By- Election: অশীতিপর বৃদ্ধ প্রথম ভোট দিলেন

অনেকেই বলেছেন, হাই ভোল্টেজ কিন্তু তারা পাগল, ভোটের আবার হাই লো কিসে, প্রশ্ন ভবানীপুরের ৮৫ পার হওয়া বৃদ্ধের । ভোট শুরু ৭ টাতে কিন্তু ওই বৃদ্ধ এসে হাজির প্রায় ১ ঘন্টা আগে । হাফ প্যান্ট, পায়ে স্নিকার, মাথায় কাউন্টি ক্যাপ , সম্ভবত মর্নিং ওয়াক সেরে সোজা ভোট কেন্দ্রে । কারুর সাহায্য নয়, লাইনে আগে দাঁড়ানোর আবদার নয়, শুধু পুলিশকে জিজ্ঞাসা, দেখুন তো এটা কোথায় ? উত্তর পেয়ে আর এক মূহর্ত দেরি না করে সোজা চলে গেলেন ভোট দিতে লাইনে তিনিই প্রথম ।

কবে থেকে ভোট দিচ্ছেন তিনি ভুলেই গিয়েছেন তবে মনে করতে গিয়ে জানালেন ৬৫ বছর বোধহয় । তাঁর মনে পরে গিয়েছে ড. বিধান রায়ের কথা । চিরকাল গান্ধীবাদে বিশ্বাসী । জানালেন, ভালোই লাগে । একই বছর একই কেন্দ্রে দুবার ভোট প্রশ্নের উত্তরে জানালেন, তাতে কি? সমস্যা কোথায় ? তারপরই গটগট করে ভিতরে গিয়ে নিজের ভোটার কার্ড দেখিয়ে ভোট দিয়ে বেরিয়ে এলেন । 


আজ কৃষক ধর্মঘট

কেন্দ্রের আনা কৃষি আইনের বিরোধিতায় সোমবার দেশ জুড়ে বন্‌ধের ডাক দিয়েছে কৃষক সংগঠনগুলি। বন্‌ধকে সমর্থন জানিয়েছে বেশ কয়েকটি বামপন্থী দল ও অন্যান্য কয়েকটি সংগঠন। সোমবার সকাল থেকেই রাজ্যের উত্তর থেকে দক্ষিণে বিক্ষোভ চলছে সমর্থকদের। কোথাও পথ অবরোধ, তো কোথাও রেল লাইনে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন তাঁরা। তার ফলে সমস্যায় পড়েছেন নিত্যযাত্রীরা। বন্‌ধের সমর্থনে হুগলির বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ চলছে। চুঁচুড়ার রবীন্দ্রনগরে জিটি রোড অবরোধ করেন বন্‌ধ সমর্থকরা। রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ চলে।

হুগলি ও চুঁচুড়া স্টেশনের মাঝে রেল অবরোধ করেন বন্‌ধ সমর্থকরা। চুঁচুড়া বাস টার্মিনাসেও কোনও বাস চলেনি। পান্ডুয়া স্টেশনে রেল অবরোধ হয়। অবরোধ তুলতে গেলে পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান সমর্থকরা। বৈঁচি, উত্তরপাড়াতেও জিটি রোডে বিক্ষোভ চলে। ডানকুনিতে রেলের ওভারব্রিজের সামনে রাস্তায় আগুন জ্বালিয়ে অবরোধ হয়।

বন্‌ধের প্রভাব পড়েছে কোচবিহারেও। সকাল থেকেই দোকানপাট বন্ধ। বেসরকারি পরিবহণও সম্পূর্ণ বন্ধ। তবে উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ সংস্থার বাস পথে নামানো হয়েছে। বন্‌ধের সমর্থনে এসইউসিআই ও সিপিএম মিছিল করে। বন্‌ধের বিরোধিতা করে পাল্টা মিছিল করে তৃণমূল। তবে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। 

Weather Today: বৃষ্টিতে বানভাসি কলকাতা! দেখুন কোথায় কতটা জল

ঘূর্ণাবর্তের জেরে বৃষ্টিতে বানভাসি অবস্থা শহর কলকাতার। রবিবার রাত ১টা থেকে সোমবার সকাল ৬টা পর্যন্ত কলকাতার  শহরে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ দেওয়া হল। মানিকতলায় বৃষ্টি হয়েছে ৮১ মিমি, বীরপাড়া ৮৭ মিমি,বেলগাছিয়া ৮৩ মিমি, ধাপা ১২৭ মিমি, তপসিয়া ১০৩ মিমি, উল্টোডাঙ্গা ১০৯ মিমি, পামার বাজার ১০০ মিমি ,ঠনঠনিয়া ৮১ মিমি, বালিগঞ্জ ১০১ মিমি, মোমিনপুর ১০০ মিমি, চেতলা ৯৩ মিমি, যোধপুর পার্ক ৯৫ মিমি, কালীঘাট ১০৭ মিমি, গড়িয়া ৬৬ মিমি,পাতিপুকুর ৭৭ মিমি, জিন্জিরা বাজার ৬৬ মিমি,বেহালাতে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ৮০ মিমি।

রবিবার রাত থেকে শহরের একাধিক জায়গায় বৃষ্টি।সোমবার অর্থাৎ আজ এই দুর্যোগ চলবে জানালো আলিপুর হাওয়া অফিস।কলকাতার আকাশ সোমবার ভোর থেকেই কালো মেঘে ঢাকা। রাত থেকেই শুরু হয়েছে বৃষ্টি। বেলা গড়াতেই বেড়েছে বৃষ্টির পরিমাণ।

আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী কয়েক ঘণ্টায় কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হবে। বৃষ্টির দোসর হবে বজ্রবিদ্যুৎও।র জেরে নীচু এলাকায় ইতিমধ্যেই জল জমতে শুরু করেছে। বৃষ্টির জেরে সকাল থেকেই তাপমাত্রাও রয়েছে কম। 

Vishwakarma Puja: আজ বিশ্বকর্মা পুজো

শহরজুড়ে আজ  বিশ্বকর্মা পুজো। একাধিক জায়গায় পুজোর আগের দিন থেকেই বসেছে বিশ্বকর্মা ঠাকুর। বেচা-কেনা হয়নি সেভাবে। যদিও গত দেড়বছর ধরে করোনা অতিমারীর জেরে বিক্রি-বাট্টায় ভাটা পড়েছে।  এদিকে কুমোরটুলিতেও সেভাবে বায়না নেই। আবার এই পুজোর হাত ধরেই কিন্তুআসতে চলেছে বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো। তার একটা আমেজ প্রায় চলে এসেছে। তবে বিশ্বকর্মা কথায় আছে বিশ্বের কর্ম। অর্থাৎ প্রতিটা অফিসে কিংবা যন্ত্রপাতির দোকানে পুজো হয়ে থাকে। এবছর আরও একটা জিনিস চোখে পড়ছে সেভাবে বড় বড় কলকারখানাগুলিতে আর জাকজমক ভাবে পুজো হচ্ছেনা। আর পুজো করলেও তা একেবারে ছোট করে সারা হচ্ছে। আগে যেমন একটা  ছিল পুজোর দুদিন আগেই বিভিন্ন কলকারখানা গুলিতে সাড়ম্বরে আয়োজন করা হত।

এককথায় হৈ হুল্লোড়,উত্তেজনা ছিল । কিন্তু গত দেড়বছরে চেনা এইসব ছবি অনেকটাই বদলেছে। আরও একটা দিক বিশ্বকর্মা পুজো মানে জমিয়ে খাওয়াদাওয়া। তবে এবছর সেভাবে চোখে পড়ছেনা। রাস্তার ধারে জনাকয়েক দোকান খোলা। ছোট- বড় দোকানে বিরিয়ানির হাড়ি বসেছে। কিন্তু কজন বা নিচ্ছে।একেই তো করোনার ভয়. আবার যারা পুজো করছেন তারা আবার কেউ কেউ অর্ডার দিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। সেভাবে কিন্তু খাবার দোকানেও নেই বিক্রি। তবে আজ সকাল থেকে কিন্তু মদের দোকানে লম্বা লাইন।যেখানে কোনো বছরই খামতি থাকেনা। এদিকে করোনা অতিমারীতে সচেতনতা বজায় রাখতে বলা হয়েছে। তা বলে সচেনতটা কই ? সেসব উপেক্ষা করেই তো চলছে মদ কেনা।

এবার আরও একটি দিক আসা যাক, এই অতিমারীতে অনেকেই কিন্তু পুজো ছোট করে সারবে। যেভাবে বড় করে পুজো করার প্রবণতা অনেকটাই কমেছে। এই পুজোর আরেকটা যে রীতি আছে,সেটা ঘুড়ি ওড়ানো। ঘুড়ি,লাটাই,সুতো নিয়ে দে দৌড়। তবে আসতে আসতে যেন সব হারিয়ে যাচ্ছে।

সেভাবে চোখে পড়ছেনা ঘুড়ির বিক্রিও।একটা সময়ে বিশ্বকর্মা পুজো আসছেই মানে ঘুড়ি ওড়ানো, সুতোয় মাঞ্জা দেওয়া এগুলো চলতোই। কিন্তু এই অতিমারীর কারণে সেই উচ্ছাস কিন্তু কোথাও একটা যেনো কমে যাচ্ছে। তারমধ্যে এবার যেনো বর্ষাও যেনো পিছু ছাড়ছে না।চরম দুর্ভোগে পড়েছে  ব্যবসায়ীরা। সবমিলিয়ে বলা যায় এবছর সেভাবে জমেনি পুজো। 


Mamata Banerjee: আজ মুখ্যমন্ত্রীর মনোনয়ন

শুক্রবার একদিকে গণেশ চতুর্থী অন্যদিকে জুম্মাবার । এমনই একটি দিন বেঁছে  নিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । অবশ্য মমতা চিরকালই শুক্রবারকে একটি আবেগের দিন হিসাবে দেখেন । আজও তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না । অন্যদিকে এখনও বিজেপি তাদের প্রার্থী ঠিক করে উঠতে পারে নি । শোনা যাচ্ছে কখনও এক অবাঙালি প্রার্থীর নাম শোনা গেলেও তাতে সিলমোহর পরে নি । ইতিমধ্যে তৃণমূল তাদের প্রচার শুরু করে দিয়েছে । দলের প্রথম সারির নেতারা প্রচারের দায়িত্ব নিয়েছেন । ববি হাকিম থেকে সুব্রত মুখোপাধ্যায়, অরূপ বিশ্বাস থেকে সুব্রত বক্শি প্রায় সকলেই নেমে পড়েছেন প্রচারে । সিপিএম এক প্রার্থী ঠিক করেছে, তাদের পশে এবার নেই জোটসঙ্গী কংগ্রেস ।

শুক্রবার দ্বিতীয়ার্থে সার্ভে অফিসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর মনোনয়ন জমা দেবেন । জানা গিয়েছে, দলের কাছে বার্তা দিয়েছেন নেত্রী দল বেঁধে  মনোনয়ন কেউ যেন ভিড় না করেন ।আইনজীবী ও তৃণমূল নেতা বৈশানর চট্টোপাধ্যায় এবারে মুখ্যমন্ত্রীর মুখ্য নির্বাচন এজেন্ট । তিনি ব্যাতিত আর কেউই ভিড় বাড়ান এটা চাইছেন না ভবানীপুরের প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ।


সোনিয়ার ডাকা আজ ভার্চুয়ালি বৈঠকে মমতা !

কংগ্রেস ও শরিক দলের মুখ্যমন্ত্রীদের নিয়ে বৈঠক বসছেন কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গাঁধী। সেখানে আমন্ত্রিত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। আজ, শুক্রবার বিকেল ৪টে নাগাদ ভার্চুয়াল মাধ্যমে ওই বৈঠক হওয়ার কথা। বিরোধী শাসিত রাজ্যগুলিকে বিভিন্ন ভাবে বঞ্চিত করছে মোদী সরকার। এই অভিযোগ তুলে এ বার সরব হতে চান সনিয়া। সেই লক্ষ্যেই শরিক-সহ বিজেপি বিরোধী মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে তাঁর ওই বৈঠক। ব্যতিক্রম শুধু মমতা।

শরিক না হওয়া স্বত্ত্বেও তিনি এই বৈঠকে আমন্ত্রণ পেয়েছেন। কারণ, এখন কংগ্রেসের সঙ্গে সম্পর্ক ভাল তৃণমূলের। গত মাসে দিল্লি সফরে সনিয়ার বাড়িতে হাজির হয়েছিলেন মমতা। তা ছাড়া বিভিন্ন বিষয়ে সংসদের অধিবেশনেও দু'দলকে সরব হতে দেখা গিয়েছে। সেই রসায়ন থেকেই বাংলার মুখ্যমন্ত্রী আমন্ত্রিত। তৃণমূল সূত্রে খবর, ওই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন দলনেত্রী। ফলে নজর থাকবে আজ এই খবরে।

আদ্রতা বাড়াচ্ছে অস্বস্তি,আজ ও বৃষ্টির সম্ভাবনা

শুক্রবার সকাল থেকেই আকাশের মুখ ভার. কলকাতা এবং তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের সকাল থেকেই রোদের দেখা নেই। সেই সঙ্গে বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা বেশি থাকার জন্য রয়েছে গুমোট ভাব। ভ্যাপসা গরমে নাজেহাল শহরবাসী। শুক্রবার হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে কলকাতায়। সেই সঙ্গে বৃষ্টি হতে পারে কলকাতার পার্শ্ববর্তী জেলাগুলিতেও।

আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুসারে, কলকাতা এবং তার পার্শ্ববর্তী এলাকার আকাশ আগামী ২৪ ঘণ্টা মেঘে ঢাকা থাকবে। সেই সঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ কয়েক দফা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ভারী বৃষ্টিপাতের কথা না জানালেও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে। এদিকে বৃহস্পতিবার উত্তরবঙ্গে দিনভর বৃষ্টি হতে দেখা গেছে। যদিও দক্ষিণবঙ্গেও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হয়েছে। তবে কমছেনা গরম. আদ্রতা বাড়ানোর পাশাপাশি চরম অস্বস্তি।

দফায় দফায় আজও ভারী বৃষ্টি

বেশকয়েকদিন লাগাতার বৃষ্টি চলছে। উত্তরবঙ্গে এখনই থামছে না ভারী বৃষ্টি। আগামী সোমবার পর্যন্ত রাজ্যের উত্তরের জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে অবশ্য বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, আপাতত বিহারের উপর একটি ঘূর্ণাবর্ত অবস্থান করছে। বিহার থেকে উত্তর উপকূলীয় অন্ধ্রপ্রদেশে উপরে বিস্তৃত আছে মৌসুমি অক্ষরেখা।

তার প্রভাবে আগামী কয়েকদিন উত্তর-পূর্ব ভারত এবং হিমালয়ের পাদদেশীয় বাংলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত চলবে। এদিকে বৃহস্পতিবার অর্থাৎ আজও উত্তরবঙ্গের পাঁচ জেলায় (দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, কোচবিহার এবং আলিপুরদুয়ার) ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত (৭০-২০০ মিলিমিটার) হতে পারে। বাকি তিন জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। তবে সেখানে বৃষ্টির পরিমাণ কম হবে। কয়েক জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারেষ। আগামিকাল (শুক্রবার) থেকে সোমবার পর্যন্ত দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার এবং দুই দিনাজপুরে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস। যদিও এখনই বৃষ্টির হাত থেকে নিস্তার নেই বলা চলে.

আজ ও দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পূর্ভাবাস

গত কয়েকদিন ধরেই নিম্নচাপের জের কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টি হয়েছিল। যার জেরে জলমগ্ন গোটা কলকাতা। শুক্রবার কলকাতাসহ একাধিক জেলায় বৃষ্টি হয়েছে। তবে শনিবার অর্থাৎ আজও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।সকাল থেকেই আকাশ মেঘলা। তবে সারাদিন চলবে এই বৃষ্টি। রবিবার থেকে আকাশ পরিষ্কার হবে বলে জানিয়েছেন,আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

এদিকে আলিপুর হাওয়া অফিস এও জানান, আগামী ২৪ ঘন্টা এই আবহাওয়া বজায় থাকবে। এদিকে উত্তরবঙ্গে আজ থেকে বাড়বে বৃষ্টি। এছাড়া কলকাতাসহ দুই ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, বর্ষমান,বীরভূম এই জেলাগুলিতে বৃষ্টির ওসম্ভাবনা। যদিও চলতি সপ্তাহের বুধবার থেকে একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টি হয়েছে। বন্যা পরিস্থিতি একাধিক জেলায়। এদিকে শহর কলকাতাতেও জল জমেছে অনেকটা।যার ফলে জল যন্ত্রনায় ভুগছে আমজনতা।

ফের বাড়বে বৃষ্টি

বেশকয়েকদিন ধরেই কলকাতা সহ বেশকয়েকটি জেলায় প্রবল বৃষ্টি হচ্ছে। মূলত নিম্নচাপের জের এই বৃষ্টি। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই কলকাতা সহ লাগোয়া জেলাগুলিতে শুরু হয়েছে ভারী বৃষ্টিপাত। আজ সারা দিন চলবে বৃষ্টি, এমনটাই জানাচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। আজ ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া এবং পশ্চিম বর্ধমান এই তিন জেলায়। এমনকী, এই তিন জেলার দু'এক জায়গায় ২০০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।

এছাড়াও কলকাতা, পশ্চিম মেদিনীপুর,বীরভূম হাওড়া, হুগলি ও পূর্ব বর্ধমান জেলায় মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। শুক্রবার ও বেশকিছু জেলায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা। এদিকে শুক্রবার পর্যন্ত সমুদ্রে যাওয়ার নিষেধাজ্ঞা করা হয়েছে। এদিকে দক্ষিণবঙ্গেও বাড়বে বৃষ্টি। যদিও শনিবার থেকে আবহাওয়ার পরিবর্তন হবে এমনটাই জানালা আলিপুর আবহাওয়া দফতর।




কংগ্রেসের তথাকথিত নেতৃত্ব আর নয়, ভাবনা তৃণমূলের

ইদানিং কালের যত ভোট হয়েছে সব রাজ্যেই কংগ্রেসের করুন দশা । কোথাও মুছে গিয়েছে, কোথাও নামমাত্র আসন পেয়েছে । বিহারে রাহুলের নির্বিকার থাকার প্রচারে শেষ মুহূর্তে লড়াই করেও আরজেডি জিতে পারেনি । তামিলনাড়ুতে স্তালিনের কল্যানে কংগ্রেস কয়েকটি আসন পেয়েছে কিন্তু ওই অবধি ।  আজ বিরোধীরা যখন একাট্টা হচ্ছে তখন তার নেতৃত্বে ফের কংগ্রেসকে রাখার বিষয়ে আপত্তি তৃণমূলের অভ্যন্তরে ।
তৃণমূল মনে করে বিশেষ করে ভোট কুশলী প্রশান্তকিশোর যে এই মুহূর্তে নরেন্দ্র মোদির মাথাব্যথার এক মাত্র মুখ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । মমতাকে ২১ জুলাই নতুন ভাবে পেয়েছে সারা ভারতের বিরোধী দল । ভার্চুয়াল সভায় উপস্থিতও ছিল সমস্ত দলের প্রতিনিধিরা, ঠিক এই সময়ে বাংলার দিদিকেই চাইছে মোদির বিকল্প মুখ হিসাবে তৃণমূলের ছোটবড় সবাই ।

ভয়ঙ্কর মাধ্যমিক পাশ

এবারে ২০২১ এ যারা মাধ্যমিক পাশ করলো তাদের ভবিষ্যৎ কি ? মস্ত বড় প্রশ্নের মুখে এবারের পাশ করা ছাত্রছাত্রীয়রা । এবারে পরীক্ষায় বসার কথা ছিল ১৬ লক্ষ ৭৯ হাজার ৬৯৯ জনের । কেউই পরীক্ষার সম্মুখীন হয় নি । ফলে পুরাতন স্কুলের পরীক্ষার নম্বর দেখে তাদের পাশ করানো হয়েছে । ১০০% পাশ । ভয়ের বিষয়ে তারই মধ্যে ৯০ শতাংশ প্রথম বিভাগে, সর্বোচ্চ প্রাপ্ত নম্বর ৬৯৭ জনের যা কিনা থাকে বড়োজোর ২০/২৫ জন  এরপর প্রথম স্থান ৭৯ জন । সমস্তটাই বিশ্ব রেকর্ড ।
প্রশ্ন হচ্ছে এরপর এরা করবেটা  কি ? উচ্চমাধ্যমিকে কজন বিজ্ঞান শাখা পাবে বা কজনই বা পাবে বিশেষ বিষয় ? এতো ছাত্র পড়াবার মতো স্কুলের পরিকাঠামো আদৌ আছে কি ? যে কোনও পরীক্ষা না দিয়ে পাশ করা ভয়ঙ্কর । পরবর্তী জীবনে, যখন করোনা কেটে যাবে তখন চাকরির বাজারে এদের মূল্য কি থাকবে? এরকম হাজারো প্রশ্ন । কাকে দায়ী করা যাবে ? অবশ্যই ছাত্রছাত্রীর অবিভাবকদের । তাঁদের চাপেই পরীক্ষা বাতিল করতে হয়েছে । আজ সে কারণে প্রশ্নের মুখে তাদেরই পরতে হবে ।

মাধ্যমিকের ফলপ্রকাশ, ১০০ শতাংশ পাশের হার

আজ বিকল্প মূল্যায়ন পদ্ধতির উপর ভিত্তি করে প্রকাশিত হল ২০২১এর মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল। ব্যাতিক্রমী পরিস্থিতিতে চলতি বছর পাশের হার ১০০ শতাংশ, যা একেবারেই নজিরবিহীন। ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীদের পাশের হার বেশি। সকাল ৯টায় সাংবাদিক বৈঠক করে ফলাফল ঘোষণা করেছেন মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়। দশটা থেকে ওয়েবসাইট ও অ্যাপের মাধ্যমে ফল জানতে পারবে ছাত্রছাত্রীরা।চলতি বছর মোট পরীক্ষার্থী – ১০,৭৯,৭৪৯। ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীদের সংখ্যা বেশি। পাশ করেছে সকলেই, অর্থাৎ পাশের হার ১০০ শতাংশ। গতবছর তা ছিল ৮৬.৩৪ শতাংশ। করোনা আবহে এ বছর বাতিল করতে হয়েছে পরীক্ষা। করোনা আবহে এবছর কোনও মেধাতালিকা প্রকাশ হবেনা। সকাল ১০ টা থেকে ওয়েবসাইটে ফলাফল জানা যাবে। দেখে নেওয়া যাক:

www.wbbse.wb.gov.in
https://wbresults.nic.in
www.exametic.com


আজ থেকে শুরু জয়েন্ট এন্ট্রাস, একনজরে দেখে নেওয়া যাক হেল্পলাইন নম্বর

শনিবার থেকে শুরু জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষা। করোনাকালে এই প্রথম অফলাইন পরীক্ষা। রাজ্যের ২৭৪টি কেন্দ্রে সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৪-টে পর্যন্ত পরীক্ষা দেবেন ৯২ হাজারের বেশি পরীক্ষার্থী। সে কারণেই স্টাফ স্পেশাল লোকাল ট্রেনে পরীক্ষার্থী এবং তাদের অভিভাবকদের উঠতে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল। অ্যাডমিট কার্ড দেখালেই স্পেশাল লোকাল ট্রেনে ওঠা যাবে, মিলবে টিকিট। এদিন রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে কন্ট্রোল রুম। প্রায় ৮টি রুটে বিনামূল্যে বাস পরিষেবা দেবে জাতীয় বাংলা সম্মেলন।

বাস চলবে- লেকটাউন-টালিগঞ্জ, ব্যারাকপুর-বালিগঞ্জ, বারুইপুর-গড়িয়া, চিড়িয়ামোড়-জোকা ট্রাম ডিপো, চিড়িয়ামোড়-নিউটাউন, চণ্ডীতলা-হাওড়া ময়দান, কোন্নগর-চুঁচুড়া, উলুবেড়িয়া-হাওড়া ময়দান এই রুটগুলিতে। এছাড়া আজ স্পেশাল মেট্রোয় যাতায়াত করতে পারবে পরীক্ষার্থীরা। কোনও সমস্যায় পড়লে টোল ফ্রি হেল্পলাইন নম্বর চালু করেছে রাজ্য সরকার। সেগুলি হল-০৩৩২৩৬৭/১১৫৯/১১৪৯/১১৯৯। যদিও এবছর করোনা অতিমনারিতে এই প্রথম অফলাইন জয়েন্ট এন্ট্রাস পরীক্ষা শুরু হতে চলেছে।


আজ থেকে চালু হল মেট্রো, মানতে হচ্ছে একাধিক নিয়ম

কলকাতা: করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে কলকাতার মেট্রো  বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এরপর প্রায় ৬১ দিন পর আজ ফের শহরে চালু হল মেট্রো। যদিও গত মে মাসে সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার কারণে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল মেট্রো পরিষেবা। তবে  পরিস্থিতি কিচুটা বলা যায় স্থিতিশীল। সেই কথা মাথায় রেখে রাজ্য সরকাররে তরফে বেশ কিছু ছাড়ের কথা বলা হয়েছে। তার মধ্যে মেট্রোয় এবার সাধারণ যাত্রীরা চলাচল করতে পারবে বলে জানানো হয়েছে। সেইমত  শুক্রবার অর্থাৎ আজ থেকেই চালু হল সাধারণ যাত্রীদের জন্য মেট্রো পরিষেবা।যদিও এতদিন মেট্রো চালু থাকলেও বলা হয়েছিল , শুধুমাত্র যারা জরুরি পরিষেবায় যুক্ত তাঁরাই একমাত্র মেট্রোতে যাতায়াত করতে পারবে। এদিকে অধিকাংশ সাধারণ মানুষের পক্ষে অনেকটা সমস্যার মধ্যে যাচ্ছিল।

তবে আজথেকে মেট্রো চালু হলে ও বেশ কিছু কিছু নিয়ম মেনেই চলতে হবে. প্রায় ২ হাজার যাত্রী উঠতে পারবে মেট্রোতে।ছাত্র স্মার্ট কার্ড থকা আবশ্যক। টোকেন আপাতত বন্ধ রয়েছে। এছাড়া মাস্ক পড়া থেকে শুরু করে সামাজিক দূরত্ববিধি মেনে চলতে হবে. যদিও মেট্রো সকাল ৮ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত চলবে।

সোম থেকে শুক্র, সকাল আটটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত মিলবে নিরবিচ্ছিন্ন পরিষেবা। এই পাঁচদিন দৈনিক ৯৬ জোড়া অর্থাৎ ১৯২টি মেট্রো চলবে। শনিবার মেট্রো চলবে, তবে সাধারণ যাত্রীরা ওই দিন সফর করতে পারবেন না। কেবলমাত্র জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরাই ওইদিন ট্রেনে সফর করতে পারবেন। শনিবার ৫২ জোড়া অর্থাৎ ১০৪টি ট্রেন চলবে। রবিবার মেট্রোর  চাকা গড়াবে না। তবে এতদিন পর মেট্রো চলতে স্বস্তি মিলল শহরবাসীর।