ওহ লাভলী মদন

সময়টা ১৯৮৫র জানুয়ারী | একদিকে ভাষণ দিতে আসবেন জনপ্রিয় প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সী অন্যদিকে সাথে আসতে পারেন সুব্রত মুখোপাধ্যায় | কিন্তু তার আগেই এক যুবক,যাকে কেউই তেমন চেনে না তিনি বক্তব্য রাখতে উঠলেন | উপস্থিত দর্শক অস্থির, কে শুনতে চায় নব্য যুবার কথা | কিন্তু শুরুই করলেন প্রয়াত ইন্দিরা গান্ধী দিয়ে | তারপর আধঘন্টা অনর্গল যুক্তি তথ্য দিয়ে স্তব্ধ করে দিলেন দর্শককে| জানা গেলো ছাত্র রাজনীতি থেকে উঠে আসা এই যুবকের নাম মদন মিত্র |

রাজনীতি কিংবা তার বাইরে প্রচুর পড়াশুনা | দীর্ঘ সময় ধরে গান্ধীবাদ থেকে মার্ক্সবাদ নিয়ে সারাদিন বই পড়ার নেশা ছিল মদনের | দারুন যুব নেতা এবং জনসংযোগ তুলনাহীন | দ্রুত উঠেও আসা শুরু হলো মদনের | এক সময় উত্তর কলকাতার সোমেন মিত্র ঘনিষ্ঠ ছিলেন, পরে অবশ্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সংগঠনে যোগ দেন | তৃণমূল কংগ্রেস গঠনের প্রথম দিন থেকেই মমতার সাথী | 

দিন পাল্টালো ২০১১ তে বিধানসভা ভোট দাঁড়ালেন কামারহাটি থেকে এবং হারালেন সিপিএমের জাঁদরেল নেতা মানস মুখোপাধ্যায়কে | মন্ত্রীও হলেন | দায়িত্ব পেলেন পরিবহনের | মদনের চিরকাল একটা গুন্ আছে যে, কেউ চিকিৎস্যর ব্যাপারে সাহায্য চাইলে রং না দেখে হাসপাতালের ব্যবস্থা করে দিতেন | মন্ত্রী হওয়ার পরও তার ব্যতিক্রম হয় নি |

এরপরই রাজনীতির ঘোঁট এসে পড়লো মদনের উপর | চিটফান্ড কাণ্ডে মোদী সরকারের আমলে ধরা পড়লেন সিবিআইয়ের হাতে | দীর্ঘদিন জেলে কাটাতে হলো | জেল থেকে ফিরে কেমন জানি বদলে গেলেন মদন | সেবারে বিধানসভা ভোটে পরাজিত হলেন মানসের কাছে | ফের ২০১৯ এ ভাটপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রে দাঁড়ালেন উপনির্বাচনে, ফের পরাজয় | মদন যেন মূল স্রোত থেকে বেরিয়ে গেলেন | ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে ফের প্রার্থী হলেন কামারহাটি থেকে এবং জিতলেনও | কিন্তু আর জুটলো না মন্ত্রীপদ | সবাই বললো মদনদা কোনও কিছু চায় না | মদন এবারে ব্যস্ত হয়ে পড়লেন ফেসবুক লাইভ অনুষ্ঠানে | হাসি ঠাট্টা ইত্যাদি হালকা কথার ফোয়ারা ছোটালেন | একদল মজা পেলো আর এক দল মস্তি করলো মদনকে নিয়ে | মদনের রোজনামচায় চলে এলো এক উক্তি " ওহ লাভলী" | মদন কি হারিয়ে গেলেন ?


Politics: শিশির~দিব্যেন্দু তৃণমূলের সংসদীয় কমিটিতে, জল্পনা শুরু

কলকাতাঃ ২০২৪ এর নির্বাচনকে সামনে রেখে দলকে ঢেলে সাজাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। বিভিন্ন রাজ্যে  দলীয় বিস্তার এর ক্ষেত্রে সেই সমস্ত রাজ্যের একাধিক নেতা নেত্রীকে দলে যোগদান করাচ্ছে তৃণমূল। ২০২৪ তৃণমূলের কাছে এখন পাখির চোখ। সেই লক্ষ্যেই আসাম, ত্রিপুরা, ঝাড়খন্ড, মনিপুর, মেঘালয় ও গোয়াসহ একাধিক রাজ্যে প্রভাব বিস্তার করতে চাইছে তৃনমূল কংগ্রেস। 

বিভিন্ন দপ্তরের সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে একাধিক পরিবর্তনসহ নতুন মুখ নিয়ে আসলো তৃণমূল। সাত বারের সাংসদ তথা তিনবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূলের সংসদীয় কমিটির চেয়ারপারসন। রাজ্য স্তরের রাজনীতি থেকে শুরু করে জাতীয় স্তরের রাজনীতির সহজপাঠ এবং সমীকরণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে অনেকটাই সরল। সে কথা মাথায় রেখেই তৃণমূলের সংসদীয় কমিটির চেয়ারপারসন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। 

দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূল কংগ্রেস দাবি করে আসছিল সংসদীয় কমিটির পরিবর্তন। এবার সেই পরিবর্তনে দেখা গেল এমন কিছু নাম, যে নাম নিয়ে ইতিমধ্যেই তৈরি হয়ে রয়েছে রাজনৈতিক সংশয়। একদা তৃণমূলের মমতা ঘনিষ্ঠ শিশির অধিকারি এবং দিব্যেন্দু অধিকারি জায়গা পেয়েছে সংসদীয় কমিটিতে। ২০১৯ এর নির্বাচনের আগে মেদিনীপুরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির রাজনৈতিক সভা মঞ্চে দেখা গিয়েছিল শিশির অধিকারীকে। মঞ্চে থাকলেও সেদিন তিনি বিজেপির পতাকা হাতে তুলে নেন নি। তারপর থেকে ক্রমাগত তৃণমূলের সঙ্গে দূরত্ব বাড়তে থাকে শিশির অধিকারীর। 

শুভেন্দু অধিকারি তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যাবার পর কার্যত অধিকারি পরিবার অনেকটাই ব্রাত্য হয়ে গিয়েছিল তৃণমূলের কাছে। ফলে তৃণমূলের থেকে আস্তে আস্তে দূরত্ব তৈরি হচ্ছিল দিব্যেন্দু অধিকারির। এবার তৃণমূলের সংসদীয় কমিটিতে গ্রাম উন্নয়ন মন্ত্রকের স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবের নাম রয়েছে শিশির অধিকারি। পাশাপাশি রসায়ন ও সার মন্ত্রকের স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে নাম রয়েছে দিব্যেন্দু অধিকারির। 

আর এরপর থেকেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক জল্পনা। প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে তাহলে কি এই দুই অধিকারি আবার ঘনিষ্ঠ হচ্ছে তৃণমূলের? যদিও সে প্রশ্নের উত্তর দেবে সময় । অন্যদিকে সদ্য তৃণমূলে যোগদান কারী প্রাক্তন কংগ্রেসের সভানেত্রী  সুস্মিতা দেব এর নাম রয়েছে তৃণমূলের সংসদীয় কমিটিতে। স্বাস্থ্য ও ক্রীড়া মন্ত্রকের স্থায়ী কমিটিতে রয়েছেন সুস্মিতা দেব। তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রকের স্থায়ী কমিটিতে রয়েছেন প্রাক্তন প্রসার ভারতী অধিকর্তা জহর সরকার। খাদ্য ও গণবণ্টন মন্ত্রকের স্থায়ী কমিটির সদস্য হলেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। 

অন্যদিকে সংসদীয় কমিটির দুটি মন্ত্রকের স্থায়ী কমিটিতে পরিবর্তন আনল তৃণমূল। ডেরেক ও'ব্রায়েন কে পরিবহনমন্ত্রক থেকে সরিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের স্থায়ী কমিটির সদস্য করা হলো। সাংসদ নাদিমুল হককে তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রীকেও স্থায়ী কমিটি থেকে সরিয়ে পরিবহনমন্ত্রী স্থায়ী কমিটিতে আনা হলো। 

২০২৪ এর লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে যেমন নিজেদের ঘর গোছাতে তৎপর তৃণমূল। তেমনি তৃণমূলের সংসদীয় কমিটিতে শিশির অধিকারি এবং দিব্যেন্দু অধিকারির নাম রেখে আবার একটি নতুন জল্পনার জন্ম দিল তৃণমূল কংগ্রেস,এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক মহল।


Exclusive : সন্তানের প্রতি দায়িত্ব থাকা উচিত- ববি হাকিম

প্রসূন গুপ্ত, কলকাতাঃ আমাদের নানান কাজে থাকতে হয়। আমাদের কাজটি জনগনের সাথেই এবং তাদের স্বার্থে। এটাই আমাদের প্রতিশ্রুতি,সিএন পোর্টালকে একান্ত সাক্ষাতকারে জানালেন পরিবহনমন্ত্রী তথা কলকাতা পুরসভার মুখ্য প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম। এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানালেন, এত বড় দায়িত্ব যখন আমাদের উপর ন্যস্ত হয়,তখন মানুষ চাইবেই আমাদের জীবনবোধে যেন স্বচ্ছতা থাকে। 

ববি বলেন,আমরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কর্মীরা প্রধানত তাই পালন করি। নিজেদের পরিবারের প্রতিও আমাদের দায়িত্ব থাকে। বিশেষ করে সন্তানদের কাছে,তারা যে বয়সেই হোক,তারা তো চাইবেই,তাদের বাবা চরিত্রবান মানুষ হোক। নেতাদের যদি কেউ বেপথে চলে,তবে তাদের ছোট ছেলে মেয়েদের মস্ত সমস্যা আসে,বিশেষ করে স্কুলে বা বন্ধুবান্ধবদের কাছে।

ববি আরও জানালেন,কখন সংসার করতে গেলে,হয়তো বা কখনও স্ত্রীর সঙ্গে মতানৈক্য হতেই পারে, কিন্তু দ্রুত নিজেদের মধ্যে বোঝাপরা করে মানিয়ে নিতেই হবে। কারণ সন্তানদের কাছে স্বচ্ছ চরিত্র স্থাপন করাই বাবা-মায়ের কর্তব্য,তা তিনি যত বড়ই বিখ্যাত হোন না কেন। 


Breaking New: তৃণমূলে যোগ দিলেন সব্যসাচী দত্ত

কলকাতাঃ তৃণমূলে যোগ দিলেন সব্যসাচী দত্ত। 

বিস্তারিত আসছে --


Politics: এবার তৃণমূলে মেঘালয়ের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী!

এবার টার্গেট ২০২৪। তার আগে বিন্দু বিন্দু দিয়ে সিন্ধু তৈরির কৌশল নিয়েছে তৃণমূল । ইতিমধ্যে উত্তরপ্রদেশ, ত্রিপুরা, গুজরাট এবং সর্বশেষ গোয়ায় সংগঠন তৈরির কাজ শুরু করেছে ঘাসফুল শিবির। এখানেই শেষ নয় সূত্রের খবর, মেঘালয়েও নজর রয়েছে এ রাজ্যের শাসকদলের। শীঘ্রই কয়েকজন বিধায়ককে সঙ্গে নিয়ে ওই রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী যোগ দিতে পারেন তৃণমূলে। যদিও চলতি সপ্তাহে যোগ দিয়েছেন গোয়ার প্রাক্তন কংগ্রেসি মুখ্যমন্ত্রী লুইজিনহো ফেলেইরো । তিনি জানান, "কংগ্রেস পরিবার টুকরো টুকরো হয়ে গিয়েছে। একাধিক দল গড়ে উঠেছে।

এটাই সেরা সময় কংগ্রেস পরিবারকে একত্রিত হয়ে বিজেপি বিরোধী লড়াইয়ের। লড়াইয়ে দিদির উদ্যম রয়েছে। হার না মানা মানসিকতা ওনার। নেতৃত্ব জন্য যোগ্য তিনি।" সূত্রের খবর, লুইজিনহো ফেলেইরোর  পর তৃণমূলের  পথে আরও এক প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। সম্ভবত শীঘ্রই এ রাজ্যের শাসকদলে যোগ দিতে পারেন মেঘালয়ের  প্রাক্তন  মুখ্যমন্ত্রী মুকুল সাংমা । তাঁর সঙ্গে আরও ১৩ জন কংগ্রেস বিধায়কেরও ঘাসফুল পতাকা হাতে তুলে নেওয়ার কথা রয়েছে।

TMC: তৃণমূলে যোগ দিলেন গোয়ার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লুইজিনহো

কলকাতাঃ তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন গোয়ার দু'বারের মুখ্যমন্ত্রী তথা প্রাক্তন কংগ্রেস নেতা লুইজিনহো ফ্যালেইরো। তাঁর সঙ্গে তৃমমূলে যোগ দিলেন আরও ৫ জন নেতা। 

বিস্তারিত আসছে --


বাঙালিতে ভরসা নেই প্রধানমন্ত্রীর : বাবুল

নরেন্দ্র মোদীর কি বাঙালির উপর ভরসা নেই, এমনই মন্তব্য করলেন বুধবার মোদী মন্ত্রিসভার প্রাক্তনী বাবুল সুপ্রিয় । ২০১৪ লোকসভা নির্বাচনে আসানসোলে প্রচার করতে গিয়ে মোদী আবেদন করেছিলেন, মুঝে বাবুল চাহিয়ে । তারপর স্বপ্নের মতো বিজেপিতে যোগ দিয়েই আসানসোলের টিকিট পেয়েছিলেন এবং জিতেই মোদী মন্ত্রিসভায় রাষ্ট্রমন্ত্রী হয়েছিলেন । ৫ বছর বাদেও ফের মন্ত্রী হয়েছিলেন বাবুল কিন্তু সম্প্রতি বাংলা বিধানসভার নির্বাচনে টালিগঞ্জ কেন্দ্র থেকে হেরে মন্ত্রিত্ব হারান বাবুল । পট পরিবর্তন হয় তারপর । বাবুল বিদ্রোহী হন শেষ পর্যন্ত দল ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন ।

বুধবার সাংবাদিকদের কাছে তিনি জানালেন যে, প্রধানমন্ত্রী বাঙালিদের উপর ভরসা করেন না তাই নাকি মোদির ক্যাবিনেটে স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনও বাঙালি মন্ত্রী সুযোগ পান নি । ভবানীপুর নির্বাচনের আগে হটাৎ বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন বাবুল সুপ্রিয় । তিনি আরও বলেন, তাঁকে বাদ  দিন, সুরিন্দর সিং আলুওয়ালিয়ার মতো অভিজ্ঞ নেতাকে পর্যন্ত কারুর অধীনে মন্ত্রী করা হয়েছিল । এবারেও ৪ মন্ত্রীর কেউই স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত দপ্তর পান নি । 


Babul Supriyo: মন্ত্রীসভায় না রাজ্যসভায়, বাবুল ?

তৃণমূলে আসার পর স্বাভাবিক ভাবে প্রশ্ন উঠেছে বাবুলের ভবিষ্যৎ কি? গুঞ্জনে অনেক কথাই শোনা যাচ্ছে । ভাবা হচ্ছে বাবুল সুপ্রিয় কি মোদির মন্ত্রীসভা থেকে দিদির মন্ত্রিসভায় আসতে চলেছেন? মন্ত্রীসভায় স্থান আছে কি, জানা যাচ্ছে অমিত মিত্র অসুস্থ এবং বিধানসভার সদস্য নন কাজেই আগামী নভেম্বরের পর তাঁর দায়িত্ব শেষ হচ্ছে । এ ছাড়া সাধন পান্ডে খুবই অসুস্থ হয়তো তাঁকেও ছাড়তে হতে পারে মন্ত্রীত্ব এবং বিধানসভার আসন । অন্যদিকে শান্তিপুর বা ৪ খালি কেন্দ্রের যেকোনও স্থান থেকে বাবুলকে বিধায়ক করে আনা হতে পারে । 

অন্য একটি ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না । সম্প্রতি আচমকাই তৃণমূলের রাজ্যসভার সদস্য অর্পিতা ঘোষ পদত্যাগ করেছেন কাজেই আরও একটি আসন ফাঁকা হয়েছে । এখানেও বাবুলকে সাংসদ করা যেতে পারে । সমস্তটাই নির্ভর করছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইচ্ছার উপর । তবে বিজেপি থেকে কটাক্ষ করে বলা হয়েছে " জল ছাড়া মাছ এবং মন্ত্রীপদ ছাড়া বাবুল" ভাবাই যায় না 

Babul Supriyo: এবার বিজেপির সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেবো-বাবুল

কলকাতাঃ প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় যোগ দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসে। শনিবার কলকাতায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে শাসক দলে যোগ দিলেন তিনি। তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর সংবাদমাধ্যমকে জানালেন, নিয়ম মেনে বিজেপির সংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেবেন।  

বিস্তারিত আসছে --


Babul Supriyo: তৃণমূলে যোগ দিলেন বাবুল সুপ্রিয়

প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় যোগ দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসে। শনিবার কলকাতায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে শাসক দলে যোগ দিলেন তিনি।  

বিস্তারিত আসছে --


By Election: মমতার বিরুদ্ধে কমিশনে নালিশ বিজেপির

কলকাতাঃ ভবানীপুর উপনির্বাচন উপলক্ষে বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়ালের বিরুদ্ধে কোভিড বিধিভঙ্গের অভিযোগ করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। অভিযোগ পেয়ে, প্রিয়াঙ্কার জবাব চেয়ে চিঠি দেয় কমিশন। এবার পাল্টা 

ভবানীপুর উপনির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কোভিড বিধি ভাঙার অভিযোগে কমিশনকে চিঠি বিজেপির। প্রিয়াঙ্কার মুখ্য নির্বাচনী এজেন্ট সজল ঘোষ ভবানীপুরের রিটার্নিং অফিসারকে চিঠি পাঠিয়েছেন।


চিঠিতে সজল ঘোষ উল্লেখ করেছেন, গত ১৫ সেপ্টেম্বর ভবানীপুর গুরুদ্বারে গিয়ে কোভিড বিধিভঙ্গ করেছেন মমতা। কারণ হিসাবে বলেছেন, প্রচুর লোকজন নিয়ে গুরুদ্বারে ঢোকেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে মানা হয়নি শারীরিক দূরত্ববিধি। 

বিস্তারিত আসছে --


প্রচারে আসছেন অভিষেক

তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবারে ভবানীপুর সহ তিন কেন্দ্রে প্রচারে আসছেন । আগামী শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় তিনি ভবানীপুর কেন্দ্রের লক্ষীনারায়ণ মন্দির প্রেক্ষাগৃহে স্থানীয় ভোটারদের সঙ্গে মিলিত হবেন অভিষেক । সন্ধ্যায় তাদের সঙ্গে আলোচনার পর ওই এলাকার ভোটারদের আয়োজনে এক নৈশভোগেও উপস্থিত থাকবেন তিনি । কিন্তু শুধু ভবানীপুর নিয়েই বসে থাকবেন না তিনি । তিনি দুই বিধানসভা যেখানে প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে ভোট হয় নি সেখানেও প্রচারে যাচ্ছেন বলে সংবাদ ।

ভবানীপুরে যেমন ৩০ সেপ্টেম্বর ভোট তেমনই দুটি কেন্দ্র যথা জঙ্গিপুর এবং সামশেরগঞ্জ বিধানসভাতেও ভোট হচ্ছে । এই দুই কেডির নিয়ে আদৌ চিন্তিত নয় তৃণমূল কিন্তু এলাকার মানুষের আমন্ত্রণে অভিষেক মুর্শিদাবাদ যাচ্ছেন । ২৩ সেপ্টেম্বর এই দুই কেন্দ্রে প্রচার করবেন অভিষেক । এছাড়া ২৫ এবং ২৬ সেপ্টেম্বর তিনি ফের ভবানীপুর কেন্দ্রে কর্মীসভা করবেন । ২৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যার পর আর প্রচার করা যাবে না । 

Saayoni Ghosh: দলের উর্দ্ধে কেউ না, গাদ্দার চিনুন - সায়নী

যুব তৃণমূল কংগ্রেসের নব্য সভাপতি সায়নী ঘোষ সম্প্রতি বিস্ফোরক বক্তব্য রেখেছেন পূর্ব মেদিনীপুরে । এই পূর্ব মেদিনীপুরে বহু তৃণমূল কর্মী 'দাদার অনুগামী' অর্থাৎ শুভেন্দুর অনুগামী হয়ে তারা প্রচারের কাজে নেমেছিল আবার কেউ কেউ জল মাপার জন্য অপেক্ষায় ছিল যে কোন দোল জিতে আসে । এদেরই একটি দল ফিরে এসেছে দলে এবং এখানেই আপত্তি সায়নীর ।

তিনি বলেছেন, সেদিনের জনসভাতে যারা উপস্থিত আছে তাদের মধ্যে অন্তত ১০০ জন পা বাড়িয়ে রেখেছিলো বিজেপিতে । এদের বের করে দিতে নির্দেশ দিয়েছেন । আর যদি এরা থাকেও তবে এদের দিয়ে চা, জল পরিবেশন করানো হোক । তিনি বলেন যারা দেওয়ালের বা পাঁচিলের উপরে বসে ছিল দেখতে যে কোন দিকে যাবে বিজেপিতে না তৃণমূলে তাদের বের করে দিতে হবে ।

কলকাতায় এলেন সুস্মিতা দেব

কলকাতাঃ তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন সুস্মিতা দেব সম্প্রতি । আসামের শিলচরের সংসদ ছিলেন তিনি । দীর্ঘদিনের কংগ্রেস ঘরানার কর্মী তিনি । পিত প্রয়াত সন্তোষমোহন দেব রাজীব গান্ধীর অত্যন্ত ঘনিষ্ট ছিলেন । মন্ত্র হয়েছিলেন সন্তোষ । ওই সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যুব কংগ্রেসের সভাপতি ছিলেন এ রাজ্যে । সন্তোষবাবুর সাথে সক্ষতা ছিল মমতার । এই সন্তোষমোহনের মাধ্যমে ত্রিপুরায় ক্ষমতায় এসেছিলো কংগ্রেস ১৯৮৮ তে । আজ তাঁর কন্যার উপর দায়িত্ব বর্তেছে ফের ত্রিপুরা দখলের । সুস্মিতা মাটি কামড়ে পড়েছিলেন ত্রিপুরার মাটিতে । সম্প্রতি জানা গেলো মানস ভূইঞার ফেলে রাখা রাজ্যসভার আসনে তৃণমূলের হয়ে প্রার্থী হচ্ছেন সুস্মিতা । তিনি অনেক বছর লোকসভার সদস্য থাকলেও গত ২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনে তিনি শিলচর আসনে পরাজিত হন । সুবক্তা সুস্মিতাকে এবারে রাজ্যসভায় তাই পাঠানো হচ্ছে ।

আগরতলা থেকে আজই কলকাতায় ফিরলেন সুস্মিতা । আগামী ২০ সেপ্টেম্বর তিনি রাজ্যসভায় তাঁর মনোনয়ন জমা দেবেন । আজ এই বিষয়ে তাঁর বৈঠক করার কথা তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে । মনোনয়ন পর্ব হয়ে গেলে তিনি ফিরে যাবেন আগরতলায় । আগামী ২২ সেপ্টেম্বর সেখানে যাবেন অভিষেক । মিছিলও করবেন । তার প্রস্তুতি রাখতেই দায়িত্বে আছেন সুস্মিতা।  

যোগীর বিজ্ঞাপন বিতর্কে RTI তৃণমূলের

যোগীর বিজ্ঞাপন বিতর্কে এবার RTI করল তৃণমূল। বিজ্ঞাপনের অনুমোদন কে দিয়েছিল? বিজ্ঞাপন কে বানায়, উত্তরপ্রদেশ সরকার না সংবাদমাধ্যম? উত্তরপ্রদেশ সরকারের কাছে জানতে চেয়ে আরটিআই করলেন তৃণমূলের নেতা সাকেত গোখলে। এমনকি চুক্তির প্রতিলিপিও চেয়েছেন তিনি। 

প্রসঙ্গত, যোগী রাজ্যের উন্নয়নের বিজ্ঞাপনে দেখা যাচ্ছে কলকাতার ‘‌মা’‌ ফ্লাইওভারের ছবি। ওই ছবি দেখিয়ে উন্নয়নের দাবি করছে যোগী আদিত্যনাথ, অভিযোগ তৃণমূলের। রবিবার ইংরেজি ভাষায় মুদ্রিত এক সংবাদপত্রে ট্রান্সফরমিং উত্তরপ্রদেশ শীর্ষক একটি বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হয়। এর পরই ওই বিজ্ঞাপন নিয়ে বিতর্ক দেখা দেয়। 

সংবাদপত্রে প্রকাশিত হওয়া বিজ্ঞাপনে ভুলটি চোখে পড়তেই তৎপর হয় উত্তরপ্রদেশ সরকার। সরকারিভাবে বিবৃতি দিয়ে জানিয়ে দেয়, বিজ্ঞাপন তৈরির সময় ভুল করেছিল সংশ্লিষ্ট সংবাদপত্রটি। পরে সেই অভিযোগ মেনে নেয় সংবাদপত্র কর্তৃপক্ষ। তারা টুইটারে লেখে, “সংবাদপত্রে প্রকাশিত একটি বিজ্ঞাপনে কোলাজ তৈরির সময় অসাবধানতাবশত ভুল ছবি দেওয়া হয়েছে।

বিপণন বিভাগের ভুলের জেরেই এই ঘটনা ঘটেছে। এই ভুলের জন্য আমরা ক্ষমাপ্রার্থী। ডিজিটাল মাধ্যম থেকে বিজ্ঞাপনটি সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।”