Modi: তৃতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর জরুরি বৈঠক

সামনেই তৃতীয় ঢেউ আসছে।অক্টোবরের মধ্যেই ভারতে আছড়ে পড়তে পারে করোনা ভাইরাসের আরও এক রূপ. বহু বিশেষজ্ঞই এই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। বস্তুত দেশের করোনা পরিসংখ্যানেও নিত্যদিনের ওঠাপড়া অব্যাহত। এরই মধ্যে সামগ্রিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে রিভিউ মিটিং করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি । সূত্রের খবর, গোটা দেশের করোনা পরিস্থিতি কেমন? আধিকারিকদের কাছে খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি টিকাকরণের পরিস্থিতি নিয়েও তথ্য নেন প্রধানমন্ত্রী।এক সাংবাদিক বৈঠক করে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যসচিব সাংবাদিক বৈঠক করে দাবি করেছেন দেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের  প্রভাব এখনও বর্তমান। সুতরাং এখনই করোনা বিধিতে কোনওরকম ঢিলেমি করা যাবে না।

আসলে কেন্দ্রের আশঙ্কা, উৎসবের মরশুমে দেশজুড়ে করোনার সংক্রমণ বাড়তে পারে। সেজন্যই বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে চায় সরকার।এই মুহূর্তে দেশের দুটি রাজ্য তৃতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কায় কাঁপছে। এক, কেরল এবং দুই, মহারাষ্ট্র। দেশের মোট দৈনিক সংক্রমণের প্রায় ৮০ শতাংশই আসছে এই দুই রাজ্য থেকে। শুধু তাই নয়, এখনও দেশের ৩৫টি জেলায় পজিটিভিটি রেট ১০ শতাংশের বেশি। ৩০টি রাজ্যে এই সংক্রমণের হার ৫ থেকে ১০ শতাংশের মধ্যে। এই জেলাগুলি করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের বিরুদ্ধে লড়তে কতটা প্রস্তুত, সেটাও এদিন খতিয়ে দেখেছেন প্রধানমন্ত্রী।

তৃতীয় ঢেউ আসতেই প্রস্তুতি নিচ্ছে রাজ্য সরকার!

সোমবার কেন্দ্র জানিয়েছে, অক্টোবরেই কোভিডের তৃতীয় ঢেউ শিখর ছুঁতে পারে। তৃতীয় ঢেউয়ে শিশুদের আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলেই জানানো হয়েছে রিপোর্টে। আর তার পরেই শিশুদের জন্য আগে থেকেই প্রস্তুতি সারল রাজ্য সরকার।রাজ্যের স্বাস্থ্য অধিকর্তা অজয় চক্রবর্তী জানিয়েছেন, আগে থেকেই হাসপাতালে শিশুদের জন্য শয্যার সংখ্যা বাড়িয়ে রাখা হচ্ছে।

১ হাজার ৫৫০টি সিসিইউ (ক্রিটিকাল কেয়ার ইউনিট), ৫২৮টি পিআইসিইউ (পেডিয়াট্রিক ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট) ও ২৭০টি এনআইসিইউ (নিউনেটাল ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট) শয্যা তৈরি রাখা হচ্ছে। অর্থাৎ শিশুরা আক্রান্ত হলে যাতে হাসপাতালে শয্যার অভাব না হয় তার জন্য ২ হাজার ৩৪৮টি শয্যা (সিসিইউ, পিআইসিইউ ও এনআইসিইউ মিলিয়ে) তৈরি রাখা হচ্ছে। এ ছাড়া বাড়ানো হচ্ছে এসএনসিইউ (সিক নিউবর্ন কেয়ার ইউনিট) শয্যার সংখ্যাও। ১৬০টি শয্যা বাড়িয়ে মোট ২ হাজার ৪৭৬টি এসএনসিইউ শয্যা তৈরি রাখা হবে বলেই জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিকর্তা।তৃতীয় ঢেউ আসতেই আগেভাগে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে রাজ্যের তরফে।









অক্টোবরেই করোনার তৃতীয় ঢেউ !

 বেশ কয়েকদিন পর দেশে অনেকটাই নিম্নমুখী করোনার দৈনিক সংক্রমণ। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের সাম্প্রতিকতম পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা ভাইরাসে  আক্রান্ত হয়েছেন ২৫ হাজার ৭২ জন। করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৩৮৯ জন। আর একদিনে করোনার কবল থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৪৪ হাজার ১৫৭ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় ৭ লক্ষ ৯৫ হাজার ৫৪৩ জন দেশবাসীর টিকাকরণ হওয়ায় এ নিয়ে দেশে মোট টিকা প্রাপকের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৮ কোটি ২৫লাখ ৪৯ হাজার ৫৯৫।দেশে দৈনিক করোনা সংক্রমণ কমার মাঝেও সতর্কবার্তা দিয়ে জানানো হয়েছে, অক্টোবরের মধ্যে শীর্ষে উঠবে তৃতীয় দফায় করোনা সংক্রমণ। অর্থাৎ তৃতীয় ঢেউ থেকে সতর্ক থাকতে প্রায় মাস দেড়েক আগেই জারি হচ্ছে সতর্কতা। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা প্রতিষ্ঠানের  তরফে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরকে এই বার্তা দেওয়া হয়েছে বলে খবর।ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি দেশে করোনার নয়া প্রজাতি ডেল্টা আরও ভয়ঙ্কর রূপ করেছে।  


অগাস্টেই তৃতীয় ঢেউ !

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে সংক্রমণ খানিকটা কম। তবে চিন্তার মুখে ফেলছে তৃতীয় ঢেউ। ইতিমধ্যে সতর্ক করা হচ্ছে তৃতীয় ঢেউ আসা নিয়ে।তবে এখনও মানুষের হুঁশ ফিরছেন। সামাজিক দূরত্ববিধি মানার বালাই নেই.মাস্ক পড়া তো দূরের কথা. বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন,এরকম চলতে থাকলে পুজোর মাসেই আরও ছড়াবে সংক্রমণ। ইতিমধ্যে চলতি বছরেই ভারতে করোনার তৃতীয় ঢেউ আসতে পারে বলে জানিয়েছিলেন বিশেষজ্ঞরা।

এবার আইআইটি-র একটি গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, অগস্টেই ভারতে শুরু হতে পারে করোনার তৃতীয় ঢেউ। সেই সময় দৈনিক এক থেকে দেড় লাখ মানুষ আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এর আগেও বলা হয়েছিল,মে মাসে দ্বিতীয় ঢেউয়ে সংক্রমণ বাড়বে। প্রতিনিয়ত বেড়েছে সংক্রমণ। ইতিমধ্যে কিন্তু ১০ টি রাজ্যকে এই নিয়ে আগাম সতর্ক করা হয়েছে। যদিও কেন্দ্রের তরফে এই বছরের মধ্যেই অর্ধাংশ মানুষের টিকাকরণের উদ্যোগ নিয়েছে। তবে সামনেই তৃতীয় ঢেউ আসতে আরও বেশি তৎপর কেন্দ্র।ইতিমধ্যে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু প্রশ্ন একটাই তৃতীয় ঢেউ আসলেও মানুষ কি আদতেও সতর্ক হবে।


তৃতীয় ঢেউ আসুক,তার আগে সবাই ঘুরে আসি

প্রথম ঢেউ কাটার পর,দ্বিতীয় ঢেউ।  কিন্তু মানুষের তাতে পরোয়া নেই। দ্বিতীয় ঢেউয়ে সংক্রমণ ওঠা নাম করলেও, তৃতীয় ঢেউ একেবারে দোঁড়গোড়ায়। তাতে কিন্তু মানুষের হুঁশ ফিরছেনা। এদিকে করোনাবিধি স্থিতিশীল আনতেই মানুষ বেরিয়ে পড়ছে এদিকে-ওদিক। সকাল থেকে সন্ধে পার্ক থেকে শুরু করে রেস্তোরাঁ ,ক্যাফেতে ভিড় জমাচ্ছে। যেখানে বারবার সতর্ক করা হচ্ছে বাইরে প্রয়োজন ছাড়া অযথা না বেরোনোই ভালো। সেখানে শুনছে কোথায় মানুষ।

আর করোনাবিধি শিকেয় তুলে দিয়ে মানুষ তাঁর নিজের মত মজে আছে।  কেউ পড়ছেনা মাস্ক,আবার কেউ বা মাস্ক পড়ছেনা। সবার যেন একটা অনীহা জন্মাচ্ছে.সামাজিক দূরত্ববিধির তো বালাই নেই. আবার বেশকিছু মানুষ একঘেয়েমি লাগছে সেইভাবে ঘুরতে যাচ্ছে পাহাড়ি পথে,কিনবগবা অরণ্যপথে। ভাবছে সেখানে আবার করোনা কিসের। একেই তো ঘুরতে যাওয়াতে কিছুটা সচ্ছল হয়েছে। তবে এতকিছুর পরেও মানুষ কিন্তু এখনও সচেতন নয়. চিকিৎসকরা বারবার বলছে, সতর্ক থাকতে।সামনেই ত্রিত ঢেউ আসছে।তার আগে করোনার নয়া প্রজাতি কিন্তু বেশ কিছু দেশে হানা মেরেছে। তাতেও কি ভয় পাচ্ছে মানুষ,প্রশ্ন একটাই?

করোনার তৃতীয় ঢেউ শুরু, সতর্ক WHO

দেশে এবার করোনার তৃতীয় ঢেউ যে শুরু, তা সতর্ক করলেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO )। এদিকে বৃহস্পতিবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান জানান,'দুর্ভাগ্যের সাথে তৃতীয় ঢেউয়ের প্রাথমিক সস্তরে  আমরা পৌঁছে গেছি'. এদিকে বিশ্বে করোনা সংক্রমণের সংখ্যা গত চার সপ্তাহ ধরে নতুন করে বাড়তে শুরু করেছে। হুয়ের নির্ধারিত ছ’টি অঞ্চলের মধ্যে পাঁচটিতেই সংক্রমণের ঊর্ধ্বমুখী ধারা নজরে এসেছে।

যদিও ট্রেডস বলছেন ‘কিছু কিছু দেশে টিকার অভাব আর টিকা হয়ে যাওয়া দেশগুলিতে করোনা বিধি মানার গাফিলতিই তৃতীয় ঢেউয়ের প্রাথমিক স্তরে পৌঁছে দিয়েছে আমাদের।’’ করোনার তৃতীয় ঢেউ ইতিমধ্যে বিশ্বের ১১১টি দেশে প্রভাব ফেলেছে। সমীক্ষায় তাই দেখা যাচ্ছে। তবে আগামী সেপ্টেম্বর মাসে মধ্যে টিকার হার বাড়াতে হবে. যদিও মোট জনসংখ্যার অন্তত ১০ শতাংশ মানুষের টিকা সম্পূর্ণ করতে হবে । অর্থাৎ বলা যায় এই ভাইরাস কিন্তু আরও অন্যরকম রূপ নিতে চলেছে। তাই ভাইরাস থেকে রেহাই পেতে টিকার ওপর দিতে হবে বিশেষ নজর ।

তৃতীয় ঢেউয়ের আগেই দেশে ফের বাড়ল বিপদ

নয়াদিল্লি: দেশে করোনায় দৈনিক মৃত্যু কমলেও,বাড়ল আক্রান্তের সংখ্যা। গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন, ৩৮ হাজার ৭৯২ জন।


কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের বুধবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৬২৪ জনের। মোট মৃতের সংখ্যা ৪ লক্ষ ১১ হাজার ৪০৮ জন। মৃত্যু হার ১.৩৩ শতাংশ। এছাড়া মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩ কোটি ৯ লক্ষ ৪৬ হাজার ৭৪। মোট অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ৪ লক্ষ ২৯ হাজার ৯৪৬। একদিনে কমেছে ২,৮৩২ জন।


তবে করোনাকে জয় করে সুস্থ হয়েছে উঠেছেন মোট ৩ কোটি ১ লক্ষ ৪ হাজার ৭২০ জন। একদিনে সুস্থতার সংখ্যা ৪১ হাজার।দেশে সুস্থতার হার ৯৭.২৮ শতাংশ। মোট ভ্যাকসিন পেযেছেন ৩৮ কোটি ৭৬ লক্ষ ৯৭ হাজার ৯৩৫ জন। গত ২৪ ঘন্টায় পেয়েছেন ৩৭ লক্ষ ১৪ হাজার ৪৪১ জন।


আগামী সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে দেশে আচড়ে পড়তে পারে করোনার তৃতীয় ঢেউ। তার আগে করোনার দৈনিক সংক্রমণ বাড়ায় উদ্বেগ বাড়ছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের।

তৃতীয় ঢেউয়ের হাত ও কি উত্তরাখণ্ডে

করোনা বিধি তোয়াক্কা না করে হরিদ্বারের হর কি পৌরি ঘাটে পুণ্যার্থী ভিড় জমিয়েছেন হাজার হাজার পুণ্যার্থী। ওই রাজ্যে এ বছরের এপ্রিলে একই ছবি ধরা পড়েছিল শাহি স্নানের সময়। দেশে তখন করোনার দ্বিতীয় ঢেউ চরম পর্যায়ে। এ রকম পরিস্থিতিতে শাহি স্নানের আয়োজন করে সমালোচনা মুখে পড়তে হয়েছিল উত্তরাখণ্ড সরকারকে। এবার সেই একই ছবি দেখা গেল হিমাচল প্রদেশের মুসৌরির কেম্পটি জলপ্রপাতে।

এদিকে শাহী স্নানের ঘটনা থেকে শিখা হয়নি উত্তরাখণ্ডের সরকারের।বারবার সমালোচনার মুখে পড়ছে। এদিকে হিমাচলপ্রদেশের শহরগুলোতে যে ভাবে পর্যটকের ঢল নেমেছে তা দেখে গোটা দেশে সমালোচনা ঝড় উঠেছে।


দেশের তৃতীয় ঢেউ তেমন ভয়ঙ্কর হবেনা,জানালেন এমস প্রধান

নয়াদিল্লি:দেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ায় বেড়েছে সংক্রমণ। তবে ধীরে ধীরে সংক্রমণ কমেছে। লোকডাউন থাকার জেরে খানিকটা কমেছে সংক্রমণ। যদিও দ্বিতীয় ঢেউয়ের পাশাপাশি তৃতীয় ঢেউ আগামী দেড় মাসের মধ্যে আস্তে চলেছে, সেইকথা আগেই জানিয়ে দিয়েছেন, দিল্লির এমস প্রধান রণদীপ গুলেরিয়া। এদিকে এই তৃতীয়  ঢেউ আরও বেশি ভয়ঙ্কর হতে চলেছে। এছাড়া শিশুদের ক্ষেত্রে বেশি সংক্রমণের সম্ভাবনা তা নয় ।

সকলের ক্ষেত্রে তা সম্ভব। শনিবার অর্থাৎ আজ সাংবাদিক বৈঠকে রণদীপ গুলেরিয়া জানান, দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ এলেও দ্বিতীয়  ঢেউয়ের মত ভয়ঙ্কর হবেনা। তবে এই কথার ওপর ভিত্তি করে করোনা বিধি ভুললে চলবেনা। এদিকে  দ্বিতীয় তরঙ্গের ভয়াবহতা থেকে শিক্ষা নিয়ে তৃতীয় তরঙ্গ মোকবিলার প্রস্তুতি নিতে হবে । এছাড়া করোনার নয়া রূপ 'ডেল্টা' সেভাবে ভয়াবহ রূপ ধারণ করবেনা। কিন্তু এর প্রভাব কতটা পড়তে পারে তা নিয়ে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে ।  


তৃতীয় ঢেউ সামলাতে রাজ্যে বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন

করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কা মাথায় রেখে প্রস্তুতি শুরু করে দিল স্বাস্থ্য ভবন। গঠন করা হল ১০ সদস্যের বিশেষজ্ঞ কমিটি। এই কমিটিতে সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ, মেডিসিন, ক্রিটিক্যাল কেয়ার, যকৃৎ সংক্রান্ত রোগ বিশেষজ্ঞরা রয়েছেন। রাজ্য করোনার তৃতীয় ঢেউ মোকাবিলায় চিকিৎসা এবং হাসপাতাল পরিকাঠামো বাড়াতে কী কী পদক্ষেপ করতে হবে তা ঠিক করবে এই কমিটি। বুধবার বিশেষজ্ঞ কমিটি স্বাস্থ্য ভবনে প্রথম বৈঠক করবে বলেও স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর।


কিছুদিন আগেই করোনার তৃতীয় ঢেউ আস্তে চলছে দেড় মাসের মধ্যে তা আগাম বার্তা দিয়েছেন, দিল্লির এইমসের প্রধান রণদীপ গুলেরিয়া। এদিকে আশঙ্কা করা হচ্ছে প্রথম ও দ্বিতীয় ঢেউয়ের থেকেও তৃতীয় ঢেউ আরও ভয়ঙ্কর হতে চলেছে। এবারে শিশুরা বেশি আক্রান্ত হবে বলে জানানো হয়েছে। যদিও কোরনা চিকিৎসার ওপর জোরদার নজরদারীরাকাহ হবে.এই নিয়ই বৈঠক বিশেষ কমিটির। এছাড়া রাজ্যে চিকিৎসার পরিস্থিতি  কতটা ভালো এই নিয়ে বৈঠকের মূল বিষয় কমিটির। এখন দেখার করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের মোকাবিলায় মোকাবিলায় কতটা প্রস্তুত রাজ্য।

করোনার তৃতীয় ওয়েভ শুরু

করোনা আবহে গোটা বিশ্ব একেবারে বিধ্বংসী অবস্থায়। দেশে করোনার  প্রথম ঢেউ ,এরপর দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পরে। কিন্তু এখানেই শেষ নয়. এবার আছড়ে পড়ল তৃতীয় ঢেউ।  ইতিমধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকায় তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়েছে। সেখানকার স্বাস্থ্যদফতর জানান, করোনার তৃতীয় ঢেউ শুরু।  এদিকে আগের তুলনায় সংক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে। গতবছর থেকেই করোনায় বদলে গিয়েছিল  বিশ্বের জনজীবন।

প্রথম ঢেউয়ের পর দ্বিতীয় ঢেউয়েও বিপর্যস্ত হয় একাধিক দেশ।  এই পরিস্থিতিতে বিশ্ববাসীর চিন্তা আরও বাড়িয়েছে করোনার তৃতীয় ঢেউ। চিকিৎসা বিজ্ঞানী থেকে গবেষক-প্রত্যেকেই ইতিমধ্যেই এই প্রসঙ্গে সাবধান করেছিলেন। সংক্রমণের রূপ আরও বদল হবে.  তবে এবারে সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ছড়াতে পারে শিশুদের ওপর।  ইতিমধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকায় করোনার তৃতীয় ঢেউ প্রবেশ করেছে।

তৃতীয় ওয়েভে শিশুদের চিকিৎসার পদ্ধতি, নয়া গাইডলাইন কেন্দ্রের

 নয়াদিল্লি : দেশে করোনার দ্বিতীয় ওয়েভের পর এবার তৃতীয় ওয়েভ  আসর সম্ভাবনা খুব শীঘ্রই ।তার আগেই চিকিৎসকরা জানাচ্ছে,মূলত তৃতীয় ওয়েভে আক্রান্ত বেশি হতে  পারে শিশুরা অর্থাৎ ১৮ বছরের কম বয়সিরা। ঠিক তার আগেই শিশুদের সতর্ক করতে এবার বিশেষ গাইডলাইন প্রকাশ করল কেন্দ্র। এবার দেখে নেওয়া যাক কি কি বিষয়ের ওপর ঠিক কেন্দ্রের গাইডলাইন প্রকাশ হয়েছে :-

প্রর্থমত গাইডলাইনে বলা কাছে স্পষ্টত, কোনও শিশুর ক্ষেত্রে রেমেডিসিভির ব্যবহার করা যাবেনা। এক্ষেত্রে  ১৮ বছর কমবয়সী কিশোর -কিশোরীদের ক্ষেত্রে বিপদের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সেটা কতটা তা এখনও স্পষ্টত নেই।

দ্বিতীয়ত স্টেরয়েড ব্যবহারের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে কেন্দ্র। যদিও যে সমস্ত শিশুর ক্ষেত্রে বিপদ আছে তাদের ক্ষেত্রে স্টেরয়েড ব্যবহার করতে পারে চিকিৎসকরা।তবে সেটা হাসপাতালে ভর্তি হওয়া শিশুদের জন্য। বিশেষজ্ঞদের মত, স্টেরয়েড ব্যবহার কিন্তু ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।যা বর্তমান পরিস্থিতে মহামারির আকার ধারণ করেছে।

তৃতীয়ত   মাস্ক পড়ার ক্ষেত্রে  কেন্দ্রের  গাইডলাইনে বলা হয়েছে, ৫ বছরের কম বয়সি শিশুদের  মাস্ক পড়ার প্রয়োজন নেই।   তবে ৬-১১ বছর বয়সিরা মাস্ক ব্যবহার করতে পারে। কিন্তু মাস্ক পড়াতে যদি সমস্যা থাকে। সেক্ষেত্রে পড়ার প্রয়োজন নেই. ১২ বছরের ওপরে যারা  তাদেরকে অবশ্যই  মাস্ক পরতে হবে।  

চতুর্থত করোনায় আক্রান্ত শিশুদের অক্সিজেনের মাত্রা ঠিক আবহে কিনা।তা ৬ মিনিট হাঁটার পর দেখতে হবে. কেন্দ্রের গাইডলাইনে বলা হয়েছে। একাহার ৬ মিনিট হাঁটার পর পরীক্ষা করা হবে.এরপর শিশুটির অক্সিজেনের মাত্রা যদি কম হয়।   তৎক্ষণাৎ হাসপাতালে শিশুকে ভর্তি করতে হবে। 

করোনার তৃতীয় ঢেউ অনিবার্য

নয়া দিল্লি :দেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়তেই ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করেছে। প্রতিনিয়ত বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। অন্যদিকে বাড়ছে মৃত্যু। তবে সাধারণ মানুষ কিন্তু সেভাবে এখনও সতর্ক নয়। কিছুক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে মাস্ক পড়তে অনিহা।  এখনই যদি সাবধান না হওয়া যায় তাহলে সামনে বড় বিপদ আসতে  চলেছে। প্রত্যেককে নিতেই হবে টিকা। এই নিয়ে সতর্ক করলেন, নীতি আয়োগের সদস্য ডাঃ বিনোদ পাল। ইতিমধ্যে দেশে ফের আবার লকডাউন শুরু হয়েছে । যার জের কিছুটা সংক্রমণ কমছে  এবার। এর পাশাপাশি টিকাকরণের আওতায় আনতে হবে। যদিও কিছুটা সময় লাগবে টিকার ক্ষেত্রে। ততদিন পর্যন্ত সকলকে মানতে হবে বিধিনিষেধ । যদি সেটা না হয়। তবে দেশে তৃতীয় ওয়েভ খুব শীঘ্রই আসতে চলেছে। তাই মাস্ক পড়তে অনিহা,কিংবা বিধিনিষেধ না মেনে নিজের মত চলা সেক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে। এদিকে আশঙ্কা করা হচ্ছে আগস্ট -সেপ্টেম্বর মাস থেকে এই তৃতীয় ওয়েভ আসতে পারে। ইতিমধ্যে দেশে টিকাকরণ শুরু হয়েছে। সেদিকে যথেষ্ট নজর রাখা হচ্ছে। তবে দেশে দ্বিতীয় করোনা রুখতেও যথেষ্ট তৎপর। তৃতীয় ওয়েভ আসতে প্রস্তুতি নিচ্ছে ইতিমধ্যেই ভারত।