Petrol Pump Strike: ধর্মঘট পেট্রোল পাম্পে, ভোগান্তিতে আমজনতা!

এবার  ট্যাঙ্কার মালিকদের পর এবার পাম্প মালিকরা ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে। কমিশন বৃদ্ধি-সহ একগুচ্ছ দাবি নিয়ে মঙ্গলবার সকাল ছটা থেকে বুধবার ভোর ছটা পর্যন্ত বন্ধের ডাক ওয়েস্ট বেঙ্গল পেট্রোলিয়াম ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশনের। ফলে রাজ্যের প্রায় আড়াই হাজার পাম্পে মিলবে না জ্বালানি। এদিকে পেট্রোলের দাম বাড়ছে দিনে দিনে।যার ফলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।  বর্তমান পরিস্থিতিতে পেট্রোল এবং ডিজেলের কিনতে গিয়েই কার্যত গাড়ির মালিকদের পকেট গড়ের মাঠ হওয়ার জোগাড়।

এমতাবস্থায় অনেকেই এখন আর পেট্রোল চালিত গাড়ি কিনতে অথবা ব্যবহার করতে চাইছেন না। তার বদলে ইলেকট্রিক চালিত স্কুটারের প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়ছে।পেট্রোল-ডিজেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়াতে পাম্প মালিকরা বেজায় সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন।যদিও সূত্রের খবর, ইন্ডিয়ান অয়েল ও হিন্দুস্থান পেট্রোলিয়ামের পাম্প খোলা থাকবে।

তবে বন্ধ থাকবে ভারত পেট্রোলিয়ামের পাম্পগুলি। সংগঠনের তকফে অবশ্য জানান হয়েছে, জরুরি পরিষেবার ক্ষেত্রে জ্বালানি সরবরাহ করা হবে।মঙ্গলবারই রাজ্য সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বসার কথা মালিকদের। তারপরেই পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে জানা যাবে। আপাতত নো পারচেজ, নো সেলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংগঠন।  

Petrol Pump Strike: আগামীকাল রাজ্যজুড়ে পেট্রোল পাম্প বন্ধ

আগামীকাল  রাজ্যজুড়ে ২৪ ঘণ্টা পেট্রোল পাম্প বনধের ডাক পেট্রোলিয়াম ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশনের। কাল সকাল ৬ থেকে বুধবার সকাল ৬ অবধি অধিকাংশ পেট্রোল পাম্প বন্ধের সম্ভাবনা।  প্রায় ২৪০০ পেট্রোল পাম্প বন্ধ থাকবে বলে দাবি অ্যাসোসিয়েশনের। বনধের আওতার বাইরে থাকবে জরুরি পরিষেবা। তিন দফা দাবিতে রাজ্যজুড়ে বনধের ডাক দিয়েছে অ্যাসোসিয়েশন।সংগঠনের বক্তব্য, মূল্যবৃদ্ধির কারণে জ্বালানির বিক্রয় কমেছে। এতে লোকসানের মুখে পড়েছেন পাম্প মালিকরা।

দ্বিতীয়ত, পেট্রোলে ১০ শতাংশ ইথানল নিয়ে তেল কোম্পানিগুলিকে মানুষের মধ্যে সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে। কমিশন বৃদ্ধির দাবিও জানানো হয়েছে। এদিকে পেট্রোলের দাম বাড়ছে দিনে দিনে।যার ফলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।  বর্তমান পরিস্থিতিতে পেট্রোল এবং ডিজেলের কিনতে গিয়েই কার্যত গাড়ির মালিকদের পকেট গড়ের মাঠ হওয়ার জোগাড়।

এমতাবস্থায় অনেকেই এখন আর পেট্রোল চালিত গাড়ি কিনতে অথবা ব্যবহার করতে চাইছেন না। তার বদলে ইলেকট্রিক চালিত স্কুটারের প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়ছে।পেট্রোল-ডিজেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়াতে পাম্প মালিকরা বেজায় সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন। জ্বালানি তেল বিক্রি আগের তুলনায় অনেকটাই কমে গিয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে জ্বালানি তেলের মূল্যে রাশ টানার কোনো সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না। এতে কার্যত কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সাধারণের ক্ষোভ বাড়ছে। শুধু তাই নয়, বিরোধীরাও একজোট হয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের সমালোচনা করছেন। 


Petrol Pump Strike: আগামীকাল রাজ্যজুড়ে পেট্রোল পাম্প বন্ধ

আগামীকাল  রাজ্যজুড়ে ২৪ ঘণ্টা পেট্রোল পাম্প বনধের ডাক পেট্রোলিয়াম ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশনের। কাল সকাল ৬ থেকে বুধবার সকাল ৬ অবধি অধিকাংশ পেট্রোল পাম্প বন্ধের সম্ভাবনা।  প্রায় ২৪০০ পেট্রোল পাম্প বন্ধ থাকবে বলে দাবি অ্যাসোসিয়েশনের। বনধের আওতার বাইরে থাকবে জরুরি পরিষেবা। তিন দফা দাবিতে রাজ্যজুড়ে বনধের ডাক দিয়েছে অ্যাসোসিয়েশন।সংগঠনের বক্তব্য, মূল্যবৃদ্ধির কারণে জ্বালানির বিক্রয় কমেছে। এতে লোকসানের মুখে পড়েছেন পাম্প মালিকরা।

দ্বিতীয়ত, পেট্রোলে ১০ শতাংশ ইথানল নিয়ে তেল কোম্পানিগুলিকে মানুষের মধ্যে সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে। কমিশন বৃদ্ধির দাবিও জানানো হয়েছে। এদিকে পেট্রোলের দাম বাড়ছে দিনে দিনে।যার ফলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।  বর্তমান পরিস্থিতিতে পেট্রোল এবং ডিজেলের কিনতে গিয়েই কার্যত গাড়ির মালিকদের পকেট গড়ের মাঠ হওয়ার জোগাড়।

এমতাবস্থায় অনেকেই এখন আর পেট্রোল চালিত গাড়ি কিনতে অথবা ব্যবহার করতে চাইছেন না। তার বদলে ইলেকট্রিক চালিত স্কুটারের প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়ছে।পেট্রোল-ডিজেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়াতে পাম্প মালিকরা বেজায় সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন। জ্বালানি তেল বিক্রি আগের তুলনায় অনেকটাই কমে গিয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে জ্বালানি তেলের মূল্যে রাশ টানার কোনো সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না। এতে কার্যত কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সাধারণের ক্ষোভ বাড়ছে। শুধু তাই নয়, বিরোধীরাও একজোট হয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের সমালোচনা করছেন। 


লোকাল ট্রেন চালুর দাবিতে অবরোধ

আগামী ১৫ অগস্ট পর্যন্ত রাজ্যে বিধিনিষেধ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে লোকাল ট্রেন চালানো হবে না। আর এই লোকাল ট্রেন চালানোর দাবিতেই রেল অবরোধ হলো হুগলি জেলার পাণ্ডুয়ায়। সোমবার সকাল থেকে দফায় দফায় অবরোধ শুরু করেন স্থানীয়রা। এখন স্টাফ স্পেশাল ট্রেন চললেও তাতে সবাই উঠতে পারছেন না। এমনকী স্টাফ স্পেশাল ট্রেন বাড়ানো হলেও তা সবার জন্য নয়। বিক্ষোভকারীদের দাবি, আগের সূচি মেনে লোকাল ট্রেন চালাতে হবে এবং‌ লোকাল ট্রেনের সংখ্যা বাড়াতে হবে।

অবরোধের জেরে বর্ধমান মেনের ডাউন লাইনে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে।রাজ্যে বন্ধ রয়েছে লোকাল ট্রেন প্রায় আড়াই মাস। যদিও স্টাফ স্পেশ্যাল ট্রেন চলছে। তাতেই চেপে কর্মস্থলে যাচ্ছেন ওই এলাকার বিভিন্ন মানুষ। কিন্তু ট্রেনের সংখ্যা কম। তাই সেখানে ভিড় হচ্ছে। অফিস–টাইমে ট্রেন বাড়ানোর দাবি করছেন বিক্ষোভকারীরা। স্টাফ স্পেশ্যাল ট্রেনে উঠলে হাওড়ায় ধরপাকড়করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ। এমনকী সব স্টেশনে দৈনিক টিকিট না দেওয়ারও অভিযোগ তুলেছেন তাঁরা। এদিকে আজ সকাল থেকেই রেলস্টেশনের সামনে বিক্ষোভ দেখায় শয়ে শয়ে মানুষ। বন্ধ ট্রেন চলাচল।