স্কুলে ফেরার আনন্দে

শুক্রবার রাজ্যে আংশিক ভাবে স্কুলগুলি খুলে গেল। খোলার ঘোষণা আগেই ছিল কিন্তু আচমকা বামেদের বন্ধ ডাকায় চিন্তায় পড়েছিল নবম দশম শ্রেণীর ছাত্রছাত্রীরা। কিন্তু শেষপর্যন্ত স্কুলে যেতে পেরেছে সিংহভাগই। তাদের নেটের মাধ্যমে পড়াশুনা আর ভালো লাগছিল না, কারণ ওইভাবে তারা অভ্যস্ত নয় বলে জানাচ্ছে পড়ুয়ার দল। এবারে স্থির হয়েছে পরীক্ষা পিছোচ্ছে অর্থাৎ উচ্চমাধ্যমিক ও মাধ্যমিক। কাজেই অন্তত বেশ কয়েকদিন সময়ে পাবে ছেলেমেয়েরা প্র্যাকটিক্যাল ক্লাস করার। স্কুল থেকে বেরিয়ে পড়ুয়ারা জানাচ্ছে, তারা তাদের পরিচিত ক্লাসরুমে যেতে পেরে খুবই আনন্দ পেয়েছে। অনেকদিন বাদে দূরে থাকা বন্ধুদের সাথে দেখাও হয়েছে তবে নিয়ম অনুযায়ী টিফিন ভাগ করে খাওয়া যায়নি এবং জলের বোতল বাড়ি থেকে নিয়ে যেতে হয়েছে। টিফিনের সময়ে অবশ্য ক্লাসরুমের বাইরে যেতে দেওয়া হয়নি এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা হয়েছে। তবুও স্কুলে গিয়ে অনাবিল আনন্দ পেয়েছে ৩৩৩ দিন বাদে।

বনধ আবহেই ১১ মাস পর খুলল স্কুল, খুশি পড়ুয়ারা

করোনার আতঙ্ক কাটিয়ে প্রায় ১১ মাস পর রাজ্যে স্কুল খুলল শুক্রবার। কিন্তু এদিনই বাম সংগঠনগুলির ডাকা ১২ ঘন্টার বাংলা বনধের জেরে অশান্তির ভ্রুকুটি ছিল। অনেকেই ইচ্ছা থাকলে স্কুলে আসতে পারেনি। তবুও রাজ্যের সমস্ত স্কুলেই নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত ক্লাস চালু হয়ে গেল এদিন। সমস্ত কোভিডবিধি মেনে চালু হল স্কুল। তবে এতদিন পর স্কুলে ফিরতে পেরে উচ্ছ্বসিত পড়ুয়ারা। শিক্ষাদফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ৩৬ হাজার সরকারি ও সরকার পোষিত মাধ্যমিক স্কুল এবং প্রায় ১৪ হাজার উচ্চ মাধ্যমিক স্কুল এবং ৬৩৬টি মাদ্রাসা রয়েছে।


বৃহস্পতিবার এই সমস্ত স্কুলেই নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত ক্লাস চালু হল। যদিও করোনা কালে স্কুলে ক্লাস চালু করার জন্য ৫০ পাতার নির্দেশিকা দিয়েছে রাজ্য সরকার। জানানো হয়েছে, এই সমস্ত বিধিনিষেধ মেনে চলতে হবে স্কুল কর্তৃপক্ষ, শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং পড়ুয়াদের। মূলত, কঠোরভাবে কোভিড বিধি মানতে হবে বলেই জানানো হয়েছে ওই নির্দেশিকায়। সকলকে ব্যবহার করতে হবে মাস্ক, স্যানিটাইজার। পালন করতে হবে দূরত্ব বিধি। এমনকি বন্ধুদের সঙ্গেও ভাগ করে খাওয়া যাবে না টিফিন।