যোগীরাজ্যের করোনা মাতার মন্দির ভেঙে দেওয়া হল

উত্তরপ্রদেশঃ যোগীরাজ্যে ভেঙে ফেলা হল করোনা মাতার মন্দির। শুক্রবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের প্রতাপগড়ের একটি গ্রামে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, রাতের অন্ধকারে পুলিশ মন্দিরটি ভেঙে দিয়েছে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে পুলিশ। গত ৭ জুন গ্রামবাসীদের থেকে চাঁদা তুলে মন্দিরটি তৈরি করা হয়েছিল। তারপর থেকে চলছিল করোনা মাতার পুজো।

রীতিমত মন্দির বানিয়ে,মূর্তি গড়ে যোগীরাজ্যে পূজিত হচ্ছিল করোনা। গ্রামবাসীদের বিশ্বাস, করোনা মাতার পূজা করলেই এই ভাইরাসের প্রকোপ থেকে মুক্তি মিলবে দেশবাসীর।

জানা গিয়েছে,উত্তরপ্রদেশের প্রতাপগড়ের একটি গ্রামে করোনাকে দেবীরূপে পূজার্চনা শুরু হয়েছিল। একটি নিম গাছের গোড়ায় প্রতিস্থাপিত হয়েছিল করোনা মাতা। সেই মন্দির শুক্রবার রাতে কে বা কারা ভেঙ্গে দিয়েছে।

অন্যদিকে প্রথম থেকেই গ্রামবাসীদের পুজোকে আমল দেয়নি পশ্চিমবঙ্গ বিজ্ঞান মঞ্চ।তাদের যুক্তি এই পুজো করে করোনাকে নির্মূল করা সম্ভব নয়। এতে সময় নষ্ট হচ্ছে এবং কাজের কাজ কিছুই হবে না।

কিছু মানুষ করোনা ভাইরাসের ভয়ে অসহায় হয়ে কুসংস্কারকে ধরে বেঁচে থাকতে চাইছে। কারণ  করোনাভাইরাস মহামারীতে জনজীবন বিপর্যস্ত। চেনা পৃথিবীটা বদলে গিয়েছে। আতঙ্কিত মানুষ করোনার বিপদ নির্মূল হওয়ার প্রার্থনা করছেন। সেই ভাবনার প্রতিফলন ঘটেছে প্রতিমার রূপায়ণে।


করোনাবিধি মেনে খুলল কাশী বিশ্বনাথ মন্দির

মঙ্গলবার অর্থাৎ আজ থেকে খুলে গেল বেনারস কাশী বিশ্বনাথ মন্দির। উত্তরপ্রদেশে বিধিনিষেধে কিছুটা স্থিতিশীল আনা হয়েছে। এদিকে দর্শনার্থীদের প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে সামাজিক দূরত্ববিধি মেনেই। কোভিড প্রোটোকল  মেনেই  মন্দিরে প্রবেশ করতে হবে।  এমনই নির্দেশ মন্দির কতৃপক্ষে। যদিও দর্শনার্থীদের প্রবেশের জন্য আলাদা করে করোনা নেগেটিভ রিপোর্ট দেখতে হবেনা।  তবে মন্দিরে প্রবেশ করতে গেলে অবশ্যই মাস্ক, স্যানিটাইজার ব্যবহার আবশ্যক। মন্দিরের গর্ভগৃহে এখনই দর্শনার্থীরা প্রবেশ করতে পারবেনা। করোনার কারণে গত এপ্রিল মাস থেকে বন্ধ হয়ে গেছিল এই মন্দির। এরপর সংক্রমণ ১৪ হাজারের নীচে নেমে যাওয়ায় বিধিনিষেধে কিছুটা স্থিতিশীল হয়েছে। তাই এবার করোনা বিধি মেনেই খুলে দেওয়া হল কাশী বিশ্বনাথ মন্দির।