কংগ্রেসের তথাকথিত নেতৃত্ব আর নয়, ভাবনা তৃণমূলের

ইদানিং কালের যত ভোট হয়েছে সব রাজ্যেই কংগ্রেসের করুন দশা । কোথাও মুছে গিয়েছে, কোথাও নামমাত্র আসন পেয়েছে । বিহারে রাহুলের নির্বিকার থাকার প্রচারে শেষ মুহূর্তে লড়াই করেও আরজেডি জিতে পারেনি । তামিলনাড়ুতে স্তালিনের কল্যানে কংগ্রেস কয়েকটি আসন পেয়েছে কিন্তু ওই অবধি ।  আজ বিরোধীরা যখন একাট্টা হচ্ছে তখন তার নেতৃত্বে ফের কংগ্রেসকে রাখার বিষয়ে আপত্তি তৃণমূলের অভ্যন্তরে ।
তৃণমূল মনে করে বিশেষ করে ভোট কুশলী প্রশান্তকিশোর যে এই মুহূর্তে নরেন্দ্র মোদির মাথাব্যথার এক মাত্র মুখ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । মমতাকে ২১ জুলাই নতুন ভাবে পেয়েছে সারা ভারতের বিরোধী দল । ভার্চুয়াল সভায় উপস্থিতও ছিল সমস্ত দলের প্রতিনিধিরা, ঠিক এই সময়ে বাংলার দিদিকেই চাইছে মোদির বিকল্প মুখ হিসাবে তৃণমূলের ছোটবড় সবাই ।

ভয়ঙ্কর মাধ্যমিক পাশ

এবারে ২০২১ এ যারা মাধ্যমিক পাশ করলো তাদের ভবিষ্যৎ কি ? মস্ত বড় প্রশ্নের মুখে এবারের পাশ করা ছাত্রছাত্রীয়রা । এবারে পরীক্ষায় বসার কথা ছিল ১৬ লক্ষ ৭৯ হাজার ৬৯৯ জনের । কেউই পরীক্ষার সম্মুখীন হয় নি । ফলে পুরাতন স্কুলের পরীক্ষার নম্বর দেখে তাদের পাশ করানো হয়েছে । ১০০% পাশ । ভয়ের বিষয়ে তারই মধ্যে ৯০ শতাংশ প্রথম বিভাগে, সর্বোচ্চ প্রাপ্ত নম্বর ৬৯৭ জনের যা কিনা থাকে বড়োজোর ২০/২৫ জন  এরপর প্রথম স্থান ৭৯ জন । সমস্তটাই বিশ্ব রেকর্ড ।
প্রশ্ন হচ্ছে এরপর এরা করবেটা  কি ? উচ্চমাধ্যমিকে কজন বিজ্ঞান শাখা পাবে বা কজনই বা পাবে বিশেষ বিষয় ? এতো ছাত্র পড়াবার মতো স্কুলের পরিকাঠামো আদৌ আছে কি ? যে কোনও পরীক্ষা না দিয়ে পাশ করা ভয়ঙ্কর । পরবর্তী জীবনে, যখন করোনা কেটে যাবে তখন চাকরির বাজারে এদের মূল্য কি থাকবে? এরকম হাজারো প্রশ্ন । কাকে দায়ী করা যাবে ? অবশ্যই ছাত্রছাত্রীর অবিভাবকদের । তাঁদের চাপেই পরীক্ষা বাতিল করতে হয়েছে । আজ সে কারণে প্রশ্নের মুখে তাদেরই পরতে হবে ।

মাধ্যমিকের ফলপ্রকাশ, ১০০ শতাংশ পাশের হার

আজ বিকল্প মূল্যায়ন পদ্ধতির উপর ভিত্তি করে প্রকাশিত হল ২০২১এর মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল। ব্যাতিক্রমী পরিস্থিতিতে চলতি বছর পাশের হার ১০০ শতাংশ, যা একেবারেই নজিরবিহীন। ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীদের পাশের হার বেশি। সকাল ৯টায় সাংবাদিক বৈঠক করে ফলাফল ঘোষণা করেছেন মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়। দশটা থেকে ওয়েবসাইট ও অ্যাপের মাধ্যমে ফল জানতে পারবে ছাত্রছাত্রীরা।চলতি বছর মোট পরীক্ষার্থী – ১০,৭৯,৭৪৯। ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীদের সংখ্যা বেশি। পাশ করেছে সকলেই, অর্থাৎ পাশের হার ১০০ শতাংশ। গতবছর তা ছিল ৮৬.৩৪ শতাংশ। করোনা আবহে এ বছর বাতিল করতে হয়েছে পরীক্ষা। করোনা আবহে এবছর কোনও মেধাতালিকা প্রকাশ হবেনা। সকাল ১০ টা থেকে ওয়েবসাইটে ফলাফল জানা যাবে। দেখে নেওয়া যাক:

www.wbbse.wb.gov.in
https://wbresults.nic.in
www.exametic.com


আজ থেকে শুরু জয়েন্ট এন্ট্রাস, একনজরে দেখে নেওয়া যাক হেল্পলাইন নম্বর

শনিবার থেকে শুরু জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষা। করোনাকালে এই প্রথম অফলাইন পরীক্ষা। রাজ্যের ২৭৪টি কেন্দ্রে সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৪-টে পর্যন্ত পরীক্ষা দেবেন ৯২ হাজারের বেশি পরীক্ষার্থী। সে কারণেই স্টাফ স্পেশাল লোকাল ট্রেনে পরীক্ষার্থী এবং তাদের অভিভাবকদের উঠতে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল। অ্যাডমিট কার্ড দেখালেই স্পেশাল লোকাল ট্রেনে ওঠা যাবে, মিলবে টিকিট। এদিন রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে কন্ট্রোল রুম। প্রায় ৮টি রুটে বিনামূল্যে বাস পরিষেবা দেবে জাতীয় বাংলা সম্মেলন।

বাস চলবে- লেকটাউন-টালিগঞ্জ, ব্যারাকপুর-বালিগঞ্জ, বারুইপুর-গড়িয়া, চিড়িয়ামোড়-জোকা ট্রাম ডিপো, চিড়িয়ামোড়-নিউটাউন, চণ্ডীতলা-হাওড়া ময়দান, কোন্নগর-চুঁচুড়া, উলুবেড়িয়া-হাওড়া ময়দান এই রুটগুলিতে। এছাড়া আজ স্পেশাল মেট্রোয় যাতায়াত করতে পারবে পরীক্ষার্থীরা। কোনও সমস্যায় পড়লে টোল ফ্রি হেল্পলাইন নম্বর চালু করেছে রাজ্য সরকার। সেগুলি হল-০৩৩২৩৬৭/১১৫৯/১১৪৯/১১৯৯। যদিও এবছর করোনা অতিমনারিতে এই প্রথম অফলাইন জয়েন্ট এন্ট্রাস পরীক্ষা শুরু হতে চলেছে।


আজ থেকে চালু হল মেট্রো, মানতে হচ্ছে একাধিক নিয়ম

কলকাতা: করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে কলকাতার মেট্রো  বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এরপর প্রায় ৬১ দিন পর আজ ফের শহরে চালু হল মেট্রো। যদিও গত মে মাসে সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার কারণে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল মেট্রো পরিষেবা। তবে  পরিস্থিতি কিচুটা বলা যায় স্থিতিশীল। সেই কথা মাথায় রেখে রাজ্য সরকাররে তরফে বেশ কিছু ছাড়ের কথা বলা হয়েছে। তার মধ্যে মেট্রোয় এবার সাধারণ যাত্রীরা চলাচল করতে পারবে বলে জানানো হয়েছে। সেইমত  শুক্রবার অর্থাৎ আজ থেকেই চালু হল সাধারণ যাত্রীদের জন্য মেট্রো পরিষেবা।যদিও এতদিন মেট্রো চালু থাকলেও বলা হয়েছিল , শুধুমাত্র যারা জরুরি পরিষেবায় যুক্ত তাঁরাই একমাত্র মেট্রোতে যাতায়াত করতে পারবে। এদিকে অধিকাংশ সাধারণ মানুষের পক্ষে অনেকটা সমস্যার মধ্যে যাচ্ছিল।

তবে আজথেকে মেট্রো চালু হলে ও বেশ কিছু কিছু নিয়ম মেনেই চলতে হবে. প্রায় ২ হাজার যাত্রী উঠতে পারবে মেট্রোতে।ছাত্র স্মার্ট কার্ড থকা আবশ্যক। টোকেন আপাতত বন্ধ রয়েছে। এছাড়া মাস্ক পড়া থেকে শুরু করে সামাজিক দূরত্ববিধি মেনে চলতে হবে. যদিও মেট্রো সকাল ৮ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত চলবে।

সোম থেকে শুক্র, সকাল আটটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত মিলবে নিরবিচ্ছিন্ন পরিষেবা। এই পাঁচদিন দৈনিক ৯৬ জোড়া অর্থাৎ ১৯২টি মেট্রো চলবে। শনিবার মেট্রো চলবে, তবে সাধারণ যাত্রীরা ওই দিন সফর করতে পারবেন না। কেবলমাত্র জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরাই ওইদিন ট্রেনে সফর করতে পারবেন। শনিবার ৫২ জোড়া অর্থাৎ ১০৪টি ট্রেন চলবে। রবিবার মেট্রোর  চাকা গড়াবে না। তবে এতদিন পর মেট্রো চলতে স্বস্তি মিলল শহরবাসীর।

কলকাতায় ফের জ্বালানির ছ্যাঁকা

কলকাতা : কলকাতায় আজ ও ফের বাড়ল পেট্রোল-ডিজেলের দাম। টানা দিনদিন পর বৃহস্পতিবার অর্থাৎ আজও জ্বালানির দাম বাড়তে সমস্যার মুখে সাধারণ আমজনতা। বৃহস্পতিবার শহর কলকাতায় ৩৯ পয়সা বাড়ল লিটার প্রতি পেট্রোলের দাম। আর ডিজেলের দাম বাড়ল লিটার প্রতি ২১ পয়সা। আজ কলকাতায় পেট্রোলের দাম লিটার প্রতি ১০১.৭৪ পয়সা। এছাড়া ডিজেলের দাম বেড়ে হয়েছে ৯৩.০২ পয়সা।

একদিকে চলছে করোনা অতিমারী অন্যদিকে নেই মানুষের কাজ ,কিংবা বেতন কম.আর তারমধ্যেই প্রতিনিয়ত জ্বালানির তীব্র জ্বালা। ইতিমধ্যে জ্বালানির দাম বাড়ায় আমজনতা তীব্র প্রতিবাদে সরব হয়েছে। একদিকে যখন পেট্রল-ডিজেলের দাম বাড়ছে তখন আবার পাল্লা দিয়ে বাড়ছে রান্নার গ্যাসের দাম. মানুষ একেবারে নাস্তানাবুদ হয়ে উঠেছে।বাজারে প্রতিনিয়ত বাড়ছে সবজির দাম।  তবে কি হুঁশ ফিরছেন কেন্দ্রের। কোনোরকম পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছেনা। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন এদিকে প্রত্যেকদিন জ্বালানির দাম বাড়লে চলবে কি করে। চিন্তার ভাঁজ কপালে আমজনতার।

রথযাত্রার পুন্য তিথিতে যেকোনো কাজ শুভ,জেনে নিন সঠিক সময়

আজ রথযাত্রা। রথের দিনটি সবচেয়ে শুভ দিন হিসেবে মনে করেন হিন্দুরা। এদিন গোটা দেশ জুড়ে ভক্তরা জগন্নাথের মাসির বাড়ি বেড়াতে যাওয়ার উৎসব পালন করেন। রথযাত্রার দিন শ্রীজগন্নাথ, বলরাম এবং সুভদ্রা বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে শোভাযাত্রা সহকারে নিজের বাড়ি থেকে এক সপ্তাহের জন্য মাসির বাড়ি বেড়াতে যান। কিন্তু তারও একটা শুভ সময় রয়েছে।


রথের দিন পুজো করা কিংবা অনুষ্ঠান, বা শুভ কাজের জন্য আজকের দিনটি ভালো দিন. আগামী ১২ জুলাই, ২৭ আষাঢ়, সোমবার রথযাত্রা উৎসব। ভারতের বাইরেও পালন করা হয় এই দিন। তৃতীয়া লাগছে ১২ জুলাই সকাল ৮টা ২১ মিনিট থেকে চলবে ১৩ জুলাই সাকল ৮টা ২৫ পর্যন্ত। এই সময়কালকে  শাস্ত্রমতে শুভ সময় হিসেবে মনে করা হচ্ছ।  কথায় আছে রথের দিন দড়ি টানা শুভক্ষণ। তাই আপনারা সকলেই এই দিনটিতে একবার হলেও রথের দড়ি টানতে পারেন। রথযাত্রার পুন্য তিথিতে যেকোনো কাজ করাই শুভ.


দিল্লিতে দিলীপ

বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা সাংসদ দিলীপ ঘোষ গতকাল রাতেই দিল্লি পৌছিয়ে গিয়েছেন । মূলত সর্বভারতীয় বিজেপি সভাপতি জে পি নাড্ডার সাথে তাঁর বৈঠক । কেন্দ্র মন্ত্রীসভায় বড়সড়ো পরিবর্তনের সময়ে শোনা গিয়েছিলো দিলীপকে হয়তো কেন্দ্রের ক্যাবিনেট মন্ত্রী করা হতে পারে কিন্তু দিলীপবাবু বাংলার সংগঠন নিয়েই থাকতে চান । এরপর শুভেন্দু দিল্লি সফর করেন এবং দলের সর্বস্তরের নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন । শোনা গিয়েছে শুভেন্দুর উপর নাকি মোদি শাহরা এখন অনেকটাই নির্ভর করছেন । এই ঘটনাক্রমে দিলীপ ঘনিষ্ঠরা বেশ অখুশি বলেই শোনা গেলো । এবারে রাজ্য সংগঠনকে আরও নিজের হাতে নিতে চাইছেন দিলীপ বলে খবর ।
দলের অভ্যন্তরে অনেক নেতা বর্তমানে বাঁকা সুরে কথাবার্তা বলছেন যথা বাবুল সুপ্রিয়, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, সৌমিত্র খান প্রমুখ । নিজের হাতে রাশ নিয়ে কড়া বার্তা দিতে চান বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলে । দিলীপ নিশ্চই চাইবেন দল বিরোধী কাজ বা মন্তব্য বন্ধ হোক । সুতরাং দিলীপের দিল্লি সফরে হয়তো চেইপ পড়বেন বাংলার অনেক নেতা ।

শুনানির আগেই মৃত্যু স্ট্যান স্বামীর

সোমবার জরুরি ভিত্তিতে অন্তর্বর্তীকালীন জামিনের আবেদন জানানো হয়েছিল। তবে বম্বে হাই কোর্টে সেই শুনানি শুরুর আগেই সব শেষ। প্রয়াত সমাজকর্মী স্ট্যান স্বামী। এলগার পরিষদ মামলায় অভিযুক্ত স্ট্যান স্বামী ২০১৭ সালের ডিসেম্বর মাস থেকে জেলে ছিলেন। কিন্তু জামিন-শুনানির আগেই শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করলেন। যদিও গত ২৮ মে মুম্বইয়ের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি।

বেশকয়েকদিন ধরেই  সমাজকর্মীর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটতে শুরু করেছিল। আইনজীবী জানান, রবিবার রাতে তাঁর অবস্থা আরও খারাপ হয়। আর সোমবার ভোর সাড়ে ৪টে নাগাদ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় তাঁর।

ফের রাজ্যে কমল দৈনিক সংক্রমণ

রাজ্যে কমল ফের দৈনিক সংক্রমণ। ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছে বাংলা। এদিকে কিছুটা কম মৃত্যু। গত ২৪ ঘন্টায় স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী , নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১৮৯৪ জনমৃ। ত্যু হয়েছে ৩২ জনের। একদিনে করোনায় সুস্থ হয়েছেন, ১৯৯৪ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার ৯৭.৩৪ শতাংশ। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ে প্রতিনিয়ত বাড়তে থাকে এই মারণ ভাইরাস।

তবে লকডাউন থাকায় কিন্তু খানিকটা কমেছে সংক্রমণ। তবে তার মধ্যেও উত্তর ২৪ পরগনা জেলার ছবিটা অন্যরকম। তারপরে রয়েছে কলকাতা ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা। তবে করোনার নতুন প্রজাতি 'ডেল্টা' আতঙ্ক তৈরী করছে। এখন দেখার রাজ্যে কতটা এই স্ট্রেনের প্রভাব পরে।

সপ্তাহান্তে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি

রাজ্যে ফের বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা। আজ ও কাল বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি চলবে। শনিবার ও রবিবার বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা বৃষ্টি বিক্ষিপ্তভাবে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের জেলাতে। দক্ষিণবঙ্গের  দু-এক জেলায় বৃষ্টি বাড়বে সোমবার থেকে। সোমবার পশ্চিম মেদিনীপুর ঝাড়গ্রাম দু-এক পশলা ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা। মঙ্গলবার মুর্শিদাবাদ ও বীরভূম জেলায় অপেক্ষাকৃত বেশি বৃষ্টি। দু এক পশলা ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা।

এদিকে ঝাড়খণ্ডে ঘূর্নাবাতের জেরে আগামী ৪৮ ঘন্টা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া সোমবার থেকে  উত্তরবঙ্গে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা জানালো  হাওয়া অফিস।


দিল্লি নয়, নবান্নে গেলেন আলাপন

আজ রাজ্যের মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের  দিল্লির  উদ্দেশ্যে  রওনা দেওয়ার কথা ছিল। তবে সেটা বদলে গিয়ে নবান্নে গেলেন তিনি। এদিকে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে রাজ্যের মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কেন্দ্রের সরকার ব্যবস্থা নিতে চলেছে। সোমবার সকাল ১০ টায়  তার দিল্লির কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের কর্মিবর্গ দফতরে পৌঁছনোর কথা ছিল.কিন্তু শেষমেষ সেটা যে হচ্ছেনা তা স্পষ্টত বুঝিয়ে দিলেন তিনি। যদিও এবার রাজ্য ও কেন্দ্রের মধ্যে আরও সংঘাত বাড়ল।
সোমবার যে আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লি যাচ্ছেন না তা প্রধানমন্ত্রী কে চিঠি  লিখে জানালেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সম্প্রতি মুখ্যসচিব পদে আলাপনের কাজের মেয়াদ তিন মাস বাড়াতে বলে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে প্রস্তাব পাঠিয়েছিল নবান্ন। রাজ্যের সেই প্রস্তাবে সিলমোহর দিয়েছিল দিল্লিও। দিল্লির পরবর্তী নির্দেশে আলাপনের মেয়াদ বৃদ্ধির প্রথম নির্দেশটি রদ হল কি না, তা কেন্দ্রের তরফেও স্পষ্ট জানায় হবে। যদি ও কলাইকুণ্ডার বৈঠক থেকে আলাপনের চলে যাওয়াতেই তার এই বদলির কারণ।

সুস্থ হয়ে বাড়ির পথে মদন মিত্র,খোশমেজাজে গান গাইলেন হাসপাতালে

রবিবাসরীয় দিনে অবশেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরার পথে মদন মিত্র। বেলা ১২ টা  নাগাদ হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন কামারহাটির  বিধায়ক মদন মিত্র। সকালে এসএসকেএম হাসপাতালে পুজো দিয়ে নিজেই গাড়ি চালিয়ে  বাড়ির দিকে রওনা দিলেন তিনি। হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে খোশ মেজাজেই দেখা যায় মদন মিত্রকে। বলে দেন, “আমার নাকে লাম্প, ফুসফুসে প্যাচ দেখা দিয়েছিল। মুখ থেকে রক্ত বেরচ্ছিল। করোনা পরবর্তী সমস্যাও দেখা দিয়েছিল শরীরে। কিন্তু এসএসকেএমের চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা অক্লান্ত পরিশ্রম করে আমায় সুস্থ করে তুলেছেন। এছাড়া আমার কোনও অভিযোগ নেই। এদিকে বাড়ি ফেরার আনন্দে হাসপাতাল চত্বরে গান গেয়ে ফেললেন তিনি।

করোনার বিরুদ্ধে কঠিন লড়াই, মন কি বাতে আশ্বাস

 দেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়তেই বেসামাল হয়ে উঠেছে গোটা দেশ। সংক্রমণের সাথে সাথে বাড়ছে মৃতের  সংখ্যা। এদিকে ভ্যাকসিনের যোগান কম থাকার জেরে অভিযোগ উঠছে বারবার। রবিবার 'মন কি বাত 'এর মাধ্যমে জাতির উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি  জানালেন, লড়াই কঠিন। ভারত বরাবর কঠিন চ্যালেঞ্জ জিতে এসেছে। এবারও কেন্দ্র-রাজ্য একসঙ্গে  লড়াই করছে। তবে সেই যুদ্ধজয়ের  ব্লু প্রিন্ট কী, তা নিয়ে এদিনও স্পষ্ট দিক নির্দেশ করতে পারলেন তিনি। আজকের এই মন কি বাটে তিনি ফের লড়াইয়ের কোথায় বললেন।
করোনা পরিস্থিতিতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে চিকিৎসা পরিকাঠামো, অক্সিজেন অথবা  টিকার সংকট নিয়ে একাধিক অভিযোগ আসছে। অনেকেই মনে করেছিলেন এদিন এই পরিস্থিতি নিয়ে কেন্দ্রের তরফে প্রধানমন্ত্রী সদার্থক বার্তা দেবেন। কিন্তু ৪০ মিনিটের এই ভাষণে সেসব নিয়ে একটিও শব্দ খরচ করলেন না  মোদি।

ফের গান গাইলেন মদন

আগের থেকে অনেকটাই সুস্থ হয়ে উঠছেন তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র। সিবিআইয়ের হাতে বন্দি হওয়ার পর অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। তার উচ্চ শর্করা রোগ এবং শাসকষ্টের সমস্যা আগেই ছিল।  ফলে অক্সিজেনের সাহায্যে এসএসকেমে তার চিকিৎসা শুরু হয়। এর মধ্যে গঙ্গা দিয়ে অনেক জল বয়ে গেছে। অন্তর্বর্তী জামিন পেয়েছেন চ্যার নেতাই। আগেই বাড়ি ফিরে  গিয়েছিলেন ফিরহাদ হেকিম,সুব্রত মুখোপাধ্যায়, এবং শোভন চট্ট্যোপাধ্যায়। কিন্তু হাসপাতাল কতৃপক্ষ তথা চিকিৎসকরা মুক্তি দেন নি মদন বাবুকে। কিন্তু কোথাও স্বাভাবিক জীবন যাত্রাতে এসে ফেসবুক প্রেমী মদন মিত্র তার নিজে পেযে ফের গেলেন গান। তবে এই গান খুবই অর্থপূর্ণ।