কেন্দ্র ও রাজ্যগুলিকে লকডাউনের পরামর্শ সুপ্রিম কোর্টের

দেশের করোনা সংক্রমণ দিনে দিনে বেড়েই চলেছে। কিছুতেই ঠেকানো যাচ্ছে না মৃত্যু। বাড়বাড়ন্ত কোভিড পরিস্থিতিতে উদ্বিগ্ন সুপ্রিম কোর্ট। সংক্রমণে রাশ টানতে এরাব কেন্দ্রের পাশাপাশি রাজ্য সরকারগুলিকে লকডাউন জারি করার পরামর্শ দিল শীর্ষ আদালত। দেশে অতিমারির দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় ইতিমধ্যেই শুনানি হয়ে গিয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। এরপর রবিবারই লকডাউনের পরামর্শ।

আদালত জানিয়েছে, ‘কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারগুলির কাছে আবেদন, ভিড় এবং সুপার স্প্রেডার অনুষ্ঠানের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করুন। প্রাণঘাতী ভাইরাসের প্রকোপ রুখতে আপনারা লকডাউনের বিষয়টিও ভেবে দেখতে পারেন’।

লকডাউনের পাশাপাশি আমজনতার অসুবিধা নিয়েও ওয়াকিবহাল শীর্ষ আদালত। লকডাউনের জেরে প্রান্তিক মানুষের অসুবিধার বিষয়টিকেও নজর রাখার জন্য কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারগুলিকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আদালত জানিয়েছে, ‘প্রান্তিক মানুষের জীবনে লকডাউন যে আর্থ-সামাজিক প্রভাব ফেলে সে ব্যাপারে আমরা অবহিত। লকডাউন জারি করলে প্রান্তিক মানুষ যাতে আতান্তরে না পড়েন সে দিকেও নজর রাখতে হবে’।

দেশে সাড়ে তিন লাখ ছাড়িয়েছে দৈনিক সংক্রমণ। সংক্রমণ ঠেকাতে করোনা শৃঙ্খল ভাঙাতেই জোর দিয়েছেন চিকিৎসকরা। সেকথা মাথায় রেখেই সুপ্রিম কোর্টের এই পরামর্শ বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞমহল।


কোভিড মোকাবিলায় কেন্দ্র ও রাজ্যের পদক্ষেপ জানতে চায় শীর্ষ আদালত

দেশের কোভিড পরিস্থিতিকে জাতীয় বিপর্যয় বলে মন্তব্য করল শীর্ষ আদালত । রাজনৈতিক তরজা ছেড়ে মানুষের প্রাণ বাঁচানোই একমাত্র লক্ষ্য হওয়া উচিত ।  বাড়বাড়ন্ত করোনা পরিস্থিতির মোকাবিলায় প্রশাসনকে এমনই পরামর্শ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট । মঙ্গলবার এই বিষয়ে স্বতঃপ্রণোদিত মামলার শুনানি ছিল আদালতে।  কোভিডের মোকাবিলায় কেন্দ্র ও রাজ্যগুলি কী কী ব্যবস্থা নিচ্ছে তাও বিশদে জানতে চেয়েছে আদালত । এই মর্মে চাওয়া হয়েছে রিপোর্টও । করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে রাজ্যগুলির স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর বিশদ বিবরণ চেয়েছে শীর্ষ আদালত ।

করোনা পরিস্থিতিতে দেশে অক্সিজেনের চাহিদা তুঙ্গে । অযথা আতঙ্কিত হয়ে অক্সিজেন সিলিন্ডার মজুত করছে একদল মানুষ । বাজারে তৈরি হচ্ছে অক্সিজেনের কৃত্রিম চাহিদা । এবিষয়েও সতর্ক করেছে সুপ্রিম কোর্ট । আগামী এক সপ্তাহে দেশের অক্সিজেনের চাহিদা মেটাতে কেন্দ্র কী পদক্ষেপ করছে তাও বিশদে জানতে চেয়েছে আদালত । চাহিদার সঙ্গে যোগানের সামঞ্জস্য রয়েছে কিনা সে নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন । যে সব অঞ্চলে করোনার সংক্রমণ বেশি, সেখানে পর্যাপ্ত পরিমাণে চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মী রয়েছেন কিনা তাও জানতে চেয়েছে শীর্ষ আদালত । 

পয়লা মে থেকে ১৮ বছরের উপরে সবাইকে টিকা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে কেন্দ্র । টিকাকরণের জন্য প্রয়োজনীয় টিকা দেশে মজুত রয়েছে কিনা সেই বিষয়েও তথ্য চায় আদালত । এই মর্মে কেন্দ্রীয় সরকারকে হলফনামা পেশ করার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট । কোভিড মোকাবিলার গুরুত্বপূর্ণ দুটি ওষুধ রেমডেসিভি এবং ফাভিপিরাভি সব রোগীরা পাবেন কিনা  তাও হলফনামায় উল্লেখের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে । শুক্রবার এই মামলার পরবর্তী শুনানি । 


কয়লা পাচার তদন্তে আরও দুদিনের ‘সুপ্রিম রক্ষাকবচ’ পেল লালা

কয়লা পাচারকাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টে মূল অভিযুক্ত লালার মামলার শুনানি ফের পিছল। মঙ্গলবারের পরিবর্তে এবার বৃহস্পতিবার হবে লালাকে গ্রেফতার করা নিয়ে মামলার শুনানি হবে। ফলে আরও দুদিন লালা ওরফে অনুম মাঝিকে গ্রেফতার করতে পারবে না। উল্লেখ্য মঙ্গলবারও সিবিআই দফতরে হাজিরা দিয়েছিলেন অনুপ মাঝি। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সূত্রে জানা যাচ্ছে, জিজ্ঞাসাবাদে লালার উত্তরে গোয়েন্দারা খুব একটা সন্তুষ্ট নয়। তবে তিনি যে তদন্তে সহযোগীতা করছেন সেটা মেনে নিয়েছে সিবিআই। এর আগে সুপ্রিম কোর্টে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত রক্ষাকবজ পান লালা। পরে তার সময়সীমা বাড়ে ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত। সেই মতো মঙ্গলবার ডাকা হলেও লালাকে গ্রেফতার করতে পারতেন না তদন্তকারীরা। এবার সেই সময়সীমা আরও দুদিন বেড়ে গেল। তবে ইতিমধ্যেই লালার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে এনফোর্সমেন্ট ডাইরেক্টরেট (ইডি)। তাঁরাও কয়লা পাচারের আর্থিক লেনদেন নিয়ে তদন্ত করছে। অপরদিকে, এদিনই কয়লা পাচারকাণ্ডে বাঁকুড়ার পুলিশ সুপারকে জিজ্ঞাসাবাদ করল সিবিআই।

ব্রাজিলে করোনা রুখতে ব্যর্থ বলসোনারোর সরকার, তদন্তে সুপ্রিম কোর্ট

দ্বিতীয়বার ব্রাজিলে করোনা আক্রন্তের সংখ্যা বেড়ে চলেছে। রেকর্ড অনুযায়ী অন্যান্য দেশের মতো ব্রাজিলেও ছাড়িয়ে গেছে। ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারো  সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠে আসছে বারবার। এবার ব্রাজিল সরকারের বিরুদ্ধে করোনা সংক্রমণ রুখতে কোনও পদক্ষেপ না নেওয়ার জন্য তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। অন্যদিকে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট এর প্রত্যুত্তরে জানান, দেশে এখন করোনার ভয়াবহ পরিস্থিতি চলছে। তারমধ্যে রাজনীতি চালাচ্ছে সুপ্রিম কোর্ট। যদিও প্রথম থেকেই লকডাউনে আপত্তি করেন বলসোনারো। তিনি মনে করেন, লকডাউন করা মানে দেশের অর্থনীতি ভেঙে পড়া। আর এই অর্থনীতি ভাঙা মানে করোনার থেকেও ভয়ঙ্কর।   


দেশের পরবর্তী প্রধান বিচারপতি এনভি রামানা, শপথ ২৪ এপ্রিল

দেশের সর্বোচ্চ আদালতের পরবর্তী প্রধান বিচারপতি হচ্ছেন এনভি রামানা (Nuthalapati Venkata Ramana)। সূত্রের খবর, রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ তাঁর নিয়োগে শিলমোহর দিয়েছেন। ফলে আগামী ২৪ এপ্রিল তিনি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি পদে শপথ নেবেন। আগামী ২৩ এপ্রিল মেয়াদ শেষ হচ্ছে সুপ্রিম কোর্টের বর্তমান প্রধান বিচারপতি এস বোবদের (Sharad Arvind Bobde)। তাঁর জায়গায় বিচারপতি রামানার নামই প্রস্তাব করেছিলেন তিনি। শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি হিসেবে রামানার মেয়াদ হবে এক বছর চার মাস। ২০২২ সালের ২৬ আগস্ট পর্যন্ত তিনি ওই পদে থাকবেন। অন্ধ্রপ্রদেশের এক কৃষক পরিবারে ১৯৫৭ সালের ২৭ আগস্ট  জন্মগ্রহন করেছিলেন এনভি রামানা। ২০০০ সালের জুন মাসে তিনি অন্ধ্রপ্রদেশ হাই কোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হন। পরে দিল্লি হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি হন তিনি।  এরপর ২০১৪ সাল থেকে তিনি সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

লকডাউনের সময় ঋণ-কিস্তি ছাড়ে পুরো সুদ মুকুব নয়ঃ সুপ্রিম কোর্ট

করোনা অতিমারীর সময় লকডাউনের ছয় মাসের ব্যাঙ্ক ঋণের কিস্তি স্থগিত (Moratorium) রাখার প্রকল্প ঘোষণা করেছিল আরবিআই (Reserve Bank of India)। ওই প্রকল্পের আওতায় সুদে ছাড় মিলবে কিনা সেই সংক্রান্ত মামলায় গুরুত্বপূর্ণ রায় দিল সুপ্রিম কোর্ট। মঙ্গলবার এই মামলার রায়ে দেশের সর্বোচ্চ আদালত পরিস্কার জানিয়ে দিল, সুদে সম্পূর্ণ ছাড় দেওয়া সম্ভব নয়। শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, সুদে সম্পূর্ণ ছাড় দিলে সমস্যায় পড়বে ব্যাঙ্কগুলি। কারণ তাদেরও অংশীদার, বিনিয়োগকারী ও অন্যান্য গ্রাহকদের সুদ দিতে হয়। তাই ব্যাঙ্ক ঋণের কিস্তি স্থগিত রাখার প্রকল্পের সুদে সম্পূর্ণ ছাড় দেওয়া সম্ভব নয়। বিচারপতি অশোক ভূষণের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ডিভিশন বেঞ্চ এই রায় দিয়েছেন। পাশাপাশি ঋণে সুদ ছাড়ের সময়সীমা আরও বাড়ানোর আবেদনও নাকচ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। তবে সর্বোচ্চ আদালত এদিন জানিয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকার এবং রিজার্ভ ব্যাঙ্কই ঠিক করবে জাতীয় অর্থনীতির জন্য কোনটা ভালো। ফলে দুর্নীতির অভিযোগ না আসা পর্যন্ত আইনবিভাগ এতে হস্তক্ষেপ করতে পারে না। যদিও সুপ্রিম কোর্ট আরও জানিয়েছে, এই সময়সীমার মধ্যে যৌগিক হারে সুদ নিতে পারবে না ব্যাঙ্কগুলি।

বড় স্বস্তি বিজেপির, ভারতী ঘোষের গ্রেফতারিতে ‘সুপ্রিম’ স্থগিতাদেশ

বিধানসভা ভোটের ফল ঘোষণার আগে পর্যন্ত ডেবরার বিজেপি প্রার্থী তথা নেত্রী ভারতী ঘোষকে গ্রেফতার করা যাবে না। মঙ্গলবার এমনই নির্দেশ দিল দেশের সর্বোচ্চ আদালত। ফলে বিধানসভা নির্বাচনের আগে বড় স্বস্তি পেল বঙ্গ বিজেপি। সুপ্রিম কোর্ট এদিন নির্দেশ দিয়েছে, আগামী ১০ মে পর্যন্ত গ্রেফতার করা যাবে না। আগামী ২ মে বিধানসভা ভোটের ফল ঘোষণা, অর্থাৎ বিধানসভা ভোটের ফল ঘোষণার আগে পশ্চিম মেদিনীপুরের ডেবরার বিজেপি প্রার্থীকে গ্রেফতার করতে পারবে না পুলিশ। তিনি প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন এবং প্রচারও করতে পারবেন।


উল্লেখ্য, প্রাক্তন আইপিএস অফিসার ভারতী ঘোষের নামে মোট ৩০টি এফআইআর রয়েছে। গোটা পরিস্থিতি জানিয়ে ভারতী ঘোষ সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন। দেশের সর্বোচ্চ আদালতে ভারতী ঘোষের আইনজীবী এন কে কল সাওয়ালে দাবি করেন, তাঁর মক্কেলের বিরুদ্ধে একের পর এক FIR দায়ের করা হয়েছে। তিনি রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন বলেই এই FIR দায়ের। তিনি আরও জানান, বিগত লোকসভা নির্বাচেনের আগেও তাঁকে বারবার জিজ্ঞাসাবাদ করেছে রাজ্য পুলিশ এবং সিআইডি। এবারও জামিন অযোগ্য ধারায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। ভারতী ঘোষের আইনজীবীর দাবি, তাঁর মক্কেল যাতে মনোনয়ন জমা করতে না পারেন তার জন্যই এই পরোয়ানা। আগামী ১৩ মার্চ তাঁর ডেবরা আসনে মনোনয়ন জমা দেওয়ার কথা।


পাশাপাশি তাঁর আরও বক্তব্য, ভারতী ঘোষের বিরুদ্ধে যারা অভিযোগ দায়ের করেছেন তাঁরা বেশিরভাগই হয় পাচারে না হয় ধর্ষণে অভিযুক্ত। রাজ্য সরকারের আইনজীবী সিদ্ধান্ত লুথেরা পাল্টা দাবি করেন, গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত। সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি বিজেপি নেত্রী ভারতী ঘোষের গ্রেফতারি পরোয়ানার ওপর স্থগিতাদেশ দেন। রাজ্যের বক্তব্য খারিজ করে বিচারপতি বলেন, ‘FIR করেছিল পুলিশ, কমিশন করেনি। তাই পুলিস কমিশনের অধীনে নেই, এটা বলা ঠিক নয়’।

পশ্চিমবঙ্গে ৮ দফা ভোটের বিরুদ্ধে মামলা খারিজ সুপ্রিম কোর্টে

পশ্চিমবঙ্গে ৮ দফায় ভোট করানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দেশের সর্বোচ্চ আদালতে দায়ের হয়েছিল একটি জনস্বার্থ মামলা। সেই সঙ্গে রাজনৈতিক প্রচারে ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি দেওয়ার ওপরও নিষেধাজ্ঞা জারির আবেদন করা হয়েছিল। এবার দুটি মামলাই খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্ট। মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি এস এ বোবদের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়। শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দেয়, ধর্মের ভিত্তিতে বড়জোর নির্বাচনী পিটিশন হিসেবে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হওযা যায়। তাই মামলাকারী মনোহরলাল শর্মাকে বিকল্প হিসেবে কলকাতা হাইকোর্টে আবেদনের কথা বলেন। কিন্তু মামলাকারী এই বিকল্পে ইচ্ছুক ছিলেন না, তাই শেষপর্যন্ত মামলাটি খারিজ করে দেয় সুপ্রিম কোর্ট। উল্লেখ্য, মামলাটি সর্বোচ্চ আদালতে দায়ের হয়েছিল গত ১ মার্চ। আবেদনে মামলাকারী দাবি করেন, ‘পশ্চিমবঙ্গে যখন কোনও সন্ত্রাসবাদী হামলার মুখে নেই বা বিতর্কিত যুদ্ধক্ষেত্রের আওতায় পড়ছে না, তখন আট দফায় ভোটগ্রহণ স্পষ্টতই ভারতীয় সংবিধানের ১৪ নম্বর ধারার  লঙ্ঘনের বিষয়’। কিন্তু শেষপর্যন্ত মামলাটি খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্ট।

 

OTT প্ল্যাটফর্মে পর্নোগ্রাফি দেখানো হয়, নজরদারি প্রয়োজন, পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টে

OTT প্ল্যাটফর্মের ওপর বিশেষ নজরদারির দরকার। এরজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারকে নির্দেশ দিল দেশের সর্বোচ্চ আদালত। বৃহস্পতিবার এই সংক্রান্ত একটি মামলায় এমনই নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি অশোক ভূষণের বেঞ্চ। বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, ওটিটি প্ল্যাটফর্মের পর্নোগ্রাফির মতো কনটেন্টও দেখানো হয়। ফলে এদের উপরে বিশেষ নজরদারির প্রয়োজন। সম্প্রতি বিতর্কিত ওয়েব সিরিজ তাণ্ডব নিয়ে একটি মামলার শুনানি চলছে সুপ্রিম কোর্টে। অ্যামাজন ইন্ডিয়ার প্রধান অপর্ণা পুরোহিত আগাম জামিনের আবেদন করেছিলেন সুপ্রিম কোর্টে। তারই শুনানি চলাকালীন বিচারপতি এই মন্তব্য করেছেন। তিনি কেন্দ্রের আইনজীবীকে বলেন, ওটিটি প্ল্যাটফর্মগুলিতে পর্নোগ্রাফিও দেখানো হচ্ছে। তাই এই বিষয়ে একটা ব্যালান্স রাখা দরকার। আগামী শুক্রবার এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। প্রসঙ্গত বৃহস্পতিবারই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রকাশ জাওড়েকরের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন ওটিটি প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে যুক্ত প্রতিনিধিরা। বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে বলেই জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী। দিন কয়েক আগেই কেন্দ্রের তরফে ওটিটি এবং সোশাল মিডিয়ার ওপর একটি গাইডলাইন প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার।