আগামীতে একের বিরুদ্ধে এক - মমতা

আজ দলীয় সাংসদদের সাথে বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী সর্বভারতীয় ও কলকাতার সাংবাদিকদের চায়ে আমন্ত্রণ জানান । সেখানে তিনি বলেন যে আগামী লোকসভা নির্বাচনে মোদী ও তাঁর দলের বিরুদ্ধে একের বিরুদ্ধে এক লড়াই হবে । একই ঘটনা ঘটবে উত্তরপ্রদেশ সহ বিভিন্ন রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে ।

তিনি জানান যৌথ আন্দোলন চলবে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে । বিরোধী দলগুলিকে একাট্টা করার দায়িত্বও যে মমতা নিচ্ছেন তা ইঙ্গিতে প্রকাশ করেছেন । ত্রিপুরায় আইপ্যাকের কর্মীদের আটকে রাখার চরম সমালোচনা করেন তিনি । মতের উপর মমতার 'খেলা হবে' চলেছে ।

আজ মমতা সোনিয়া বৈঠক

বুধবার সারাদিনই ব্যস্ত থাকবেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । দুপুর ১ টাই দলীয় সাংসদের সাথে বৈঠক করবেন রাজ্যসভার সদস্য সুখেন্দুশেখর রায়ের বাড়িতে তারপর সর্বভারতীয় মিডিয়ার সাংবাদিকদের সাথে বসবেন । এরই মাঝে কেউ কেউ হেভিওয়েট নেতারা বিভিন্ন দল থেকে তাঁর সাথে দেখা করতে আসতে পারেন বলে সংবাদ । বিকেলে মমতা দেখা করবেন কংগ্রেসের সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীর সাথে সেখানে প্রিয়াঙ্কা গান্ধীরও থাকার কথা ।

যোগাযোগের কথা আছে বরিষ্ঠ নেতা শারদ পাওয়ারের সাথেও । এরই মধ্যে সূত্রের খবর এসপি নেতা অখিলেশ যাদব, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে পারেন । সন্ধ্যার পর তাঁর সাথে দেখা করতে আসবেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল । মতের উপর সারাদিনই যোগাযোগে ব্যস্ত মমতা 

দিল্লিতে দিদির অপেক্ষায় শতাব্দী

লোকসভায় পেগাসাস নিয়ে প্রতিবাদ এবং স্লোগানে গলা ভেঙে গিয়েছে গ্লামার দুনিয়ার অভিনেত্রী এবং তিনবারের জিতে আসা তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায় । লোকসভায় নিয়মিত থাকার ফলে রাজনীতিটি আয়ত্বে নিয়ে এসেছেন । সি এন পোর্টালকে একান্ত সাক্ষৎকারে জানালেন, এখন আর রবিবার বা বিশ্রামের অবকাশ নেই । দিল্লিতেই থাকছি , দিদি আসছেন কাল সুতরাং তাঁর অপেক্ষাতেই বসে আছি । শতাব্দী জানালেন " পেগাসাস নিয়ে যে নোংরামি হচ্ছে তা স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে অভূতপূর্ব "। এখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লিতে আসছেন ফলে লোকসভায় বা রাজ্যসভায় যোগাযোগের কাজগুলি করছেন শতাব্দী সহ বাকি সাংসদরা ।

আরও পড়ুনঃ ছুটির বাজারেও পেগাসাস

শতাব্দী জানালেন, যে ভাবে নিয়মিত হারে পেট্রোলিয়াম সামগ্রীর দাম বাড়ছে একই সাথে করোনার টিকা নিয়ে রাজনীতি চলছে তা বর্তমান সরকারের অপদার্থতা আজ জনগণের সামনে । তিনি বললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ২০২৪ এ পরিবর্তন আসবেই এবং তাই নিয়ে সম্মিলিত আন্দোলনের পথে তৃণমূল । ফিল্ম নিয়ে প্রশ্ন করলে হেসে বললেন, দেশের অর্থনীতি ভেঙে পড়েছে আগে তার পরিবর্তন হোক তারপর বাকি সব ।


রাজ্যসভায় তৃণমূলের জহর সরকার

অবশেষে দীনেশ ত্রিবেদীর স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন প্রসার ভারতীয় প্রাক্তন প্রধান, জহর সরকার ( আইএএস) । আজই নাকি জহরবাবুকে ফোন করে মুখ্যমন্ত্রী নিজেই কথা বলেন । জহরবাবুকে রাজ্যসভার সদস্য হওয়ার অনুরোধ করলে তিনি রাজি হয়ে যান । কিন্তু কয়েকদিন ধরে নানান নাম থাকা সত্বেও জহর সরকার কেন ? জানা গিয়েছে দীর্ঘদিন নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেছেন তিনি এবং প্রসার ভারতীর প্রধান হওয়ার কারণে সমস্ত রাজ্যের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ছিল সর্বোপরি উচ্চ শিক্ষিত এই ব্যক্তিত্বর ইমেজ সচ্ছ ।

বর্তমানে তৃণমূল দল যে সচ্ছতা চাইছে দলের নেতাদের তার অন্যতম উদাহরণ অরাজনৈতিক জহরবাবুকে রাজ্যসভায় পাঠানো । অবশ্য এক সময়ে কংগ্রেসের গুডবুকে থাকা জহরবাবু সম্প্রতি আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের বদলি নিয়ে তুলোধোনা করেছিলেন মোদী সরকারকে । তিনি জানিয়েছিলেন, মোদী অমিত শাহ পাগল হয়ে গিয়েছেন । কার্যত মোদী বিরোধী সোজাসাপ্টা কথা বলা জহরবাবুর দায়িত্ব থাকবে আগামীদিনে প্রশাসনিক দিকে কেন্দ্রর নীতিকে সমালোচনা করা ।


আজও বিতর্কে ২১ জুলাই

রাজ্যের পাশাপাশি এবার ভিনরাজ্যে একুশের শহিদ দিবস পালন করল তৃণমূল। পাল্টা ওই দিন শহিদ শ্রদ্ধাঞ্জলি দিবস পালন করল বিজেপি। কিন্তু আজও বিতর্কিত একুশে জুলাই। 

১৯৯৩ সাল। মহাকরণ অভিযানের ডাক দিয়েছিল যুব কংগ্রেস। তখন প্রদেশ যুব কংগ্রেসের সভাপতি ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তখনও তৃণমূল কংগ্রেস তৈরি হয়নি। সেই দিন পুলিসের গুলিতে যারা শহিদ হয়েছিলেন তারা সবাই কংগ্রেস কর্মী। যুব কংগ্রেস এর তরফ থেকে তারপর প্রতি বছরই পালন করা হয় শহিদ দিবস। 

১৯৯৮ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেস তৈরি করেন। তারপর থেকে কার্যত তৃণমূলের হাতেই চলে গিয়েছে শহিদ দিবস। তবুও প্রতি বছর যুব কংগ্রেস পালন করে শহিদ দিবস। এ বছরও তারা গঙ্গায় তর্পণ করে পালন করল শহিদ দিবস। অন্যদিকে বিজেপি পালন করল শহিদ শ্রদ্ধাঞ্জলি দিবস। ফলে প্রশ্ন উঠেছে ? ২১ শে জুলাই কার ?

এদিকে এবার ভিনরাজ্যে তৃণমূল একুশের শহিদ দিবস পালন নিয়ে শাসক দলকে কটাক্ষ বিজেপি নেতা তথা বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর। তিনি বলেন, বাইরের রাজ্যে তৃণমূলের শহিদ দিবস হল গরুর গাড়ির হেডলাইট।  উত্তরপ্রদেশ, আসাম, ত্রিপুরায় তৃণমূল ভোটে লড়েছে। সেখানে নোটার থেকেও কম ভোট পেয়েছে। 

রাজ্যে ২১শে জুলাই তৃণমূলের শহিদ দিবসের দিনই হেস্টিংসে বিজেপির কার্যালয়ে "গণতন্ত্র বাঁচাও, পশ্চিমবঙ্গ বাঁচাও" কর্মসূচি পালন করল বিজেপি। পাশাপাশি জেলায় জেলায় পালিত হয়  শহিদ শ্রদ্ধাঞ্জলি দিবস। 


একুশের ২১ Live

আজ ২১শে জুলাই দুপুর ২ টোয় ভার্চুয়ালি ভাষণ দেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।  শুধু রাজ্য নয়, সারা দেশ তাকিয়ে আছে, কী বার্তা দেন। কারণ  আগামী ২০২৪-এ লোকসভা নির্বাচন। 

১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই কলকাতার রাজপথে পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হয় ১৩ জন যুব কংগ্রেস কর্মীর। তারপর থেকে প্রতিবছর ২১ জুলাই দিনটিকে "শহিদ দিবস" হিসেবে পালন করে আসছে তৃণমূল।


মদনের পৌষ মাস

যদিও সময়টা বাদলের শ্রাবনের শুরু কিন্তু মদন মিত্রের পৌষ মাস । এবারের নির্বাচনের পর দীর্ঘ ৫ বছর বাদে মদন ফের বিধায়ক । ২০১১ তে ভোট জিতে পরিবহন মন্ত্রী হয়েছিলেন কিন্তু সেই দায়িত্ব বেশিদিন পালন করতে পারেন নি মদনবাবু । সারদা কাণ্ডে জেল খাটতে হয়েছিল বহুদিন । ফায়ার এসে আর মন্ত্রিত্ব জোটে নি । এরই মধ্যে ২০১৬র নির্বাচনে পরাজিত হয়েছিলেন । এই বড় সময়টি মাদান অনেকটাই একা ছিলেন । বহুদিনের অভিজ্ঞতা তাঁর রাজনীতিতে । অনেকটাই হতাশ হয়ে নিজের সংগঠন এবং ফেসবুক নিয়েই সময় কাটাচ্ছিলেন তিনি । কিন্তু চিরকালই মানুষের চিকিৎস্যার বিষয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন তিনি ।

এবারে ভোট ফের জিতলেন কিন্তু জুটলো না কোনও মন্ত্রিত্ব উল্টে আবার নারদ কাণ্ডে কয়েকদিনের জেল । এরই মধ্যে বারম্বার অসুস্থ হয়েছেন । এবারে নতুন পদ পেলেন । বিজেপি, মুকুলকে পিএসি র চেয়ারম্যান করার প্রতিবাদে তাদের প্রাপ্ত ৮/৯ টি স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান পদ থেকে বিধায়কদের পদত্যাগ করিয়েছে সে কারণে ওই পদগুলির অন্যতম একটির প্রাপ্তি হয়েছে মদন মিত্রের । পদটি যথেষ্ট সম্মানের এবং উপমন্ত্রীর সমতুল্য । সোমবার থেকে পূর্ণ্যদ্যোমে অফিস শুরু করছেন জনতার প্রিয় নেতা মদন মিত্র । 


উপনির্বাচনের দাবিতে কমিশনে যাচ্ছে তৃণমূল

বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনের অফিস যাচ্ছে তৃণমূলের প্রতিনিধি দল । ৬ টি কেন্দ্রে ভোট বাকি । এর মধ্যে ভবানীপুর কেন্দ্রের প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । এছাড়ার দিনহাটা, শান্তিপুর ,খড়দহ,  সহ মধ্যে বাংলার দুটি আসন । নিয়ম বলছে ৬ মাসের মধ্যে নির্বাচন না হলে না জেতা মন্ত্রীদের মন্ত্রীদের মন্ত্রিত্ব চলে যাবে অন্তত ২৪ ঘন্টার জন্য । বিধানসভায় যেতে পারবেন না তাঁরা । সমস্যা তৈরী হয়েছে এখানেই ।


এই কারণে কমিশনের কাছে দরবার করতে যাচ্ছে তৃণমূল । তাঁদের দাবি পূর্ণ করোনা আবহে যদি পশ্চিমবঙ্গে ৮ দফার ভোট হতেও পারে তবে এখন এই মুহূর্তে সংক্রমণ কম ভোট করা হোক এখনই । তাঁরা দাবি তুলেবন যে ৭ দিনের নোটিশে ভোট সম্ভব । ডেরেক ও'ব্রায়ান , সুখেন্দুশেখর রায় প্রমুখেরা যাচ্ছেন দরবার করতে ।

তৃণমূলের পথে রাঘব বোয়ালরা?

তৃণমূলের অন্দরের খবর জেলা থেকে ব্লক স্তরে বড়সড়ো পরিবর্তন আসছে । দীর্ঘদিন ধরে চেয়ার আগলে যারা ছিলেন তাদের অনেকেই ছাঁটাইয়ের ঘরে যেতে পারে । ২১ জুলাই তৃনমুলের শহীদ দিবসের আগে পরে ঘোষণা হতে পারে । এমনও হতে পারে একটি জেলাকে দুই ভাগে ভাগ করে দুই নেতার উপর দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে । এক ব্যক্তি এক পদের বিষয়টি তো থাকবেই ।অন্যদিকে তৃণমূলের পথে অনেক নেতাই আসার পথে । প্রথমেই যে নামটি ঘুড়ছে তিনি শত্রুঘ্ন সিনহা । প্রবল মোদি বিরোধী এই নেতা দল পাল্টিয়ে কংগ্রেসে গিয়ে কিছুই করতে পারছেন না । গুঞ্জনে শত্রুঘন প্রথম থেকেই মমতামুখী । তাঁকে দলে এনে রাজ্যসভায় পাঠানো হবে কি ? এমনটাই শোনা যাচ্ছে । সুর পাল্টিয়েছেন সাংসদ বাবুল সুপ্রিয় । তিনি মোদির প্রিয়পাত্র হলেও বর্তমান বিজেপির উপর বেজে খাপ্পা । নিজের পেজে তা ব্যক্ত করেছেন । শোনা যাচ্ছে একটা যোগসূত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে বাবুলের নাকি হয়েছে । এ ছাড়াও লম্বা লিস্ট আছে যা চমকদার । 

দিনভর জ্বালানি আন্দোলনে তৃণমূল

কলকাতাঃ বেড়েই চলেছে পেট্রোল- ডিজেলের দাম। জ্বালানির দামবৃদ্ধিতে বাড়ছে পণ্য পরিবহণের খরচ।আর তার প্রভাব পড়ছে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দামে। ফলে জ্বালানির জ্বালায় বেসামাল মধ্যবিত্ত পরিবার।

জ্বালানির দামবৃদ্ধির প্রতিবাদে আন্দোলনে নেমেছে তৃণমূল কংগ্রেস। শহর কলকাতাসহ জেলায় জেলায় চলছে আন্দোলন। কোথাও কুশপুতুল দাহ,কোথাও টায়ার জ্বালিয়ে চলে প্রতিবাদ। আবার কোথাও গরুর গাড়ি টেনে নিয়ে যাচ্ছে গাড়ি, কোথাও হচ্ছে বাইকের শ্রাদ্ধ। তাছাড়া ঠেলাগাড়িতে স্কুটার চাপিয়ে অভিনব প্রতিবাদ তৃণমূল কর্মীদের।



মন্ত্রী সুজিত বসুর নেতৃত্বে লেকটাউনে প্রতিবাদ।এছাড়া কুলটির ডুবুরডি চেকপোস্ট এলাকায় আগুন জ্বালিয়ে রাস্তায় বসে রান্না করে প্রতিবাদ। ২ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে বিক্ষোভ দেখান তৃণমূল কর্মীরা।

পেট্রোপণ্য ও রান্নার গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে চেতলায় অহীন্দ্র মঞ্চের সামনে অবস্থান বিক্ষোভ। হাজির ছিলেন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম এবং বিধায়ক পরেশ পাল। বেহালার চড়কতলা এলাকায় সাইকেল চালিয়ে ঘুরলেন কলকাতা পুরসভার প্রশাসকমণ্ডলীর সদস্য তারক সিং।



শনিবার শহরবাসীকে এক লিটার পেট্রলের জন্য খরচ করতে হবে ১০১ টাকা ১ পয়সা। লিটারপিছু ৩৯ পয়সা বাড়ল দাম। বেড়েছে ডিজেলের দামও।লিটারপ্রতি ৩২ পয়সা বেড়ে কলকাতায় ডিজেলের নতুন দাম ৯২ টাকা ৯৭ পয়সা।

শুভেন্দুর গড়ে বিজেপিতে বড়সড় ভাঙন

নন্দীগ্রাম: শুভেন্দুর গড়ে বিজেপিতে ভাঙন! বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান। রবিবার নন্দীগ্রামের কয়েকশো বিজেপি নেতা-কর্মী তৃণমূলের  পতাকা হাতে তুলে নিলেন।  

স্থানীয় তৃণমূলের দাবি, গেরুয়া শিবিরের ওপর বীতশ্রদ্ধ হয়ে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিচ্ছেন। আর যারা তৃণমূলে যোগ দিচ্ছেন ,তারা বেশির ভাগই বিজেপির পুরানো কর্মী। যোগদান নিয়ে মুখে কুলুপ এটেছেন স্থানীয় বিজেপি।

শুধু বিজেপি নয়, নন্দীগ্রামের সিপিএম ও কংগ্রেস থেকেও অনেক নেতা কর্মী এ দিন শাসকদলে যোগ দেন বলে সূত্রের খবর। তবে রাজ্যের বিরোধী দলনেতার এলাকায় বিজেপিতে ভাঙন, চিন্তায় ফেলেছে পদ্মশিবিরকে।

ধনখরের সঙ্গে প্রতারকের দেহরক্ষীর ছবি

এবারে চমক ফের তৃণমূলের পক্ষ থেকে রাজ্যপালের বিরুদ্ধে | প্রথমে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন, রাজ্যপাল ধনখরের নাম জৈন হাওয়ালা কাণ্ডে জড়িত | এবারে তৃণমূলের রাজ্যসভার সদস্য তথা জাতীয় মুখপাত্র সুখেন্দু শেখর রায় বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠক ডেকে ভ্যাকসিন প্রতারক দেবাঞ্জন দেবের বিষয়ে নতুন আলোকপাত করেন |



তিনি দুটি ছবি তুলে দেখান রাজ্যপাল জগদীপ ধনকরের সাথে দেবাঞ্জন দেবের দেহরক্ষী ছবি | সুখেন্দুবাবু প্রশ্ন তুলেছেন কেন রাজ্যপালের সাথে বা তাঁর পরিবারের সাথে দেবাঞ্জনের দেহরক্ষীর ছবি ? তিনি জানান, রাজ্যপালের অফিস থেকে বিভিন্ন মানুষের কাছে 'খাম' বা উপহার বাহন করে নিয়ে যেতেন এই দেহরক্ষী অরবিন্দ বৈদ্য |

মুকুল স্ট্র্যাটেজি

রবিবার নিজের নির্বাচনী ক্ষেত্রে গিয়েছিলেন মুকুল রায় | উত্তর কৃষ্ণনগরের মানুষের উপস্থিতি ছিল দেখার মতো | পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, এলাকার মানুষের কাজ তাঁকে তো করতে হবে | শুভেন্দু অধিকারীর মুকুল অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি জানান, শুভেন্দু আগে তাঁর বাবাকে নিয়ে ভাবুক | অর্থাৎ শিশির অধিকারী বিগত নির্বাচনে মোদির মঞ্চে উঠেছিলেন এবং মমতা সরকারের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করেছিলেন, মুকুল সেটাই মনে করিয়ে দেন |মুকুল রায়কে নিয়ে যে জটিলতা তার আপাত সমাধান করা হয়েছে | তিনি বিরোধী আসন অর্থাৎ বিজেপির আসনে গিয়েই বিধানসভায় বসবেন | খাতায় কলমে তিনি এখনও বিজেপির বিধায়ক | এর ফলে তাঁকে পিএসি-র চেয়ারম্যান করতে আর বাধা থাকবে না | রবিবার অবশ্য কৃষ্ণনগরের কয়েকশো বিজেপি কর্মী তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছে |

বাংলার পর এবার কি উত্তরপ্রদেশেও খেলা হবে?

বঙ্গীয় বিধানসভা নির্বাচনে টিএমসির ‘খেলা হোবে’ প্রচারের সাফল্যের পরে, উত্তর প্রদেশের সমাজবাদী পার্টি টিএমসির জয়ের একটি শব্দ ধার করেছে বলে মনে হচ্ছে। কানপুরের সমাজবাদী পার্টির এক নেতা ২০২২ সালের উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনের আহ্বান জানিয়ে ‘আব ইউ পি মে খেলা খেলা’ ("খেলা হোই " ) বলে হোর্ডিংস লাগিয়েছে। এই হোর্ডিংগুলিতে অখিলেশ যাদবের নেতৃত্বাধীন সমাজবাদী পার্টির চক্র প্রতীক এবং তাঁর ছবি এবং স্থানীয় নেতৃবৃন্দ অভিষেক গুপ্ত এবং ডাঃ ইমরান রয়েছে।

পঞ্চায়েত ভোটের সাফল্যের পরে, সমাজবাদী পার্টি এখন ২০২২ বিধানসভা নির্বাচনের জন্য উত্তর প্রদেশে যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বাধীন বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ জানাতে আগ্রহী। বিগত বিধানসভা ভোটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল  টিএমসির  ব্যাপক জনপ্রিয় ‘খেলা হোবে’ প্রচারের অনুপ্রেরণা গ্রহণ করে, এসপি মনে হয় ‘খেলা হোই’ পথে চলেছে। সমাজবাদী পার্টি কানপুর শহরজুড়ে ‘খেলা হোই’ স্লোগান দিয়ে বেশ কয়েকটি হোর্ডিং লাগানো শুরু করেছে। রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন , তবে কি বাংলার আদলে " খেলা হবে" স্লোগানে মনোবল বাড়িয়েই কি আসন্ন নির্বাচনে বাজিমাত করতে চাইছে সমাজবাদী পার্টি ?

বাড়িতে গঙ্গাজল ছিটিয়ে তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন বিজেপি কর্মীর

হাওড়াঃ গঙ্গাজলে শুদ্ধিকরনের পর ফিরলেন তৃণমূলে। ঘটনাটি হাওড়ার ডোমজুড়ের। সেখানে বিজেপির ৩৫ জন কর্মী ভোটের পর ঘরছাড়া ছিলেন। এখন তারা বাড়ি ফিরে এসেছেন। কিন্তু ঘরে ঢোকার আগে গঙ্গাজল ছিটিয়ে নিজেদের শুদ্ধ করে নিয়েছেন। এবং তৃণমূলে ফিরে এসেছেন।

তাঁদের দাবি, ঘরে ঢোকার আগে গঙ্গাজল ছিটিয়ে তাঁরা বাড়ি শুদ্ধ করে নিয়েছেন। তবে এই কাজের জন্য তাঁদের উপর কেউ চাপ দেয়নি। নিজেরাই স্বইচ্ছায় এই কাজ করেছেন। তাঁরা আরও জানিয়েছেন, পরিবার নিয়ে শান্তিতে থাকতে চান। ভুল বুঝে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। কিন্তু সেটা ভুল সিদ্ধান্ত ছিল, তা বুঝতে পেরেই ফের তৃণমূল ফিরে এসেছি। তৃণমূল বিধায়ক কল্যাণ ঘোষের উপস্থিতিতে বাড়ি ফেরেন তাঁরা।

ভোটের আগে ডোমজুড়ের সলপ মিশ্রপাড়ার ৩৫ জন বাসিন্দা তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। সেই সময় প্রাক্তন বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ও তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। কিন্তু নির্বাচনে পরাজয় হন তিনি। তার পর থেকেই ঘরছাড়া ছিলেন প্রচুর বিজেপি কর্মী। তারাই এখন বাড়ি ফিরে তৃণমূলে ফিরছেন।