Amarinder Singh: ইস্তফা দিলেন পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং

পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিলেন পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং। কিছুক্ষণ আগে রাজভবনে গিয়ে নিজের ইস্তফাপত্র জমা দিয়ে এসেছেন তিনি। 

বিস্তারিত আসছে --


Breaking News: ইস্তফা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী,কারণ ঘিরে জল্পনা

হঠাৎ ইস্তফা দিলেন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানি। আজ শনিবার সাংবাদিক বৈঠক করে মুখ্যমন্ত্রিত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেন তিনি। কেন এই ইস্তফার সিদ্ধান্ত। কারণ ঘিরে শুরু হয়েছে জল্পনা। 

বিস্তারিত আসছে --


৭ বছরেও রাজনৈতিক অনভিজ্ঞ কি বাবুল ?

বাবুল সুপ্রিয়কে সরিয়ে দেওয়া হলো তা বাবুলের সোশ্যাল নেট থেকেই জানা গেলো । বাবুল নিজেই লিখেছেন যে তাঁকে পদত্যাগ করতে বলা হয়েছে । তাঁর ইঙ্গিত যে নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে তা আর বলার অবকাশ রাখে না । দিলীপ ঘোষ অবশ্য জানিয়েছেন, তাঁকে কি স্যাক করলে ভালো হতো ? কিন্তু এসব প্রশ্ন উঠছে কেন ? অন্দরের কথা প্রথমত বাবুল বিধানসভা ভোটে নির্মম ভাবে  পরাজিত হয়েছেন কলকাতার ফিল্মি পাড়া টালিগঞ্জ কেন্দ্রে এবং তাঁর জেতা লোকসভা আসনেও ৭ টির  মধ্যে মাত্র ২ আসন পেয়েছে বিজেপি । কার্যত এই কারণেই কোপ বলেই ধারণা রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের ।



পাশাপাশি বাবুল সুপ্রিয় মূলত রঙিন দুনিয়ার মানুষ । সংগীত শিল্পী একই সাথে সিনেমায় অভিনয়ও করেছেন । আগে কোনও দিন রাজনীতি করেছেন বলে খবর নেই । বাবা রামদেবের কল্যানে রাজনীতিতে আসা এবং মোদির স্নেহাশিসে মন্ত্রী হওয়া । সে যাই হোক না কেন হম্বিতম্বি করা ছাড়া বাবুলের রাজনীতিতে করার কিছু ছিল কি প্রশ্ন দলের অন্দরেই । বিজেপি দলের মধ্যে রঙিন দুনিয়ার বাবুল নাকি চিরকালই 'মস্ত' থাকতেই চেয়েছেন । কার্যত অনভিজ্ঞ বাবুল না পেরেছেন নিজের দপ্তর ভালো ভাবে সামলাতে না পেরেছেন নিজের এলাকায় 'কাজ' দেখাতে । ফলে আগামী দিন হয়তো তাঁকে ফিরে যেতে হবে বলিউডে । কিন্তু সেখানেও দেরি হয়ে যায় নি তো ?

পদত্যাগ করলেন বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ



বিজেপি যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি পদ থেকে পদত্যাগ করলেন বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। মোদীর মন্ত্রীসভা সম্প্রসারণ আগেই দলীয় পদ ছাড়লেন তিনি।  নিজের ফেসবুক পেজে সৌমিত্র লেখেন, ‘আজ থেকে আমি আমার ব্যক্তিগত কারণে যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি পদ থেকে অব্যাহতি নিলাম।’

বিস্তারিত আসছে --

কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা থেকে ইস্তফা দেবশ্রী চৌধুরীর

দেবশ্রী চৌধুরী কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার নারী ও শিশুকল্যাণ দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী ছিলেন।  রায়গঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ  তিনি।

বিস্তারিত আসছে -