মিডিয়া ট্রায়ালে আপত্তি শিল্পার

পর্নকাণ্ডে  জেলবন্দি রাজ কুন্দ্রা, গত ১৯শে জুলাই শিল্পার শেট্টির স্বামীর গ্রেফতারির পর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় রোষের কেন্দ্রবিন্দুতে অভিনেত্রীও। অবশেষে এই মামলা নিয়ে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি জারি করলেন শিল্পা শেট্টি কুন্দ্রা। নায়িকার অভিযোগ এই মামলায় ‘মিডিয়া ট্রায়াল’-এর মুখে পড়ছেন তিনি। আদালতে বা আইনের চোখে দোষী প্রমাণিত হওয়ার আগে তাঁকে সোশ্যাল মিডিয়ায় অপরাধী ঘোষণা করা হচ্ছে। এদিন শিল্পা নিজের বিবৃতিতে জানান, ‘হ্যাঁ! গত কয়েকদিনটা খুব চ্যালেঞ্জিং আমার জন্য, সবক্ষেত্রেই। চারিদিকে অনেক রটনা, এবং অভিযোগের বন্যা। প্রচুর পরিমাণে অযৌক্তিক দাবিদাওয়া আমার নামে চালিয়ে দিচ্ছে সংবাদমাধ্যম এবং আমার শুভাকাঙ্ক্ষীরা। অনেক ট্রোলিং আর প্রশ্ন রাখা হচ্ছে শুধু আমাকে নিয়ে নয়, আমার পরিবারকে নিয়েও’। এদিন শিল্পা নিজের বিবৃতিতে জানান, ‘হ্যাঁ! গত কয়েকদিনটা খুব চ্যালেঞ্জিং আমার জন্য, সবক্ষেত্রেই। চারিদিকে অনেক রটনা, এবং অভিযোগের বন্যা। এদিকে সোশ্যাল মিডিয়ায় নানাভাবে অভিনেত্রী ট্রোলের মুখে পরছেন। আর তাই এবার সোজাসোজি জানালেন, তিনি এই এই মিডিয়া ট্রায়াল বন্ধ করা হোক।

কেচ্ছা কাহিনীতে শিল্পা শেট্টির স্বামী

প্রতিদিনই বহু খবর থাকে । রাজনীতি, অর্থনীতি থেকে খেলা, সংস্কৃতি ইত্যাদি খবরেই মানুষের ঝোঁক বেশি কিন্তু এই মুহূর্তে নজর টেনে নেওয়া খবর বলিউড অভিনেত্রী শিল্পা শেট্টির স্বামী রাজ্ কুন্দ্রা । এর আগেও ২০১৩তে এই যুগলের বিরুদ্ধে নানান কিস্যা উঠে এসেছিলো মুম্বাইতে । সে যাত্রায় ধামা চাপা পড়েছিল তাদের কাহিনী । সবটাই নারী ঘটিত । এই যুগল আইপিএলের একটি দলের মালিক ছিলেন পরে তাঁদের শেয়ার হস্তান্তর হয় ।

বর্তমানে জানা গিয়েছে রাজ্ কুন্দ্রা নাকি কোবিড  কালে 'নীল ছবি' তোলার কাজে নামেন । পর্ণ ছবির এই ঘটনা সম্প্রতি সকলের নজরে আসে কারণ যাদের নিয়ে এই ছবি তোলার কাজে ছিলেন রাজ, তারাই পুলিশের কাছে অভিযোগ করে যে তাদের নগ্ন করা হয়েছে জোর করে এবং রাজ্যের সাথে যৌন কর্মে লিপ্ত হতে বাধ্য করার চাপ দেওয়া হয় । ছবিতে সুযোগ দেওয়ার নামে এই কাজ নাকি রাজ দীর্ঘদিন ধরে করছেন । রাজ্ কুন্দ্রা সহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করে মুম্বাইয়ের বিশেষ শাখা । আজকে এমনও খবর জানা গিয়েছে যে নির্দোষ নন শিল্পাও ।

নগ্ন হতে বলেছিল শিল্পার স্বামী রাজ, বিস্ফোরক অভিনেত্রী সাগরিকা

পর্নোগ্রাফি ফিল্ম তৈরির অভিযোগে গ্রেফতার শিল্পা শেট্টির স্বামী রাজ কুন্দ্রা। সোমবার রাতে তাঁকে গ্রেফতার করে মুম্বই পুলিশ। এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই বিস্ফোরক অভিনেত্রী মডেল সাগরিকা সোনা সুমন।  

সাগরিকার দাবি, ২০২০ সালের একটি ওয়েব সিরিজে অভিনয় করার জন্য তাঁকে অফার করেছিলেন প্রযোজক রাজ কুন্দ্রা। ভিডিয়ো কলের মাধ্যমে অডিশন নেওয়া হয়েছিল তাঁর। অডিশনে পোশাক খোলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আমি প্রত্যাখান করি। 

তিনি আরও বলেছিলেন,"৩/৪ বছর ধরে মডেলিং করছি আমি। কিন্তু খুব বেশি কাজ করিনি। এই লকডাউনের মধ্যেই একটি কাজ পেয়েছিলাম। সেই অভিজ্ঞতা জানাতে চাই সকলকে। অগস্ট মাসে আমি উমেশ কামাটজির কাছ থেকে ফোন পাই। ওয়েব সিরিজের জন্য প্রস্তাব দেওয়া হয় আমায়। বলা হয়, রাজ কুন্দ্রা এই সিরিজের প্রযোজনা করছেন।’’

অন্যদিকে মুম্বই পুলিশের তরফে একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘পর্নোগ্রাফি সিনেমা তৈরি এবং বিভিন্ন অ্যাপের মাধ্যমে তা প্রকাশ করা নিয়ে গত ফেব্রুয়ারিতে একটি মামলা দায়ের করেছিল ক্রাইম ব্রাঞ্চ। তদন্তের পর আমরা রাজ কুন্দ্রাকে গ্রেফতার করেছি। যিনি এই মামলায় মূল ষড়যন্ত্রকারী বলে মনে করা হচ্ছে। সেই মামলায় আমাদের কাছে পর্যাপ্ত তথ্য আছে।’


গ্রেফতার রাজ কুন্দ্রা

পর্নোগ্রাফি ফিল্ম তৈরির অভিযোগে গ্রেফতার করা হল বলিউড অভিনেত্রী শিল্পা শেট্টির স্বামী রাজ কুন্দ্রাকে। সোমবার রাতের দিকে তাঁকে গ্রেফতার করেছে মুম্বই পুলিশ। যে মামলায় ইতিমধ্যে পুলিশের জালে ন'জন ধরা পড়েছেন। মুম্বই পুলিশের তরফে একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘পর্নোগ্রাফি সিনেমা তৈরি এবং বিভিন্ন অ্যাপের মাধ্যমে তা প্রকাশ করা নিয়ে গত ফেব্রুয়ারিতে একটি মামলা দায়ের করেছিল ক্রাইম ব্রাঞ্চ। তদন্তের পর আমরা রাজ কুন্দ্রাকে গ্রেফতার করেছি। যিনি এই মামলায় মূল ষড়যন্ত্রকারী বলে মনে করা হচ্ছে।

সেই মামলায় আমাদের কাছে পর্যাপ্ত তথ্য আছে।’ এক পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, সোমবার কুন্দ্রাকে ডেকে পাঠায় মুম্বই পুলিশের প্রপার্টি সেল। রাত আটটা নাগাদ তিনি হাজিরা দেন। জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে।ওয়েব সিরিজ এবং শর্ট ফিল্মে কাজ দেওয়ার নামে তরুণ-তরুণীদের ফাঁসানোর অভিযোগে পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। যাঁরা ওই তরুণ-তরুণীদের পর্ন ছবিতে অভিনয় করতে বাধ্য করতেন বলে অভিযোগ। পুলিশের দাবি, সেই ভিডিয়োগুলি বিভিন্ন পর্ন সাইট এবং মোবাইল অ্যাপে আপলোড করা হত। ধৃত পাঁচজনকে জিজ্ঞাসাবাদের পর ওই মডেলকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। বাংলো থেকে ৫.৬৮ লাখ টাকার সামগ্রী উদ্ধার করেছিল পুলিশ।