিপক্স '

করোনা সংক্রমণের পাশাপাশি এবার নয়া ভাইরাস। যার নাম 'মাঙ্কিপক্স'। যদিও এই ভাইরাস ইতিমধ্যে ব্রিটেনে ছড়িয়ে পড়ে । যদিও ব্ল্যাক ফাঙ্গাস ও হোয়াইট ফাঙ্গাস একটি নতুন ভাইরাস দেখা দিচ্ছে । ইতিমধ্যে ২ জন এই ভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছে। এই ভাইরাস প্রাণী থেকেই আসে । এই ভাইরাস খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে জানালেন, ব্রিটেনের স্বাস্থ্যসচিব ম্যাট হ্যানকক। এই মাঙ্কিপক্সের ঠিক কি কি উপসর্গ তা দেখে নেওয়া যাক:-

এই ভাইরাসে সংক্রমিত হওয়ার ১২ দিন পর মাথা ব্যথা, ক্লান্তি, পেশিতে টান দেখা যাবে। এই ভাইরাসে সংক্রমণ হলে ৩ দিন পর থেকে দেহে র‌্যাশ বেরোবে।

সংক্রমণের পাশাপাশি হালকা জ্বর আসবে।

সেই র‌্যাশ ধীরে ধীরে সারা শরীরে ছড়িয়ে পরবে। এদিকে শারীরিক ক্লান্তি হবে। বলা যায়, গুটিবসন্ত যে ধরণের ভাইরাস। ঠিক মাঙ্কিপক্স একইধরনের। এই ভাইরাসের বাহক হল কাঠবিড়ালি ও দুই প্রজাতির ইঁদুর। এখনও পর্যন্ত এই ভাইরাসের কোনও ওষুধ বেরোয়নি। একদিকে করোনা অতিমারি তার মাঝেই নয়া আতঙ্ক 'মাঙ্কিপক্স '।





এবার নয়া আতঙ্ক 'মাঙ্কিপক্স'

করোনা সংক্রমণের পাশাপাশি এবার নয়া ভাইরাস এল.যার নাম 'মাঙ্কিপক্স'। যদিও এই ভাইরাস ইতিমধ্যে ব্রিটেনে ছড়িয়ে পড়ে. ২ জন সংক্রমণ হয় ভাইরাসে। এই ভাইরাস খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে জানালেন, ব্রিটেনের স্বাস্থ্যসচিব ম্যাট হ্যানকক। এই মাঙ্কিপক্সের ঠিক কি কি উপসর্গ তা দেখে নেওয়া যাক। এই ভাইরাসে সংক্রমিত হওয়ার ১২ দিন পর মাথা ব্যথা, ক্লান্তি, পেশিতে টান দেখা যাবে। এই ভাইরাসে সংক্রমণ হলে ৩ দিন পর থেকে দেহে র‌্যাশ বেরোবে।
সংক্রমণের পাশাপাশি হালকা জ্বর আসবে। সেই র‌্যাশ ধীরে ধীরে সারা শরীরে ছড়িয়ে পরবে। এদিকে শারীরিক ক্লান্তি হবে। বলা যায়, গুটিবসন্ত যে ধরণের ভাইরাস। ঠিক মাঙ্কিপক্স একইধরনের। এই ভাইরাসের বাহক হল কাঠবিড়ালি ও দুই প্রজাতির ইঁদুর। এখনও পর্যন্ত এই ভাইরাসের কোনও ওষুধ বেরোয়নি। একদিকে করোনা অতিমারি তার মাঝেই নয়া আতংক 'মাঙ্কিপক্স '।

করোনাকালে আরও এক নতুন সংক্রমণের হদিশ চিনে

বেজিং: করোনাভাইরাসের পর আরও এক ভাইরাসের নতুন স্ট্রেন মিলল মানব শরীরে। চিনের এক বাসিন্দার শরীরে ধরা পড়েছে অ্যাভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জার H10N3 স্ট্রেন। যা মানব শরীরে প্রথম। একথা জানিয়েছে চিনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন ।


পূর্ব চিনের জিয়াংসু প্রদেশে H10N3 এই বিশেষ স্ট্রেন থেকে মানুষের দেহে প্রথম সংক্রমণের খবর পাওয়া গিয়েছে বলে খবর। আজ মঙ্গলবার চিনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন,ওয়েবসাইটে মাধ্যমে জানিয়েছে, এই প্রথম কোনও মানুষের শরীরে এই সংক্রমণ দেখা গিয়েছে।  জিয়াংসু প্রদেশে এক ব্যক্তির বার্ড ফ্লু বা  H10N3 স্ট্রেইন থেকে সংক্রমণের হদিশ মিলেছে।


জানা গিয়েছে, সম্প্রতি পূর্ব ঝেনজিয়াং শহরের ৪১ বছরের এক ব্যক্তির কাছ থেকে রক্তের নমুনা সংগ্রহ করা হয়।সেই রক্ত পরীক্ষার সময় ধরা পড়ে এই নতুন স্ট্রেন। মনে করা হচ্ছে পোলট্রি থেকেই  ওই ব্যক্তির মানব শরীরে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে। আক্রান্ত ব্যক্তি আপাতত স্থিতিশীল।


তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, H10N3 হল বার্ড ফ্লু থেকে অপেক্ষাকৃত কম শক্তিশালী। এটা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা কম। ফলে খুব বেশি আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে সতর্ক থাকতে হবে।
ভারতে হাঁস-মুরগীর মধ্যে বার্ড ফ্লু ছড়াতে দেখা গিয়েছে, তবে কোনও মানুষের আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা এখনও ঘটেনি।