ব্রিগেড মানেই ক্ষমতায় আসা নয়, কটাক্ষ ফিরহাদ হাকিমের

ব্রিগেড সভার পর দীর্ঘ সাংবাদিক বৈঠক করলেন তৃণমূলের ফিরহাদ হাকিম এবং বিজেপির শমীক ভট্টাচার্য। শমীকের বক্তব্যের পরতে পরতে ব্রিগেডের সমালোচনা। কিন্তু তৃণমূলের মুখপাত্র হিসাবে এসে রবিবারের বাম কংগ্রেস সভাকে খুব একটা আমল দিলেন না ববি হাকিম। তিনি বললেন, দলে কিছু ডেডিকেটেড মানুষ থাকেই, আজ তাঁরাই উপস্থিত হয়েছিলেন। ভোটের আগে এমন কিছু তো হয়ই বক্তব্য ফিরহাদের। তবে তাতে উদ্বেগের কিছু নেই বলে ববি জানালেন, নৰেন্দ্ৰ মোদির বিরোধিতা করার ক্ষমতা কংগ্রেসের নেই।


কাশ্মীরের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, কংগ্রেসের কিছুই করার নেই। তবে দলনেত্রীর উপর ভরসা রেখে তিনি বললেন, বিজেপির বিরোধিতা যদি কেউ করতে পারেন তবে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, কংগ্রেস আর বাম হাত মিলিয়েছে সঙ্গে স্ক্র্যাচ আইএসএফ। ববি ১৯৯৩-এর উদাহরণ টেনে বলেন, সেবার যা ভিড় হয়েছিল তাতে তো আমাদের ক্ষমতায় আসা উচিত ছিল, কিন্তু হয়েছিল কি?

অভিষেক, শুভেন্দুর চাপান উতোর

আজ ঘাটালের জনসভা থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ তাঁর বক্তব্যে জানালেন যে মেদিনীপুরে সমস্ত বিজেপি প্রার্থীর পরাজয় হবে | জামানত জব্দও হবে ঘটালে বলে দাবি তাঁর | তিনি ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেন যে মেদিনীপুর কারুর পৈতৃক সম্পত্তি নয় | ইঙ্গিতটি যে অধিকারীতে আটকে তা বলাই বাহুল্য | পাশাপাশি আজ হুগলির ডানকুনির জনসভাতে গর্জে ওঠেন শুভেন্দু অধিকারী | তিনি বলেন, তৃণমূল করোনা ভাইরাসের চেয়েও ভয়ঙ্কর | তিনি সরাসরি আক্রমণ করেন নবান্নর সিএমও অফিসকে | তাঁদের ফোন ট্যাপ করা হচ্ছে বলেও দাবি করেন |
শুরু হয়ে গেল লড়াই | একসময় একসাথে থাকা দুই যুব নেতা আজ পরস্পর বিরোধী | এক সময়ে প্রফুল্ল সেন ও অজয় মুখোপাধ্যায় পরম ঘনিষ্ঠ ছিলেন পরে ১৯৬৭ তে তাঁরা আলাদা হয়ে যান | ৬৭ তে অজয়বাবু হারান প্রফুল্ল সেনকে আবার ১৯৬৯ এ প্রফুল্ল সেন হারান অজয়বাবুকে কিন্তু দুই গান্ধিবাদী নেতার সম্পর্ক নষ্ট হয়নি | কিন্তু আজ বর্তমানের দুই নেতা ব্যক্তিগত লড়াইয়ে নেমেছেন ভোট যুদ্ধে |

‘বাংলা নিজের মেয়েকেই চায়’, তৃণমূলের পাল্টা বিজেপির ৯ মুখ

বহিরাগত ইস্যু খুঁচিয়ে তুলে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিধানসভা ভোটের প্রচারে বলছেন, ‘বাংলা নিজের মেয়েকেই চায়’। এবার এই একই সুর শোনা গেল একঝাঁক বিজেপি নেত্রীর মুখে। তবে কিছুটা ব্যাঙ্গাত্মক ভঙ্গিমায়। এই স্লোগানটিই হাতিয়ার করে এবার পাল্টা প্রচার কৌশল নিল বঙ্গ বিজেপি। এমনিতেই বিধানসভা নির্বাচনের আগে মুখ্যমন্ত্রী মুখ না থাকা নিয়ে তৃণমূলের কটাক্ষের মুখে পড়তে হচ্ছে বঙ্গ বিজেপিকে। এরওপর আবার তৃণমূলের এহেন প্রচার চাপ আরও বাড়িয়ে দিয়েছিল বিজেপির উপর। এবার পাল্টা কৌশল নিল তাঁরাও। ৯ বিজেপি নেত্রীর ছবি সহ একটি পোস্টার সোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছে বঙ্গ বিজেপি। সেই সঙ্গে একটি ক্যাপশনে লেখা হয়েছে ‘বাংলা নিজের মেয়েকেই চায়, পিসিকে নয়’।

বিজেপি যে ৯ জন নেত্রীর মুখ সামনে এনেছে তাঁরা প্রত্যেকেই বাঙালি। এরা হলেন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দেবশ্রী চৌধুরী, সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়, রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, বিজেপি নেত্রী ভারতী ঘোষ, মাফুজা খাতুন, শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরী, তনুজা চক্রবর্তী, ফাল্গুনী পাত্র এবং মহিলা মোর্চার সভানেত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। একদিকে যখন ‘বাংলা নিজের মেয়েকেই চায়’ পোস্টার রাজ্যজুড়ে ছয়লাপ করেছে, তখন নিঃশব্দে বিজেপি সোশাল মিডিয়ায় এই পোস্টার ছড়িয়ে দিতে চাইছে পাল্টা চাল হিসেবে।

শনিবারই তৃণমূলের ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোর (পিকে) একটি টুইট করে একটি কার্ড প্রকাশ করেছেন। সেখানেও তৃণমূল নেত্রীর ছবি সহ লেখা ‘বাংলা নিজের মেয়েকেই চায়’। পাশাপাশি জানিয়েছেন, গণতন্ত্রের জন্য এটাই ‘রাইট কার্ড’। এবারের ভোটের প্রচারে সোশাল মিডিয়া একটি শক্তিশালী মাধ্যম হয়ে উঠবে সেটা নিঃসন্দেহ। ফলে তৃণমূল, বিজেপি সহ বাম দলগুলিও নিজেদের আইটি সেল গুছিয়ে নিয়েছে।

দরজা বন্ধ হবে কি ?

ভোটের পঞ্জিকা প্রকাশ হয়ে গিয়েছে এবং কে কিভাবে দলের কাজে আসছেন তাও ঠিক আছে। দু দিন আগে পর্যন্ত দলবদল এবং নতুন দলে আসার হিড়িক পরে গিয়েছিল বঙ্গ রাজনীতিতে। শেষের দিকে তো টলি-সেলেবদের যোগদান নজর কেড়েছিল জনতার। কিন্তু আর কেন, এবার কি দরজা বন্ধ করা হবে না? প্রশ্ন বিভিন্ন দলের 'আদি'দের। স্বাভাবিক কারণ, শেষ মুহূর্তে দলে এসে টিকিট পেয়ে গেলে তা কতটা সুখের হবে? এটাও প্রশ্ন তাঁদের। যা খবর সূত্র মারফত পাওয়া যাচ্ছে, অন্তত দুই ডজনের উপর তারকা কেউ বিজেপি বা কেউ তৃণমূলের প্রার্থী হতে চলেছেন। সতর্কতা এখানেই, কারোর নিশ্চিত আসন হাতছাড়া হলে ভোটের কাজে বেঁকে বসতে পারেন তিনি, চিন্তা এখানেই। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এটাই এখন প্রার্থী তালিকা প্রকাশের ক্ষেত্রে মূল মাথা ব্যাথার কারণ বিবদমান দুই দলের। প্রতিবারই একেবারে প্রথমেই তৃণমূল প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে দেয়। কিন্তু শোন যাচ্ছে মোদির সভার পর অথবা ৩ মার্চ ঘোষিত হতে পারে শাসকদলের চুরান্ত প্রার্থী তালিকা। অন্যদিকে রাজ্য  বিজেপি হয়ত অপেক্ষা করছে দিল্লি থেকে চুরান্ত লিস্ট কবে আসে তার জন্য। যাই হোক না কেন, নতুনদের জন্য দরজা এবার বন্ধ হোক চাইছে অনেকেই।

লড়াই শুরু শনিবার থেকেই

নির্বাচন কমিশনার দিন ধার্য্ করে দেবার সাথে সাথেই ভোট লড়াইয়ের চূড়ান্ত প্রস্তুতিতে নেমে পড়লো বঙ্গ রাজনৈতিক দলগুলি | এবারে প্রথম ঠিক হবে বিভিন্ন কেন্দ্রের প্রার্থী, তারপরই এলাকা ভিত্তিক প্রচার | এবারে ৮ পর্বের ভোটে লক্ষাধিক বুথ করা হয়েছে এবং বুথকর্মী ঠিক করাটাই প্রধান কাজ | রাজনৈতিক মহলের ঢারণা ১৯৬৭ র মতো কঠিন লড়াই এবারের ভোট যেখানে টুসকি দিয়ে কেউ বলতে পাবেন না কে এগিয়ে কে পিছিয়ে | তিন শক্তির লড়াই হলেও প্রচার মাধ্যমের নজরে কিন্তু তৃণমূল বনাম বিজেপির লড়াই | কিন্তু স্ট্রাটেজি কি হতে পারে?


সর্ব ভারতীয় দল বিজেপি জোর দিচ্ছে প্রচারের উপর | প্রধানমন্ত্রী থেকে দেশের বড় নেতাদের দফায় দফায় নিয়ে আসা হচ্ছে বাংলায় | পাশাপাশি সংঘ পরিবারও কাজ করছে এলাকায় এলাকায় | শেষে থাকে প্রার্থী নির্বাচন | এটি একেবারেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ঠিক করবে | সংগঠনশীল দল বিজেপি কাজেই 'অমুকের ঘনিষ্ট' ধরণের কাছের লোককে পাত্তা না দিয়ে তারা জোর দিচ্ছে কাজের লোকের উপর | তৃণমূল ১০ বছর ক্ষমতায় আছে কাজেই এলাকা ভিত্তিক অবস্থানের ধারণা তাদে আছে | এবারেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই তাদের মুখ |


তবে 'দিদি' প্রচার বাদ দিয়ে 'বাংলার মেয়ে'র স্ট্রাটেজি তারা নিচ্ছে | অন্যদিকে বাম ও কংগ্রেস সহ আব্বাসের দলের জোট কাদের ভোট কাটে সেটাও নজরে ত্থাকবে | সিপিএম সূত্রে জানা গেলো এবারে তারা তারুণ্যনের উপর জোর দেবে | বিগত লোকসভায় তাদের ভোট শতাংশ নেমে গিয়েছিলো 7% এ, এবারে কংগ্রেসের সাথে জোট করে এবং তরুণ প্রার্থীর স্ট্রাটেজিকে কাজে লাগিয়ে সেই শতাংশ ২০ % নিয়ে যাবে | কি হবে পরের কথা কিন্তু ভোট শতাংশ এবং ভাগাভাগি এবারের ভোটে আসন বাকি ঠিক করবে | কাজটা সত্যি কঠিন সবারই কাছে ফলে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই এবারে ১৯৬৭ র মতোই |

“৩০ দিনের খেলা খেলবেন?”, আট দফা নিয়ে ক্ষুব্ধ মমতা

বিহারে ২৪০টি আসনে ৩ দফায় নির্বাচন হয়েছিল। এখন অসমে ৩ দফায়, তামিলনাড়ুতে ২৩৪ আসনে একদিনে নির্বাচন। কেরলে সিপিএমের সরকার এক দফায়। আর বাংলায় ২৯৪টি আসন, তবে ৮ দফায় ভোট কেন? কাকে সুবিধা করে দেওয়ার জন্য? ভোট ঘোষণা হতেই প্রশ্ন তুললেন ক্ষুব্ধ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি তিনি অভিযোগ, তুললেন, জেলাগুলি ভাগ করার চেষ্টা করা হয়েছে। মমতার কথায়, এমনকি গোটা জেলায় একদিনে নির্বাচন হচ্ছে না। ২৭ মার্চ নির্বাচন করছেন পুরুলিয়ায়। বাঁকুড়াটা ভাগ করেছেন। পূর্ব মেদিনীপুরের পার্ট ওয়ান। বিএ পার্ট ওয়ান শেখাচ্ছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় আমাদের জোর বেশি তাই তিন দফায় ভোট করা হচ্ছে। বাঁকুড়া পার্ট টু। এগুলি নরেন্দ্র মোদী ও অমিত শাহ বলে দিয়েছে?


এরপরই তিনি নজীরবিহীনভাবে বললেন, ৩০ দিনের খেলা খেলবেন? আমাদের যায় আসে না। হারিয়ে ভূত করে দেব। আপনারা জেলাকে ভাঙছেন। ভাইকে ভাইকে ভাঙছেন। হিন্দু-মুসলিমকে ভাঙছেন। আপনারা বাঙালি-রাজবংশী ভাঙছেন। আপনারা টোটাল দেশটাকে ভাঙছেন। যদিও মুখ্যমন্ত্রীর এহেন প্রতিক্রিয়ায় তুমুল বিতর্ক তৈরি হয়েছে। কারণ নির্বাচন কমিশন সয়ংসম্পূর্ণ এবং স্বশাসিত সংস্থা। বিরেধীদের বক্তব্য, রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতি বিচার করেই অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করাতেই নির্বাচন কমিশন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এতে মুখ্যমন্ত্রীর এত সমস্যা কিসের?


এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেছেন, বিজেপির চোখ দিয়ে বাংলাকে দেখবেন না, অনুরোধ করছি নির্বাচন কমিশনকে। তাঁর অভিযোগ, এগুলো কি নরেন্দ্র মোদী ও অমিত শাহের কথায় হয়েছে। তামিলানাড়ু-কেরলের নির্বাচন এক দিনে করে দিয়ে এখানে ২৩ দিনের খেলা খেলবেন। যদিও তিনি এদিনও আত্মবিশ্বাসের সুরে বলেন, খেলা হবে ৮টা দফায়। আমি ৪০ বছর ধরে ছাত্র রাজনীতি করেছি। রাজ্যের প্রতিটি ব্লক থেকে জেলা থেকে প্রতিটি আসন চিনি। আপনারা যা করবেন আপনাদের সব চক্রান্ত আমি ভেঙে দেব। বহিরাহত গুণ্ডারা বাংলা শাসন করবে না।

‘মেরুদণ্ড বিক্রি করব না’, ঠাকুরনগর থেকে তোপ অভিষেকের

কয়লা পাচারকাণ্ডে ইতিমধ্যেই সিবিআই তাঁর স্ত্রী রুজিরা এবং শ্যালিকা মনিকা গম্ভীরকে একবার ডিজ্ঞাসাবাদ করেছে। এরপর কেটে গিয়েছে দু’দিন। বৃহস্পতিবার বনগাঁর ঠাকুরনগরে জনসভায় বক্তব্য রাখলেন তৃণমূল যুব সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অনেকেরই কৌতুহল ছিল তিনি এই বিষয়ে মুখ খোলেন কিনা। এবং প্রত্যাশা মতোই ঠাকুরনগরের সভা থেকে কেন্দ্রীয় সরকার, বিজেপি এবং সিবিআইকে তোপ দাগলেন ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ। তিনি বলেন, ‘আমার পিছনে সিবিআই লেলিয়ে দিয়েছে। আমি বলছি সিবিআই, ইডি, ইনকাম ট্যাক্স- আরও যারা যারা আছে, আমার পিছনে লাগান। কিন্তু মেরুদণ্ড বিক্রি করব না, মাথা নত করব না’। এরপরই বলেন, জেনে রাখুন আমার গলা কেটে দিলেও একটা কথাই বেরোবে- ‘জয় বাংলা’।


কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগতে গিয়ে সচতুরভাবে টেনে আনলেন চিনা দখলদারি প্রসঙ্গও। তিনি বলেন, অরুণাচলের একের পর এক গ্রাম দখল করছে চিন। গালওয়ান উপত্যাকার জমিও দখল করে নিয়েছে চিন। কিন্তু প্রতিবেশী দেশ যেই থাকুক, চিন, পাকিস্তান বা বাংলাদেশ যোগ্য জবাব দেওয়া উচিৎ ছিল। এরপরই তিনি বলেন, আর বলছে আমাদের জয় বাংলা নাকি বাংলাদেশের স্লোগান। আমাদের বাংলাদেশি বলে দিচ্ছে। কেন তোমরা যে ‘সোনার বাংলা’ করবে বলছ, সেটা কোথাকার স্লোগান? সোনার বাংলা করতে চাইছ? তা হলে সোনার উত্তরপ্রদেশ হয়নি কেন? এরপরই বঙ্গ বিজেপির নেতাদের তোপ দাগেন তৃণমূল যুব সভাপতি। তিনি বলেন, আপনারা কয়েক মাস আগে বিজেপির প্রতিনিধিদের ভোট দিয়ে জিতিয়েছেন, করোনার সময় তাঁদের দেখতে পেয়েছেন? কাউকে দেখা যায়নি। কে এসেছে? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এসেছেন। অথচ গত কাল মোতেরাতে একটা স্টেডিয়াম উদ্বোধন করেছেন। জীবীত প্রধানমন্ত্রীর নামে আস্ত স্টেডিয়াম হয়ে গেল। সবশেষে তিনি বলেন, যত দিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলায় জীবীত আছেন, আপনাদের কেশাগ্র কেউ স্পর্শ করতে পারবে না।

‘ই-স্কুটার’ চালিয়ে দিনভর ‘লাইম লাইটে’ মমতা

পেট্রোলিয়াম সামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে আজ মুখ্যমন্ত্রী সকালে নবান্নে আসেন ববি হাকিমের ই-স্কুটি চড়ে। ফলে একটা হৈ চৈ পরে যায় রাজ্যজুড়ে, খবরওয়ালারা দ্রুত সেই ছবি তোলে কিংবা লাইভ টেলিকাস্ট করে। ফলে সংবাদমাধ্যমের দৌলতে সেই ভিডিও বা ছবি ছড়িয়ে পড়ে ড্রয়িং রুমে। বৃহস্পতিবার সারাদিনই ছিল বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি নাড্ডার বঙ্গ সফর। তাঁকে নিয়েই প্রচার মাধ্যমে ছিল দিনভর ব্যস্ততা।